সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবু

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পেঁপের বীজ

স্বাস্থ্য কণিকা: সুস্বাস্থ্যের জন্য বহু কাল ধরেই মানুষ পেঁপে ব্যবহার করে আসছে। পাকা পেঁপে ফল হিসেবে খাচ্ছে আবার রান্নায় ব্যবহার করা হচ্ছে কাঁচা পেঁপে। পেঁপে যেই অবস্থায় খান না কেনো এর নানা ধরনের পুষ্টিগুণ আপনাকে নানা ধরনের উপকার করে থাকে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে আমরা কিন্তু সবসময় পেঁপে নিয়েই মেতে থাকি। পেঁপের বীজে যে ভাটামিন ও মিনারেল নানা ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে তা আমরা অনেকই জানি না। তাহলে পেঁপের বীজ নিয়ে কি বলছেন এখন বিশেষজ্ঞেরা? আসুন আজ আমরা জেনে নেই পেঁপের বীজ আমাদের কি কি উপকারে লাগে।

যকৃতের সুরক্ষায়: আমরা সবাই জানি ত্বকের যত্ন থেকে শুরু করে ক্যান্সার প্রতিরোধ, সব কিছুতেই পেঁপের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, পানি ও দইয়ের সঙ্গে পেঁপে বীজের মিশ্রণ তৈরি করে নিয়মিত পান করলে যকৃত ভালো থাকে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে: ডেঙ্গু জরের সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলেই প্লেটলেট কমতে শুরু করে। এই সময় নিয়মিত পেঁপে বীজ এবং পেঁপে পাতা খেলে প্লেটলেট আবার স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।

ঋতুস্রাবের ব্যথা: ঋতুস্রাবের সময় অসহ্য যন্ত্রণার জন্য মেয়েরা কতো কিছুই না করে থাকেন। তারপরেও যেন ব্যথা থেকে মুক্তি মিলে না। পিরিয়ডের ব্যথা সম্পূর্ণ উপশমের কোনো উপায় নেইও। তবে কিছু জিনিস মেনে চললে ব্যথা অনেক বশে থাকবে। তাই পিরিয়ড চলাকালীন পেঁপে বীজের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান। ব্যথা অনেক কম হবে।

ক্ষতিকর জীবাণু নাশক: পেঁপের বীজ আমাদের দেহে জীবাণু নাশক হিসাবে কাজ করে। কারণ পেঁপে বীজে রয়েছে প্রোটিওলাইটিক উৎসেচক, যা দেহে বাসা বাঁধা নানা ক্ষতিকর জীবাণু নাশ করে। দেহে প্রোটিন বিপাকে সাহায্য করে, পাশাপাশি, ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

বিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে: পেঁপে আমাদের বিপাককৃয়ায় অনেক সাহায্য করে এটা আমরা সবাই জানি। তবে পেঁপের বীজ আমাদের দেহের মধ্যে প্রোটিন ফাইবারকে ভাঙতে এবং হজম প্রক্রিয়াকে অনেক দ্রুত করে পেঁপে বীজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ কথাশিল্পী হুমায়ুন আহমেদ’এর ৭১তম জন্মদিন

অনলাইন ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির অন্যতম পথিকৃৎ ,খ্যাতিমান কথাশিল্পী, চলচ্চিত্র-নাটক নির্মাতা হুমায়ুন আহমেদের ৭১তম জন্মদিন।
হুমায়ুন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকেনা জেলার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়েজুর রহমান। মা আয়েশা ফয়েজ। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই বাংলা সাহিত্যের এই সৃষ্টিশীল ও জনপ্রিয় লেখক যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ইন্তেকাল করেন।
বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
হুমায়ুন আহমে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশক লেখালেখির সাথে যুক্ত ছিলেন। গত দশকের একজন সৃষ্টিশীল ও জনপ্রিয় লেখক হচ্ছেন হুমায়ুন আহমেদ। শিক্ষকতায় ছিলেন দীর্ঘদিন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরববর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন।

তার প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বই হচ্ছে, জ্যোছনা ও জননীর গল্প,মধ্যাহ্ন,কিশোর সমগ্র,হিমুর আছে জল,লীলাবতী,হরতন ইস্কাপন,হিমুর বাবার কথামালা,গল্প পঞ্চাশ,আমিও মিছির আলী,হিমু রিমান্ডে,মিছির আলীর চশমা,দিঘির জলে কার ছায়া গো, আজ হিমুর বিয়ে, লিলুয়া বাতাস,কিছু শৈশব,হুমায়ুন আহমেদের ভৌতিক অমনানিবাস,আগুনের পরশমনি,পাপ ৭১, শ্রাবণ মেঘের দিন। তার নির্মিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে শংখনীল কারাগার, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী,চন্দ্রকথা,শ্যামল ছায়া।

সাহিত্যে অবদানের জন্য হুমায়ুন আহমেদ একুশে পদক,বাংলা একাডেমী পুরস্কার,লেখক শিবির পুরস্কার,মাইকেল মধুসূদন পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মটরশুঁটির পুষ্টিগুণ

অনলাইন ডেস্ক: শীতকালীন সবজি মটরশুঁটিতে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। তবে এটি পুষ্টিগুণে বেশ ভরপুর। এতে পর‌্যাপ্ত ভিটামিন ও মিনারেলের পাশাপাশি রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, লুটেইন। যেগুলো আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়।

মটরশুঁটি খেলে কী কী উপকার পাওয়া যায় সেগুলো জেনে নেওয়া যাক-

১. ফাইবার সমৃদ্ধ মটরশুঁটি পেট পরিষ্কার করে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত হতে ফাইবার সমৃদ্ধ মটরশুঁটি বেশ কার‌্যকরী। মটরশুঁটি বিপাকের উন্নতি ঘটায়।

২. মটরশুঁটি আঁশসমৃদ্ধ হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকতে সাহায্য করে। তাছাড়া এতে ক্যালোরির পরিমাণও কম থাকে। এক কাপ মটরশুঁটিতে আনুমানিক ১১৮ ক্যালোরি থাকে। ওজন কমানোর দাওয়াই মটরশুঁটি।

৩. মটরশুঁটির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‌্যাডিকেলের ক্ষতি কমায় এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়।

৪. মটরশুঁটিতে নিয়াসিন থাকে, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। মটরশুঁটিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালী ব্লক হওয়া প্রতিরোধ করে।

৫. মটরশুঁটিতে ভিটামিন কে থাকে যা ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে, ফলে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

৬. মটরশুঁটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান থাকে। শরীর সুস্থ্য রাখার পাশাপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মিছিল-মহড়া বন্ধের ব্যবস্থা নিচ্ছে ইসি

দেশের খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মিছিল, শোভাযাত্রা ও মহড়া বন্ধের ব্যবস্থা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সাথে তফসিল আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাহী হাকিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিচ্ছে ইসি।

সোমবার (১২ নভেম্বর) আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যবস্থা নিতে উপজেলায় একজন করে নির্বাহী হাকিম নিয়োগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান।
সেই সঙ্গে ‘তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তির মিছিল-শোডাউন আচরণবিধি লঙ্ঘন’ উল্লেখ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি দিচ্ছে ইসি।
ইসির নির্বাচন কমিশন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, রাজনৈতিক দলের ফরম সংগ্রহকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকদের মিছিল-শোভাযাত্রার বিষয়টি নজরে এসেছে কমিশনের। দলগুলোর কেন্দ্রীয় কার্যালয়কে ঘিরে চলছে মহড়া। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন। এ বিষয়ে পুলিশকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দফতর ও ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত আচরণবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে নজর দেবে কমিশন।

প্রতীক পেয়ে বিধি মেনে প্রচারণার সুযোগ রয়েছে। আচরণবিধিতে বলা হয়েছে কোনো বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, নৌযান, ট্রেন বা অন্য কোনো যান্ত্রিক যানবাহনসহ মিছিল কিংবা কোনোরূপ মহড়া করতে পারবেন না। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় কোনো প্রকার মিছিল-মহড়া করা যাবে না। জনগণের চলাচল বিঘ্ন করে এমন কোনো সড়কে জনসভা বা পথ সভা করা যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখতে কার্যকরী ৮টি খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিয়ে কারো সাথে আলোচনা করতে না চাইলেও আমরা জানি, বেশিরভাগ মানুষই কোনো না কোনো বয়সে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তবে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা খুব বেশি মারাত্মক কিছু নয় যদি এর চিকিৎসা খুব দ্রুত করে ফেলা সম্ভব হয়। তা না হলে পাইলস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই সাবধান থাকুন সকলে। আর তারচাইতে বড় কথা হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঘরে চিকিৎসা করলে ঔষুধের থেকে বেশি ভালো কাজ করে। শুধু মাত্র কিছু খাবার খেয়েই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তাহলে আজকে চিনে নিন দারুণ সব খাবারের তালিকা যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূরে রাখবে চিরকাল। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো এবং সুস্থ থাকুন।

কলমিশাক: কলমিশাকের পাতা ও কাণ্ডে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ থাকে। আঁশ খাদ্য হজম, পরিপাক ও বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করে। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে কলমিশাক খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে।

আপেল: আপেলের খোসার মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার যা খাবার হজমের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কার্যকরী। এছাড়াও আপেলের প্যাক্টিন নিশ্চিত করে পরিপাকতন্ত্রের সঠিক কর্মক্ষমতা। সবচাইতে ভালো ফলাফল পেটে প্রতিদিন খালি পেটে অন্তত ১ টি আপেল খেয়ে নিন।

কলা: কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এবং এর পটাশিয়াম বৃহদান্ত্র ও ক্ষুদ্রান্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

গাজর: অত্যন্ত সুস্বাদু এই সবজিটি প্রক্রিতিক ডায়াটেরি ফাইবারের বেশ ভালো উৎস। মাত্র আধা ইঞ্চির ৭ খণ্ড গাজরে রয়েছে প্রায় ১.২ গ্রাম ফাইবার। প্রতিদিন গাজর খাওয়ার অভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে দূরে রাখবে চিরকাল।

শসা: শসার বেশীরভাগ অংশই পানি দিয়ে তৈরি, আর শসার ডায়াটেরি ফাইবার শসাকে করে তোলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার মহৌষধ। দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করতে সক্ষম নিয়মিত শসা খাওয়ার অভ্যাস।

কমলা: উচ্চমাত্রার ফাইবার সমৃদ্ধ কমলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে একটি বা দুটি কমলা খাওয়া অভ্যাস কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করবে।

কাঠবাদামের তেল: কাঠবাদামের তেল কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। কাঠবাদামের ল্যাক্সাটিভ ইফেক্ট হজম ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। প্রতিদিন রাতে ১ গ্লাস দুধে ২ টেবিল চামচ কাঠবাদামের তেল মিশিয়ে পান করলে সমস্যার দ্রুত সমাধান পাওয়া সম্ভব।

পেয়ারা: ওজন কমাতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং মুখের রুচি বাড়াতেও জুড়ি নেই পেয়ারার। তাই যারা পেটের সমস্যায় ভুগছেন তারা নির্দ্বিধায় এটি খেতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বাংলা সাহিত্যের দিকপাল মীর মশাররফ হোসেনের জন্মদিন

অনলাইন ডেস্ক: বাংলা সাহিত্যের দিকপাল, কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’র রচয়িতা উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম সাহিত্যিক, মীর মশাররফ হোসেনের ১৭১তম জন্মদিন আজ। ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামের মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

তার বাবার নাম সৈয়দ মীর মুয়াজ্জেম হোসেন ও মায়ের নাম দৌলতন নেছা। মহান এই মনীষীর সমাধিস্থল রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে। একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নক্ষত্র মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্য সাহিত্যের সূচনা পর্বে সাহিত্য সাধনা করলেও ৩৬টি গ্রন্থ রচনা করে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে গেছেন।

তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- ‘বিষাদ সিন্ধু’, ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’, ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’, ‘রত্নাবলী’, নাটক ‘জমিদার দর্পণ’, ‘বসন্ত কুমারী’, মুসলিম পুনর্জাগরণের কথা মাথায় রেখে রচনা করেছিলেন উপন্যাস ‘ইসলামের জয়’, ‘মদীনার গৌরব’ প্রভৃতি। স্বল্প প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও সাহিত্য অঙ্গনে এই সফলতায় মীর মশাররফ হোসেন অনন্য হয়ে আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যানসার রোধে বেদানা

স্বাস্থ্য কণিকা: বেদানা খাদ্য ও পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সুস্বাদু ফল। টাটকা বেদানা দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও মিষ্টি। জেনে নিন বেদানার স্বাস্থ্যগুণ।

১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়- বেদানার মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি। প্রতি দিন বেদানার রস খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়়বে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুনও গ্রিন টি বা রেড ওয়াইনের থেকে প্রায় তিন গুণ বেশি। এর মধ্যে রয়েছে তিন প্রকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ট্যানিন, অ্যান্থো সিয়ানিন ও এলাজিক অ্যাসিড। অ্যান্থোসিয়ানিন দেহ কোষ সুস্থ রাখার ফলে ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে পারে। ফোলা ভাব কমে, ক্ষয় রুখতে পারে।

২। রক্তচাপ- প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে বেদানা সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে স্ট্রেস, টেনশন কমে। হার্টের সমস্যা থাকলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

৩। কোলেস্টেরল- আর্টারি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে বেদানা। বেদানার রস তাই রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুণ উপযোগী। এর পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে রোজ খান বেদানার রস।

৪। ব্যথা ও পেশি- বাত, অস্টিওআর্থারাইটিস, পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে বেদানা। তরুণাস্থির ক্ষয় রুখতেও উপকারী বেদানা।

৫। ক্যানসার-অ্যাপপটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বেদানা। প্রস্টেট ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসারে ভাল কাজ করে বেদানার অ্যান্টিক্যানসার এজেন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র কিনলেন হিরো আলম

রাজনীতির খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। সোমবার জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তিনি।

বগুড়া-৪ আসন থেকে এমপি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা। তিনি বিকাল ৫টার দিকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এসময় হিরো আলম বলেন, আমি আগে থেকেই একটু বেশি সাহসী তা তো আপনারা জানেনই। আমার জীবনে ব্যর্থতা বলতে কিছু নেই। এখানেও আমি আশাবাদী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest