সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

কমলা খেলে যা হয়

কমলা খেলে যা হয়

কর্তৃক daily satkhira

অনলাইন ডেস্ক: স্লিম ও সুন্দর আর সুস্থ থেকে ওজন কমাতে যে ফলের জুড়ি নেই, সেটা হচ্ছে রসালো এবং ভিটামিন ‘সি’-তে ভরপুর ‘কমলা’৷ কমলা প্রায় সকলেরই প্রিয়৷ এবার একটু অন্যভাবে কমলার গুণের কথা জানা যাক, যা ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সুইডেনে মোট ১৮০০০ নারীকে নিয়ে করা দীর্ঘমেয়াদী এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, যারা নিয়মিত কমলা খেয়েছেন, তাদের প্রায় কারোই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা নেই, অর্থাৎ তারা অতিরিক্ত মোটা হননি৷ দিনে মাত্র তিনটি কমলা শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পূরণ করতে পারে৷

শুধু জুস নয়, আঁশসহ কমলার জুস খাওয়াটা বেশ সহজ হলেও কিন্তু স্লিম হওয়া বা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কিন্তু খোসা ছাড়িয়ে কমলা খাওয়ার এফেক্ট অনেক বেশি৷ ২০০ গ্রাম কমলায় আঁশ বা ফাইবার ২০০ গ্রাম জুসের চেয়ে অনেক বেশি থাকে৷ তাই সম্ভব হলে জুসের চেয়ে কমলা খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াই শ্রেয়৷ এতে কমলার স্বাদও লেগে থাকে মুখে অনেকক্ষণ৷

কমলার খোসা অতটা পরিস্কার করে ছাড়াবেন না৷ কারণ, খোসার নীচের সাদা অংশেই থাকে প্রচুর পরিমাণে পেকটিন, যা অন্ত্রের বিষাক্ত জীবাণু বাইরে বের হতে বিশেষভাবে সাহায্য করে৷

কমলায় থাকা প্রাকৃতিক, মিষ্টি কিন্তু চকলেট বা অন্যান্য মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাকে দমন করে৷ কাজেই এতেও অনেকটা ক্যালোরি কম খাওয়া হয়৷

দুপুরে খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে কমলা খাবেন৷ এতে আসল খাবার থেকে কম করে হলেও ৩০০ গ্রাম ক্যালোরি কম খাওয়া হবে৷

খাওয়ার আগে যারা নাকের মাধ্যমে কমলা বা লেবুর সুগন্ধ নিয়েছেন, তারা খাওয়ার আগে মেন্যু থেকে হালকা ধরনের খাবারই বেশি পছন্দ করেছেন৷ এক সমীক্ষা থেকে পাওয়া, এই তথ্যটি জানিয়েছেন ফরাসি গবেষকরা৷

একই নিয়মে, অর্থাৎ ক্যান্টিনে যাওয়ার ঠিক পনেরো মিনিট আগেই কমলা খেয়ে নেবেন৷ সম্ভব হলে ক্যান্টিনের চর্বিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে সেদ্ধ আলু ও ব্রোকলির সাথে খানিকটা মাখন মিশিয়ে নিন৷ এতে পেট এবং মন দুটোই ভরবে৷

সারাদিন পান করার জন্য প্রতি গ্লাস পানিতেই খানিকটা কমলার রস মিশিয়ে নেবেন৷ এতে যেমন পানির স্বাদ বাড়বে, তেমনি ওজনও কমবে৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা মাদার অব হিউম্যানিটি পদক আসছে

দেশের খবর: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায় গত বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মাদার অব হিউম্যানিটি (মানবতার জননী) খেতাবে ভূষিত করেছিল যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন ‘চ্যানেল ফোর’। এ উপাধি পাওয়ায় একই বছর ১৬ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সেই উদ্যোগকে সামনে রেখে দেশে চালু হচ্ছে ‘শেখ হাসিনা মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক’।

সমাজের কল্যাণে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে পাঁচটি শ্রেণিতে দেওয়া হবে এই পদক। ১৮ ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম সোনা দিয়ে পদকটি তৈরি হবে। সঙ্গে থাকবে দুই লাখ টাকার সম্মানী ও সম্মাননা সনদ। ‘শেখ হাসিনা মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক নীতিমালা ২০১৮’-র খসড়া নীতিগত অনুমোদনের জন্য আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

সমাজকল্যাণসচিব জিল্লার রহমান বলেন, ‘একুশে পদক ও রোকেয়া পদকের মতো মাদার অব হিউম্যানিটি পদকেও সমান পুরস্কার থাকছে। এতে ব্যক্তিপর্যায়ে তিনটি এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দুটি পদক দেওয়া হবে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে পদক কমতে-বাড়তে পারে। বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি সরকারি সংস্থাও এই পদক পেতে পারে। আগামী বছর থেকেই মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক চালু হবে।’

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাঁচ শ্রেণিতে শেখ হাসিনা মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক দেওয়া হবে। সেগুলো হলো—সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা প্রদান, বয়স্কা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারীদের কল্যাণে ও পুনর্বাসনে অবদান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমন্বিত ও সমউন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবকল্যাণ ও মানবতাবোধে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে এমন কর্মকাণ্ড।

পদকের নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী নিবন্ধিত হতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সদস্যদের নিজস্ব তহবিলে পরিচালিত হতে হবে। অলাভজনক, অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অনন্য হতে হবে। সরকারি দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান এই পদক পেতে আবেদন করতে পারবে। একবার পদক পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাঁচ বছরের মধ্যে আবেদন করতে পারবে না। রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, ফৌজদারি আইনে শাস্তিপ্রাপ্ত কিংবা অভিযুক্ত এবং ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত বা দেউলিয়া কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই পদক পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রতিবছর ৫ জুলাই মনোনয়নের জন্য আহ্বান করা হবে। জেলা কমিটি প্রাথমিক বাছাই শেষ করে তা পাঠাবে জাতীয় কমিটির কাছে। প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন। পরের ২ জানুয়ারি পদক ঘোষণা করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র মতে, আজকের বৈঠকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের আলাদা একটি প্রস্তাব উঠছে। এ কাউন্সিল সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে দুই হাজার ৬০০ ইউনিয়নে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মানুষকে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে দুটি এনটিটি প্রতিষ্ঠান। দুটি প্রতিষ্ঠান দুই হাজার ৬০০ ইউনিয়নে ২০ বছর মেয়াদে এই প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও আপগ্রেডেশন করবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মামুন আল রশীদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ব্যক্তি খাতের উদ্যোক্তা লভ্যাংশের কত শতাংশ পাবে, সেটি ঠিক হবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতের দিনে খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: খেজুরকে ন্যাচারাল এনার্জি বল। কারণ মাত্র চারটি খেজুর আপনাকে যে পরিমাণ এনার্জি দেবে তা অন্য কোনো ফল থেকে পাবেন না। খেজুর এমন একটি শুকনো, মিষ্টি ফল যা আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। খেজুরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর বলে খেজুর খাওয়া ভালো, বিশেষ করে শীতের দিনে। খেজুরে অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ন্যাচারাল গ্লুকোজ এবং ফাইবার থাকে যা শরীরকে উষ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। খেজুর খেলে প্রচুর শক্তি পাওয়া যায় বলে মুসলিম সম্প্রদায় ইফতারের সময় খেজুর খায়। শীতের সময়েও কেনো খেজুর খাবেন সে কারণগুলো জেনে নিই চলুন।

ঠাণ্ডা নিরাময়ে সাহায্য করে
যদি আপনি ঠাণ্ডার সমস্যায় ভোগেন তাহলে ২-৩ টি খেজুর, কয়েকটি গোলমরিচ এবং ১-২ টি এলাচ পানিতে দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দ্রবণটি পান করুন। এটি ঠাণ্ডা নিরাময়ে সাহায্য করবে।

অ্যাজমা ভালো করে
অ্যাজমা এমন একটি স্বাস্থ্য সমস্যা যা শীতের সময়ে বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ১-২ টি খেজুর খেলে অ্যাজমা সমস্যা বৃদ্ধি পায় না।

উষ্ণতা প্রদান করে
খেজুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার, ভিটামিন ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস। এটি শরীরকে উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে বলে শীতের সময়ে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

শক্তি বৃদ্ধি করে
খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি থাকে বলে তাৎক্ষণিকভাবে পেতে সাহায্য করে। যখনই আপনার শক্তি বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হবে তখনই কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতে পারেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য
খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ। একগ্লাস পানিতে কয়েকটি খেজুর ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে ভেজানো খেজুরগুলোকে পিষে নিন এবং এই সিরাপটি খালি পেটে পান করুন। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করবে।

হৃদপিণ্ডের জন্য ভালো
খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ বলে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। এটি হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করে বলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রতিরোধ হয়, বিশেষ করে শীতের সময়ে।

আরথ্রাইটিসের জন্য ভালো
খেজুরে প্রদাহরোধী উপাদান আছে। এজন্য খেজুর খেলে আরথ্রাইটিসের ব্যথা কমে যা শীতের সময়ে খুব সাধারণ একটি বিষয়। তাই প্রতিদিন কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন।

ব্লাড প্রেশার কমায়
খেজুর ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ, এই দুটি উপাদান রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন ৫-৬টি খেজুর খেতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলোচনা চেয়ে আ.লীগকে এরশাদের চিঠি

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনের পদ্ধতি ও উপায় বের করতে আলোচনার জন্য সময় চেয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় পার্টি। দলের প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বাক্ষরিত চিঠি শনিবার (১৭ নভেম্বর) গণভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এরশাদের প্রেস সেক্রেটারি ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায় বাংলা এ তথ্য জানান। শনিবার সুনীল শুভরায় চিঠিটি পৌঁছে দেন।

জাতীয় পার্টির সূত্রে জানা গেছে, আসন চেয়ে নয়, বরং একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পদ্ধতি, জোট না একক, কোথায় কোন প্রার্থী দেওয়া হবে, এমন কিছু বিষয় যুক্ত করে আলোচনার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ আলোচনা হবে।

সুনীল শুভরায় জানান, নির্বাচনের পদ্ধতি ও কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করার জন্যই সময় চাওয়া হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জাতীয় পার্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

রাজনীতির খবর: সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে ৪৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাকে চার বছরের কারাদণ্ড ও আড়াই কোটি টাকা জরিমানা বহাল রেখেছেন আদালত।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ওই আপিল করেছিলেন নাজমুল হুদা। আপিল খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আজ রবিবার ৬৭ পৃষ্ঠার রায়টি প্রকাশ করা হয়।

গত বছর ৮ নভেম্বর বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ হুদা দম্পতির আপিল খারিজ করে রায় ঘোষণা করেন। এরপর আজ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলো।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ‘দুর্নীতি একটি অভিশাপ। সমাজের সবক্ষেত্রে দুর্নীতি দেখা যায়। দুর্নীতির সমাজের নৈতিক অবস্থা নষ্ট করে এবং সরকারি কর্মচারীর দুর্নীতি কেবল নৈতিক অবস্থাই নষ্ট করে না বরং এটি জাতীয় অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। সরকারের উচ্চপর্যায়ে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি করা হলে তা জাতীয় স্বার্থ, অর্থনীতি ও দেশের ভাবমূর্তির জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।’

একই মামলায় নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে সিগমা হুদার কারাগারে থাকাকালীন সময়কে সাজা বলে গণ্য করে তিন বছরের কারাদণ্ড থেকে বাকিটা মওকুফ করা হয়েছে।

এ রায়ের ফলে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে কারাগারে যেতে হবে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২১ মার্চ দুদকের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদার মালিকানাধীন সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘খবরের অন্তরালে’র জন্য জনৈক মীর জাহের হোসেনের কাছ থেকে দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন তারা।

২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মামলাটিতে নাজমুল হুদাকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেন। তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ২০ মার্চ নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদা আপিল করলে তাদের খালাস দেন হাইকোর্ট। পরে দুদক আপিল করলে ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর খালাসের রায় বাতিল করে হাইকোর্টে পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। গত বছরের ১৩ এপ্রিল আদেশ পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনও খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জর্ডান গোলকিপারের বিস্ময়কর গোলে মুগ্ধ বিশ্ব‍! (ভিডিওসহ)

খেলার খবর: সতীর্থরা যখন গোলের দেখা পাচ্ছেন না, তখন নিজেই উদ্যোগী হয়ে উঠলেন জর্দানের গোলকিপার আমের শাফি। নিজেই নিজেদের পেনাল্টি বক্সের ভেতর থেকেই দূরপাল্লার শটে গোল করে বিশ্ব ফুটবলকে স্মরণীয় একটি মুহূর্ত উপহার দিলেন তিনি! তার গোলের সুবাদে ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতে নিয়েছে স্বাগতিক জর্দান।

শনিবার ভারতের বিপক্ষে এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন জর্দানের গোলকিপার। আম্মানের কিং আব্দুল্লাহ ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচেরর ২৫তম মিনিটে নিজ বক্স থেকে শটে তিনি পরাস্ত করেন প্রতিপক্ষ ভারতীয় গোলকিপার গুরপিত সিং সিধুকে। বলটি প্রতিহত করার জন্য প্রয়াজনীয় সব চেষ্টাই করেছেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

শাফির দূরপাল্লার শটের বলটি গিয়ে আছড়ে পড়ে সিধুর গোলপোস্টের একেবারেই পেনাল্টি এরিয়ার সামনে। এরপর সেটি ড্রপ খেয়ে আশ্রয় নেয় জালে। এ সময় সিধু বলটি প্রতিহত করার জন্য চেষ্টা করে তাতে ছোয়া লাগিয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু তাতে বলের গতিপথে কোন হেরফের হয়নি। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক দল।

এর আগে জর্ডানের একটি পেনাল্টি রুখে দিয়েছিলেন সিধু। বলের শটটি নিয়েছিলেন স্বাগতিক দলের তারকা খলিল বানি আত্তিয়া। ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে এহসান হাদাদের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জর্দান। ৬১তম মিনিটে সফরকারী ভারতীয় দলের হয়ে একমাত্র গোলটি পরিশোধ করেন নিসু কুমার। তবে সবকি আমের শাফির এই বিস্ময়কর গোলের ভিডিও এখন ইন্টারনেটে ভাইরাল।
https://youtu.be/zagRACBEZEs

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি ফোরামের জেলা কমিটির আতœপ্রকাশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি ফোরাম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটি আতœপ্রকাশ করা হয়েছে। ১৭ নভেম্বর সকাল ১০টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা ১০০০ এর বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি ফোরাম এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা কার্যনির্বাহী কমিটি আতœপ্রকাশ ও অনুমোদন করা হয়। অনুমোদন পত্রে সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেনের ¯œাক্ষরে জেলা কার্যনির্বাহী কমিটি সভাপতি আব্দুল আলিম, সিনিঃ সহ-সভাপতি রোকন উদ্দীন, সাধারনসম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ন সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও সাংগঠনিক মোচ্ছাক সরদার সহ ৫১ বিশিষ্ট সদস্য কমিটি ঘোষনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিঃ সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আসাদুুজ্জামান শিবলো, জেলা কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি আঃ আলিম, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক মোচ্ছাক সরদার, নজরুল ইসলাম, লিটু প্রমূখ।কমিটি আতœপ্রকাশ অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যানে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফিরাত দোয়া কামনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহিদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজের ভূমিদাতা প্রতিষ্ঠাতাকে সন্ত্রাসী বললেন অধ্যক্ষ!

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. শহিদুর রহমানকে সাতক্ষীরার শহিদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে স্বীকার না করেই তাকে সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করে সংবাদ সম্মেলন করলেন একই কলেজের অধ্যক্ষ। এ সময় তিনি বলেন, তিনি শিক্ষকদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করেছেন। কলেজের জমি নিজ নামে রেজিষ্ট্রি করেছেন। এখন তিনি কলেজ পরিপন্থি নানা কাজে লিপ্ত থেকে ছাত্র ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষায় বাধার সৃষ্টি করছেন।
রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা বাঁশদহা শহিদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান বলেন ডা. শহিদুর রহমান কলেজে বিশৃংখলা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৭ নভেম্বর কয়েকজন সন্ত্রাসীকে সাথে নিয়ে হামলা করেন । এ সময় তিনি তালা ভেঙ্গে অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে ভাংচুর করেন। তাদের হাতে ছিল রাম দা, লোহার শাবল, দা ও কুড়াল। তারা কলেজের কাগজপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুর ও লুট করে নিয়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন, উপাধ্যক্ষ দীপক কুমার মল্লিক ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের জমিদাতা প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. শহিদুর রহমান বলেন, শিক্ষক ফজলুর রহমান বিধি সম্মতভাবে অধ্যক্ষ হননি। তিনি কাগজপত্র জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করে এই পদ দখল করেছেন। একইভাবে পরিচালনা পরিষদ যথাযথভাবে গঠিত না হওয়ায় এবং তার নিজের বোন জামাই আলতাফ হোসেনকে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি করার বিষয়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ জমা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি তদন্ত করে শিক্ষক ফজলুর রহমানের বেতনের টাকা সরকারি দফতরে ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেয়। এর আগে তাকে আচরনগত কারণে কলেজ থেকে বরখাস্ত করা হয় জানিয়ে ডা. শহিদুর রহমান বলেন এসব বিষয় নিয়ে তিনি শনিবার স্থানীয় কয়েকজনকে সাথে নিয়ে কলেজে যান। কথাবার্তা বলার এক পর্যায়ে কলেজের স্বঘোষিত অধ্যক্ষের উসকানিতে ছাত্র শিক্ষকরা তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় একজনকে অবরুদ্ধ করে পরে পুলিশে সোপর্দ করে। ডা. শহিদুর রহমান বলেন, কথিত অধ্যক্ষ কলেজটিকে নানা কারণে গোল্লায় নিয়ে যেতে চাইছেন। তিনি এসবের বিরোধীতা করেছেন মাত্র। শিক্ষক ফজলুর রহমান একজন ভারতীয় গরু ব্যবসায়ী উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে তার প্রতিবন্ধী মেয়ে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এমন একটি লোককে কলেজের অধ্যক্ষ কিভাবে করা যায় বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest