সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

২১৮ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

খেলার খবর: জিম্বাবুয়েকে ফলো-অন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ২১৮ রানে এগিয়ে থাকা টাইগারদের সূচণা করেছেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস।
চাইলে বাংলাদেশ আবার জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিয়ে পাঠাতে পারত। তবে মিরপুরের উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করার ঝুঁকি নেয়নি স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের করা ৫২২ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ৩০৪ রানে।
ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। স্কোর বোর্ডে ১০ রান উঠতেই ২ উইকেট হারিয়েছে তারা। ৩ রান করে ইমরুল কায়েস ও ৬ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন লিটন দাস।

মঙ্গলবার ম্যাচের তৃতীয় দিনে দুই সেশনে দুটি করে চার উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। সেই স্বস্তি মিলিয়ে যেতে শুরু করে ব্রেন্ডন টেলর ও পিটার মুরের প্রতিরোধে। তৃতীয় সেশনে উইকেটের দেখা পেতে অপেক্ষা দীর্ঘ হয়। পড়ন্ত বিকেলে দ্রুত চার উইকেট তুলে বোলাররা এনে দেন স্বস্তি।
সফরকারীদের প্রত্যাশিত ফলো-অনে ফেলা গেলেও বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়েও ম্যাচ জিতে সিরিজ ড্র করতে চায় বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এই মুহূর্তে সেরা অলরাউন্ডারদের একাদশ!

খেলার খবর: বলা হয়, যে কোন দলের ভারসাম্য রক্ষা করেন এক জন ভাল অলরাউন্ডার। এই মুহূর্তে সেরা অলরাউন্ডারদের নিয়ে একাদশ তৈরি হলে তাতে কারা জায়গা পাবেন।

সাকিব আল হাসান: বর্তমানে চোটের কারণে দলের বাইরে এই টাইগার তারকা। বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটার তিন ফরম্যাটেই সমান ভাবে অপরিহার্য। ১৯২টি একদিনের ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার রান রয়েছে। ঝুলিতে ২৪৪টি একদিনের ম্যাচের উইকেট।

বেন স্টোকস: এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। টি-টোয়েন্টি, একদিনের পাশাপাশি টেস্টেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে দেখা গেছে তাকে। এখন পর্যন্ত ৭৫টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ব্যাটিং গড় ৩৬ এর উপর। উইকেট পেয়েছেন ৫৮টি।

রবীন্দ্র জাদেজা: তিন ফরম্যাটের ক্রিকেট খেললেও সীমিত ওভারের ম্যাচে স্বচ্ছন্দ বেশি। এখন পর্যন্ত ১৪৪টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ভারতীয় এই অলরাউন্ডার মোট রান করেছেন ১৯৮২। গড় ত্রিশের উপর। উইকেট পেয়েছেন ১৬৯।

হার্দিক পাণ্ডে: আন্তর্জাতিক স্তরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অলরাউন্ডারদের নাম বললে হার্দিক পাণ্ডের কথা বলতেই হবে। তবে টেস্টে এখনও তেমনভাবে সফল নন তিনি। খেলেছেন ৪২টি একদিনের ম্যাচ। উইকেট পেয়েছেন চল্লিশটি। ব্যাটিং গড় ত্রিশের কাছাকাছি।

রশিদ খান: বর্তমানে যাদের দিকে নজর সব থেকে বেশি, তাদের মধ্যে রশিদ খান অন্যতম। এই আফগান অলরাউন্ডার নিঃসন্দেহে বড় বিস্ময়। আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়েও রয়েছেন এক নম্বরে। এখনও পর্যন্ত ৫২টি একদিনের ম্যাচে সেরা স্কোর অপরাজিত ৬০। উইকেট পেয়েছেন ১১৮টি।

মিশেল স্যান্টনার: নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার। একদিনের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখন পর্যন্ত ৫৩টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। গড় প্রায় ত্রিশের কাছাকাছি। ৫৯টি উইকেট পেয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

মোহাম্মদ হাফিজ: সীমিত ওভারের ম্যাচে পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। এখন পর্যন্ত খেলেছেন ২০৩টি একদিনের ম্যাচ। সেরা স্কোর ১৪০। ১৩৭টি উইকেট দখলে রয়েছে স্পিনার হাফিজের।

মইন আলি: ইংল্যান্ডের বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান গুরুত্বপূর্ণ সময় দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। সেরা স্কোর ১২৮। দখল করেছেন ৭৮টি উইকেট।

ক্রিস ওকস: উনত্রিশ বছরের ইংল্যান্ডের এই ক্রিকেটার একদিনের ম্যাচে দলের বড় ভরসা। খেলেছেন ৮০টি ম্যাচ। সেরা স্কোর অপরাজিত ৯৫। ডানহাতি পেসারের দখলে রয়েছে ১১৩টি উইকেট।

জেসন হোল্ডার: ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক। সেভাবে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ না খেললেও, ৮৫টি একদিনের ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। সেরা স্কোর অপরাজিত ৯৯। তাঁর ঝুলিয়ে রয়েছে ১১২টি একদিনের ম্যাচের উইকেট। সেরা বোলিং ২৭ রানে পাঁচ উইকেট।

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ: শ্রীলঙ্কার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। ২০৩টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস রয়েছে তাঁর। সেরা স্কোর অপরাজিত ১৩৯। তাঁর দখলে রয়েছে ১১৪টি উইকেট। সেরা ২০ রানে ৬ উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত থাকতে চায় বিএনপি

দেশের খবর: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ ৭ দফা দাবির একটিও পূরণ হয়নি। তারপরও বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ভোটের মাঠে নেমেছে। গত দুই দিন ধরে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে বিএনপি। ফরম ক্রয়ের জন্য নেতাদের সাথে সারাদেশের কর্মী-সমর্থকরাও ঢাকায় এসেছেন। ভোটকে উপলক্ষ করে নয়াপল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকায় ব্যাপক শো-ডাউন এবং উত্সবের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এমন উত্তাল মুখর দৃশ্য বিএনপিতে গত এক যুগে দেখা যায়নি। মামলা হামলা গ্রেফতারে নাস্তানাবুদ বিএনপির নেতা-কর্মীরা গত দুই দিন স্বস্তি বোধ করছেন বলে তারা জানাচ্ছেন। বিএনপি তার দুই শরিক জোটের সাথে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। আর এ কার্যক্রমের শুরুতেই দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে কেনা হয়েছে তিনটি সংসদীয় আসনের মনোনয়ন ফরম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেবল দলীয় আনুগত্য বা শ্রদ্ধার নিদর্শন নয়, এর পেছনে বড় ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা কৌশলও থাকতে পারে বিএনপির। এখন ঐক্যফ্রন্ট বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করে নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার জন্য দাবি করছে। তাদের দাবি নিয়ে আজ নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক করবেন নেতারা।

এদিকে এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রশ্নে দলের একটি পক্ষ চেয়েছিলো কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে দাবি পূরণে বাধ্য করে নির্বাচনে যেতে। অপর পক্ষটি চেয়েছিলো যে কোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিতে। এখন দুই পক্ষই চাচ্ছে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সব দলের জন্য সমতল নির্বাচনী ময়দান। তা না হলে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদল করার কথাও মাথায় রেখেছেন তারা।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, দেশে নির্বাচনের উপযুক্ত কোনো পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। বর্তমানে নির্বাচনের যে পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত, সেটা হচ্ছে না, ধরপাকড় চলছে। তাতে যদি এটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না হয় তাহলে হয়তো আমরা নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করব। সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি না হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত আমরা পুনর্বিবেচনা করব। সেই সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি আন্দোলনের অংশ হিসাবে। এর মাধ্যমে আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবো। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা করতে ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারা সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলাম আমরা। কিন্তু তা করা হয়নি। এতে আমরা অত্যন্ত হতাশ।

তবে বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনের মাঠে থাকতে চান। কোনো প্রকার প্রতিরোধহীন ও চ্যালেঞ্জবিহীনভাবে নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাবে না বিএনপি।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আসন বণ্টন সমন্বয় কমিটির প্রধান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন,আমাদের যে সাতটি দফা আছে, সেগুলো আদায় করার ক্ষেত্রে আমরা অবিচল আছি। যদি সরকার এসব দাবি পূরণ না করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে থাকবো। ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক হবে আমাদের এবারের আন্দোলন। এই নির্বাচনে আমাদের মূল স্লোগান হবে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, ধানের শীষে ভোট চাই। তিনি বলেন, ভোটের মাঠে যে অভূতপূর্ব উত্সাহ উদ্দীপনা দেখা গেছে তাতে প্রমাণ হয়, জনগণ এই নির্বাচনকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। তবে মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার যদি তাদের গ্রেফতার ও দমনপীড়ন আগের মতই অব্যাহত রাখে তাহলে আমরা শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারি। সব কিছু নির্ভর করছে সরকারের আচরণের ওপর।

স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, এখনো প্রতিদিন আমাদের নেতা-কর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দিয়ে গ্রেফতার করছে, আমাদের হাজার হাজার কর্মী জেলে। লাখ লাখ কর্মী মামলার আসামি। আমরা সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা নির্বাচনের মাঠে থাকতে বদ্ধপরিকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন ক‌মিশ‌নের বিল‌ম্বিত নি‌র্দেশনায় ক্ষুব্ধ বিএন‌পি

দেশের খবর: মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় শোডাউন না করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা ও সতর্কতায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিএনপি। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রশ্ন তোলেন,‘চার দিন পরে কেন ইসির এমন নির্দেশনা? আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রির পরে কেন এমন সতর্কতা?’
মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এদিনই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় শোডাউন করা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন উল্লেখ করে এমনটি না করতে সতর্কতা ও নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির এমন সতর্কতায় বিএনপি অবাক হয়নি উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘কারণ নির্বাচন কমিশন পার্টির (আওয়ামী লীগ) কাজের ভূমিকা পালন করছে। প্রশাসনের এত নিয়ন্ত্রণ, গুম-খুনের পরও মনোনয়ন সংগ্রহ করতে মানুষের ভিড় দেখে দিশেহারা হয়ে গেছে সরকার। মনোনয়ন নেওয়ার জন্য দলীয় কার্যালয়ের সামনে সবাই আসবে, এটা স্বাভাবিক।’
প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ দেখানোর জন্য মানুষের মিছিল বিএনপি কার্যালয়ে আসছে বলে মনে করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘এত মানুষ দেখে সরকার বিচলিত।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদুল আলমের মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে বু‌দ্ধিজীবী‌দের চিঠি

অনলাইন ডেস্ক: ওই চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, “শহীদুল আলমকে যেভাবে একটানা হেফাজতে রাখা হয়েছে সেটা একটা অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের পরিচয় – বাংলাদেশী নাগরিকদের কণ্ঠস্বর ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করে রাখার চেষ্টা।” এই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে অভিনেত্রী শাবানা আজমি, অপর্ণা সেন বা নন্দিতা দাশ-রা যেমন আছেন, তেমনই আছেন ভারতের বিখ্যাত ঐতিহাসিক রোমিলা থাপার বা রামচন্দ্র গুহও।
ইংরেজি ভাষায় লেখালেখির জন্য ভারতের সম্ভবত সবচেয়ে বিখ্যাত দুই লেখক, বিক্রম শেঠ ও অমিতাভ ঘোষও সই করেছেন ওই চিঠিতে। বাংলা ভাষার প্রবীণ কবি শঙ্খ ঘোষও আছেন স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে। বাদ যাননি বুকার পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখিকা ও অ্যাক্টিভিস্ট অরুন্ধতী রায়, কিংবা ভারতের নামী সাংবাদিক রাজদীপ সারদেশাই-ও।
লন্ডন থেকে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নৃত্যশিল্পী তথা কোরিওগ্রাফার আকরাম খান এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ শিল্পী আনিস কাপুরও তাদের সমর্থন দিয়েছেন এই দাবিতে।

এছাড়াও করাচি থেকে মোহাম্মদ হানিফ, কলম্বো থেকে নিমালকা ফার্নান্ডো, টরেন্টো থেকে অ্যাক্টিভিস্ট মঞ্জুশ্রী থাপা, লাহোর থেকে সালিমা হাশমি, কাঠমান্ডু থেকে কনকমণি দীক্ষিতের মতো অনেকেই সই করেছেন ওই চিঠিতে।
ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন যে ধরনের উষ্ণতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তাতে দুদেশের বুদ্ধিজীবীরাও সাধারণত অন্য দেশের সরকারের প্রকাশ্য সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকেন।
কিন্তু শহীদুল আলমের ক্ষেত্রে এসে দেখা যাচ্ছে, ভারতের অনেক শীর্ষস্থানীয় লেখক-শিল্পী-অভিনেতা-আইনজীবীরাই বাংলাদেশ সরকারকে তীব্র আক্রমণ করতেও দ্বিধা করছে না। ‘দৃক’ প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ও আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের মুক্তির দাবি ভারতে অবশ্য এই প্রথম উঠছে না। গত আগস্ট মাসের শুরুতে ঢাকায় তার বাড়ি থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মি আলমকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ভারতের নামী ফটোগ্রাফার রঘু রাই সঙ্গে সঙ্গেই তার প্রতিবাদ জানান। মি আলমের মুক্তি চেয়ে ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ সম্মানে ভূষিত রঘু রাই তখনই প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে চিঠি লিখেছিলেন।
শহীদুল আলমকে যাতে নি:শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়, সেই দাবিতে মানব-বন্ধনও করেছিলেন মুম্বাই প্রেস ক্লাবের সদস্যরা।
এদিনের চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা লিখেছেন, “নাগরিক সমাজে অন্যদের বিরূপ সমালোচনাকে স্তব্ধ করতেই যে শহীদুল আলমের মামলাটি ব্যবহার করা হচ্ছে তা আমাদের কাছে স্পষ্ট।”

“শহীদুল আলম অবশ্যই একজন বাংলাদেশের নাগরিক, কিন্তু বাদবাকি দক্ষিণ এশিয়াতে আমরাও কিন্তু তাকে আমাদেরই একজন বলে ভাবতে গর্বিত বোধ করি – কারণ তিনি সত্য, ন্যায় ও সামাজিক সমতার মূল্যবোধ প্রসারে কাজ করেন।”
গত ৫ আগস্ট রাতে ঢাকায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে শহীদুল আলম এখনও জেলেই রয়েছেন। এর মধ্যে একাধিকবার তার জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বি‌শ্বের ১১০টি দেশ ঘু‌রে‌ছেন যে বাংলা‌দে‌শি নারী

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের একশোটিরও বেশি দেশে ভ্রমণ করেছেন বাংলাদেশী এক নারী নাজমুন নাহার। সুইডেন প্রবাসী এই নারী নিজের উদ্যোগে ইতোমধ্যে ১১০টি দেশ সফর করেছেন। এসময় তিনি সাথে করে নিয়ে গেছেন বাংলাদেশের পতাকা।
এসব দেশে ভ্রমণ করার সময় বিভিন্ন জায়গায় তাকে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার স্বপ্ন যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বিশ্বের বাকি দেশগুলোও দেখে ফেলা। সম্ভবত তিনিই বাংলাদেশের প্রথম কোন নারী যিনি বিশ্বের এতোগুলো দেশ সফর করেছেন। ভ্রমণের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠার জন্যে মিজ নাহার তিনটি কারণের কথা উল্লেখ করেন- বই, বাবা ও তার দাদা।

তিনি জানান, শৈশবে বই পড়তে পড়তেই তার ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। ভ্রমণ কাহিনীসহ নানা বই পড়ার সময় তার মনে হতো তিনি যেন সেখানে চলে গেছেন। ওই গল্পের ভেতরে হারিয়ে যেতেন তিনি নিজেও।
“সারা বিশ্বকে দেখার ব্যাপারে বাবা আমাকে উৎসাহিত করতেন। আমার দাদা উনিশ শতকের শুরুর দিকে বিভিন্ন আরব দেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন। এই দু’জন মানুষকে দেখে আমি নিজেও ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হয়েছি।”
নাজমুন নাহার বলেন, বিশ্বের সব দেশ দেখা তার একটি স্বপ্ন এবং এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে তিনি ধীরে ধীরে চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এজন্যে তাকে অনেক কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।
তিনি মনে করেন, যে মানুষ উচ্ছাসপ্রবণ এবং যার ভেতরে স্বপ্ন থাকে তাকে কেউ ওই স্বপ্ন পূরণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে না। “আমি সবসময় পজিটিভ চিন্তা করি। না বলে কোন শব্দ আমার কাছে নেই। আমি বিশ্বাস করি যে চেষ্টা করলে সবকিছুই করা সম্ভব।

তার এই স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ ছিল ভারত। সেখানে বিশ্বের ৮০টি দেশের ছেলেমেয়ের এক সমাবেশে তিনি যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ থেকে। তখন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন।
“ওই ঘটনা আমার ভেতরে একটা শিহরণ তৈরি করে। ওই শিহরণই আমাকে এখনও পর্যন্ত পৃথিবীর ১১০টি দেশে নিয়ে গেছে। এবং এই শিহরণ নিয়েই আমি পৃথিবীর বাকি দেশগুলোতে যাবো,” বলেন তিনি। ১৭ বছর ধরে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। কিন্তু এজন্যে তো সময় এবং অর্থ দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। এসব তিনি কিভাবে ম্যানেজ করেন?
এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথম কয়েকটি দেশ তিনি ভ্রমণ করেছেন বাংলাদেশ গার্লস গাইড এসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে।

তারপর তিনি বৃত্তি নিয়ে চলে যান সুইডেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে পড়তে পড়তে স্বপ্ন দেখতে থাকেন আরো দেশ ভ্রমণের জন্যে। সেসময় তিনি বিশ্ব-ভ্রমণের লক্ষ্যে অর্থ সঞ্চয়ের জন্যে প্রচুর কাজও করতেন।

“আমি জানতাম কষ্ট করে উপার্জন না করলে আমি ভ্রমণ করতে পারবো না। গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে কোন কোন দিন আছে আমি ১৭/১৮ ঘণ্টা ধরেও কাজ করেছি। কারণ আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্যই হচ্ছে পুরো পৃথিবী ভ্রমণ করা। ইউরোপে থাকার কারণেও আমার এই ভ্রমণে কিছুটা সুবিধা হয়েছে।”

একজন নারী এবং বিশেষ করে বাংলাদেশী নারী হিসেবে এই ভ্রমণের সময় তার কোন সমস্যা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মিজ নাহার বলেন, প্রথমত এটা মানসিক সংগ্রাম। এই সংগ্রামে জয়ী হতে পারলে যেকোনো জিনিসই সহজ হয়ে যায়।

মিজ নাহার বলেন, “নিজের ভেতরে আমি সাহস রাখি। এই সাহসের জন্যেই আমার কোন অসুবিধা হয়নি। ছেলেমেয়েদের সাথে আমি ইয়ুথ হস্টেলেও ছিলাম। কিন্তু কখনোই কোন অসুবিধা হয়নি। নিজেকে কীভাবে আরেকজনের সামনে তুলে ধরবো সেটাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
পৃথিবীর যেখানেই যাচ্ছেন নাজমুন নাহার, সাথে করে নিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের পতাকা। লাল সবুজ এই পতাকা দৃষ্টি আকর্ষণ করছে বিভিন্ন দেশের স্থানীয় লোকজনের।

জাম্বিয়ায় সরকারের একজন গভর্নর এজন্যে তাকে ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ বলেও খেতাব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, পতাকা তার কাছে দেশপ্রেমের একটি চিহ্ন, আবেগ, ভালোবাসা। “এই পতাকার মাঝে লুকিয়ে আছে ১৬ কোটি মানুষের ভালবাসা। আছে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারানো বহু শহীদের রক্ত। তাদের কারণে আমরা এই পতাকা পেয়েছি।”

“আমরা তো স্ব স্ব ক্ষেত্রে দেশের জন্যে কিছু করতে পারি। আমি ভ্রমণ করছি, পৃথিবী দেখছি। কিন্তু আমার দেশ আমার সাথে যাচ্ছে এই পতাকার মাধ্যমে। এর মাধ্যমে আমি পৃথিবীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছি শান্তির বার্তা- আমরা একই পরিবারের মানুষ, একই পৃথিবীর মানুষ, ধর্ম বর্ণ, জাতি আমি যে-ই হই না কেন শেষ পর্যন্ত আমরা তো সবাই বসবাস করছি একই আকাশের নিচে।”

কিন্তু বাংলাদেশ সম্পর্কে এই ১১০টি দেশের মানুষেরা তাকে কী বলেছেন? মিজ নাহার বলেন, অনেক দেশের মানুষেরই বাংলাদেশ সম্পর্কে কোন ধারণা নেই।

“আফ্রিকার যেখানেই আমি বাংলাদেশের পতাকা ধরেছি, সেখানেই মানুষ দৌড়ে এসে বলেছে, আমরা বাংলাদেশকে খুব পছন্দ করি। তোমাদের ক্রিকেট আমাদের খুব পছন্দের,” বলেন তিনি।
মিজ নাহার জানান, উরুগুয়েতে একজন নারী তাকে ছুঁয়েও দেখেছেন, কারণ তিনি নাকি এই প্রথম বাংলাদেশের একজন মানুষকে দেখেছেন।
ভ্রমণের সময় তোর অনেক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও তিনি জানান। কোন কোন জায়গায় তিনি ফিরে এসেছেন মৃত্যুর মুখ থেকে।
তিনি জানান, উগান্ডা থেকে রোয়ান্ডায় যাওয়ার পথে তার ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা হয়েছিল।

তিনি রওনা দিয়েছিলেন বিকালের বাসে। পথে যখন মধ্যরাত তখন হঠাৎ করে প্রচণ্ড জোরে বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। রাস্তার দু’পাশে বড় বড় জঙ্গল। সেখানে একটা গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে বাসটা পড়ে যায়। খুব কাছেই তখন বন্যপ্রাণীর ডাক শোনা যাচ্ছিল।

“বাসে আমি ছাড়া আর কোন পর্যটক ছিল না। ওখানে স্থানীয় যেসব ছেলেমেয়ে ছিল তারা আমাকে সাহস দেয়। কিন্তু এমন এক অবস্থা তৈরি হয়েছিল, মনে হয়েছিল যে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এসেছি।”
আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল পেরুর রেইনবো মাউন্টেনে। এই পাহাড়ের উচ্চতা ১৪,২০০ ফুট। তিনি জানান, মধ্যরাতে তারা এই পাহাড়ে উঠতে শুরু করেছিলেন। উচ্চতার কারণে একসময় তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং তিনি মাটিতে বসে পড়েন।

তখন গাইড তাকে রেখে চলে যেতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি যদি মরেও যাই, তারপরেও আমি পাহাড়ের ওপরে যেতে চাই। কারণ আর তো বেশি দূরে নয়। বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে আমি ওখানে পৌঁছাতে চাই। আমি মরে গেলে তোমরা আমাকে এখানে কবর দিয়ে দিও।”
পরে তাকে তরল ইনহেলার এনে দিলে তিনি তা নাকে ধরেন এবং শক্তি ফিরে পান। তখন আবার হাঁটতে শুরু করেন তিনি।

“এভাবে তিনবার সমস্যা হয়েছিল আমার। কিন্তু তারপরেও বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে আমি শেষ পর্যন্ত শিখরে পৌঁছাতে পেরেছিলাম,” বলেন তিনি। নাজমুন নাহারের স্বপ্ন হচ্ছে- এখনও যেসব দেশে যাওয়া বাকি সেগুলোতে পা ফেলা।

জাতিসংঘের স্বীকৃত দেশ আছে ১৯৩টি। তার মধ্যে ১১০টি দেশে তিনি সফর করে ফেলেছেন। এখনও যেসব দেশ বাকি রয়েছে, সেগুলোও দেখে ফেলতে চান যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক মাছেই লাখপতি পাঁচ জেলে

অনলাইন ডেস্ক: মঙ্গলবার ভোরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুল গনির নেতৃত্বে পাঁচ জেলে বঙ্গোপসাগরের মাছ শিকারে যান। সাগরে জাল ফেলার অনেক পরে জেলেরা জাল টানা শুরু করেন। জালে আটকা পড়ে বিশালাকার একটি মাছ। কূলে তুলে দেখা যায় পোয়া মাছ এটি।
ওজন দিয়ে দেখা যায় মাছটির ওজন ৩৪ কেজি। জেটিঘাটে আনলে মাছটি দেখতে ভিড় জমে উৎসুক মানুষের। এটি বিক্রি হয় ১০ লাখ টাকায়। এক মাছেই ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ায় আনন্দে আত্মহারা জেলেরা।
কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে জেলেদের জালে ৩৪ কেজি ওজনের বিশালাকার এ পোয়া মাছটি ধরা পড়েছে।
দ্বীপের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হাবিব জানান, মাছটি ফজল করিম নামে এক স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী আট লাখ টাকায় প্রথমে কিনে নেন। পরে তিনি চট্টগ্রামের এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে তা ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। একটি মাছেই ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়া জেলেদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন সবাই।
টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, পোয়া মাছের পেটের ভেতর ‘পদনা’ নামে বিশেষ একটি অংশ থাকে। স্থানীয় ভাষায় এটাকে ‘ফুলা’ বলে, যা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই ‘পদনা’ শুকিয়ে ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে বিদেশে রফতানি করা হয়। বড় মাছটি অনেক বয়সী হতে পারে। এর পদনাটির কার্যক্ষমতাও বাড়ন্ত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সিএনএনের মামলা

বিদেশের খবর: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার শীর্ষ কয়েক সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন। সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের সঙ্গে বিতর্কে জড়ানোর পর সিএনএনের প্রধান প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টার হোয়াইট হাউসে প্রবেশে মার্কিন প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এই মামলা দায়ের করা হলো।
হোয়াইট হাউসে অ্যাকোস্টার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল; এই অভিযোগ এনে তার প্রেস ক্রেডেনশিয়াল ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে মঙ্গলবার দেশটির একটি আদালতে মামলা দায়ের করেছে সিএনএন।
গত বুধবার অ্যাকোস্টার হোয়াইট হাউসে প্রবেশের প্রেস পাস বাতিল করে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির গোয়েন্দা বাহিনী সেক্রেট সার্ভিসের দেয়া এই পাস ‘হার্ড পাস’ নামে পরিচিত। মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটন ডিসির ডিস্ট্রিক্ট আদালতে সিএনএন মামলাটি দায়ের করেছে।
ওয়াশিংটনের আদালতে দায়েরকৃত এই মামলায় বাদি হয়েছে সিএনএন এবং অ্যাকোস্টা। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চিফ অব স্টাফ জন কেলি, প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স, হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক উপপ্রধান বিল শাইন, সেক্রেট সার্ভিসের পরিচালক জোসেফ ক্ল্যান্সি ও সেক্রেট সার্ভিসের অপর কর্মকর্তা জন ডোকে।
গত বুধবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন অ্যাকোস্টা। বিতর্কে জড়িয়ে পড়াকে রীতিবিরোধী আখ্যা দিয়ে সিএনএনের এই প্রতিবেদকের হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest