সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

দেশের খবর: আজ বুধবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস। এ উপলক্ষে সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর সম্মিলিতিভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিন বাহিনীর প্রধান। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিন বাহিনীর প্রধান।

জানা গেছে, ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং নির্বাচিত সংখ্যক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ৯ জন সেনা, একজন নৌ এবং তিনজন বিমানবাহিনী সদস্যকে ২০১৭-২০১৮ সালের শান্তিকালীন পদকে ভূষিত করবেন।

আরো জানা গেছে, স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এদিন দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদে ফজরের নামাজ শেষে দেশের কল্যাণ, সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেমিকার জন্য মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন যিনি

অনলাইন ডেস্ক: পদত্যাগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের দমকল মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়। ব্যক্তিগত সম্পর্কের জেরে তাকে পদত্যাগ করতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বুধবার মেয়রের পদ থেকেও ইস্তফা দিতে পারেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে সংবাদের শিরোনামে রয়েছেন কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে চরম বিরোধও চলছে তার। এই কারণে একাধিকবার দলনেত্রীর ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।
মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় একটি সরকারি আবাসন প্রকল্পে গরিবদের বাড়ি দেওয়া নিয়ে ভুল তথ্য দেন শোভন। সরকারি আবাসন প্রকল্পের কাজ নিয়ে প্রশ্ন করেন বাম বিধায়ক সমর হাজরা। জবাবে শোভন বলেন, ‘‘সামগ্রিক পরিকল্পনা রূপায়ণে রাজ্যে ২৫ লাখ বাড়ি অনুমোদন করে কাজ চলছে।”
তার এই জবাবের পরই কয়েক সারি পিছনে বসে থাকা মুখ্যমন্ত্রী মমতা কিছুটা বিরক্তি দেখিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘‘এই তথ্য ঠিক নয়। ২৫ লাখ বাড়ি তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। সরকার অনুমোদন করেছে ৪০ লাখ বাড়ি।”
এই ঘটনার সময়ই শাসক শিবিরে চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। শুধু তাই নয়, প্রথমার্ধের অধিবেশন শেষে শোভন কিছু বলতে মুখ্যমন্ত্রীর আসনের কাছে যান। কিন্তু তাকে হাত দেখিয়ে উঠে যান মমতা। তারপর বের হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সামান্য কিছু কথা হয় শোভনের।
এরপরই শোভনকে বিধানসভার অধ্যক্ষর ঘরে ডেকে তার কাজ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন মমতা। কাজ ফেলে মেয়র শাড়ি-চুরির দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। মমতা শোভনকে জানান, তার কাছে সব খবর আছে। আছে ছবিও।
তৃণমূল সূত্রের খবর, এরপরই মমতা তাকে দল বা বৈশাখীর মধ্যে কোনও একটা বেছে নিতে বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে পদত্যাগপত্র জমা দেন শোভন। এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, বোঝা যাচ্ছে দলে আমার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। আমার উপর নজরদারিও চলছে। এভাবে অপমানিত হয়ে আর কাজ করা যাচ্ছিল না।
সূত্র: আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাশরাফির যে কয়টা খেলা আছে সবগুলো খেলবে: পাপন

অনলাইন ডেস্ক: বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজটিতে মাশরাফি খেলবেন বলেই তার বিশ্বাস। শনিবার এশিয়ান ক্রিকেট কাউ্ন্সিলের (এসিসি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে দেশে ফেরার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি একথা জানান।

এসময় তিনি বলেন, “আমার সাথে তার যে কথা হয়েছে, তাতে তার যখন খেলা থাকবে সে খেলবে। ওর কাছে এখনো ক্রিকেটই আগে এবং আমাদের কাছেও। আমি আগে যা বলে দিচ্ছি এটা যে হুবহু হবেই সেটা ঠিক না। ও নিজেও বলছে খেলবে। হয়তো একটা ম্যাচ খেলতে পারবে না। তবে আমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি ওর যে কয়টা খেলা আছে সবগুলো খেলবে। এটাই হলো আমাদের বিশ্বাস। এরপর সামনে কি হয় দেখা যাবে।”

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে মাঠে গড়াচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ঢাকায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি হবে ৩০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর। তারপরেই শুরু হবে ওয়ানডে যুদ্ধ।

কিন্তু দরজায় কড়া নাড়ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনও। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল ২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে মনোনয়ন সংগ্রহের পর মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে দেখা যায়নি টাইগার ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। বিগত দিনে সিরিজ শুরুর আগে ব্যক্তিগত অনুশীলনে ব্যস্ত সময় কাটাতে মাশরাফিকে দেখা গেলেও এবার এখন পর্যন্ত অনুশীলনে ঘাম ঝড়াচ্ছেন না তিনি। যার ফলেই প্রশ্ন উঠছে, ক্যারিবীয়ানদের বিপক্ষে ৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া ওয়ানডে সিরিজে মাশরাফি নামছেন কিনা?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝিনাইদহের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান সমাপ্ত, আটক ১

দেশের খবর: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের কালুহাটি গ্রামের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেছে র‌্যাব। তার নাম আখতারুজ্জামান সাগর (২০)। তিনি জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য।
এসময় একটি ডামি বন্দুক ও কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার ভোর সাড়ে চারটা থেকে সদর উপজেলার ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে র‌্যাব। পরে সেখানে অভিযান চালানো হয়। সকাল পৌনে ৯টার দিকে অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেন খুলনা র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক হাসান ইমন আল রাজিব।
তিনি জানান, কালুহাটি গ্রামে সরাফত হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব সদস্যরা। সেখান থেকে সাগরকে আটক করা হয়। সে দুই বছর আগে জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাবি অধ্যাপকের কাণ্ড, ছাত্রীকে ৩০ নম্বরে দিয়েছেন শূন্য

অনলাইন ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) গণিত বিভাগের অধ্যাপক জেসমীন আখতার এক ছাত্রীর প্রতি রাগ করে তাকে ‘টিউটোরিয়াল পরীক্ষা ও ক্লাস উপস্থিতিতে শূন্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ভূক্তভোগী ছাত্রী স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন। ভূক্তভোগী ওই ছাত্রীর নাম মুক্তা বিশ্বাস।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর বিভাগটির ৪৩তম ব্যাচের (২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। কিন্তু প্রকাশিত ফলাফলে মুক্তা বিশ্বাস ‘টিউটোরিয়াল পরীক্ষা ও ক্লাস উপস্থিতির ৩০ নম্বরের মধ্যে শূন্য পেয়েছেন।

জানা যায়, ৪৩ ব্যাচের স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষে ৮টি কোর্স ছিল। এর মধ্যে ৭টি কোর্সে অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিতিতে (একটি কোর্সে উপস্থিতিতে ১০ নম্বর করে) পূর্ণ নম্বর পেয়েছেন। তবে ফ্লুইড মেকানিক্স কোর্সে শতভাগ উপস্থিতি থাকা সত্বেও কেউই উপস্থিতিতে পূর্ণ নম্বর পাননি। এছাড়া ভালো পরীক্ষা দিয়েও অন্যান্য কোর্সের তুলনায় এই কোর্সটিতে প্রায় সব শিক্ষার্থী টিউটোরিয়ালে কম নম্বর পেয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, কোর্স শিক্ষক অধ্যাপক জেসমীন আখতার ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভ’ থেকে সবার নম্বর কমিয়ে দিয়েছেন। এমনকি তিনি এ কারণে মুক্তা বিশ্বাসকে টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় ও ক্লাসে উপস্থিতিতে মোট ৩০ নম্বরের মধ্যে শূন্য দিয়েছেন। যে কারণে মুক্তা বিশ্বাস স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অন্যান্য কোর্সে কৃতকার্য হলেও এই কোর্সটিতে অকৃতকার্য হয়েছেন।

এদিকে ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে বিভাগটির আরও কয়েক ব্যাচের শিক্ষার্থীরাও উপস্থিতির ক্ষেত্রে ও টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ নম্বর কমিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেছেন।
এসব বিষয়ে অধ্যাপক জেসমীন আখতারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘এটা একটা মিসটেক। আমি ইতিমধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকে সংশোধনী পাঠিয়ে দিয়েছি। আশা করছি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
নাম্বার কম দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এর আগে কখন নম্বর কম দেয়ার অভিযোগ শুনি নাই। এই প্রথম এমন অভিযোগ শুনলাম। আমি বরাবরই বেশি নম্বর দিয়ে থাকি।’
মুক্তা বিশ্বাসের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘সে ক্লাসে অন্যের হয়ে উপস্থিতি দিয়ে দেয়। আমি এ ধরনের অন্যায় সহ্য করতে পারি না। তারপরও তো শিক্ষার্থীরা অন্যের হয়ে উপস্থিতি দিয়ে দেয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকে ফলাফল জমা দেয়ার পর মুক্তা আমার সাথে যোগাযোগ করে। তাই এমন ভুল হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐক্যফ্রন্টের হয়ে নির্বাচনে আসছেন সুশীলরা!

দেশের খবর: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হয়ে নির্বাচনে সুশীলদের অংশ নেয়ার ব্যাপারে অধিক সতর্ক অবস্থানে গণফোরাম। সুশীল ও নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ গণফোরামে অংশ নিচ্ছে- এমন প্রচার রয়েছে রাজনীতি ও গণমাধ্যমে। নির্বাচনে সুশীলদের মধ্যে কে কে অংশ নিতে পারেন, তা আপাতত গোপন রাখতে চাইছে দলটি।

এ প্রসঙ্গে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘আমরা পরিবর্তনের প্রতিজ্ঞা করে জোট করেছি। আমরা চাই সমাজের অধিক জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিরা আমাদের আহ্বানে সাড়া দিক। তবে সুশীলদের বিষয়ে বিস্তারিত বলার সময় এখনও আসেনি।’

সম্প্রতি ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। তিনি হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হতে চান। অপরদিকে সোমবার গণফোরামে যোগ দেন সাবেক ১০ সেনা কর্মকর্তা। এরপর সুশীলদের নির্বাচনে আসার বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সুশীলদের নাম জুড়ে দেয়ার বিষয়টি সরকারের কৌশল হতে পারে- এমনটি মনে করছেন কেউ কেউ। বিশেষ মুহূর্তে নির্বাচনকালীন সরকারে যাতে সুশীলরা ভূমিকা রাখতে না পারেন অথবা ঐক্যফ্রন্টের হয়ে কোনো ভূমিকা রাখতে না পারেন- সেজন্য এমন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগও কারও কারও।

সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী রিজওয়ানা হাসান, এমন গুঞ্জনও তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। বলেন, ‘যেকোনো ব্যক্তিকে নিয়ে অন্য কেউ অভিপ্রায় ব্যক্ত করতেই পারেন। আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি, তা কেউ প্রত্যাশা করতেই পারেন। কিন্তু নির্বাচনে অংশ নেব কি নেব না, তা আমার অভিপ্রায়।’
তিনি বলেন, ‘আমি কখনও নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষণ করিনি। আমার কাছে কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকেও নির্বাচন করার প্রস্তাব আসেনি। নির্বাচন নিয়ে আমার নাম প্রচার পাওয়া রহস্যই মনে হচ্ছে।’

নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো দল থেকে প্রস্তাব আসলে সাড়া দেবেন কিনা- জবাবে রিজওয়ানা বলেন, ‘নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে আমার কোনো আগ্রহ নেই।’
এবারের নির্বাচনে সুশীলদের পাশে চাইছেন ড. কামাল হোসেন। তাদের মধ্যে কারাবন্দি ঐক্যফ্রন্ট নেতা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, অ্যাডভোকেট শাহদীন মালিক, মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, সাবেক সেনাপ্রধান হাসান মশহুদ চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান রয়েছেন।

তবে গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসিন মন্টু সুশীলদের কারও নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘সরকার নানাভাবে বিতর্ক ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চাইছে। এ কারণেই আমাদের অধিক সর্তক থেকে এগোতে হচ্ছে। প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করতে আমাদের আরও সময় নিতে হচ্ছে।’
‘তবে গণফোরামের প্রার্থী তালিকায় অবশ্যই চমক থাকবে’- যোগ করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝিনাইদহে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ র‌্যাবের অভিযান

দেশের খবর: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের কালুহাটি গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নব্য জেএমবির এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। অভিযানে কয়েকটি জিহাদি বই ও একটি রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার সকাল ৮টার দিকে শরাফত হোসেনের বাড়িতে এ অভিযান শুরু করে পৌনে ৯টার দিকে শেষ করা হয়। এর আগে ভোর ৫টা থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখে র‌্যাব সদস্যরা।
গ্রেফতার আখতার হোসেন সাগর বাড়ির মালিক শরাফত হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় কালুহাটী দাখিল মাদরাসার এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

ঝিনাইদহ র‌্যাব কমান্ডার মাসুদ আলম জানান, তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন ঝিনাইদহ সদরের গান্না ইউনিয়নে শরাফত হোসেনের বাড়িতে জঙ্গিরা অবস্থান করছে এমন খবরে ভোরে র‌্যাব বাড়িটি ঘিরে ফেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে ৬৬৪ উসকানিদাতা শনাক্ত

দেশের খবর: চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে রাজধানীতে আলোচিত ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন নিয়ে একটি গোপন প্রতিবেদন তৈরি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে ৬৬৪ উসকানিদাতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭১ জন শিক্ষক, ৩৪৭ জন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ২৪৫ জন রয়েছেন। উসকানিদাতা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের নেতা বা এসব দলের মনোভাবাপন্নরা রয়েছেন।

গত ১২ নভেম্বর এই গোপন প্রতিবেদনের একটি কপি সংযুক্ত করে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, চিঠিতে জড়িতদের বিষয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থাসহ বদলির সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই চিঠিতে আছে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের নামও। ওসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটা গোপন প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। তবে অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই গোপন প্রতিবেদনে যে ৩৪৭ শিক্ষার্থীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, অন্য দল এবং সাধারণ শিক্ষার্থীও রয়েছেন। এতে বলা হয়, সারাদেশে ছাত্রলীগের ৩৫জন, ছাত্রদলের ৯৭ জন, ছাত্রশিবিরের ৪৯ জন, অন্যান্য দলের ৫৭ জন এবং সাধারণ শিক্ষার্থী ১১৯ জন জড়িত ছিলেন।

প্রতিবেদনে ৭২ শিক্ষকের মধ্যে সারাদেশে আওয়ামী লীগ পন্থী সাতজন, বিএনপির ২৭ জন, জামায়াতের ১৭ জন, অন্যান্য দলের ৯ জন এবং ১২ জন সাধারণ শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ২৪৫ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের ১২ জন, বিএনপির ১৬০ জন, জামায়াতের ৩৩ জন, অন্যান্য দলের ২১ জন এবং ১৯ জন সাধারণ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, আন্দোলনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল। এ আন্দোলন যতটুকু না নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছিল, তার চাইতে বেশি ছিল সরকারের পতনের আন্দোলন। গণবিক্ষোভে রূপ দেয়ার নেপথ্যে ছিল ইন্ধন ও উসকানি।

জানা গেছে, আন্দোলন-গণবিক্ষোভের কারণ অনুসন্ধানে এবং কারা জড়িত, কেন জড়িত, এর নেপথ্যে কারা সক্রিয় ছিল ইত্যাদি নিয়ে সরকারের একটি নিরাপত্তা সংস্থা একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রণয়ন করে। প্রতিবেদনটিতে ওই আন্দোলন-গণবিক্ষোভের আদ্যোপান্ত তুলে ধরা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া ওই প্রতিবেদনে, আন্দোলন-গণবিক্ষোভের নেপথ্যে কারা ছিল, তারা কীভাবে ইন্ধন দিয়েছিল, কারা নেতৃত্বে ছিল, কারা গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামিয়েছিল, কারা অর্থ দিয়ে আন্দোলনে সহায়তা করেছিল, তা চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নিলেও শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। কিছু শিক্ষার্থীকে শুরুতেই গ্রেফতার করা হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। তবে, তাদের চিহ্নিত ও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা যেহেতু এ আন্দোলনে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে, প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক যেসব ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে, সরকারবিরোধী বা বিএনপি-জামায়াত মনোভাবাপন্ন শিক্ষকদের সতর্ক করা, অনত্র বদলি করা এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া।
প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে, তার মধ্যে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত নিয়ন্ত্রিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা এবং প্রাপ্য সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করা।
এ ব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহবার হোসাইন বলেন, কিছু মহালের উসকানিতেই সারাদেশে এমন আন্দোলন শুরু হয় বলে কয়েকটি সংস্থার তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, আন্দোলনের উসকানিদাতা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে তার আগে আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আবারও তদন্ত করা হবে। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হলে অপরাধ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাস চাপায় নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এই আন্দোলন হয়। রাজধানীতে শুরু হওয়া এ আন্দোলন পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার মুহূর্তে সরকার শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি মেনে নেয়।

পরবর্তীতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা পুলিশ ৯৯ জনকে গ্রেফতার করে। এ আন্দোলন নিয়ে দেশব্যাপীই শুধু তোলপাড় হয়নি, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ওই ৯-১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রচারিত হয়েছিল।
ওই আন্দোলনের পর পুলিশি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত ও পরিচিত আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। তিন পাস ১৫ দিন কারাভোগের পর মঙ্গলবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest