সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

খেতাবপ্রাপ্ত ১০১ মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী, নির্বাচিতসংখ্যক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তাদের হাতে অার্থিক সম্মানী ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন তিনি।
বুধবার ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের সংবর্ধনা জানান প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নয়জন সেনা, একজন নৌ এবং তিনজন বিমান বাহিনীর সদস্যকে ২০১৭-১৮ সালের শান্তিকালীন পদকে ভূষিত করেন। এর অাগে সকালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বিগলের করুন সুর বেজে ওঠে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এ সময় কিছুক্ষণ নিরবে দা‌ঁড়িয়ে থাকেন। পরে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধানগণ বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৭১ সালের এ দিনে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। তাই দিনটির তাৎপর্য সমুন্নত রাখতে আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে সম্মিলিতভাবে ২১ নভেম্বরকে ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে ২৫ মার্চ সেনা, ১০ ডিসেম্বর নৌ এবং ২৮ সেপ্টেম্বর বিমান বাহিনী দিবস আলাদাভাবে পালন করা হতো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে ৩০ হাজার শটগান পাচ্ছে আনসার

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের জন্য ৩০ হাজার শটগান এবং ৩০ লাখ গুলি (কার্তুজ) কিনছে সরকার। এজন্য ১৩৯ কোটি ৮৬ লাখ আট হাজার ২৫০ টাকা চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড এসব অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করবে। গত ১৫ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব আবু নাছর ভূঁঞা স্বাক্ষরিত অর্থ বিভাগের সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার বরাবর চিঠি দিয়ে এ অর্থ চাওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের ব্যবহারের জন্য ৩০ হাজার ‘১২ বোর শটগান’ এবং এসবের জন্য ৩০ লাখ গুলি ক্রয় বাবদ ১৩৯ কোটি ৮৬ লাখ আট হাজার ২৫০ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন।’
‘এসব শটগান ও কার্তুজ সরকারি ক্রয় পদ্ধতিতে ক্রয়ের জন্য দুটি ক্রয় প্রস্তাব ইতোমধ্যে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন করেছে। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় টাকা ছাড়ে সম্মতি প্রদানে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।’
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য ৩২ লাখ ৫৩ হাজার ১০১টি অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ ক্রয় খাতে ২১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দকৃত ওই অর্থ হতে ১৩৯ কোটি ৮৬ লাখ আট হাজার ২৫০ কোটি টাকা আনসার ও ভিডিপি অধিদফতরের অনুকূলে ছাড় করতে বলা হয়েছে।
স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৩০ হাজার শটগানের মধ্যে ইতালির বেনেল্লি কোম্পানি থেকে এক হাজার ৮০০টি কেনা হবে। এস নোভা সাড়ে ১৮ ইঞ্চি (৬+১) মডেলের প্রতিটি শটগানের দাম পড়বে ৪২ হাজার ৫৪৫ টাকা। সে হিসেবে এক হাজার ৮০০টি ক্রয়ের জন্য ব্যয় হবে সাত কোটি ৬৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

তুরস্কের হটসান কোম্পানি থেকে ক্রয় করা হবে ১৪ হাজার ১০০টি। এ ক্ষেত্রে এসকোর্ট এমপি-পিজি সাড়ে ১৮ ইঞ্চি (৬+১) মডেলের প্রতিটি শটগানের দাম ২৪ হাজার ৭০৬ টাকা হারে ১৪ হাজার ১০০টি ক্রয়ে ব্যয় হবে ৩৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৮ হাজার ১২৫ টাকা।
যুক্তরাজ্যের বিআইটি কোম্পানি থেকে ক্রয় করা হবে ১৪ হাজার ১০০টি শটগান। এক্ষেত্রে টিএসি-১২, সাড়ে ১৮ ইঞ্চি (৬+১) মডেলের প্রতিটি শটগানের দাম ৪১ হাজার ৭৯১ টাকা ২৫ পয়সা হারে ১৪ হাজার ১০০টি ক্রয়ে ব্যয় হবে ৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৫৬ হাজার ৬২৫ টাকা।

তিন কোম্পানি হতে ৩০ হাজার শটগান কিনতে মোট খরচ হবে ১০১ কোটি ৪১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫০ টাকা।
এছাড়া ৩০ লাখ গুলি পোল্যান্ড ও তুরস্ক থেকে কেনা হবে। এর মধ্যে পোল্যান্ডের ফাম পিওনকি কোম্পানি থেকে কেনা হবে ১৮ লাখ গুলি। শট-৭ (লিড বাল) মডেলের প্রতিটি গুলির দাম ১০৬ টাকা ৩৬ পায়সা। সে হিসেবে মোট দাম পড়বে ১৯ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা।

তুরস্কের সার্সিলমাজ কোম্পানি থেকে কেনা হবে ১২ লাখ গুলি। শট-৭ (রুব্বার বাল) মডেলের প্রতিটি গুলির দাম পড়বে ১৬০ টাকা ৮০ পায়সা। খরচ হবে ১৯ কোটি ২৯ লাখ ৫২ হাজার ৬০ হাজার টাকা। দুই কোম্পানি থেকে ৩০ লাখ গুলি কিনতে মোট খরচ হবে ৩৮ কোটি ৪৪ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার ‘ঐক্যফ্রন্টে যাচ্ছেন’ ডন সামাদ!

দেশের খবর: আজিজুস সামাদ ডন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ প্রয়াত আব্দুস সামাদ আজাদের ছেলে। বাবার পথ ধরেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে আছেন তিনি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ডন এবার দলীয় মনোনয়নে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান সাংসদ এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

আওয়ামী লীগ এখনও কোনো আসনেই তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে জোর কানাঘুষা চলছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনেও সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন এম এ মান্নান। এই কানাঘুষা বাস্তব হলে কপাল পুড়বে আজিজুস সামাদ ডনের। গেল দশম জাতীয় নির্বাচনেও দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় ছিলেন ডন। কিন্তু মনোনয়ন না পেয়ে এম এ মান্নানের বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। এ নিয়ে ডনকে অনেক ‘কথা শুনতে হয়’। অবশ্য ডনের দাবি, সেবার দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ইঙ্গিত পেয়েই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন।

এবারও যদি দল আজিজুস সামাদ ডনকে মনোনয়ন না দেয়, সেক্ষেত্রে তিনি কী করবেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে মিলেছে অন্যরকম আভাস। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেলে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়ার পথ ‘ধরতে পারেন’ আজিজুস সামাদ ডন; যোগ ‘দিতে পারেন’ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে। ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারেই অংশ নিতে পারেন নির্বাচনে। তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকেও সেরকম আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অবশ্য, মনোনয়ন না পেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্র থেকেই ডন আবারও প্রার্থী হতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আজিজুস সামাদ ডনের ঘনিষ্ঠজন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সূত্রধর বীরেন্দ্র বলেন, ‘আজিজুস সামাদ ডনকে নিয়েই আমরা নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে চাই। তিনি নৌকা প্রতীক পাওয়ার দাবিদার। জনপ্রত্যাশাও এমন। কিন্তু কোন কারণে যদি ডনকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া না হয়, তাহলে ২৭ নভেম্বর আমরা বসে করণীয় ঠিক করবো। আমরা চাই, যে কোন প্ল্যাটফর্ম থেকেই হোক, ডন সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে এবার নির্বাচন করুন। তিনি নির্বাচন করলে জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।’

ডনের আরেক ঘনিষ্ঠজন, জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের সদস্যসচিব মো. আবাব মিয়া বলেন, ‘আজিজুস সামাদ ডন সবসময় দলের প্রতি আস্থাশীল, সবসময় দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলেছেন। দলের জন্য তিনি অনেক সময় ও শ্রম দিয়েছেন। পক্ষান্তরে এ আসনে অপর মনোনয়নপ্রত্যাশী অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান জনবিচ্ছিন্ন। দলীয় মনোনয়ন না পেলে ডন যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা সেই সিদ্ধান্তের সাথে ঐক্যমত পোষণ করবো। তিনি স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো জোট থেকে নির্বাচন করলেও আমরা তার সাথে থাকবো।’

আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন শাহ এ এম এস কিবরিয়া। তিনি ছিলেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ। তাঁর ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া গত রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছেন। গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের হাতে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়ে ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেন তিনি। আব্দুস সামাদ আজাদের ছেলে আজিজুস সামাদ ডনও কী সে পথে হাঁটবেন?

আজিজুস সামাদ ডন সরাসরি এ বিষয়ে কিছু বলেননি। তিনি এখনও আত্মবিশ্বাসী, আওয়ামী লীগ তাঁকে মূল্যায়ন করবে এবং তিনি দলীয় মনোনয়নেই নির্বাচন করবেন।

আজিজুস সামাদ ডন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমি এলাকায় কাজ করছি, দলকে সুসংগঠিত করেছি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে আমি কখনোই কিছু করিনি। আমার কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করে দল আমাকেই মনোনয়ন দেবে বলে আমি বিশ্বাসী। দলীয় মনোনয়ন না পেলে কী করবো, সে সিদ্ধান্ত পারিবারিকভাবে ও নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গ্রহণ করবো। তবে এলাকার সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের চাপ আছে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচন করার।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিরুদের গোলে উরুগুয়েকে হারাল ফ্রান্স

খেলার খবর: টানা ১৫ ম্যাচে অপরাজেয় থাকার পর হারের স্বাদ পাওয়া বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স অলিভিয়ে জিরুদের একমাত্র গোলে উরুগুয়েকে হারিয়ে জয়ের পথে ফিরেছে। মঙ্গলবার রাতে প্যারিসে প্রীতি ম্যাচে পেনাল্টি থেকে ১-০ ব্যবধানে জিতে দলটি।
গত শুক্রবার উয়েফা নেশন্স লিগে নেদারল্যান্ডসের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল দুইবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল শূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে জয়সূচক গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। ডি-বক্সের মধ্যে ব্রুনো মেন্দেসের হাতে বল লাগলে পেনাল্টিটি পেয়ে গোল করেন জিরুদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগে ওয়াজ মাহফিল নয়: ইসি

দেশের খবর: আগামী ৩০ ডিসেম্বরের আগে ওয়াজ মাহফিল আয়োজন না করার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে একান্ত প্রয়োজনে এ ধরণের মাহফিল আয়োজন করতে হলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) কমিশনের যুগ্ম-সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে নির্দেশনাটি দেশব্যাপী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত পুনঃনির্ধারিত সময়সূচী অনুসারে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এই সময়ে কোনো ধর্মীয় সভা, ওয়াজ মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠানে নতুনভাবে কোনো তারিখ নির্ধারণ না করার জন্য অথবা স্থানীয় প্রশাসন/পুলিশ কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণপূর্বক সভা/ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠানের জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।
তবে যেসব ধর্মীয় সভা/ওয়াজ মাহফিলের তারিখ ইতোমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে অথবা বিশেষ কারণে আয়োজনের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে আয়োজন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বসত বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙে দেয়ার অভিযোগ

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নৈকাটিতে বসত বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নৈকাটি গ্রামের মৃত মোসলেমউদ্দীনের স্ত্রী রহিমা বেগম জানায় শনিবার সকাল ৯ টায় বাড়িতে আমি ছাড়া আমার ছেলে মেয়ে কেউ না থাকায় সেই সুযোগে আমার সীমানা প্রাচীর ভেঙে দেয় আমার প্রতিবেশি মৃত রজব মোড়লের ছেলে খালিদ মোড়ল, মৃত ছবেদ মোড়লের ছেলে খোকন মোড়ল, তার ভাই এমদাদুল মোড়ল, মইনুর মোড়ল, জিল্লু মোড়লের স্ত্রী আছমা বেগম, মইনুর মোড়লের স্ত্রী নাছিমা বেগম। দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন নৈকাটি মৌজার ৩২৫ দাগে ২৮ শতক জমিতে আমার ছেলে মেয়েকে নিয়ে বসবাস করি। ৯ বছর আগে আমার স্বামী বেঁচে থাকা অবস্থায় উত্তর পাশে এ প্রাচীর দেয়া। পরবর্তীতে দেড় মাস আগে পূর্ব পাশে এক হাত ছেড়ে দিয়ে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়। প্রাচীর দেওয়ার সময় তারা বাঁধা দেয়। সে সময় আশাশুনি থানার এস আই নয়ন চৌধুরী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। সেই সময় থেকে আমরা আর প্রাচীর নির্মানের কাজ করিনাই। এক মাস আগে ইউপি চেয়ারম্যান আমাদেরকে মিমাংশা করার কথা বলেন। তারপর হঠাৎ গতকাল শনিবার গায়ের জোরে প্রকাশ্যে আমাদের প্রাচীর ভেঙে দিয়ে যায় তারা। আমাদের জমির অন্য পাশে আমাদের অন্য শরীকের জমি। কিন্তু তারা গায়ের জোরে আমাদের জমি নিতে চায়। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে কথা বললে তারা জানান তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ নেই। চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবম মোছাদ্দেকের জানান এক মাস আগে আমি ঘটনাস্থলে যাই। রহিমা বেগমের ছেলে পলাশের সাথে আমি বলে আসি তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য একটু জায়গা দেওয়ার জন্য এবং অন্য জায়গা থেকে জমি নেওয়ার কথাও বলে আসি। এব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘অপুষ্টিতে ইয়েমেনের ৮৫ হাজার শিশুর মৃত্যু’

বিদেশের খবর: গত তিন বছরের গৃহযুদ্ধের ফলে অপুষ্টিতে ভুগে ইয়েমেনের ৮৫ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংগঠন সেভ দ্য চিলড্রেন সম্প্রতি এই তথ্য জানায়।
সেভ দ্য চিলড্রেন প্রতিবেদনে জানায়, ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত ইয়েমেনের শিশুরা চরম অপুষ্টিতে ভুগে। এর মধ্যে প্রায় সবাই পাঁচ বছর বয়সী শিশু। এতে ৮৫ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সংস্থাটি আরো জানায়, গৃহযুদ্ধের কারণে দেশটির বিভিন্ন এলাকা অবরুদ্ধ হয়ে আছে। এজন্য ওই সব এলাকার মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে পারে।

কয়েক বছর আগে ইয়েমেনের মোট খাদ্য আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশ দেশটির হুদাইদা বন্দর দিয়ে আসতো। কিন্তু বর্তমানে বন্দরটি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে আছে। এজন্য বাণিজ্য আমদানির পরিমাণ এক মাসে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন কমেছে। এছাড়া বন্দরটির আশেপাশে লড়াই চলতে থাকায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তথ্য সূত্র: সিএনএন/বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনি রোগীদের জন্য সুখবরের অপেক্ষা

দেশের খবর: বংশগত কিডনি রোগ বা অটোসমাল পলিসিসটিক কিডনি রোগের তেমন কোনো চিকিৎসা নেই। তবে ক্লিনিক্যাল স্টাডিতে দেখা গেছে, চ্যানেলটির সঠিক প্রয়োগ সম্ভব হলে এ ধরনের কিডনি রোগ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এটা সফল হলে চিকিৎসায় নবদিগন্তের সূচনা ঘটতে পারে।

বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বসের তালিকায় সেরা তরুণ বিজ্ঞানী হিসেবে নাম ওঠা বাংলাদেশি জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল মঙ্গলবার ফ্লোরিডা থেকে  এভাবেই তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান।
পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রি সম্পন্ন করে স্কলারশিপ নিয়ে নিউ ইয়র্কের সেন্ট জনস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স এবং পিএইচডি করেছেন। তরুণ এই বিজ্ঞানী বর্তমানে পোস্ট ডক্টরাল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে ‘স্ক্রিপস রিসার্চ’-এ কাজ করছেন। বসবাস করছেন ফ্লোরিডার জুপিটারে। তিনি গবেষণা করছেন মানব শরীরের আয়ন চ্যানেল নিয়ে। আর এই গবেষণাকে স্বীকৃতি দিয়ে বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস ২০১৯ সালে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ৩০ বছরের নিচে সেরা ৩০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান দিয়েছে।

গত শুক্রবার ফোর্বস প্রকাশিত তালিকায় ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ ক্যাটাগরিতে দেখা যায়, ২৯ বছর বয়সী এই বায়োলজিস্টের নাম রয়েছে তালিকার প্রথমেই। মানবকল্যাণে গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের নিয়ে আট বছর ধরে এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে ফোর্বস।

শরীরের আয়ন ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মস্তিষ্কের নিউরনে কিছু মেমব্রেন বাউন্ড প্রোটিন থাকে, যাদের আয়ন চ্যানেল বলে। এই আয়ন চ্যানেলগুলো অনেকটা নলের মতো মেমব্রেনের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। আয়নরা এই আয়ন চ্যানেলের মধ্য দিয়ে মেমব্রেনের ভেতরে এবং বাইরে যাওয়া-আসা করতে পারে। মানুষ চোখে যা দেখে, যা অনুভব করে—তা প্রোটিনের মাধ্যমে ইলেকট্রন তৈরি হয়ে একপর্যায়ে ব্রেনে যায়। আর এই আয়ন চ্যানেলে সমস্যা তৈরি হলে কিডনিতেও সমস্যা হয়। মাহমুদ আরিফ পাভেলের গবেষণার বিষয় ছিল মানব শরীরের এই আয়ন চ্যানেল বিষয়ে। একে ‘ফান্ডামেন্টাল সেন্সরস অব লাইফ’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

পাভেল বলেন, অ্যানেসথিওলজিস্ট বা অবেদনবিদরা সার্জারির প্রয়োজনে অ্যানেসথেশিয়া দিতে বা রোগীকে অজ্ঞান করতে বেশ কিছু ওষুধ প্রয়োগ করে থাকেন। তখন এই আয়ন চ্যানেলগুলো বিভিন্ন ড্রাগ দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে রোগীর কোনো অনুভূতি থাকে না। তিনি বলেন, ‘কিছু ওষুধ শিশু ও বৃদ্ধের ক্ষেত্রে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। আমরা গবেষণা করে জানার চেষ্টা করছি, এই আয়ন চ্যানেল কিভাবে কাজ করে।’ তিনি অ্যানেসথেশিয়া নিয়ে গবেষণা করছেন মলিকুলার বিজ্ঞানী ড. স্কট বি হ্যানসনের অধীনে।

এই সাফল্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে পাভেল আরো বলেন, ‘আমাদের কাজটি ছিল একটি টিমওয়ার্ক। আমি ছিলাম সেই টিমের প্রধান। শোকর আলহামদুলিল্লাহ! অনেক ভালো লেগেছে এটা দেখে যে, এই সংবাদে আমার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবরা বেশ খুশি হয়েছেন।’

জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল বলেন, রিসার্চ করতেই তাঁর ভালো লাগে। ভবিষ্যতে ইচ্ছে আছে গবেষণায় ভালো কিছু করার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest