সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

আইপিএলে লিটন দাসকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী প্রীতির পাঞ্জাব

খেলার খবর: আসছে ডিসেম্বরেই আইপিএল’র নিলাম। তার আগে প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজেদের দল গোছাতে ব্যস্ত। চলছে ক্রিকেটারদের নিয়ে আলোচনা। ইতিমধ্যেই আইপিএল’র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিটি দল তাদের ধরে রাখা (রিটেনড) এবং ছেড়ে দেওয়া (রিলিজড) ক্রিকেটারদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যেই খবর, বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাসকে নিতে আগ্রহী একাধিক আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি।

জানা গেছে, লিটনকে নেওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। এশিয়া কাপে লিটন দাসের আউট নিয়ে উত্তাল হয়েছিল ক্রিকেট মহল। তবে লিটন যে উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশ পরিণত তা নজর এড়ায়নি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে এই মুহূর্তে কোনও নিয়মিত উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নেই। গত আইপিএলে এই কারণেই পাঞ্জাব ভুগেছে। সেই সঙ্গে লিটনের ব্যাটের হাতও ভাল। লিটন নিজের সামর্থ্যে দলকে টানার ক্ষমতা রাখেন। তাই লোকেশ রাহুলের সঙ্গে লিটনকে ওপেনিংয়ে দেখা গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

এমন একাধিক কারণের জন্যই পাঞ্জাবের কাছে লিটন দাস অটোমেটিক চয়েস। গত কয়েকটি সিরিজে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে চলেছেন লিটন। তাই লিটনকে আইপিএলে পেলে উপকৃতই হবে কিংস ব্রিগেড, এমনটাই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে সূত্রের খবর, পাঞ্জাব ছাড়াও আরও তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিটনকে পেতে আগ্রহী। এখন দেখার লিটন কোন ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে চাপান।
সূত্রঃ এবেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে বাস খাদে পড়ে নিহত ১২, আহত ১৩

বিদেশের খবর: ভারতের পাহাড় অধ্যুষিত উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশি জেলায় রবিবার বিকেলে স্থানীয় পর্যটকবাহী বাস ১৫০ মিটার গিরিখাদে পড়ে ১২ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। বাসটি জানকিছিত্তাই থেকে বিকাশ নগর যাচ্ছিলো। উত্তরকাশি-যমুনোত্রি হাইওয়ের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, দুর্ঘটনাস্থলেই মারা যান বাসের ১০ যাত্রী। বাকি দু’জন মারা যান হাসপাতালে নেওয়ার পর।

এ ব্যাপারে দায়িত্বশীলরা বলছেন, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালায় পুলিশের বিশেষ টিম। কিছু মরদেহ ঝোপঝাড়ে আটকে রয়েছে। গুরুতর আহত চারজনকে হেলিকপ্টারে করে দেরাদুনে নেওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরী মডেলের প্রেমে মজেছেন নেইমার

অনলাইন ডেস্ক: কিছুদিন আগেই দীর্ঘদিনের বান্ধবী ব্রুনার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়েছে। তবে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে সময় নিলেন না পিএসজি তারকা নেইমার। ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রী জিওভান্না লান্সেলোত্তি-র সঙ্গে এবার নেইমারের নাম জড়িয়ে গুঞ্জণ শুরু। পিএসজি তারকার সঙ্গে বান্ধবী বিচ্ছেদের জন্য দায়ী করা হচ্ছে বছর ২৫-এর জিওভান্নাকেই।

জাতীয় দলের জার্সিতে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে নেইমারের ছিলেন লন্ডনে। সেখানেই দেখা গেছে নতুন কপোত-কপোতিকে। জিওভান্নার ছবিতে কমেন্ট করে নেইমার জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনার ঝড় উঠতে চলেছে। নেইমারের ‘আশঙ্কা’কে সত্যি প্রমাণ করে শুরু হয়েছে গুঞ্জণ।

কে এই জিওভান্না? ব্রাজিলিয়ান এই মডেল আসলে অপেরায় অভিনয় করেন। তিনি এখন পরিবারের সঙ্গে লন্ডনে ছুটি কাটাচ্ছেন। সেখানেই তার সঙ্গে সদ্য বিচ্ছেদ হওয়া নেইমারের মোলাকাত।

নেইমার জিওভান্নার ছবির নিচে কমেন্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘তুমি লন্ডনে, আমিও। এবার আবার নতুন রূপকথা চালু হবে। গল্প লিখিয়ে এবং গুজব আবিষ্কারকরা আসবে। তাদের নিয়ে যে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে, সেদিকেই ইঙ্গিত করেছেন নেইমার।

পাল্টা জিওভান্না জানান, তুমি যে এখন ইউরোপে রয়েছ, আমাকে জানায়নি তো! তবে দু’জনের সোশ্যাল মিডিয়ায় কথোপকথন নিয়ে নয়, সম্পর্কের বিষয়ে জল্পনা শুরু হয় যখন এক সমর্থকের কমেন্টের নিচে লাইক করেন জিওভান্নার বোন গ্যাব্রিয়েলা। সেই কমেন্টে লেখা ছিল, নেইমার সব সময়েই জিওভান্নাকে চাইত।

অবশ্য ব্রুনার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালে নেইমার জিওভান্নার সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন। তবে এবারের বিশেষ কথা চালাচালি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাশোগি হত্যা; সালমানকে বাঁচাতে চাইছেন ট্রাম্প

বিদেশের খবর: সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দিয়েছিলেন বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ জানিয়েছে। এর পরও তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সিআইএর সে প্রতিবেদন গণমাধ্যমে আসার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই সৌদি যুবরাজের পক্ষে ট্রাম্পের সহানুভূতিশীল অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ট্রাম্প তাকে অপরিপক্কও বলেছেন।

খাশোগি হত্যা ইস্যুতে মঙ্গলবার পূর্ণাঙ্গ একটি প্রতিবেদন তার কাছে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। এতে খাশোগি হত্যায় কারা দায়ী এবং এ ঘটনার সামগ্রিক প্রভাব কী- চূড়ান্ত প্রতিবেদনেই মার্কিন সরকার তা জানতে পারবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

শুক্রবার সিআইএর প্রতিবেদনে জানা যায়, রাজপরিবারের বেশকিছু নীতির সমালোচক খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ সৌদি ক্রাউন প্রিন্সই দিয়েছিলেন। সিআইএ’র এ অনুমানকে ‘সম্ভব’ বলেও অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালও সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের দোষ স্পষ্ট হয়নি বলে জানিয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সরকার এখনও খাশোগি হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। খাশোগি হত্যাকাণ্ডে এখনও অসংখ্য অমীমাংসিত প্রশ্ন রয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত্যুফাঁদ থেকে সাবধান

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়কের আশপাশে এবং বাসাবাড়িতে গ্যাস পাইপলাইন ছিদ্র ও চুলার সংযোগ থেকে বের হওয়া গ্যাসে প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার থেকেও ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে প্রাণ হারাতে হচ্ছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষকে। আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসতে হচ্ছে অনেককে। আবার কারও কারও পুরো পরিবার চলে যাচ্ছে না ফেরার দেশে।

দু-একজন আবার দগ্ধ হয়ে দুর্বিষহ জীবন নিয়ে বেঁচে থাকেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার যাত্রাবাড়ীতে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লিকেজ হওয়া গ্যাসে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ম্ফোরণের ঘটনায় এক শিশুসহ দু’জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছে আরও পাঁচজন। তাদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। এর আগে ২ নভেম্বর গ্যাসের আগুনে আশুলিয়ায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গ্যাসের আগুনের কারণে এমন মর্মন্তুদ দুর্ঘটনার দায় নিচ্ছে না কেউ। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা যন্ত্রণাকাতর জীবনের দায়ভার বয়ে বেড়াচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে গ্যাস দুর্ঘটনায় ১০৩টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে গ্যাসলাইন লিকেজে ৫৫টি এবং এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে ৪৮টি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা গেছে শিশুসহ ছয়জন এবং গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ৩১ জনকে। অবশ্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় যেসব দগ্ধ হাসপাতালে মারা যায়, তাদের হিসাব ফায়ার সার্ভিস রাখে না। সে কারণেই মৃত্যুর সংখ্যা পাওয়া যায়নি তাদের কাছ থেকে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসেই গ্যাসের লিকেজ এবং এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ম্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। প্রায়ই এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডে নতুন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে হতাহতের তালিকায়। গ্যাসলাইন লিকেজ, গ্যাস সিলিন্ডার ও সিলিন্ডারের হোসপাইপ লিকেজ থেকে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড বেশি ঘটছে। প্রশ্ন উঠেছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের মান নিয়েও।

গত শুক্রবার সকালে যাত্রাবাড়ীর ধলপুর এলাকায় ১৪ নম্বর আউটফল সিটি করপোরেশনের কোয়ার্টারে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিচ্ছন্নকর্মী সুমন মিয়া। এ সময় সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ হয়ে বিস্ম্ফোরণ ঘটে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরের ভেতর। তার পরিবারের চারজনসহ মোট ছয়জন দগ্ধ হয়। বিস্ম্ফোরণে ঘরের দরজা খুলে ছিটকে পড়ে দোতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসা আট বছরের শিশু তাহসিনের ওপর। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় দগ্ধদের। গতকাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ধলপুরের ওই বাসার এলপিজি সিলিন্ডার লিকেজ হয়ে গ্যাস বের হয় এবং তা পুরো ঘরে জমে যায়। পরে এতে আগুনের স্পর্শ পেয়ে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ম্ফোরণ ঘটে।’

গত ২ নভেম্বর ভোরে আশুলিয়ায় আবদুর রবের বাসায় গ্যাসের পাইপলাইনে বিস্টেম্ফারণের পর লাগা আগুনে দগ্ধ হয়েছিলেন আবদুর রবসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্য। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল তাদের সবাইকে। এর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় চারজনের। স্বামী-সন্তান ও শ্বশুর-শাশুড়ি হারিয়ে শুধু বেঁচে আছেন রবের স্ত্রী গার্মেন্ট কর্মী রিপা আক্তার।

৬ নভেম্বর মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় সিলিন্ডারের গ্যাস বের হয়ে বিস্ম্ফোরণের পর লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় তার স্ত্রী সাজেনা আখতার দগ্ধ হয়ে ভর্তি হন বার্ন ইউনিটে। ১৩ অক্টোবর উত্তরখানের বাসায় গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৪০-৪৫ বছরের বেশি সময়ের পুরনো গ্যাস বিতরণ লাইন রয়েছে ঢাকায়। এসব গ্যাসলাইনের ব্যাপারে তেমন তদারকি নেই তিতাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির। গ্যাসলাইনে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না করা এবং বাড়ির মালিক ও ভাড়াটেদের অসাবধানতা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ ছাড়া বাসাবাড়িতে সঠিকভাবে গ্যাসলাইন সংযোগ, এলপিজি সিলিন্ডার এবং চুলার ফিটিংস সঠিকভাবে না হওয়ার কারণেও অগ্নিকাণ্ড ঘটছে।

তিতাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোস্তফা কামাল বলেন, ‘গ্যাসের পাইপলাইনের দুর্ঘটনা যে খুব বেশি ঘটেছে, তা ঠিক নয়। এটি বিভিন্ন সময়ে হয়ে আসছে। অনেক জায়গায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ রয়েছে। তিতাস জানতে পারলে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তারপরও অজ্ঞাতসারে অনেকেই অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করছে। যেখানে তিতাসের নেটওয়ার্কই নেই। অনিরাপদ এসব গ্যাস সংযোগ থেকেই বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। এ জন্য জনগণকেও সচেতন হতে হবে।’ পুরনো লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তিতাসের নেটওয়ার্ক অনেক বড়। তাই চাইলেই পুরনো সব লাইন একবারেই পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এলাকা ধরে পুরনো লাইনগুলো বদলানো হচ্ছে।’

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) মেজর একেএম শাকিল নেওয়াজ বলেন, ‘গ্যাস পাইপ কিংবা সিলিন্ডার লিকেজ থেকে গ্যাস বের হলে শব্দ এবং পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ ছড়াবে। এ ধরনের গন্ধ পাওয়ামাত্র জানালা দরজা খুলে গ্যাস বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষ একটু সচেতন হলে আগুন থেকে অনেকটাই পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। ঢাকায় অনেক পুরনো গ্যাসের লাইন আছে। সেগুলো দ্রুত তিতাসকে বদলাতে হবে।’ এ ছাড়া এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সিলিন্ডার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার। কিন্তু তা করা হয় না। সংশ্নিষ্টদের এ ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানো দরকার।’

বিস্ম্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক শামসুল আলম বলেন, ‘এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ম্ফোরক অধিদপ্তর থেকে পরীক্ষা করা হয় না। এলপি গ্যাস বিক্রয় কোম্পানি এগুলো পরীক্ষা করে এবং অধিদপ্তর সেটি তদারকি করে।’ মানসম্মতভাবেই এসব সিলিন্ডার তৈরি করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সিলিন্ডার সাধারণত বিস্ম্ফোরিত হয় না। সিলিন্ডারের রেগুলেটরের সঙ্গে চুলার সংযোগস্থলে ভালোভাবে ফিটিং না করার কারণে গ্যাস লিকেজ হয়ে গ্যাস জমে থাকে। এর পরই চুলা জ্বালাতে গিয়ে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ম্ফোরণ ঘটে। সিলিন্ডার ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দেশে কমপক্ষে ৫০ লাখ গ্রাহক। দেড় কোটির বেশি সিলিন্ডার রয়েছে দেশে।’

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ বলেন, ‘পাঁচ বছর পরপর সিলিন্ডার পরীক্ষা করা উচিত এবং সিলিন্ডারের গায়ে পরীক্ষা করার তারিখ খোদাই করে রাখতে হবে। কিন্তু এ ধরনের কোনো তারিখ সিলিন্ডারের গায়ে থাকে না। সিলিন্ডার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা না করলে ঝুঁকি থেকে যায়।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল বলেন, ‘গ্যাসের আগুন খুবই বিপজ্জনক। কারণ বিস্ম্ফোরণ ঘটে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং এ ধরনের ঘটনায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য দগ্ধ হয়। গ্যাসের আগুনে ক্ষতি বেশি হয়। সম্প্রতি গ্যাসের আগুনে পোড়া রোগী হাসপাতালে বেশি আসছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা-৩ ডা. রুহুল হকসহ ২৩২ আস‌নে আ. লী‌গের প্রার্থী চূড়ান্ত

অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টি, বিকল্পধারা ও ১৪ দলের শরিকদের জন্য নির্ধারিত আসন খালি রেখে ২৩২টিতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। বাকি ৬৮টি আসনে দলীয় প্রার্থী তালিকা তৈরি করেনি সরকারি দল। দ্রুতই তিনশ’ আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল ও মহাজোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার প্রস্তুতি রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলী ও সম্পাদকমণ্ডলীর কয়েকজন সদস্য গতকাল রোববার জানিয়েছেন, বেশিরভাগ আসনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হলেও দলের কেন্দ্রীয় দুই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমানের আসনে মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে, অর্থাৎ ঢাকা-১৩ ও ফরিদপুর-১ আসনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়নি। এ দুই নেতা বর্তমান সংসদের সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

ভাগ্য বিপর্যয় ঘটেছে দুই কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক এবং আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের। বর্তমান সংসদের সদস্য এ দুই নেতা দলের মনোনয়ন পাননি। শরীয়তপুর-১ আসনে বি এম মোজাম্মেল হকের পরিবর্তে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ও মাদারীপুর-৩ আসনে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের বদলে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সংসদের কমপক্ষে আরও ১১ এমপি এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় স্থান পাননি। তাদের বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে নানা কারণে বিতর্কের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। কারও কারও জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-বিবাদে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও আছে কারও কারও বিরুদ্ধে। দুর্নীতি, মাদক ও বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত এমপিদেরও দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

বাদ পড়া এমপিদের মধ্যে রয়েছেন- মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আবদুল ওয়াহহাব (মাগুরা-১), খন্দকার আসাদুজ্জামান (টাঙ্গাইল-২), আমানুর রহমান রানা (টাঙ্গাইল-৩), সোহরাব উদ্দিন (কিশোরগঞ্জ-২), সুকুমার রঞ্জন ঘোষ (মুন্সীগঞ্জ-১), ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু (নেত্রকোনা-৩), আবদুর রহমান বদি (কক্সবাজার-৪), আবদুল ওয়াদুদ দারা (রাজশাহী-৫), কর্নেল (অব.) শওকত আলী (শরীয়তপুর-২), অধ্যাপক ডা. আমান উল্লাহ (ময়মনসিংহ-১১) ও অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির (যশোর-২)।

বেশ কয়েকজন নতুন মুখ রয়েছেন আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী তালিকায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২) ও আবদুর রহমান বদি এমপির স্ত্রী শাহীন চৌধুরী (কক্সবাজার-৪)।

আওয়ামী লীগ সংসদীয় বোর্ডের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, সর্বশেষ গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হলেও এতে পরিবর্তন ও সংযোজনের সুযোগ রয়েছে। সংসদীয় বোর্ডের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে এই ক্ষমতা দিয়েছেন। প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে সংসদীয় বোর্ডের কোনো সদস্যই মুখ খুলতে চাননি। তবে গতকাল তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, এমন কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম জানা গেছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশ চন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম বাবু (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচ এন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (রংপুর-৬), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া (গাইবান্ধা-৫), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪), আবদুল মালেক (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), আয়েন উদ্দিন (রাজশাহী-৩), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মজিদ মণ্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিত কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), মন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), আ স ম ফিরোজ (পটুয়াখালী-২), আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা আফরোজ (বরিশাল-৫), বজলুল হক হারুন (ঝালকাঠি-১), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), খন্দকার আবদুল বাতেন (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), রেজুওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হাজি মোহাম্মদ সেলিম (ঢাকা-৭), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), এ কে এম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খান কামাল (ঢাকা-১২), আসলামুল হক আসলাম (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (ঢাকা-১৬), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ (নরসিংদী-২), সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু (নরসিংদী-৫), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), এ কে এম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফর উল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), এ কে এম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), আরিফ খান জয় (নেত্রকোনা-২), রেবেকা মমিন (নেত্রকোনা-৪), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এম এ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), আবুল মাল আবদুল মুহিত (সিলেট-১), মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), সৈয়দা সায়রা মহসিন (মৌলভীবাজার-৩), উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), এইচ এম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), এ কে এম শাহজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), মাহফুজুর রহমান মিতা (চট্টগ্রাম-৩), এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ডা. আফছারুল আমীন (চট্টগ্রাম-১০), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), সাইমুম সরওয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি) ও বীর বাহাদুর উশৈ সিং (বান্দরবান)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আপেলেই লুকিয়ে মৃত্যুর ‘বীজ’

স্বাস্থ্য কণিকা: ‘প্রতিদিন একটি আপেল খান, চিকিৎসক থেকে দূরে থাকুন’- প্রচলিত কথাতেই ফল হিসেবে আপেলের গুরুত্ব অনুমিত। অতি উপকারী আপেল রোগ প্রতিরোধক এবং পুষ্টিকর। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এটি। কিন্তু, পুষ্টি গুণে ভরপুর আপেলেই লুকিয়ে রয়েছে মৃত্যুর বীজ।

হ্যাঁ, আপেলের বীজ এবং কাণ্ড বিষাক্ত। এজন্য এগুলো ফেলে আপলে খাওয়ারই নিয়ম।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, আপেলের বীজে থাকে ‘অ্যামিগাডলিন’, যা আমাদের শরীরের হজমে সহায়ক উৎসেচকের সংস্পর্শে এসে সায়ানাইড উৎপন্ন করে। এই রাসায়নিক মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহ রুখে দিতে পারে, যা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ৭০ কেজি ওজনের একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য ১-২ মিলিগ্রাম সায়ানাইডই প্রাণঘাতী হতে পারে।

তবে এ পরিমাণ সায়ানাইড পেতে একজনকে অন্তত আপেলের ২০০ বীজ বা ২০টি আপেলের কাণ্ড চিবিয়ে খেতে হবে।

মার্কিন আরেক সংস্থা এজেন্সি ফর টক্সিক সাবস্টেন্সেস অ্যান্ড ডিজিজ রেজিস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, এমনকি খুব সামান্য পরিমাণ সায়ানাইডও মারাত্মক হতে পারে। এটি আমাদের হার্ট ও মস্তিষ্ককে অচল করে দেয়।

এছাড়া সায়ানাইড শরীরে গেলে হার্ট অ্যাটাক, শ্বাসরুদ্ধ হয়ে যাওয়া, খিঁচুনি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। অল্প পরিমাণ পেটে গেলে মাথা ধরা, বমি, পেট ব্যথা, দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

এবেলার খবরে বলা হয়, আপেল ছাড়াও চেরি, প্লাম, পিচের মতো ফলের বীজে সায়ানাইড থাকে। এসব ফলের বীজ খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপেলের বীজ গিলে ফেললে খাদ্যনালি বা পেটের কিছু সমস্যা হতে পারে। আর অসাবধানতাবশত আপেলের বীজ মুখে চলে গেলে বোঝা মাত্র তা ফেলে দেওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেফেরোভিচের হ্যাটট্রিকে সেমিফাইনালে সুইজারল্যান্ড

খেলার খবর: রোমাঞ্চকর ম্যাচে বেলজিয়ামকে ৫-২ গোলে হারিয়ে উয়েফা নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে উঠে গেছে সুইজারল্যান্ড। এদিন একাই তিন গোল করেন হারিস সেফেরোভিচ। অথচ ম্যাচের শুরুতে বেলজিয়াম ছিল অপ্রতিরোধ্য। ১৭ মিনিটের ভেতর থোর্গান হ্যাজার্ড দুই গোল করে বেলজিয়ামকে এগিয়ে দেন।

এরপর ২৬তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সুইসদের ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা জোরাল করেন রুদ্রিগেজ। দলটি ঘুরে দাঁড়ায় সেফেরোভিচের হ্যাটট্রিকে। প্রথমার্ধে দুই গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি। অন্য গোলটি নিকো এলভেডির।
সুইজারল্যান্ড আগামী বছর জুনে পর্তুগালের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে।

দিনের অন্য ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে ইংল্যান্ড।

চার ম্যাচ শেষে তিনটি করে জয়ে বেলজিয়াম ও সুইজারল্যান্ডের পয়েন্ট সমান ৯ করে। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সুইসরা। কোনো পয়েন্ট না পাওয়া আইসল্যান্ডের আগেই ‘বি’ লিগে অবনমন হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest