সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন

প্রেমিকাকে খুশি করতে যুবকের অদ্ভুতকাণ্ড! অতঃপর…

অনলাইন ডেস্ক: বয়সে নিজের চাইতে ১০ বছরের বড়। তাতে কী। বান্ধবী বলে কথা। যেকোন শখতো মেটাতেই হবে। সামান্য ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাজ করে সেই শখ মেটানো সম্ভব ছিল না তার। তাই বেছে নিতে হল অন্য পথ। বান্ধবীকে খুশি করতে সাবেক শিক্ষকের স্ত্রীর গয়না চুরি করল এক যুবক।

কিন্তু রক্ষা পেলেন না। পুলিশের হাতে ধরা পড়ল সেই কীর্তিমান ছাত্র। আর বান্ধবীকে দেয়া উপহারও উদ্ধার করল পুলিশ।

এ ঘটনায় কুঁদঘাটের স্যার নৃপেন্দ্রনাথ ইনস্টিটিউশনের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কাজল কুমার সিনহা (৬২) গত ১৬ নভেম্বর রিজেন্ট পার্ক থানায় চুরির অভিযোগ করেন।

অভিযোগে তিনি জানান, গত ১৪ নভেম্বর আলমারি খুলে তাঁর স্ত্রী দেখেন সমস্ত গয়নার বাক্স ফাঁকা। খোয়া গিয়েছে ১৬০ গ্রাম সোনার গয়না। যার দাম প্রায় ৫ লাখ টাকা। অথচ তার আগের দিনও সেখানে গয়না ছিল।

এরপরই পুলিশ এ ঘটনায় তদন্তে নামে। আর তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে আলমারি খুলেই গয়না চুরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহ করছিলেন বাড়ির পরিচারিকাকে। কিন্তু তার কাছ থেকে তেমন কিছু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এরপর ঘটনার মোড় নেয় অন্য দিকে।

কাজল বাবু জানান, চুরির আগে বাইরের লোক বলতে শুধু তার এক সাবেক ছাত্র এসেছিলেন। অমিত মজুমদার নামে ওই ছাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কাজল বাবুর। তিনি বলেন, ‘অমিত পেশায় ইলেক্ট্রিশিয়ান। বাড়িতে কোনও কাজ থাকলে ওকেই ডাকতাম। কালীপুজোর আগেও অমিত এসে কাজ করেছিল।’
এরপর পুলিশ অমিতকে টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর গয়না চুরির কথা স্বীকার করে সে।
এ বিষয়ে তদন্তাকারীরা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে অমিতের কাছ থেকে অর্চনা মল্লিক নামে বেহালার এক বিবাহিত মহিলার সন্ধান পায়। অর্চনার বাড়িতে তল্লাশি করেই পাওয়ায় যায় চোরাই গয়না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইলেক্ট্রিশিয়ান অমিতের সঙ্গে অর্চনার সম্পর্ক ছিল। অর্চনাকে খুশি করতেই শিক্ষকের বাড়ি থেকে গয়না চুরি করে সে। কাজের ফাঁকে চাবি হাতিয়ে খুলে ফেলে আলমারি। তার পর গয়না নিয়ে যায়। পুলিশ দু’জনকেই গ্রেফতার করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাপের বন্ধু যখন ৭ বছরের বাচ্চা!

অনলাইন ডেস্ক: ছেলেটির নাম ‘দেবেশ আদিবাসী।’মাত্র ৭ বছর বয়স তার। ভারতের মধ্য প্রদেশের প্রত্যন্ত এক গ্রামে তার আবাসস্থল। গত চার বছর ধরে এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে আলোচনায় আসে দেবেশ। গ্রামের নিকটস্থ জঙ্গলে যাতায়াত রয়েছে তার। নিয়মিতই সে জঙ্গলে যায় এবং ফিরে আসে বিষাক্ত সব সাপ নিয়ে। ভয়ঙ্কর বিষধর সেই সব সাপ দেখলেই যে কারো পিলে চমকে যাবার কথা।

অথচ আজব বিষয় হল দেবেশ অনায়াসে তাদের নিয়ে বসবাস করছে। এই সব সাপ কেন তার কাছে এভাবে পোষ মানে, সেটা এক বিরাট রহস্য! মাত্র ৩ বছর বয়স থেকে সে সাপের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছে। এই সব বিষয় দেখতে দেখতে গ্রামবাসীর কাছে তা সহজ-সাধারণ দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। দেবেশের বাবা-মাও এখন আর এটি নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাননা। দেবেশ নিয়মিতই সাপদের নিয়ে খেলা করে। তাদের সাথে খায় ও ঘুমায়। তারপর তাদের জঙ্গলে নিয়ে ছেড়ে দেয়। পরদিন আবার নতুন সাপ নিয়ে আসে। এভাবেই চলছে তার দিনলিপি।

এ বিষয়ে মুম্বাইয়ের এক বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী জানিয়েছেন, ‘দেবেশের বিষয়টি যথেষ্ট অস্বাভাবিক। দেখে সাধারণ মনে হলেও এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। সে সাপগুলোর সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। হয়তো তারা তাকে কামড় দিচ্ছেনা। তার মানে এই নয় যে, তারা কখনও তাকে কামড়াবেনা। সার্বক্ষণিত সাপ নিয়ে থাকা তার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যে মোটেও ভালো নয়। এছাড়া যেকোনো দিন সাপের দংশনে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এছাড়া মানসিক বৈকল্যের ঝুঁকিও রযেছে।’সূত্র: অডিটি সেন্ট্রাল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার শপথ করালেন চিত্রনায়ক রিয়াজ

বিনোদনের খবর: বাংলা চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় এক নাম রিয়াজ আহমেদ। অনেক জনপ্রিয় সিনেমার নায়ক তিনি। ছোটপর্দাতে অভিনয় করেও বাজিমাত করেছেন। এছাড়া নানা রকম সামাজিক কাজেও পাওয়া যায় তাকে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে সময় দিচ্ছেন রাজনীতিতেও। এবার একটি ক্যাম্পেইন উপলক্ষে একটি প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের ব্যবস্থাপকদের পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার শপথ করালেন চিত্রনায়ক রিয়াজ।

দেশব্যাপী ‘ডেটল পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ পাওয়ার্ড বাই হারপিক’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রিয়াজের কাছে শপথ গ্রহণ করলেন রেকিট বেনকিজারের সকল স্তরের ব্যবস্থাপক। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে তারা এই শপথ গ্রহণ করেন।
শপথে অংশগ্রহণকারীরা যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলা, খাওয়ার আগে ও পরে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্না রাখা ও টয়লেট ব্যবহারের পর দুই হাত সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধোয়া এবং শিশুদের পরিচ্ছন্নতা শেখানোর মাধ্যমে ‘পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ’ গড়ার শপথ গ্রহণ করেন।

ব্যবস্থাপকবৃন্দ শপথ গ্রহণ করে সারা দেশে ডেটলের পরিবেশক কার্যালয়ে (ডিবি হাউজ) গিয়ে পরিবেশকদের পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ ও শপথ প্রদান করবেন। পরিবেশকদের কাছ থেকে শপথ গ্রহণ করে ডিবি হাউজের কর্মীরা বিভিন্ন স্থানের সকল সহযোগী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও দোকানসমূহে গিয়ে শপথ দিবেন এবং তারা ক্রেতার মাঝে এই পরিচ্ছন্নতার বার্তা ছড়িয়ে দেবেন।

এছাড়াও তারা একটি নির্ধারিত নম্বরে মিসকল দিয়ে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনের সাথে সম্পৃক্ত থাকবেন। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শপথগ্রহণকারীরা ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং পারিপার্শ্বিক পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

রিয়াজ বলেন, ‘এমন একটা আয়োজনের সঙ্গে থাকতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। আশা করি এর মাধ্যমে সবার মাঝে পরিচ্ছন্নতার সচেতনতা গড়ে উঠবে এবং বাংলাদেশ হবে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ।’
রেকিট বেনকিজারের ম্যানেজার মো রাকিব উদ্দিন বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতার বার্তা আমরা সর্ব স্তরে সরাসরি ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয়ে ‘পরিচ্ছন্ন দূত’ এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।’

উল্লেখ্য, দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সুস্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সচেতন করতে দেশব্যাপী গত বছর ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছে ‘ পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন। এর অধীনে সরাসরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গণমাধ্যম দ্বারাও জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইসিইউতে ছাত্রলীগ সম্পাদক

অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল থেকে গ্রীন লাইফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রীন লাইফে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর তত্ত্বাবধানে তাকে ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটতে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
রাব্বানীর চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিল ভূঁইয়া তানভীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এর আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর উনাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত দু’দিন চিকিৎসার পর আজ সকালে তাকে স্কয়ারের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানকার ডাক্তারদের পরামর্শে গ্রীন লাইফে অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।

গত ৩১ জুলাই গোলাম রাব্বানী ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তার সঙ্গে সভাপতি হন কুড়িগ্রামের রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা নাগরিকদের ফেরত নিতেই হবে মিয়ানমারকে: ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকায় নবনিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের উচিত তাদের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়া।’

আজ মঙ্গলবার ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান।
বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পুনরায় গুরুত্ব আরোপ করেন।
বিপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে তাঁর সরকারের পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী আবাসনের জন্য তাঁর সরকার নোয়াখালীতে একটি চরের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।
দেশের গণতন্ত্রের প্রসঙ্গ উঠলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ চাই।’
উইনি এস্ট্রাপ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চমকপ্রদ আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভূয়শী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আপনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে জানতে পেরে আনন্দিত হয়েছি।’

দেশের উন্নয়নে তাঁর সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সরকারের ধারবাহিকতা বজায় থাকায় এখন উন্নয়নগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের খাদ্য নিরাপত্তাসহ মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করতে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।’ বাসস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় নির্মাণাধীন ১০তলা ভবন থেকে পড়ে তিন শ্রমিক নিহত

অনলাইন ডেস্ক: খুলনায় একটি নির্মাণাধীন ১০তলা ভবন থেকে পড়ে তিনজন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর খালিশপুরের নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন (বানৌজা তীতুমীরে) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মো. মহিদুল ইসলামের ছেলে মো. সায়েম (২০), রহিম উদ্দিনের ছেলে মো. রমজান (৩৫) ও নূর ইসলামের ছেলে মো. নূর আলম (১৮)। নিহত নির্মাণ শ্রমিকদের বাড়ি নীলফামারি জেলার জলঢাকা উপজেলার উত্তর দেশিবাড়ী গ্রামে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বানৌজা তীতুমীর কম্পাউন্ডে ওয়াহেদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের নির্মাণাধীন ১০তলা ভবনে কাজ করছিল নির্মাণ শ্রমিকরা। নবম তলায় কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত উক্ত তিন শ্রমিক নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) সোনালী সেন বলেন, বানৌজা তীতুমীর কম্পাউন্ডের ১০ তলা ভবনের নবম তলায় প্লাস্টারের কাজ করার সময় বাঁশের ভারা ভেঙ্গে তিনজন শ্রমিক নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং খুমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজন মারা যায়। এটিকে প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনা বলেই উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে অপমৃত্যু মামলার পর তদন্ত করে দেখা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওয়াহেদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম সজিব বলেন, কাজ চলা অবস্থায় বাঁশের মাচা ভেঙ্গে হঠাৎ করে তারা পড়ে যায়। নিচে পড়ে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি দুজন হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরণার্থী শিশুদের শিক্ষার সুযোগ দিন: জাতিসংঘ

বিদেশের খবর: বিশ্বব্যাপী অভিবাসী ও শরণার্থী শিশুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ বিভিন্ন দেশকে তার দেশের শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে এসব শিশুকে যুক্ত করার আহবান জানিয়েছে। খবর এএফপি’র।
ইউনেস্কো সাংস্কৃতিক সংস্থা মঙ্গলবার তাদের ২০১৯ সালের গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং প্রতিবেদনে বলেছে, অভিবাসী ও শরণার্থী শিশুর সংখ্যা ২০০০ সাল থেকে ২৬ শতাংশ বেড়ে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখে দাঁড়িয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাধ্য হয়ে গৃহহীন হয়ে পড়া বিশ্বের মোট লোকের প্রায় অর্ধেকের বয়স ১৮ বছরের নিচে। আর অভিবাসন প্রত্যাশী এসব শিশু যেসব দেশে আশ্রয় নিচ্ছে সেসব দেশের সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের শিক্ষা গ্রহণের তেমন কোন সুযোগই নেই।
এছাড়া এসব শিশুকে শিক্ষার বাইরে রাখতে না চাইলেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নানা ধরণের সমস্যার মুখে পড়তে হয়। যেমন এসব অভিবাসী শিশুকে ভাষা শিক্ষা দেয়ার মতো সামর্থ্য ওইসব দেশের হয়তো থাকে না।
লেবানন ও জর্ডান নাগরিক ও শরণার্থীদের জন্য সকাল ও বিকেলে পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে। প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের কারণে বহু লোক পালিয়ে গিয়ে এ দুটি দেশে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে ২০১৫ সালে কার্যকর করা চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের উন্মুক্ত নীতির অংশ হিসেবে শরণার্থী শিশুদের যথাযথ শিক্ষা দিতে আর্থিকভাবে শক্তিশালী দেশ জার্মানির ৪২ হাজার নতুন শিক্ষক প্রয়োজন হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের পরীক্ষার সুযোগও দুর্নীতি: দুদক চেয়ারম্যান

দেশের খবর: টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াও এক ধরনের জঘন্য দুর্নীতি বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
মঙ্গলবার অফিস থেকে বের হওয়ার সময় দুদক চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের এক অনির্ধারিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, যেসব স্কুল এই অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে, তারা একটি মামলাযোগ্য অপরাধ সংগঠিত করেছে। এর বিরুদ্ধে দুদক ব্যবস্থা নেবে। এরই মধ্যে এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে কঠোর।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুদককে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়েছে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, এই ঘটনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত মর্মাহত। এ বছরের শুরুতেই এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষাবোর্ড ও মন্ত্রিপরিষদকে এ বিষয়ে সুপারিশ দিয়েছিলাম। অথচ এখন প্রতিদিনই আমাদের কাছে হাজার হাজার অভিযোগ আসছে। আমরা এরইমধ্যে অ্যাকশনে গিয়েছি। জেলা অফিসগুলোকে অ্যাক্টিভ করেছি। জেলা প্রশাসকদের লিখিত ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest