সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি

দাঁত ঝকঝকে হবে কলার খোসায়!

অনলাইন ডেস্ক: প্রাচীনকালেতো নামীদামী কোম্পানির ব্রাশ কিংবা মাজন ছিলো না। তাহলে কি প্রাচীনকালের মানুষেরা দাঁত মাজতেন না ? এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। নানান ঘরোয়া পদ্ধতিতে তারা দাঁত পরিষ্কার করতেন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রাচীনকালে দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে গুহা মানবরা কলার খোসা ব্যবহার করতেন। তাই তারা পরামর্শ দিয়েছেন কলার খোসা দিয়ে দাঁত সাদা করার। কারণ কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই বিজ্ঞান সম্মতভাবে দাঁত সাদা করতে সক্ষম। তাই দাঁতের দাগ নিয়ে আর দুঃচিন্তা নয়। ঘরে বসেই নিজের দাঁতগুলোকে রাখুন ঝকঝকে।

কী আছে কলার খোসায়?
কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ উপাদান। আর ওই উপাদানই দাঁতকে সাদা করে তুলার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি দাঁতকে করে আরও মজবুত।

ব্যবহার বিধি :
১. প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিকভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরি। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যেটি একটু একটু সবুজ কারণ এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চমাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।
২. কলা উল্টো করে ছিলে নিন। কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিললে এই আঁশগুলো থাকবে খোসার সাথেই।
৩. খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। সুবিধা মতো আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
৪. সকালে দাঁত ব্রাশ করার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে দাঁত খুব ভালো করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট।
৫. দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।

গবেষকরা বলছেন, চার থেকে পাঁচ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে।

সতর্কতা: এটা কোনো ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।

১. অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে যা জরুরি।
২. ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজগুলো দাঁতে শোষিত হবার।
৩. কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালোভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
৪. যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আট বছরের শিশুদের হাতে ‘একে-৪৭’!

বিদেশের খবর: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্পর্কের তিক্ততা বেশ পুরনো। সেই তিক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে ইউক্রেনের শিশুদের মাঝেও। ৮ বছরের শিশুদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে ভারি অস্ত্র। প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে যুদ্ধের।
সম্প্রতি ইউক্রেনের ন্যাশনালিস্ট ক্যাম্পের বেশকিছু ছবি প্রকাশ হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের খবরে ওই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। শিশুদের হাতে অস্ত্র দিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে ওইসব ছবিতে।
ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছে, ন্যাশনালিস্ট ক্যাম্পে শিশুদের (ছেলেমেয়ে) শক্তিশালী ‘একে-৪৭’ তুলে দেয়া হচ্ছে। এই রাইফেল চালানোর জন্য তাদের সামরিক কায়দায় প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে তাদের এ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণের মাঝে অনেক সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এর মধ্যেমে শিশুদের ভীতি দূর করা ও যথসময়ে প্রশিক্ষণে উপস্থিত হবার অভ্যাস করানো হয়।
ইউক্রেনে ন্যাশনালিস্ট সাভাবোদা পার্টি নামের একটি সংগঠন শিশুদের এ ট্রেনিং দিচ্ছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। ন্যাশনালিস্ট পার্টি একসময় ক্যাম্প টার্নোপিল নামের একটি জায়গাতে এ প্রশিক্ষণ দিত। বর্তমানে ওইসব ক্যাম্পকে টেম্পর অব বিল নাম দেয়া হয়েছে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে এসব ক্যাম্পাস স্থাপন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন অনিশ্চয়তায় বর্তমান ও সাবেক পাঁচ মন্ত্রী

দেশের খবর: দলীয় মনোনয়ন অনিশ্চয়তায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট সাবেক ও বর্তমান ৫ মন্ত্রী। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের আগ্রহের আসনে প্রার্থীতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন সমর্থক ও কর্মীরা। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত বিবরণ ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে এসব তথ্যানুযায়ী এমন হেভিওয়েট প্রার্থীদের আগ্রহের আসনে মনোনয়ন কে পাবেন? সেটি এখনও বলা যাচ্ছেনা।

ঢাকা-১৮: রাজধানীর উত্তরা, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর, তুরাগ, উত্তরখান, দক্ষিণ খান ও ডুমনি এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১ ও ১৭ নং ওয়ার্ড, যা ঢাকা ১৮ আসন। এ আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে থেকে এবারও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। কিন্তু এ আসন থেকে এবার অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে নৌকার হাল ধরতে দেয়া হবে কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া): এ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন সাবেক সচিব ও এনবিআরের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। এ নিয়ে স্থানীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে রয়েছে দ্বন্দ্ব। কেননা আসনের প্রার্থী হিসেবে বরাবরের মতো এবারও মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। অভিযোগ রয়েছে, এলাকায় গনসংযোগের সময় নিজ দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ): এ আসনে নৌকার মাঝি হতে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বেশ কয়েকজন। বর্তমানে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তাই তার সমর্থকেরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
কেননা একই আসন থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল ও তরুণ শিল্পপতি আওয়ামী লীগ নেতা এম ইসফাক আহসান, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা আমিরুল ইসলাম খোকা, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জাকিয়া সুলতানা শেফালি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ.কুদ্দুছ।

অপরদিকে এ আসনটি ধরে রাখতে ইতোমধ্যে মায়া চৌধুরীর ছেলে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপুও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। দীপু চৌধুরী বিগত দিনে পিতার সাথেই এলাকার বিভিন্ন সভা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর): আসনটি নিয়ে এখনও ধোয়াশার মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির আগ্রহের এই আসন থেকে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।
এছাড়াও এ আসন থেকে আরো মনোনয়নপত্র ক্রয় ও জমা দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ হাসান খান, মৎস্যজীবী লীগ নেতা আলহাজ্ব রেদওয়ান খান বোরহান, আওয়ামী লীগের আরেক নেতা জাকির হোসেন মারুফ।

চাঁদপুর-৫: এ আসনে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম)। তার আসন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার সফিকুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) সালাউদ্দিন।
আরো মনোনয়নপত্র ক্রয় করার সম্ভাবনা রয়েছে প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, অধ্যাপক ফজলুর রহমানসহ কয়েকজনের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ দীপিকা-রণবীরের বিয়ে…

বিনোদনের খবর: অবশেষে জল্পনাকল্পনার শেষ হতে যাচ্ছে আজই। বিয়ের অতিথিরা সবাই এর মধ্যে পৌঁছে গেছে ইতালির লেক কোমোতো এলাকার ‘ভিলা দেল বালবিয়েনেল্লো’ রিসোর্টে। গতকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে দীপিকা-রণবীরের বিয়ের অনুষ্ঠান। রণবীরের হেয়ারস্টাইলিস্ট নিতাশা গৌরব বিষয়টির সত্যতা প্রকাশ করে একটি টুইটও করেছিলেন। তাতে কোনো ছবি সংযুক্ত ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, বিবাহ পূর্ববর্তী কোনো অনুষ্ঠান হয়েছিল সেটি। অনুষ্ঠানস্থলে তিন স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এক সপ্তাহের জন্য এই রিসোর্টে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, অতিথিদের কাছ থেকে কোনো উপহার চান না এই তারকা জুটি। তবে চাইলে অতিথিরা দীপিকার দাতব্য সংস্থা দ্য লাইভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশনে অর্থ সাহায্য দিতে পারে। আর সেটা চেক দিয়ে দিলে ভালো হয়।

ভারতীয় বিয়েতে গানবাজনা থাকবেই। এরই মধ্যে ভারত থেকে উড়ে এসেছেন গায়িকা হর্ষদীপ কৌর। তিনি আবার দীপিকা অভিনীত ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবিতে ‘কাবিরা’ গানটি গেয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে বাজাবেন সঞ্জয় দাস, ববি পাঠক ও ফিরোজ খান।

জানা গেছে, দীপিকা-রণবীরের বিয়ের বিশেষ মুহূর্তগুলোর ছবি ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে যারা কিনা গত বছর আনুশকা শর্মা আর বিরাট কোহলির বিয়ের ছবিও তুলেছিল।

যত দূর জানা গেছে, বিয়ের দিন দীপিকা পরতে পারেন সাদা-সোনালি রঙের শাড়ি (দক্ষিণ ভারতীয় রীতিতে বিয়ের সময়) এবং লাল লেহেঙ্গা-চোলি (সিন্ধি রীতিতে বিয়ের সময়)। অন্যদিকে রণবীরকে দেখা যেতে পারে শেরওয়ানিতে।

এবার নজর ফেরানো যাক বিয়ের মেন্যুর দিকে। বর-কনে ভারতের ভিন দুই রাজ্যের হওয়ায় খাবারের তালিকায় সনাতনি দক্ষিণ-ভারতীয় খাবারের সঙ্গে থাকবে পাঞ্জাবি সনাতনি খাবারদাবারও। থাকছে বিশাল একটা ওয়েডিং কেক। এই কেক কাটবেন নবদম্পতি। সুইজারল্যান্ডের কোনো এক বিখ্যাত শেফ এই কেক বানাবেন বলে জানা গেছে। বিয়ের ডেজার্টও হবে স্পেশাল। আর সেগুলোও হবে সুইজারল্যান্ডের বিশেষ সব ডেজার্ট।

এত দিন বলা হচ্ছিল, দীপিকা-রণবীরের বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান হবে দুটি। কিন্তু সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নিমন্ত্রণপত্র ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২৮ নভেম্বর মুম্বাইয়ে এই জুটির রিসেপশন হবে। আর সেটা হবে দ্য গ্র্যান্ড হায়াতে। এই বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানে খাবারের মেন্যুতে থাকবে স্পেশাল বাটার চিকেন ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের রান্না, মোগলাই, চায়নিজ, কন্টিনেন্টালসহ আরো অসংখ্য পদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে শোডাউন বন্ধের নির্দেশ ইসির

দেশের খবর: দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে মিছিল, শোডাউন যে নির্বাচনী আচরণবিধি পরিপন্থী, অবশেষে তা স্বীকার করল ইসি। একই সঙ্গে এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশও জারি করা হয়েছে।
দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে গত সোমবার মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে বিএনপি। দ্বিতীয় দিন গতকাল মঙ্গলবারও সকাল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাৎসলয় ঘিরে হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। দিনভর অপেক্ষায় থেকে তাঁরা ফরম সংগ্রহ করেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দিনভর সরগরম থাকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাৎসলয়ের সামনের রাস্তা। ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে পুরো দিন। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। এর আগে গত ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত শুক্রবার সকাল থেকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কাৎসলয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। মনোনয়ন ফরম কেনার জন্য ওই দিন থেকে সোমবার পর্যন্ত চার দিন বিভিন্ন আসনের প্রার্থী ও তাঁদের শত শত সমর্থক বর্ণিল শোভাযাত্রা নিয়ে জড়ো হন সেখানে। এর ফলে ওই এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তির শিকার হয় সাধারণ মানুষ। বিষয়টি আচরণবিধির লঙ্ঘন কি না তা জানতে চাইলে গত শনিবার নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশে ভোট একটা উৎসব। রাজনৈতিক দলগুলো একটি এরিয়ার মধ্যে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছে। এতে আচরণবিধি প্রতিপালন না হওয়ার কিছু দেখছি না।’

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো এসংক্রান্ত এক চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দলীয় কাৎসলয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা জমাদানের সময় মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনসহকারে মিছিল এবং শোডাউন করা হচ্ছে, যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী আচরণ বিধিমালা-২০০৮-এর ৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বলা হয়, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, দলের প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং তাঁদের পক্ষে এ ধরনের মিছিল, শোডাউন করা যাবে না। এ বিষয়ে আচরণবিধি প্রতিপালনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া এরপর রিটার্নিং এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ও এ ধরনের মিছিল ও শোডাউনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচ‌নে জিত‌তে আ. লী‌গের সাম‌নে অসংখ্য চ্যা‌লেঞ্জ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগকে। দলীয় কোন্দল নিরসন, সঠিক প্রার্থী বাছাই, জনগণের আস্থা অর্জন, নির্বাচন পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি প্রভাবশালী বিদেশি শক্তিগুলোকে সরকারের পাশে রাখা আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিপক্ষের অপপ্রচার মোকাবেলা করে জনসমর্থন অনুকূলে রাখাও চ্যালেঞ্জ হিসেবে আছে ক্ষমতাসীন দলের সামনে। দলটির বিভিন্ন পৎসয়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির অনুপস্থিতিতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সহজেই জয় পেয়েছিল ক্ষমতাসীনরা। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মিত্র জাতীয় পার্টি মহাজোটে থাকার জন্য দাবি করেছে ১০০ আসন। দুই মেয়াদে সঠিক মূল্যায়ন হয়নি জানিয়ে ১৪ দলের শরিকদেরও রয়েছে বেশ কিছু দাবি। টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন দৃশ্যমান হয়েছে, তেমনি টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় যাওয়ার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের জন্য সৃষ্টি হয়েছে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা। নির্বাচনে জয়ী হতে হলে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা করতে হবে এসব প্রতিবন্ধকতা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘প্রথমত, দলীয় প্রার্থী বাছাই, দলের নেতাকর্মীদের মনের মধ্যে যে দুঃখ আছে তা দূর করে তাদের এক করা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতচক্র আমাদের বিরুদ্ধে সক্রিয় আছে, তাদের মোকাবেলা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পক্ষে রাখা দরকার।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, ‘তারা (আওয়ামী লীগ) প্রস্তুত। তৃণমূল পর্যন্ত তাদের সংগঠন আছে। তবে এবার দলে অনেক বেশিসংখ্যক নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী। এটা একটা সমস্যার কারণ হতে পারে।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো একক প্রার্থী বাছাই করা। চার হাজারের বেশি প্রার্থীর মধ্য থেকে আড়াই শর মতো প্রার্থী বাছাই করা খুব কঠিন কাজ।’
এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার তেমন বেগ পেতে হবে না। সকলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলে এসব গোষ্ঠীর তেমন কোনো চাপ থাকে না।’

দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকায় বিএনপি মাঠছাড়া। সাধারণত কোথাও এখন আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের খবর পাওয়া যায় না। বরং ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রভাব বিস্তার, এলাকার নিয়ন্ত্রণসহ দলীয় মনোনয়ন ঘিরে আওয়ামী লীগের সব স্তরে বিরাজ করছে তীব্র কোন্দল। সর্বত্রই আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ এখন আওয়ামী লীগ। এই কোন্দল নিরসন করে নির্বাচনের আগে দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন একটি কাজ।

কোন্দল নিরসন করে প্রতি আসনে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন দিতে না পারলে আওয়ামী লীগকে জয়ের জন্য কঠিন বেগ পেতে হবে। ৩০০ আসনের জন্য এবার আওয়ামী লীগের চার হাজারের বেশি নেতা দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। যাঁরা মনোনয়ন পাবেন না সেই নেতাদেরও অনেক অনুসারী আছে দলে। সেই বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ রেখে নৌকার পক্ষে মাঠে নামাতে হবে।
ক্ষমতার দুই মেয়াদে দলের অনেক নেতাকর্মী উপেক্ষিত ও বঞ্চিত হয়েছে বলে দলের বিভিন্ন ফোরামে অভিযোগ করে আসছে। আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিরসন করতে কেন্দ্রীয়ভাবে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল আগামী নির্বাচনের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে রাজশাহীতে আমরা কোন্দল নিরসন করে নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারব আশা করছি।’

শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা ক্ষমতাসীনদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর বাইরে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাও আরেকটি চ্যালেঞ্জ।
বিএনপিকে ছাড়া দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার পর অধিকাংশ বিদেশি কূটনীতিক ওই নির্বাচন সম্পর্কে তাঁদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচন নিয়েও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন কোনো কোনো বিদেশি কূটনীতিক। এ অবস্থায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চান কূটনীতিকরা।

মতিঝিল থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার পর এবং নিরাপদ সড়ক দাবির আন্দোলন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক অপপ্রচার হয়েছিল। নির্বাচনের আগে আগে আবারও ওই ধরনের অপপ্রচার হওয়ার আশঙ্কা আছে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের সবচেয়ে বড় দল বিএনপি নির্বাচনের আগে আন্দোলন বেগবান করে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবে। আওয়ামী লীগের জন্য এটাও বড় চ্যালেঞ্জ।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে কিছু উদ্যোগও নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। গত ২১ অক্টোবর জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে চিঠি দিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। চিঠিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে সুনির্দিষ্টভাবে চার দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনার মধ্যে আছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করাসহ বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড প্রচার করা এবং প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়নে গণসংযোগ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হবে, এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী কর্মসূচিতে সবাইকে অংশগ্রহণ করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। এ ছাড়া সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ২০১৪ সালের মতো আবারও যাতে নির্বাচনকালে জ্বালাও-পোড়াও, হত্যা, সন্ত্রাস, নাশকতা চালাতে না পারে সে জন্য সতর্ক থাকতে এবং ধ্বংসাত্মক তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সু চি’র কড়া সমালোচনায় মাহাথির

বিদেশের খবর: গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কিছু তল্লাশি চৌকিতে হামলার অজুহাতে রোহিঙ্গা নিধন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধরা। বিশ্বজুড়ে এটিকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ বলা হলেও বিষয়টি নিয়ে একেবারেই চুপ ছিলেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর ও শান্তিতে নোবেল জয়ী নেত্রী সু চি।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সেনাবাহিনীর চালানো নৃশংসতাকে সমর্থন করায় সারা বিশ্বের নেতারা তার সমালোচনা করেন। ঘটনার জেরে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা তাদের সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই যে সমালোচনার ঝড় উঠেছিলো সেটি এখন চলছে। এবার তার কড়া সমালোচনা করলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।
মাহাথিরের দাবি, মিয়ানমারের শান্তিতে নোবেল জয়ী নেত্রী সু চি সেনাবাহিনীর এই নিষ্ঠুরতার ব্যাপারে বরাবরই আত্মপক্ষ সমর্থন করে এসেছেন।
সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার এবং সু চি‘র ভূমিকা’ শিরোনামে এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

মাহাথির বলেন, তারা আসলে এই মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তাদের হত্যা করছে এমনকি গণহত্যা চালাচ্ছে’। সু চি বরাবরই এ বিষয়ে প্রতিবাদ না করে বরং অনৈতিকতাকেই সমর্থন দিয়ে আসছেন।
এ বছরের আগস্টে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা রাখাইন রাজ্যের লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করে। যদিও মিয়ানমার সেনাবাহিনী সরকার এবং সেনাবাহিনী বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
সু চি এর আগে বলে এসেছেন যে তার বেসামরিক সরকার এই সংকটের দায় নেবে না। কারণ সাংবিধানিকভাবেই সেনাবাহিনীকে অনেক ক্ষমতা দেয়া আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসির সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসছে ঐক্যফ্রন্ট

দেশের খবর: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বুধবার ( ১৪ নভেম্বর) বিকের সাড়ে ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম গতকাল রাতে গণমাধ্যমকে এমনটিই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বুধবার (১৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার সময় আমরা তাদের (ঐক্যফ্রন্ট) সঙ্গে বসবো।’
ইসির উপসচিব মো. আব্দুল হালিম খান বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদাসহ বাকি চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।’
তিনি বলেন, ‘বৈঠকের ব্যাপারে সিইসি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন।’
এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করতে মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর চিঠি দেয় ঐক্যফ্রন্ট।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, বুধবার দুপুর ১২টায় আলোচনায় বসতে চায় ঐক্যফ্রন্ট। আলোচনায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেবেন ড. কামাল হোসেন। চিঠিতে ড. কামালসহ ১৪ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নামও দেয়া হয়।

গত ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করে ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের ঘোষণা দেন সিইসি কে এম নুরুল হুদা। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর দাবির মুখে সোমবার (১২ নভেম্বর) ঘোষিত পুনঃতফসিলে ৭ দিন পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ঠিক করে হুদা কমিশন।
পুনঃতফসিলে ভোটের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর রাখাকে হতাশাজনক উল্লেখ করে সরকারবিরোধী জোট ঐক্যফ্রন্ট তাদের দাবিতে অনড় থাকে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তত একমাস পেছানোর দাবি জানিয়েছিলো তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest