সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি

কুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিহারের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার কুলিয়ায় ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিহার রহমানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় কুলিয়াস্থ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন (ইন্না.রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ক্যান্সারজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ছেলে, মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ যোহর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজস্ব কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের সময় দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ, দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী, সাবেক উপজেলা ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল গফফারসহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির বড়দলে ও কাদাকাটির  বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করলেন ইউএনও

মোস্তাফিজুর রহমান/ বিএম আলাউদ্দীন ঃ আশাশুনি উপজেলার বড়দল ও কাদাকাটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পীর আলিফ রেজা। মঙ্গলবার মকাল থেকে তিনি বড়দল ইউনিয়নের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র, বড়দল ইউনিয়ন ভূমি অফিস, বড়দল ফ্রান্ছছিজ জেবিয়ার র্গিজ্জা, বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ, গ্রাম আদালত, চাম্পাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যলয় ও কাদাকাটি আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে উপজেলা নির্বহী অফিসের সিএ পশুপতি, বড়দল ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রনজিত কুমার মন্ডল, সাংবাদিক বি এম আলাউদ্দীন, এবং বড়দল ইউনিয়নের গন্যমান্য বেক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার জয়া আহসানকে গ্রেফতারের দাবি

বিনোদনের খবর: দেবী সিনেমার নামে উগ্র হিন্দুত্ববাদ প্রচারের ষড়যন্ত্রকারী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জয়া আহসান গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে আওয়ামী ওলামা লীগ। মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা আখতার হোসাইন বুখারী।

তি‌নি বলেছেন, ‘দেবী সিনেমার নামে উগ্র হিন্দুত্ববাদ প্রচারের ষড়যন্ত্রকারী অভি‌নেত্রী জয়া আহসানকে গ্রেফতার করতে হবে। এর পূর্বে জান্নাত সিনেমার মাধ্যমে এসএস মাল্টিমিডিয়া, বস-২ সিনেমার মাধ্যমে জাজ মাল্টিমিডিয়া মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। এছাড়া এসএ টিভি ‘ইউসুফ আলাইহিস সালাম-জুলেখা’ সিনেমার মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ (স.) সহ নবী-রাসুলদের মানহানিকর সিনেমা প্রদর্শন করেছে। অবিলম্বে উস্কানিমূলক এসব সিনেমা নিষিদ্ধ করে প্রযোজক, পরিচালকদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।’

বুখারী বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দলগুলোকে ৩০ শতাংশ আসন দেয়ার উদ্ভট দাবি উত্থাপনকারী ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের কোনো আসন বরাদ্দ দিলে ওলামা লীগসহ স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী ইসলামী দলগুলোকেও সংসদে কমপক্ষে ১০০ আসন দিতে হবে।’

তি‌নি আরও ব‌লেন, ‘হযরত মুহাম্মদ (স.) এর মুবারক শানে মানহানিকর বক্তব্য, লেখা, প্রকাশনা, টিভি প্রোগ্রাম, রেডিও প্রোগ্রাম, ইন্টারনেটে স্ট্যাটাসসহ যেকোন বিষয় প্রচার, প্রকাশ ও প্রদানকারীর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে এবং শাস্তি কার্যকরে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

তি‌নি ব‌লেন, পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ, পবিত্র শবে বরাত, পবিত্র মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ এবং মাজার শরীফ জিয়ারত বিরোধীতাকারী সব ওহাবী, সালাফী তথা তেতুল হুযুর খ্যাত আহমদ শফি মার্কা হেফাজতীদের রাষ্ট্রদ্রোহী আইনে গ্রেফতার করতে হবে কারণ সংবিধানে রাষ্ট্র দ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরজ। অথচ এরা পবিত্র মিলাদ শরীফ, পবিত্র ঈদে মিলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিরোধী। এরা সরকারের কখনো হিতাকাঙ্ক্ষী হতে পারে না। এরা জাতীয় বেইমান। এরা কখনো নৌকায় ভোট দিবে না। এদের মুখে এক, অন্তরে ভিন্ন আর শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগ হেফাজতীদের ভোট গণনায়ও ধরে না।’

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠ‌নের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি- মাওলানা মুহম্মদ শোয়েব আহমেদ গোপালগঞ্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জলিল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালিকবিহীন দুই ব্যাগে ৪ কোটি টাকার মোবাইল

অনলাইন ডেস্ক: হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে দুটি মালিকবিহীন ব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ মোবাইল জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। জব্দকৃত মোবাইলের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ব্যাংকক থেকে আসা টিজি-৩৩৯ বিমানে মালিকবিহীন ব্যাগ দুটি এসেছিল। পরে মোবাইল সেটগুলো জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা এয়ারফ্রেইট ইউনিটের সদস্যরা।
শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সকাল ১১টার দিকে একটি বিমান ব্যাংকক থেকে আসে। সেটি শাহজালালে নামার পরই খবর আসে ব্যাংকক থেকে আসা বিমানটিতে বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দেয়া মোবাইল সেট আসছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দারা অবস্থান নেয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তির ব্যাগ থেকে কিছুই না পাওয়ায় পরে অভিযান চালানো হয় লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড শাখায়।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দুটো মালিকবিহীন ব্যাগ পড়ে আছে। পরে কালো ও এ্যাস রঙের দুটো ব্যাগ আটক করে লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড থেকে বাহিরে আনা হয়। সবার সম্মুখে ব্যাগ খোলা হলে বিপুল পরিমাণ বিদেশি কোম্পানির মোবাইল সেট পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ দেখানো হয়।
সূত্র আরও জানায়, মোবাইলগুলো বিদেশি কোম্পানি ক্লাউডফোন লিড নামের একটি কোম্পানির তৈরি।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. শহীদুল ইসলাম জানান, মোবাইলগুলো ব্যাংকক থেকে আসা একটি বিমানে এসেছিল। সন্ধ্যা পর্যন্ত মোবাইলগুলোর কোনও মালিক পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মোবাইলগুলো ব্যাংকক থেকে আনার পর লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ডে রাখা হয়েছিল। সুযোগ বুঝে সেগুলো যাত্রী দিয়ে পাচার করা হতো।
তিনি বলেন, ‘সেগুলো উদ্ধার দেখানো হয়েছে এবং শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আধুনিক চাষাবাদ কলাকৌশলের উপর প্রশিক্ষণ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় উপকুলীয় লবনাক্ত এলাকায় অপ্রচলিত তেল ফসল সয়াবিন, সূর্যমুখী ও তিসি ফসলের আধুনিক চাষাবাদ কলাকৌশলের উপর উপজেলা কৃষি অফিসার ও কৃষিসম্প্রসারন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনষ্টিটিউটের আয়োজনে মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরার বিনেরপোতাস্থ কৃষি গবেষনা কেন্দ্রে উক্ত প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা খামারবাড়ি কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অরবিন্দ বিশ্বসের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর তৈলবীজ গবেষনা কেন্দ্রের পরিচালক ড. লুৎফর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা খামারবাড়ি কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষন অফিসার নুরুল ইসলাম, গাজীপুর তৈলবীজ গবেষনা কেন্দ্রের কর্মসুচি পরিচালক ড. মোবারক আলী, বিনোরপোতা কৃষি গবেষনা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইসহাকুল ইসলাম প্রমুখ। উক্ত কর্মশালায় জেলার ৭টি উপজেলার কৃষি অফিসার ও কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
কৃষি গবেষকরা এ সময়, উপকুলীয় লবনাক্ত এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সয়াবিন, সূর্যমুখী ও তিসিসহ বিভিন্ন তেল ফসলের উন্নত চাষাবাদ ও কলাকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে এমপি পদে প্রার্থী হতে যেসব যোগ্যতা লাগে

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোতে চলছে মনোনয়ন ফরম কেনাবেচার উৎসব। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে অনেকেই মজা করে নিজেরাও মনোনয়ন ফরম কেনার কথা বলে পোস্ট দিচ্ছেন।

নিছক মজা করেই হোক আর সত্যিকারেই রাজনীতিতে নাম লেখানোর উদ্দেশ্যেই হোক, বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে এবং সংসদ সদস্য বা এমপি নির্বাচিত হতে চাইলে জেনে রাখতে হবে সংসদ সদস্য হবার প্রাথমিক যোগ্যতাসমূহ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদে বলা হয়েছে কী কী যোগ্যতা থাকলে এমপি হওয়া যাবে, কোন কোন অযোগ্যতা সংসদ সদস্য হবার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।

১. প্রথমত বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, বয়স ২৫ পূর্ণ হতে হবে। তবে আদালত কাউকে অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা করলে তিনি এমপি হতে পারবেন না।

২. আদালত যদি কাউকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন তাহলে সে দায় থেকে তাকে মুক্ত হতে হবে। অন্যথায় তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন না।

৩. প্রার্থী যদি অন্য কোনও দেশের নাগরিকত্ব অর্জন বা গ্রহণ করেন বা অন্য কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের আনুগত্য স্বীকার করেন, তবেও তিনি অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

৪. প্রার্থী যদি কোনও ফৌজদারি মামলায় দোষী হয়ে কমপক্ষে দুই বছর কারাদণ্ড ভোগ করেন, তবে নির্বাচিত হতে হলে তাকে কমপক্ষে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ পাঁচ বছর পার হওয়ার আগে তিনি আর নির্বাচিত হতে পারবেন না।

৫. প্রার্থী যদি বাংলাদেশ যোগসাজসকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭২) আদেশের অধীন যে কোনও অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে থাকেন, তবেও তিনি অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

৬. তাছাড়া ব্যক্তি যদি প্রজাতন্ত্রের কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; যা আইন দ্বারা তাকে নির্বাচনের যোগ্য ঘোষণা না করে, তবেও তিনি নির্বাচনে লড়াই করতে পারবেন না।

এসব ছাড়াও বাংলাদেশে বিদ্যমান কোনও আইনে যদি প্রার্থী অযোগ্য বিবেচিত হন, তবেও তিনি নির্বাচিত হতে পারবেন না।

তবে ব্যক্তি যদি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন, তবে তিনি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে এবং উপরোক্ত কোনও শর্ত দ্বারা নিষিদ্ধ না হলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

ব্যক্তির প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকার ক্ষেত্রে তিনি যদি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী পদে আসীন থাকেন, তবে তিনি অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

আবার নির্বাচনের পরেও যদি কখনও তিনি অযোগ্য প্রমাণিত হন, তবে সে আসন শূন্য হবে কি না তা শুনানি ও নিষ্পত্তির মাধ্যমে মীমাংসা করা হবে এবং এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
সেই সাথে উপরোক্ত বিধানগুলোকে কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করতে সংসদ যেমন মনে করবে, তেমন ক্ষমতা প্রদান করতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগ বিএনপির প্রার্থী বাছাই হবে যেভাবে

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ফরম বিক্রি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। চার দিনে আওয়ামী লীগের ৪ হাজারেরও বেশি ফরম বিক্রি হয়েছে। বিএনপির ফরম বিক্রিও প্রতি দিন বাড়ছে।

নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক মেরুকরণে মূলত দুটি পক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ও অপরটি বিএনিপর নেতৃত্ব। দুই পক্ষের যে বিপুল পরিমাণ মনোনয়ন ফরম বিক্রি হচ্ছে তা আসলে কীভাবে বাছাই করা হবে, সেটি বেশ আগ্রহের বিষয়।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কীভাবে বাছাই করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গত দুই বছর ধরে মাঠপর্যায়ে জরিপ করছেন।

অক্টোবরে সর্বশেষ জরিপের প্রতিবেদন এসেছে। ৩ থেকে ৪ মাস পর পর সার্ভে রিপোর্ট এসেছে। বিভিন্ন সোর্স থেকে এই তথ্যগুলো নেয়া হয়েছে। এই জরিপের জন্য এনজিও, শিক্ষকদের নিয়ে একটা দল আছে। দলের এ রকম ৫ থেকে ৬টি সোর্স রয়েছে।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যে এলাকায় একজন প্রার্থীর সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি এবং ক্লিন ইমেজ আছে তাকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দুটি মনোনয়ন বোর্ড রয়েছে। একটা সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড এবং অন্যটি স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড। দুই বোর্ডের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ জানান, আমাদের যে জরিপ দল রয়েছে তারা একটা নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের বাইরে ওই এলাকায় সম্ভাব্য অন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। সেসব দলের প্রার্থীদের ব্যাপারে এলাকায় একইভাবে জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

বিএনপি কীভাবে তাদের প্রার্থী বাছাই করবে এ বিষয়ে দলটির স্থানীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, প্রার্থী নির্বাচনে আমাদের অনেক মানদণ্ড আছে। প্রধান বিষয় হলো দলের জন্য তার অবদানটা কী সেটা আমরা দেখব, আর গত ১০ বছরে যে সংগ্রাম হল, আন্দোলন হলো সেই আন্দোলন, তার ভূমিকা কী ছিল সেটা আমরা দেখব। তার আর্থিক সচ্ছলতা আমরা বিবেচনা করব। তৃনমূল পর্যায়ের আমাদের সংগঠনের ব্যক্তিদের মতামত নেব।

তিনি বলেন, অনেক এলাকা আছে যেখানে মানুষ বিএনপি করেন না কিন্তু বিজ্ঞ, শিক্ষিত যারা তাদের মতামত নেয়ার চেষ্টা করি। তারপর দেখি প্রার্থী জিতবে কিনা। এটা একটা বড় মাপকাঠি। হয়তো একটা প্রার্থীর সবকিছু আছে কিন্তু সে হয়তো ভোট পাবে না অথবা নির্বাচনে জিতবে না। সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। তবে ৯৫ ভাগ জায়গায় যেসব মাপকাঠির কথা বললাম সেগুলো বিবেচনায় আনা হবে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে। যখন আমরা প্রার্থীদের ডাকব তখন ৫ বছরের জরিপের এসব তথ্যগুলো আমাদের সামনে থাকবে।

মওদুদ আহমদ বলেন, মোটামুটি নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে তারা তথ্য সংগ্রহ করেন। সেগুলো আবার ‘ক্রস-চেক’ করেন। সংসদীয় পার্লামেন্টারি বোর্ড এই প্রার্থী নির্বাচন করবেন। তবে বোর্ডের প্রধান খালেদা জিয়া এখন দুর্নীতির দায়ে কারাগারে রয়েছেন। সেক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। ওনার অনুমোদন নিয়ে আমরা ঘোষণা দেব। আমরা নিজেরা কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেব না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন দিন পার হওয়ার পর টনক নড়ল ই‌সির!

দেশের খবর: নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মহড়ায় তিন দিন মানুষের দুর্ভোগ পোহানোর পর পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যবস্থা নিতে উপজেলায় একজন করে নির্বাহী হাকিম নিয়োগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সোমবার চিঠি পাঠিয়েছেন ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান। সেই সঙ্গে তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তির মিছিল-মহড়া বন্ধে পুলিশকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে বলে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সরগরম হয়ে উঠছে রাজনীতির মাঠ, রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যালয়গুলো।
ভোটের কাজে প্রথম নেমে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ শুক্রবার থেকেই মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মিছিল নিয়ে মহড়া দিয়ে সড়ক আটকে ফরম নিতে ও জমা দিতে আসেন।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়কেন্দ্রিক এই কার্যক্রমের কারণে সেদিন থেকে সোমবার পর্যন্ত দুর্ভোগ পোহাতে হয় রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসিন্দাদের।
সোমবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়া শেষ হওয়ার দিন বিএনপি তাদের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে: ফলে নয়া পল্টন এলাকায়ও দেখা দিয়েছে একই রকম জনদুর্ভোগ।
এর মধ্যেই ইসি পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিল।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, রাজনৈতিক দলের ফরম সংগ্রহকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকদের মিছিল-শোভাযাত্রার বিষয়টি নজরে এসেছে কমিশনের। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন।

এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ইতোমধ্যে বলেছেন, তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও ইসির অধীনে থাকবে। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তফসিল অনুযায়ী, ১০ ডিসেম্বর প্রতীক পাওয়ার পর দিন থেকে প্রচারে নামতে পারবেন প্রার্থীরা। তার আগে কোনো প্রকার প্রচার, মিছিল, মহড়া চালানো যাবে না।

আচরণবিধিতে বলা হয়েছে- “কোনো বাস, ট্রাক, মোটর সাইকেল, নৌযান, ট্রেন বা অন্য কোনো যান্ত্রিক যানবাহনসহ মিছিল কিংবা কোনোরূপ শোডাউন করতে পারবে না।” রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ও কোনো ধরনের মিছিল করা যাবে না। জনগণের চলাচল বিঘ্ন করে এমন কোনো সড়কে জনসভা বা পথসভা করা যাবে না।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে ৫ জনের বেশি ব্যক্তিতে নিয়ে আসায়ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার জরিমানা এবং সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা ইসির রয়েছে।

রাজনৈতিক দল বিধি লঙ্ঘন করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
জনপ্রশাসন সচিবের কাছে লেখা চিঠিতে ইসির যুগ্মসচিব জানান, মোবাইল কোর্ট আইনের আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী হাকিম নিয়োগের জন্য ইসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের পরের দিন পর্যন্ত তারা নিয়োজিত থাকবেন।

প্রতিটি উপজেলায় একজন, সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি ৩ থেকে ৪টি ওয়ার্ডের জন্য একজন, সিটি করপোরেশন ছাড়া জেলা সদরে প্রতি পৌর এলাকায় এক থেকে দু’জন এবং পার্বত্য এলাকায় ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত ৩ থেকে ৪টি উপজেলার জন্য একজন করে নির্বাহী হাকিম থাকবে।

সংসদ নির্বাচনে ৬৪ জেলায় ৩০০ আসনে ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা (বিভাগীয় কমিশনার ২ জন ও ৬৪ জেলা প্রশাসক) এবং ৫৭৯ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (উপজেলা নির্বাহী অফিসার) নিয়োগ করা হয়েছে।
নির্বাচনী আইন, আচরণবিধি, নির্বাচন পরিচালনাসহ সার্বিক বিষয়ে নির্দেশনা দিতে মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest