সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

থার্টিফার্স্টে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের খবর: নির্বাচনের কারণে এবার থার্টিফার্স্ট রাতে কোনো অনুষ্ঠান না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। রোববার সচিবালয়ে বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে আয়োজিত সার্বিক নিরাপত্তা সভায় এসব জানান তিনি।
আগের দিনই দেশের একাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে এবং পর দিন ইংরেজি বর্ষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা। এজন্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে ও নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো আয়োজন না রাখার তাগিদ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাসার ছাদে বা খোলা জায়গায় থার্টিফার্স্ট নাইটের অনুষ্ঠান করা যাবে না, বৈধ অস্ত্রও বহন করাও যাবে না। ডিজে পার্টি করা যাবে না। থার্টিফার্স্ট নাইটে কোথাও কোনো আতশবাজি বা পটকা ফোটানোর যাবে না। এছাড়া স্টিকার ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়ি ঢুকবে না।
মন্ত্রী বলেন, পর্যটন এলাকাগুলোতেও ব্যাপক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।আন্তর্জাতিক ও পাঁচ তারকা হোটেলের বাইরে কোনো বার খোলা থাকবে না।

আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম উৎসব বড়দিনে প্রতিটি গির্জায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিটি চার্চে থাকবে সিসি ক্যামেরা। পাশপাশি, চার্চগুলো নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাঁচ লাখ আনসারসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার জন্য তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যেভাবে নিরাপত্তা চায় সেভাবে ব্যবস্থা করা হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের যে প্রক্রিয়া চলমান আছে সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন বলেও জানান মন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমান নয়, ক্যাটরিনার পছন্দ অন্য কাউকে

বিনোদনের খবর: বলিউড তারকারা যখন এক এক করে গাঁটছড়া বাঁধছেন তখন যেন পর্দার আড়ালে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন বি-টাউনের লাস্যময়ী অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। বিরাট কোহলি-আনুশকা শর্মা, প্রিয়াঙ্কা-নিক কিংবা সদ্য বিবাহিত রণবীর সিং ও দীপিকা পাডুকোনকে দেখে দেখে প্রশ্নটা এখন ক্যাটরিনার দিকেও ধেয়ে আসছে। কবে বিয়ে করবেন ক্যাট, কাকে বিয়ে করবেন ক্যাট, নাকি চিরকুমারীই থাকবেন?

রণবীর কাপুরের সঙ্গে ক্যাটরিনার সম্পর্কের রসায়নটা নতুন নয়। তবে তাদের প্রেমে ভাটা পড়েছে। সম্পর্কটাও ঠিক আগের মতো নেই।
তাই বি-টাউনে যখন বিয়ের সাজ সাজ রব তখন ক্যাটরিনার সব পেছনে ফেলে ফিরে যাচ্ছেন সাবেক প্রেমিক সালমানের দিকে।

‘কফি উইথ করণ’এর সিজন সিক্সে এসে এই প্রসঙ্গ তোলেন করণ জোহর। অনুষ্ঠানে ক্যাটরিনার পাশপাশি অতিথি ছিলেন বরুণ ধাওয়ান। কিন্তু সালমান খান প্রসঙ্গে পরিষ্কার করে কিছুই জবাব দেননি ক্যাটরিনা। নতুন কোনও এক অভিনেতাকে ভালো লাগে বলে জানান তিনি।

কিন্তু নতুন কেউ কে? এমন প্রশ্নে ক্যাটরিনার বলেন, ভিকি কৌশলের নাম। ভিকির সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে ক্যাটরিনা বলেন, ‘আমার মনে হয় ভিকির সঙ্গে আমাকে দারুণ মানাবে। আমি তাকেই চাই।’
সম্প্রতি ‘রাজি’, ‘সঞ্জু’, ‘মনমরজিয়া’ ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন ভিকি কৌশল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষ; নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক: রংপুরের লাহিড়ীর হাট এলাকায় ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে রংপুর-বদরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুরের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, লাহিড়ীর হাট এলাকায় রংপুর থেকে বদরগঞ্জগামী ওই ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ইজিবাইকের তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়। তাদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপি হতে চান ১২ হাজার!

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে এমপি হতে চান ১২ হাজারের বেশি নেতা। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন তারা। এ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণরা অবতীর্ণ হবেন ৩০ ডিসেম্বরের ভোটযুদ্ধে। তাদের বড় অংশই শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে যেতে পারবেন না। তবে অতীতের কোনো নির্বাচনেই এত মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন না। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বলছেন, দেশ ও জনগণের সেবা করতেই এমপি হতে চান তারা। তবে রাজনৈতিক বিশ্নেষকরা বলছেন, ক্ষমতার কেন্দ্রে প্রবেশের জন্যই এই ইঁদুর দৌড়। এ দেশে রাজনীতির সঙ্গে সংশ্নিষ্টদের ক্ষমতা ও প্রভাব-প্রতিপত্তির কথা কারোরই অজানা নয়। এমপি হয়ে তারা এই সুবিধা ভোগ করতে চান। তাই রাজনীতির মাঠে বিচরণ না করা আমলা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, চিকিৎসক, অভিনেতা, খেলোয়াড়রাও শামিল হয়েছেন দলীয় মনোনয়ন জেতার দৌড়ে।

গত ২৮ বছরে চারটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা তিন হাজার ছাড়ায়নি। ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ভোট করেন ২ হাজার ৭৮৭ জন। ১৯৯৬ সালে সপ্তম সংসদে প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ৫৭২ জন। ২০০১ সালে অষ্টম সংসদে ভোটে দাঁড়ান ১ হাজার ৯৩৯ জন। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা চালুর পর ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৫৬৭ জনে।

এবার ৩০০ আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ১১ হাজার ২১টি! সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে বিএনপি। দলটির পাঁচ হাজার টাকা দামের মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে চার হাজার ৫৮০টি। জমা দিতে লাগবে আরও ২৫ হাজার টাকা। আসনপ্রতি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ১৫ জনের বেশি।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরমের দাম ৩০ হাজার টাকা। ফরম কিনেছেন চার হাজার ২৩ জন। প্রতি আসনে দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী ১৩ জনের বেশি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির (জাপা) ২৫ হাজার টাকার মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে দুই হাজার ৪১৮টি।

২০০৮ সালের নির্বাচনে ৬৩ আসনে ভোট করে ৬১টিতে জামানত হারানো বিকল্পধারার শনিবার পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ১২৫টি। দলটি ২০০৪ সালে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে জিতেছিল। এরপর কখনই কোনো নির্বাচনে জিততে পারেনি দলটি।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক জেএসডি ও গণফোরামের মনোনয়ন ফরম বিক্রিতেও এবার দারুণ কাটতি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৪৫টি আসনে ভোট করে একটি বাদে সবক’টিতে দলটির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবার তাদের মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ৪৬৫টি। দলটি ১৩২টি আসনে প্রার্থী বাছাই করেছে।

গণফোরামের মনোনয়ন চেয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া। গণফোরাম কখনই কোনো আসনে জিততে পারেনি। জেএসডি সংসদে শেষবার আসন পেয়েছিল ২২ বছর আগে, ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপি ২০০৮ সালে একটি আসনে জয়ী হয়েছিল। এবার তাদের মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ৫৫টি।

ক্ষমতাসীন জোটের শরিক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বাধীন জাসদের মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬৩। ১৪ দলের শরিক সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন শতাধিক। সেখান থেকে ৩২ জনকে বাছাই করেছে দলটি।

ধর্মভিত্তিক দল মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে না। দলীয় ফোরামে আলাপ আলোচনায় প্রার্থী ঠিক করছে। চরমোনাইয়ের পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। তারাই দলের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী তালিকায় আগ্রহীর সংখ্যা ৩৫। বিএনপি জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২০, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ২৫ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। জাপার জোটের শরিক খেলাফত মজলিশ ৩০ আসনে ও ইসলামী ফ্রন্ট ৭৩ আসনে প্রার্থী বাছাই করেছে।
নিবন্ধন হারানো জামায়াতে ইসলামীর নেতারা স্বতন্ত্র পরিচয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন। দলটির নেতারা ৬১টি আসনে মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

বামপন্থি দলগুলোর জোটে বাম গণতান্ত্রিক জোটের শরিক সিপিবির মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ৬৫টি। বাসদেরও বিক্রি হয়েছে এ সংখ্যার কাছাকাছি।

রাজনৈতিক বিশ্নেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ভোটের রাজনীতিতে ব্যক্তির চেয়ে প্রতীকের পরিচয় বড়। তাই রাজনীতিতে নামতে ইচ্ছুকরা পরিচিত প্রতীকের পেছনে ছুটছেন। তারা হয়ত ধারণা করেন বড় দলের মনোনয়ন পেলেই জয় প্রায় নিশ্চিত, তাই এই প্রতিযোগিতা। এ কারণেই আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাপার সাড়ে ১১ হাজার মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে।

নিবন্ধিত ৩৯ দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা এবার ১২ হাজার ছাড়িয়েছে। মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আওয়ামী লীগের কোষাগারে এসেছে ১২ কোটি টাকার বেশি। বরগুনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫২ জন। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও প্রার্থীর আধিক্যে উষ্ফ্মা প্রকাশ করেছেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অবশ্য দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীর ছড়াছড়িকে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলেছেন। তিনি বলেছেন, দলীয় নেতৃত্বই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ উন্মুক্ত করেছেন।

১২ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীর বড় অংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দলীয় কর্মসূচিতে থাকেন না। আন্দোলনের কর্মসূচিতে তাদের দেখা মেলে না। কিন্তু ভোটের মৌসুমে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান বলেন, সাড়ে চার হাজার মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে তারা ইতিবাচক মনে করছেন। তার মতে, স্বৈরশাসনের অবসানে ভোটের উৎসবে শামিল হয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। সাড়ে পাঁচ হাজার ফরম বিক্রিকে বিএনপির জনপ্রিয়তার প্রমাণ বলেও মনে করেন তিনি।

এবারের মনোনয়ন দৌড়ে একই ব্যক্তির দুটি ভিন্ন দলের মনোনয়ন ফরম কেনার ঘটনাও ঘটেছে। ওয়ান-ইলেভেনের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গত ১০ নভেম্বর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তিন দিন পর কেনেন জাপার মনোনয়ন ফরম। পরের দিন পেয়ে যান জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ।

কখনও দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ এবং এম এম কাউয়ুম, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব এম এম নিয়াজউদ্দিন মিয়াসহ অন্তত ৫০ আমলা। পেশাজীবী রাজনীতিতে যুক্তরা আছেন এ দৌড়ে। প্রায় সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারাও আছেন মনোনয়ন দৌড়ে।

কখনও রাজনীতিতে না থাকলেও বাংলাদেশে ওয়ান ডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। বিএনপির মনোনয়ন চান জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। লাঙল চেয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নীতিহীন রাজনীতির নিকৃষ্ট উদাহরণ ১২ হাজার মানুষের এমপি হতে চাওয়া। একদল থেকে আরেক দলে যাচ্ছে শুধু মনোনয়ন নিশ্চিত করতে। কারণ এমপি হতে পারলেই অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার সুযোগ অবারিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার সূর্যের চেয়েও শক্তিশালী ‘সূর্য’ তৈরি করলো চীন

অনলাইন ডেস্ক: সূর্যের চেয়েও ছয়গুণ বেশি উত্তাপ তৈরি করতে সক্ষম এমন কৃত্রিম সূর্য তৈরি করেছে চীন। চীনের দাবি, ১৮০ মিলিয়ন ডিগ্রি ফারেনহাইট উত্তাপ ছড়াতে পারে তাদের এই সূর্য।
চীনের বিজ্ঞানীদের তৈরি এই সূর্য চলতি সপ্তাহে ১৮০ মিলিয়ন ডিগ্রি ফারেনহাইট উত্তাপ ছড়ানোর নতুন রেকর্ড গড়েছে বলে ডেইলি মেইল জানিয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যের রেপ্লিকা হিসেবে তৈরি করা এই কৃত্রিম সূর্যে হাইড্রোজেনকে সবুজ শক্তি বা বিদ্যুতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া চালানো হবে। এখান থেকে উৎপন্ন উত্তাপ নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ার জন্য জরুরি।
তারা জানান, শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফিশন প্রক্রিয়ার তুলনায় ফিউশন প্রক্রিয়া ভিন্নভাবে কাজ করে। এক্ষেত্রে বস্তুর নিউক্লিয়াসকে পৃথক না করে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়।

এই ফিউশন প্রক্রিয়া সুলভ মূল্যের অফুরন্ত শক্তি উৎপাদনের পথ খুলে দেবে বলেই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। আর তা ফিশন প্রক্রিয়ার চেয়ে পরিবেশবান্ধব, যাতে ক্ষতিকর নিউক্লিয়ার বর্জ্যও উৎপন্ন হবে না।

গবেষকরা জানিয়েছেন, বিশ্বে প্রথম কার্যকর নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাকটর তৈরিতে বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে সফলতা পেলে হাজার হাজার কোটি টাকা মূল্যের পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ ও শক্তি উৎপাদন সম্ভব হবে। তারা বলছেন, এতে করে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা থেকে পৃথিবীকে অনেকটাই রক্ষা করা সম্ভব হবে।

চীনের হেফেই ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্যাল সায়েন্সের বিজ্ঞানীরা তাদের এই কৃত্রিম সূর্য নিয়ে গবেষণা চালিয়ে আসছেন কয়েক বছর ধরে। এক্সপেরিমেন্টাল অ্যাডভান্সড সুপার কন্ডাকটিং টোকামাক, ইস্ট নামের এই প্রজেক্টে ফিউশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশদ জানা ও পরিপূর্ণ রিঅ্যাকটর তৈরি করাই মূল লক্ষ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক রহমান

দেশের খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু হয়েছে। আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ সকাল ৯টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত রংপুর বিভাগ এবং দুপুর আড়াইটা থেকে রাজশাহী বিভাগের সাক্ষাৎকার হবে।

নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী, আগামীকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত হবে বরিশাল বিভাগের সাক্ষাৎকার, দুপুর আড়াইটায় খুলনা বিভাগের সাক্ষাৎকার। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের সাক্ষাৎকার, দুপুর আড়াইটা থেকে কুমিল্লা ও সিলেট বিভাগ।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগের সাক্ষাৎকার, দুপুর আড়াইটা থেকে ঢাকা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতের সময় আবেদন ফরম জমাদানের রশিদ অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে। এছাড়া মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তাদের সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন না বলে এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

১২ নভেম্বর বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে ফরম বিক্রি ও জমা শুরু হয়, যা শেষ হয় শুক্রবার রাতে।

বিএনপি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে ফরম বিক্রি ও জমা শুরু হয় ১২ নভেম্বর, যা শেষ হয় শুক্রবার রাতে।বিএনপি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে ৫ হাজার টাকায়। জমার সময় ফরমের সঙ্গে ২৫ হাজার টাকা জামানত হিসেবে দিতে হয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের। সে হিসেবে চার দিনে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি থেকে বিএনপির আয় হয়েছে ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনী নাশকতা মোকাবিলায় সরকারের সর্বাত্মক প্রস্তুতি

দেশের খবর: নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা বা রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে-এমন আশঙ্কা রয়েছে সরকারের অভ্যন্তরে। তাই এমন নাশকতা ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে সরকার। কেন্দ্র থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বাংলাদেশ সচিবালয় যা সরকারের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র সেখানে সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দ্বারা নানা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে পারে বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। এ জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ফোকাল পয়েন্ট খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একজন করে অতিরিক্ত সচিব এর দায়িত্বে থাকবেন। সঙ্গে একাধিক অধঃস্তন কর্মকর্তা ওই টিমের সদস্য থাকবেন। তারা সরকার বিরোধী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গতিবিধির ওপর নজর রাখবেন। এবং তাত্ক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে জানাবেন। সচিব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

অপরদিকে জেলা পর্যায়েও সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পরই তারা ঢাকা ছাড়বেন। ইতিমধ্যে সচিব বা অতিরিক্ত সচিব কাকে কোন জেলার দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নির্ধারণের কাজও শুরু হয়েছে। তারাও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সরকার বিরোধী মনোভাবাপন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর নজর রাখবেন। প্রয়োজনে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন। পুলিশ প্রশাসন থেকেও অনুরূপ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

সমপ্রতি পল্টনে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার পর সরকার সবদিক থেকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। সরকার মনে করছে নির্বাচনের আগে ও পরে এমনকি নির্বাচনের দিনেও নানা ধরনের অপপ্রচার, উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন করে তোলা হতে পারে। তাত্ক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া বা ঘটনার আগেই তা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার যাবতীয় কৌশল গ্রহণ করছে সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিত্রদের সঙ্গে আ. লীগের সমঝোতা শেষ সময়ে

দেশের খবর: আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনেই নিজ দলের প্রার্থী বাছাই করছে। চলতি সপ্তাহেই এই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। এরপর ১৪ দলের শরিক এবং জাতীয় পার্টি, যুক্তফ্রন্টসহ অন্য মিত্রদের সঙ্গে আসন সমঝোতায় বসবে। বিরোধী রাজনৈতিক জোটের প্রার্থী তালিকা দেখে এটা চূড়ান্ত হবে। এ কারণে জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ পর্যন্ত গড়াতে পারে।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যাতে নিজ দলের প্রার্থী পরিবর্তন করা যায়, সে জন্য প্রত্যেক মনোনীত প্রার্থীর কাছ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফরমে সই নিয়ে রাখবে আওয়ামী লীগ, যা দল থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিলেই মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রগুলো বলছে, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের ৩০০ আসনের প্রার্থীর খসড়া তালিকা করে রেখেছেন। ভাবতে হচ্ছে জোট ও মিত্রদের আসন নিয়ে। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের আসন বণ্টন দেখে আওয়ামী লীগ নিজ জোট ও মিত্রদের আসন চূড়ান্ত করবে।

কমবে ১৪ দলের শরিকদের
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোট সূত্র বলছে, এবার জোটের শরিকদের আসন কমছে—এমন একটা ধারণা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। আসন ছাড় দেওয়ার মনোভাব রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মূল কারণ বিরোধীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট এবং ইসলামিক ফ্রন্ট, জাকের পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোটসহ কিছু ধর্মভিত্তিক দলের সরকারি জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়া।

১৪ দলের একজন শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের কোনো উদ্বেগ নেই। তবে জাতীয় পার্টিকে সমঝোতায় আনতে বেগ পেতে হতে পারে। আর যুক্তফ্রন্টের আকার শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ায়, সেটাও ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, যুক্তফ্রন্টকে সরকারি দলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে বিএনপির নেতা ও তাঁদের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকদের ভাগিয়ে আনার লক্ষ্যে। ফলে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পরও মনোনয়নবঞ্চিত অনেকেই যুক্তফ্রন্টে ভিড়তে পারেন—এমন বিবেচনা আছে সরকারি জোটের। সে ক্ষেত্রে আসন সমঝোতার বিষয়টি ২৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত গড়াতে পারে।

যদিও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনে প্রার্থী বাছাইয়ে কাজ করছে। প্রায় অর্ধেক আসন নিয়ে আলোচনা হয়ে গেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দল ও জোটের আসন চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ছয়টি এবং জাসদ পাঁচটি আসন পায়। তরীকত ফেডারেশন ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জাতীয় পার্টি (জেপি) দুটি করে আসন পায়। এবার এসব দলের আসন কমতে পারে। ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা নড়াইল-২ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। ফলে এই আসনের বর্তমান সাংসদ ওয়ার্কার্স পার্টির হাফিজুর রহমানের মনোনয়নপ্রাপ্তি অনিশ্চিত। জাসদ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে তাদেরও শক্তিমত্তা কমেছে বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ। তরীকত ফেডারেশন ও জেপিও একটি করে আসন পেতে পারে। এর বাইরে গণতন্ত্রী পার্টি ও ন্যাপ একটি করে বা দুই দলের একটিকে আসন দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

তবে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, তাঁর ধারণা, ১৪ দলের আসন কমবে না। বিএনপি সংসদে এলে তাদের মোকাবিলা করার জন্য ১৪ দলের নেতাদের লাগবে। জাতীয় পার্টি বা অন্যরা ভূমিকা রাখতে পারবে না।

বাড়বে জাপার, বিশেষ বিবেচনায় যুক্তফ্রন্ট
জাতীয় পার্টি (জাপা), যুক্তফ্রন্ট ও ধর্মভিত্তিক কিছু দলের জন্য ৬০টি আসন বিবেচনা করছে আওয়ামী লীগ। অর্থাৎ সব মিলিয়ে শরিক ও মিত্রদের জন্য আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ ৭০টি আসন ছাড়তে পারে। এর মধ্যে বর্তমান সংসদে জাপার ৩৬ জন সাংসদ আছেন। এবার দলটি ৮০ আসনের জন্য দর–কষাকষি করছে। অর্ধেক পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র মনে করছে।

আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শরিক বা মিত্রদের শীর্ষ নেতা না হলে আওয়ামী লীগের ভালো অবস্থা আছে—এমন আসনে ছাড় দেওয়া হবে না। বিরোধীদের শক্ত অবস্থান আছে এমন আসনগুলোতেই মিত্রদের ছাড় দেওয়া হবে। তবে বি চৌধুরীর যুক্তফ্রন্ট বিএনপির কোনো বড় নেতাকে আনতে পারলে সেটা বিশেষভাবে বিবেচনা করা হবে।

জরিপ দেখে দলীয় তালিকা
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, কোন আসনে কার কী অবস্থা তা নিয়ে এর আগে বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে চারটি জরিপ করা হয়। এসব জরিপের ফল পরবর্তী সময়ে আবার হালনাগাদ করা হয়। কিন্তু এসব জরিপে সঠিক চিত্র উঠে এসেছে কি না, এই নিয়ে কিছুটা সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর বিদেশি দুটি পেশাদার প্রতিষ্ঠান দিয়ে আলাদা জরিপ করা হয়। এক প্রতিষ্ঠানের তথ্য অন্যটিকে জানানো হয়নি। এসব জরিপে বর্তমান সাংসদের অবস্থান, নতুন কার অবস্থা ভালো, প্রতিপক্ষ হিসেবে কে শক্তিশালী, জোটের শরিকদের অবস্থান কী—তা দেখা হয়েছে। সব কটি জরিপের ফল পর্যালোচনা করে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০০ আসনের একটা খসড়া তালিকা করেছেন।

আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সদস্যদেরও জরিপের ফলাফল সরবরাহ করা হয়। তাঁরাও পর্যালোচনা করছেন। সংসদীয় বোর্ডের কয়েকটি বৈঠকও হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও দুটি বৈঠক করলে আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে বলে বোর্ডের সদস্যরা মনে করছেন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে ৪ হাজার ২৩ জন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁদের জমা দেওয়া ফরমের সঙ্গে মনোনয়ন না পেলে প্রত্যাহারে বাধ্য থাকবেন—এই অঙ্গীকারনামাও আছে। এ ছাড়া চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেওয়ার সময়ও প্রত্যাহারের ফরমে সই রেখে দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছেন, দু-তিন দিনের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে জোটের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির কাজ শেষ হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest