সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নতুন রাজনীতির যুগে বাংলাদেশ: মিজানুর রহমান খান

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবেই এক নতুন যুগের রাজনীতিতে প্রবেশ করেছে। শত প্রতিকূলতা নিয়েও দেশটির প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে।

অনেকে ভাবতেই পারেননি যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলুপ্তি, রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড লাভের মতো ঘটনা এবং সেই সঙ্গে অল্প সময়ের ব্যবধানে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার যথাক্রমে ৭ ও ১০ বছরের কারাদণ্ড, প্রার্থী হতেই অযোগ্য হওয়া এবং দলীয় গঠনতন্ত্রের আওতায় মাতা-পুত্র উভয়ের নেতৃত্ব অকার্যকর হওয়ার মতো রূঢ় বাস্তবতায় তারা নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

বিএনপি ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনই কেবল নয়, তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে বয়কট শুরু করেছিল ২০১১ সালের জুন মাসে, যখন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বিলোপ করা হয়েছিল। সে হিসেবে নিরঙ্কুশ দলীয় সরকারের অধীনে প্রধান বিরোধী দলকে নির্বাচন করাতে রাজি করানো বিরাট ঘটনা। এ জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের ধন্যবাদ প্রাপ্য।

এখন এর প্রতি ন্যূনতম রাজনৈতিক মর্যাদা দেখানো ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্ব। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো কিংবা এর আগে ৭ দফা দাবির পরে গণভবনে সংলাপে আমন্ত্রণ জানিয়ে দৃশ্যমান কোনো সুবিধা বা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার মতো তেমন কিছুই না দিতে পারা ভালো কথা নয়। তাই ক্ষমতাসীন দলের এখন উচিত হবে বিরোধী দলের প্রতি সংবিধানসম্মত কোনো শুভেচ্ছা-ছাড় জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা। এটা ঠিক, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি সংসদে থাকা অবস্থায় তাদের কথিতমতে পাঁচটি মন্ত্রণালয় দেওয়ার একটি অস্পষ্ট এবং অনির্দিষ্ট প্রস্তাব বাতাসে ভাসছিল। কে কবে কোন কোন মন্ত্রণালয় দেওয়ার কথা বলেছিল, তার কোনো দালিলিক তথ্য আমাদের জানা নেই। কিন্তু সব থেকে আশ্চর্যের হলো, এবার ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায়ের দোহাই দিয়ে চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে পদত্যাগ করানো হয়েছে। প্রথম আলোতেই প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে, মন্ত্রীরা বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায় বলেছে, নির্বাচনকালে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যাবে না।’ অথচ এটা সঠিক নয়। ওই রায়ে এমন কিছুই বলা নেই। উপরন্তু সংবিধান অনুযায়ী সরকার চাইলে বিএনপি মনোনীত এমন একাধিক ব্যক্তিকে মন্ত্রী করা সম্ভব। এখন এমন ভাব করা হচ্ছে, সংবিধান বাধা না দিলে কী হবে, বিএনপি সংসদে নেই বলেই আগের প্রস্তাব তামাদি হয়ে গেছে!

সত্যিই তো, বাস্তবে বিএনপিকে কৌশলগতভাবে ‌‌‘হারিয়ে দেওয়া’ সম্ভব হয়েছে, সুতরাং এখন তাকে আরও বেকায়দায় ফেলতে নাকি আইনের আওতায় তাকে যথা অধিকার দিতে রাষ্ট্রযন্ত্র যথা আচরণে কতটা কী কাজ করে, সেটা দেশে-বিদেশে দেখার বিষয় হয়ে থাকবে।

ইউপি নির্বাচনে আমরা দেড় শ মানুষ খুন হতে দেখেছি। আশা করব আওয়ামী লীগ এখন নির্বাচনী আইন ও তার নিজের গঠনতন্ত্র মেনে প্রার্থী বাছাই এবং কম সহিংস উপায়ে তার ঘর সামলাতে সক্ষম হবে। মনোনয়ন ফরম বিতরণ নিয়ে সহিংসতায় যে দুটি প্রাণ আমরা ঢাকায় হারাতে দেখেছি, তা আমাদের গভীরভাবে বিচলিত করেছে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে রাজনীতিতে এই যে নতুন অগ্রগতি, তাতে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করি। উভয় পক্ষের সংযম দরকার, বিশেষ করে বিরোধী দল ও মত দলন বন্ধ হোক।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরকে বলা যেতে পারে বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার একটি অধ্যায়ের অবসান ঘটানোর দিন। সেদিন একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিতর্কিত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর যে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করে, তারই পরিণতিতে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল। রাজনৈতিক ভুলের খেসারত বিএনপিকে নয়, সমগ্র জাতিকে দিতে হয়েছে।

২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাসের পর বিএনপি রাজপথে যে রাজনৈতিক বিরোধের ফয়সালা করতে চেয়েছিল, তাতে তারা সফল হয়নি। বরং ২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে তাকে আগুন ও বোমাবাজির অপবাদ নিতে হয়েছে।

সেই বিবেচনায় আজ রাজনীতি নতুন মোড় নিয়েছে। এখন নির্বাচনটি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অবাধ ও সুষ্ঠু হলে সেটি হবে ষোলো কোটি মানুষের বিজয়। এখন সকল মত ও পথের রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মেলবন্ধন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, এই দেশ সবার। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যতই মতভেদ থাকুক না কেন, সেটি নিষ্পত্তি করতে হবে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায়। সরকারের দমন-পীড়ন কিংবা বিরোধী দলের জ্বালাও-পোড়াও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রাজপথে রাজনৈতিক মতবিরোধের কিনারা হবে না।

বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার একটি বড় রাজনৈতিক বৈধতা পেল, যা সংবিধান এত দিন তাদের দিতে পারেনি। এখন আমরা আশা করব, এই বৈধতাদানের বিষয়টি যে একতরফা বা চিরস্থায়ী নয়, ক্ষমতাসীন দল সেটি তাদের দায়িত্বশীলতা দিয়ে পরিষ্কার করবে। জনপ্রশাসনকে আইনের পথে হস্তক্ষেপ ছাড়াই চলতে দিতে হবে।

একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা সত্যিই নতুন কিছু পেতে পারি। আমাদের জনগণ সত্যি এর থেকে ভালো কিছু পাওয়ার হকদার।

অতীতে কখনোই একটি শক্তিশালী বিরোধী দল ক্ষমতাসীন মন্ত্রিসভার অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এমন ঘটনা ঘটেনি। ১৯৭৩ সালে দেশের প্রথম সংসদ নির্বাচনে সংগত কারণেই কোনো শক্তিশালী বিরোধী দলের অবস্থান ছিল না এবং সামরিক বা আধা সামরিক শাসন আমলে আওয়ামী লীগ যদিও ‘দলীয় সরকারের’ অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল, কিন্তু তারা যথেষ্ট প্রতিকূল অবস্থায় ছিল।

আমাদের এটা বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে সারা দেশের ভোটাররা, বিশেষ করে জনগণ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল এবং তারা এখন সতর্কতার সঙ্গে আশা করতে শুরু করবে যে আসন্ন ভোট গ্রহণের পর্বটি উৎসবে পরিণত হতে পারে। বাংলাদেশ যদি সহিংসতামুক্ত পরিবেশে আসন্ন নির্বাচন করতে পারে, তাহলে সেটা শেখ হাসিনার অধীনে থাকা উন্নয়নের রথকে আরও বেগবান ও টেকসই করবে। তৈরি হবে নতুন এক ইতিহাস। এই অর্জন তাঁকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল পিছিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের কোনো আপত্তি নেই। এটা ভালো কথা। তবে আশা করব যে আচরণবিধি পরিপূর্ণভাবে পালন করার মধ্য দিয়ে উত্তম পরিবেশ বজায় রাখাটা সরকারি দল বিশেষ বিবেচনায় রাখবে।

যে প্রচলিত নিয়মকানুন, বিশেষ করে যে নির্বাচনী আচরণবিধি রয়েছে, তা যদি নিরপেক্ষভাবে নির্দলীয়ভাবে এবং নির্ভুলভাবে প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, তাহলেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হতে পারে। সংসদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারলেই ভালো হতো। বিধিবিধান মানলে সংসদ রাখলেও প্রতিপক্ষের বড় ক্ষতি হবে না। সংসদ ভেঙে আচরণবিধি না মানলে খুব লাভ হবে না। লঙ্ঘনের ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি থাকবে, তাদের কাজ হবে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকা।

সভা-সমিতি অনুষ্ঠানসংক্রান্ত যে বাধানিষেধের কথা বলা আছে, সেটা সরকারি দল ও মিত্ররা এখনই ভালোভাবে অনুসরণ করতে পারে। আচরণবিধি বলছে, ‘নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি প্রচারণার ক্ষেত্রে সমান অধিকার পাবে। শোভাযাত্রা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সভার সময় ও স্থান সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিতভাবে জানালেই হবে।’ এখন পুলিশ একচোখা নীতি অনুসরণ করলে কে প্রতিকার দেবে? আইনত প্রতিকার করার কথা ইসির। কিন্তু ইসি যদি কারও অঙ্গুলি হেলনে চলে তখন কী হবে?

আচরণবিধি বলছে, সভার অনুমতির লিখিত আবেদনপ্রাপ্তির ক্রমানুসারে প্রদান করতে হবে। সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে এটা নিশ্চিত করার কথা ইসির। তারা পারবে কি? বিধি বলছে, প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে তার স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে, যাতে ওই স্থানে চলাচল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তার মানে, পুলিশকে বশে রাখতে ইসিকে সজাগ থাকতে হবে। এর লঙ্ঘন ঘটালে এখন আর সরকার নয়, ইসিকে দায় নিতে হবে। সংবিধান এটাই নির্দেশ করছে।

সতর্কীকরণ: বিএনপি নিজে নয়, ঐক্যফ্রন্টের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সুতরাং একটা ফাঁক তারা রেখেছে।

মিজানুর রহমান খান: মিজানুর রহমান খান প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক।
mrkhanbd@gmail.com

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন জমা দেয়ার সময় বাড়াল অা’লীগ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল অাওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা দেয়া সময় বাড়িয়ে দলটি। দীর্ঘ ভিড়ের কারণে জমা নেয়া সময় বাড়িয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত মনোনয়ন জমা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটি উপ-দফতর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।
এর আগে সোমবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমার শেষ সময় বেধে দিয়েছিলো দলটি।

প্রসঙ্গত গত শুক্রবার বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে মনোনয়ন ফরম বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে। ৩০০ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ইতি মধ্যে ৪ হাজারের ওপরে মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে দলটি।
আগামী বুধবার (১৪ নভেম্বর) ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন কনকচাঁপা

বিনোদনের খবর: চারদিকেই নির্বাচনী হাওয়া বইছে। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গুলোর নেতারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনোনয়ন কেনা সুরু করেছে। এবার ক্ষমতাশীল দলে দেখা গিয়েছে চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ও ক্রিয়া অঙ্গনের অনেকেই মনোনয়ন পত্র কিনছেন। দেশের অন্য একটি দল বিএনপিও পিছিয়ে নেই। এবার বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র কিনলেন সঙ্গীত শিল্পী কনকচাঁপা।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের জন্য বিএনপির প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন তিনি। সোমবার (১২ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী।

কনকচাঁপা বলেন, ‘আমি একজন গানের মানুষ। দীর্ঘদিন গান করে আসছি। গান ছাড়ছি না। তবে গানের পাশাপাশি গণমানুষের পাশে থাকতে চাই।’

নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আর দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার অবস্থান থেকে সরে এসে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এ জন্য সোমবার (১২ নভেম্বর) সকাল থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করেছে তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ ইসির

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের পরদিন পহেলা জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১২ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান স্বাক্ষরিত এসংক্রান্ত চিঠিতে এ নির্দেশ দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, মোবাইল কোর্ট আইন অনুযায়ী, ২০০৯-এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালের জন্য প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় ভোটগ্রহণের পরের দিন পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা প্রয়োজন।
প্রতিটি উপজেলায় একজন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত প্রতি ৩ থেকে ৪টি ওয়ার্ডের জন্য একজন, সিটি করপোরেশন ছাড়া জেলা সদরে প্রতি পৌর এলাকায় এক থেকে দুইজন এবং পাবর্ত্য এলাকায় ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত ৩ থেকে ৪টি উপজেলার জন্য একজন করে নির্বাাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ছাড়া সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) সংশ্লিষ্ট উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে। যেসব সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মরত নেই, সেসব উপজেলায়, জেলা পর্যায়ে কর্মরত প্রশাসন ক্যাডারে কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে অথবা বিভাগীয় বা অন্য কোনো অফিস/ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রশাসন ক্যাডারে কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্বাচনের আচরণবিধি পালনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ জানায় ইসি।

এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান জানান, নির্বাচনের তারিখ পেছানো হয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশনা ৮ নভেম্বর থেকে ভোটের পরের দিন (১ জানুয়ারি) পর্যন্ত বলবত থাকবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আচরণ বিধি লঙ্ঘন হলে সেখানেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ঘোষণা করেছে ইসি। আর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর। তবে নির্বাচন পেছালেও এই নির্দেশনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হিরো আলমও কিনছেন মনোনয়নপত্র

বিনোদনের খবর: অনেক দিন থেকেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা বলে আসছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জনপ্রিয় মুখ ‘হিরো আলম’। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। সেই দিনটি সামনে রেখে চলছে বিভিন্ন দলের মনোনয়নপত্র বিতরণ। প্রস্তুত হিরো আলমও। আজকেই (সোমবার) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন বলে জানান তিনি। বগুড়া-৬ আসন থেকে এমপি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা।
তবে কোন দলের হয়ে নির্বাচন করবেন এখনই নিশ্চিত করে কিছুই জানাননি। সোমবার দুপুরে হিরো আলম বলেন, ‘ভাবছি আজই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবো। জাতীয় পার্টিসহ দুটি দলের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তবে কোন দল থেকে মনোনয়ন নেব ভাবছি। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার পরই জানাবো বিষয়টি।’

হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমি নিজে গরিব, আমি গরিবের কষ্ট বুঝি। মানুষের উপকারে আসার চেষ্টা করি সব সময়। অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আমি আজকের হিরো আলম হয়েছি। নিজের জনপ্রিয়তা দিয়েই এমপি হতে চাই। আমার গর্ব আমি বগুড়ার সন্তান। তাই বগুড়া নিয়েই আমার স্বপ্ন বেশি। আমি এলাকার মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই।’
গত শুক্রবার থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগ। আজ (সোমবার) থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ করছে বিএনপি, রোববার থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন বিতরণ।
হিরো আলমের আসল নাম আশরাফুল হোসেন আলম। এর আগে তিনি জানিয়ে ছিলেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে অংশ নিতে চান তিনি। হিরো আলম আসলেই কি স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচন করবেন নাকি কোনো দলের হয়ে নির্বাচন করবেন জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আজকের দিনটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐক্য নিয়ে এগিয়ে যেতে বললেন খালেদা

দেশের খবর: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র কেনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দলটির শীর্ষ পাঁচ নেতা পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে দলীয় প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎ শেষে খালেদা জিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, জনগণের জন্য যে ঐক্য করা হয়েছে, তা নিয়ে এগিয়ে যেতে বলেছেন তিনি। খালেদা জিয়া সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। তার শারীরিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ, অনেক দিন পর তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পেলাম। ওনাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেখান থেকে আবার কারাগারে নেয়া হয়েছে।
এ সময় খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তির দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব।

এর আগে দুপুর সোয়া ২টায় বিএনপির পাঁচ নেতা কারাগারে দলীয় প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে যান। বিএনপি মহাসচিবসহ অন্য নেতারা হলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় বের হন তারা।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তিনটি সংসদীয় আসন থেকে খালেদার পক্ষে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপি নেতারা। দুর্নীতি মামলায় দণ্ড নিয়ে কারাবন্দি খালেদা জিয়া আইনি জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়েমেনে হুথিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা, নিহত ১৪৯

বিদেশের খবর: ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত জোটের সঙ্গে সরকারি বাহিনী হুথি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে কয়েক দফা বিমান হামলা চালিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ বিমান হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিকসহ ১৪৯ জন নিহত হয়েছে। দেশটির হুদাইদাহ শহরে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথি বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

হুদাইদার স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নতুন করে এই সংঘর্ষে ১১০ হুথি বিদ্রোহী এবং সরকার বাহিনীর ৩২ সদস্য নিহত হয়েছে।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি ১০ মিনিটে একজন শিশু প্রাণ হারাচ্ছে ইয়েমেনে। ইয়েমেনে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর অন্যতম বন্দর হচ্ছে হুদাইদাহ।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ইয়েমেনে সংঘাত শুরু হয়। এরপরেই রাজধানী সানা দখল করে নেয় হুথি বিদ্রোহীরা। ২০১৫ সালে সৌদি জোট ইয়েমেনে অভিযান শুরু করে সৌদি জোট। চলতি বছরের জুনে হুদাইদাহ দখলের জন্য নতুন করে অভিযান শুরু করে সৌদি জোট। এরপর থেকেই দু’পক্ষের লড়াই চলছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বেসামরিক নাগরিকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির মনোনয়নপত্র নিলেন বেবী নাজনীন ও হেলাল খান

রাজনীতির খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপির মনোনয়নপত্র নিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন ও চিত্রনায়ক হেলাল খান। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাত থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তারা।

বেবী নাজনীন নিলফামারী-৪ এবং হেলাল খান সিলেট-৬ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর বেবী নাজনীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাচ্ছে। আমিও তার শরিক হয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাই। নির্বাচিত হয়ে নীলফামারীর মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে আমি দীর্ঘদিন এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি। তাই আমার বিশ্বাস এই আসনটি ম্যাডামকে উপহার দিতে পারবো।

মনোনয়নপত্র নেওয়ার পর বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান বলেন, বিরানীবাজার সিলেট-৬ আসন থেকে আমি নির্বাচন করতে চাই। আমরা প্রত্যাশা করছি দেশের জনগণ ধানের শীষে ভোট দিতে অধীর আগ্রহে বসে আছে। ইনশাল্লাহ আমরা জয় যুক্ত হবো, বাংলাদেশ সুশাসন ফিরে পাবে এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest