সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

এবার ডেপুটি নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে নিযুক্ত ডেপুটি জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা মিরা রিকার্ডেলকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ওই নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বরখাস্তের আবেদন জানানোর একদিনের মাথায় এই সিদ্ধান্ত এলো।

বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘রিকার্ডেল প্রশাসনের অন্য কোথাও দায়িত্ব পাবেন। আশা করি, তিনি তাঁর নতুন জায়গা থেকেও ট্রাম্প প্রশাসনকে সমর্থন দিয়ে কাজ করে যাবেন।‌‌’

ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া দুদিন আগেই মিরা রিকার্ডেল সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‌‘তিনি হোয়াইট হাউসে কাজ করার সম্মান পাওয়ার যোগ্য নন।’

গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি ও ডেপুটি জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তার মধ্যে বাদানুবাদ হয়েছিল বলে জানা যায়। এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মেলানিয়া ট্রাম্প ও মিরা রিকার্ডেল আফ্রিকা সফরের সময় উড়োজাহাজে বসার জায়গা নিয়ে বাদানুবাদে জড়ান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন পদপদবিতে রদবদল আনতে যাচ্ছেন বলে গণমাধ্যমগুলোতে খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে এমন ঘোষণা এলো। খবরে বলা হচ্ছে, চিফ অব স্টাফ জন কেলি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিরস্টজেন নিলসনকেও অপসারণ করতে পারেন ট্রাম্প।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেইমারকে রিয়ালেই মানায়: ইনিয়েস্তা

অনলাইন ডেস্ক: বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও লা লিগা জেতা নেইমার ২০১৭ সালে ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বিশ্বের দামি ফুটবলার হয়ে যোগ দেন ফরাসি জায়ান্ট ক্লাব পিএসজিতে। তবে নেইমার রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলে সেটাতে কোনো দোষ দেখেন না আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা।
নেইমারের সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থ ও স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার কাদিনা এসআরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ডের জন্য রিয়াল মাদ্রিদই মানানসই। তিনি বলেন, ‘এসব বিষয় আমাকে মোটেও ব্যথা দেয় না কারণ সিদ্ধান্ত যা হওয়ার তা এমনিই হবে। রিয়াল চাইবে একজন সেরা খেলোয়াড়কে দিয়েই দল ভারী করতে।’
এছাড়া আবারও নেইমারের বার্সাতে ফেরার গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে ইনিয়েস্তা বলেন, ‘আমার মনে হয় এটা বেশ কঠিন। অবশ্যই নেইমার বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন। তাই সে সবসময়ই ভিন্ন করতে চাইবে। সেজন্যই তার ফেরা সম্ভব না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসুস্থ কিডনির ৭ লক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: দেহের রেচন প্রক্রিয়াসহ সব ধরনের বর্জ্য পদার্থ নির্গমনের কাজ করে কিডনি। তবে কিডনি যেকোনো মুহূর্তে অকেজো হয়ে পড়তে পারে কিংবা এর কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই শুরু থেকে কিডনির সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত জ্ঞান থাকা জরুরি। কারণ যদি কিডনির সমস্যার লক্ষণ শুরু থেকে জানা থাকে, তাহলে সমস্যা অল্প থাকতেই চিকিৎসার মাধ্যমে তা সমাধান করা সম্ভব।

চলুন জেনে নেই কিডনির সমস্যার লক্ষণগুলো সম্পর্কে।

১. দুর্বলতা
কিডনি সমস্যার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হচ্ছে দুর্বলতা। আর এই দুর্বলতা আসে রক্তশূন্যতা থেকে। কিডনি যদি ঠিকমত কাজ না করতে পারে তাহলে রক্ত ক্রমাগত দূষিত হতে থাকে। যার কারণে রক্তে নতুন করে ব্লাড সেল উৎপন্ন হয় না। এছাড়াও কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন এরিথ্রোপ্রোটিন উৎপন্ন করতে পারে না। এই হরমোন বোন ম্যারো থেকে ব্লাড সেল উৎপাদনে সাহায্য করে।

২. শ্বাসকষ্ট
যখন কিডনি কাজ করা বন্ধ করতে শুরু করে, তখন শরীরের বর্জ্য পদার্থ রক্তে মিশতে শুরু করে। এই বর্জ্য পদার্থের বেশিরভাগই হচ্ছে অম্লীয় পদার্থ। তাই এই বর্জ্য যখন রক্তের সাথে ফুসফুসে পৌঁছায় তখন ফুসফুস সেই বর্জ্য বের করার জন্য কার্বনডাই অক্সাইড ব্যবহার করা শুরু করে। যার কারণে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ফুসফুসে ঢুকতে পারে না। এতে আপনার শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে।

৩. চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতা
কিডনির সমস্যা আপনার চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতার সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শরীরের বর্জ্য পদার্থের একটি বড় অংশ হচ্ছে ইউরিয়া। কিডনির সমস্যার কারণে ইউরিয়া শরীর থেকে বের না হয়ে বরং রক্তে মিশে যায়। এই দূষিত রক্ত মস্তিষ্কে পৌঁছে মানসিক অস্থিরতা, ঝাপসা দেখা এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। যদি ইউরিয়ার পরিমাণ অত্যধিক হয় তাহলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে, যার ফলাফলে রোগী কোমাতে পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।

৪. শরীরে চুলকানির উপসর্গ
কিডনির অক্ষমতায় শরীরে প্রিউরিটাস দেখা দেয়। প্রিউরিটাস আসলে চুলকানির মেডিক্যাল নাম। শরীরের রক্তে যখন বর্জ্য পদার্থ মিশতে শুরু করে তখন চুলকানির উপসর্গ দেখা দেয় কারণ ওই বর্জ্যের মধ্যে ফসফরাস থাকে। যেসব খাবারে ফসফরাস থাকে যেমন দুধজাতীয় খাবার, সেগুলো হজমের পর ফসফরাস বর্জ্য হিসেবে মূত্রের সাথে বের হতে পারে না। যার কারণে এটি রক্তে মিশে চামড়ায় চুলকানি সৃষ্টি করতে থাকে।

৫. মূত্রের রং পরিবর্তন এবং রক্তক্ষরণ
কিডনির সমস্যায় মূত্রের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। কারণ, কিডনির অক্ষমতায় রেনাল টিউবিউলস এর ক্ষতি হয়, যা পলিইউরিয়ার সৃষ্টি করে। এর মানে হচ্ছে আপনার অধিক পরিমাণে মূত্র তৈরির কাজ করে। তবে কিডনির অক্ষমতা যত বৃদ্ধি পাবে, মূত্রের পরিমাণ ততই কমবে। এবং মূত্রের রং গাঢ় হলুদ কিংবা কমলা রং হয়ে যাবে। সেই সাথে মূত্রের সাথে রক্তক্ষরণ এবং অত্যধিক ফেনা হতে পারে।

৬. অরুচি
শরীরের বর্জ্য পদার্থের আরেকটি উপাদান হচ্ছে অ্যামোনিয়া। যদি অ্যামোনিয়া রক্তে মেশে তাহলে তা শরীরে প্রোটিন নষ্ট করে ফেলে। কিডনির অক্ষমতায় শরীর বর্জ্য হিসেবে অ্যামোনিয়া ফিল্টার করতে পারে না। রক্তে অত্যধিক পরিমাণের অ্যামোনিয়া মুখে অরুচি, ওজন হারানোর মত সমস্যার সৃষ্টি করে।

৭. শরীরে ব্যথা
একটি জেনেটিক কন্ডিশনের কারণে শরীরের অভ্যন্তরে, বিশেষ করে কিডনি এবং লিভারে এক ধরনের ফ্লুইড ভর্তি সিস্ট বা গুটির সৃষ্টি হয়। এই সিস্টের মধ্যে থাকা ফ্লুইড এক ধরনের বিশেষ টক্সিন বহন করে, যা শরীরের শিরা বা ধমনী গুলোতে ক্ষতি করতে পারে। একাধিক শিরার বা ধমনীর ক্ষতি হলে তা শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করে। এই ব্যথা সাধারণত ভোঁতা অনুভূতি, খোঁচা কিংবা জ্বলুনির মত হতে পারে। সাধারণত এই ব্যথাগুলো শরীরের পেছনের অংশে, পায়ে কিংবা কোমরে হতে পারে।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিডনিতে সমস্যা হলে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা যায় না। তাই কিডনির নিয়মিত চেক আপ উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৃথিবীর দীর্ঘতম গাড়ি এটি

অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীর দীর্ঘতম গাড়িটি লম্বায় ১০০ ফুট। বিলাসবহুল গাড়িটিতে যে কারও চড়ে দেখতে ইচ্ছা করবে। হলিউড চলচ্চিত্রে ব্যবহারের জন্য গাড়িটি তৈরি করেন ক্যালিফোর্নিয়ার ‘কাস্টম কার গুরু’ হিসেবে পরিচিত জয় অহরবার্গ। লিমোজিন মডেলের গাড়িটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।

গাড়িটির মধ্যে রয়েছে সুইমিং পুল, স্পা রুম, কিং সাইজ বেড, সান ডেক ইত্যাদি। এই গাড়িতে হেলিকপ্টার ল্যান্ড করার জন্যও রয়েছে একটি হেলিপ্যাড। গাড়িটিতে ২৬টি চাকা ও ২টি চালক কেবিন রয়েছে।
১৯৮০’র দশকে ‘আমেরিকার ড্রিম’ নামে লম্বা এ গাড়িটি নির্মাণ করা হয়। অহরবার্গের হলিউড কারশপে এটি তৈরি করা হয়। আর এজন্য ১৯৭০’র দশকে গাড়ির জগতে সেরা কাডিলাক এলদোরাদো মডেলের একটি গাড়িকে বেছে নেন অহরবার্গ।

পুরনো এ মডেলকে ঝালিয়ে ১০০ ফুট লম্বা ও ২৬টি চাকাজুড়ে বিশাল এ গাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ করেন তিনি। গাড়িটি সোজা পথে চালাতে খুবই সহজ। প্রশস্ত রাস্তায়ও একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু সরু পথে এটি পরিচালনা বা ড্রাইভিং করার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়। এ জন্য এর নির্মাতা গাড়িটির পেছনে একটি ব্যাকসিট ড্রাইভার সংযুক্ত করেন।
আমেরিকা ড্রিমকে এজন্য শুধু হলিউড চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজেই ব্যবহার করা হতো। এত বিশাল সাইজের গাড়িটি সড়কে চলাচলের অনুমতি পায়নি।

২০১৪ সালে নিউইয়র্ক অটোসিয়াম অটোমোটিভ টিচিং জাদুঘর আমেরিকান ড্রিম লিমোজিনকে সংরক্ষণের ঘোষণা দেয়। গাড়ি প্রযুক্তি নিয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়ক হিসেবে এটি ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়। বর্তমানে গাড়িটিকে উপযুক্ত শিক্ষা উপকরণ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে।

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করবে আমপাতা

অনলাইন ডেস্ক: ফলের রাজা আম, স্বাদ ও গুণের অনন্যতায় এমন খেতাব ফলটির। আম পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। পাকা হোক বা কাঁচা আম সবারই প্রিয় ফল। সুস্বাধু ও রসালো এই ফলটির স্বাস্থ্যকর উপকারীতা কম-বেশি সবাই জানি। কিন্তু রসালো এই ফলটির পাশাপাশি এর পাতাও বেশ উপকারী!

সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রাচীনকাল থেকেই এ পাতার ব্যবহার হয়ে আসছে। গবেষণায় দেখা গেছে, কচি আমপাতায় ট্যানিনস নামক অ্যান্থোসায়ানিডিন থাকে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। এ পাতা শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও হাইপারগ্লাইসেমিয়া কমাতে সাহায্য করে।
এছাড়া আমের পাতা উচ্চ রক্তচাপ হাঁপানি, ব্রংকাইটিস, স্থায়ীভাবে স্ফিত বা বর্ধিত শিরা, উদ্বিগ্নতা, অনিদ্রা, জ্বর, ডায়রিয়া ও ক্লান্তি দূর করার মহৌষধ হিসেবে প্রমাণিত।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমপাতার চা কীভাবে তৈরি করবেন, তার প্রস্তুত প্রণালী দেওয়া হল-

উপকরণ: ১১-১২টি কচি আমপাতা ও দেড় গ্লাস পানি।

প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে আমপাতাগুলো ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দেড় গ্লাস পানি ঢেলে চুলায় ফুটতে দিন। এর ৫ মিনিট পর আমপাতাগুলো ওই পানিতে দিয়ে ১৫ মিনিট হালকা আঁচে ফুটতে দিন। এরপর চুলা বন্ধ করে সারা রাত এই মিশ্রণটি ঢেকে রাখুন।

পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে আমপাতার চা পান করুন। এই পানীয়টি এক মাস একটানা পান করতে হবে। তাহলে দেখবেন ডায়াবেটিস সব সময় আপনার নিয়ন্ত্রণেই থাকছে। এর সঙ্গে আপনার মেজাজও থাকবে চনমনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যাটিং ব্যর্থতায় টানা তিন ম্যাচে হার টাইগ্রেসদের

খেলার খবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপে ব্যাটিং ব্যর্থতায় টানা তিন ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের পর বুধবার দিবাগত রাতে শ্রীলঙ্কার কাছেও হেরেছে সালমা বাহিনী। সেন্ট লুসিয়ায় ২৫ রানে হেরেছে টাইগ্রেসরা।

এর আগে, টসে জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগ্রেস অধিনায়ক সালমা খাতুন। ব্যাটিংয়ে নেমে শাসিকলা শ্রীবর্ধনের ৩১ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে সাত উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান করে শ্রীলঙ্কা। এছাড়া ১৬ রান করেন সুরাংগিকা।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান জাহানারা আলম। এছাড়া একটি করে উইকেট পান খাদিজাতুল কুবরা, রুমানা আহমেদ ও ফাহিমা খাতুন।

৯৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে কেউই ভালো করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ২০ রান করেন নিগার সুলতানা। এছাড়া সমান ১১ রান করে আসে আয়েশা রহমান ও রিতু মনির ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত ৭২ রানে থামে তাদের ইনিংস।
শ্রীলঙ্কান বোলারদের মধ্যে জয়ঘনি তিনটি উইকেট পান। আর ব্যাটিংয়ে ভালো করা শ্রীবর্ধন বোলিংয়ে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন।
আগামী ১৮ নভেম্বর গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখী হবেন সালমারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মূত্রথলী সুস্থ রাখার ৪ উপায়

অনলাইন ডেস্ক: কিডনি থেকে প্রস্রাব এসে যেখানে জমা হয় সেটাই হল মূত্রথলী। কয়েকটি কারণে আপনার মূত্রথলী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে প্রস্রাব করতে গেলে ব্যথা হতে পারে। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে মূত্রথলী সুস্থ থাকবে। দেখে নিন সেরকম কয়েকটি অভ্যাস-

সম্পূর্ণ প্রস্রাব নিশ্চিত করুন
প্রতিবার সম্পূর্ণ প্রস্রাব হলো কিনা সেটা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এটা খুবই জরুরি। তা না হলে মূত্রথলীতে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। এছাড়া বাসার বাইরে অপরিচিত স্থানে প্রস্রাব করার ক্ষেত্রেও নারীদের সতেচন থাকতে হবে। কারণ অপরিষ্কার টয়লেট থেকে মূত্রথলী থেকে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কম অ্যালকোহল
মূত্রথলী সুস্থ রাখার জন্য অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস কমাতে হবে। এছাড়া কফি পানের পরিমাণও কমাতে হবে। হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যালকোহল, চা এবং কফি মূত্রথলীর স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে।

সঠিক খাবার খাওয়া
মূত্রথলীকে সুস্থ রাখতে সঠিক খাবার প্রয়োজন। এজন্য কিছু খাবার অবশ্যই বাদ দিতে হবে। তেমনই একটি খাবার হলো চকলেট। চকলেট আপনার খুব প্রিয় হলেও স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এটা এড়িয়ে চলুন। এছাড়া মূত্রথলীকে সুস্থ রাখতে টমেটো ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

ধূমপান না করা
ধূমপানের কারণে মূত্রথলীতে ক্যানসার হতে পারে। এজন্য শরীরের এ অংশটিকে সুস্থ রাখতে ধূমপান বা যেকোনও ধরনের মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চার লাখ শূন্যপদের বোঝা সরকারি চাকরিতে

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে বর্তমানে চার লাখের বেশি পদ শূন্য রয়েছে। প্রায় ১৮ লাখ পদের মধ্যে ১৪ লাখের কাছাকাছি কর্মরত, বাকি পদে লোক নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন।
চাকরিপ্রার্থীদের অনেকে জানিয়েছেন, শিক্ষিত বেকারদের দ্রুত চাকরি নিশ্চিত করতে হলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর ও সময় বেঁধে দিতে হবে। আমলাতান্ত্রিক নানা জটিলতা, প্রভাবশালী তদবিরের ব্যাপক প্রভাব এবং অনেকক্ষেত্রে নিয়োগ বাণিজ্য প্রকট আকার ধারণ করায় নিয়োগ বিলম্বিত হয়। ফলে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ে। বিশেষ করে শিক্ষিত বেকাররা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। পাশাপাশি তারা চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা একটি যৌক্তিক পর্যায়ে দ্রুত উন্নীত করার দাবিতে অনড় আছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, একটি পদের বিপরীতে অসংখ্য আবেদন থাকে। মূলত এসব কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া একটু বিলম্বিত হয়। তবে শূন্যপদের বিষয়টি দ্রুত কীভাবে সহজীকরণ ও নিষ্পত্তি করা যায়, সেজন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন। যেখানে সব সচিবের সঙ্গে একটি বৈঠক করে এর সহজীকরণ উপায় বের করা হবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে- আমরা অসংখ্য পদ সৃষ্টি করছি বলেই এত শূন্যপদের কথা বলা হচ্ছে। এ সরকারের আমলে ১০ বছরে লাখ লাখ পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এটিও বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া সরকারের রাজস্ব খাতের বাইরে রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্পে বড় চাকরির বাজার। সেখানে বিপুল সংখ্যক লোক চাকরির সুযোগ পেয়েছে এবং এখনও পাচ্ছে। কেননা বর্তমান সরকারের আমলে সংখ্যা ও বৃহৎ সাইজের প্রকল্প এর আগে কোনো সরকার গ্রহণ করেনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিদ্যুৎ, আইসিটি ও রেলওয়ে খাত। পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র, হাই-টেক পার্কের কথা ভুলে গেলে চলবে না। এছাড়া রাজস্ব খাতে শুধু পুলিশেই ৫০ হাজারের বেশি পদ সৃষ্টি ও চাকরি দেয়া হয়েছে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে আমাদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জোরালো মনিটরিং করাসহ জবাবদিহিতার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে। কেননা শূন্যপদের বিষয়ে প্রতিমাসে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে রুটিনমাফিক তথ্য দেয়া হয়। তিনি মনে করেন, অনেক ক্ষেত্রে ঝামেলা এড়াতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করার কারণেও শূন্যপদ পূরণে সময়ক্ষেপণ হয়। এতে শূন্যপদ বেড়ে যায়।

সূত্র জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে অনুমোদিত মোট পদ ১৭ লাখ ৬২ হাজার ১৯৫টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ১৩ লাখ ৬২ হাজার ২৯৮ জন। অবশিষ্ট ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৭টি পদ খালি আছে। এ হিসাবটি আমলে নিলে শূন্যপদের সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণীতে ৪৮ হাজার ৭৯৩টি, দ্বিতীয় শ্রেণীতে ৬৫ হাজার ৮৩টি, তৃতীয় শ্রেণীতে ২ লাখ ৬ হাজার ৭৬০টি এবং চতুর্থ শ্রেণীতে ৭৯ হাজার ২৬১টি খালি আছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এর আগে ২০১৩ সালে অনুমোদিত মোট পদ ছিল ১৪ লাখ ৭১ হাজার ৩৬টি। এর মধ্যে কর্মরত ছিলেন ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৯ জন। অবশিষ্ট ২ লাখ ৭৬ হাজার ৫৮৭টি পদ খালি ছিল।

উল্লিখিত তথ্য বিশ্লেষণে গত ৫ বছরের ব্যবধানে অনুমেদিত পদের সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ১৫৯টি। তুলনামূলক হারে শূন্যপদ বেড়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩১০টি। তবে ডিসেম্বর নাগাদ তথ্য হালনাগাদ করলে অনুমোদিত ও শূন্যপদের সংখ্যা আরও বাড়বে।

এদিকে পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৭ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ১৩ লাখ ৪৭ হাজার এবং মহিলা ১৩ লাখ ৩০ হাজার। দক্ষ ও অদক্ষ মিলিয়ে যাদের বয়স ১৫ বছরের ওপরে।

সার্বিক বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চাকরির বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে সক্রিয় থাকা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হোসেন বুধবার যুগান্তরকে বলেন, সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ কমাতে হলে অবশ্যই চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধিসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা দ্রুত কমিয়ে আনতে হবে। তা না হলে শুধু পদ সৃষ্টি করে লাভ হবে না। যথাসময়ে নিয়োগ দেয়াটা জরুরি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে কর্মসূচির মধ্যে আছি। আমাদের পক্ষে সংসদীয় কমিটি ৩ দফা সুপারিশ করলেও সরকার সেভাবে আমলে নেয়নি। তবে ৩০ থেকে ৩২ বছর একটি প্রক্রিয়া চলমান আছে। যদিও আমরা ৩৫ করার দাবিতে অনড় আছি।’

ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, উচ্চশিক্ষায় এখনও গড়ে সেশনজট আড়াই বছর। যদিও সরকারিভাবে দাবি করা হয় ৫ শতাংশ। কিন্তু সেটি সত্য নয়। এছাড়া সরকারি চাকরির যোগ্যতা হিসেবে ২১ বছর নির্ধারণ করা আছে, যা এ যুক্তিতে একেবারে অকার্যকর। কেননা এ বয়সে দেশে কেউ অনার্স শেষ করতে পারেন না। তাই এসব যুক্তি বিবেচনায় নিলে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা অবশ্যই দাবি অনুযায়ী বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে অবসরের সীমাও বাড়তে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest