সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

নির্বাচ‌নে জিত‌তে আ. লী‌গের সাম‌নে অসংখ্য চ্যা‌লেঞ্জ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগকে। দলীয় কোন্দল নিরসন, সঠিক প্রার্থী বাছাই, জনগণের আস্থা অর্জন, নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি প্রভাবশালী বিদেশি শক্তিগুলোকে সরকারের পাশে রাখা আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিপক্ষের অপপ্রচার মোকাবেলা করে জনসমর্থন অনুকূলে রাখাও চ্যালেঞ্জ হিসেবে আছে ক্ষমতাসীন দলের সামনে। দলটির বিভিন্ন পৎসয়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির অনুপস্থিতিতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সহজেই জয় পেয়েছিল ক্ষমতাসীনরা। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মিত্র জাতীয় পার্টি মহাজোটে থাকার জন্য দাবি করেছে ১০০ আসন। দুই মেয়াদে সঠিক মূল্যায়ন হয়নি জানিয়ে ১৪ দলের শরিকদেরও রয়েছে বেশ কিছু দাবি। টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন দৃশ্যমান হয়েছে, তেমনি টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় যাওয়ার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের জন্য সৃষ্টি হয়েছে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা। নির্বাচনে জয়ী হতে হলে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা করতে হবে এসব প্রতিবন্ধকতা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘প্রথমত, দলীয় প্রার্থী বাছাই, দলের নেতাকর্মীদের মনের মধ্যে যে দুঃখ আছে তা দূর করে তাদের এক করা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতচক্র আমাদের বিরুদ্ধে সক্রিয় আছে, তাদের মোকাবেলা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পক্ষে রাখা দরকার।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, ‘তারা (আওয়ামী লীগ) প্রস্তুত। তৃণমূল পর্যন্ত তাদের সংগঠন আছে। তবে এবার দলে অনেক বেশিসংখ্যক নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী। এটা একটা সমস্যার কারণ হতে পারে।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো একক প্রার্থী বাছাই করা। চার হাজারের বেশি প্রার্থীর মধ্য থেকে আড়াই শর মতো প্রার্থী বাছাই করা খুব কঠিন কাজ।’
এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার তেমন বেগ পেতে হবে না। সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলে এসব গোষ্ঠীর তেমন কোনো চাপ থাকে না।’

দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকায় বিএনপি মাঠছাড়া। সাধারণত কোথাও এখন আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের খবর পাওয়া যায় না। বরং ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রভাব বিস্তার, এলাকার নিয়ন্ত্রণসহ দলীয় মনোনয়ন ঘিরে আওয়ামী লীগের সব স্তরে বিরাজ করছে তীব্র কোন্দল। সর্বত্রই আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ এখন আওয়ামী লীগ। এই কোন্দল নিরসন করে নির্বাচনের আগে দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন একটি কাজ।

কোন্দল নিরসন করে প্রতি আসনে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন দিতে না পারলে আওয়ামী লীগকে জয়ের জন্য কঠিন বেগ পেতে হবে। ৩০০ আসনের জন্য এবার আওয়ামী লীগের চার হাজারের বেশি নেতা দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। যাঁরা মনোনয়ন পাবেন না সেই নেতাদেরও অনেক অনুসারী আছে দলে। সেই বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ রেখে নৌকার পক্ষে মাঠে নামাতে হবে।
ক্ষমতার দুই মেয়াদে দলের অনেক নেতাকর্মী উপেক্ষিত ও বঞ্চিত হয়েছে বলে দলের বিভিন্ন ফোরামে অভিযোগ করে আসছে। আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিরসন করতে কেন্দ্রীয়ভাবে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল আগামী নির্বাচনের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে রাজশাহীতে আমরা কোন্দল নিরসন করে নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারব আশা করছি।’

শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা ক্ষমতাসীনদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর বাইরে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাও আরেকটি চ্যালেঞ্জ।
বিএনপিকে ছাড়া দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার পর অধিকাংশ বিদেশি কূটনীতিক ওই নির্বাচন সম্পর্কে তাঁদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচন নিয়েও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন কোনো কোনো বিদেশি কূটনীতিক। এ অবস্থায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চান কূটনীতিকরা।

মতিঝিল থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার পর এবং নিরাপদ সড়ক দাবির আন্দোলন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক অপপ্রচার হয়েছিল। নির্বাচনের আগে আগে আবারও ওই ধরনের অপপ্রচার হওয়ার আশঙ্কা আছে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের সবচেয়ে বড় দল বিএনপি নির্বাচনের আগে আন্দোলন বেগবান করে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবে। আওয়ামী লীগের জন্য এটাও বড় চ্যালেঞ্জ।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে কিছু উদ্যোগও নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। গত ২১ অক্টোবর জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে চিঠি দিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। চিঠিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে সুনির্দিষ্টভাবে চার দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনার মধ্যে আছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করাসহ বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড প্রচার করা এবং প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়নে গণসংযোগ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হবে, এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী কর্মসূচিতে সবাইকে অংশগ্রহণ করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। এ ছাড়া সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ২০১৪ সালের মতো আবারও যাতে নির্বাচনকালে জ্বালাও-পোড়াও, হত্যা, সন্ত্রাস, নাশকতা চালাতে না পারে সে জন্য সতর্ক থাকতে এবং ধ্বংসাত্মক তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সু চি’র কড়া সমালোচনায় মাহাথির

বিদেশের খবর: গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কিছু তল্লাশি চৌকিতে হামলার অজুহাতে রোহিঙ্গা নিধন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধরা। বিশ্বজুড়ে এটিকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ বলা হলেও বিষয়টি নিয়ে একেবারেই চুপ ছিলেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর ও শান্তিতে নোবেল জয়ী নেত্রী সু চি।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সেনাবাহিনীর চালানো নৃশংসতাকে সমর্থন করায় সারা বিশ্বের নেতারা তার সমালোচনা করেন। ঘটনার জেরে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা তাদের সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই যে সমালোচনার ঝড় উঠেছিলো সেটি এখন চলছে। এবার তার কড়া সমালোচনা করলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।
মাহাথিরের দাবি, মিয়ানমারের শান্তিতে নোবেল জয়ী নেত্রী সু চি সেনাবাহিনীর এই নিষ্ঠুরতার ব্যাপারে বরাবরই আত্মপক্ষ সমর্থন করে এসেছেন।
সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার এবং সু চি‘র ভূমিকা’ শিরোনামে এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

মাহাথির বলেন, তারা আসলে এই মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তাদের হত্যা করছে এমনকি গণহত্যা চালাচ্ছে’। সু চি বরাবরই এ বিষয়ে প্রতিবাদ না করে বরং অনৈতিকতাকেই সমর্থন দিয়ে আসছেন।
এ বছরের আগস্টে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা রাখাইন রাজ্যের লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করে। যদিও মিয়ানমার সেনাবাহিনী সরকার এবং সেনাবাহিনী বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
সু চি এর আগে বলে এসেছেন যে তার বেসামরিক সরকার এই সংকটের দায় নেবে না। কারণ সাংবিধানিকভাবেই সেনাবাহিনীকে অনেক ক্ষমতা দেয়া আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসির সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসছে ঐক্যফ্রন্ট

দেশের খবর: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বুধবার ( ১৪ নভেম্বর) বিকের সাড়ে ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম গতকাল রাতে গণমাধ্যমকে এমনটিই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বুধবার (১৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার সময় আমরা তাদের (ঐক্যফ্রন্ট) সঙ্গে বসবো।’
ইসির উপসচিব মো. আব্দুল হালিম খান বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদাসহ বাকি চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।’
তিনি বলেন, ‘বৈঠকের ব্যাপারে সিইসি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন।’
এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করতে মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর চিঠি দেয় ঐক্যফ্রন্ট।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, বুধবার দুপুর ১২টায় আলোচনায় বসতে চায় ঐক্যফ্রন্ট। আলোচনায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেবেন ড. কামাল হোসেন। চিঠিতে ড. কামালসহ ১৪ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নামও দেয়া হয়।

গত ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করে ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের ঘোষণা দেন সিইসি কে এম নুরুল হুদা। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর দাবির মুখে সোমবার (১২ নভেম্বর) ঘোষিত পুনঃতফসিলে ৭ দিন পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ঠিক করে হুদা কমিশন।
পুনঃতফসিলে ভোটের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর রাখাকে হতাশাজনক উল্লেখ করে সরকারবিরোধী জোট ঐক্যফ্রন্ট তাদের দাবিতে অনড় থাকে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তত একমাস পেছানোর দাবি জানিয়েছিলো তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের সময় পুলিশের মাথায় থাকবে বুলেটপ্রুফ হেলমেট

অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সরকার। এ জন্য দায়িত্ব পালনের সময় তাদেরকে বুলেটপ্রুফ হেলমেট, লেগ গার্ড ও রাইট গিয়ারের মতো সামগ্রী ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার জন্য এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদেরকে নিরাপত্তা সামগ্রীগুলোর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে নির্দেশ দিয়েছেন।
সরকারের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা হতে পারে। এ জন্য দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সদর দফতরে মাসিক অপরাধ সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেয়া হয় বলে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেন।
সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের সময় বুলেটপ্রুফ হেলমেট, লেগ গার্ড ও রাইট গিয়ার সামগ্রী বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করতে হবে। শুধু তাই নয়, দায়িত্ব পালনের সময় মোবাইলফোন ব্যবহার না করারও কঠোর নির্দেশনা দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেছেন: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের ছাড় দেবে না পুলিশ।

মঙ্গলবার ডিএমপির একাধিক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গতকাল (সোমবার) মাসিক অপরাধ সভায় পুলিশের নিরাপত্তার বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
সভা শুরুর প্রথম ২০ মিনিট তিনি পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়েই বক্তব্য দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি নানা দিক নির্দেশনা দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা হুমকির প্রসঙ্গ টেনে কমিশনার বলেছেন, সবকিছু মাথায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবে নির্বাচনী আচারণবিধি যেই লঙ্ঘন করুক না কেন, তিনি যে দলেরই হোক না কেন তাকে ছাড় দেয়া যাবে না, দেবেন না।
অবাধ সুষ্ঠু ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনেই সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিশনার। বৈঠকে অংশ নেয়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়: থানা এলাকায় যখন যা ঘটবে তাৎক্ষণিকভাবে সিনিয়র কর্মকর্তাদের জানানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
কোনো তথ্য আড়াল করা যাবে না। সুঁই পরিমাণ কোনো ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ.লীগের কাছে দুটি আসন চায় জাকের পার্টি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জোট নেতৃত্বাধীন দল আওয়ামী লীগের কাছে দুটি আসন চেয়েছে জাকের পার্টি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বৈঠকে এ দাবি জানায় দলটি। বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের কাছে রাজবাড়ী-১ ও ফরিদপুর-২ আসন চেয়েছে জাকের পার্টি। পার্টির চেয়ারম্যান খাজা মোস্তফা আমীর ফয়সল মুজাদ্দেদী একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে বৈঠকে অংশ নেন এবং এই দাবি জানান।
বৈঠকে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।

ফরিদপুর-২ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য রয়েছেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, রাজবাড়ী-১ আসনে সংসদ সদস্য রয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নবম সংসদে ৩৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল জাকের পার্টি। ওই নির্বাচনে এক লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৩ ভোট পেয়েছিল দলটি। অষ্টম সংসদে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল জাকের পার্টি। ওই নির্বাচনে এক হাজার ১৮১ ভোট পেয়েছিল দলটি। সপ্তম সংসদে ২৪১ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে এক লাখ ৬৭ হাজার ৫৯৭ ভোট পেয়েছিল দলটি। ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৫১টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়েছিল জাকের পার্টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তরুণদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ‘লেটস টক’ স্থগিত

দেশের খবর: স্থগিত করা হয়েছে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত ‘লেটস টক উইথ ইয়ুথ’ অনুষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সূচি অনুযায়ী ১৬ নভেম্বর এটি হওয়ার কথা ছিল।
প্রথমবারের মতো তরুণদের সঙ্গে দেশ ভাবনা নিয়ে সরাসরি কথা বলার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এর আয়োজন করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার লেটস টক আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আয়োজন করা হয়েছি ‘লেটস টক’। তরুণদের জন্য এটি ভিন্নমাত্রার এক আয়োজন।

মূলত সম্প্রতি দেশের ২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৮৬ শিক্ষার্থীর ওপর চালানো ‘কল রেডি’ নামের একটি সংগঠনের এক জরিপে উঠে আসে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সন্তুষ্ট দেশের ৬৮.৩ শতাংশ শিক্ষিত তরুণ ভোটার। তাদের ৫১.৩ শতাংশ চায় বর্তমান সরকার আবার ক্ষমতায় আসুক। এছাড়া ৫৩.৫ শতাংশ তরুণ মনে করে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ৪টি আসনে বিএনপির মনোয়ন ফরম কিনেছেন ১৬ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরার ৪টি আসনে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বিএনপির দলীয় মনোয়ন ফরম কিনেছেন ১৬ জন প্রার্থী। তবে মনোয়ন ক্রেতা আরো বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
এদের মধ্যে সাতক্ষীরা -১ আসনে সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব, তার স্ত্রী বকুল, কলারোয়া পৌর মেয়র আক্তারুল ইসলাম ও এড. ওছেল উদ্দীন। সদর-২ আসনে রহমাতুল্লাহ পলাশ, চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, আফসার আলী, আব্দুস সামাদ, তাজকিন আহমেদ চিশতী,সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ ও মাছুম বিল্লাহ শাহীন। সাতক্ষীরা-৩ আসনে ডাঃ শহিদুল আলম, চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। ৪ আসনে কাজি আলাউদ্দীন, অহেদ মাস্টার ও ইফতেখার হোসেন।
জেলা বিএনপির একজন উর্দ্ধতন নেতা জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন। যেহেতু এখনো সময় আছে সেকারণে প্রার্থী আরো বাড়তে পারে। আগামী শুক্রবার আমরা মোট কতজন ক্রয় করেছেন তার নিশ্চিত করতে পারবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীকে ‘কটূক্তি’, রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর

অনলাইন ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে অবস্থিত ছাত্রলীগের দলীয় টেন্টে ওই শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয় বলে জানা যায়।
তবে ছাত্রলীগের দাবি তাকে কোনো ধরনের মারধর করা হয়নি। ওই শিক্ষার্থী ছাত্রদল করে এবং সম্প্রতি সে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিয়েছে বলে তাকে সতর্ক করা হয়েছে।
মারধরের শিকার শিক্ষার্থীর নাম নাফিউল ইসলাম জীবন। সে আরবী বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অপরদিকে অভিযুক্ত মারধরকারীরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিশু।
নাফিউল ইসলাম জানায়, মঙ্গলবার সকালে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ আমাকে ফোন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে আসতে বলেন। কিন্তু আমার পরীক্ষা থাকায় দেখা করতে পারিনি। পরীক্ষা শেষ হলে ইমতিয়াজ আমাকে আবার ফোন দিয়ে ছাত্রলীগের টেন্টে আসতে বলে। সেখানে যাওয়ার পর তারা আমার ফেসবুক চেক করে এবং আমাকে মারধর করে।

নাফিউল আরও জানায়, ইমতিয়াজ আমার বিভাগের বড় ভাই। তবে আমি যখন কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। তখন সে আমাকে ক্লাস বন্ধ না রাখার কথা বলেছিলো। কিন্তু আমি ক্লাস বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নিয়ে গিয়েছিলাম। এই ক্ষোভে তারা আমাকে মারধর করেছে বলে জানায় তিনি।
তবে মারধরের কথা অস্বীকার করে গোলাম কিবরিয়া, ইমতিয়াজ আহমেদ ও মেহেদী হাসান।

তারা বলেন, নাফিউল প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা ধরণের কটূক্তি করেছে তার প্রমাণ আমরা ফেসবুকে পেয়েছি। এছাড়াও সে ছাত্রদলের সাথে জড়িত। তাই তাকে ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। কোনো ধরনের মারধর করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest