সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

সাবান ব্যবহারেও হতে পারে ক্যান্সার

স্বাস্থ্য কণিকা: দীর্ঘদিন ধরে বেশি পরিমাণে সাবান, শ্যাম্পু ব্যবহার করলে এই বস্তুগুলোর অন্যতম সাধারণ অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ট্রাইক্লোস্যান উপকারের বদলে অপকার করতে শুরু করে। লিভারের টক্সিসিটি বাড়িয়ে তোলে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে চমকে দেয়া তথ্য। পরিচ্ছন্নতার ঝোঁকে খুব বেশি সাবানের ব্যবহার শরীরের জন্য ডেকে আনতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ। সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্টের মধ্যে উপস্থিত যৌগ ট্রাইক্লোস্যান লিভার ফাইব্রোসিস ও লিভার ক্যান্সারের অন্যতম কারণ রূপে কাজ করে।

ট্রাইক্লোস্যান যখন একই কার্যক্ষমতা সম্পন্ন অন্যান্য যৌগের সঙ্গে মিশে থাকে তখন ক্ষতির সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায়। গবেষকরা ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে দেখেছেন ট্রাইক্লোস্যান লিভারের কার্যক্ষমতা বহুলাংশে কমিয়ে ফেলে।

ছয় মাস ধরে কিছু ইঁদুরকে ট্রাইক্লোস্যানের সংস্পর্শে রাখার পর দেখা গেছে তাদের লিভার ক্যান্সারের সম্ভাবনা ভীষণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। লিভারজুড়ে বিশাল বড় বড় টিউমার জন্ম নিয়েছে।

এই গবেষণা অনুযায়ী ট্রাইক্লোস্যান লিভারের মধ্যে অবস্থিত অ্যান্ড্রোস্টেন রিসেপটরগুলোকে নষ্ট করে ফেলে। এই রিসেপটরগুলো আসলে এক ধরনের প্রোটিন যা শরীরে ফরেন পার্টিকাল তাড়াতে সাহায্য করে।

এর ফলে লিভারকোষগুলোর অনিয়মিত বিভাজন শুরু হয়। কোষগুলি ফাইব্রোটিক হয়ে পড়ে। লিভারে লাগাতার ফাইব্রোসিস টিউমার তৈরি করে।

শ্যাম্পু, সাবান, টুথপেস্টের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী হিসেবে ট্রাইক্লোস্যানের ব্যবহার সর্বাধিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন মায়েদের জন্য যে ৭টি খাবার নিষিদ্ধ

স্বাস্থ্য কণিকা: পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কিছু খাবার আছে যা মায়েদের এড়িয়ে চলতে হয়। অনেক সময় দেখা গেছে এই খাবারগুলো খাওয়ার পর বাচ্চারা মায়ের দুধ খেতে চায় না অথবা দুধ খেলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাই মায়েদের সচেতন থাকতে হয় সর্বক্ষণ। বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর সময় এমন কোন খাবার খাওয়া যাবে না যাতে বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

লেবু জাতীয় ফল: লেবু জাতীয় সকল ফল এই সময় এড়িয়ে যাওয়া উচিত। এই জাতীয় ফলে অ্যাসিড থাকে যা শিশুর বুক জ্বালা পোড়া, পেট ব্যথার কারণ হতে পারে। এমনকি শিশুর শরীরে র‍্যাশ বা অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। আপনি লেবুর পরিবর্তে অন্য ভিটামিন সি এর উৎস যেমন পেঁপে আম, খেতে পারেন।

চকলেট: এই সময় আপনার প্রিয় চকলেট খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। চকলেট বিশেষ করে ডার্ক চকলেটে ক্যাফিন থাকে যা আপনার শিশুর স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। চকলেট খাওয়ার পর দুধ খেলে আপনার বাচ্চা যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে বা ত্বকে র‍্যাশ দেখা দেয় তবে চকলেট খাওয়া বন্ধ করে দিন।

ব্রকোলি: ব্রকোলির পুষ্টিগুণ অনেক, কিন্তু বাচ্চা দুধ খাওয়ানোর সময় ব্রকোলি, ফুলকপি জাতীয় গ্যাস সৃষ্টিকারী সবজি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এই খাবারগুলো পেটে গ্যাস সৃষ্টি করে থাকে যা বাচ্চার ক্ষতি করে।

কফি: আপনি যখন কফি বা চা পান করেন তখন ক্যাফিনের কিছু অংশ দুধের সাথে মিশে যায়। ছোট শিশুদের বড়দের মত ক্যাফিন শোষন করার ক্ষমতা থাকে না। ফলে ওদের পেটে ব্যথা, বুক জ্বালাপোড়া, অনিদ্রা দেখা দিতে পারে। তাই বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

রসুন: আপনার যদি কাঁচা রসুন বা রসুনের খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে আজই এই অভ্যাস ত্যাগ করুন। রসুনের গন্ধ বুকের দুধের মধ্যে আসে যা আপনার বাচ্চা পছন্দ নাও করতে পারে।

কিছু মাছ: মাছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। কিন্তু কিছু মাছ যেমন টুনা মাছ, আঁশযুক্ত মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

দুগ্ধজাত খাবার: দুধ এবং দুধ জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। কিন্তু শিশুরা এই জাতীয় খাবার সহজে হজম করতে পারে না। বিশেষ করে গরুর দুধের প্রোটিন। চিজ, পনির, টকদই বা অন্য কোন দুগ্ধ জাতীয় খাবার মা খেলে তা দুধের মাধ্যমে শিশুর শরীরে চলে যায়। এতে শিশুর হজমের সমস্যা, পেটে গ্যাস বা পেট ব্যথা সহ অনেক সমস্যা দেখে দিতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেরা নিতম্ব প্রতিযোগিতায় সুন্দরীদের চুলোচুলির ভিডিও ভাইরাল

বিনোদনের খবর: কতো অদ্ভূত রকমের প্রতিযোগিতাই আজকাল হচ্ছে। এই যেমন ব্রাজিলে হয়ে গেল নিতম্ব প্রতিযোগিতা। কার নিতম্ব সবচেয়ে সুন্দর সেটাই বাছাই করা হয় এখানে।

বিচিত্র এই সুন্দরী প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে মঞ্চের উপরেই শুরু হয়ে গেল মারামারি! অভিযোগও উঠল মারাত্মক এবং হাস্যকর।

‘মিস বামবাম’ খ্যাত এই প্রতিযোগিতা নিয়ে ব্রাজিলে প্রতি বছরেই উত্তেজনা থাকে তুঙ্গে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। প্রতিযোগিতা তখন একেবারে শেষ পর্যায়ে। মঞ্চের উপরে ফাইনালিস্টরা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন ‘মিস বামবাম ২০১৮’র বিজয়ীর নাম ঘোষণার জন্য।

৩১ বছরের রোন্ডোনিয়া এলেন সান্তানার নাম ঘোষণা করা হয়। স্বভাবতই খুশিতে ফেটে পড়েন তিনি। দেশের সেরা নিতম্বের অধিকারিণী হওয়ায় জয়মাল্য হিসেবে তাকে ‘মিস বামবাম ২০১৮’ নামাঙ্কিত উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু বিপত্তি বাঁধলো তখনই। হঠাৎই তীব্র আক্রোশে রোন্ডোনিয়ার দিকে ধেয়ে আসেন আর এক প্রতিযোগিনী। তার নাম অ্যালাইন উভা। সটান রোন্ডোনিয়ার উত্তরীয়টি ছিঁড়ে নিয়ে নিজে পরতে উদ্যত হন।

এমন কাণ্ডে হতবাক সবাই। অ্যালাইনের অভিযোগ, রোন্ডোনিয়ার নিতম্ব আসল নয়। প্লাস্টিকের তৈরি! তা প্রতিযোগিতার নিয়মের সম্পূর্ণ বিরোধী বলেই আক্রমণাত্মক হয়েছিলেন তিনি। বাঁধিয়ে দিয়েছিলেন চুলোচুলিও। সেই চুলোচুলির ভিডিও এখন ভাইরাল।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে হৈমন্তি কবিতা পাঠের আসর ও আলোচনা সভা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে হৈমন্তি কবিতা পাাঠের আসর, সাহিত্য আলোচনা ও সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে আশাশুনি বালিকা বিদ্যালয় হল রুমে
উপজেলা সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রধান শিক্ষক কামরুন নাহার কচি। সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহিদুল ইসলাম রুবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টা এ কে এম এমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ও আলোচনা রাখেন, অধ্যাপক সুবোধ কুমার চক্রবর্তী, মোশাররফ হোসেন, শিক্ষক সেলিনা আকতার, তহমিনা রহিম, কল্যানী রানী সরকার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিলেন সাকিব আল হাসান

খেলার খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শনিবার রাতে তিনি বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি। নির্বাচন করব না।’

আগে নির্বাচন করার কথা জানিয়ে এখন কেন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

রোববার তার দলীয় মনোনয়নপত্র কেনার কথা ছিল।

এর আগে সাকিব নিজেই বলেছিলেন, তিনি মাগুরা-১ আসনের জন্য তার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন।

এছাড়া শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করার লক্ষে আগামীকাল মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন সাকিব আল হাসান।

বিপ্লব বড়ুয়া জানান, সাকিব আল হাসান রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মনোনয়ন ফরম কিনতে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আসবেন বলে জানিয়েছেন। সাকিব আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার বিষয়টি জানিয়েছেন।

মাগুরার এ কৃতি সন্তান বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের ধারাবাহিক পারফরমেন্সে বাংলাদেশ বহু ম্যাচ জিতেছে।

সাকিব আল হাসানের রাজনীতিতে আসার গুঞ্জন বহুদিনের। কিছুদিন আগে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী মুস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন যে, সাকিব ও মাশরাফি আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করবেন।

সাকিবের নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফির মনোনয়ন কেনার বিষয়টি শুনেছি। কিন্ত সাকিবের বিষয়টি আমার জানা নেই।

প্রসঙ্গত, জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাও আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করতে চাইছেন। তিনি নড়াইল থেকে নির্বাচন করতে রোববার ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে যাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নৌকার প্রার্থী হতে মনোনয়ন কিনলেন বিএনপির মেয়র মনজুর

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বিএনপির মনোনয়নে চট্টগ্রামের মেয়র হওয়া এম. মনজুর আলম।

এজন্য শনিবার ঢাকার ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়নের ফরমও সংগ্রহ করেছেন তিনি।

মনজুর আলম সন্ধ্যায় বলেন, ‘‘নির্বাচন করার লক্ষ্যে ঢাকা থেকে দলীয় একটি মনোনয়ন ফরম কিনেছি।’’

মনজুর আলমের পক্ষে তার চাচাতো ভাই আবুল কালাম আজাদ মনোনয়ন ফরমটি সংগ্রহ করেন বলে জানান তিনি।

২০১০ সালে বিএনপির সমর্থন নিয়ে তিনবারের সাবেক মেয়র ও তারই রাজনৈতিক ‘গুরু’ চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করে চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন মনজুর আলম।

মেয়র হওয়ার পর মনজুরকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও তাকে দলীয় কর্মসূচি ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে তেমন দেখা যেত না।

পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আবারও বিএনপির মনোনয়নে মেয়র পদে প্রার্থী হন মনজুর আলম। ভোটের দিন কয়েক ঘণ্টার মাথায় কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি।

এরপর থেকে চট্টগ্রাম-১০ ডবলমুরিং আসনে সংসদ সদস্য পদে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে বিভিন্ন সময়ে শোনা যাচ্ছিল।

মনজুর এই আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। এ আসনে বর্তমানে সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ডা. আফসারুল আমীন। তিনিও ওই আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

একাদশ নসংসদ নির্বাচনে প্রার্থী করা নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে সবুজ সঙ্কেত আছে কি না জানতে চাইলে মনজুর আলম বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগ আমার বাবার আমলের দল। সেখান থেকে নির্বাচন করতে চাইছি।

“দলের মনোনয়ন বোর্ডের কাছে ফরম জমা দেব, সাক্ষাৎকারও দেব, যখন ডাকবে যাব এবং নির্বাচনে অংশ নিতে চাই।’’

মনজুর আলমের বাবা আবদুল হাকিম কন্ট্রাকটর ছিলেন চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি নগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্যও ছিলেন।

১৯৯৪ সাল থেকে টানা ১৬ বছর মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামের মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে মনজুর ছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার হলে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পান মনজুর।

এরপর ২০১০ সালের ১৭ জুন প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে মহিউদ্দিনকে হারিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (সিসিসি) মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপি সমর্থিত মনজুর।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর মনজুর ঢাকায় এসে খালেদা জিয়ার হাতে ফুল দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানান, পেয়ে যান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ।

মেয়র থাকাকালে মনজুরের ‘ব্যর্থতা’ নিয়ে নানা মহলে সমালোচনা হলেও তাতে কখনো যোগ দেননি মহিউদ্দিন। আর ‘গুরু’ মহিউদ্দিন প্রসঙ্গে মনজুরের কণ্ঠও শ্রদ্ধার কথা শোনা গেছে সব সময়।

তাদের দুজনের পারিবারিক সখ্যের কথাও চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবার জানা। মেয়র থাকাকালে মহিউদ্দিনের নামে নগরীর একটি সড়কের নামকরণেরও ঘোষণা দেন মনজুর।

২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট বর্জনের ঘোষণার পর রাজনীতি ছাড়ারও ঘোষণা দিয়েছিলেন মনজুর আলম।

ওই নির্বাচনে জয়ী মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মহিউদ্দিনবিরোধী শিবিরের নেতা হিসেবে পরিচিত।

এরপর ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে এক মঞ্চে পাশাপাশি বসেছিলেন মহিউদ্দিন ও মনজুর আলম।

এরপরই চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন শুরু হয়, মনজুরকে দলে ফেরাতে আগ্রহী মহিউদ্দিন।

ওই বছরের ১৭ অগাস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন মনজুর আলম।
এরপর ২০১৭ সালের ১৮ মে মনজুর আলম জানান, ‘উপযুক্ত’ সময়ের অপেক্ষায় আছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। শনিবার (১০ নভেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট ঘোষিত সাত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের স্টিরিয়ারিং কমিটির তিনজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।

ফ্রন্টের একাধিক নেতা জানান, রবিবার (১১ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

বৈঠক সূত্র জানায়, সভার শুরুতে ফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শরিক দলগুলোর নেতাদের কাছে অভিমত চান। এরপর গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিনিধিরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে মত দেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচনের বিষয়ে আমরা সবসময়ই ইতিবাচক। বৈঠকে অনেক কিছু নিয়েই আলোচনা হয়েছে। আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যফ্রন্টের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনলেন ডিপজল

বিনোদন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তিনি ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসন থেকে নির্বাচন করতে চান।

আজ শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসে ফরম সংগ্রহ করেন এই অভিনেতা। এসময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে জয়লাভ করে ঢাকা-১৪ আসনটিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দিতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest