সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলা; শিশু ও নারীসহ নিহত ৪৩

বিদেশের খবর: সিরিয়ায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।দেশটির পূর্বাঞ্চলে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) দখলে থাকা একটি গ্রামে এ হামলা চালানো হয়।
ওয়ার মনিটর ও সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
ব্রিটেনভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এর প্রধান রামি আবদুররহমান জানান, আবু আল হাসান গ্রামে শনিবার ওই হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি জানান, ওই হামলায় ১৭ শিশু ও ১২ নারীসহ ৪৩ জন নিহত হয়েছে। তবে নিহত পুরুষরা আইএস সদস্য কি-না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫০ আসন চায় বিকল্পধারা, চাপে আওয়ামী লীগ

দেশের খবর: বিকল্পধারা ও যুক্তফ্রন্টের প্রত্যাশিত আসন নিয়ে চাপে পড়তে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে। বিকল্পধারা শনিবার তাদের দলীয় বৈঠকে ৫০ আসনের একটি তালিকা তৈরি করেছে। এ তালিকা নিয়েই তারা মহাজোটের সঙ্গে আসন বণ্টনের আলোচনায় বসবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

আসন ভাগাভাগিতে বিকল্পধারা ও যুক্তফ্রন্টের ভাগ্যে কয়টি জুটবে, তা এখনই অনুমান করা কঠিন। তবে তারা অন্তত তাদের ১০ ‘যোগ্য নেতার’ বিষয়ে আশাবাদী। এই ১০ নেতা মহাজোটের প্রার্থী হলে তাঁদের জিতে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে এই জোট মনে করছে। এই নেতারা এরই মধ্যে ১০টি আসনে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। একদিকে ওই আসনগুলোতে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রভাবশালী প্রার্থী রয়েছেন, অন্যদিকে ঐক্যফ্রন্ট থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হতে পারেন এমন কিছু বিএনপি নেতা এরই মধ্যে বিকল্পধারায় যোগ দিয়েছেন এবং দু-এক দিনের মধ্যে আরো কয়েকজন বিএনপি নেতা যোগ দিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

বিকল্পধারার ১০ নেতার মনোনয়ন দাবির বিষয়টি এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলে পৌঁছেছে। এ নিয়ে বিপাকে আছে আওয়ামী লীগও—এ কথা জানালেন দলটির একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য। তবে আসন নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা শুরু না হওয়ায় আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, দেখা যাক তাঁরা কী দাবি করেন।

জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচন করতে চান বিকল্পধারার সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ঢাকা-৬ আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন বলে দলের একটি সূত্র জানিয়েছে। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ। তিনি আবারও এ আসন থেকে নির্বাচন করতে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদও এবার এ আসন থেকে প্রার্থী হতে চান।

বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান নির্বাচন করতে চান নোয়াখালী-৪ আসন থেকে। এ আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। তিনি নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। নোয়াখালী আওয়ামী লীগের তিনি গুরুত্বপূর্ণ নেতা। একটি সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মেজর মান্নানকে লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচন করার অনুরোধ করেছেন। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির মোহাম্মাদ নোমান। মেজর (অব.) মান্নানকে লক্ষ্মীপুর-২ আসন দিতে গেলে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিরোধ তৈরি হতে পারে।

বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক গোলাম সরোয়ার মিলন মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে মনোনয়ন চান। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম। সিলেট-৬ আসন থেকে মহাজোটের মনোনয়ন চান সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

মৌলভীবাজার-২ আসনে বিকল্পধারা সদ্য যোগদানকারী সাবেক বিএনপি নেতা এম এম শাহীনের জন্য মনোনয়ন চায়। সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়ায় হয়তো আসনটি পেতে পারেন শাহীন। সাতক্ষীরা-৪ আসনটি বিকল্পধারা প্রত্যাশা করে এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টি (জাফর) থেকে সদ্য বিকল্পধারায় যোগদানকারী গোলাম রেজার জন্য। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের জগলুল হায়দার।

সম্প্রতি বিকল্পধারায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সাবেক ভিপি মাযহারুল হক শাহ। তিনি চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে মহাজোটের মনোনয়ন চান। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মহাজোটের শরিক তরিকত ফেডারেশনের নেতা নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। এ ছাড়া যুক্তফ্রন্ট নীলফামারী-১ আসন থেকে ন্যাপ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান যাদু মিয়ার নাতি জেবেল রহমান গানির জন্য মনোনয়ন চায়। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের আফতাবউদ্দিন সরকার।

এসব প্রসঙ্গে বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা এখনো জোট ও আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা করিনি, আলোচনা হবে। আলোচনায়ই আসন বণ্টনের সুরাহা হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চার হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে নির্বাচনী ব্যয়

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যয় ছাড়িয়ে যাবে ৪ হাজার কোটি টাকা। প্রার্থীদের ন্যূনতম ব্যয়, ইভিএম প্রকল্পে বরাদ্দ, নির্বাচন কমিশন ও গোয়েন্দা সংস্থার ব্যয়, আনসারদের অতিরিক্ত ভাতা ও আনুষঙ্গিক কাজে বিপুল এ অর্থ খরচ হবে। এটি প্রাথমিক হিসাব, যে কোনো কারণে তা বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নির্বাচনে বিপুল এ ব্যয়ে অর্থনীতিতে সাময়িক প্রভাব পড়বে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে কোনো প্রভাব ফেলবে না। কারণ এসব টাকা উৎপাদনশীল খাতে আসবে না।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনে টাকার মালিকরা অংশ নিচ্ছে। ফলে বিপুল পরিমাণ টাকা ব্যয় হবে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেঁধে দেয়া সিলিংয়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী তাদের ব্যয় আটকে রাখবে না। এতে আমাদের টাকা দিয়ে গণতন্ত্র কিনতে হবে। টাকার বিনিময়ে গণতন্ত্রের কোনো মূল্য নেই।

ব্যয় প্রসঙ্গে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নির্বাচন কমিশন ৭৩২ কোটি টাকা ব্যয় অনুমোদন দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্র বলছে, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্পের আংশিক বাস্তবায়নে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। গোয়েন্দা সংস্থার প্রস্তুতিমূলক ব্যয় ৩০ কোটি টাকা, আনসারদের বর্ধিত ভাতায় ব্যয় হবে ২৪৩ কোটি টাকা। প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনতে ব্যয় হয়েছে ৩২ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচনে তাদের খরচ হবে অন্তত ৯০০ কোটি টাকা।

নির্বাচন ঘিরে যানবাহন ও যাতায়াত, প্রিন্টিং, আপ্যায়ন, মাইকিং, সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহারে বিপুল অর্থ খরচ হবে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এতে সামগ্রিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ে কিছুটা প্রণোদনা সৃষ্টি হবে। তবে এ ধরনের প্রণোদনা শেষ পর্যন্ত অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে খুব একটা সহায়তা করে না। কারণ নির্বাচনকেন্দ্রিক টাকার বেশির ভাগ চলে যায় স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বার ও রাজনৈতিক ফড়িয়াবাজদের কাছে। প্রিন্টিং ও উৎপাদনশীল খাতে কিছুটা গেলেও মাইকিং, আপ্যায়ন বা এ ধরনের খাত থেকে অর্থ উৎপাদন খাতে আসবে না।

ইসির সূত্রমতে, সারা দেশে ৪০ হাজার ১৯৯টি সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ৪০ হাজার ১৯৯ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৮০ হাজার সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং পাঁচ থেকে ছয় লাখ পোলিং অফিসারসহ প্রায় সাত লাখ নির্বাচন পরিচালনাকারী কর্মী এবং ৫ লাখ আনসার সদস্য দেশব্যাপী নির্বাচনী কাজে সম্পৃক্ত হবেন।

নির্বাচন কমিশনের ব্যয়: অনুমোদিত ব্যয় ৭৩২ কোটি টাকা। এর মধ্যে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে ৪৫০ কোটি এবং বাকি ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে পরিচালনা খাতে। আইনশৃঙ্খলা খাতে ব্যয়ের মধ্যে আনসার সদস্যদের জন্য ১৯০ কোটি, পুলিশের জন্য ১৬৫ কোটি, সেনাবাহিনীর জন্য ৪৫ কোটি এবং র‌্যাব ও বিজিবির জন্য ৩০ কোটি টাকা। নির্বাচন পরিচালনা ব্যয়ের মধ্যে ১৬০ কোটি টাকা যাবে সাত লাখ নির্বাচন পরিচালনা কর্মীর পেছনে। এছাড়া দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ব্যালট পেপার ছাপাতে ৩০ কোটি, অন্যান্য মুদ্রণ সামগ্রী কেনায় ১০ কোটি, স্ট্যাম্প প্যাড, বিভিন্ন ধরনের সিল ও কালি কিনতে ব্যয় হবে ৮ কোটি টাকা। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ইসির ব্যয় ছিল ২৯৩ কোটি টাকা।

প্রার্থীদের ব্যয়: নির্বাচন আইন অনুযায়ী, একজন প্রার্থী একজন ভোটারের পেছনে সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। আর সংশ্লিষ্ট আসনে ওই প্রার্থী সর্বোচ্চ খরচ করতে পারবেন ২৫ লাখ টাকা। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসন্ন নির্বাচনে হাতেগোনা কয়েকজন বাদে কোনো প্রার্থীর ব্যয়ই কোটি টাকার নিচে থাকবে না। প্রতি নির্বাচনী আসনে যদি অন্তত তিনজন প্রার্থী থাকেন আর তারা গড়ে যদি ১ কোটি টাকা করে ব্যয় করেন, তবে আসনপ্রতি ৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে। ৩০০ আসনে যা ৯০০ কোটি টাকা।

মনোনয়ন ফরমে ব্যয়: মনোনয়ন ফরম কিনতে প্রার্থীদের এ বছর ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩২ কোটি টাকা। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের খরচ হয় ১২ কোটি টাকা। দলটির ৪ হাজার মনোয়ন ফরম কিনেছেন প্রার্থীরা। সাড়ে ৪ হাজার ফরম কেনায় ১৩ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে বিএনপির প্রার্থীদেরও। জাতীয় পার্টির ফরম কিনেছেন ২৪১৮ প্রার্থী। এতে ব্যয় হয় প্রায় ৫ কোটি টাকা।

ইভিএম প্রকল্পের ব্যয়: জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এজন্য সরকার ৪ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এ বছরই প্রকল্পে বড় একটি অংশ ব্যয় হবে ইভিএম কেনাকাটা এবং এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের পেছনে। এ ব্যয় মেটাতে ১ হাজার ৯৯৮ কোটি ৯ লাখ টাকা চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ‘বিশেষ প্রয়োজন উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে।

গোয়েন্দা সংস্থার ব্যয়: জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নাশকতামূলক তৎপরতার আশঙ্কা আগে থেকেই রয়েছে সরকারের এজেন্সিগুলোর। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাদের দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের কর্মকাণ্ড আগের তুলনায় ব্যাপক হারে বাড়ানো হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে গিয়ে তাদের ব্যয়ও অনেক বেড়েছে। ফলে অতিরিক্ত এ আর্থিক চাপ মেটানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ‘বিশেষ বরাদ্দ’ হিসেবে ৩০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এটি অনুমোদনের পর্যায়ে রয়েছে।

আনসার-ভিডিপির নির্বাচনী ভাতা: সারা দেশে ৪০ হাজার ১৯৯ কেন্দ্রে আনসার বাহিনীর ৪ লাখ ৮২ হাজার ২৩৮ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনের সময় পাঁচ দিনের দায়িত্ব পালনে আনসার-ভিডিপির ভাতা বাবদ মোট ২৪৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে অর্থ বিভাগের কাছে। এর মধ্যে সমতল ভূমিতে ৩৯ হাজার ৬২৯টি ভোট কেন্দ্রের ব্যয় দেখানো হয় ২৩৯ কোটি ৭৫ লাখ ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং পাহাড়ি অঞ্চলের ৫৭০টি ভোট কেন্দ্রের ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৩ কোটি ৬১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঠ্যবই ছাপা ও বিতরণে সংকট, বছরের প্রথম দিনে মিলবে কি বই!

অনলাইন ডেস্ক: বর্তমান সরকারের আমলে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যবই তুলে দেওয়ার একটা রেওয়াজ গড়ে ওঠেছে। গত কয়েকবছর ধরে পালন করা এ রেওয়াজ এবার পালন করা সম্ভব নাও হতে পারে। বই ছাপা ও বিতরণ নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট।

আগামী ৩০ নভেম্বরের দেশের উপজেলা পর্যায়ে বই পৌছানো সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা অবশ্য লক্ষ্যমাত্রা ঠিক রেখে শতভাগ বই পৌছানোর ব্যাপারে বেশ আশাবাদি। এরই মধ্যে সারাদেশ এখন পর্যন্ত ৬০ শতাংশ পাঠ্যবই পৌঁছানো হয়েছে বলে এনসিটিবি সূত্র জানিয়েছে।

বিভিন্ন মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, প্রাথমিকের পাঠ্যবই ছাপা ও সরবরাহ সিংহভাগ সম্পন্ন হলেও মাধ্যমিকের বই নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণির ৩৬ কোটি ৬ লাখ পাঠ্যবইয়ের মধ্যে ২০ কোটি পাঠ্যবই অর্থাৎ ৪০ শতাংশ বই ছাপার কাজ এখনো চলছে। এসব বই মুদ্রণ শেষে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বই মুদ্রণের কাগজ সংকট, পরিবহন সমস্যা দায়ী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মুদ্রণ শিল্প সমিতির অভিযোগ, এনসিটিবি পাঠ্যবই ছাপার কাজ মনিটরিং সরবরাহ অনুমোদন এবং পরিবহনে অসহযোগিতা ও বাধা সৃষ্টি করছে। তারা বলছেন, সময়মতো বিল না পেলে এবং মিলগুলো কাগজ সরবরাহ না করলে মাধ্যমিকের পাঠ্যবই ছাপানো ও সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এদিকে সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেয়ার দাবি করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা। তিনি বলেন, পাঠ্যবই নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা নেই। সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

পাঠ্যবই নিয়ে উদ্ভ‚ত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সমাধান চেয়ে এনসিটিবিকে চিঠি দিয়েছেন মুদ্রণ শিল্প সমিতির সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত। তিনি বলেন, পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে এনসিটিবি কিছু অনাহুত সমস্যা সৃষ্টি করছে। এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য লিখিতভাবে বোর্ডকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, প্রাথমিকের বই ছাপা কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ব্যাংক ঋণ পরিশোধের বিল পাওয়া গেলে মাধ্যমিকের অবশিষ্ট বইয়ের কাজে হাত দেবে টেন্ডারপ্রাপ্ত মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান। ঢাকা, রাজশাহী ও বগুড়ার সাতটি বড় মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান এখনো কোনো বই দেয়নি। তারা বিল না পাওয়ায় বই ছাপার কাজ কমিয়ে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, নির্বাচনের কারণে কাগজের দাম বেড়ে গেছে। এ জন্য কাগজ কিনতে হচ্ছে বেশি দামে।

অন্যদিকে, বিল পরিশোধ করছে না এনসিটিবি। বই ছাপা হলেও পরিবহন সংকটের কারণে একাধিক লট আটকে ছিল। এখন আবারো রাস্তায় বই পড়ে থাকলে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাবে। সম্প্রতি পরিবহন ধর্মঘটের ফলে আটদিন পিছিয়ে গেছে, বই ছাপা, কাগজ সংগ্রহ এবং ছাপা বই পৌঁছানোর সব কার্যক্রম। তাই সমস্যার সমাধান চান তারা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ছাপা হচ্ছে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ কপি পাঠ্যবই। প্রাথমিক স্তরের ১১ কোটি ৬ লাখ ১ হাজার ৫২১ কপি বই ছাপিয়ে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বই ৬৮ লাখ ৫৬ হাজার ২০ কপি। প্রাথমিক স্তরের ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৯৯ কপি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার বই ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৪ কপি, ইবতেদায়ির ২ কোটি ২৫ লাখ ৩১ হাজার ২৮৩ কপি এবং দাখিলের ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩৪ কপি বই। মাধ্যমিক (বাংলা সংস্করণের) স্তরের ১৮ কোটি ৫৩ হাজার ১২২ কপি এবং একই স্তরের ইংরেজি ভার্সনের ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৬ কপি বই ছাপা হচ্ছে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা স্তরের ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৪৮ কপি, এসএসসি ভোকেশনাল স্তরের ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৭৫ কপি, ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক ৫ হাজার ৮৫৭ কপি এবং সম্পূরক কৃষি (ষষ্ঠ-নবম) স্তরের ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬১ কপি বই ছাপা হচ্ছে।

এসব বই ছাপাতে দেশি-বিদেশি প্রায় ৪০০ ছাপাখানার সঙ্গে চুক্তি করে কার্যাদেশ দিয়েছে এনসিটিবি। মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর দুটি ভারতের- ‘কৃষ্ণা ট্রেডার্স’ ও ‘স্বপ্না প্রিন্টার্স’। বাকিগুলো সবই দেশের। ঢাকা ছাড়াও এবার পাঠ্যবই ছাপানো হচ্ছে বগুড়া, রংপুর, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীর ছাপাখানা থেকে। সারাদেশের প্রায় ৪শ’ মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে (প্রিন্টিং প্রেস) পাঠ্যবই ছাপা, কাটিং ও বাইন্ডিংয়ের কাজে ব্যস্ত ৯৮ হাজার মানুষ।

এবার ৩৫ কোটি ২২ লাখ কপি বই ছাপাতে প্রায় ৮৫ হাজার টন কাগজ ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে এনসিটিবি কিনে দিয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টন কাগজ। বাকি কাগজ মুদ্রণকারীরা বাজার থেকে কিনে বই ছাপিয়ে সরবরাহ করছেন। এসব বই ছাপার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করছে ১৬ হাজার ৪০০টি ট্রাক।

এদিকে দরজায় কড়া নাড়ছে নতুন বছর। কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন শ্রেণিতে উত্তীর্ণের প্রতীক্ষার পালা। ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীরা খালি হাতে স্কুলে যাবে আর কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরবে ঝকঝকে তকতকে নতুন পাঠ্যবই নিয়ে। আগামী শিক্ষা বছরের জন্য ৩৫ কোটি বিনামূল্যেও পাঠ্যবই ছাপার কাজ চলছে। এবার ৪ কোটির বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হবে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল বই এবং ৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজ ভাষায় বই ছাপা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাকচাপায় অটোভ্যানের দুই যাত্রী নিহত; ৩ জন আহত

অনলাইন ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সায়দাবাদে ট্রাকচাপায় অটোভ্যানের দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন।

রোববার সকাল ৬টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সয়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সায়দাবাদ ইউনিয়নের জারিলা গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (৩২) ও আনোয়ার হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২০)। তারা দু’জনই এলাকার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের শ্রমিক।
বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ওসি শহিদ আলম ও ইউপি চেয়ারম্যান নবিদুল ইসলাম জানান, উত্তরবঙ্গগামী একটি মুরগিবোঝাই ট্রাক সয়দাবাদে এসে যাত্রীবাহী অটোভ্যানটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই দুই শ্রমিক মারা যান। এ সময় আরও ৩ যাত্রী গুরুতর আহত হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধ্য আফ্রিকায় শরণার্থী শিবিরে হামলায় ৪২ জন নিহত

বিদেশের খবর: মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে এক শরণার্থী শিবিরে হামলায় ৪০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দেশটির রাজধানী বানগুই থেকে ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে আলিনদাও শহরে ক্যাথলিক মিশন পরিচালিত শিবিরে এ হামলার এ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। ওই শরণার্থী শিবিরে প্রায় ২০ হাজার শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছিল বলে জানা গেছে। হামলায় আরও বহু লোক আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে আলিনদাওয়ের আইনপ্রতিনিধি এথিয়েন গোডেনাহা গণমাধ্যমকে বলেছেন, এ পর্যন্ত ৪২টি মৃতদেহ গুনেছি, কিন্তু এখনও অন্যান্যদের খোঁজ করছি আমরা। শিবিরটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, লোকজন জঙ্গলে অথবা শহরের অন্যান্য উদ্বাস্তু শিবিরে পালিয়ে গেছে। হামলাকারীরা ওই শিবিরটিতে আগুন ধরিয়ে দিলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। বাকি হাজার হাজার শরণার্থী শিবিরটি ছেড়ে পালিয়ে যায়।
জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে মঙ্গলে যাচ্ছে রোবট

অনলাইন ডেস্ক: প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে লাল গ্রহ হিসেবে পরিচিত মঙ্গলে পাঠানো হবে বিশেষ এক রোবট। রোবটটি ২০২১ সাল নাগাদ মঙ্গলের নিরক্ষরীয় অঞ্চলের কাছাকাছি একটি এলাকায় অনুসন্ধান চালাবে। লেইচেস্টার ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ প্যানেলের এক বৈঠকে ঐ এলাকাটির কথা সুপারিশ করা হয়েছে। পানির সাথে দীর্ঘ সময়ের মিথস্ক্রিয়ায় কঠিন শিলা থেকে এই গ্রহটিকে কাঁদামাটির প্রাচুর্যতা বেশি। ‘এক্সোমারস’ নামের এই রোবট যানটিতে থাকবে ড্রিল মেশিন এবং আধুনিক সব যন্ত্রপাতি। মঙ্গলে সুদূর অতীতে কিংবা বর্তমানে কোন প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করবে এই এক্সোমারস রোবট। পুরো প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে থাকবে ইউরোপিয়ান এবং রাশিয়ান স্পেস এজেন্সির বিজ্ঞানীরা।

এই রোবট যানটির মঙ্গলে অবতরণের সম্ভাব্যতা নিয়ে গত চার বছর ধরে গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। নাসার মাটিতে রোবট নামাতে গিয়ে বিপদের ঝুঁকি কমাতে আগেভাগেই বিশেষজ্ঞ প্যানেল বৈঠক করে। লেইচেস্টার ইউনিভার্সিটির এই বৈঠকে রাখা হয়েছিল মঙ্গলের ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ এবং প্রকৌশলীদের। বৈঠকের মাধ্যমে কোথায় এই রোবটটিকে নামালে তা নিরাপদে নামতে পারবে সেটি নির্ধারণ করা হয়। কারণ মঙ্গলপৃষ্ঠে অবতরণ করাটা যে কোন যানের জন্য খুবই কঠিন একটি কাজ। এর আগে মঙ্গলে এই ধরনের রোবট নামানোর অর্ধডজন প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও মঙ্গলের মাটিতে সফলভাবে অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বেশিরভাগই। ২০১২ সালে নাসার পাঠানো কিউরিওসিটি রোভারই সবচেয়ে বেশি সফলতা লাভ করে। প্রায় এক টন ওজনের সেই রোবট যানটি ছিল নাসার বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি সফল। ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান এজেন্সির পাঠানো একটি রোবট যান মঙ্গলপৃষ্ঠে নামার আগেই ধ্বংস হয়ে যায়।

এবারের বৈঠকে মঙ্গলের উত্তরে নিরক্ষরীয় অঞ্চলের কাছাকাছি মাউরত ভ্যালিতে নামানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে এক্সো মারসকে। এই রোবটটি মঙ্গলে সুদূর অতীতের প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজার কাজ করবে। এই অঞ্চলটিতে সারা বছরই সূর্যালোক থাকে বলে রোবট এক্সো মারসের সোলার প্যানেল ভালোভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই অঞ্চলটির ভূপৃষ্ঠ পরিত্যক্ত কাঁদামাটি সমৃদ্ধ। সেখানকার শিলাবেষ্টিত পরিবেশের সাথে পানির দীর্ঘ সময়ের মিথস্ক্রিয়ায় এই ধরনের উপাদান তৈরি হয়েছে বলে তাদের বিশ্বাস।

এর আগে ২০১২ সালে কিউরিওসিটি রোভারের পাঠানো বিভিন্ন ছবি থেকে নাসার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছিলেন, কিউরিওসিটি মঙ্গলগ্রহের যেখানে অবতরণ করেছে সেই এলাকা দিয়ে এক সময় বয়ে যেত পানির ধারা। মঙ্গলের ক্রেটার গহ্বরে অবতরণ করেছিল কিউরিওসিটি। ক্রেটারের উত্তরদিকে মাউন্ট শার্প এলাকায় একটি পাথরের খণ্ডের ছবি পৃথিবীতে পৌঁছানোর পর বিজ্ঞানীরা দাবি করেন, ওই পাথরখণ্ডের আকার ও স্তরবিন্যাস স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, তার ওপর দিয়ে এক সময় পানির ধারা বয়ে যেত। শুধু পানির ধারাই নয়, সেই সময় কিউরিওসিটি মঙ্গলপৃষ্ঠে প্রাচীন স্রোতবাহিত নুড়ি পাথরেরও সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মতে, এক সময় ওই এলাকাটির উপর দিয়ে প্রবল বেগে বয়ে যাওয়া পানির স্রোতের তোড়ে এসব নুড়ি পাথর ভেসে এসেছিল।

লেইচেস্টার ইউনিভার্সিটির এই কমিটিতে থাকা অধ্যাপক জন ব্রিজের মতে, এবার রোবট এক্সোমারসের প্রধান কাজ হবে মঙ্গল পৃষ্ঠের মাটিতে অনুজীব কিংবা অতীতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার নমুনার বিষয়টি অনুসন্ধান করা। এই রোবট যানটি মাটির অভ্যন্তরে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত খনন করতে পারবে। রাশিয়া পরিচালিত কাজাকাস্তানের রকেট বন্দর থেকে ২০২০ সালের ২৫ জুলাই থেকে ১৩ আগস্টের মধ্যে এই রোবটটি যাত্রা শুরু করবে। আর ২০২১ সালের ১৯ মার্চ নাগাদ সেটি পৌঁছাবে মঙ্গলপৃষ্ঠে। -বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপের ৬ মাস আগেই প্রস্তুত ভারত!

খেলার খবর: আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের এখনও প্রায় মাস ছয় বাকি। কিন্তু এরইমধ্যে বিশ্বকাপের জন্য ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দল প্রস্তুত হয়ে গেছে বলে দেশটির গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়।
ভারতের কোচ রবি শাস্ত্রীর বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বিশ্বকাপ দল ইতোমধ্যে দাঁড় করিয়ে ফেলেছেন তিনি। ভারতের বিশ্বকাপ দল নিয়ে আর পরীক্ষা-নিরীক্ষারও কোনও প্রয়োজন নেই।
শাস্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট ১৫ জনকে নিয়েই খেলার চেষ্টা করবো। আর কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা নয়।’
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সম্প্রতি জাতীয় দলের একাধিক সিনিয়র খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেয়া হয়েছিল।

তবে শাস্ত্রী জানিয়েছেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আগামী দিনগুলোতে সিনিয়র ক্রিকেটাররা আর বিশ্রাম পাবেন না।
শাস্ত্রী বলেন, ‘তারকা খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেয়ার পর্বও শেষ। এখন থেকেই মনোযোগ দিতে হবে বিশ্বকাপে। দল হয়ে খেলতে হবে।’
দলে চোট শঙ্কা নিয়ে শাস্ত্রী বলেন, ‘আশা করবো আমাদের কোনও ইনজুরি সমস্যা ধরা পড়বে না।’

শাস্ত্রী বলেন, ‘এখন আর খুব বেশি ম্যাচ বাকি নেই। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে আমরা ৮টি ওয়ানডে খেলব। এগুলো খুবই কাজে দেবে। এরপর আবার দেশে ফিরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫টি ওয়ানডে। এই ১৩টি ম্যাচ। আমরা চেষ্টা করবো সবগুলো ম্যাচেই নিজেদের সেরা দলটা খেলাতে, যাতে বিশ্বকাপের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করা যায়।’

আগামী বছরের ৬ মে লন্ডনের ওভাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে। ৫ জুন নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে দু’বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। অপরদিকে ২ জুন টাইগারদের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষও দক্ষিণ আফ্রিকা। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ৮টি ভেন্যুতে বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বের ৯টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest