সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

আইসিইউতে ছাত্রলীগ সম্পাদক

অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল থেকে গ্রীন লাইফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রীন লাইফে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর তত্ত্বাবধানে তাকে ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটতে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
রাব্বানীর চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিল ভূঁইয়া তানভীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এর আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর উনাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত দু’দিন চিকিৎসার পর আজ সকালে তাকে স্কয়ারের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানকার ডাক্তারদের পরামর্শে গ্রীন লাইফে অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।

গত ৩১ জুলাই গোলাম রাব্বানী ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তার সঙ্গে সভাপতি হন কুড়িগ্রামের রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা নাগরিকদের ফেরত নিতেই হবে মিয়ানমারকে: ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকায় নবনিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের উচিত তাদের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়া।’

আজ মঙ্গলবার ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান।
বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পুনরায় গুরুত্ব আরোপ করেন।
বিপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে তাঁর সরকারের পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী আবাসনের জন্য তাঁর সরকার নোয়াখালীতে একটি চরের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।
দেশের গণতন্ত্রের প্রসঙ্গ উঠলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ চাই।’
উইনি এস্ট্রাপ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চমকপ্রদ আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভূয়শী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আপনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে জানতে পেরে আনন্দিত হয়েছি।’

দেশের উন্নয়নে তাঁর সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সরকারের ধারবাহিকতা বজায় থাকায় এখন উন্নয়নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের খাদ্য নিরাপত্তাসহ মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করতে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।’ বাসস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় নির্মাণাধীন ১০তলা ভবন থেকে পড়ে তিন শ্রমিক নিহত

অনলাইন ডেস্ক: খুলনায় একটি নির্মাণাধীন ১০তলা ভবন থেকে পড়ে তিনজন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর খালিশপুরের নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন (বানৌজা তীতুমীরে) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মো. মহিদুল ইসলামের ছেলে মো. সায়েম (২০), রহিম উদ্দিনের ছেলে মো. রমজান (৩৫) ও নূর ইসলামের ছেলে মো. নূর আলম (১৮)। নিহত নির্মাণ শ্রমিকদের বাড়ি নীলফামারি জেলার জলঢাকা উপজেলার উত্তর দেশিবাড়ী গ্রামে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বানৌজা তীতুমীর কম্পাউন্ডে ওয়াহেদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের নির্মাণাধীন ১০তলা ভবনে কাজ করছিল নির্মাণ শ্রমিকরা। নবম তলায় কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত উক্ত তিন শ্রমিক নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) সোনালী সেন বলেন, বানৌজা তীতুমীর কম্পাউন্ডের ১০ তলা ভবনের নবম তলায় প্লাস্টারের কাজ করার সময় বাঁশের ভারা ভেঙ্গে তিনজন শ্রমিক নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং খুমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজন মারা যায়। এটিকে প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনা বলেই উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে অপমৃত্যু মামলার পর তদন্ত করে দেখা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওয়াহেদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম সজিব বলেন, কাজ চলা অবস্থায় বাঁশের মাচা ভেঙ্গে হঠাৎ করে তারা পড়ে যায়। নিচে পড়ে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি দুজন হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরণার্থী শিশুদের শিক্ষার সুযোগ দিন: জাতিসংঘ

বিদেশের খবর: বিশ্বব্যাপী অভিবাসী ও শরণার্থী শিশুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ বিভিন্ন দেশকে তার দেশের শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে এসব শিশুকে যুক্ত করার আহবান জানিয়েছে। খবর এএফপি’র।
ইউনেস্কো সাংস্কৃতিক সংস্থা মঙ্গলবার তাদের ২০১৯ সালের গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং প্রতিবেদনে বলেছে, অভিবাসী ও শরণার্থী শিশুর সংখ্যা ২০০০ সাল থেকে ২৬ শতাংশ বেড়ে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখে দাঁড়িয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাধ্য হয়ে গৃহহীন হয়ে পড়া বিশ্বের মোট লোকের প্রায় অর্ধেকের বয়স ১৮ বছরের নিচে। আর অভিবাসন প্রত্যাশী এসব শিশু যেসব দেশে আশ্রয় নিচ্ছে সেসব দেশের সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের শিক্ষা গ্রহণের তেমন কোন সুযোগই নেই।
এছাড়া এসব শিশুকে শিক্ষার বাইরে রাখতে না চাইলেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নানা ধরণের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। যেমন এসব অভিবাসী শিশুকে ভাষা শিক্ষা দেয়ার মতো সামর্থ্য ওইসব দেশের হয়তো থাকে না।
লেবানন ও জর্ডান নাগরিক ও শরণার্থীদের জন্য সকাল ও বিকেলে পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে। প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের কারণে বহু লোক পালিয়ে গিয়ে এ দুটি দেশে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে ২০১৫ সালে কার্যকর করা চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের উন্মুক্ত নীতির অংশ হিসেবে শরণার্থী শিশুদের যথাযথ শিক্ষা দিতে আর্থিকভাবে শক্তিশালী দেশ জার্মানির ৪২ হাজার নতুন শিক্ষক প্রয়োজন হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের পরীক্ষার সুযোগও দুর্নীতি: দুদক চেয়ারম্যান

দেশের খবর: টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াও এক ধরনের জঘন্য দুর্নীতি বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
মঙ্গলবার অফিস থেকে বের হওয়ার সময় দুদক চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের এক অনির্ধারিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, যেসব স্কুল এই অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে, তারা একটি মামলাযোগ্য অপরাধ সংগঠিত করেছে। এর বিরুদ্ধে দুদক ব্যবস্থা নেবে। এরই মধ্যে এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে কঠোর।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুদককে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়েছে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, এই ঘটনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত মর্মাহত। এ বছরের শুরুতেই এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষাবোর্ড ও মন্ত্রিপরিষদকে এ বিষয়ে সুপারিশ দিয়েছিলাম। অথচ এখন প্রতিদিনই আমাদের কাছে হাজার হাজার অভিযোগ আসছে। আমরা এরইমধ্যে অ্যাকশনে গিয়েছি। জেলা অফিসগুলোকে অ্যাক্টিভ করেছি। জেলা প্রশাসকদের লিখিত ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন’ প্রকল্পে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা

দেশের খবর: দেশের প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলের অধিক ভাঙা রাস্তা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ‘গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন’ শিরোনামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা। যা পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদকালে এটি বাস্তবায়িত হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ এ সমস্ত রাস্তা মেরামত ও সংস্তার না করার ফলে কৃষিজাত পণ্যের বাজারজাতকরণের সুবিধা পাচ্ছে না প্রান্তিক কৃষক। একইসঙ্গে গ্রামীণ জনগণের বাণিজ্যিক সুবিধা ও কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে না, ফলে দারিদ্র বিমোচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এসব কারণেই দেশের ৬৪ জেলার ৪৮২টি উপজেলার চার হাজার ৭১৭ কিলোমিটার অধিক ভাঙা রাস্তা মেরামত ও সংস্কারের জন্য প্রকল্পটি প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

প্রকল্প প্রস্তাবনা সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ৪ হাজার ৭১৭ কিলোমিটার গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন (বিসি) হবে। বেজকোর্স শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম সড়কের পুনর্বাসন করা হবে ২ হাজার ২৮১ কিলোমিটার।

সূত্র জানিয়েছে, দেশের গ্রামাঞ্চলের সড়কের রক্ষণাবেক্ষণের ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে যে বরাদ্দ পাওয়া যায়, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এ কারণে বিদ্যমান সড়কের একটি বড় অংশ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে বিনিয়োগ করা সরকারি সম্পদেরর অপচয় হচ্ছে এবং পল্লী জীবনের কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের জনগণ। এ কারণে গ্রাম সড়কের পুঞ্জিভূত রক্ষণাবেক্ষণের পরিমাণ কমিয়ে বিশেষ করে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করে সমগ্র দেশের গ্রামীণ জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন’ শিরোনামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি সারাদেশের সহজ এবং নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, কৃষিজাত পণ্যের বাজারজাতকরণের সুবিধা এবং গ্রামীণ জনগণের বাণিজ্যিক সুবিধা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা দারিদ্র বিমোচনে সহায়ক হবে। গ্রামীণ অর্থনৈতিক গতিশীলতা আসবে। এ লক্ষ্যেই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থের যোগান নিশ্চিত করে মোট ৩ হাজার ৮৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ধরে নভেম্বর থেকে শুরু করে ২০২১ সালের ৩০ জুন মেয়াদকালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়। ১ নভেম্বর তারিখে প্রকল্পটির ওপর পিইসির (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিইসি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোট ৩ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করে ডিপিপি পুনর্গঠন করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে একনেকের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্রাম্য সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সড়ক অবকাঠামো ও সম্পদ সংরক্ষণ করা সহজ হবে। গ্রাম সড়কের ব্যাক লগ মেনটেইনেন্সের পরিমাণ কমানো এবং গ্রাম অঞ্চলের সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য নিরাপদ, সুষ্ঠু ও যথাযথ পরিবহন সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে পরিবহন ব্যয় ও সময় সাশ্রয় হবে। এছাড়াও বিভিন্ন পণ্যের বাজারজাত ব্যবস্থার সহজীকরণ হবে। সড়ক অবকাঠামোসমূহ মেরামত ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে কৃষি, অকৃষি খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখা সহজ হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাল ছাড়েননি বাদপড়ারা চলছে চেষ্টা-তদবির

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য তালিকা থেকে বাদ পড়া দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এখনও হাল ছাড়েননি। তারা শেষ মুহূর্তের চেষ্টা-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কয়েকজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। মনোনয়নের তালিকা থেকে বাদ পড়া কয়েকজন এমপি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কথা বলেছেন। দলের অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তারা নিবিড় যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফোরামের (বিএনএফ) সভাপতি এস এম আবুল কালাম আজাদ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

এস এম আবুল কালাম আজাদ ঢাকা-১৭ আসনের এমপি। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাও এই আসনে মনোনয়ন চাইছেন। তবে আওয়ামী লীগ এই আসনে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের নাম চূড়ান্ত করেছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ চাইলে আসনটি তাকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা বলেন, সংসদীয় বোর্ডের সদস্যরা দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে গতকালও গণভবনে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে খসড়া প্রার্থী তালিকায় থাকা হাতেগোনা কয়েকটি আসনে প্রার্থী রদবদল এবং আরও কয়েকটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ১৪ দলীয় জোট ও মহাজোটের শরিকদের জন্য রাখা আসনগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়েও কথা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে সংসদীয় বোর্ড সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ওবায়দুল কাদের, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান ও রমেশ চন্দ্র সেন। এ বৈঠকে মহাজোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গেও কথা হয়েছে। কাল-পরশুর মধ্যে এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে গতকাল গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে মাদারীপুর-৩ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার অনুরোধ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দুই নেতাকে নির্দেশ দেন। এই আসনে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌরসভা মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু ও সাবেক এমপি সফিকুল ইসলাম অপু ঝিনাইদহ-২ আসনে দলের প্রার্থিতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন তাহজীব আলম সিদ্দিকী। তিনি বর্তমান সংসদের স্বতন্ত্র সদস্য। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজের প্রার্থিতা নিয়ে কথা বলেছেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের এমপি অনুপম শাহজাহান জয়। তিনি গতকাল ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গেও দেখা করেন। অনুপম শাহজাহান জয় দলের মনোনয়ন পাননি।

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদারও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি ফরিদপুর-১ আসনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তবে খসড়া প্রার্থী তালিকায় এ আসনে সাবেক সচিব ও রূপালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেনের নাম রয়েছে। গাজীপুর-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট রহমত আলীর ছেলে জামিল হাসান দুর্জয়ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি দলের মনোনয়ন চেয়েছেন। তবে খসড়া প্রার্থী তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজের নাম রয়েছে।

এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগের খসড়া প্রার্থী তালিকায় বর্তমান এমপি দিদারুল আলমের নাম রাখা হয়নি। এ আসনে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। তিনি বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হলেও পরে আওয়ামী লীগে ফিরে এসেছেন। এম মনজুর আলম বর্তমান এমপি দিদারুল আলমের আপন চাচা।

তিনি ছাড়াও চট্টগ্রাম-১ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ আসনে ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আসনে ডা. আফছারুল আমীন. চট্টগ্রাম-১১ আসনে এম আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ আসনে সামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে অধ্যাপক ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর নাম প্রাথমিকভাবে মনোনয়নের তালিকায় রয়েছে।

ফেনী-৩ এবং লক্ষ্মীপুর-৪ ছাড়া বৃহত্তর নোয়াখালীর আর কোনো আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় রদবদল করা হয়নি। ফেনী-৩ আসনে জাতীয় পার্টি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিকল্পধারাকে ছাড় দেওয়া হবে। অন্য আসনগুলোর মধ্যে ফেনী-২ আসনে নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ আসনে মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ আসনে মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-৪ আসনে একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ আসনে ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আসনে আয়েশা ফেরদাউস, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে একেএম শাহজাহান কামালের নাম রয়েছে।

টাঙ্গাইল-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটুর নাম রয়েছে। এ আসনের এমপি খন্দকার আবদুল বাতেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল-১ আসনে ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৪ আসনে হাসান ইমাম খান ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে ছানোয়ার হোসেন দলের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন। টাঙ্গাইল-২ আসনের এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামান ও টাঙ্গাইল-৩ আসনের এমপি আমানুর রহমান রানা দলের মনোনয়ন পাননি।

রাজবাড়ী-১ আসনে কাজী কেরামত আলী এবং রাজবাড়ী-২ আসনে জিল্লুল হাকিম আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন।

এ ছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় আরও রয়েছেন পঞ্চগড়-২ আসনে অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম বাবু, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক, নীলফামারী-১ আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-২ আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক চৌধুরী, রংপুর-৪ টিপু মুনশি, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৩ ডা. ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৫ অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবুর রহমান, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ আবদুল মালেক, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ প্রকৌশলী এনামুল হক, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-৪ অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ ডা. হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আবদুল মজিদ মণ্ডল, সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন দোদুল, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুবউল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ আবদুর রউফ, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আজগার টগর, যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য্য, যশোর-৬ ইসমাত আরা সাদেক, মাগুরা-১ অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ বীরেন শিকদার, নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মুর্তজা, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-২ অ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন্নাহার, বাগেরহাট-৪ ডা. মোজাম্মেল হোসেন, খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ আবদুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, বরগুনা-১ অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাচানুর রহমান রিমন, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-২ অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস, বরিশাল-৪ পংকজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা আফরোজ, ঝালকাঠি-১ বজলুল হক হারুন, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, পিরোজপুর-১ অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজুওয়ান আহমেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন, মানিকগঞ্জ-১ এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন, মুন্সীগঞ্জ-২ সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা-২ অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা, ঢাকা-৭ হাজি মোহাম্মদ সেলিম, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতুল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক আসলাম, ঢাকা-১৫ কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, ঢাকা-১৮ অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ ডা. এনামুর রহমান, ঢাকা-২০ বেনজির আহমেদ, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ চুমকি, নরসিংদী-১ লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক, নরসিংদী-২ আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু, নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ এ কে এম শামীম ওসমান, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ কাজী জাফর উল্লাহ, গোপালগঞ্জ-১ লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা, মাদারীপুর-১ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, শরীয়তপুর-১ ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, জামালপুর-৪ ডা. মুরাদ হাসান, শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ এ কে এম ফজলুল হক চান, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-৬ অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মানু মজুমদার, নেত্রকোনা-২ আরিফ খান জয়, নেত্রকোনা-৩ অসীম কুমার উকিল, সুনামগঞ্জ-১ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৫ মুহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-১ আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমদ, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ, মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দা সায়রা মহসিন, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, হবিগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট আবু জাহির, হবিগঞ্জ-৪ মাহবুব আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১ মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৫ অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস, কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, কক্সবাজার-১ জাফর আলম, কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার-৪ শাহীন চৌধুরী, খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ও বান্দরবান আসনে বীর বাহাদুর উশৈ সিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে মুশফিক-মিরাজ

খেলার খবর: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের দুই নায়ক তারা। পারফরম্যান্সের প্রতিফলন পড়ল আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়েও। টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো সেরা বিশে ঢুকেছেন মুশফিকুর রহিম। বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে নিজের ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে উঠেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

মিরপুর টেস্টে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিক। গড়েন বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড। ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ১৮ নম্বরে। তার আগের ক্যারিয়ার সেরা অবস্থান ছিল গত বছরের জুলাইয়ে ২১তম।

মিরাজ দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে নিয়েছেন ৮ উইকেট। বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ৭ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ২৮ নম্বরে।
মিরাজের ঠিক ওপরেই আছেন তাইজুল ইসলাম। মিরপুর টেস্টে এই বাঁহাতি স্পিনার দুই ইনিংস মিলিয়ে নিয়েছেন ৭ উইকেট। তিন ধাপ এগিয়ে ২৭ নম্বরে উঠলেও তাইজুলের এটি সেরা র‌্যাঙ্কিং নয়। ২০১৫ সালের মে মাসে উঠেছিলেন ২৬ নম্বরে।
অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন এই সিরিজ না খেলা সাকিব আল হাসান। তার চেয়ে তিন রেটিং পয়েন্ট পেছনে থেকে দুইয়ে রবীন্দ্র জাদেজা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ ড্র করে বাংলাদেশ দল হারিয়েছে ৬ রেটিং পয়েন্ট। নয় নম্বরে আছে তারা ৬১ পয়েন্ট নিয়ে। আটে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট ৭৬।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest