সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

জামায়াত নেতার জন্য কাঁদলেন আ.লীগের এমপি

দেশের খবর: কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রয়াত জিএম রহিম উল্লাহর নামে সড়কের নামকরণ ও পরিবারের নামে জমি বরাদ্দ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল।
কমল কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের বর্তমান এমপি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা ছিল জিএম রহিম উল্লাহর।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জিএম রহিম উল্লাহর জানাজা শেষে সবার উদ্দেশ্যে জামায়াত নেতার নামে সড়কের নামকরণের ঘোষণা দেন এমপি কমল।
একইসঙ্গে প্রয়াত জামায়াত সেক্রেটারি জিএম রহিম উল্লাহর পক্ষে উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে দোয়া ও ক্ষমা চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এমপি কমল।

তিনি বলেন, রহিম উল্লাহ ভাই বড়মাপের রাজনৈতিক নেতা। উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার পরও ভাড়া বাসায় থাকতেন। ঠিকমতো বাড়ি ভাড়া দিতে পারতেন না। তার পরিবার এখন অসহায়। তাই তার জানাজার মাঠে আপনাদের কথা দিলাম, রহিম উল্লাহ ভাইয়ের পরিবারের জন্য একটি জায়গার ব্যবস্থা করে দেব। তার নামে একটি সড়কের নামকরণেরও ব্যবস্থা করব।

এমপি কমল বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় আমার সঙ্গে রহিম উল্লাহ ভাইয়ের কোনোদিন কোনো বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়নি। বরং সমন্বয় করে কাজ করতাম। তার প্রশাসনিকভাবে কোনো কিছু করার প্রয়োজন হলে আমাকে দিয়ে ফোন করাতেন। আমিও তার কোনো প্রকল্প আটকে রাখতাম না। আজ পবিত্র দিনে আমরা প্রিয় মানুষটিকে হারিয়েছি। উনি কোনো ভুল করে থাকলে আপনারা ক্ষমা করবেন। ওনার জন্য দোয়া করবেন সবাই।

এদিকে, কমলের এ ঘোষণার পর আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য কমল এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, ব্যক্তি কমল যে কাউকে সহযোগিতা করতে পারেন। তবে কোনো ব্যক্তির নামে সড়কের নামকরণে ক্ষমতা রাখেন না তিনি। তার ঘোষণাটি নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কৌশল।

কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজিবুল ইসলাম বলেন, মুসলমান হিসেবে যে কারো জানাজায় যাওয়া সবার নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু আওয়ামী লীগের একজন এমপি হিসেবে এই ঘোষণা রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা ছাড়া আর কিছুই না। মূলত সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য এই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা এবং সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানকে (মেয়র) কয়েকবার ফোন করা হলে সংযোগ না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার সদর উপর উপজেলা চেয়ারম্যান জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জিএম রহিম উল্লাহ মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) কক্সবাজার শহরের আবাসিক হোটেল সাগরগাঁওতে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যান।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা ছিল জিএম রহিম উল্লাহর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন পাবে না শোডাউনকারীরা

দেশের খবর: নির্বাচনী বিধি ও দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে বিএনপির যেসব মনোনয়ন প্রত্যাশী সাক্ষাৎকার দিতে এসে তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে শোডাউন দিচ্ছেন, তাদের মনোনয়ন দেয়া হবে না হুঁশিয়ার দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে শেষদিনের মতো দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া শুরু হয়। এ সময় ঢাকা বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও সাংগঠনিক বিভাগ ফরিদপুরের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তাদের কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেয়। ফলে স্বাভাবিক যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।

তখন মির্জা ফখরুল চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার বেলকনি থেকে মাইকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, শেষবারের মতো বলছি, এখন যারা কর্মী- সমর্থকদের নিয়ে শোডাউন দিচ্ছেন, তার শোডাউন বন্ধ করুন। মুল রাস্তা ছেড়ে দিয়ে পাশের গলিতে অবস্থান করুন। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখুন। যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে না।
তিনি আরও বলেন, যারা শোডাউন দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন, কাজের স্বাভাবিক পরিবেশে বিঘ্ন ঘটাবেন, তাদের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হবে না।

মহাসচিবের বক্তব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী সমর্থকদেরও কানে লাগছে না, এরপর থেকে দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদও অনবরত মাইকিং করে মনোনয়ন প্রত্যাশী সমর্থকদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিচ্ছেন। তাতেও তারা সরছে না। ভিড় জমাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ের পাশে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ নভেম্বর থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু হয়। প্রতিদিন বিএনপির নেতা-কর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হিলারির পর একই অভিযোগে তোপে ইভাঙ্কা

বিদেশের খবর: সরকারি কাজে ব্যক্তিগত ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এবার তোপের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে এবং হোয়াইট হাউসের শীর্ষ উপদেষ্টা ইভাঙ্কা ট্রাম্প। এর আগে ২০১৬ সালে একই অভিযোগ উঠেছিল হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে।

মার্কিন শীর্ষ গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এর খবরে বলা হয়েছে, ইভাঙ্কা তার নিজের মেইল থেকে বিভিন্ন স্থানে শত শত মেইল পাঠিয়েছেন। যেসব ই-মেইলের বেশিরভাগই হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন সহযোগী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও ইভাঙ্কার নিজের সহকারীদের কাছে পাঠানো।
ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, ইভাঙ্কা এতে করে সরকারি রেকর্ড সংক্রান্ত যে গোপনীয়তা বজায় রাখার নিয়ম তা লঙ্ঘন করেছেন।

এর আগে ২০১৬ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কংগ্রেস প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ এনেছিলেন ট্রাম্প। তখন হিলারিকে জেলে পাঠানোর দাবি জানিয়েছিলে তিনি।

তবে এবার নিজের মেয়ে ইভাঙ্কার ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহার নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
অপরদিকে ইভাঙ্কাকে সরকারের অংশ উল্লেখ করে তার আইনজীবী আবে লোয়েল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইভাঙ্কা মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোলমরিচ নিয়ে সাতটি অজানা তথ্য!

স্বাস্থ্য কণিকা: চাইনিজ খেতে যান কিংবা ডিমসিদ্ধ, একটু গোলমরিচের গুঁড়ো ছড়িয়ে নিলে বেশ ভালই লাগে। অনেকে আবার মনে করেন, গোলমরিচ খেলেই বোধহয় পেট গরম করে।

কিন্তু, ‘অথুল্য আয়ুর্বেদিক মেডিকেল রিসার্চ কেন্দ্র’র মতে, শুধু স্বাদই নয়, গোলমরিচের বেশ কয়েকটি উপকারিতাও রয়েছে। গোলমরিচের এমন সাতটি উপকারিতা হচ্ছে;

১. গোলমরিচ পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণের মাত্রা বাড়ায়। তাই এটি হজমে সাহায্য করে। আর হজম ঠিক থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়েরিয়ার মতো সমস্যাকে এড়ানো যায়। পেটে গ্যাস হওয়া রুখতেও গোলমরিচের জুড়ি মেলা ভার।

২. গোলমরিচ খেলে ঘাম বেশি হয়। ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন কমতে থাকে।

৩. গোটা মরিচের খোসা অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। ফলে গোলমরিচ দেওয়া খাবার খেলে কমতে থাকে শরীরের অতিরিক্ত মেদ।

৪. আপনারা যারা অতিরিক্ত ধুমপান করেন, গোলমরিচ তেলের গন্ধ নিয়মিত সেবন করলে, বা সরাসরিভাবে গোলমরিচ খেলে ধুমপানের অভ্যাস কমবে।

৫. ত্বকের রোগ থাকলে তার চিকিৎসাতেও কাজে লাগে গোলমরিচ। গোলমরিচ গুঁড়ো করে, স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর হয়। ফলে ত্বকে সহজে অক্সিজেন চলাচল করতে পারে। এছাড়া পিগমেন্টেশন ও ভ্রণ দূর করতেও সাহায্য করে গোলমরিচ।

৬. নাক বন্ধ থাকা, হাঁপানি ইত্যাদি সারাতে সাহায্য করে গোলমরিচ। এক কাপ গরম জলে এক টেবিল চামচ গোলমরিচ এবং দুই টেবিল চামচ মধু দিয়ে খেলে শ্লেষ্মা দূর হয়।

৭. দাঁতে ক্যাভিটি বা ব্যথা থাকলে, গোলমরিচ সেই ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চায়ের ৬টি মারাত্মক ক্ষতিকর দিক

স্বাস্থ্য কণিকা: চা ছাড়া আধুনিক জীবন কল্পনা করা যায় না। কিন্তু চায়ের কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে যেগুলো নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। চায়ের ৬ টি ক্ষতিকর দিক নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। সেগুলো হচ্ছে:

১. ঘুমহীনতা
চায়ের ক্যাফেইন ঘুমের মধ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত চা পান ঘুমের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য
চায়ের মধ্যে থাকা থিওফাইলিন নামে একটি রাসায়নিক উপাদান শরীরে ডিহাইড্রেশনের কারণ হতে পারে যেটা হজমে সমস্যা তৈরি করে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।

৩. উদ্বেগ ও অস্থিরতা
ঘুমে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে উদ্বেগ ও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

৪. গর্ভপাতের ভয়
গর্ভবতী নারীদের চা পান সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত। চা-তে উপস্থিত ক্যাফেইন ভ্রুণের বিকাশে বাধা প্রধান করতে পারে যেটা গর্ভপাত ঘটাতে পারে।

৫. ক্যান্সারের ভয়
চায়ের সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো অতিরিক্ত চা পান প্রোস্টেট ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা চা পান করে না এবং যারা প্রচুর চা পান করে তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চা পানকারীদের প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

৬. হৃদরোগের সমস্যা
হৃদপিণ্ডের জন্য ক্যাফেইন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যাদের হৃদযন্ত্রের সমস্যা আছে বা যারা হৃদরোগ থেকে আরোগ্য লাভ করছেন তাদেরকে চা এড়িয়ে চলা উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলপাই পাতার রসের স্বাস্থ্য উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: জলপাই এবং জল্পাই তেলের নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য সুপরিচিত এবং এটি রান্নায় ও সৌন্দর্য কাজে ব্যবহার করা হয় ব্যাপক ভাবে। কিন্তু জলপাই পাতা উপেক্ষিতই থেকে গেছে। প্রাচীন মিশরে ঔষধ হিসেবে প্রথম ব্যবহার করা হয় জলপাই পাতা এবং জলপাই পাতা ছিল স্বর্গীয় শক্তির প্রতীক। ১৮০০ শতকের গোড়ার দিকে জলপাই পাতার রস জ্বর কমাতে ব্যবহার করা হত। ১৮০০ শতকের মধ্যভাগে ম্যালেরিয়া নিরাময়ে চায়ের সাথে ব্যবহার করা হত এর রস। ১৯০০ শতকের প্রথম দিকে এর অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদানের জন্য মনোযোগ আকর্ষণ করে। বিভিন্ন গবেষণায় জলপাই পাতার ঔষধি গুনাগুণ প্রমাণিত হয়েছে।

ক্যান্সাররোধক হিসেবে কাজ করে :
গবেষণায় দেখা গেছে যে জলপাই পাতার রস ক্যান্সার কোষের প্রজননকে ধীর গতির করার মাধ্যমে ত্বকের টিউমারের বৃদ্ধি কমতে সাহায্য করে। অন্য একটি গবেষণায় দাবী করা হয়েছে যে জলপাই পাতার রস ব্রেস্ট ক্যান্সার কোষের কার্যকারিতা কমাতে পারে।

ক্ষত ভালো করে :
২০১১ সালে মেডিসিনাল প্ল্যান্ট নামক জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায় যে জলপাই পাতার নির্যাস সাধারণ অয়েন্টমেন্টের চেয়ে দ্রুত ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে। কারণ এতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ছোট কোনো কাটা ছেঁড়া ও ফুসকুড়ির মধ্যে জলপাই পাতার নির্যাস দিলে দ্রুত ভালো হয়ে যায়।

রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে :
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে বলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জলপাই পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি শুধু কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমকেই স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করেনা বরং সাধারণ ঠাণ্ডা ও জ্বরের উপসর্গ কমতেও সাহায্য করে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে বয়স জনিত রোগ যেমন- ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার্স এর উপসর্গ কমতে সাহায্য করে জলপাই পাতার নির্যাস। আরথ্রাইটিসের প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ করে জলপাই পাতার রস। এছাড়াও জলপাই পাতার নির্যাস রক্তচাপ কমায় ও খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

জলপাই পাতা সংগ্রহ করে ভালোভাবে ধুয়ে নিয়ে ১৫০ বা তার নীচের তাপে বেক করে নিন। তারপর এগুলোকে গুঁড়া করে ছেঁকে রাখুন। এক কাপ গরম পানিতে ১ টেবিলচামচ শুকনা জলপাই পাতার রস মিশিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। উপকারিতা লাভের জন্য প্রতিদিন এক কাপ জলপাই পাতার রসের চা পান করুন। স্বাদ যদি তিক্ত মনে হয় তাহলে এর সাথে মধু বা লেবু মিশাতে পারেন।

সতর্কতা :
সাধারণত জলপাই পাতার রস নিরাপদ এবং কোন মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়না। তবে যারা প্রেগনেন্ট ও ব্রেস্ট ফিডিং করান তারা জলপাই পাতার রস গ্রহণ করার পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। এছাড়া ডায়াবেটিক ও ব্লাড প্রেশারের রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া জলপাই পাতার রস গ্রহণ না করাই ভালো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত কালোজিরা খান

স্বাস্থ্য কণিকা: ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত করে। সাধারণত কালোজিরা নামে পরিচিত হলেও কালোজিরার আরো কিছু নাম আছে, যেমন- কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, নিজেলা, ফিনেল ফ্লাওয়ার, হাব্বাটুসউডা ও কালঞ্জি ইত্যাদি। কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম nigella sativa। যে নামেই ডাকা হোকনা কেনো এই কালো বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। আসুন আমরা আজ আশ্চর্য বীজ কালোজিরার উপকারিতা গুলো জেনে নেই।

ব্লাড প্রেশার কমায়
এক গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, কালোজিরা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে পারে এবং রক্তচাপ কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় রাখতে পারে।

শ্বাসপ্রশ্বাস এর সমস্যা কমায়
আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে যে সর্দি, কাশি ও জ্বর হয় সেসবের যন্ত্রণাকর উপসর্গের তীব্রতা কমাতে পারে কালোজিরা।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
নিয়মিত কালোজিরা খেলে মৃগীরোগ আছে এমন শিশুদের হৃদপিণ্ডের অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। কালোজিরায় খিঁচুনি বন্ধ করার উপাদান থাকে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিরাময় করে
গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, প্রতিদিন ২ গ্রাম কালোজিরা খেলে রক্তের সুগার লেভেল কমায়, ইনসুলিনের বাধা দূর করে এবং অগ্নাশয়ে বিটা কোষের কাজ বৃদ্ধি করে।

পারকিনসন্স রোগের প্রতিকারে
কালোজিরায় থাইমোকুইনিন থাকে যা পারকিনসন্স ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তদের দেহে উৎপন্ন টক্সিনের প্রভাব থেকে নিউরনের সুরক্ষায় কাজ করে।

এছাড়াও হাইপারটেনশন, স্ট্রোক, স্থূলতা, অ্যাজমা, ক্যান্সার, গলাব্যাথা ইত্যাদির নিরাময়ে কাজ করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে অপারেশনের দাগ দূর করে, ব্রেইন টনিক হিসেবে কাজ করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের অভ্যন্তরের ও বাহিরের অংশের জন্য উপকারি। সুতরাং সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত কালোজিরা খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চার মাস পর দেশে ফিরে মন খারাপ চিত্রনায়িকা ববিতার

বিনোদনের খবর: দীর্ঘ চার মাস কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ঘুরে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ববিতা। ববিতার ছেলে অনীক কানাডায় থাকেন। ছেলের সঙ্গে সময় কাটাতে মাস চারকে আগে ঢাকা ছাড়েন তিনি। ভাইদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেও ছিলেন কিছুদিন। সোমবার মধ্যরাতে তিনি ঢাকায় ফেরেন। দেশে ফিরেই মন খারাপ হয়ে গেছে ববিতার।

নন্দিত নির্মাতা আমজাদ হোসেনের অবস্থা সংকটাপন্ন শুনেই মন খারাপ হয়ে যায় তার। ববিতা বলেন,‘ আমি কানাডায় বিমানে ওঠার সময় এই সংবাদ শুনি। তখন থেকেই মনের ভেতর অস্থিরতা কাজ করছে। আমজাদ ভাইয়ের জন্য দোয়া করছি তখন থেকেই। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

আমজাদ হোসেন নির্মিত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা। এই নির্মাতার সঙ্গে তার প্রথম ছবি ‘নয়নমণি’। মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ববিতা অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় ববিতার ক্যারিয়ারের আরও দুটি উল্লেখযোগ্য ছবি হলো ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮) এবং ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ (১৯৭৮)।
১৮ নভেম্বর সকালে নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যে আমজাদ হোসেনের স্ট্রোক হয়। এরপর তাকে দ্রুত রাজধানীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার চিকিৎসার তত্ত্বাবধান করছেন হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক মহিউদ্দিন। আমজাদ হোসেনের বয়স এখন ৭৬। তিনি একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, গীতিকার ও সাহিত্যিক।
পেয়েছেন একাধিক চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ একাধিক রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest