সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নির্বাচন করতে পারছেন না হুইপ ফিরোজ

দেশের খবর: সোনালী ব্যাংক থেকে দশম জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের ২৭ কোটি টাকা ঋণ পুনঃতফসিলের সবশেষ সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
এ আদেশের ফলে আপাতত আ স ম ফিরোজ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আ স ম ফিরোজ পটুয়াখালী-২ আসনের আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার এম রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও এম মাইনুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান। এর আগে চলতি সপ্তাহে পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক হাইকোর্টে রিটটি করেন।
আইনজীবী মাইনুল ইসলাম বলেন, আইনে আছে তিনবারের বেশি ঋণ পুনঃতফসিল করা যাবে না। আ স ম ফিরোজের ক্ষেত্রে আইনের তোয়াক্কা না করে ২০১৮ সালে নবমবারের মতো তার প্রায় ২৭ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়। এ সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। ঋণ পুনঃতফসিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্ট স্থগিত করায় আ স ম ফিরোজ এখন ঋণখেলাপি। তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এসএসসি’র ফরম পূরণে অনিয়ম হলে এমপিও বাতিল: শিক্ষা সচিব

দেশের খবর: এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন। বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) ব্যানবেইজে সততা স্টোরের উদ্বোধন ও দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
সচিব বলেন, ‘বিভিন্ন অজুহাতে ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও এমপিও বাতিল করা হবে। নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।’ এসব ঘটনার জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসাধু শিক্ষক ও কর্মচারীদের দায়ী করেন শিক্ষা সচিব।
অনুষ্ঠানে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করছে। দুদক কাউকে ছাড় দেবে না। দুর্নীতি-অনিয়ম বন্ধে দুদকের অভিযান চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুহাশ হুমায়ূনের চলচ্চিত্র ‘পিৎজা ভাই’

বিনোদনের খবর: পার্থ, একজন পার্টটাইম পিৎজা ডেলিভারিবয়। শুধুমাত্র রাতেই সে এই কাজটা করে। আর দিনে, সে কেউ নন। আর দশটা সাধারণ হেরে যাওয়া মানুষের মতোই তার জীবন। টাকার টানাটানি তো লেগেই আছে। এমনি করেই কেটে যাচ্ছিল পার্থর জীবন। একদিন ঘটনাচক্রে পিৎজা ডেলিভারির সময়, পার্থ জড়িয়ে পড়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে। শহরের উচ্চ পর্যায়ের এলাকাগুলোতে, পিৎজার সঙ্গে সঙ্গে পার্থর হাত ধরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে মাদক। এই অন্ধকার জগতের ঝলমলে আলোয় ক্রমেই হারিয়ে যেতে থাকে সহজ সরল পার্থ।
দিনের আলোর মানুষগুলো কেমন করে রাতের আঁধারে বদলে যায়, এসবের মুখোমুখি হতে হতে একসময় পার্থ হারিয়ে ফেলে নিজেকে। এমনই এক আলো-আঁধারের গল্প নিয়ে নুহাশ হুমায়ূন নির্মাণ করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘পিৎজা ভাই’।
আলফা আই মিডিয়া প্রডাকশনের ব্যানারে নির্মিত এই চলচ্চিত্রের পিৎজা ভাই চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাহাত রহমান। এছাড়াও অভিনয় করেছেন মিশৌরী রশীদ খান, জুনেয়না ফ্রান্সিস কবীর, বায়েজীদ হক জোয়ারদার প্রমুখ।
নুহাশ হুমায়ূনের রচনা ও পরিচালনা এবং শাহরিয়ার শাকিল প্রযোজিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি আগামী ২৪ নভেম্বর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপ অরিজিনাসে উন্মুক্ত হবে। বাংলা ট্রিবিউনকে এমনটাই জানালেন পরিচালক হুমায়ূন আহমেদ পুত্র নুহাশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশের ৭০ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি ঐক্যফ্রন্টের

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৭০ কর্মকর্তাকে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত চিঠি ও তালিকা জমা ইসি সচিবের কাছে জমা দেন।
আলাল বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য পুলিশের দলবাজ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারি কর্মকর্তাকে নির্বাচনী দায়িত্ব না দেওয়া জন্য বলেছি। পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপারের মতো পদধারী ৭০ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছি। যারা সমতল মাঠকে অসমতল করার কাজে ব্যস্ত, তাদের নাম, পদবী, কর্মস্থলসহ সব তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দিয়েছি।
সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আরো বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এসব কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না হয়, এজন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা আমাদের চোখে পড়েছে তার মধ্যে কয়েকটি হলো- রাষ্ট্রপতি, আমাদের সবার শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি; তার পুত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন মনোনয়নপ্রত্যাশী। বঙ্গভবনে এলাকার লোকজন নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে এবং সেখানে তাদের রাষ্ট্রীয় খরচে আদর-আপ্যায়ন করা হয়েছে, যেটা প্রভাব বিস্তারের একটা অন্যতম উদাহরণ হিসেবে আমরা মনে করি।

যে ৭০ জন পুলিশ কর্মকর্তার প্রত্যাহার চাইল বিএনপি

এই তালিকায় রয়েছেন এডিশনাল আইজিপি (প্রশাসন) মোখলেছুর রহমান, র‌্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, এডিশনাল আইজি (টেলিকম) ইকবাল বাহার, ডিআইজি (নৌ পুলিশ) শেখ মো. মারুফ হাসান, ডিআইজি সিলেট রেঞ্জ মো. কামরুল আহাসান, ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ খন্দকার গোলাম ফারুক, ডিআইজি খুলনা রেঞ্জ মো. দিদার আহমেদ, ডিআইজি রাজশাহী রেঞ্জ এম খুরশিদ হোসেন, কমিশনার (ডিআইজি কেএমপি) হুমায়ুন কবির, ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, কমিশনার (ডিআইজি) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ মাহবুবুর রহমান রিপন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি, ঢাকা) মীর রেজাউল আলম, ডিআইজি (সিটি এসবি ঢাকা) মোহাম্মদ আলী মিয়া, ডিআইজি (রংপুর রেঞ্জ) দেবদাস ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি ডিএমপি) কৃঞ্চপদ রায়, ডিআইজি (পুলিশ হেডকোয়ার্টাস) হাবিবুর রহমান, ডিআইজি (অপারেশন পুলিশ হেডকোয়ার্টাস) আনোয়ার হোসেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পলিশনের কমিশনার হাফিস আক্তার, ডিআইজি (ট্রেনিং) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, অরিরিক্ত কমিশনার (ডিএমপি) আবদুল বাতেন, র‌্যাব-৪ এর এডিশনার ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, যুগ্ম কমিশনার (ডিএমপি) শেখ নাজমুল আলম, এডিশনার ডিআইজি (খুলনা রেঞ্জ) একে এম নাহিদুল ইসলাম, এডিশনাল ডিআইজি (খুলনা রেঞ্জ) মো. মনিরুজ্জামান, এডিশনার ডিআইজি (সিলেট রেঞ্জ) জয়দেব কুমার ভদ্র, এডিশনাল ডিআইজি (ঢাকা রেঞ্জ) মো. আসাদুজ্জামান, জয়েন কমিশনার (ডিবি) মাহবুব আলম, এসপি মোল্লা নজরুল ইসলাম, এসপি (টুরিস্ট পুলিশ, সিলেট) আলতাফ হোসেন, ডিসি (তেজগাঁও) বিপ্লব কুমার সরকার, ডিসি ডিএমপি হারুন অর রশীদ, ডিসি রমনা মো. মারুফ হোসেন সরকার, ডিসি (সিএমপি) এস এম মেহেদী হাসান, ডিসি (ডিবি, উত্তর) খন্দকার নুরুন নবী, ডিসি (সিএমপি) মো. ফারুকুল হক, ডিসি (কাউন্টার টেররিজম, ডিএমপি) প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, ডিসি (ডিএমপি) এস এম মুরাদ আলী, এডিসি (ডিএমপি) শিবলী নোমান, এসপি (ঢাকা) শাহ মিজান শফি, এসপি (নায়ারণগঞ্জ) মো. আনিসুর রহমান, এসপি (মুঞ্জিগঞ্জ) মো. জায়েদুল আলম, এসপি (নরসিংদী) মিরাজ, এসপি (টাঙ্গাইল) সনজিত কুমার রায়, এসপি (মাদারীপুর) সুব্রত কুমার হাওলাদার, এসপি (ময়মনসিংহ) শাহ আবিদ হোসেন, এসপি (শেরপুর) আশরাফুল আজিম, এসপি (সিলেট) মো. মনিরুজ্জামান, এসপি (বরিশাল) সাইফুল ইসলাম, এসপি (ভোলা) মোক্তার হোসেন, এসপি (খুলনা) এস এম শফিউল্লাহ, এসপি (সাতক্ষীরা) মো. সাজ্জাদুর রহমান, এসপি (বাগেরহাট) পঙ্কজ চন্দ্র রায়, এসপি (যশোর) মঈনুল হক, এসপি (ঝিনাইদহ) হাসানুজ্জামান, এসপি (কুষ্টিয়া) আরাফাত তানভির, এসপি (চট্টগ্রাম) নূর এ আলম মিনা, এসপি (নোয়াখালী) ইলিয়াস শরীফ, এসপি (ফেনী) এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, এসপি (কুমিল্লা) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, এসপি (রংপুর) মিজানুর রহমান, এসপি (দিনাজপুর) সৈয়দ আবু সায়েম, এসপি (ঠাকুরগাঁও) মনিরুজ্জামান, এসপি (রাজশাহী) মো. শহিদুল্লাহ, এসপি (চাপাইনবাবগঞ্জ) মোজাহিদুল ইসলাম, এসপি (নওগাঁ) ইকবাল হোসেন, এসপি (নাটোর) সাইফুল্লাহ, এসপি (বগুড়া) আশরাফ আলী, এসপি (সিরাজগঞ্জ) টুকুল চক্রবর্তী ও এসপি (পাবনা) রফিক ইসলাম।

যে ২২ কর্মকর্তার প্রত্যাহার চাইল বিএনপি

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ জনপ্রশাসের ২২ জন কর্মকর্তার প্রত্যাহার চেয়েছে বিএনপি। তাদের বিতর্কিত উল্লেখ করে তাড়াতাড়ি প্রত্যাহার করে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহিত দেয়ার দাবি জানায় দলটি। কী কারণে তাদের প্রত্যাহার করা দরকার তাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

নির্বাচন কমিশন সচিবের পদত্যাগের কারণ হিসেবে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিতর্কিত ও অতিমাত্রায় প্রচারমুখী। বিসিএস ৮২ বিশেষ ব্যাচের এবং ৮৪ পদের শতাধিক কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে তাকে সচিব পদে পদায়ন করা হয়। তিনি নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের ডেকে নিয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জেনেছি। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মহীউদ্দীনের একান্ত সচিব ছিলেন। মহীউদ্দীনের ছেলে ব্যারিস্টার নওফেল এখন আওয়ামী লীগের নেতা। যিনি এখন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হিসেবে কমিশনে নিয়মিত যাতায়াত করেন। সচিবের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ।

অন্য কর্মকর্তারা হলেন-জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহমেদ, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, ভোলার ডিসি মো মাসুদ আলম সিদ্দিকী, চট্টগ্রামের ডিসি মো. ইলিয়াস হোসাইন, কুমিল্লার ডিসি মো. আবুল ফজল মীর ফেনীর ডিসি ওয়াহেদুজ্জামান, লক্ষ্মীপুরের ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল, কিশোরগঞ্জের ডিসি সারোয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর ডিসি সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, টাঙ্গাইলের ডিসি মো শহিদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের ডিসি সুরজ কুমার নাথ, খুলনার ডিসি হেলাল হোসাইন, কুষ্টিয়ার ডিসি মো. আসলাম হোসাইন, নড়াইলের ডিসি আঞ্জুমান আরা, ময়মনসিংহের ডিসি ড. শুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, জয়পুর হাটের ডিসি মো. জাকির হোসাইন, নওগাঁর ডিসি মিজানুর রহমান, রাজশাহীর ডিসি আবদুল কাদের ও সিলেটের ডিসি কাজী ইমদাদুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুমিনুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

খেলার খবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল হক। এটা টেস্ট স্পেশ্যালিস্ট খ্যাত এই ব্যাটসম্যানের ৮ম শতক। ৯ চার ও এক ছক্কার সাহায্যে এ মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
এর আগে, সদ্য সমাপ্ত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজেও সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন তিনি। এই প্রতিবেদন লেখার সময় তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮৮ রান। ১৩৮ বলে ১০৭ রানে অপরাজিত মুমিনুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশিদের ‘অন-অ্যারাইভাল’ ভিসা দেবে চীন

দেশের খবর: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অন-অ্যারাইভাল (প্রবেশ মাত্রই) ভিসা দিচ্ছে চীন। অর্থাৎ এখন থেকে শর্ত সাপেক্ষে চীনের অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা।
বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) দেশটির পোর্ট-ভিসা ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়ে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস। এর আগে ঢাকায় দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এক বৈঠকে চীনের জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ঝাও কেঝি এ আশ্বাস দিয়েছিলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীনে ভ্রমণের জন্য সেদেশের পর্যটন সংস্থাগুলোর মাধ্যমে যেতে হবে। বাণিজ্যিক কাজ, প্রকল্পের মেরামত বা অন্য কোনও জরুরি কাজের জন্য কোনো চীনা পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পেতে হবে।’
এই ভিসায় আগত ব্যক্তিরা চীনে ৩০ তিন অবস্থান করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনী প্রস্তুত: সেনাপ্রধান

দেশের খবর: দেশের যেকোনো প্রয়োজন-সংকটে ভূমিকা রাখতে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে খেতাবপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতে দেশ ও দেশের বাইরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে এখন পর্যন্ত যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শোক ও শ্রদ্ধা জানান সেনাপ্রধান।

জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘দেশের যেকোনো প্রয়োজনে সাড়া দিয়ে জনগণের সঙ্গে একাত্ম হয়ে দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করতে সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত। দেশের অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আদর্শিক প্রেরণায় সেনাবাহিনীর সদস্যগণ অর্পিত সকল দায়িত্ব নিরলসভাবে পালন করে চলেছে। ’
সেনাপ্রধান বলেন, ‌‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জঙ্গি দমন থেকে শুরু করে দেশের জন্য বড় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে এই প্রথমবারের মতো শান্তিকালীন সময়ে প্রশংসনীয় এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ জনকে ‘অসামান্য সেবা পদক’ এবং ১৯ জন সেনা সদস্যকে ‘বিশিষ্ট সেবা পদক’ পরিয়ে দেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘৩০০ আস‌নে প্রার্থী দি‌তে না পারা লজ্জার’

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গত কয়েক মাসে একাধিকবার বলেছেন, তার দল একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু জোটগতভাবে ভোটে আসলে জাপার সামনে সেই সুযোগ নেই। এমতাবস্থায় দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মনে করছেন, ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার প্রচারণা চালিয়ে এখন না দি‌তে পার‌লে সেটা জাতীয় পার্টি জন্য লজ্জার কারণ হবে। তারা ম‌নে কর‌ছেন, বর্তমানে জোটের রাজনীতিতে ৪০ আসনেও লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়াই করার সুযোগ নেই জাপার।
মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বলছেন, পার্টির চেয়ারম্যানের এটাই শেষ নির্বাচন। সে লক্ষ্যে তৃণমূলকে ওইভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু জোটগতভাবে আসন বিন্যাসের কারণে তৃণমূলকে লজ্জার সম্মুখীন হতে হবে। এমন পরিস্থিতি তৃণমূল নেতারাও স্বাভাবিকভাবে ‌কি মেনে নেবেন?

পিরোজপুর-৩ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী রুস্তুম আলী ফরাজী। তিনি ওই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে জয়লাভ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের আবেগকে বেশি জাগ্রত করা হয়েছিলো কেন্দ্রের নির্দেশে। কারণ পার্টির চেয়ারম্যানের শেষ নির্বাচনে তাঁকে সম্মানের স্থানে রাখতে হবে।’
‌রুস্তুম আলী আরও ব‌লেন, ‘কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের নির্দেশের ঠিক উল্টো পরিস্থিতি মোকাবিলা কঠিন। স্থানীয় রাজনীতিতে নানা কটূ কথার সম্মুখীন হতে হবে। তবে জোটের রাজনীতিতে এটা মেনে নিতে হবে।’

শরীয়তপুর-৩, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, দিনাজপুর-১, দিনাজপুর-২, দিনাজপুর-৫, বাগেরহাট-১, ঢাকা-১, পিরোজপুর-৩। এসব আসনগুলোতে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে লড়াই করার সকল প্রস্তুতি নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এখন বলছেন, জাতীয় পার্টির একক নির্বাচন করা উচিৎ।

শরীয়তপুর-৩ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. আবদুল হান্নান বলেন, ‘৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার কথা বলে সেখান থেকে সরে দাঁড়ানো পার্টির জন্য লজ্জার।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টি ৯ বছর দেশ পরিচালনা করেছে। সেই দল দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে পূর্বের থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে। এই অবস্থান ধরে রাখার জন্য ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়া উচিৎ।’

একই কথা বলছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মো মামুন। তিনি বলেন, ‘দেশে জাপার অবস্থান কতোখানি শক্তিশালী তা বোঝার সুযোগ চলছে। এই মুহূর্তে জাপার শক্তি প্রদর্শন না হলে চাঙ্গা হওয়া তৃণমূল হারিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার ঘোষণার ফলে অনেক ব্যবসায়ী আমাদের কাছে এসেছে। এখন যদি নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তাহলে সব হারাতে হবে। যা আমাদের জন্য সত্যিই লজ্জার।’ তিনি জানান, এই আসনে ৪ বার লাঙ্গল জয়লাভ করেছে। ১৯৮৬, ৮৮, ৯১ ও সবশেষ ২০০১ সালের নির্বাচনে লাঙ্গলের জয় কেউ আটকাতে পারে নাই।

প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চাওয়া এই প্রার্থী বলেন, ‘জাতীয় পার্টির জন্য দেশে এমন অনেক আসন আছে, যেখানে লাঙ্গল প্রতীক দিলে প্রার্থী জয়লাভ করবেই। কিন্তু সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।’
দিনাজপুর-১, দিনাজপুর-২, দিনাজপুর-৫, বাগেরহাট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ৩০০ আসনে লড়াই করার পরামর্শ দিয়েছেন।
তারা বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলকে উজ্জীবিত করা হয়েছে ৩০০ আসনের কথা বলে। একই সাথে পার্টির চেয়ারম্যানের শেষ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী না দিলে পার্টির অবস্থান বোঝা যাবে না।

দিনাজপুর-৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সোলেয়মান সামী। তিনি ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলান। সামী বলেন, ‘দলের অবস্থান স্পষ্ট হওয়া উচিৎ। সারা বছর এক কথা নির্বাচনের পূর্বে আরেক কথা পার্টির জন্য ভালো ফল বহন করবে না। এতো দিন তৃণমূলে ৩০০ আসনের কথা বলে এসেছি। এখন যদি জানাই ৫০ আসনেও লাঙ্গল প্রতীক পাবে না- এটা সবার জন্য লজ্জার।’

দিনাজপুর-১ আসন থেকে লাঙ্গলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন মো. মাহাবুব আলম। ওই আসন থেকে তিনি একক প্রার্থী। দিনাজপুর-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মো. জুলফিকার হোসেন। এই আসনেও তিনি জাপার একক প্রার্থী।

বাগেরহাট-১ আসন থেকে জাতীয় পার্টির অনেক প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। জাপার অঙ্গসংগঠন ওলামা পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম আল জুবায়ের জানান, ওই আসনে জাপার হয়ে লড়াই করার সকল প্রস্তুতি তার রয়েছে।

তবে তিনি মনে করেন, মহাজোটের কারণে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে না পারা লজ্জার নয়। তার কারণ হিসেবে বলছেন, জোটের রাজনীতিতে সকল আসনে নেতাকর্মীরা কোন না কোন দলের প্রার্থী পাবেন। তাই নির্বাচনী মাঠে থাকা নিয়ে কোনও চিন্তা থাকবে না।

একই কথা বলছেন ঢাকা-১ আসনে জাপার মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়া সালমা ইসলাম। তিনি বলেছেন, জোটের রাজনীতির কারণে অনেক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় পার্টিকে। এর জন্য লজ্জা পাবার কিছু নেই।
তিনি বলেন, ‘তবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার কথা বলার পরেও যদি জাতীয় সংসদে জোটের মাধ্যমে অনেক এমপি নিয়ে প্রবেশ করতে না পারা যায়, সেক্ষেত্রে সেটা হবে লজ্জার।’

এদিকে গত ২০ নভেম্বর জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ। ওই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে এরশাদের বক্তব্যের সময় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একটু পর পর ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার স্লোগান দেন। এরশাদের ১০ মিনিটের বক্তব্যের মধ্যে ৬ মিনিটের অধিক সময় ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার দাবি জানান মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
এরশাদের পরে পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদের বক্তব্যের সময় একই দাবি জানানো হয়। সেইসঙ্গে তৃণমূলের কাছে উত্তর কী দেবে তারও জবাব জানতে চাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest