সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দেশের ৪ কোটি মানুষের কর দেওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

দেশের খবর: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশের চার কোটি মানুষের কর দেওয়া উচিত। বর্তমানে দিচ্ছে ত্রিশ লাখের মতো। মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে আয়কর মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররাফ হোসেন ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অর্থপ্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।
এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররাফ হোসেন ভূইয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে মেলার বন্ধন অনেক নিবিড়। কর জিডিপি রেসিও এখন আছে ১০ ভাগ, এটাকে আগামী কয়েক বছরে ১৫ ভাগে নিয়ে যেতে হবে।’
উল্লেখ্য, প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকেবে। আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত এ মেলা চলবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার জঙ্গিদের কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনে নামছে পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক: জঙ্গিদের কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সহিংস কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ও বিভিন্ন ঘটনায় আটক এবং সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিদের কাউন্সেলিং করা হবে। কাউন্সেলিং ও সাজাভোগ শেষে তাদের পুনর্বাসনেরও উদ্যোগ রয়েছে পুলিশের। কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন করে চরমপন্থা থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং তাদের পুনর্বাসন করতে হবে। না হয় তারা আবারও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
যে কারণে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনের কাজ ত্বরান্বিত করতে একটি ‘প্রতিরোধ কেন্দ্র’ স্থাপন করে সেখানে জঙ্গিদের মানসিকতা পরিবর্তনে কাজ করবে তারা।

জঙ্গি দমনে নিয়োজিত পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় জঙ্গিদের কাউন্সেলিং করলে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে কার্যকর ফলাফল আসতে পারে। তাছাড়া, সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিদের সাজা ভোগের পর উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে তাদেরকে সমাজের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনারও প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, শুধুমাত্র অভিযান চালিয়ে জঙ্গিবাদ নির্মূল সম্ভব নয়। তারা বলেন, জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে রোল মডেল। মধ্যপন্থী ইসলামী সংস্কৃতির দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সহনশীলতা ও সকল ধর্মের সহাবস্থানের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র নজির স্থাপন করেছে। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়া এই স্বাতন্ত্র্যবোধ এ অঞ্চলের জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু তথাকথিত কিছু চরমপন্থী জঙ্গি সংগঠনের সহিংসতা ও হানাহানির ফলে সেই স্বাতন্ত্র্যবোধ এখন হুমকির সম্মুখীন। বিভিন্ন সময়ে দেশে জঙ্গি হামলা ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সংগঠিত হয়েছে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসীরা সমাজের তরুণ সমাজকে সহিংস কার্যকলাপে উত্তেজিত করার জন্য ধর্মের অসম্পূর্ণ ও অপব্যাখ্যার আশ্রয় নেয়। যে কারণে সরকার সন্ত্রাসবাদ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধের জন্য একটি বিশেষ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেছে। এই ইউনিট সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধে প্রচুর কাজ করছে। পুলিশের এ ইউনিট শক্তিশালী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়তে সরকার সাড়ে তিনশ’ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় জঙ্গিদের ডি-র‌্যাডিকালাইজেশনের (চরমপন্থা থেকে ফিরিয়ে আনা) কার্যক্রমের মধ্যে সামাজিকভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অন্যতম। প্রতিরোধ কেন্দ্রের জন্য রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ১৩ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। যেখান থেকে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে। পুনর্বাসনের জন্য ট্রেনিং ওয়ার্কশপ ও সেমিনার করা হবে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন তদন্তকেন্দ্রের জন্য বিভিন্ন ধরণের ২৭ সেট যন্ত্রপাতি ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম কেনা হবে। এছাড়াও এই কেন্দ্রের জন্য প্রিজন ভ্যান, এক্সপ্লোসিভ অর্ডানেন্স ডিসপোজাল ভ্যান ও আর্মার্ড পারসোনাল ক্যারিয়ারসহ (এপিসি) বেশ কিছু যানবাহনসহ ও আনুসাঙ্গিক সরঞ্জাম কেনা হবে।

পুলিশ সদর দফতরের ইন্টেলিজেন্স উইং ল’ফুল ইন্টারসেপশন সেলের (এলআইসি) প্রধান ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে তাদের অপারেশনাল কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। পাশাপাশি জঙ্গিদের চরমপন্থা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য কাউন্সিলিংয়ের কাজও করা হবে। এটাতে অনেকগুলো পেইজ আছে। তবে যে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে সেটা একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কাজ শুরু করতে আরও অনেকগুলো ধাপ পার হতে হবে।

পুলিশের উদ্যোগে কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন জঙ্গি দমনে কোনও ধরনের সুফল পাওয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে রিজিওনাল অ্যান্টি টেররিস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, কাউন্সেলিং বা মোটিভেশনতো জাতিগতভাবেই দরকার। সকল মানুষের জন্য দরকার। বিশেষ করে ধর্মান্ধতা, উগ্রবাদিতায় যারা জড়িত তারাতো অন্ধত্বের মধ্যে আছে। না বুঝে করছে এসব। সুতরাং তাদেরকে বোঝাবার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দায়িত্ব অনেক রকম। তারমধ্যে কাউন্সেলিং বা মোটিভেশনাল প্রোগ্রাম, এটা ঠিক আছে। কিন্তু শুধু মোটিভেশন দিয়ে কাজ হবে না। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে শক্তভাবে আইনগত ব্যবস্থাও নিতে হবে। আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অনেক জঙ্গি আছে যারা জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারও জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। একাধিকবার ধরা পড়েছে। জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারও একই কাজে জড়িয়ে পড়েছে। তারা যাতে ছাড়া না পায় সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তারা এতই অন্ধ যে তারা আদালত ও পুলিশের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে বলছে, তারা যা করেছে ঠিক করেছে। তারা অস্বীকার করেনি যে আমরা এটা করিনি। তারা বলেছে এটাই তাদের কাজ। এটা আল্লাহর হুকুম। যারা তাদের এ পথে নিয়ে এসেছে তারা দীর্ঘ মোটিভেশনের মাধ্যমেই করেছে। সুসংগঠিত একটি রাজনৈতিক শক্তি এর পেছনে রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। তাই মোটিভেশন দরকার। দ্বিমত করছি না। কিন্তু মোটিভেশনের পাশাপাশি তাদের কঠোর শাস্তিও নিশ্চিত করতে হবে। না হয় এটা লোক দেখানো হবে। সরকারের অর্থের শ্রাদ্ধ হবে। কোনও কাজে আসবে না। শুধু পুলিশ কিংবা সরকারি কর্মকর্তা দিয়ে মোটিভেশন হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতিসংঘের ঠিকাদারের ওপর হামলা; নিহত ৩, আহত ৪

বিদেশের খবর: মালির গোলযোগপূর্ণ উত্তরাঞ্চলে সোমবার এক আত্মঘাতী হামলায় অন্তত তিন বেসামরিক লোক নিহত এবং মাইন অপসারণে জাতিসংঘের সাথে চুক্তিতে কাজ করতে আসা চার বিদেশী শ্রমিক আহত হয়েছে। নিহতরা মালির নাগরিক।
দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সূত্র একথা জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট এক জঙ্গি গোষ্ঠী এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। স্থানীয় সময় রাত আটটার দিকে গাও নগরীতে এ হামলা চালানো হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মন্ত্রণালয় জানায়, ‘একটি আবাসিক কমপ্লেক্স চত্বরে বিস্ফোরক ভর্তি একটি গাড়ির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।’
এতে আরো বলা হয়, এই ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে আশপাশের কয়েকটি বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
পশ্চিমা একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ‘ গাওয়ে সোমবারের এই সন্ত্রাসী হামলায় দুই কলম্বিয়ান, এক দক্ষিণ আফ্রিকান ও এক জিম্বাবুয়ের নাগরিক আহত হয়েছেন। এরা জাহিসংঘের মাইন অপসারণ কার্যক্রমের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের (ইউএনএমএএস) সাথে সাবকন্ট্রাকে কাজ করতেন।
গ্রুপ টু সাপোর্ট ইসলাম অ্যান্ড মুসলিম (জিএসআইএম) নামের একটি জঙ্গি গোষ্ঠী এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ.লীগের মনোনয়ন চাইলেন সিইসির ভাতিজা

দেশের খবর: একদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার ভাগ্নে এসএম শাহজাদা সাজু। তিনি ইতোমধ্যে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনে জামাও দিয়েছেন।
গত শুক্রবার তিনি রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগের সভাপতির কার্যালয় থেকে বিতরণকৃত মনোনয়ন ফরম কেনেন। পরে রবিবার তিনি জমাও দেন। তার মনোনয়ন চাওয়াতে অনেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আইটি ইঞ্জিনিয়ার এসএম শাহজাদা সাজুর ‘সুন্দরবন টাইলস’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
মনোনয়ন পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে এসএম শাহজাদা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছি। আমার আসন থেকে আওয়ামী লীগের ২০ জনের অধিক আগ্রহী প্রার্থী মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তবে আমি মনোনয়ন পাবো বলে আশাবাদী।’
এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আ.খ.ম জাহাঙ্গীর হোসাইন। তিনি মোট ৪ বার এই আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। এছড়াও এই আসন থেকে ২০০৮ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন আলোচিত ব্যক্তিত্ব গোলাম মাওলা রনি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার আ.খ.ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, গোলাম মাওলা রনি, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীর হোসেন, দশমিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ মিয়াসহ মোট ১৫ জনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজায় ফের ইসরাইলি হামলা; নিহত ৩

বিদেশের খবর: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এবারের বিমান হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ খবর প্রকাশ করেছে।
গাজা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, সোমবার (১২ নভেম্বর) ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খবরে আরও বলা হয়, এর আগের দিন ইসরাইলি গুপ্ত হামলায় দুই কমান্ডারসহ সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিলেন।
এদিকে, গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, সোমবারের বিমান হামলায় তাদের টেলিভিশন স্টেশনের ভবন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। তবে আল-আকসা টেলিভিশনে চালানো হয় হামলায় কতজন হতাহত হয়েছে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিমান হামলার পাশাপাশি ইসরাইলি বাহিনী জনবহুল গাজা উপত্যকার বিভিন্ন অবস্থানে গোলাবর্ষণ করেছে।
খবরে বলা হয়েছে, দিনের শুরুর দিকে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলে কয়েকশ’ রকেট হামলার চালানোর পর তারা পাল্টা জবাব দিয়েছে।

ইসরাইল জানিয়েছে, ফিলিস্তিনিদের ছোঁড়া ৩০০টি মিসাইলের প্রায় সবগুলোই তাদের আইরন ডোম সিস্টেম ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। কিন্তু একটি মিসাইল একটি বাসে অপর আরেকটি দক্ষিণাঞ্চলীয় ইসরাইলের একটি ভবনে আঘাত হানে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ওই হামলায় একজন সেনাসদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

এর আগে রবিবার ইসরাইলি সেনারা অধিকৃত গাজা উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করে ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের একজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারকে হত্যা করেছে। ইসরাইলি সেনাদের ওই আগ্রাসী হামলায় হামাসের আরেকজন স্থানীয় কমান্ডারসহ আরও পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমি নিয়ে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক: লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার সাপটিবাড়ি ইউনিয়নের গিলাবাড়িতে জমি নিয়ে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ৭ জন।
মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) সকালে সাড়ে ৭টার দিকে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-ওই গ্রামের জালাল মিয়ার পুত্র আব্দুল জলিল মিয়া (৫০), আব্দুর গফুরের পুত্র গোলাম রব্বানি (৪৫) ও অছির উদ্দিনের পুত্র সহিদার রহমান।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্র জানায়, প্রতিবেশী খালেক মুন্সীর সাথে দীর্ঘ দিন থেকে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল জলিল মিয়ার। এ বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার সকালে জলিলের উপর অর্তকিত হামলা চালায় খালেকের বাহিনী। এতে দু’গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই জলিল নিহত হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর রব্বানী ও সহিদার মারা যায়।
আদিতমারি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৫ বছর পর চলচ্চিত্রে অপি করিম

বিনোদনের খবর: চমকপ্রদ খবর! বহু বছর পর চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন অপি করিম। দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণাধীন ‘ডেব্রি অব ডিজায়ার’ ছবিতে দেখা যাবে তাকে। এর শুটিং করতে তিনি এখন কলকাতায়। কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই ছোটগল্প ‘বিষাক্ত প্রেম’ ও ‘সুবালা’ অবলম্বনে সাজানো হয়েছে ছবিটির চিত্রনাট্য।

জানা গেছে, ছবিটিতে অপির চরিত্রের নাম সোমা। মেয়েটি কলকাতার। সে বিবাহিতা। স্বামী আর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। তবে স্বামী বেকার। এ কারণে সন্তানকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াতে চাকরি করে সোমা। কলকাতার পর ঢাকায় ছবিটির কিছু অংশের শুটিং হবে।

২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচালনায় ‘ব্যাচেলর’ ছিল অপি করিমের প্রথম চলচ্চিত্র। এরপর আর বড় পর্দায় পাওয়া যায়নি তাকে। ‘ডেব্রি অব ডিজায়ার’-এর মাধ্যমে আবারও চলচ্চিত্রে ফিরছেন তিনি।

এ ছবিতে অপির স্বামীর চরিত্রে থাকছেন কলকাতার একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তার নাম ও অন্যান্য অভিনয়শিল্পীর তালিকা শিগগিরই প্রকাশ হবে বলে প্রযোজকরা জানান। যৌথ প্রযোজনার নতুন নীতিমালার আওতায় এই ছবিকেই প্রথম অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

‘ডেব্রি অব ডিজায়ার’ পরিচালনা করছেন কলকাতার প্রশংসিত নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। তার সঙ্গে মিলে এটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছেন বাংলাদেশি নির্মাতা জসীম আহমেদ। প্রাথমিকভাবে ছবিটির বাংলা নাম রাখা হয়েছে ‘মায়ার জঞ্জাল’। তবে এটি পরিবর্তন করা হবে।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেই ছোট গল্পকে একফ্রেমে নিয়ে আসার ব্যাপারে ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী ও জসীম আহমেদ জানান, দুটি আলাদা গল্প। তবে চিত্রনাট্য এমনভাবে সাজানো হয়েছে, শেষে গিয়ে দুটি গল্প মিলে গেছে একই মোহনায়।

যৌথ প্রযোজনার উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে ইন্দ্রনীল ও জসীম আহমেদ বলেন, ‘আমাদের বন্ধুত্ব অনেকদিনের। দুজনেরই প্রধান উৎসাহের বিষয় সিনেমা। ঢাকা ও কলকাতায় চলচ্চিত্র চর্চার ইতিহাস বহু পুরনো। দুই দেশেই চলচ্চিত্র কর্মীদের দক্ষতা ও প্রতিভা প্রশ্নাতীত। তবুও পরীক্ষামূলক বাংলা ছবির পিঠ ক্রমে দেয়ালে ঠেকে যাচ্ছে। সিনেমা হল থেকে সরে যাওয়ার পরে তা ইন্টারনেট বা টেলিভিশনের মাধ্যমে জনপ্রিয় হলেও প্রযোজকরা বিনিয়োগ তুলে আনতে পারছেন না। এককথায় অন্যধারার বাংলা ছবির ব্র্যান্ড পারসেপশন দর্শকের কাছে খুব দুর্বল।’

ইন্দ্রনীল ও জসীম আহমেদ মনে করেন, এই অবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার উপায় হলো বাংলা ছবিকে আন্তর্জাতিক বাজারে কাছে নিয়ে যাওয়া। তারা বলেছেন, ‘এতে দর্শকের কাছে বাংলা ছবির ব্র্যান্ড পারসেপশনে পরিবর্তন আসার পাশাপাশি ‘ডেব্রি অব ডিজায়ার’ ছবির একটা আন্তর্জাতিক বাজার খুলে গেলে তার প্রভাব আমাদের দুই বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য সুদূরপ্রসারী হবে।’

দুই প্রযোজকের তথ্য অনুযায়ী, ‘ডেব্রি অব ডিজায়ার’ ছবির বাজেট সীমিত। তাদের ভাষ্য, ‘আপাতদৃষ্টিতে এই ছবি তথাকথিত মনোরঞ্জনমূলক নয়। তবে আমাদের উদ্দেশ্যের সিকিভাগও সফল হলে তার প্রভাব দুই বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য সার্বিকভাবে ইতিবাচক হবে।’

২০১৩ সালে ‘ফড়িং’ ছবির মাধ্যমে পরিচালনায় আসেন ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। এরপর ‘একটি বাঙালি ভূতের গপ্পো’ ও ‘ভালোবাসার শহর’ ছবি দুটি পরিচালনা করেন তিনি। এ দুটিতে ছিলেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান।

অন্যদিকে জসীম আহমেদ তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি পরিচালনা করে দেশ-বিদেশে খ্যাতি পেয়েছেন। এগুলো হলো ‘দাগ’, ‘অ্যা পেয়ার অব স্যান্ডেল’ ও ‘চকোলেট’। ‘ওয়ার্ল্ড হোম অব শর্টস মুভিজ’ খ্যাত শর্টস ইন্টারন্যাশনাল তার তিনটি ছবিরই বিশ্ব পরিবেশনার জন্য চুক্তি করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কথা কূটনীতিকদের জানাল বিএনপি

দেশের খবর: ক্ষমতাসীন জোটের সঙ্গে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত সংলাপের ফল এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের জানিয়েছে বিএনপি।
সোমবার বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান দলের পক্ষে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ কূটনীতিকদের অবহিত করেন। দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র ইউএনবিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তাঁরা বিদেশি কূটনীতিকদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছেন। তিনি জানান, বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া বৈঠক ঘণ্টাব্যাপী চলে।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউ, ইউএন, কানাডা, ভারত, পাকিস্তান, চীন, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ডসহ ৩৫টি দেশের কূটনীতিকরা বৈঠকে অংশ নেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দিন আহমেদ অন্যদের মধ্যে বৈঠকে অংশ নেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, বিএনপি নেতারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন; নির্বাচন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে তাঁদের দুই দফা সংলাপ সম্পর্কে কূটনীতিকদের জানানো হয়েছে। সরকারের ‘অনমনীয়’ মনোভাবের কারণে সংলাপ ফলপ্রসূ হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

বিদেশি কূটনীতিকদের তাঁরা আরো জানিয়েছেন, তাঁদের দল ও জোট গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচনে যোগ দিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সরকার ও নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিশ্চয়তার পরও ‘গায়েবি’ মামলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার চলমান রয়েছে বলেও কূটনীতিকদের জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বিএনপি নেতা বলেন, ‘নির্বাচনের তফসিল এবং পুনঃতফসিল ঘোষণায় নির্বাচন কমিশন যে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করেছে, আমরা সে বিষয়টিও কূটনীতিকদের জানিয়েছি।’
বিএনপি নেতা জানান, তাঁরা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন উদ্বেগের কথাও কূটনীতিকদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে প্রশংসা করেছেন কূটনীতিকরা এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র দৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest