সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

আগামীকাল তফসিল ঘোষণা করা হবে : সিইসি

দেশের খবর: আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

আজ বুধবার সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সম্মিলিত জাতীয় জোটের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জোট নেতাদের স্বাগত জানিয়ে সিইসি আরো বলেন, আপনারা জানেন, আমরা এর আগেও সংসদ নির্বাচন নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমাদের সকল প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি, কাল তফসিল ঘোষণা করা হবে।

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে আলোচনা করতে আজ বুধবার সকালে জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে জোটের নেতারা নির্বাচন কমিশনে যান। এরপরে তারা সিইসির সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় অন্যান্য কমিশনাররা ছাড়াও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড. কামালের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা গণভবনে পৌঁছেছেন

রাজনীতির খবর: গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপে অংশ নিতে বেইলী রোডের বাসা থেকে গণভবনে পৌঁছেছেন ড. কামাল হোসেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার পর গণভবনে পৌঁছান তিনি।

সকাল ১১টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্য দিয়ে আজ শেষ হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত সংলাপ। দেশের সবার দৃষ্টি আজকের এই সংলাপের দিকে।

এর আগে মঙ্গলবার জনসভা করে ড. কামাল হোসেনের শরীর কিছুটা খারাপ হয়ে পড়ায় বুধবার তিনি সংলাপে যেতে পারছেন না বলে ঐক্যফ্রন্টের একটি সূত্র জানিয়েছিল।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে জানান, ড. কামাল হোসেন এর শরীরটা একটু খারাপ। আমরা এখন তাকে দেখতে যাচ্ছি, তার সঙ্গে পরামর্শ করতে। যদি শরীর ভালো থাকে তিনি যাবেন।

আজকের সংলাপে ১৪ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদলে যে ১১ জন থাকবেন, তারা হলেন- আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, স ম রেজাউল করিম, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন।

তাদের নেতৃত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে দ্বিতীয় দফা সংলাপে অংশ নিয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য সংবিধানের ভেতরে থেকেই প্রস্তাব দেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে এজন্য আরও সংলাপের প্রয়োজন হতে পারে।

কাজেই তারা তফসিল পিছিয়ে দেয়ার পাশাপাশি আলোচনা অব্যাহত রাখার সুপারিশ করবেন।

সংবিধানের মধ্যেই সমাধানের অংশ হিসেবে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। তবে বর্তমান সংসদ ভেঙে দিতে হবে। পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইএস’র তাণ্ডব; ইরাকে ২ শতাধিক গণকবরের সন্ধান

বিদেশের খবর: ইরাকে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ২শ’রও বেশি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলোতে ১২ হাজার মানুষের লাশ থাকতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে জাতিসংঘের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে।

ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের নিনেভেহ, কিরকুক, সালাহ আল-দিন এবং আনবারে এ গণকবর গুলো পাওয়া গেছে। এসব অঞ্চল ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নিয়ন্ত্রণে ছিল।

ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস ২০১৪ সালে ইরাকের বিভিন্ন জায়গা দখল করে নির্মম শাসনব্যবস্থা চালু করে। কাউকে পছন্দ না হলেই তাকে মেরে ফেলার নীতি নেয় তারা।

পরে ইরাকের সরকারি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিমান হামলার সহায়তায় মাঠ পর্যায়ে আইএস এর বিরুদ্ধে লড়াই করে তাদেরকে হটিয়ে দিয়েছে। যদিও এখনো কিছু কিছু জায়গায় রয়ে গেছে আইএস যোদ্ধারা।

জাতিসংঘ তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ পর্যন্ত ২০২ টি গণকবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নিনেভেহ তে পাওয়া গেছে ৯৫ টি। কিরকুকে ৩৭ টি, সালাহ আল-দিন এ ৩৬ টি এবং আনবারে ২৪ টি গণকবর পাওয়া গেছে।

ওইসব কবরে নারী , শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী, বিদেশি কর্মী এবং ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সব মিলিয়ে ৬ হাজার থেকে ১২ হাজার লাশ থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমেরিকায় সন্ত্রাসবাদে দোষী সাব্যস্ত বাংলাদেশের আকায়েদ

দেশের খবর: নিউ ইয়র্কের বাস টার্মিনালে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের চেষ্টার সময় আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশি যুবক আকায়েদ উল্লাহকে সন্ত্রাসবাদের ছয় অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।

রয়টার্স জানিয়েছে,ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে এক সপ্তাহ শুনানির পর মঙ্গলবার গ্র্যান্ড জুরি আকায়েদকে দোষী সাব্যস্ত করে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী এসব অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে ২৮ বছর বয়সী এই তরুণের।

গতবছর ১১ ডিসেম্বর সকালে অফিসগামী যাত্রীদের ব্যস্ততার মধ্যে টাইম স্কয়ার সাবওয়ে স্টেশন থেকে ম্যানহাটনের পোর্ট অথরিটি বাস টার্মিনালে যাওয়ার সংকীর্ণ ভূগর্ভস্থ পথে নিজের শরীরে বাঁধা ‘পাইপ বোমায়’ বিস্ফোরণ ঘটান আকায়েদ।

বোমাটি ঠিকমত বিস্ফোরিত না হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হন আকায়েদ। তার বিস্ফোরণে আহত হন তিন পুলিশ সদস্য।

তাকে গ্রেপ্তারের পর নিউ ইয়র্ক পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি হামলা চালানোর চেষ্টা করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
এ মামলার বিচারে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা; ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্রের ব্যবহার; জনসমাগমস্থল ও পাবলিক পরিবহন ব্যবস্থায় সন্ত্রাসী হামলা ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সম্পদের ক্ষতি করার চেষ্টার ছয় দফা গুরুতর অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

চলতি বছর ১০ জানুয়ারি ম্যানহাটনের ফেডারেল কোর্টের গ্র্যান্ড জুরি আকায়েদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর পক্ষে মত দেয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী জুলিয়া গাটো শুনানিতে দাবি করেন, আকায়েদ কখনোই আইএস সদস্য ছিলো না। ‘হতাশাগ্রস্ত’ ওই তরুণ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন আত্মহত্যা করার জন্য।

অন্যদিকে প্রসিকিউটররা ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আদালতে বলেন, আকায়েদ তার শরীরে এমনভাবে বোমা বেঁধেছিলেন, যাতে অন্যদেরও ক্ষতি হয়। আর তিনি যে ইন্টারনেটে আইএস এর কর্মকাণ্ডের খোঁজখবর রাখতেন, সেই প্রমাণ তার কম্পিউটারেই পাওয়া গেছে।

শুনানি শেষে মঙ্গলবার ছয়টি অভিযোগেই আকায়েদকে দোষী সাব্যস্ত করে গ্র্যান্ড জুরি। তবে তার সাজা কবে ঘোষণা করা হবে, সেই তারিখ আদালত এখনও জানায়নি।
চট্টগ্রামের আকায়েদ বড় হয়েছেন ঢাকার হাজারীবাগে। আট বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর প্রথমে ট্যাক্সিক্যাব চালালেও পরে একটি আবাসন নির্মাতা কোম্পানিতে বিদ্যুৎ মিস্ত্রির কাজ নেন।

দেড় বছরের সন্তান নিয়ে তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস থাকেন ঢাকায়। ঢাকার জিগাতলার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গতবছর ডিসেম্বরে আকায়েদের স্ত্রী এবং তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাংলাদেশের পুলিশ।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম সে সময় বলেছিলেন, বাংলাদেশে আকায়েদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো রেকর্ড নেই। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতারও তথ্য মেলেনি।

“ তবে তার শ্বশুর-শাশুড়ি এবং স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যতটা বুঝতে পেরেছি, আমেরিকায় গিয়েই ইন্টারনেট থেকে সে র্যাডিক্যালাইজড হয়েছে; অর্থাৎ সেলফ র্যাডিক্যালাইজড।”

আকায়েদ উল্লাহ তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান সংগঠক মুফতি জসীমউদ্দীন রাহমানীর বই পড়ার পরামর্শ দিতেন বলেও সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংলাপে যাচ্ছেন না কামাল হোসেন !

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বুধবারের সংলাপে গণভবনে যাচ্ছেন না ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার জনসভা করে ড. কামাল হোসেনের শরীর কিছুটা খারাপ হয়ে পড়ায় বুধবার তিনি সংলাপে যেতে পারছেন না বলে ঐক্যফ্রন্টের একটি সূত্র জানিয়েছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে জানান, ড. কামাল হোসেন এর শরীরটা একটু খারাপ। আমরা এখন তাকে দেখতে যাচ্ছি, তার সঙ্গে পরামর্শ করতে। যদি শরীর ভালো থাকে তিনি যাবেন।

সংলাপে অংশগ্রহণের জন্য ঐক্যফ্রন্ট যে ১১ জনের নাম চূড়ান্ত করেছেন সেখানে ড. কামাল হোসেনের নাম রয়েছে। তিনি অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারাদেশ তাকিয়ে আছে গণভবনের দিকে

*প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ফের সংলাপ আজ *৭ দফা দাবি পুনরুল্লেখ করবে ঐক্যফ্রন্ট; সংবিধানসম্মত বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ারও প্রস্তুতি, তবে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের বাদ দেওয়ায় নতুন মাত্রা যুক্ত হলো *ফলাফল যাই হোক সংলাপের পর্দাও নেমে যেতে পারে আজ

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ বুধবার ফের সংলাপে বসছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। বেলা ১১টায় গণভবনে এই সংলাপ শুরু হওয়ার কথা।
গত ১ নভেম্বর দু’পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম দফা সংলাপে কার্যকর কিংবা ‘বিশেষ কোনো সমাধান’ না আসায় ঐক্যফ্রন্টের আগ্রহেই আজ আবারও সংলাপ হতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গণসহ দেশের প্রায় প্রতিটি মহলেই বলাবলি হচ্ছে, নির্বাচনকালীন সংকট নিয়ে নিকট-অতীতের কোনো রাজনৈতিক সংলাপই ফলপ্রসূ হয়নি। দৃশ্যমান তৃতীয় কোনো পক্ষের মধ্যস্থতা ছাড়াই দেশে প্রথমবারের মতো সরকার প্রধানের সঙ্গে মূল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সরাসরি এই সংলাপের ভাগ্যও আজই জানা যেতে পারে। আজ সকাল সবার চোখ নিবদ্ধ থাকবে গণভবনের দিকে। সংলাপ শেষ হওয়ার পর বোঝা যেতে পারে আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক গতিপ্রবাহ কোনদিকে মোড় নিতে যাচ্ছে।

‘সীমিত পরিসরে’ আবারও সংলাপ চেয়ে রবিবার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। এতে সাড়া দেন প্রধানমন্ত্রী।
আজকের সংলাপেও সরকারি দলের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতারা ছাড়াও ১৪-দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু থাকবেন। অপরপক্ষে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের ১১ নেতা অংশ নেবেন। অন্যদের মধ্যে থাকছেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ; জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও কেন্দ্রীয় নেতা এস এম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।

আজকের সংলাপ সামনে রেখে গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে দীর্ঘ বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। এর আগে বিএনপি নেতারা নিজেদের মধ্যে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন। সেখান থেকে মির্জা ফখরুল, ড. মোশাররফ ও মওদুদ আহমদ যান ড. কামালের চেম্বারে। বৈঠকে আজকের সংলাপে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলে জানা গেছে, আজকের সংলাপেও ঐক্যফ্রন্ট প্রথমে তাদের সাত দফা দাবি পুনরুল্লেখ করবে। যার মধ্যে রয়েছে- খালেদা জিয়াসহ রাজবন্দিদের মুক্তি, সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন, সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা, নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ‘গায়েবী মামলা’সহ হয়রানিমূলক সকল রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দেয়া, বিরোধী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নতুন করে আর কোনো মামলা না দেয়া এবং কাউকে গ্রেপ্তার না করা।

১ নভেম্বর প্রথম দফা সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নতুন করে কাউকে গ্রেপ্তার না করার বিষয়টি দেখা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে সংলাপ শেষে দাবি করেছিলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। জানা গেছে, আজকের সংলাপে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে ফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হবে- প্রথমদিনের সংলাপের পরেও সারাদেশে বিরোধী নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে; গত কয়েকদিনেই শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দাবি করবেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায়ও এখনও বিরোধী নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। জনসভায় ফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘এবার মুখের কথায় চলবে না, লিখিত অঙ্গীকার করতে হবে, গ্রেপ্তার বন্ধ করতে হবে।’

প্রথমবারের সংলাপে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেছিলেন, গত এক মাসেই ৬ হাজারের বেশি গায়েবী মামলা হয়েছে, যাতে লক্ষাধিক নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন- এরকম কিছু ঘটে থাকলে তালিকা দিন, আমরা দেখবো। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সেই আশ্বাস অনুযায়ী আজকের সংলাপে মামলা ও আসামির বিষয়ে লিখিত তথ্য দেবেন মির্জা ফখরুল।

ঐক্যফ্রন্ট সূত্রে জানা গেছে, আজকের সংলাপে সরকারপক্ষ কোনো অবস্থাতেই সংবিধানের বাইরে যেতে রাজি না হলে সেক্ষেত্রে সংবিধানসম্মত বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে গণভবনে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। সরকারপক্ষ থেকে যদি বলা হয়, আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী অনির্বাচিত নিরপেক্ষ সরকার গঠন ও সংসদ বাতিলের সুযোগ নেই। তখন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বলবেন, আপিল বিভাগের ওই একই রায়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৪২দিন আগে সংসদ ভেঙে দেওয়ার কথা রয়েছে। একই রায়ে সংসদ চাইলে বিচারপতিদের বাদ দিয়ে আরও দুটি সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করতে পারারও সুযোগ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে জরুরিভিত্তিতে সংসদের অধিবেশন ডেকে এই দুটি সংশোধনী আনার দাবি তুলবে ঐক্যফ্রন্ট।

সংবিধানসম্মত বিকল্প প্রস্তাবনা তৈরীর জন্য ইতোমধ্যে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল ও শেখ বোরহান উদ্দীনের সঙ্গে পরামর্শসভা করেছে ঐক্যফ্রন্ট। এই তিন সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ ইতোমধ্যে একটি প্রস্তাবনা তৈরী করে ড. কামাল হোসেনকে দিয়েছেন। এই প্রস্তাবে তারা বলেছেন, প্রয়োজনে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখেই সংবিধানসম্মতভাবে সমস্যার সমাধান সম্ভব। সেক্ষেত্রে নির্বাচনকালীন সময়ে ছোট একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। আর সংবিধান অনুযায়ীই নির্দিষ্ট হারে ঐক্যফ্রন্টের প্রস্তাব থেকে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হবে। যারা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হবেন তাদেরকে স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসনসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হবে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে।

ঐক্যফ্রন্ট নেতারা জানান, এই বিকল্প প্রস্তাবটি দেওয়ার ক্ষেত্রেও সরকারকে তিনটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হবে। এগুলো হচ্ছে- সংসদ ভেঙে দেওয়া, বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সিইসি নিয়োগ, নতুন করে বিরোধী নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার না করা এবং গ্রেপ্তারকৃতদের জামিনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের বিরোধিতা না করা।

এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে চারজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে গতকাল বাদ দেয়া হয়েছে। যা আজকের সংলাপের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যুক্ত করছে। কারণ ঐক্যফ্রন্টের সাংবিধানিক বিকল্প প্রস্তাবে ফ্রন্ট প্রস্তাবিত নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী করার কথা বলার প্রস্তুতি রয়েছে। জানা গেছে, আজকের সংলাপে এবিষয়ে যদি সরকারপক্ষ বলে-আদালতের রায় অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে মন্ত্রিসভায় কোনো অনির্বাচিত ব্যক্তির থাকার সুযোগ নেই। তাহলে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হবে, টেকনোক্র্যাট আর অনির্বাচিত এক জিনিস নয়। সরকার থাকবে নির্বাচিত, সেখানে সংবিধান অনুযায়ীই নির্দিষ্ট হারে কয়েকজন টেকনোক্রাট মন্ত্রী থাকতে পারেন; সংবিধান এটা অনুমোদন করে।

জানা গেছে, সংবিধানসম্মত এই বিকল্প প্রস্তাবের কথা আজকের সংলাপে ড. কামালের লিখিত বক্তব্যে থাকতে পারে। তবে এই বিকল্প প্রস্তাবে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে বিএনপি।

প্রসঙ্গত, ১ নভেম্বরের সংলাপে লিখিত বক্তব্যেও ড. কামাল প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আপনি সংবিধানসম্মত সমাধানে আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন, তাকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু এটাও আপনার অজানা নয় যে, কোনো বিষয়ে সংবিধান সংশোধনের দরকার পড়লে তা নিয়ে আলোচনা করাও সংবিধানসম্মত। কারণ সংবিধান সংশোধনের বিধান সংবিধানেরই অংশ। তবে বিরাজমান পরিস্থিতিতে সংকট থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংবিধানসম্মত একাধিক পথ খোলা আছে বলে আমরা মনে করি। আমরা আমাদের সাত দফার পাশাপাশি ১৩তম সংশোধনী মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের আলোকে, বিশেষ করে দশম ও একাদশ নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে করা, নির্বাচনের ৪২ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিয়ে একটি ছোট মন্ত্রিসভা গঠনসহ বিভিন্ন নির্দেশনা, ২০১৩ সালে বিরোধী দলকে নির্বাচনী মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদানে আপনার প্রস্তাবের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।’

ওই বক্তব্যে ড. কামাল আরও বলেছিলেন, ‘সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদের খ উপদফায় সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। সুতরাং সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন করা সংবিধানসম্মত এবং তা ওয়েস্টমিনস্টার মডেলের সংসদীয় রীতি মেনে চলা বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের অনুশীলনের সঙ্গেও সংগতিপূর্ণ। বাংলাদেশেও ২০১৪ সালের নির্বাচনটি ব্যতিরেকে এর আগের নয়টি সংসদ নির্বাচন সংসদ ভেঙে দেওয়া অবস্থায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭৩ সালে গণপরিষদ ভেঙে দিয়েই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়।’

ঐক্যফ্রন্টের একাধিক নেতা গতকাল রাতে জানান, আজকের সংলাপে তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার অ্যাক্ট স্থগিত রাখার দাবি জানাবেন। একইসঙ্গে টেলিফোনে আড়িপাতা বন্ধের কথাও বলবেন। প্যারোলে নয়-জামিনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করবেন। এছাড়া বিরোধী নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার বন্ধ করার ওপর জোর গুরুত্ব দেবেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।

ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে তফসিলের তারিখ পেছানোর জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে সিইসি নুরুল হুদার বক্তব্য, সংলাপ নিয়ে আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন এবং শুক্রবার থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন, তফসিল পেছানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। যার কারণে ফলাফল যাই হোক, আজই পর্দা নামতে পারে সংলাপের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে আসছে ব্যাপক রদবদল

দেশের খবর: আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল ও পদোন্নতি হচ্ছে। গত দুই দিনে ২২ জনের বদলি ও পদায়নের বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তাদের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হয়েছেন ৫ জন এবং অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হয়েছেন ১৭ জন।

আগামী দুই-একদিনের মধ্যে বড় ধরনের পদোন্নতি ও রদবদলের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় আছে এ সংক্রান্ত ফাইল।

এছাড়া, বুধবার (৭ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে পদোন্নতি সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকের আলোচ্য সূচি হচ্ছে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি, পুলিশ পরিদর্শক থেকে সহকারী পুলিশ পরিদর্শক পদে পদোন্নতি, রাসায়নিক পরিদর্শক পদে পদোন্নতি এবং বিবিধ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ২৩০ পুলিশ কর্মকর্তাকে সুপারনিউমারারির পদোন্নতি দিয়ে যে কোন দিন প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

গত দুই দিনে ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, রৌশন আরা বেগম, মেজবাহ উদ্দিন, মো. ইকবাল বাহার, মোশারফ হোসেন ও মো. শাহাব উদ্দিন কোরেশী।

এছাড়া, অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, ময়নুল ইসলাম, এসএম রোকন উদ্দিন, মাসুদুর রহমান ভূঞা, তওফিক মাহবুব চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, কৃষ্ণ পদ রায়, কুসুম দেওয়ান, বশির আহম্মদ, হাবিবুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, একেএম হাফিজ আক্তার, মহিদ উদ্দিন, মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, আবদুল বাতেন, ইমতিয়াজ আহমেদ, মাইনুল হাসান ও আবু কালাম সিদ্দিক।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র থেকে জানা গেছে, গত ৪ জুলাই পুলিশ সদর দফতর থেকে পুলিশের ৪৯৫ কর্মকর্তাকে সুপারনিউমারারি পদোন্নতি দেয়ার প্রস্তাব করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

প্রস্তাবিত ওই ৪৯৫ জনের বিপরীতে ২৩০টি পদ অস্থায়ীভাবে সৃষ্টির জন্য ৩১ অক্টোবর (২০১৮) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগ সম্মতি দেয়। বিষয়টি প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ন সচিব কমিটিতে সুপারিশের জন্য উপস্থাপন করা হয়।

এরপর সচিব কমিটির অনুমোদনের পর প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। অতিসম্প্রতি ওই ফাইলটি প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে অনুমোদন লাভ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে।

সূত্র আরও জানা যায়, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পুলিশে ব্যাপক রদবদল হবে। সেটা পুলিশ সুপার এবং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পর্যায়ে। নির্বাচনকে ঘিরে প্রায় ৩০ ওসি বদলের গুঞ্জন রয়েছে।

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে বদলি বা পদায়ন করা হয়েছে। তারা হলেন, নাটোর জেলার পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার ও নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুনকে নাটোর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া, গত ২ সপ্তাহ আগে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি মহসিন হোসেনকে রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি পদে ও এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলামকে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি পদে বদলি করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান বলেন, বদলি ও পদোন্নতি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পুলিশ প্রশাসনের কাজে গতি বাড়াতেই এ ধরণের বদলি বা পদোন্নতি হয়। যারা ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন, তাদের বেশির ভাগই ডিআইজি হিসেবে চলতি দায়িত্বে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার ফয়জাবাদের নাম অযোধ্যা করলেন যোগি আদিত্যনাথ

বিদেশের খবর: উত্তরপ্রদেশের ফয়জাবাদ জেলার নতুন নামকরণ হল অযোধ্যা। মঙ্গলবার এই ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আদিত্যনাথের নামকরণের খেলায় এলাহাবাদের পর বাদ পড়লো ফয়জাবাদের নামও।

মঙ্গলবারের ভাষণে তিনি ফয়জাবাদ জেলার নতুন নামকরণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিরোধীদের একহাত নেন। বলেন, ‘আজ থেকে ফয়জাবাদের নাম হল অযোধ্যা। যাঁরা এর বিরোধিতা করছেন, তাঁদের নাম রাবণ বা দুর্যোধন হল না কেন? কী কারণে তাঁদের বাবা-মা সন্তানদের রাবণ অথবা দুর্যোধন নাম দিলেন না? এই দেশে নাম মাহাত্ম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

স্বাভাবিক ভাবেই যোগী আদিত্যনাথের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে কট্টর হিন্দুবাদীরা। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের ফয়জাবাদ জেলার দুই যমজ শহর অযোধ্যা ও ফয়জাবাদ। রামচন্দ্রের জন্মস্থান হিসেবে হিন্দুদের কাছে অযোধ্যা অতি পবিত্র শহর হিসেবে গণ্য হয়।

প্রসঙ্গত, মাত্র কিছু দিন আগে সাবেক এলাহাবাদ শহরের নাম পালটে প্রয়াগরাজ করেছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার।

আদিত্যনাথ আরও জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশে কিছু দিনের মধ্যেই রাজা দশরথের নামে একটি মাল্টি স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল তৈরি করবে সরকার। এছাড়া রামচন্দ্রের নামে নতুন বিমানবন্দরও পেতে চলেছে এই রাজ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest