সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

ছেলের নাম হিটলার রাখায় কারাগারে বাবা-মা

অনলাইন ডেস্ক: ২২ বছরের অ্যাডম টমাস আর ৩৮ বছরের ক্লডিয়া পাটাটাস তাদের ছেলের নাম রেখেছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। এই অপরাধে কারাগারে যেতে হলে এই দম্পাতিকে। এদিকে অ্যাডম টমাসকে গোঁড়া নাৎসি বলে অভিহিত করেছেন আদালত। এদিকে এই দম্পতি ২০১৬ সালে নিষিদ্ধ সংগঠন ন্যাশনাল অ্যাকশনের সদস্য হিসেবে যোগ দেন।

অ্যাডম টমাস ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের রাজকীয় আদালতকে জানান, তিনি জার্মানির নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারকে শ্রদ্ধা করেন। তাই ছেলের নাম অ্যাডলফ রেখেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের টমাস এবং পাটাটাসের পরিচয় হয়। দু’বছর আগে একসঙ্গে বসবাস করতে শুরু করেন তারা। একটি ছবিতে অ্যাডামের হাতে নাৎসি পতাকা এবং পাশে ক্লডিয়ার কোলে তাদের সদ্যজাত সন্তানকে দেখা গেছে। তাদের নিষিদ্ধ সংগঠনের হয়ে কাজ করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে আদালত

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রাজিল শিবিরে ইনজুরির হানা, দুশ্চিন্তায় কোচ!

খেলার খবর: ব্রাজিল শিবিরে হানা দিয়েছে ইনজুরি। আগামী ১৬ ও ২০ নভেম্বর মাঠে নামবে সেলেকাওরা। উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার পরে ক্যামেরুনের মুখোমুখি হবে তারা। কিন্তু ইনজুরির কারণে ওই ম্যাচ দুটি খেলতে পারবেন না কুতিনহো-মার্সেলো এবং কাসেমিরোরা।

দারুণ ফর্মে থাকা মার্সেলো ইনজুরির কারণে রিয়াল মাদ্রিদ দল থেকে ছিটকে গেছেন। এরপর বার্সার দল থেকে ছিটকে গেছেন কুতিনহো। ক্লাবের হয়ে আন্তর্জাতিক বিরতিতে যাওয়ার আগে শেষ ম্যাচে সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন কাসেমিরো। আর সে কারণে শেষ সময়ে এসে তাদের বদলি খেলোয়াড় ডাকতে হলো ব্রাজিল কোচ তিতের।

রবিবারের ম্যাচের শুরুর দিকে ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন কাসেমিরো। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ম্যাচ খেলতে পারবেন না তিনি। তার জায়গায় দলে নেওয়া হয়েছে বার্সার ফরোয়ার্ড রাফিনহাকে। এছাড়া ব্রাজিল দলে ডাক পেয়েছেন জুভেন্টাসের লেফট ব্যাক অ্যালেক্স সান্দ্রো। তিনি মার্সেলোর জায়গায় ডাক পেয়েছেন। অন্যদিকে, কুতিনহোর ইনজুরির যে অবস্থা তিনি নভেম্বরে হয়তো আর মাঠে নামতে পারবেন না। তার জায়গায় ব্রাজিল কোচ তিতে চীনের গুয়াংজুতে খেলা রেনাতো আগুস্তোকে দলে ডেকেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলঙ্কায় পার্লামেন্ট ভাঙার সিদ্ধান্ত সুপ্রিমকোর্টে স্থগিত

বিদেশের খবর: শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে যে আগাম নির্বাচনের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, তা স্থগিত করেছে দেশটির সুপ্রিমকোর্ট।

মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত আগামী ৫ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রস্তুতি বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে।

এর ফলে পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার মনোনীত প্রধানমন্ত্রীর সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে কিনা তা যাচাই করার পথ খুললো। সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী রনিলবিক্রমসিংহ এগিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হয়। খবর এনডিটিভির।

প্রধান বিচারপতি নালিন পেরেরার নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার জারি করা আদেশ স্থগিত করেছে। সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী রনিলবিক্রমসিংহের দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি), প্রধান বিরোধী দল তামিল ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স (টিএনএ) এবং বামপন্থি দল পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (পিএলএফ) একত্রে সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানায়। আবেদনটি গ্রহণ করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিমকোর্ট আদেশ স্থগিত করায় পার্লামেন্ট চলতে আর কোনো বাধা থাকলো না।

ফলে রনিলবিক্রমসিংহ আবারো প্রধানমন্ত্রীত্ব ফিরে পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২২৫ সদস্যের পার্লামেন্টে রনিলবিক্রমসিংহের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। গত ২৬ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা রনিলবিক্রমসিংহকে বরখাস্ত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসেকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন না এই আশঙ্কায় প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্ট ভেঙে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দাঁত ঝকঝকে হবে কলার খোসায়!

অনলাইন ডেস্ক: প্রাচীনকালেতো নামীদামী কোম্পানির ব্রাশ কিংবা মাজন ছিলো না। তাহলে কি প্রাচীনকালের মানুষেরা দাঁত মাজতেন না ? এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। নানান ঘরোয়া পদ্ধতিতে তারা দাঁত পরিষ্কার করতেন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রাচীনকালে দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে গুহা মানবরা কলার খোসা ব্যবহার করতেন। তাই তারা পরামর্শ দিয়েছেন কলার খোসা দিয়ে দাঁত সাদা করার। কারণ কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই বিজ্ঞান সম্মতভাবে দাঁত সাদা করতে সক্ষম। তাই দাঁতের দাগ নিয়ে আর দুঃচিন্তা নয়। ঘরে বসেই নিজের দাঁতগুলোকে রাখুন ঝকঝকে।

কী আছে কলার খোসায়?
কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ উপাদান। আর ওই উপাদানই দাঁতকে সাদা করে তুলার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি দাঁতকে করে আরও মজবুত।

ব্যবহার বিধি :
১. প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিকভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরি। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যেটি একটু একটু সবুজ কারণ এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চমাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।
২. কলা উল্টো করে ছিলে নিন। কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিললে এই আঁশগুলো থাকবে খোসার সাথেই।
৩. খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। সুবিধা মতো আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
৪. সকালে দাঁত ব্রাশ করার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে দাঁত খুব ভালো করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট।
৫. দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।

গবেষকরা বলছেন, চার থেকে পাঁচ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে।

সতর্কতা: এটা কোনো ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।

১. অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে যা জরুরি।
২. ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজগুলো দাঁতে শোষিত হবার।
৩. কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালোভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
৪. যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আট বছরের শিশুদের হাতে ‘একে-৪৭’!

বিদেশের খবর: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্পর্কের তিক্ততা বেশ পুরনো। সেই তিক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে ইউক্রেনের শিশুদের মাঝেও। ৮ বছরের শিশুদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে ভারি অস্ত্র। প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে যুদ্ধের।
সম্প্রতি ইউক্রেনের ন্যাশনালিস্ট ক্যাম্পের বেশকিছু ছবি প্রকাশ হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের খবরে ওই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। শিশুদের হাতে অস্ত্র দিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে ওইসব ছবিতে।
ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছে, ন্যাশনালিস্ট ক্যাম্পে শিশুদের (ছেলেমেয়ে) শক্তিশালী ‘একে-৪৭’ তুলে দেয়া হচ্ছে। এই রাইফেল চালানোর জন্য তাদের সামরিক কায়দায় প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে তাদের এ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণের মাঝে অনেক সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এর মধ্যেমে শিশুদের ভীতি দূর করা ও যথসময়ে প্রশিক্ষণে উপস্থিত হবার অভ্যাস করানো হয়।
ইউক্রেনে ন্যাশনালিস্ট সাভাবোদা পার্টি নামের একটি সংগঠন শিশুদের এ ট্রেনিং দিচ্ছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। ন্যাশনালিস্ট পার্টি একসময় ক্যাম্প টার্নোপিল নামের একটি জায়গাতে এ প্রশিক্ষণ দিত। বর্তমানে ওইসব ক্যাম্পকে টেম্পর অব বিল নাম দেয়া হয়েছে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে এসব ক্যাম্পাস স্থাপন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন অনিশ্চয়তায় বর্তমান ও সাবেক পাঁচ মন্ত্রী

দেশের খবর: দলীয় মনোনয়ন অনিশ্চয়তায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট সাবেক ও বর্তমান ৫ মন্ত্রী। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের আগ্রহের আসনে প্রার্থীতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন সমর্থক ও কর্মীরা। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত বিবরণ ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে এসব তথ্যানুযায়ী এমন হেভিওয়েট প্রার্থীদের আগ্রহের আসনে মনোনয়ন কে পাবেন? সেটি এখনও বলা যাচ্ছেনা।

ঢাকা-১৮: রাজধানীর উত্তরা, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর, তুরাগ, উত্তরখান, দক্ষিণ খান ও ডুমনি এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১ ও ১৭ নং ওয়ার্ড, যা ঢাকা ১৮ আসন। এ আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে থেকে এবারও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। কিন্তু এ আসন থেকে এবার অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে নৌকার হাল ধরতে দেয়া হবে কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন সাবেক সচিব ও এনবিআরের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। এ নিয়ে স্থানীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে রয়েছে দ্বন্দ্ব। কেননা আসনের প্রার্থী হিসেবে বরাবরের মতো এবারও মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। অভিযোগ রয়েছে, এলাকায় গনসংযোগের সময় নিজ দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ): এ আসনে নৌকার মাঝি হতে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বেশ কয়েকজন। বর্তমানে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তাই তার সমর্থকেরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
কেননা একই আসন থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল ও তরুণ শিল্পপতি আওয়ামী লীগ নেতা এম ইসফাক আহসান, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা আমিরুল ইসলাম খোকা, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জাকিয়া সুলতানা শেফালি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ.কুদ্দুছ।

অপরদিকে এ আসনটি ধরে রাখতে ইতোমধ্যে মায়া চৌধুরীর ছেলে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপুও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। দীপু চৌধুরী বিগত দিনে পিতার সাথেই এলাকার বিভিন্ন সভা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): আসনটি নিয়ে এখনও ধোয়াশার মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির আগ্রহের এই আসন থেকে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।
এছাড়াও এ আসন থেকে আরো মনোনয়নপত্র ক্রয় ও জমা দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ হাসান খান, মৎস্যজীবী লীগ নেতা আলহাজ্ব রেদওয়ান খান বোরহান, আওয়ামী লীগের আরেক নেতা জাকির হোসেন মারুফ।

চাঁদপুর-৫: এ আসনে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম)। তার আসন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার সফিকুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) সালাউদ্দিন।
আরো মনোনয়নপত্র ক্রয় করার সম্ভাবনা রয়েছে প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, অধ্যাপক ফজলুর রহমানসহ কয়েকজনের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ দীপিকা-রণবীরের বিয়ে…

বিনোদনের খবর: অবশেষে জল্পনাকল্পনার শেষ হতে যাচ্ছে আজই। বিয়ের অতিথিরা সবাই এর মধ্যে পৌঁছে গেছে ইতালির লেক কোমোতো এলাকার ‘ভিলা দেল বালবিয়েনেল্লো’ রিসোর্টে। গতকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে দীপিকা-রণবীরের বিয়ের অনুষ্ঠান। রণবীরের হেয়ারস্টাইলিস্ট নিতাশা গৌরব বিষয়টির সত্যতা প্রকাশ করে একটি টুইটও করেছিলেন। তাতে কোনো ছবি সংযুক্ত ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, বিবাহ পূর্ববর্তী কোনো অনুষ্ঠান হয়েছিল সেটি। অনুষ্ঠানস্থলে তিন স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এক সপ্তাহের জন্য এই রিসোর্টে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, অতিথিদের কাছ থেকে কোনো উপহার চান না এই তারকা জুটি। তবে চাইলে অতিথিরা দীপিকার দাতব্য সংস্থা দ্য লাইভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশনে অর্থ সাহায্য দিতে পারে। আর সেটা চেক দিয়ে দিলে ভালো হয়।

ভারতীয় বিয়েতে গানবাজনা থাকবেই। এরই মধ্যে ভারত থেকে উড়ে এসেছেন গায়িকা হর্ষদীপ কৌর। তিনি আবার দীপিকা অভিনীত ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবিতে ‘কাবিরা’ গানটি গেয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে বাজাবেন সঞ্জয় দাস, ববি পাঠক ও ফিরোজ খান।

জানা গেছে, দীপিকা-রণবীরের বিয়ের বিশেষ মুহূর্তগুলোর ছবি ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে যারা কিনা গত বছর আনুশকা শর্মা আর বিরাট কোহলির বিয়ের ছবিও তুলেছিল।

যত দূর জানা গেছে, বিয়ের দিন দীপিকা পরতে পারেন সাদা-সোনালি রঙের শাড়ি (দক্ষিণ ভারতীয় রীতিতে বিয়ের সময়) এবং লাল লেহেঙ্গা-চোলি (সিন্ধি রীতিতে বিয়ের সময়)। অন্যদিকে রণবীরকে দেখা যেতে পারে শেরওয়ানিতে।

এবার নজর ফেরানো যাক বিয়ের মেন্যুর দিকে। বর-কনে ভারতের ভিন দুই রাজ্যের হওয়ায় খাবারের তালিকায় সনাতনি দক্ষিণ-ভারতীয় খাবারের সঙ্গে থাকবে পাঞ্জাবি সনাতনি খাবারদাবারও। থাকছে বিশাল একটা ওয়েডিং কেক। এই কেক কাটবেন নবদম্পতি। সুইজারল্যান্ডের কোনো এক বিখ্যাত শেফ এই কেক বানাবেন বলে জানা গেছে। বিয়ের ডেজার্টও হবে স্পেশাল। আর সেগুলোও হবে সুইজারল্যান্ডের বিশেষ সব ডেজার্ট।

এত দিন বলা হচ্ছিল, দীপিকা-রণবীরের বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান হবে দুটি। কিন্তু সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নিমন্ত্রণপত্র ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২৮ নভেম্বর মুম্বাইয়ে এই জুটির রিসেপশন হবে। আর সেটা হবে দ্য গ্র্যান্ড হায়াতে। এই বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানে খাবারের মেন্যুতে থাকবে স্পেশাল বাটার চিকেন ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের রান্না, মোগলাই, চায়নিজ, কন্টিনেন্টালসহ আরো অসংখ্য পদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে শোডাউন বন্ধের নির্দেশ ইসির

দেশের খবর: দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে মিছিল, শোডাউন যে নির্বাচনী আচরণবিধি পরিপন্থী, অবশেষে তা স্বীকার করল ইসি। একই সঙ্গে এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশও জারি করা হয়েছে।
দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে গত সোমবার মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে বিএনপি। দ্বিতীয় দিন গতকাল মঙ্গলবারও সকাল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাৎসলয় ঘিরে হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। দিনভর অপেক্ষায় থেকে তাঁরা ফরম সংগ্রহ করেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দিনভর সরগরম থাকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাৎসলয়ের সামনের রাস্তা। ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে পুরো দিন। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। এর আগে গত ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত শুক্রবার সকাল থেকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কাৎসলয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। মনোনয়ন ফরম কেনার জন্য ওই দিন থেকে সোমবার পর্যন্ত চার দিন বিভিন্ন আসনের প্রার্থী ও তাঁদের শত শত সমর্থক বর্ণিল শোভাযাত্রা নিয়ে জড়ো হন সেখানে। এর ফলে ওই এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তির শিকার হয় সাধারণ মানুষ। বিষয়টি আচরণবিধির লঙ্ঘন কি না তা জানতে চাইলে গত শনিবার নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশে ভোট একটা উৎসব। রাজনৈতিক দলগুলো একটি এরিয়ার মধ্যে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে। এতে আচরণবিধি প্রতিপালন না হওয়ার কিছু দেখছি না।’

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো এসংক্রান্ত এক চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দলীয় কাৎসলয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা জমাদানের সময় মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনসহকারে মিছিল এবং শোডাউন করা হচ্ছে, যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী আচরণ বিধিমালা-২০০৮-এর ৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বলা হয়, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, দলের প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং তাঁদের পক্ষে এ ধরনের মিছিল, শোডাউন করা যাবে না। এ বিষয়ে আচরণবিধি প্রতিপালনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া এরপর রিটার্নিং এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ও এ ধরনের মিছিল ও শোডাউনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest