সর্বশেষ সংবাদ-
প্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদ

শীতের সবজির উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: শীতের আমেজ শুরু হয়ে গেছে। এর সাথে বাজারে শীতকালীন নানা সতেজ শাক-সবজি আসতে শুরু করেছে। শীতের শাক-সবজি পুষ্টিগুণে ভরপুর। আমাদের শরীরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন কিংবা ফ্যাট এর পাশাপাশি মিনারেলস এবং ভিটামিন এর ভূমিকা অন্যতম। শরীরের প্রয়োজনীয় যাবতীয় ভিটামিন ও মিনারেলস রয়েছে শীতকালীন সতেজ শাক-সবজিতে। তাই শরীরকে ফিট রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত শাক-সবজি গ্রহণ। শীতের শাক-সবজির মধ্যে অন্যতম হল- বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম, গাজর, লেটুসপাতা, পালংশাক, ব্রকলি ইত্যাদি।

ফুলকপি: শীতের সবজির মধ্যে অত্যন্ত সুস্বাদু এই সবজি। ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটোক্যামিকেল ও ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজমে সাহায্য করে, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

বাঁধাকপি: বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা হজম প্রক্রিয়া সহজ করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এছাড়া ফ্ল্যাডোনরেড সমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

শিম: শিমে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার। এছাড়া রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন। শিম হজম সহায়ক এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

গাজর: গাজর আঁশযুক্ত পুষ্টিগুণে ভরা সবজি। গাজরের বিটা ক্যারোটিন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় শরীরের টক্সিন জাতীয় উপাদান দূর করে।

লেটুসপাতা: লেটুসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ভিটামিন যা শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রী মারা গেলে আজীবন পেনশন পাবেন স্বামী

অনলাইন ডেস্ক: সরকারি চাকরিজীবী স্ত্রী মারা গেলে স্বামী আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন। তবে এক্ষেত্রে স্বামী দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবেন না। দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ হলে এ সুবিধা পাবেন না। এর আগে স্ত্রী মারা গেলে স্বামী ১৫ বছর পর্যন্ত পেনশন পেতেন। এখন আর সেটি থাকছে না।

আজ বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পুরুষ ও মহিলা সরকারি কর্মচারীদের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারের পারিবারিক পেনশন প্রাপ্যতার বিষয়ে নারী-পুরুষের সুযোগের সমতা বিধানের লক্ষ্যে আগের প্রজ্ঞাপনে এ পরিবর্তন আনা হলো। অর্থ মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবর এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পারিবারিক পেনশনের ক্ষেত্রে একজন মৃত মহিলা বেসামরিক কর্মচারীর স্বামী পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ না হলে বিধাবা স্ত্রীর পারিবারিক পেনশন প্রাপ্ততার অনুরূপ হারে ও পদ্ধতিতে মৃত মহিলা বেসামরিক সরকারি কর্মচারীর বিপত্নীক স্বামী আজীবন পারিবরিক পেনশন পাবেন।

পুরাতন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবী স্বামী মারা গেলে স্ত্রী আজীবন পেনশন পাবেন। তবে এক্ষেত্রে স্ত্রী যদি দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ হন তাহলে আর পেনশন পাবেন না। আর সরকারি চাকরিজীবী স্ত্রী মারা গেলে দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ না হওয়া সাপেক্ষে স্বামী ১৫ বছর পর্যন্ত পেনশন পেতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হামাসের সঙ্গে ব্যর্থতা নিয়ে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

বিদেশের খবর: ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধা ‘হামাস’ মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে পদত্যাগ করেছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাভিগডোর লিবারম্যান। বুধবার তিনি ইরসাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহুর কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। তিনি এতে উল্লেখ করেন গাজা সংঘাতের কারণে এ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
বুধবার জেরুজালেমে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যত দিন সম্ভব আমি সরকারের বিশ্বস্ত হয়ে কাজ করেছি। এখন আমি ব্যর্থ। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে কাতার কর্তৃক গাজায় ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল ইসরাইল।
লিবারম্যান বলেন, ‘আমার দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যা আমি বহন করতে ব্যর্থ। কাতার থেকে স্যুটকেসে নেওয়া ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা গাজা স্ট্রিপে গিয়েছিল। এসব অর্থ পাওয়ার পরে কী হবে? এটা সবই স্পষ্ট নয়।’

ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ পরিবারগুরো ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অংশ নেবে। যারা গ্রেনেড ছুড়ে ইসরায়েলি সৈন্যদের সঙ্গে সীমান্তে যুদ্ধ করেছিল। এক কথায় বলেত পারি আমরা সন্ত্রাসীদের অর্থ প্রদান করছি।’

ইসরাইলের সেনাভর্তি বাসে হামাসের গাইডেড মিসাইল
ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের গাইডেড মিসাইলের আঘাতে ইসরাইলের সেনা বহনকারী একটি বাস ধ্বংস হয়েছে। দখলকৃত গাজায় ইসরাইলি সেনাদের আগ্রাসনের জবাবে মঙ্গলবার হামাস ওই হামলা চালায়। খবর সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর।

হামলার পর হামাস মঙ্গলবার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে- বাসটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করছে এবং তাতে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যাচ্ছে। গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া শহরে এ ঘটনা ঘটে।
হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদ্নি আল-কাসসাম ব্রিগেড বলেছে, তারা ট্যাংক বিধ্বংসী একটি করনেট ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরাইলি সেনা বহনকারী বাসে হামলা চালায়। ওই বাসে থাকা সব সেনা মারা গেছেন বলেও হামাস জানিয়েছে।
কাসসাম ব্রিগেড বলেছে, গত রোববার ইসরাইল গাজায় হামলা চালিয়ে হামাসের যে সাত সদস্যকে হত্যা করেছে, তার প্রতিশোধ হিসেবে সেনা বহনকারী বাসে হামলা চালানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একই আসনে নাজমুল হুদা আ’লীগ, মেয়ে অন্তরা চান বিএনপির মনোনয়ন

দেশের খবর: নিজেকে অাগাগোড়া পাল্টে ফেলে বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা এখন আওয়ামী লীগ ঘরানার রাজনীতিক। তৃণমূল বিএনপি নামে দল গঠনের চেষ্টায় ব্যর্থ এই নেতা এখন পথ চলছেন বাংলাদেশ জাতীয় জোট নামে নতুন ব্যানারে একলা পথেই পথ চলছেন। নিজের দল বাদ দিয়ে ঢাকা-১ (দোহার নবাবগঞ্জ) আসনে ভোটে নামতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে ফরম কিনেছেন। আওয়ামী লীগের একসময়ের কঠোর সমালোচক এখন নৌকার পাটাতনে ঠাই পেতে চান। রাজনীতিতে দিকভ্রান্ত ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার কর্মকাণ্ড পায়নি তার পরিবারের সদস্যদের সমর্থন।এটা বোঝা গেল বিএনপি থেকে একই আসনে প্রার্থী তার মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদার মনোনয়ন পত্র কেনার মধ্য দিয়ে।

ব্যরিস্টার নাজমুল হুদার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইলেও তার মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদা ও সাবেক প্রেস সেক্রেটারি তারেক হোসেনও নির্বাচন করতে চান বিএনপি থেকে।

ঢাকা-১ (দোহার নবাবগঞ্জ) আসনের বিএনপির সাবেক এমপি ও মন্ত্রী নাজমুল হুদা নিজের দল বাদ দিয়ে তিনি মনোনয়ন চেয়ে ফরম কিনেছেন আওয়ামী লীগ থেকে। নিজ এলাকা ছাড়াও ঢাকা-১৭ আসনের জন্যও মনোনয়ন কিনেছেন তিনি। যদিও ওই আসনে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকেই সমর্থন পাবে ক্ষমতাসীন দলের। নাজমুল হুদা আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাইলেও তার বড় মেয়ে অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা বুধবার তার প্রতিনিধির মাধ্যমে বিএনপির মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তার পক্ষে ফরম কেনেন দোহার থানা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন।

তিনি বলেন, বাবা নাজমুল হুদা দল পরিবর্তন করলেও তার মেয়ে অন্তরা হুদা বিএনপিতেই আছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে তিনি সক্রিয়। দল মনোনয়ন দিলে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি।

একই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সাবেক প্রেস সচিব তারেক হোসেন। তিনি বলেন, আমরা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘ ৩০ বছর এই দলের সঙ্গে আছি। আমার স্যার (নাজমুল হুদা) দলত্যাগ করলেও আমরা বিএনপি ত্যাগ করিনি। বিএনপির সঙ্গে ছিলাম ও আছি। বিএনপির সাবেক মন্ত্রী হেভিওয়েট নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইলেও তার মেয়ে অন্তরা সেলিমা হুদা ও সাবেক প্রেস সেক্রেটারি তারেক হোসেন দু’জনই নির্বাচন করতে চান বিএনপি থেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরি মিরাজের সেজদা

খেলার খবর: সাম্প্রতিক সময়ে রানখরায় ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাকিব আল হাসানের ইনজুরির কারণে অন্তবর্তীকালীন অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়া হয় রিয়াদকে। নেতৃত্বের গুরু দায়িত্ব কাঁধে আসার পর তার ওপর চাপ আরও বেড়ে যায়। সেই চাপের মধ্যেই সাড়ে আট বছর পর বুধবার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পেলেন তিনি।

সাড়ে আট বছর পর টেস্টে সেঞ্চুরি কারার পর শোকর আদায়ে সেজদা দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার দেখাদেখি সেজদা দেন মেহেদী হাসান মিরাজও।

বুধবার দলের চরম বিপর্যয়ে মাঠে নেমেছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পরিস্থিতির দাবি মিটিয়ে খেললেন অনিন্দ্যসুন্দর এক ইনিংস। হাঁকালেন অনবদ্য সেঞ্চুরি। চা বিরতির আগে শেষ বলে ব্রেন্ডন মাভুতার বলে ২ রান নিয়ে তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন তিনি। ক্রিকেটের অভিজাত সংষ্করণে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

এ নিয়ে সাড়ে ৮ বছর পর টেস্টে সেঞ্চুরি করলেন মাহমুদউল্লাহ। এর আগে ২০১০ সালে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন অংক ছোঁয়া ইনিংস খেলেন তিনি। সেটিই ছিল ক্রিকেটের আদি ফরম্যাটে তার প্রথম ও শেষ সেঞ্চুরি।

এরপর মাত্র একবার আশির ঘরে যান মাহমুদউল্লাহ। চলতি বছরের শুরুতে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন মিস্টার কুল। টেস্টে পরের সময়টা একদম বাজে কাটছিল তার। মিরপুর টেস্টের আগে সবশেষ ৯ ইনিংসে একটিতেও ফিফটি পাননি। এ সেঞ্চুরি দিয়ে দলে নড়বড়ে হয়ে যাওয়া জায়গাটাও দৃঢ় করলেন তিনি।

জিম্বাবুয়েকে ফলোঅন না করিয়ে ২১৮ রানের লিড নিয়ে বুধবার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে মাত্র ২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। দলের এমন কঠিন পরিস্থিতে হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

পঞ্চম উইকেটে অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে ১১৮ রানের জুটি গড়েন রিয়াদ। তাদের এই জুটিতে খেলায় ফেরে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্টে খেলতে নেমে ১১০ বলে চার বাউন্ডারি এবং একটি ওভার বাউন্ডারিতে ৬৭ রান করেন মিঠুন।

দলীয় ১৪৩ রানে মিঠুনের বিদায়ের পর সাত নম্বরে খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আরিফুল হক। তিনি ফেরেন মাত্র ৫ রানে। তবে সপ্তম উইকেট জুটিতে মেহেদি হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ৭৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন রিয়াদ।

এই জুটিতে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন বাংলাদেশ দলের এই অধিনায়ক। ১২২ বলে চারটি বাউন্ডারি এবং দুটি ছক্কার সাহায্যে সেঞ্চুরি (১০১) পূর্ণ করার পর ইনিংস ঘোষণা দেন রিয়াদ। ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ২ উইকেটে ৭৬ রান তুলেছেন জিম্বাবুয়ে। জয়ের জন্য বৃহস্পতিবার শেষ দিনে তাদের আরও ৩৬৭ রান করতে হবে। হাতে আছে ৮ উইকেট। আর এই ৮ উইকেট তুলে নিলেই প্রত্যাশিত জয় পাবে বাংলাদেশ দল।

এর আগে প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯),মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে (৬৮) রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা হচ্ছেন আনুশকা শর্মা!

বিনোদনের খবর: মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা! তবে এই খবরটি এখনো গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ। কেননা এখনো বিরাট কোহলি বা আনুশকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বার্তা আসেনি। তবে তাদের ঘনিষ্ঠরা বলাবলি করছেন, নতুন বছরেই মা হতে চলেছেন আনুশকা শর্মা। এ ব্যাপারে দুটি কারণ দেখাচ্ছেন তারা-

প্রথমত, শাহরুখ খান ও ক্যাটরিনার সঙ্গে ‘জিরো’ ছবির পর আর কোনো ছবিতে সই করেননি আনুশকা। ২১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে ছবিটি। সম্প্রতি ‘সুই ধাগা’ ছবির প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন আনুশকা। এ ছবি মুক্তির পর নতুন বছরে আনুশকাকে আর কোনো নতুন ছবির কাজ নিতে দেখা যায়নি। ঠিক এ কারণেই বাতাসে আনুশকার মা হওয়ার সম্ভাবনার খবর চাউর হয়।

দ্বিতীয়ত, এ মুহূর্তে স্ত্রী আনুশকাকে নিয়ে ছুটি উপভোগ করছেন কোহলি। উইন্ডিজের বিপক্ষে একদিনের সিরিজে টানা তিন সেঞ্চুরি হাঁকানোর পরও টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রাম নিচ্ছেন তিনি। ছুটিতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দেরাদুনে আনুশকার পারিবারিক গুরু মহারাজ অনন্ত বাবার সঙ্গে দেখা করে এসেছেন তিনি। কোনো শুভ কাজের আগে এই গুরুর সঙ্গে দেখা করে থাকেন অনুশকা ও বিরাট। বিয়ের সময়ও তাই করেছেন তারা। সন্দেহের দানা বেঁধেছে এ দুটি কারণেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতেও নিষিদ্ধ হচ্ছে জেএমবি

বিদেশের খবর: বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-কে ভারতেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে। ভারতে দ্রুতগতিতে উত্থানের চার বছর পর অবশেষে আনফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেনশন অ্যাক্ট (ইউপিএ) অনুযায়ী দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার ব্যাপারে প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি জেএমবি সংগঠনটি ভারতের বিভিন্ন শহরে তাদের সংগঠন বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এমন এক পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে ওই জঙ্গি সংগঠনকে অর্থায়ন, নিয়োগ কার্যক্রম এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে সমস্ত রাজ্যের পুলিশ ও কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোর হাতে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করবে।

সূত্রের খবর, ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর পক্ষ থেকে জেএমবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রস্তাব পাওয়ার পরই দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে এবং খুব শিগগির এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অভিমত, জেএমবি-কে নিষিদ্ধ করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে ইতিমধ্যেই এই জঙ্গি সংগঠনটি ভারতেও তাদের শাখা খুলেছে যার নাম দেওয়া হয়েছে জামায়ত-উল মুজাহিদিন ইন্ডিয়া (জেএমআই)। সালাউদ্দিন সালেহ এবং তার সহকারী জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বেই জেএমআই-এর প্রধান উদ্দেশ্যই হল ধর্মান্তকরণ, প্রশিক্ষণ ও সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে এই ভারত উপমহাদেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এই সালাউদ্দিনকে ধরতেই এনআইএ’এর পক্ষ থেকে ৫ লাখ আর্থিক পুরস্কারেরও ঘোষণা দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেই কোথাও আত্মগোপনে রয়েছে সালাউদ্দিন।

গত জানুয়ারী মাসেই বিহারের বুদ্ধগয়া মন্দির চত্বরে শক্তিশালী ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণের পিছনে নাম জড়িয়েছে এই সংগঠনটির। এই ঘটনায় গত কয়েকমাসে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে আটকও করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও এনআইএ। ঘটনার পর থেকেই জেএমবি’এর নেতারা ও তাদের সঙ্গীরা গা ঢাকা দিয়েছে।

২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড় বিস্ফোরণেও নাম জড়িয়েছিল জেএমবি’র। ওই বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিল দুই সন্দেহভাজন জেএমবি জঙ্গি। ওই ঘটনার পরই তদন্তভার হাতে নিয়ে এনআইএ দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক শতাধিকের বেশি আইইডি উদ্ধার করে, আটক করা হয় ৫০ এর বেশি জেএমবি সদস্যকে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অভিমত ওই ঘটনার পরই ভারত ও বাংলাদেশ-উভয় দেশে ধরপাকড়ের পর জেএমবি নেতারা নতুন করে গ্রুপ শুরু করে কার্যকলাপ চালাতে থাকে।

খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর এনআইএ তদন্তেই প্রকাশ পায় যে জেএমবি কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গ, অাসাম, ঝাড়খন্ড বা ভারতের অন্য শহরগুলিতেই ঘাঁটি গড়ছে না বরং অর্থ সংগ্রহ করা, মুসলিম যুবকদের নিজেদের দলে টানা, জেহাদি ও তীর-ধনুকের মতো প্রশিক্ষণ দেওয়া ভারতের মাটিতে অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপেও মদদ দিচ্ছে। ভারতের মাটিতে আশ্রয় নিয়ে স্থানীয় নারীদের বিয়ে করার মতো কৌশলও অবলম্বন করছে জেএমবি জঙ্গিরা। আর এই কাজে লস্কর তৈয়বার মতো পাকিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলিরও সহায়তা পাচ্ছে। সেইসাথে বিভিন্ন দেশ থেকেও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। বিদেশ থেকে আসা সেই অর্থ মাদ্রাসা, মসজিদ ও মুসলিম যুবকদের দলে টানতে সোশ্যাল মিডিয়াতেও লাগানো হচ্ছে।

সাম্প্রতিক গোয়েন্দা রিপোর্টে প্রকাশ হয়েছে, জেএমবি সদস্যরা হায়দরাবাদ, মুম্বাই, পুনে, জম্মু-কাশ্মীরসহ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে আস্তানা গেড়েছে এবং আধার কার্ড, প্যান কার্ড সংগ্রহ করে ভারতীয় পরিচয়পত্রও বানিয়ে নিয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় ইঁট ভাটার শ্রমিক, কাগজকুড়ানিসহ দৈনিক মজুরের কাজে যুক্ত হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য এও বলছে যে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় কমপক্ষে ৬০ টি মডিউল সক্রিয় রয়েছে যার এক-একটি মডিউলে ১০ থেকে ১২ জন করে সদস্য রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সম্পর্কিত সতর্কবার্তা

স্বাস্থ্য কণিকা: বিয়ের আগে পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি আমরা, কিন্তু ভুলে যাই সব চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি, আসুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে জরুরি কিছু তথ্য।

স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধাণত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।

একটা হল ABO system (A, B, AB & O),

আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}.

অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।

তাহলে ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve.

জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেয়া হয় তাহলে কী হবে?

streaming blood cells যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারণত কিছু হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরি হবে যার ফলে যদি কখনো রোগী আবার পজেটিভ ব্লাড নেয় তাহলে তার ব্লাড সেলগুলো ভেঙে যাবে, এর কারণে অনেক সমস্যা হবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility.

স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার:

স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হতে হবে। আর যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যেকোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। এক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে তার স্বামীর ব্লাডগ্রুপও নেগেটিভ হতে হবে।

যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হয়?

রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোনো সমস্যা হয় না। তবে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয় তাহলে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়।

যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারণত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারণ করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুণ) তখন সাধারণত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।

কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেধ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরি করবে।

যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাডগ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয়। তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরি হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেধ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সঙ্গে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest