সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন

‘গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন’ প্রকল্পে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা

দেশের খবর: দেশের প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলের অধিক ভাঙা রাস্তা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ‘গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন’ শিরোনামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা। যা পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদকালে এটি বাস্তবায়িত হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ এ সমস্ত রাস্তা মেরামত ও সংস্তার না করার ফলে কৃষিজাত পণ্যের বাজারজাতকরণের সুবিধা পাচ্ছে না প্রান্তিক কৃষক। একইসঙ্গে গ্রামীণ জনগণের বাণিজ্যিক সুবিধা ও কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে না, ফলে দারিদ্র বিমোচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এসব কারণেই দেশের ৬৪ জেলার ৪৮২টি উপজেলার চার হাজার ৭১৭ কিলোমিটার অধিক ভাঙা রাস্তা মেরামত ও সংস্কারের জন্য প্রকল্পটি প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

প্রকল্প প্রস্তাবনা সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ৪ হাজার ৭১৭ কিলোমিটার গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন (বিসি) হবে। বেজকোর্স শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম সড়কের পুনর্বাসন করা হবে ২ হাজার ২৮১ কিলোমিটার।

সূত্র জানিয়েছে, দেশের গ্রামাঞ্চলের সড়কের রক্ষণাবেক্ষণের ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে যে বরাদ্দ পাওয়া যায়, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এ কারণে বিদ্যমান সড়কের একটি বড় অংশ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে বিনিয়োগ করা সরকারি সম্পদেরর অপচয় হচ্ছে এবং পল্লী জীবনের কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের জনগণ। এ কারণে গ্রাম সড়কের পুঞ্জিভূত রক্ষণাবেক্ষণের পরিমাণ কমিয়ে বিশেষ করে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করে সমগ্র দেশের গ্রামীণ জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন’ শিরোনামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি সারাদেশের সহজ এবং নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, কৃষিজাত পণ্যের বাজারজাতকরণের সুবিধা এবং গ্রামীণ জনগণের বাণিজ্যিক সুবিধা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা দারিদ্র বিমোচনে সহায়ক হবে। গ্রামীণ অর্থনৈতিক গতিশীলতা আসবে। এ লক্ষ্যেই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থের যোগান নিশ্চিত করে মোট ৩ হাজার ৮৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ধরে নভেম্বর থেকে শুরু করে ২০২১ সালের ৩০ জুন মেয়াদকালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়। ১ নভেম্বর তারিখে প্রকল্পটির ওপর পিইসির (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিইসি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোট ৩ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করে ডিপিপি পুনর্গঠন করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে একনেকের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্রাম্য সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সড়ক অবকাঠামো ও সম্পদ সংরক্ষণ করা সহজ হবে। গ্রাম সড়কের ব্যাক লগ মেনটেইনেন্সের পরিমাণ কমানো এবং গ্রাম অঞ্চলের সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য নিরাপদ, সুষ্ঠু ও যথাযথ পরিবহন সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে পরিবহন ব্যয় ও সময় সাশ্রয় হবে। এছাড়াও বিভিন্ন পণ্যের বাজারজাত ব্যবস্থার সহজীকরণ হবে। সড়ক অবকাঠামোসমূহ মেরামত ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে কৃষি, অকৃষি খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখা সহজ হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাল ছাড়েননি বাদপড়ারা চলছে চেষ্টা-তদবির

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য তালিকা থেকে বাদ পড়া দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এখনও হাল ছাড়েননি। তারা শেষ মুহূর্তের চেষ্টা-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কয়েকজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। মনোনয়নের তালিকা থেকে বাদ পড়া কয়েকজন এমপি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কথা বলেছেন। দলের অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তারা নিবিড় যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফোরামের (বিএনএফ) সভাপতি এস এম আবুল কালাম আজাদ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

এস এম আবুল কালাম আজাদ ঢাকা-১৭ আসনের এমপি। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাও এই আসনে মনোনয়ন চাইছেন। তবে আওয়ামী লীগ এই আসনে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের নাম চূড়ান্ত করেছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ চাইলে আসনটি তাকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা বলেন, সংসদীয় বোর্ডের সদস্যরা দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে গতকালও গণভবনে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে খসড়া প্রার্থী তালিকায় থাকা হাতেগোনা কয়েকটি আসনে প্রার্থী রদবদল এবং আরও কয়েকটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ১৪ দলীয় জোট ও মহাজোটের শরিকদের জন্য রাখা আসনগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়েও কথা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠকে সংসদীয় বোর্ড সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ওবায়দুল কাদের, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান ও রমেশ চন্দ্র সেন। এ বৈঠকে মহাজোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গেও কথা হয়েছে। কাল-পরশুর মধ্যে এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে গতকাল গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে মাদারীপুর-৩ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার অনুরোধ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দুই নেতাকে নির্দেশ দেন। এই আসনে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌরসভা মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু ও সাবেক এমপি সফিকুল ইসলাম অপু ঝিনাইদহ-২ আসনে দলের প্রার্থিতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। এই আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন তাহজীব আলম সিদ্দিকী। তিনি বর্তমান সংসদের স্বতন্ত্র সদস্য। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজের প্রার্থিতা নিয়ে কথা বলেছেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের এমপি অনুপম শাহজাহান জয়। তিনি গতকাল ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গেও দেখা করেন। অনুপম শাহজাহান জয় দলের মনোনয়ন পাননি।

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদারও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি ফরিদপুর-১ আসনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তবে খসড়া প্রার্থী তালিকায় এ আসনে সাবেক সচিব ও রূপালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেনের নাম রয়েছে। গাজীপুর-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট রহমত আলীর ছেলে জামিল হাসান দুর্জয়ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি দলের মনোনয়ন চেয়েছেন। তবে খসড়া প্রার্থী তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজের নাম রয়েছে।

এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগের খসড়া প্রার্থী তালিকায় বর্তমান এমপি দিদারুল আলমের নাম রাখা হয়নি। এ আসনে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। তিনি বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হলেও পরে আওয়ামী লীগে ফিরে এসেছেন। এম মনজুর আলম বর্তমান এমপি দিদারুল আলমের আপন চাচা।

তিনি ছাড়াও চট্টগ্রাম-১ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ আসনে ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আসনে ডা. আফছারুল আমীন. চট্টগ্রাম-১১ আসনে এম আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ আসনে সামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে অধ্যাপক ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর নাম প্রাথমিকভাবে মনোনয়নের তালিকায় রয়েছে।

ফেনী-৩ এবং লক্ষ্মীপুর-৪ ছাড়া বৃহত্তর নোয়াখালীর আর কোনো আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় রদবদল করা হয়নি। ফেনী-৩ আসনে জাতীয় পার্টি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিকল্পধারাকে ছাড় দেওয়া হবে। অন্য আসনগুলোর মধ্যে ফেনী-২ আসনে নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ আসনে মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ আসনে মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-৪ আসনে একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ আসনে ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আসনে আয়েশা ফেরদাউস, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে একেএম শাহজাহান কামালের নাম রয়েছে।

টাঙ্গাইল-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটুর নাম রয়েছে। এ আসনের এমপি খন্দকার আবদুল বাতেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল-১ আসনে ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৪ আসনে হাসান ইমাম খান ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে ছানোয়ার হোসেন দলের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন। টাঙ্গাইল-২ আসনের এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামান ও টাঙ্গাইল-৩ আসনের এমপি আমানুর রহমান রানা দলের মনোনয়ন পাননি।

রাজবাড়ী-১ আসনে কাজী কেরামত আলী এবং রাজবাড়ী-২ আসনে জিল্লুল হাকিম আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন।

এ ছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় আরও রয়েছেন পঞ্চগড়-২ আসনে অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম বাবু, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক, নীলফামারী-১ আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-২ আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক চৌধুরী, রংপুর-৪ টিপু মুনশি, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৩ ডা. ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৫ অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবুর রহমান, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ আবদুল মালেক, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ প্রকৌশলী এনামুল হক, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-৪ অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ ডা. হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আবদুল মজিদ মণ্ডল, সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন দোদুল, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুবউল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ আবদুর রউফ, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আজগার টগর, যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য্য, যশোর-৬ ইসমাত আরা সাদেক, মাগুরা-১ অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ বীরেন শিকদার, নড়াইল-১ কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মুর্তজা, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-২ অ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন্নাহার, বাগেরহাট-৪ ডা. মোজাম্মেল হোসেন, খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ আবদুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, বরগুনা-১ অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-২ শওকত হাচানুর রহমান রিমন, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-২ অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস, বরিশাল-৪ পংকজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ জেবুন্নেছা আফরোজ, ঝালকাঠি-১ বজলুল হক হারুন, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, পিরোজপুর-১ অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজুওয়ান আহমেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন, মানিকগঞ্জ-১ এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন, মুন্সীগঞ্জ-২ সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা-২ অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা, ঢাকা-৭ হাজি মোহাম্মদ সেলিম, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতুল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক আসলাম, ঢাকা-১৫ কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, ঢাকা-১৮ অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ ডা. এনামুর রহমান, ঢাকা-২০ বেনজির আহমেদ, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ চুমকি, নরসিংদী-১ লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক, নরসিংদী-২ আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ, নরসিংদী-৩ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৪ অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু, নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ এ কে এম শামীম ওসমান, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ কাজী জাফর উল্লাহ, গোপালগঞ্জ-১ লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা, মাদারীপুর-১ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, শরীয়তপুর-১ ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, জামালপুর-৪ ডা. মুরাদ হাসান, শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ এ কে এম ফজলুল হক চান, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-৬ অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মানু মজুমদার, নেত্রকোনা-২ আরিফ খান জয়, নেত্রকোনা-৩ অসীম কুমার উকিল, সুনামগঞ্জ-১ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৫ মুহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-১ আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমদ, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ, মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দা সায়রা মহসিন, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, হবিগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট আবু জাহির, হবিগঞ্জ-৪ মাহবুব আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১ মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৫ অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস, কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, কক্সবাজার-১ জাফর আলম, কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার-৪ শাহীন চৌধুরী, খাগড়াছড়িতে কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ও বান্দরবান আসনে বীর বাহাদুর উশৈ সিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে মুশফিক-মিরাজ

খেলার খবর: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের দুই নায়ক তারা। পারফরম্যান্সের প্রতিফলন পড়ল আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়েও। টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো সেরা বিশে ঢুকেছেন মুশফিকুর রহিম। বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে নিজের ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে উঠেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

মিরপুর টেস্টে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিক। গড়েন বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড। ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ১৮ নম্বরে। তার আগের ক্যারিয়ার সেরা অবস্থান ছিল গত বছরের জুলাইয়ে ২১তম।

মিরাজ দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে নিয়েছেন ৮ উইকেট। বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ৭ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ২৮ নম্বরে।
মিরাজের ঠিক ওপরেই আছেন তাইজুল ইসলাম। মিরপুর টেস্টে এই বাঁহাতি স্পিনার দুই ইনিংস মিলিয়ে নিয়েছেন ৭ উইকেট। তিন ধাপ এগিয়ে ২৭ নম্বরে উঠলেও তাইজুলের এটি সেরা র‌্যাঙ্কিং নয়। ২০১৫ সালের মে মাসে উঠেছিলেন ২৬ নম্বরে।
অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন এই সিরিজ না খেলা সাকিব আল হাসান। তার চেয়ে তিন রেটিং পয়েন্ট পেছনে থেকে দুইয়ে রবীন্দ্র জাদেজা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ ড্র করে বাংলাদেশ দল হারিয়েছে ৬ রেটিং পয়েন্ট। নয় নম্বরে আছে তারা ৬১ পয়েন্ট নিয়ে। আটে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট ৭৬।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে চলবে আমজাদ হোসেনের চিকিৎসা

বিনোদনের খবর: থমকে আছে শোবিজের আকাশ-বাতাস। একটা চাপা নিরবতা চলচ্চিত্রের সবখানে। অভিভাবক, কিংবদন্তি নির্মাতা আমজাদ হোসেন তিনদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি! এখনও কাটেনি শঙ্কা। রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে তাকে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসুস্থ আমজাদ হোসেনের পাশে এসে দাঁড়ালেন। নিলেন তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব। মঙ্গলবার দুপুরে আমজাদ হোসেনের পুত্র সোহেল আরমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘এই কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সবসময় শিল্পীদের সম্মান করেন, তাদের আপদে বিপদে এগিয়ে আসেন। আমার বাবার চিকিৎসার জন্য আমার পরিবারের পাশে এসেও দাঁড়ালেন তিনি। তার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি বাবার শারীরিক অবস্থারও খোঁজ-খবর নিয়েছেন।’

সোহেল আরমান আরও বলেন, ‘বিশেষ পাশে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বাবার চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছেন। যদি বিদেশে নিয়ে যাওয়া লাগে সেটাও তিনি ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।’
সোহেল আরমান তার বাবার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গেল রোববার সকালে নিজ বাসভবনে আমজাদ হোসেন ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। অচেতন অবস্থায় তাকে রাজধানীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে এখানেই আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
এই কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
তিনি একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার সালমানকে হত্যার হুমকি ভক্তের

বিনোদনের খবর: বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ফ্যানের সংখ্যা যে দিনে দিনে বেড়ে চলেছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ভক্তরা নিজেদের প্রিয় তারকার জন্য পাগলামি করবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে এবারের বিষয়টা একেবারেই অন্য। এক ব্যক্তি সালমানের কর্মচারীকে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে।

জানা গেছে, ফারুক আলিয়াস শেরু নামের ওই ব্যক্তি হুমকি দেয়ার আগে না কি অনেকবার সালমানের সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে চান। তার কথা না শোনায় এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হন তিনি!

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফারুক আলিয়াস শেরুকে ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ৷

এর আগে গত জানুয়ারি মাসে সালমান খানকে প্রকাশ্যে মেরে ফেলার হুমকি দেয় কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণই। তাও আবার আদালতের ভেতরে। মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে কোর্টরুমে সালমানকে দেখেই সরাসরি প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে বসে লরেন্স বিষ্ণই।

সেসময় গণমাধ্যমের সংবাদে জানা যায়, সালমান খানের সঙ্গে লরেন্স বিষ্ণইয়ের কোনো সম্পর্ক বা শত্রুতা নেই। শুধুমাত্র যোধপুর পুলিশকে ‘শিক্ষা’ দেয়ার জন্যই না কি সালমানকে খুনের হুমকি দিয়েছে সে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অন্তর্বাসের ব্যবসা করেন নিশো

বিনোদনের খবর: একের পর এক নাটক-টেলিছবিতে অভিনয় করে ছোট পর্দার দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন এই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। বিভিন্ন রকম চরিত্রে তার দেখা মেলে। সম্প্রতি একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। যেখানে তাকে অন্তর্বাসের ব্যবসিক হিসেবে পাওয়া যাবে।

‘ব্রা-দার’ নামের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন মাবরুর রশিদ বান্নাহ। সম্প্রতি রাজধানী উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। এর গল্প ও কাহিনীচিত্রও তৈরি করেছেন নির্মাতা নিজেই।
বান্নাহ জানালেন, এখানে আফরান নিশোর বিপরীতে অভিনয় করেছেন সামিয়া অথৈ। এতে আরও অভিনয় করেছেন শাহেদ আলী, সিয়াম নাসির প্রমুখ।

মাবরুর রশিদ বান্নাহ বলেন, ‘মূলত, একজন অন্তর্বাস বিক্রেতার জীবনকে উপজীব্য এই চলচ্চিত্রটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। এখানে দেখা যাবে, একটি ছেলে তার পড়াশোনা শেষ করে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও কোনো চাকরি না পেয়ে বাধ্য হয়ে বাপ-দাদার পারিবারিক ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু সে যে ব্যবসা করে তা সমাজের চোখে ছোট কাজ। কারণ সে আন্ডার গার্মেন্টের ব্যবসা করে। সে কোথাও এই ব্যবসার পরিচয় দিতে পারে না। এমনকি নিজের গার্লফ্রেন্ডের কাছেও সে বলতে পারে না। এই নিয়ে শুরু হয় অনেক সমস্যা।’

নির্মাতা সূত্রেই জানা যায় আগামী ২২ নভেম্বর এটি আইফ্লিক্সে মুক্তি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফুলশয্যার রাতেই সন্তান জন্ম দিলেন নববধূ!

অনলাইন ডেস্ক: দুলাল মিয়ার কন্যা ফারজানা আক্তারের (১৮) সঙ্গে আড়াই লাখ টাকা দেনমোহরে জাকির হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেনের (২০) বিয়ে হয়। বিয়ের পরদিন যথারীতি বৌভাতের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে আত্মীয়-স্বজন ও আমন্ত্রিত অতিথিরা আসতে থাকে। দুপুরের পরই পুরো বাড়ি খানাপিনা আর স্বজনদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে।

কিন্তু বিপত্তিটা তৈরি হয় আরও পরে। প্রায় মধ্যরাতে। দেলোয়ারের বন্ধুরা অনেক যত্নআত্তি করে বাসর ঘর সাজায়। সেই ফুলশয্যাতে হঠাৎ পেটে ব্যাথা উঠে নববধূর। এরপর তাকে রাতেই বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিতে বলে সে।
এভাবে ফুলশয্যার রাত প্রায় শেষ দিকে। ভোরে ঘরের পাশের একটি টয়লেটে গিয়ে সন্তান প্রসব করেন নববধূ। এরপর নবজাতকের কান্নার শব্দে বাড়ির লোকজন গিয়ে জানতে পারে আসল ঘটনা। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গত শনিবার রাতে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের আমদুয়ার পূর্বপাড়া গ্রামে জাকির হোসেনের বাড়িতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। ফারজানার বাপের বাড়ি একই ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে।

ফারজানার শাশুড়ি জাহারা খাতুন বলেন, ‘প্রসবের পর নবজাতককে হত্যার চেষ্টা করেছিল ফারজানা। প্রসবের পর টয়লেটের কমেডে ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করায় নবজাতকের মাথায় সামান্য আঘাতের চিহ্ন ও ময়লা লেগেছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে নববধূর পিতার বাড়ির লোকজনকে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে কৃষ্ণপুর গ্রামের ওয়ার্ড মেম্বার তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকজন এসে নবজাতক ও নববধূ ফারজানাকে বাপের বাড়িতে নিয়ে যায়।’

এ ঘটনায় সমাজে তাদের মর্যাদাহানি হয়েছে বলেও কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন জাহারা খাতুন।
নববধূ ফারজানা জানান, তাদের পাশের বাড়ির সৌদি প্রবাসী মাহবুবুল আলম দুলালের ছেলে মেহেদী হাসান পারভেজের সাথে দীর্ঘদিন তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভনে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে গর্ভবতী হয়ে পড়লে কাউকে না জানিয়ে পারভেজকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু ফারজানাকে বিয়ে না করে পালিয়ে বিদেশ চলে যায় মেহেদী হাসান।

ফারজানা বলেন, ‘আমি এখন নবজাতক এ কন্যা সন্তান নিয়ে কোথায় যাব। আমি না পেলাম স্ত্রীর মর্যাদা, আর এ কন্যা শিশুটি পেল না পিতা স্নেহছায়া। আমি সমাজের কাছে এ প্রতারণার বিচার চাই।’
স্থানীয়রা জানান, পারভেজের এমন ঘটনা ধামাচাপা দিতে তার প্রভাবশালী পরিবার ফারজানার বাবা দিনমজুর দুলাল মিয়া মেয়েকে দ্রুত অন্যত্র বিয়ে দিতে চায় দেয়। মেয়ের অসম্মতিতেই গত বৃহস্পতিবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও শেষ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মুখোমুখি হচ্ছেন ২৩ নভেম্বর

দেশের খবর: তরুণদের মুখোমুখি হতে আগামী ২৩ নভেম্বর ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ অনুষ্ঠানে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৬ নভেম্বর অনুষ্ঠানটি আয়োজনের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে ২৩ নভেম্বর বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে অয়োজক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন। অনুষ্ঠানে বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তরুণদের কাছ থেকে শুনবেন দেশ গঠনে তাদের পরিকল্পনা ও পরামর্শের কথা। বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে বারবার উঠে এসেছে এই তথ্য।

তরুণদের কাছে প্রধানমন্ত্রী কেনো জনপ্রিয়, সেটি আরো একবার প্রমাণ করতে ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণদের মুখোমুখি হচ্ছেন তিনি। সারাদেশ থেকে আসা ১৫০ জন তরুণের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন পেশাজীবী, চাকরিজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং দেশ গঠনে উদ্যমী তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবে এই আয়োজনে। তরুণদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত, ভবিষ্যতে উন্নত বাংলাদেশ গড়ায় বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ পাবেন এই তরুণেরা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘প্রথমবারের মতো’ কোনো প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মুখোমুখি হচ্ছেন। বর্তমান প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দিতে এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার তারুণ্যের সময় নিয়ে নতুন বেশকিছু তথ্য জানাবেন। এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নিজের জীবনের নানাদিক নিয়েও আলোচনা হবে আয়োজনে। ব্যক্তিগত জীবন, নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা নিয়েও তরুণদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সিআরআই-এর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিস শামস বলেন, তরুণরা যাতে দেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে খোলামেলাভাবে আলোচনা করতে পারেন এবং নিজেদের ভাবনা ও সমস্যাগুলোর কথা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেন সেজন্য সিআরআই নিয়মিত এই আয়োজন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারনী পর্যায়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে এ অনুষ্ঠানের। তরুণদের জন্য এটি ভিন্নমাত্রার এক আয়োজন। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, তরুণদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি বর্তমানকে উৎসর্গ করেছেন। সুতরাং বোঝাই যায় তরুণদের জন্য কতটা আন্তরিক তিনি। আর সে কারণেই সিআরআই-এর এই আয়োজনকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest