সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি

২৫ বছরের মধ্যে মঙ্গল জয়ের আশা নাসার

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মনে করে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে তারা মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে সক্ষম হবে। তবে এর আগে প্রযুক্তিগত ও স্বাস্থ্যজনিত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে হবে নাসাকে। কারণ, মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠাতে হলে যে পরিমাণ প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধন ও সেখানে থাকাকালীন মানুষের স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবেলা করতে যে পরিমাণ দক্ষতায় এখনও পোঁছাতে পারেনি মহাকাশ সংস্থাটি।
মঙ্গলবার নাসার শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে লাল বর্ণের এই গ্রহে মানুষ পাঠানোর আগে মহাকাশ থেকে নির্গত মারাত্মক রেডিয়েশন, দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ও হাড়ের গঠনে কার্যকারিতা কমিয়ে যাওয়া প্রতিরোধে বিজ্ঞানীদের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
নাসার সাবেক নভোচারী টম জোনস। ২০০১ সালে অবসর নেয়ার আগে তিনি চারবার মহাকাশে পাড়ি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার প্রধান অন্তরায় হলো বাজেটের ঘাটতি। এ সমস্যা সমাধান করতে আরও ২৫ বছর লেগে যাবে।’
মঙ্গলে মানুষের পদচিহ্ন অঙ্কনের প্রধান বাধা হলো পৃধিবী থেকে এর বিশাল দূরত্ব। কোনো মহাকাশ যান মঙ্গলে পাড়ি দিতে হলে কমপক্ষে ২২৫ মিলিয়ন কিলোমিটার (২২ কোটি ৫০ লাখ কিলোমিটার) পথ অতিক্রম করতে হবে, যা ব্গিত মিশনগুলো থেকে অনেকগুণ বেশি।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বর্তমান প্রযুক্তিতে নির্মিত রকেটে করে মঙ্গলে যেতে হলে নভোচারীর ৯ মাস সময় লেগে যাবে। তার মানে হলো মহাশূন্যের ওজনহীন স্থানে তাকে দীর্ঘসময় কাটাতে হবে। এত দীর্ঘসময় সেখানে কাটালে শরীরে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।
উদারহণস্বরূপ, দীর্ঘসময় শূন্য অভিকর্ষে (জিরো গ্রাভিটি) কাটালে রেটিনায় রক্ত পরিবহন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে দেখা দিতে পারে দৃষ্টিহীনতা। এ ছাড়া হাড়ের ভরত্ব ও ক্যালসিয়াম সঙ্কুচিত হতে পারে।
টম জোনস বলেন, ‘এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হলে আমাদের বিদ্যমান রকেট প্রযুক্তি থেকে সরে আসতে হবে। এজন্য নিউক্লিয়ারভিত্তিক রকেট প্রযুক্তি চালু করতে হবে। যাতে করে খুব কম সময়ে মঙ্গলে পাড়ি দেয়া যায়। আর এটা করতে কমপক্ষে ২৫ বছর সময় লেগে যাবে।’
মঙ্গলে মানুষ আ-দৌ বসবাস করতে পারবে কি না-তা যাচাই করতে ২০২০ সালের মধ্যে মঙ্গলে নভোচারী পাঠাবে নাসা। ওই নভোচারী ফিরে আসার পর সবকিছু পুনর্বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মহাকাশ সংস্থাটি।

সূত্র: আলজাজিরা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার ছোটপর্দায় ‘ভাইজান’

বিনোদনের খবর: কলকাতা ও বাংলাদেশের বড় পর্দা মাতিয়ে এবার ছোটপর্দায় প্রিমিয়ার হতে চলেছে দেশের তারকা অভিনেতা শাকিব খানের আলোচিত ছবি ‘ভাইজান এলো রে’।
জুলাই মাসে মুক্তি পেয়েছিল বহুল আলোচিত ছবি ‘ভাইজান এলো রে’। তখন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দর্শক এ ছবি নিয়ে মেতেছিলেন। ঢাকাই ‘সুপার হিরো’ শাকিব খানের অভিনীত ‘ভাইজান এলো রে’ দেখার জন্য সিনেমা হলে ছিল উপচে পড়া ভিড়।
বিশেষ করে বাংলাদেশের দর্শকরা ভাইজান নিয়ে তুমুল মাতামাতিতে নেমেছিলো। বাংলাদেশে আমদানিতে মুক্তির কয়েকমাস পরেও মহা সমারোহে চলছিল ‘ভাইজান এলো রে’। সিনেমা হলে ভাইজান ছবিটি যারা দেখতে পাননি এবার তাদের জন্য সুখবর।
শাকিব খান, শ্রাবন্তী ও পায়েল মুখার্জি অভিনীত এ ছবি এবার টেলিভিশনে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে। ছবির প্রযোজক অশোক ধানুকা এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রযোজক অশোক ধানুকা কলকাতা থেকে জানান, আগামী রবিবার (১৮ নভেম্বর) পশ্চিমবঙ্গের কালারর্স বাংলা চ্যানেলে ‘ভাইজান এলো রে’র ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ার হবে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬ টায় ছবিটি টেলিভিশনে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে।
‘ভাইজান এলো রে’ পুরোপুরি কলকাতার ছবি হলেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের শাকিব খান। এখানে তিনি আজান, উজান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাকে ঘিরেই ছবির গল্প।
আরও অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার, মনিরা মিঠু, শাহেদ আলী। সঙ্গে কলকাতার শ্রাবন্তী, পায়েল ছাড়াও শান্তিলাল, রজতাভ দত্ত ছিলেন। ছবিটির পরিচালক শিকারী, নবাব ও চালবাজের নির্মাতা জয়দীপ মুখার্জি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়েতে উপহার মানা, চেক চাইলেন দীপিকা

বিনোদনের খবর: বলিউড তারকা রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোনের বিয়ে আজ। আর এর মাঝেই তারা আমন্ত্রিত অতিথিদের জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো উপহার আনা যাবে না অনুষ্ঠানে।
দীপিকা জানিয়েছেন, বিয়েতে কোনো উপহার চান না তিনি। তাই অতিথিদেরকে উপহার নিয়ে আসতে মানা করেছেন তিনি। তবে কেউ যদি উপহার দিতে চায়, তাহলে দীপিকার এনজিও ‘লিভ লাভ লাইফ’-এ চেক পাঠাতে বলা হয়েছে। দীপিকার এই এনজিও ডিপ্রেশন এর শিকার মানুষদের নিয়ে কাজ করে।
ইতালির লেক কেমোতে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল ভিলা দেল বালবিয়ানেল্লোতে অনুষ্ঠিত হবে তাদের বিয়ে। দুই পরিবার এবং বন্ধুসহ মাত্র ৩০ জন থাকবেন বিয়ের অনুষ্ঠানে। সেখানে মোবাইল ফোন আনাও নিষেধ। বিয়ের ছবি যাতে রণবীর-দীপিকার অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে না পরে, সেজন্যই এই নিষেধাজ্ঞা। এনডিটিভি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিকেলে ঢাকায় আসছে উইন্ডিজ দল

খেলার খবর: দীর্ঘ ছয় বছর পর পূর্নাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসছে উইন্ডিজ দল। বুধবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে ভারত থেকে দশজনের প্রথম উইন্ডিজ দল ঢাকায় পৌঁছাবে। এরপর সন্ধ্যার ফ্লাইটে চট্টগ্রাম যাবে অতিথিরা।

দলের অন্য খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফরা আসবেন আগামীকাল। সফরে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে এবং তিন টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ক্যারিবীয়রা।

চট্টগ্রামে ২২ নভেম্বর শুরু হবে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। তার আগে ক্যারিবীয়রা দু’দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে।

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ঢাকায় শুরু হবে ৩০ নভেম্বর। এরপর দু’দল তিনটি করে ওডিআই এবং টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে। প্রথম দুটি ওয়ানডে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ৯ ও ১১ ডিসেম্বর।

তৃতীয় ও শেষ ওডিআই সিলেটে। এটি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ ডিসেম্বর। ১৭ ডিসেম্বর প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ভেন্যুও সিলেট। ঢাকায় ২০ ও ২২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি দিয়ে শেষ হবে উইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেমেই বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

খেলার খবর: প্রতিপক্ষকে ফলোঅন করানোর সুযোগ অহরহ মেলে না বাংলাদেশের। ঢাকা টেস্টে মিললো সেই সুযোগ। কিন্তু টাইগার অধিনায়ক রিয়াদ সেই পথে না হাঁটায়। টেস্টের চতুর্থ দিনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছে বাংলাদেশ।

ব্যাটিংয়ে নেমেই জিম্বাবুয়ের বোলারদের তোপের মুখে পড়েছে টাইগাররা। দলীয় স্কোরবোর্ডে ১০ রান তুলতেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান সাজঘরে। ফলে বেশ চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।

ইমরুল কায়েস ৩ , লিটন দাস ৬ ও মুমিনুল হক ১ রানে সাজঘরে ফিরে গেছেন। ক্রিজে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম (০) ও মোহাম্মদ মিঠুন (০)। বাংলাদেশের শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন জার্ভিস।

দলের রান যখন ৯ ঠিক তখনই ইমরুল কায়েসকে পরিষ্কার বোল্ড করেন তিনি। ওই ওভারেই আরেক ওপেনার লিটন দাসকে সাজঘরে ফেরান জার্ভিস। এরপর দলের হাল ধরতে আসা মুমিনুল হককে মাত্র ১ রানে প্যাভিলিয়নে পাঠান টিরিপানো।

বুধবার (১৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে নয়টায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হয়।

এর আগে, সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৫২২ রান করে বাংলাদেশ। এরপর ব্যাটে নামা জিম্বাবুয়ের ফলোঅন এড়াতে করতে হতো ৩২২ রান। কিন্তু ৩০৪ রানে থামে তাদের ইনিংস। ফলে বাংলাদেশ জিম্বাবুয়েকে ফলোঅনে পাঠানোর সুযোগ পায়।

উল্লেখ্য, সফরকারীদের বিপক্ষে দ্বিতীয় এই টেস্ট ম্যাচটি বাংলাদেশের দেশের জন্য মান বাঁচানোর লড়াই। কেননা স্বাগতিকরা সিলেটে সিরিজের প্রথম টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় রানের ব্যবধানে হেরেছে। সিরিজ বাঁচাতে তাই দ্বিতীয় টেস্টে জিততেই হবে স্টিভ রোডসের শিষ্যদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২১৮ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

খেলার খবর: জিম্বাবুয়েকে ফলো-অন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ২১৮ রানে এগিয়ে থাকা টাইগারদের সূচণা করেছেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস।
চাইলে বাংলাদেশ আবার জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিয়ে পাঠাতে পারত। তবে মিরপুরের উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করার ঝুঁকি নেয়নি স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের করা ৫২২ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ৩০৪ রানে।
ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। স্কোর বোর্ডে ১০ রান উঠতেই ২ উইকেট হারিয়েছে তারা। ৩ রান করে ইমরুল কায়েস ও ৬ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন লিটন দাস।

মঙ্গলবার ম্যাচের তৃতীয় দিনে দুই সেশনে দুটি করে চার উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। সেই স্বস্তি মিলিয়ে যেতে শুরু করে ব্রেন্ডন টেলর ও পিটার মুরের প্রতিরোধে। তৃতীয় সেশনে উইকেটের দেখা পেতে অপেক্ষা দীর্ঘ হয়। পড়ন্ত বিকেলে দ্রুত চার উইকেট তুলে বোলাররা এনে দেন স্বস্তি।
সফরকারীদের প্রত্যাশিত ফলো-অনে ফেলা গেলেও বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়েও ম্যাচ জিতে সিরিজ ড্র করতে চায় বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এই মুহূর্তে সেরা অলরাউন্ডারদের একাদশ!

খেলার খবর: বলা হয়, যে কোন দলের ভারসাম্য রক্ষা করেন এক জন ভাল অলরাউন্ডার। এই মুহূর্তে সেরা অলরাউন্ডারদের নিয়ে একাদশ তৈরি হলে তাতে কারা জায়গা পাবেন।

সাকিব আল হাসান: বর্তমানে চোটের কারণে দলের বাইরে এই টাইগার তারকা। বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটার তিন ফরম্যাটেই সমান ভাবে অপরিহার্য। ১৯২টি একদিনের ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার রান রয়েছে। ঝুলিতে ২৪৪টি একদিনের ম্যাচের উইকেট।

বেন স্টোকস: এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। টি-টোয়েন্টি, একদিনের পাশাপাশি টেস্টেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে দেখা গেছে তাকে। এখন পর্যন্ত ৭৫টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ব্যাটিং গড় ৩৬ এর উপর। উইকেট পেয়েছেন ৫৮টি।

রবীন্দ্র জাদেজা: তিন ফরম্যাটের ক্রিকেট খেললেও সীমিত ওভারের ম্যাচে স্বচ্ছন্দ বেশি। এখন পর্যন্ত ১৪৪টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ভারতীয় এই অলরাউন্ডার মোট রান করেছেন ১৯৮২। গড় ত্রিশের উপর। উইকেট পেয়েছেন ১৬৯।

হার্দিক পাণ্ডে: আন্তর্জাতিক স্তরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অলরাউন্ডারদের নাম বললে হার্দিক পাণ্ডের কথা বলতেই হবে। তবে টেস্টে এখনও তেমনভাবে সফল নন তিনি। খেলেছেন ৪২টি একদিনের ম্যাচ। উইকেট পেয়েছেন চল্লিশটি। ব্যাটিং গড় ত্রিশের কাছাকাছি।

রশিদ খান: বর্তমানে যাদের দিকে নজর সব থেকে বেশি, তাদের মধ্যে রশিদ খান অন্যতম। এই আফগান অলরাউন্ডার নিঃসন্দেহে বড় বিস্ময়। আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়েও রয়েছেন এক নম্বরে। এখনও পর্যন্ত ৫২টি একদিনের ম্যাচে সেরা স্কোর অপরাজিত ৬০। উইকেট পেয়েছেন ১১৮টি।

মিশেল স্যান্টনার: নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার। একদিনের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখন পর্যন্ত ৫৩টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। গড় প্রায় ত্রিশের কাছাকাছি। ৫৯টি উইকেট পেয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

মোহাম্মদ হাফিজ: সীমিত ওভারের ম্যাচে পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। এখন পর্যন্ত খেলেছেন ২০৩টি একদিনের ম্যাচ। সেরা স্কোর ১৪০। ১৩৭টি উইকেট দখলে রয়েছে স্পিনার হাফিজের।

মইন আলি: ইংল্যান্ডের বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান গুরুত্বপূর্ণ সময় দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। সেরা স্কোর ১২৮। দখল করেছেন ৭৮টি উইকেট।

ক্রিস ওকস: উনত্রিশ বছরের ইংল্যান্ডের এই ক্রিকেটার একদিনের ম্যাচে দলের বড় ভরসা। খেলেছেন ৮০টি ম্যাচ। সেরা স্কোর অপরাজিত ৯৫। ডানহাতি পেসারের দখলে রয়েছে ১১৩টি উইকেট।

জেসন হোল্ডার: ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক। সেভাবে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ না খেললেও, ৮৫টি একদিনের ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। সেরা স্কোর অপরাজিত ৯৯। তাঁর ঝুলিয়ে রয়েছে ১১২টি একদিনের ম্যাচের উইকেট। সেরা বোলিং ২৭ রানে পাঁচ উইকেট।

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ: শ্রীলঙ্কার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। ২০৩টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস রয়েছে তাঁর। সেরা স্কোর অপরাজিত ১৩৯। তাঁর দখলে রয়েছে ১১৪টি উইকেট। সেরা ২০ রানে ৬ উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত থাকতে চায় বিএনপি

দেশের খবর: বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ ৭ দফা দাবির একটিও পূরণ হয়নি। তারপরও বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ভোটের মাঠে নেমেছে। গত দুই দিন ধরে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে বিএনপি। ফরম ক্রয়ের জন্য নেতাদের সাথে সারাদেশের কর্মী-সমর্থকরাও ঢাকায় এসেছেন। ভোটকে উপলক্ষ করে নয়াপল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকায় ব্যাপক শো-ডাউন এবং উত্সবের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এমন উত্তাল মুখর দৃশ্য বিএনপিতে গত এক যুগে দেখা যায়নি। মামলা হামলা গ্রেফতারে নাস্তানাবুদ বিএনপির নেতা-কর্মীরা গত দুই দিন স্বস্তি বোধ করছেন বলে তারা জানাচ্ছেন। বিএনপি তার দুই শরিক জোটের সাথে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। আর এ কার্যক্রমের শুরুতেই দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে কেনা হয়েছে তিনটি সংসদীয় আসনের মনোনয়ন ফরম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেবল দলীয় আনুগত্য বা শ্রদ্ধার নিদর্শন নয়, এর পেছনে বড় ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা কৌশলও থাকতে পারে বিএনপির। এখন ঐক্যফ্রন্ট বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করে নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার জন্য দাবি করছে। তাদের দাবি নিয়ে আজ নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক করবেন নেতারা।

এদিকে এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রশ্নে দলের একটি পক্ষ চেয়েছিলো কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে দাবি পূরণে বাধ্য করে নির্বাচনে যেতে। অপর পক্ষটি চেয়েছিলো যে কোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিতে। এখন দুই পক্ষই চাচ্ছে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সব দলের জন্য সমতল নির্বাচনী ময়দান। তা না হলে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদল করার কথাও মাথায় রেখেছেন তারা।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, দেশে নির্বাচনের উপযুক্ত কোনো পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। বর্তমানে নির্বাচনের যে পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত, সেটা হচ্ছে না, ধরপাকড় চলছে। তাতে যদি এটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না হয় তাহলে হয়তো আমরা নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করব। সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি না হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত আমরা পুনর্বিবেচনা করব। সেই সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি আন্দোলনের অংশ হিসাবে। এর মাধ্যমে আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবো। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা করতে ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারা সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলাম আমরা। কিন্তু তা করা হয়নি। এতে আমরা অত্যন্ত হতাশ।

তবে বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনের মাঠে থাকতে চান। কোনো প্রকার প্রতিরোধহীন ও চ্যালেঞ্জবিহীনভাবে নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাবে না বিএনপি।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আসন বণ্টন সমন্বয় কমিটির প্রধান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন,আমাদের যে সাতটি দফা আছে, সেগুলো আদায় করার ক্ষেত্রে আমরা অবিচল আছি। যদি সরকার এসব দাবি পূরণ না করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে থাকবো। ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক হবে আমাদের এবারের আন্দোলন। এই নির্বাচনে আমাদের মূল স্লোগান হবে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, ধানের শীষে ভোট চাই। তিনি বলেন, ভোটের মাঠে যে অভূতপূর্ব উত্সাহ উদ্দীপনা দেখা গেছে তাতে প্রমাণ হয়, জনগণ এই নির্বাচনকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। তবে মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার যদি তাদের গ্রেফতার ও দমনপীড়ন আগের মতই অব্যাহত রাখে তাহলে আমরা শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারি। সব কিছু নির্ভর করছে সরকারের আচরণের ওপর।

স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, এখনো প্রতিদিন আমাদের নেতা-কর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দিয়ে গ্রেফতার করছে, আমাদের হাজার হাজার কর্মী জেলে। লাখ লাখ কর্মী মামলার আসামি। আমরা সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা নির্বাচনের মাঠে থাকতে বদ্ধপরিকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest