সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধন

রাস্তায় থুতু ফেললেই বিপাকে! গুনতে হচ্ছে জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক: প্রায় দেখা রাস্তায় অনেকে থুতু, পানের পিক কিংবা ময়লা ফেললেন। তবে এবার আর সেই সুযোগ নেই। এখন রাস্তায় থুতু, পানের পিক কিংবা ময়লা ফেললেই মহাবিপদ।

রাস্তায় থুতু ফেললে একটিকে যেমন শাস্তি পেতে হবে অন্যদিকে সে পরিষ্কারও করানো হবে। এরসঙ্গে রয়েছে জরিমানাও। শহর পরিষ্কার রাখতে চিরুনি অভিযানে নেমেছে কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এমনই এক নিয়ম চালু হয়েছে ভারতের পুনে শহরে।

পুনের শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দপ্তরের প্রধান দ্যানেশ্বর মোলক এ বিষয়ে বলেন, ‘গত আট দিনে রাস্তায় থুতু ফেলার অভিযোগে ১৫৬ জনকে ধরেছেন স্যানিটেশন ইনস্পেক্টররা। তাদের দিয়েই সঙ্গে সঙ্গে সেই থুতু সাফ করানো হয়েছে। তার ওপর নেওয়া হয়েছে দেড়শো টাকা করে জরিমানা।’

তিনি জানান, গত সপ্তাহে পুনের বিবওয়েওয়ারি, আউন্ধ, ইয়েরাওয়াড়া, কসবা ও ঘোলে রোডে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত যখন নিজেই নিজের থুতু পরিষ্কার করতে বাধ্য হন, তখন তিনি এতটাই লজ্জিত হন যে, দ্বিতীয়বার সেই কাজ করার আগে পাঁচবার ভাববেন। এই ভাবনা থেকেই পুরনিগম নয়া শাস্তির বিধান করেছে।

বিষয়টি নিয়ে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাসিন্দাদের থুতু ফেলার অভ্যাস বন্ধ করতে শুধুমাত্র আর্থিক জরিমানাই যথেষ্ট নয়, বিষয়টি মাথায় রেখেই নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পৌরসভা।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দপ্তরের প্রধান দ্যানেশ্বর মোলক জানান, ২০১৮ সালের স্বচ্ছতা সমীক্ষায় ১০ নম্বরে ছিল পুনে। শীর্ষে ছিল মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর। সামনের বছর সেই জায়গায় পুনেকে প্রথমে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসন ও পুলিশে রদবদল করতে যাচ্ছে ইসি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগে রদবদল করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চলতি সপ্তাহেই এ বিষয়ে ইসির আদেশ জারি হতে পারে। বদলির তালিকায় বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে বলে ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান বলেন, কিছু বদলির আদেশ আসছে। পুলিশে কিছু পরিবর্তন আসবে। এ বিষয়ে শিগগিরই জানতে পারবেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন সামনে রেখে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে পরিবর্তন আনতে চায় কমিশন। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিশনারদের অনুমোদনের জন্য এ বিষয়ে একটি ফাইল উত্থাপন করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে দু-একদিনের মধ্যেই এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হবে। ওই আদেশেই প্রশাসনে রদবদলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। দ্বিতীয় ধাপে আরও কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইসি সূত্র জানায়, রদবদলের তালিকায় একাধিক বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছেন। এছাড়া পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নামও রয়েছে রদবদলের তালিকায়।

উল্লেখ্য, নির্বাচনরে তফসিল ঘোষণার পরে আইন অনুযায়ী প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যায়।
গত ১১ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দেওয়া চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুমতি ছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের বদলি বা ছুটি না দেওয়ার নির্দেশ দেয় ইসি।

চিঠিতে বলা হয়, সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের কাজে সহায়তা দেওয়া সব নির্বাহী বিভাগের কর্তব্য। কোনো কর্মকর্তা নির্বাচনের দায়িত্ব পাওয়ার পরে অব্যাহতি না দেওয়া পর্যন্ত চাকরির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ইসির অধীনে প্রেষণে আছেন বলে গণ্য হবেন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত ইসির অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি না করার বিধান রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ফাগুন হাওয়ায়’র সাথে ওয়ালটন

বিনোদনের খবর: মেধাবী চলচ্চিত্র পরিচালক ও গুনী অভিনেতা তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘ফাগুন হাওয়ায়’ সিনেমার সাথে যুক্ত হলো ওয়ালটন। ‘ফাগুন হাওয়ায়’ সিনেমাটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে ওয়ালটন।
গত ১৬ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় সাতটায় রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত রেঁস্তোরায় ‘ফাগুন হাওয়ায়’র পক্ষ থেকে নির্মাতা তৌকীর আহমেদ এবং ওয়ালটন গ্রুপ’র পক্ষ থেকে এর নির্বাহী পরিচালক হুমায়ূন কবিরের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অনন্যাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের হেড অব ব্যা- ম্যানেজম্যান্ট আমিন খান এবং অপারেটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম এবং ‘ফাগুন হাওয়ায়’ সিনেমার শিল্পী আফরোজা বানু, নরেশ ভূঁইয়া, ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুল আলম সাচ্চু, ফারুক আহমেদ, রওনক হাসান, নূসরাত ইমরোজ তিশা, সিয়াম আহমেদ’সহ তৌকীর আহমেদ’র সহধর্মিনী নন্দিত অভিনেত্রী, নাট্যকার ও চিত্রশিল্পী বিপাশা হায়াত।

দেশীয় পণ্য উৎপাদনে বিগত বেশ কয়েকবছর যাবত ‘ওয়ালটন’ বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এমন একটি অবস্থানে এসে পৌঁছেছে যা থেকে সৃষ্ট বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিশ্বের অনেক প্রথিতযশা প্রতিষ্ঠানে সাথে তাদের পণ্যের গুনগত মানের তুলনা চলে আসে। যেহেতু তৌকীরের ‘ফাগুন হাওয়ায়’ ভাষা আন্দোলনের সময়কালের প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত তাই দেশীয় পণ্য হিসেবে এই সিনেমার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ‘ফাগুন হাওযায়’র সাথে নিজেদের যুক্ত করেছে ‘ওয়ালটন’।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তৌকীর আহমেদ বলেন,‘ যেহেতু ফাগুন হাওয়া একটি পিরিয়ডিক্যাল সিনেমা। তাই একটি সময়কে তুলে ধরা একজন পরিচালকের জন্য অনেক কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং। বাজেট নির্দিষ্ট থাকেনা বিধায় যে কারণে খরচও অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু এমন মুহুর্তে ওয়ালটন পরিবার পাশে দাঁড়ানোয় আমাদের জন্য বেশ উপকারই হলো।

ফাগুন হাওয়ায় যেহেতু ভাষা আন্দোলনের সিনেমা, দেশীয় পণ্য উৎপাদনের প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন পাশে থাকাটা বেশ ভালো হলো।’

আমিন খান বলেন, ‘ওয়ালটন দেশীয় পণ্য উৎপাদেন বাংলাদেশে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। অনেক ইলেকট্রনিক পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের ঘরে ঘরে এখন ওয়ালটনের পণ্য রয়েছে। যেহেতু সিনেমার সাথে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে এভাবে আমাদের নতুন পথচলা, তাই একটি ঐতিহাসিক সিনেমার সাথে সম্পৃক্ততা দিয়েই এর শুভ যাত্রা শুরু হলো। আমরা ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতায় বজায় রাখবো, তবে নিশ্চয়ই তা ভালো সিনেমার ক্ষেত্রে।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য পর্ব শেষ ‘ফাগুন হাওয়ায়’ সিনেমার পোস্টার উন্মোচন করেন আমিন খান ও বিপাশা হায়াত। এরপর সিনেমাটির ট্রেলার ও গান দেখানো হয়। আগামী বছর ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ফাগুন হাওয়ায়’ মুক্তি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইপিএলে লিটন দাসকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী প্রীতির পাঞ্জাব

খেলার খবর: আসছে ডিসেম্বরেই আইপিএল’র নিলাম। তার আগে প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজেদের দল গোছাতে ব্যস্ত। চলছে ক্রিকেটারদের নিয়ে আলোচনা। ইতিমধ্যেই আইপিএল’র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিটি দল তাদের ধরে রাখা (রিটেনড) এবং ছেড়ে দেওয়া (রিলিজড) ক্রিকেটারদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যেই খবর, বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাসকে নিতে আগ্রহী একাধিক আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি।

জানা গেছে, লিটনকে নেওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। এশিয়া কাপে লিটন দাসের আউট নিয়ে উত্তাল হয়েছিল ক্রিকেট মহল। তবে লিটন যে উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশ পরিণত তা নজর এড়ায়নি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে এই মুহূর্তে কোনও নিয়মিত উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নেই। গত আইপিএলে এই কারণেই পাঞ্জাব ভুগেছে। সেই সঙ্গে লিটনের ব্যাটের হাতও ভাল। লিটন নিজের সামর্থ্যে দলকে টানার ক্ষমতা রাখেন। তাই লোকেশ রাহুলের সঙ্গে লিটনকে ওপেনিংয়ে দেখা গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

এমন একাধিক কারণের জন্যই পাঞ্জাবের কাছে লিটন দাস অটোমেটিক চয়েস। গত কয়েকটি সিরিজে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে চলেছেন লিটন। তাই লিটনকে আইপিএলে পেলে উপকৃতই হবে কিংস ব্রিগেড, এমনটাই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে সূত্রের খবর, পাঞ্জাব ছাড়াও আরও তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিটনকে পেতে আগ্রহী। এখন দেখার লিটন কোন ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে চাপান।
সূত্রঃ এবেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে বাস খাদে পড়ে নিহত ১২, আহত ১৩

বিদেশের খবর: ভারতের পাহাড় অধ্যুষিত উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশি জেলায় রবিবার বিকেলে স্থানীয় পর্যটকবাহী বাস ১৫০ মিটার গিরিখাদে পড়ে ১২ যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। বাসটি জানকিছিত্তাই থেকে বিকাশ নগর যাচ্ছিলো। উত্তরকাশি-যমুনোত্রি হাইওয়ের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, দুর্ঘটনাস্থলেই মারা যান বাসের ১০ যাত্রী। বাকি দু’জন মারা যান হাসপাতালে নেওয়ার পর।

এ ব্যাপারে দায়িত্বশীলরা বলছেন, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালায় পুলিশের বিশেষ টিম। কিছু মরদেহ ঝোপঝাড়ে আটকে রয়েছে। গুরুতর আহত চারজনকে হেলিকপ্টারে করে দেরাদুনে নেওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরী মডেলের প্রেমে মজেছেন নেইমার

অনলাইন ডেস্ক: কিছুদিন আগেই দীর্ঘদিনের বান্ধবী ব্রুনার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়েছে। তবে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে সময় নিলেন না পিএসজি তারকা নেইমার। ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রী জিওভান্না লান্সেলোত্তি-র সঙ্গে এবার নেইমারের নাম জড়িয়ে গুঞ্জণ শুরু। পিএসজি তারকার সঙ্গে বান্ধবী বিচ্ছেদের জন্য দায়ী করা হচ্ছে বছর ২৫-এর জিওভান্নাকেই।

জাতীয় দলের জার্সিতে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে নেইমারের ছিলেন লন্ডনে। সেখানেই দেখা গেছে নতুন কপোত-কপোতিকে। জিওভান্নার ছবিতে কমেন্ট করে নেইমার জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনার ঝড় উঠতে চলেছে। নেইমারের ‘আশঙ্কা’কে সত্যি প্রমাণ করে শুরু হয়েছে গুঞ্জণ।

কে এই জিওভান্না? ব্রাজিলিয়ান এই মডেল আসলে অপেরায় অভিনয় করেন। তিনি এখন পরিবারের সঙ্গে লন্ডনে ছুটি কাটাচ্ছেন। সেখানেই তার সঙ্গে সদ্য বিচ্ছেদ হওয়া নেইমারের মোলাকাত।

নেইমার জিওভান্নার ছবির নিচে কমেন্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘তুমি লন্ডনে, আমিও। এবার আবার নতুন রূপকথা চালু হবে। গল্প লিখিয়ে এবং গুজব আবিষ্কারকরা আসবে। তাদের নিয়ে যে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে, সেদিকেই ইঙ্গিত করেছেন নেইমার।

পাল্টা জিওভান্না জানান, তুমি যে এখন ইউরোপে রয়েছ, আমাকে জানায়নি তো! তবে দু’জনের সোশ্যাল মিডিয়ায় কথোপকথন নিয়ে নয়, সম্পর্কের বিষয়ে জল্পনা শুরু হয় যখন এক সমর্থকের কমেন্টের নিচে লাইক করেন জিওভান্নার বোন গ্যাব্রিয়েলা। সেই কমেন্টে লেখা ছিল, নেইমার সব সময়েই জিওভান্নাকে চাইত।

অবশ্য ব্রুনার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালে নেইমার জিওভান্নার সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন। তবে এবারের বিশেষ কথা চালাচালি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাশোগি হত্যা; সালমানকে বাঁচাতে চাইছেন ট্রাম্প

বিদেশের খবর: সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দিয়েছিলেন বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ জানিয়েছে। এর পরও তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সিআইএর সে প্রতিবেদন গণমাধ্যমে আসার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই সৌদি যুবরাজের পক্ষে ট্রাম্পের সহানুভূতিশীল অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ট্রাম্প তাকে অপরিপক্কও বলেছেন।

খাশোগি হত্যা ইস্যুতে মঙ্গলবার পূর্ণাঙ্গ একটি প্রতিবেদন তার কাছে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। এতে খাশোগি হত্যায় কারা দায়ী এবং এ ঘটনার সামগ্রিক প্রভাব কী- চূড়ান্ত প্রতিবেদনেই মার্কিন সরকার তা জানতে পারবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

শুক্রবার সিআইএর প্রতিবেদনে জানা যায়, রাজপরিবারের বেশকিছু নীতির সমালোচক খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ সৌদি ক্রাউন প্রিন্সই দিয়েছিলেন। সিআইএ’র এ অনুমানকে ‘সম্ভব’ বলেও অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালও সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের দোষ স্পষ্ট হয়নি বলে জানিয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সরকার এখনও খাশোগি হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। খাশোগি হত্যাকাণ্ডে এখনও অসংখ্য অমীমাংসিত প্রশ্ন রয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মৃত্যুফাঁদ থেকে সাবধান

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সড়কের আশপাশে এবং বাসাবাড়িতে গ্যাস পাইপলাইন ছিদ্র ও চুলার সংযোগ থেকে বের হওয়া গ্যাসে প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার থেকেও ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে প্রাণ হারাতে হচ্ছে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষকে। আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসতে হচ্ছে অনেককে। আবার কারও কারও পুরো পরিবার চলে যাচ্ছে না ফেরার দেশে।

দু-একজন আবার দগ্ধ হয়ে দুর্বিষহ জীবন নিয়ে বেঁচে থাকেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার যাত্রাবাড়ীতে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লিকেজ হওয়া গ্যাসে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ম্ফোরণের ঘটনায় এক শিশুসহ দু’জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছে আরও পাঁচজন। তাদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। এর আগে ২ নভেম্বর গ্যাসের আগুনে আশুলিয়ায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গ্যাসের আগুনের কারণে এমন মর্মন্তুদ দুর্ঘটনার দায় নিচ্ছে না কেউ। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা যন্ত্রণাকাতর জীবনের দায়ভার বয়ে বেড়াচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে গ্যাস দুর্ঘটনায় ১০৩টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে গ্যাসলাইন লিকেজে ৫৫টি এবং এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে ৪৮টি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা গেছে শিশুসহ ছয়জন এবং গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ৩১ জনকে। অবশ্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় যেসব দগ্ধ হাসপাতালে মারা যায়, তাদের হিসাব ফায়ার সার্ভিস রাখে না। সে কারণেই মৃত্যুর সংখ্যা পাওয়া যায়নি তাদের কাছ থেকে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসেই গ্যাসের লিকেজ এবং এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ম্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। প্রায়ই এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডে নতুন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে হতাহতের তালিকায়। গ্যাসলাইন লিকেজ, গ্যাস সিলিন্ডার ও সিলিন্ডারের হোসপাইপ লিকেজ থেকে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড বেশি ঘটছে। প্রশ্ন উঠেছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের মান নিয়েও।

গত শুক্রবার সকালে যাত্রাবাড়ীর ধলপুর এলাকায় ১৪ নম্বর আউটফল সিটি করপোরেশনের কোয়ার্টারে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন পরিচ্ছন্নকর্মী সুমন মিয়া। এ সময় সিলিন্ডারের গ্যাস লিকেজ হয়ে বিস্ম্ফোরণ ঘটে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরের ভেতর। তার পরিবারের চারজনসহ মোট ছয়জন দগ্ধ হয়। বিস্ম্ফোরণে ঘরের দরজা খুলে ছিটকে পড়ে দোতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসা আট বছরের শিশু তাহসিনের ওপর। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় দগ্ধদের। গতকাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ধলপুরের ওই বাসার এলপিজি সিলিন্ডার লিকেজ হয়ে গ্যাস বের হয় এবং তা পুরো ঘরে জমে যায়। পরে এতে আগুনের স্পর্শ পেয়ে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ম্ফোরণ ঘটে।’

গত ২ নভেম্বর ভোরে আশুলিয়ায় আবদুর রবের বাসায় গ্যাসের পাইপলাইনে বিস্টেম্ফারণের পর লাগা আগুনে দগ্ধ হয়েছিলেন আবদুর রবসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্য। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল তাদের সবাইকে। এর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় চারজনের। স্বামী-সন্তান ও শ্বশুর-শাশুড়ি হারিয়ে শুধু বেঁচে আছেন রবের স্ত্রী গার্মেন্ট কর্মী রিপা আক্তার।

৬ নভেম্বর মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় সিলিন্ডারের গ্যাস বের হয়ে বিস্ম্ফোরণের পর লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় তার স্ত্রী সাজেনা আখতার দগ্ধ হয়ে ভর্তি হন বার্ন ইউনিটে। ১৩ অক্টোবর উত্তরখানের বাসায় গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৪০-৪৫ বছরের বেশি সময়ের পুরনো গ্যাস বিতরণ লাইন রয়েছে ঢাকায়। এসব গ্যাসলাইনের ব্যাপারে তেমন তদারকি নেই তিতাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির। গ্যাসলাইনে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না করা এবং বাড়ির মালিক ও ভাড়াটেদের অসাবধানতা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ ছাড়া বাসাবাড়িতে সঠিকভাবে গ্যাসলাইন সংযোগ, এলপিজি সিলিন্ডার এবং চুলার ফিটিংস সঠিকভাবে না হওয়ার কারণেও অগ্নিকাণ্ড ঘটছে।

তিতাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোস্তফা কামাল বলেন, ‘গ্যাসের পাইপলাইনের দুর্ঘটনা যে খুব বেশি ঘটেছে, তা ঠিক নয়। এটি বিভিন্ন সময়ে হয়ে আসছে। অনেক জায়গায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ রয়েছে। তিতাস জানতে পারলে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তারপরও অজ্ঞাতসারে অনেকেই অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করছে। যেখানে তিতাসের নেটওয়ার্কই নেই। অনিরাপদ এসব গ্যাস সংযোগ থেকেই বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। এ জন্য জনগণকেও সচেতন হতে হবে।’ পুরনো লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তিতাসের নেটওয়ার্ক অনেক বড়। তাই চাইলেই পুরনো সব লাইন একবারেই পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এলাকা ধরে পুরনো লাইনগুলো বদলানো হচ্ছে।’

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) মেজর একেএম শাকিল নেওয়াজ বলেন, ‘গ্যাস পাইপ কিংবা সিলিন্ডার লিকেজ থেকে গ্যাস বের হলে শব্দ এবং পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ ছড়াবে। এ ধরনের গন্ধ পাওয়ামাত্র জানালা দরজা খুলে গ্যাস বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষ একটু সচেতন হলে আগুন থেকে অনেকটাই পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। ঢাকায় অনেক পুরনো গ্যাসের লাইন আছে। সেগুলো দ্রুত তিতাসকে বদলাতে হবে।’ এ ছাড়া এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সিলিন্ডার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার। কিন্তু তা করা হয় না। সংশ্নিষ্টদের এ ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানো দরকার।’

বিস্ম্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক শামসুল আলম বলেন, ‘এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ম্ফোরক অধিদপ্তর থেকে পরীক্ষা করা হয় না। এলপি গ্যাস বিক্রয় কোম্পানি এগুলো পরীক্ষা করে এবং অধিদপ্তর সেটি তদারকি করে।’ মানসম্মতভাবেই এসব সিলিন্ডার তৈরি করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সিলিন্ডার সাধারণত বিস্ম্ফোরিত হয় না। সিলিন্ডারের রেগুলেটরের সঙ্গে চুলার সংযোগস্থলে ভালোভাবে ফিটিং না করার কারণে গ্যাস লিকেজ হয়ে গ্যাস জমে থাকে। এর পরই চুলা জ্বালাতে গিয়ে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ম্ফোরণ ঘটে। সিলিন্ডার ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দেশে কমপক্ষে ৫০ লাখ গ্রাহক। দেড় কোটির বেশি সিলিন্ডার রয়েছে দেশে।’

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ বলেন, ‘পাঁচ বছর পরপর সিলিন্ডার পরীক্ষা করা উচিত এবং সিলিন্ডারের গায়ে পরীক্ষা করার তারিখ খোদাই করে রাখতে হবে। কিন্তু এ ধরনের কোনো তারিখ সিলিন্ডারের গায়ে থাকে না। সিলিন্ডার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা না করলে ঝুঁকি থেকে যায়।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল বলেন, ‘গ্যাসের আগুন খুবই বিপজ্জনক। কারণ বিস্ম্ফোরণ ঘটে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং এ ধরনের ঘটনায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য দগ্ধ হয়। গ্যাসের আগুনে ক্ষতি বেশি হয়। সম্প্রতি গ্যাসের আগুনে পোড়া রোগী হাসপাতালে বেশি আসছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest