সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিবেন তিন তারকা

অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিবেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, অভিনেতা জাহিদ হাসান এবং তার স্ত্রী নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মৌ।
মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান তারা। এ সময় তারা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার উপকমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন।
এছাড়া চিত্রনায়ক ফেরদৌস, শমী কায়সার ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজও প্রচার উপকমিটির বৈঠকে ছিলেন বলে জানা যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৬ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘হাসিনা- এ ডটার’স টেল’

বিনোদনের খবর: ‘হাসিনা- এ ডটার’স টেল’ শিরোনামের ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৬ নভেম্বর। ছবিটি এরইমধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে। হচ্ছে নানা নেতিবাচক কথাও। অনেকেই মনে করছেন নির্বাচনের আগমুহূর্তে এই ছবিটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই মুক্তি দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের ইতিবাচক প্রচারের জন্যই তৈরি হয়েছে ছবিটি।

তবে সিনেমার পরিচালক পিপলু খান জানালেন, ‘মোটেও এমন কিছু নয়। এটি একটি সিনেমাই। যেখানে রাজনীতির ইতিহাস আছে, নানা রকমের অজানা তথ্য আছে। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আদর্শ নয় বরং তার নিতান্তই ব্যক্তি জীবনের গল্প ফুটে উঠেছে।’

পরিচালক সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নোত্তর পর্বে বলেন, ‘দেশে দেশেই রাজনীতিবিদদের নিয়ে ছবি নির্মিত হয়। কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পেয়েও তাকে নিয়ে কিছু বানাতে পারিনি। অথচ তার সাথে পঁচাত্তরের কাল রাতে ঘটে যাওয়ার ঘটনায় শত শত বই লেখা হয়েছে। আমি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কিছু নির্মাণের সাহস করিনি। তবে আমার দেখা একজন রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনা। যিনি রানিং প্রধানমন্ত্রী।

আমার ও আমাদের সিনেমার টিমের মনে হয়েছে তার জীবনের গল্প আছে, সেগুলো মানুষ জানতে চায়। তার ব্যক্তি জীবন নিয়ে মানুষের অনেক আগ্রহ। সেটা তুলে ধরতেই আমি ছবিটি বানিয়েছি।

আমাকে এই ছবির জন্য সরকার থেকে কোনো প্রস্তাব দেননি, সরকার এটিকে নিয়ে বাণিজ্যও করছে না। তেমনটি হলে সারাদেশের সব হলেই হয়তো ছবিটি আমরা নিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু আমাদের সেই উদ্দেশ্য নেই। মনে হয়েছে শেখ হাসিনাকে নিয়ে একটি কাজ করা আমাদের প্রজন্মের দায়িত্ব। সেটা পালন করেছি।

আমার চেয়ে ভালো নির্মাতা এই দেশে অনেকেই আছেন। তারা বানালে হয়তো আরও ভালো বানাতে পারতেন। আমি শুরু করেছি, এবার অন্যরাও করবে। ছবিটিতে এত জটিল ভাবনার কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী একদম সাধারাণ একজন নারী হিসেবে আমাদের সময় দিয়েছেন। পাঁচ বছর ধরে কাজ করে তাকে নিয়ে ছবিটি আমরা বানিয়েছি।

এখানে তার ব্যক্তিজীবনের নানা কথাই দেখবেন দর্শক। একজন সাধারণ নারী তার এক বোনকে নিয়ে কেমন করে পরিবারের সব প্রিয়জন হারিয়ে টিকে থাকলেন, অসাধারণ হয়ে উঠলেন সেই মানিবকতার কাহিনি আছে এখানে। রাজনৈতিক ভিউ নয়, রাজনীতি ও ইতিহাসকে এখানে কাব্যের ভাষায় দেখতে হবে। শিল্পের ভাবনায় একজন দর্শক ছবিটি দেখলে তারা আরাম পাবেন। আর সেটাই হবে আমাদের স্বার্থকতা।’

পিপলু খান প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘যখন প্রধানমন্ত্রী রাজি হলেন আমাদের সময় দেয়ার তখন থেকেই আমি চেষ্টা করেছি সাদামাটা একটা উপস্থাপনের। আমার মাথায় ছিলেন ব্যক্তি শেখ হাসিনা। তিনি কী পছন্দ করেন, কী খেতে ভালোবাসেন, কী ধরনের শাড়ি তিনি পছন্দ করেন? ছেলেমেয়ে ও নাতিদের সঙ্গে কীভাবে সময় কাটান, তার বোনের সঙ্গে রসায়নটা কেমন, কেমন তার জীবনযাপন? স্বজন হারানোর ভাবনা তাকে কীভাবে প্রভাবিত করে, কীভাবে কেটেছে তার নির্বাসিত জীবনের দিনগুলো- এইসব জানতে চেয়েছিলাম।

বাঙালি জানে ঠাকুর বাড়িতে কী রান্না হতো, ঠাকুরবাড়ির মেয়েরা কীভাবে শাড়ি পড়তো, কেমন করে পড়তো। সেইসব নিয়ে পত্রিকায় নানারকম লেখা ও ফিচার দেখি। কিন্তু বাঙালি কোনোদিন জানতে চায়নি বঙ্গবন্ধুর পরিবারে কী রান্না হতো? সুলতানা কামাল চমৎকার শাড়ি পড়তেন, ফ্যাশনেবল ছিলেন। সেগুলো কিন্তু আমাদের মেয়েদের কাছে জনপ্রিয়তা পায়নি।

কেন? যে পরিবারটি এ দেশের রাজনীতির সঙ্গে এত গভীরভাবে জড়িত, দেশের মুক্তির সঙ্গে যে পরিবারের এত ত্যাগ রয়ে গেছে সেই পরিবারটির সঙ্গে আমাদের এত দূরত্ব কেন? কারণ নানা রিউমার ও গল্প ঘৃণার জন্ম দিয়ে একটা দেয়াল তৈরি করা হয়েছে।

আমরা যারা আশির দশকে বেড়ে ওঠেছি দেখেছি তখন জয় বাংলা বলা যেত না। কোথাও বঙ্গবন্ধুর নাম নিশানা ছিলো না। ওসব প্রায় নিষিদ্ধ ছিলো। বাঙালি জাতিসত্ত্বার গুরুত্ব ছিলো না। বলা হতো দেশটা মুসলিমদের। কিন্তু যখন নব্বইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন হলো তখন বুঝলাম দেশের ইতিহাস নিয়ে এতদিন একটা ফাঁকি দেয়া হয়েছিলো আমাদের।

আমি নিজে এমন একটি পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে আমিও অনেক জানতে পারিনি। ইতিহাস সম্পর্কে, বঙ্গবন্ধুর পরিবার সম্পর্কে। আসলে আমার বাবা বৃটিশ আমলের মানুষ। তিনি বৃটিশদের দেখেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। পাকিস্তান ভাগ হতে দেখেছেন। সেখানেও কন্ট্রিবিউশন ছিলো। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্যও কাজ করেছেন। তার কাছে মুক্তিযুদ্ধের পরে আর তেমন করে দেশপ্রেমের আবেগ কাজ করেনি। এতগুলো জাতিসত্ত্বার ভেতর দিয়ে যাতায়াত করে তার জাতীয়তার বড়াইটা আর ছিলো না।

কিন্তু আমি তো সেই বড়াটা করতে চেয়েছি। আমি কেন জানবো না আমার জাতির জনকের পরিবারের কথা। বঙ্গবন্ধু তার স্ত্রীকে রেনু বলে ডাকতেন। এটা আমার ছেলে কেন জানবে না। আমার এটা মনে হয়েছে। এবং সেটা জানার ও জানানোর চেষ্টা করতেই এই ছবিটি বানিয়েছি। যে দেয়ালটা তৈরি করা হয়েছিলো সেই দেয়ালটা ভাঙতে চেয়েছি।

আর যেহেতু এটা ওই পরিবারের ও শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত গল্প তাই শুরু থেকেই উনার সঙ্গে ক্যাজুয়ালি মিশতে চেয়েছি। ঘরের মানুষের মতো। উনি প্রধানমন্ত্রী সেটা মাথায় থাকলে কাজ করা যেত না।
তাই প্রথমবার যখন দেখা হলো তখনই বলেছিলাম উনাকে- ‘আমি আপনাকে আপা বলে ডাকবো।’ মজার ব্যপার হলো তিনিও সেটা রিসিভ করলেন। প্রথমে আমাকে এই ছেলে বলে ডাকলেও একটা সময় পিপলু পিপুল বলে ডাকতে লাগলেন। আমাদের সম্পর্কটা তখন ভাইবোনের পর্যায়ে এসে গেল। আর সেজন্যই ছবিতে বাড়তি কিছু আমাকে রাখতে হয়নি। আমি শতভাগ স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করেছি।
মনে আছে প্রথম সাক্ষাতের সময় আলাপে আলাপে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন ‘এই জানো, আমি রেহানা একে অন্যের শাড়ি ভুল করে পরে ফেলি।’ তার মুখে এই রসাত্মক কথাটা শুনতে শুনতে আমার মনে হয়েছিলো এই মানুষটির সঙ্গে ডাল চাল নিয়ে কথা বলা যায়। তিনি একদমই ঘরের মা-বোনের মতো আচরণ করেছেন। আর সেটাই আমাদের দরকার ছিলো।’

ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে দেশের অনেক ইতিহাস ও আবেগ পড়ে আছে দাবি করে পিপুল খান বলেন, ‘খুব অবাক করা ব্যাপার হলো ৩২ নম্বরের বাড়িটি নিয়ে আমাদের কোনো আবেগ নেই। ওখানে যারা যান তারা কেউ কাজের জন্য, কেউ বা বেড়াতে-ঘুরতে যান। কিন্তু ইতিহাস জানতে, বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে জানতে যান না কেউ।

ওই বাড়িতে অনেক আবেগ জমে আছে। বঙ্গবন্ধুর চিঠিগুলো অসাধারণ। কবিতার মতো। আমি পড়েছি। প্রতিটি চিঠিতে তিনি স্ত্রীকে লিখতেন ‘প্রাণের রেনু’। দাম্পত্যের কী চমৎকার প্রেম। আজকাল তো আমরা চিঠিই লিখছি না প্রেমিকার কাছে। কিন্তু প্রেমমাখা এসব চিঠি পড়লে দেখবেন মন ভালো হয়।

তারপর ধরেন আপনি এমন একজন স্বামীকে চেনেন যিনি প্রতিদিন স্ত্রীর হাতে বানানো পান অফিসে নিয়ে যান। কিন্তু তিনি পান খান না। এমনই একজন প্রেমিক স্বামী ছিলেন বঙ্গবন্ধু। স্ত্রীকে খুশি রাখতে রোজ রোজ সকালে পান হাতে নিয়ে বের হতেন। সেই পান তিনি খানওনি দিনের পর দিন। এই গল্পটা একটা সিনেমার নায়কের হতে পারতো না? কিন্তু সেগুলো জানার চেষ্টাই হয়নি।

নিজের পাশাপাশি বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের এইসব গল্প ‘হাসিনা- এ ডটার’স টেল’ ছবিতে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবিটা হয়তো সবাইকে খুশি করবে না, কোনো ছবি সেটা পারেও না। তবে পাঁচশ বছরের ইতিহাসকে সামনে রেখে যখন ভাববেন তখন দেখবেন খুব ভালো একটি সংগ্রহ হবে এই ছবিটি।’

সিনেমাটি দেখার পর প্রধানমন্ত্রীর অনুভূতি কেমন ছিলো সেই প্রশ্নের জবাবে পরিচালক পিপলু খান বলেন, ‘ছবিটি নিয়ে তার কোনো উচ্ছ্বাস নেই। তিনি দেখেছেন এবং মজা পেয়েছেন। কোনো কারেকশান দেননি যে এটা এরকম করো, এটা বদলে দিও। তিনি কেবল মজা করেছেন তার মেকাপ নিয়ে। বলছিলেন, ‘বয়স হয়েছে। মেকাপ যেন বেশি না লাগে।’ সেটা আমরা এডিটিংয়ের সময় মাথায় রেখেছিলাম।’
‘হাসিনা-এ ডটার’স টেল’ সিনেমাটি নিয়ে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে আয়োজিত হয় এক সংবাদ সম্মেলন। সেখানে এর পরিচালক পিপলু খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস, গ্রে বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কান্ট্রি হেড গাউসুল আলম শাওন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসনে মিশে গেল ইকোনমিক ক্যাডার

অনলাইন ডেস্ক: সিভিল সার্ভিসের ইকোনমিক ক্যাডার প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে মিশে গেল। এজন্য মঙ্গলবার ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডার এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডার একীভূতকরণ আদেশ, ২০১৮’ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এরপর আদেশের গেজেটও প্রকাশ করা হয়।
অধিকতর গতিশীল সমন্বিত ও জনবান্ধব প্রশাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও ইকোনমিক ক্যাডার একীভূত করা হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রশাসন এবং ইকোনমিক ক্যাডারের সব পদ এবং জনবল প্রশাসন ক্যাডারের পদ ও জনবল হবে। সরকারি কর্ম কমিশনের সমন্বিত মেধা তালিকা অনুসারে পুলে যোগ দেয়া ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নিজ নিজ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সাথে নির্ধারিত হবে।

একীভূত করার উদ্দেশ্যে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একীভূত ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সমপদে পদায়ন, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এবং একীভূত করার সব প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে।

এই আদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা বা এই আদেশে উল্লেখিত হয়নি এমন কোনো বিষয়ে আদেশের প্রয়োজন হলে সরকার ব্যাখ্যা বা প্রয়োজনে আদেশ দিতে পারবে।
ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত করতে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসেস (রি-অর্গানাইজেশন) অর্ডার, ১৯৮০’ সংশোধিত হবে।

ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তার সংখ্যা ৪৬৪ জন। প্রশাসন ক্যাডারে বর্তমানে কর্মকর্তা সংখ্যা ৪ হাজার ৮৪৫ জন। ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা একীভূত হওয়ায় প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তার মোট সংখ্যা হল ৫ হাজার ৩০৯ জন।
ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন থেকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে তাদের একীভূতের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এরপর ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর দুই ক্যাডার একীভূত করা নিয়ে উভয় ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়।

ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করতে ২০১৭ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। ওই বছরের ৩০ মে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি দুই ক্যাডার একীভূতে সম্মতি দেয়।
ইকোনমিক ক্যাডার প্রশাসনে মিশে যাওয়ায় এখন ক্যাডারের সংখ্যা দাড়াল ২৭টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছেন না টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রী

দেশের খবর: টেকনোক্র্যাটের চার মন্ত্রী নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছেন না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, তারা (টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী) পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, কোনো একসময় নিশ্চয়ই পদত্যাগপত্র গৃহীত হবে। পদত্যাগপত্র গৃহীতের বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন।

নির্বাচনে সবদল অংশগ্রণের বিষয়টি ভালো দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে করে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মানে আমরা ৭০টি দলের সঙ্গে সংলাপ করেছি। নির্বাচন কমিশন বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, নির্বাচন সাতদিন পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ৪ হাজার ৩০০ মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (১৪ নভেম্বর) সকালে তাদের নিয়ে বৈঠক হবে। এরপর কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, আমরা এখন নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করছি। শুধু রুটিন কাজ করছি। নীতিগত কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না। মন্ত্রিসভার রদবদলের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা পুরোপুরি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যারা জয়ী হবেন তারা নতুন সরকার গঠন করবেন।

নির্বাচনে কি খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যতটুকু সংবিধান বুঝি তাতে করে কারো যদি দুই বছরের বেশি সাজা হয় তারপর জামিনে মুক্তি হলেও, যতোক্ষণ না তার সাজা আদালত মওকুফ করেন ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। এছাড়া কাউকে যেনো রাজনৈতিকভাবে হয়রানি না করা হয় সেজন্য প্রত্যেক জেলায় সরকার নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচনকালীন সরকার গঠনে গত ৬ নভেম্বর মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য না হয়েও বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রী) মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ দেন। ওইদিনই বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে চার মন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার পর তারা আর দায়িত্বে নেই ধরে নিয়ে পরেরদিন বুধবার সকাল নাগাদ চার মন্ত্রী অফিস না করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সোমবারের (১২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শতভাগ বিশ্বাস মনোনয়ন পাবো’

বিনোদনের খবর: জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। সিদ্দিক হিসেবেই ভক্তদের নিকট পরিচিত। কিন্তু আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কা নিয়ে টাঙ্গাইল ১ (মধুপুর-ধনবাড়ি) আসন থেকে নির্বাচন করতে চান এই অভিনেতা। ইতোমধ্যে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
সিদ্দিক বলেন, আমি শতভাগ বিশ্বাস করি নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দেবেন। ১৪ তারিখে আমাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়েছে। সেদিনই ফয়সালা হবে সবকিছু, সবাই জানবেন কে নির্বাচনে যাচ্ছেন। তবে নেত্রীর প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন তাই মেনে নেবো।
শতভাগ আস্থার কারণ সম্পর্কে সিদ্দিক বলেন, টাঙ্গাইল- ১ আসনে একমাত্র আমি মনোনয়নপত্র নিয়েছি। এছাড়া এই এলাকার কেউ মনোনয়ন নেয়নি, যারা নিয়েছেন তারা কেউ টাঙ্গাইল ১ আসনের লোক নয়। তাই আমার বিশ্বাস দলের হাই কমান্ড এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেবে।
সিদ্দিক বলেন, আমি ২৪ ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার পরিবার জড়িত। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে জড়িয়ে পড়ি। এখনো আমি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাথে যুক্ত। সাধারণ সম্পাদকের পদ প্রত্যাশী।
সিদ্দিকুর বলেন, আমি ২০০৮ সাল থেকে এলাকায় গণসংযোগ করছি। এলাকার নানা উন্নয়ন্মূলক কর্মাকাণ্ডের সাথে যুক্ত আছি। নিজের হাতে অনেকগুলো সংগঠন করেছি এলাকায়।

সিদ্দিক বলেন, ভেবেছিলাম অংশ নেবো না। কিন্তু এলাকার মানুষের জন্য সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি। তারা আমাকে চায়। এজন্য আমিও ভাবলাম আমাদের মতো তরুণদের আসলে পিছিয়ে পড়া উচিৎ না। সারা বাংলাদেশের সেবা হয়তো আমার দ্বারা সম্ভব না। আমার এলাকার সেবা তো করতে পারি।

টাঙ্গাইল-১ সংসদীয় এলাকায় গণসংযোগের অংশ হিসেবে মধুপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ সংস্কার ও মিনার স্থাপন হয়েছে সিদ্দিকের অর্থায়নে। সেখানে তার নাম ফলকে খোদাই করা রয়েছে। এছাড়াও সিদ্দিক হোস্টেল নামে তার স্কুল চাপরি গণবহুমখী উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি হোস্টেল নির্মিত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খেলা শেষ হওয়ার আগে তাইজুলের ৫ উইকেট

খেলার খবর: টানা দ্বিতীয় টেস্টে টানা তৃতীয় ইনিংসে নূন্যতম ৫ উইকেট শিকার করলেন তাইজুল ইসলাম। ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনে আজ চাকাভাকে নিজের পঞ্চম শিকার বানান এই স্পিনার। মাভুতার আউটের সঙ্গে সঙ্গেই দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করেন আম্পায়ার। দিনশেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩০৪ রান। ফলোঅন এড়াতে হলে আরও ১৯ রান করতে হবে তাদের।

আজ মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে দ্বিতীয় উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। এই উইকেটটাও তাইজুলের। তার বলে সেই মেহেদী মিরাজের তালুবন্দি হলেন ত্রিপানো (৮)। ৪০ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন হলো সফরকারীদের। এরপর ব্রেন্ডন টেইলরের সঙ্গে জুটি গড়ার পাশাপাশি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেনে ওপেনার ব্রায়ান চারি।

লাঞ্চের আগমুহূর্তে চারিকে (৫৩) মুমিনুল হকের তালুবন্দি করে ৫৬ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাইজুলের তৃতীয় শিকার হয়ে ফিরেছেন অভিজ্ঞ শন উইলিয়ামস (১১)। ১২৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। বিপজ্জনক অল-রাউন্ডার সিকান্দার রাজাও (০) বোল্ড হয়েছেন তাইজুলের বলে। ১৩১ রানে অর্ধেক ইনিংস শেষ হয়ে যায় সফরকারীদের।

এরপর পাল্টা প্রতিরোধ গড়েন ব্রেন্ডন টেইলর এবং পিটার মুর। ৬ষ্ট উইকেটে দুজনে মিলে ১৩৯ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন। ১১৪ বলে ৮৩ রান করা পিটার মুর আরিফুল হকের বলে এলবিডাব্লিউ হলে ভাঙে এই জুটি। রিভিউ নিয়েও সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। মুরের বিদায়ের পরেই ১৮৭ বলে ৮ বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি হাঁকান অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর।

সেঞ্চুরিয়ান টেইলরকে ১১০ রানে থামিয়ে দিলেন মেহেদী মিরাজ। দুর্দান্ত ক্যাচ নিলেন তাইজুল ইসলাম। ২ বল পরেই ব্রেন্ডন মাভুতা (০) ধরা পড়লেন আরিফুলের হাতে। দিনের খেলার একেবারে শেষের দিকে উইকেটকিপার ব্যাটম্যান চাকাভাকে (১০) মুমিনুলের তালুবন্দি করে পঞ্চম শিকার ধরেন তাইজুল ইসলাম। এরই সঙ্গে শেষ হয় তৃতীয় দিনের খেলা।

এর আগে গতকাল সোমবার ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় সেশনে ৭ উইকেটে ৫২২ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। মুমিনুল ইসলাম খেলেন ১৬১ রানের ইনিংস। আর মুশফিকুর রহিম ১৬ টি বাউন্ডারিতে খেলেন অপরাজিত ২১৯* রানের ব্যক্তিগত এবং বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। তাকে দারুণ সঙ্গ দেওয়া মেহেদী মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৬৮* রানে। শেষ সেশনে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আরিফুল হকের কল্যাণে একবার জীবন পাওয়া অধিনায়ক মাসাকাদজাকে (১৪) হারায় জিম্বাবুয়ে। তাকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠন তাইজুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুষ্ঠু নির্বাচনের ইতিহাস সৃষ্টি করা হবে: সিইসি

দেশের খবর: নতুন প্রেক্ষাপটে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে ভেজালহীন করার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, দলীয় সরকারের অধীনে থেকে যে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব এবারের নির্বাচন সেই ইতিহাস সৃষ্টি করবে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আজ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠানে সিইসি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের তারিখ পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৩০ তারিখ নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এরপর আর তারিখ পেছানোর সুযোগ নেই। প্রথম কারণ হলো জাতীয় পর্যায়ে এতো বড় একটি নির্বাচনের পর ২৯ জানুয়ারি সংসদ বসতে হবে। ফলে এটি বড় মাপের সময় নয়। কারণ নির্বাচনের পর ফলাফল আসবে, এরপর গেজেট করা। এই তিনশ’ আসনের গেজেট করার জন্য সময় লাগে। দ্বিতীয়ত হলো, টঙ্গীর ইজতেমা হবে ১১ জানুয়ারি। এটি আমাদের চিঠি দিয়া জানানো হয়েছে। এ সময় সারাদেশ থেকে আইনশৃঙ্ঘলা বাহিনীর সদস্যদের আনতে হয়। যাতে কোন সহিংসতা না ঘটে।

সিইসি বলেন, নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে, তাতে আমরা খুশি হয়েছি। কিন্তু ভোটের তারিখ আর পেছানোর সুযোগ নেই।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা দেশি-বিদেশি সকল স্তরের সংস্থার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ বছর নির্বাচনের পরিবেশ হবে ভিন্ন। আমাদের দেশে কখনো নির্বাচন হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসিত নির্বাচন, কখনো সেনাবাহিনী, কখনো কেয়ারটেকারের অধীনে। কিন্তু অন্যান্য নির্বাচন থেকে এই নির্বাচন সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ সংসদ ও সরকার বহাল রেখে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৪ সালে এমন একটি নির্বাচন হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্বাচনে সব দল অংশ নেয়নি। আমরা এবার আনন্দিত যে, এই নির্বাচনে সব দল অংশ নিতে যাচ্ছে। সে কারণে আপনাদের দায়িত্বও অনেক বেড়ে গেছে এবং ভেজালমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

এখন থেকে নির্বাচনের সকল দায়িত্ব রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উল্লেখ করে সিইসি বলেন, নির্বাচন হতে হবে সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। ভোট একটি উৎসব। ভোটের দিন ভোটাররা আনন্দমুখর পরিবেশে ভোট দিতে যাবে। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন।

ভোট প্রদান কক্ষ ছাড়া বাকি সব স্থানে পর্যবেক্ষকসহ সবাই যেতে পারবেন এবং তা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে নির্বাচন জনগণ গ্রহণ করবেন, যে নির্বাচন সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে- সেটিই হবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এই অবস্থা রিটার্নিং কর্মকর্তার সৃষ্টি করতে হবে। কিভাবে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ করবেন, ভোটকক্ষ তৈরি করবেন সব দায়িত্ব আপনাদের। সবাই আন্তরিকভাবে নির্বাচন পরিচালনা করলে সামগ্রিকভাবে আমাদের উপর জনগণের সন্দেহ হবে না।

প্রার্থী ও রাজনীতিবিদদের সাথে সুসম্পর্ক রাখার নির্দেশ দিয়ে সিইসি বলেন, অনেকেই এমপি ছিলেন, অনেকে যারা এমপি ছিলেন না তারা এলাকায় সম্মানিত ব্যক্তি। তাদের সাথে যদি সুসম্পর্ক রাখেন, তাহলে কেউই নির্বাচনে সমস্যা সৃষ্টি করবেন না। তাদেরকে কখনো প্রতিপক্ষ হিসেবে নেবেন না। তাদের সহযোগিতা করলে তারাও আপনাদের সহযোগী, বন্ধু হিসেবে কাজ করবে। বিরোধিতা করবে না। নিরপেক্ষতা হবে একমাত্র মাপকাঠি।

ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের কারণে নির্বাচন কমিশনের যাতে বদনাম না হয়। ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করুন।
নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ নির্বাচনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর রোববার ভোটগ্রহণ। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কার্তিকের সঙ্গে ছবি ভাইরাল, বিতর্কে শ্রদ্ধা!

বিনোদন সংবাদ: কিছুদিন আগেই দিওয়ালি উৎসবে দেখা গেলো শ্রদ্ধা কাপুরের প্রেমিককে। অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল তিনি নতুন সম্পর্কে আছেন। তবে সেই প্রেমিককে অবশেষে দেখা গেলো। সেই গুঞ্জন শেষ না হতেই আবারো নতুন সম্পর্ক নিয়ে শিরোনাম হলেন শ্রদ্ধা। রোহন-শ্রদ্ধার সম্পর্কের সেই গুঞ্জন শেষ হতে না হতেই এবার ফের কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে শ্রদ্ধা কী করছেন মাঝরাতে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

অভিনেতা কার্তিক আরিয়ার সঙ্গে মাঝরাতে কোথায় বেরিয়ে পড়লেন শ্রদ্ধা কাপুর মুম্বাইয়ের একটি মাল্টিপ্লেক্সের সামনে দেখা যায় তাদের। শ্রদ্ধা এবং কার্তিকের ওই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ফের একদফা জল্পনা শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলে।

‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ অভিনেতা কার্তিকের সঙ্গে মাঝরাতে কী করছেন শ্রদ্ধা! সেই খবর প্রকাশ হতেই বিতর্কে মুখে পড়েছেন তিনি। মাঝরাতে ‘মুভি ডেটে’ বেরিয়ে কার্তিক এবং শ্রদ্ধা, দুজনকে বেশ ঝলমলে লাগছিল। কিন্তু, এই বিষয়ে দুজনের কেউই এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি।

পরিচালক দিনেশ ভিজন-এর সিনেমায় শিগগিরই স্ক্রিন শেয়ার করবেন শ্রদ্ধা কাপুর এবং কার্তিক আরিয়ান। একসঙ্গে শুটিং শুরুর আগে নিজেদের মধ্যে আলাপ পরিচয় বাড়াতেই কি শ্রদ্ধা এবং কার্তিক একসঙ্গে বেরিয়ে পড়েন, না কি বলিউডে তৈরি হচ্ছে আরও এক নতুন তারকা জুটি। সে বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest