সর্বশেষ সংবাদ-
৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল

বাংলাদেশে এমপি পদে প্রার্থী হতে যেসব যোগ্যতা লাগে

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোতে চলছে মনোনয়ন ফরম কেনাবেচার উৎসব। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে অনেকেই মজা করে নিজেরাও মনোনয়ন ফরম কেনার কথা বলে পোস্ট দিচ্ছেন।

নিছক মজা করেই হোক আর সত্যিকারেই রাজনীতিতে নাম লেখানোর উদ্দেশ্যেই হোক, বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে এবং সংসদ সদস্য বা এমপি নির্বাচিত হতে চাইলে জেনে রাখতে হবে সংসদ সদস্য হবার প্রাথমিক যোগ্যতাসমূহ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদে বলা হয়েছে কী কী যোগ্যতা থাকলে এমপি হওয়া যাবে, কোন কোন অযোগ্যতা সংসদ সদস্য হবার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।

১. প্রথমত বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, বয়স ২৫ পূর্ণ হতে হবে। তবে আদালত কাউকে অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা করলে তিনি এমপি হতে পারবেন না।

২. আদালত যদি কাউকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন তাহলে সে দায় থেকে তাকে মুক্ত হতে হবে। অন্যথায় তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন না।

৩. প্রার্থী যদি অন্য কোনও দেশের নাগরিকত্ব অর্জন বা গ্রহণ করেন বা অন্য কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের আনুগত্য স্বীকার করেন, তবেও তিনি অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

৪. প্রার্থী যদি কোনও ফৌজদারি মামলায় দোষী হয়ে কমপক্ষে দুই বছর কারাদণ্ড ভোগ করেন, তবে নির্বাচিত হতে হলে তাকে কমপক্ষে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ পাঁচ বছর পার হওয়ার আগে তিনি আর নির্বাচিত হতে পারবেন না।

৫. প্রার্থী যদি বাংলাদেশ যোগসাজসকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭২) আদেশের অধীন যে কোনও অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে থাকেন, তবেও তিনি অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

৬. তাছাড়া ব্যক্তি যদি প্রজাতন্ত্রের কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; যা আইন দ্বারা তাকে নির্বাচনের যোগ্য ঘোষণা না করে, তবেও তিনি নির্বাচনে লড়াই করতে পারবেন না।

এসব ছাড়াও বাংলাদেশে বিদ্যমান কোনও আইনে যদি প্রার্থী অযোগ্য বিবেচিত হন, তবেও তিনি নির্বাচিত হতে পারবেন না।

তবে ব্যক্তি যদি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন, তবে তিনি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে এবং উপরোক্ত কোনও শর্ত দ্বারা নিষিদ্ধ না হলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

ব্যক্তির প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকার ক্ষেত্রে তিনি যদি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী পদে আসীন থাকেন, তবে তিনি অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

আবার নির্বাচনের পরেও যদি কখনও তিনি অযোগ্য প্রমাণিত হন, তবে সে আসন শূন্য হবে কি না তা শুনানি ও নিষ্পত্তির মাধ্যমে মীমাংসা করা হবে এবং এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
সেই সাথে উপরোক্ত বিধানগুলোকে কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করতে সংসদ যেমন মনে করবে, তেমন ক্ষমতা প্রদান করতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগ বিএনপির প্রার্থী বাছাই হবে যেভাবে

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ফরম বিক্রি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। চার দিনে আওয়ামী লীগের ৪ হাজারেরও বেশি ফরম বিক্রি হয়েছে। বিএনপির ফরম বিক্রিও প্রতি দিন বাড়ছে।

নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক মেরুকরণে মূলত দুটি পক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ও অপরটি বিএনিপর নেতৃত্ব। দুই পক্ষের যে বিপুল পরিমাণ মনোনয়ন ফরম বিক্রি হচ্ছে তা আসলে কীভাবে বাছাই করা হবে, সেটি বেশ আগ্রহের বিষয়।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কীভাবে বাছাই করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গত দুই বছর ধরে মাঠপর্যায়ে জরিপ করছেন।

অক্টোবরে সর্বশেষ জরিপের প্রতিবেদন এসেছে। ৩ থেকে ৪ মাস পর পর সার্ভে রিপোর্ট এসেছে। বিভিন্ন সোর্স থেকে এই তথ্যগুলো নেয়া হয়েছে। এই জরিপের জন্য এনজিও, শিক্ষকদের নিয়ে একটা দল আছে। দলের এ রকম ৫ থেকে ৬টি সোর্স রয়েছে।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যে এলাকায় একজন প্রার্থীর সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি এবং ক্লিন ইমেজ আছে তাকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দুটি মনোনয়ন বোর্ড রয়েছে। একটা সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড এবং অন্যটি স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড। দুই বোর্ডের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ জানান, আমাদের যে জরিপ দল রয়েছে তারা একটা নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের বাইরে ওই এলাকায় সম্ভাব্য অন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। সেসব দলের প্রার্থীদের ব্যাপারে এলাকায় একইভাবে জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

বিএনপি কীভাবে তাদের প্রার্থী বাছাই করবে এ বিষয়ে দলটির স্থানীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, প্রার্থী নির্বাচনে আমাদের অনেক মানদণ্ড আছে। প্রধান বিষয় হলো দলের জন্য তার অবদানটা কী সেটা আমরা দেখব, আর গত ১০ বছরে যে সংগ্রাম হল, আন্দোলন হলো সেই আন্দোলন, তার ভূমিকা কী ছিল সেটা আমরা দেখব। তার আর্থিক সচ্ছলতা আমরা বিবেচনা করব। তৃনমূল পর্যায়ের আমাদের সংগঠনের ব্যক্তিদের মতামত নেব।

তিনি বলেন, অনেক এলাকা আছে যেখানে মানুষ বিএনপি করেন না কিন্তু বিজ্ঞ, শিক্ষিত যারা তাদের মতামত নেয়ার চেষ্টা করি। তারপর দেখি প্রার্থী জিতবে কিনা। এটা একটা বড় মাপকাঠি। হয়তো একটা প্রার্থীর সবকিছু আছে কিন্তু সে হয়তো ভোট পাবে না অথবা নির্বাচনে জিতবে না। সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। তবে ৯৫ ভাগ জায়গায় যেসব মাপকাঠির কথা বললাম সেগুলো বিবেচনায় আনা হবে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে। যখন আমরা প্রার্থীদের ডাকব তখন ৫ বছরের জরিপের এসব তথ্যগুলো আমাদের সামনে থাকবে।

মওদুদ আহমদ বলেন, মোটামুটি নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে তারা তথ্য সংগ্রহ করেন। সেগুলো আবার ‘ক্রস-চেক’ করেন। সংসদীয় পার্লামেন্টারি বোর্ড এই প্রার্থী নির্বাচন করবেন। তবে বোর্ডের প্রধান খালেদা জিয়া এখন দুর্নীতির দায়ে কারাগারে রয়েছেন। সেক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। ওনার অনুমোদন নিয়ে আমরা ঘোষণা দেব। আমরা নিজেরা কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেব না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন দিন পার হওয়ার পর টনক নড়ল ই‌সির!

দেশের খবর: নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মহড়ায় তিন দিন মানুষের দুর্ভোগ পোহানোর পর পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যবস্থা নিতে উপজেলায় একজন করে নির্বাহী হাকিম নিয়োগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সোমবার চিঠি পাঠিয়েছেন ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান। সেই সঙ্গে তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তির মিছিল-মহড়া বন্ধে পুলিশকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে বলে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সরগরম হয়ে উঠছে রাজনীতির মাঠ, রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যালয়গুলো।
ভোটের কাজে প্রথম নেমে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ শুক্রবার থেকেই মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মিছিল নিয়ে মহড়া দিয়ে সড়ক আটকে ফরম নিতে ও জমা দিতে আসেন।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়কেন্দ্রিক এই কার্যক্রমের কারণে সেদিন থেকে সোমবার পর্যন্ত দুর্ভোগ পোহাতে হয় রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসিন্দাদের।
সোমবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়া শেষ হওয়ার দিন বিএনপি তাদের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে: ফলে নয়া পল্টন এলাকায়ও দেখা দিয়েছে একই রকম জনদুর্ভোগ।
এর মধ্যেই ইসি পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিল।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, রাজনৈতিক দলের ফরম সংগ্রহকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকদের মিছিল-শোভাযাত্রার বিষয়টি নজরে এসেছে কমিশনের। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন।

এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ইতোমধ্যে বলেছেন, তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও ইসির অধীনে থাকবে। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তফসিল অনুযায়ী, ১০ ডিসেম্বর প্রতীক পাওয়ার পর দিন থেকে প্রচারে নামতে পারবেন প্রার্থীরা। তার আগে কোনো প্রকার প্রচার, মিছিল, মহড়া চালানো যাবে না।

আচরণবিধিতে বলা হয়েছে- “কোনো বাস, ট্রাক, মোটর সাইকেল, নৌযান, ট্রেন বা অন্য কোনো যান্ত্রিক যানবাহনসহ মিছিল কিংবা কোনোরূপ শোডাউন করতে পারবে না।” রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ও কোনো ধরনের মিছিল করা যাবে না। জনগণের চলাচল বিঘ্ন করে এমন কোনো সড়কে জনসভা বা পথসভা করা যাবে না।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে ৫ জনের বেশি ব্যক্তিতে নিয়ে আসায়ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার জরিমানা এবং সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা ইসির রয়েছে।

রাজনৈতিক দল বিধি লঙ্ঘন করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
জনপ্রশাসন সচিবের কাছে লেখা চিঠিতে ইসির যুগ্মসচিব জানান, মোবাইল কোর্ট আইনের আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী হাকিম নিয়োগের জন্য ইসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের পরের দিন পর্যন্ত তারা নিয়োজিত থাকবেন।

প্রতিটি উপজেলায় একজন, সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি ৩ থেকে ৪টি ওয়ার্ডের জন্য একজন, সিটি করপোরেশন ছাড়া জেলা সদরে প্রতি পৌর এলাকায় এক থেকে দু’জন এবং পার্বত্য এলাকায় ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত ৩ থেকে ৪টি উপজেলার জন্য একজন করে নির্বাহী হাকিম থাকবে।

সংসদ নির্বাচনে ৬৪ জেলায় ৩০০ আসনে ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা (বিভাগীয় কমিশনার ২ জন ও ৬৪ জেলা প্রশাসক) এবং ৫৭৯ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (উপজেলা নির্বাহী অফিসার) নিয়োগ করা হয়েছে।
নির্বাচনী আইন, আচরণবিধি, নির্বাচন পরিচালনাসহ সার্বিক বিষয়ে নির্দেশনা দিতে মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিবেন তিন তারকা

অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিবেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, অভিনেতা জাহিদ হাসান এবং তার স্ত্রী নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মৌ।
মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান তারা। এ সময় তারা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার উপকমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন।
এছাড়া চিত্রনায়ক ফেরদৌস, শমী কায়সার ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজও প্রচার উপকমিটির বৈঠকে ছিলেন বলে জানা যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৬ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘হাসিনা- এ ডটার’স টেল’

বিনোদনের খবর: ‘হাসিনা- এ ডটার’স টেল’ শিরোনামের ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৬ নভেম্বর। ছবিটি এরইমধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে। হচ্ছে নানা নেতিবাচক কথাও। অনেকেই মনে করছেন নির্বাচনের আগমুহূর্তে এই ছবিটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই মুক্তি দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের ইতিবাচক প্রচারের জন্যই তৈরি হয়েছে ছবিটি।

তবে সিনেমার পরিচালক পিপলু খান জানালেন, ‘মোটেও এমন কিছু নয়। এটি একটি সিনেমাই। যেখানে রাজনীতির ইতিহাস আছে, নানা রকমের অজানা তথ্য আছে। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আদর্শ নয় বরং তার নিতান্তই ব্যক্তি জীবনের গল্প ফুটে উঠেছে।’

পরিচালক সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নোত্তর পর্বে বলেন, ‘দেশে দেশেই রাজনীতিবিদদের নিয়ে ছবি নির্মিত হয়। কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পেয়েও তাকে নিয়ে কিছু বানাতে পারিনি। অথচ তার সাথে পঁচাত্তরের কাল রাতে ঘটে যাওয়ার ঘটনায় শত শত বই লেখা হয়েছে। আমি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কিছু নির্মাণের সাহস করিনি। তবে আমার দেখা একজন রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনা। যিনি রানিং প্রধানমন্ত্রী।

আমার ও আমাদের সিনেমার টিমের মনে হয়েছে তার জীবনের গল্প আছে, সেগুলো মানুষ জানতে চায়। তার ব্যক্তি জীবন নিয়ে মানুষের অনেক আগ্রহ। সেটা তুলে ধরতেই আমি ছবিটি বানিয়েছি।

আমাকে এই ছবির জন্য সরকার থেকে কোনো প্রস্তাব দেননি, সরকার এটিকে নিয়ে বাণিজ্যও করছে না। তেমনটি হলে সারাদেশের সব হলেই হয়তো ছবিটি আমরা নিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু আমাদের সেই উদ্দেশ্য নেই। মনে হয়েছে শেখ হাসিনাকে নিয়ে একটি কাজ করা আমাদের প্রজন্মের দায়িত্ব। সেটা পালন করেছি।

আমার চেয়ে ভালো নির্মাতা এই দেশে অনেকেই আছেন। তারা বানালে হয়তো আরও ভালো বানাতে পারতেন। আমি শুরু করেছি, এবার অন্যরাও করবে। ছবিটিতে এত জটিল ভাবনার কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী একদম সাধারাণ একজন নারী হিসেবে আমাদের সময় দিয়েছেন। পাঁচ বছর ধরে কাজ করে তাকে নিয়ে ছবিটি আমরা বানিয়েছি।

এখানে তার ব্যক্তিজীবনের নানা কথাই দেখবেন দর্শক। একজন সাধারণ নারী তার এক বোনকে নিয়ে কেমন করে পরিবারের সব প্রিয়জন হারিয়ে টিকে থাকলেন, অসাধারণ হয়ে উঠলেন সেই মানিবকতার কাহিনি আছে এখানে। রাজনৈতিক ভিউ নয়, রাজনীতি ও ইতিহাসকে এখানে কাব্যের ভাষায় দেখতে হবে। শিল্পের ভাবনায় একজন দর্শক ছবিটি দেখলে তারা আরাম পাবেন। আর সেটাই হবে আমাদের স্বার্থকতা।’

পিপলু খান প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘যখন প্রধানমন্ত্রী রাজি হলেন আমাদের সময় দেয়ার তখন থেকেই আমি চেষ্টা করেছি সাদামাটা একটা উপস্থাপনের। আমার মাথায় ছিলেন ব্যক্তি শেখ হাসিনা। তিনি কী পছন্দ করেন, কী খেতে ভালোবাসেন, কী ধরনের শাড়ি তিনি পছন্দ করেন? ছেলেমেয়ে ও নাতিদের সঙ্গে কীভাবে সময় কাটান, তার বোনের সঙ্গে রসায়নটা কেমন, কেমন তার জীবনযাপন? স্বজন হারানোর ভাবনা তাকে কীভাবে প্রভাবিত করে, কীভাবে কেটেছে তার নির্বাসিত জীবনের দিনগুলো- এইসব জানতে চেয়েছিলাম।

বাঙালি জানে ঠাকুর বাড়িতে কী রান্না হতো, ঠাকুরবাড়ির মেয়েরা কীভাবে শাড়ি পড়তো, কেমন করে পড়তো। সেইসব নিয়ে পত্রিকায় নানারকম লেখা ও ফিচার দেখি। কিন্তু বাঙালি কোনোদিন জানতে চায়নি বঙ্গবন্ধুর পরিবারে কী রান্না হতো? সুলতানা কামাল চমৎকার শাড়ি পড়তেন, ফ্যাশনেবল ছিলেন। সেগুলো কিন্তু আমাদের মেয়েদের কাছে জনপ্রিয়তা পায়নি।

কেন? যে পরিবারটি এ দেশের রাজনীতির সঙ্গে এত গভীরভাবে জড়িত, দেশের মুক্তির সঙ্গে যে পরিবারের এত ত্যাগ রয়ে গেছে সেই পরিবারটির সঙ্গে আমাদের এত দূরত্ব কেন? কারণ নানা রিউমার ও গল্প ঘৃণার জন্ম দিয়ে একটা দেয়াল তৈরি করা হয়েছে।

আমরা যারা আশির দশকে বেড়ে ওঠেছি দেখেছি তখন জয় বাংলা বলা যেত না। কোথাও বঙ্গবন্ধুর নাম নিশানা ছিলো না। ওসব প্রায় নিষিদ্ধ ছিলো। বাঙালি জাতিসত্ত্বার গুরুত্ব ছিলো না। বলা হতো দেশটা মুসলিমদের। কিন্তু যখন নব্বইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন হলো তখন বুঝলাম দেশের ইতিহাস নিয়ে এতদিন একটা ফাঁকি দেয়া হয়েছিলো আমাদের।

আমি নিজে এমন একটি পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে আমিও অনেক জানতে পারিনি। ইতিহাস সম্পর্কে, বঙ্গবন্ধুর পরিবার সম্পর্কে। আসলে আমার বাবা বৃটিশ আমলের মানুষ। তিনি বৃটিশদের দেখেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। পাকিস্তান ভাগ হতে দেখেছেন। সেখানেও কন্ট্রিবিউশন ছিলো। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্যও কাজ করেছেন। তার কাছে মুক্তিযুদ্ধের পরে আর তেমন করে দেশপ্রেমের আবেগ কাজ করেনি। এতগুলো জাতিসত্ত্বার ভেতর দিয়ে যাতায়াত করে তার জাতীয়তার বড়াইটা আর ছিলো না।

কিন্তু আমি তো সেই বড়াটা করতে চেয়েছি। আমি কেন জানবো না আমার জাতির জনকের পরিবারের কথা। বঙ্গবন্ধু তার স্ত্রীকে রেনু বলে ডাকতেন। এটা আমার ছেলে কেন জানবে না। আমার এটা মনে হয়েছে। এবং সেটা জানার ও জানানোর চেষ্টা করতেই এই ছবিটি বানিয়েছি। যে দেয়ালটা তৈরি করা হয়েছিলো সেই দেয়ালটা ভাঙতে চেয়েছি।

আর যেহেতু এটা ওই পরিবারের ও শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত গল্প তাই শুরু থেকেই উনার সঙ্গে ক্যাজুয়ালি মিশতে চেয়েছি। ঘরের মানুষের মতো। উনি প্রধানমন্ত্রী সেটা মাথায় থাকলে কাজ করা যেত না।
তাই প্রথমবার যখন দেখা হলো তখনই বলেছিলাম উনাকে- ‘আমি আপনাকে আপা বলে ডাকবো।’ মজার ব্যপার হলো তিনিও সেটা রিসিভ করলেন। প্রথমে আমাকে এই ছেলে বলে ডাকলেও একটা সময় পিপলু পিপুল বলে ডাকতে লাগলেন। আমাদের সম্পর্কটা তখন ভাইবোনের পর্যায়ে এসে গেল। আর সেজন্যই ছবিতে বাড়তি কিছু আমাকে রাখতে হয়নি। আমি শতভাগ স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করেছি।
মনে আছে প্রথম সাক্ষাতের সময় আলাপে আলাপে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন ‘এই জানো, আমি রেহানা একে অন্যের শাড়ি ভুল করে পরে ফেলি।’ তার মুখে এই রসাত্মক কথাটা শুনতে শুনতে আমার মনে হয়েছিলো এই মানুষটির সঙ্গে ডাল চাল নিয়ে কথা বলা যায়। তিনি একদমই ঘরের মা-বোনের মতো আচরণ করেছেন। আর সেটাই আমাদের দরকার ছিলো।’

ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে দেশের অনেক ইতিহাস ও আবেগ পড়ে আছে দাবি করে পিপুল খান বলেন, ‘খুব অবাক করা ব্যাপার হলো ৩২ নম্বরের বাড়িটি নিয়ে আমাদের কোনো আবেগ নেই। ওখানে যারা যান তারা কেউ কাজের জন্য, কেউ বা বেড়াতে-ঘুরতে যান। কিন্তু ইতিহাস জানতে, বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে জানতে যান না কেউ।

ওই বাড়িতে অনেক আবেগ জমে আছে। বঙ্গবন্ধুর চিঠিগুলো অসাধারণ। কবিতার মতো। আমি পড়েছি। প্রতিটি চিঠিতে তিনি স্ত্রীকে লিখতেন ‘প্রাণের রেনু’। দাম্পত্যের কী চমৎকার প্রেম। আজকাল তো আমরা চিঠিই লিখছি না প্রেমিকার কাছে। কিন্তু প্রেমমাখা এসব চিঠি পড়লে দেখবেন মন ভালো হয়।

তারপর ধরেন আপনি এমন একজন স্বামীকে চেনেন যিনি প্রতিদিন স্ত্রীর হাতে বানানো পান অফিসে নিয়ে যান। কিন্তু তিনি পান খান না। এমনই একজন প্রেমিক স্বামী ছিলেন বঙ্গবন্ধু। স্ত্রীকে খুশি রাখতে রোজ রোজ সকালে পান হাতে নিয়ে বের হতেন। সেই পান তিনি খানওনি দিনের পর দিন। এই গল্পটা একটা সিনেমার নায়কের হতে পারতো না? কিন্তু সেগুলো জানার চেষ্টাই হয়নি।

নিজের পাশাপাশি বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের এইসব গল্প ‘হাসিনা- এ ডটার’স টেল’ ছবিতে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবিটা হয়তো সবাইকে খুশি করবে না, কোনো ছবি সেটা পারেও না। তবে পাঁচশ বছরের ইতিহাসকে সামনে রেখে যখন ভাববেন তখন দেখবেন খুব ভালো একটি সংগ্রহ হবে এই ছবিটি।’

সিনেমাটি দেখার পর প্রধানমন্ত্রীর অনুভূতি কেমন ছিলো সেই প্রশ্নের জবাবে পরিচালক পিপলু খান বলেন, ‘ছবিটি নিয়ে তার কোনো উচ্ছ্বাস নেই। তিনি দেখেছেন এবং মজা পেয়েছেন। কোনো কারেকশান দেননি যে এটা এরকম করো, এটা বদলে দিও। তিনি কেবল মজা করেছেন তার মেকাপ নিয়ে। বলছিলেন, ‘বয়স হয়েছে। মেকাপ যেন বেশি না লাগে।’ সেটা আমরা এডিটিংয়ের সময় মাথায় রেখেছিলাম।’
‘হাসিনা-এ ডটার’স টেল’ সিনেমাটি নিয়ে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে আয়োজিত হয় এক সংবাদ সম্মেলন। সেখানে এর পরিচালক পিপলু খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস, গ্রে বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কান্ট্রি হেড গাউসুল আলম শাওন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসনে মিশে গেল ইকোনমিক ক্যাডার

অনলাইন ডেস্ক: সিভিল সার্ভিসের ইকোনমিক ক্যাডার প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে মিশে গেল। এজন্য মঙ্গলবার ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডার এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডার একীভূতকরণ আদেশ, ২০১৮’ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এরপর আদেশের গেজেটও প্রকাশ করা হয়।
অধিকতর গতিশীল সমন্বিত ও জনবান্ধব প্রশাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও ইকোনমিক ক্যাডার একীভূত করা হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রশাসন এবং ইকোনমিক ক্যাডারের সব পদ এবং জনবল প্রশাসন ক্যাডারের পদ ও জনবল হবে। সরকারি কর্ম কমিশনের সমন্বিত মেধা তালিকা অনুসারে পুলে যোগ দেয়া ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নিজ নিজ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সাথে নির্ধারিত হবে।

একীভূত করার উদ্দেশ্যে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একীভূত ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সমপদে পদায়ন, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এবং একীভূত করার সব প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে।

এই আদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা বা এই আদেশে উল্লেখিত হয়নি এমন কোনো বিষয়ে আদেশের প্রয়োজন হলে সরকার ব্যাখ্যা বা প্রয়োজনে আদেশ দিতে পারবে।
ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত করতে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসেস (রি-অর্গানাইজেশন) অর্ডার, ১৯৮০’ সংশোধিত হবে।

ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তার সংখ্যা ৪৬৪ জন। প্রশাসন ক্যাডারে বর্তমানে কর্মকর্তা সংখ্যা ৪ হাজার ৮৪৫ জন। ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা একীভূত হওয়ায় প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তার মোট সংখ্যা হল ৫ হাজার ৩০৯ জন।
ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন থেকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে তাদের একীভূতের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এরপর ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর দুই ক্যাডার একীভূত করা নিয়ে উভয় ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়।

ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করতে ২০১৭ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। ওই বছরের ৩০ মে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি দুই ক্যাডার একীভূতে সম্মতি দেয়।
ইকোনমিক ক্যাডার প্রশাসনে মিশে যাওয়ায় এখন ক্যাডারের সংখ্যা দাড়াল ২৭টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছেন না টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রী

দেশের খবর: টেকনোক্র্যাটের চার মন্ত্রী নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছেন না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, তারা (টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী) পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, কোনো একসময় নিশ্চয়ই পদত্যাগপত্র গৃহীত হবে। পদত্যাগপত্র গৃহীতের বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন।

নির্বাচনে সবদল অংশগ্রণের বিষয়টি ভালো দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে করে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মানে আমরা ৭০টি দলের সঙ্গে সংলাপ করেছি। নির্বাচন কমিশন বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, নির্বাচন সাতদিন পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ৪ হাজার ৩০০ মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (১৪ নভেম্বর) সকালে তাদের নিয়ে বৈঠক হবে। এরপর কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, আমরা এখন নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করছি। শুধু রুটিন কাজ করছি। নীতিগত কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না। মন্ত্রিসভার রদবদলের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা পুরোপুরি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যারা জয়ী হবেন তারা নতুন সরকার গঠন করবেন।

নির্বাচনে কি খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যতটুকু সংবিধান বুঝি তাতে করে কারো যদি দুই বছরের বেশি সাজা হয় তারপর জামিনে মুক্তি হলেও, যতোক্ষণ না তার সাজা আদালত মওকুফ করেন ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। এছাড়া কাউকে যেনো রাজনৈতিকভাবে হয়রানি না করা হয় সেজন্য প্রত্যেক জেলায় সরকার নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচনকালীন সরকার গঠনে গত ৬ নভেম্বর মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য না হয়েও বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রী) মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ দেন। ওইদিনই বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে চার মন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার পর তারা আর দায়িত্বে নেই ধরে নিয়ে পরেরদিন বুধবার সকাল নাগাদ চার মন্ত্রী অফিস না করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সোমবারের (১২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শতভাগ বিশ্বাস মনোনয়ন পাবো’

বিনোদনের খবর: জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। সিদ্দিক হিসেবেই ভক্তদের নিকট পরিচিত। কিন্তু আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কা নিয়ে টাঙ্গাইল ১ (মধুপুর-ধনবাড়ি) আসন থেকে নির্বাচন করতে চান এই অভিনেতা। ইতোমধ্যে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
সিদ্দিক বলেন, আমি শতভাগ বিশ্বাস করি নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দেবেন। ১৪ তারিখে আমাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়েছে। সেদিনই ফয়সালা হবে সবকিছু, সবাই জানবেন কে নির্বাচনে যাচ্ছেন। তবে নেত্রীর প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন তাই মেনে নেবো।
শতভাগ আস্থার কারণ সম্পর্কে সিদ্দিক বলেন, টাঙ্গাইল- ১ আসনে একমাত্র আমি মনোনয়নপত্র নিয়েছি। এছাড়া এই এলাকার কেউ মনোনয়ন নেয়নি, যারা নিয়েছেন তারা কেউ টাঙ্গাইল ১ আসনের লোক নয়। তাই আমার বিশ্বাস দলের হাই কমান্ড এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেবে।
সিদ্দিক বলেন, আমি ২৪ ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার পরিবার জড়িত। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে জড়িয়ে পড়ি। এখনো আমি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাথে যুক্ত। সাধারণ সম্পাদকের পদ প্রত্যাশী।
সিদ্দিকুর বলেন, আমি ২০০৮ সাল থেকে এলাকায় গণসংযোগ করছি। এলাকার নানা উন্নয়ন্মূলক কর্মাকাণ্ডের সাথে যুক্ত আছি। নিজের হাতে অনেকগুলো সংগঠন করেছি এলাকায়।

সিদ্দিক বলেন, ভেবেছিলাম অংশ নেবো না। কিন্তু এলাকার মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি। তারা আমাকে চায়। এজন্য আমিও ভাবলাম আমাদের মতো তরুণদের আসলে পিছিয়ে পড়া উচিৎ না। সারা বাংলাদেশের সেবা হয়তো আমার দ্বারা সম্ভব না। আমার এলাকার সেবা তো করতে পারি।

টাঙ্গাইল-১ সংসদীয় এলাকায় গণসংযোগের অংশ হিসেবে মধুপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ সংস্কার ও মিনার স্থাপন হয়েছে সিদ্দিকের অর্থায়নে। সেখানে তার নাম ফলকে খোদাই করা রয়েছে। এছাড়াও সিদ্দিক হোস্টেল নামে তার স্কুল চাপরি গণবহুমখী উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি হোস্টেল নির্মিত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest