সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

চালু হলো সাগরের নিচে বিশ্বের প্রথম আবাসিক হোটেল!

ভিন্ন স্বাদের খবর: সাগরের নিচে চালু হয়েছে বিশ্বের প্রথম আবাসিক হোটেল। মালদ্বীপের রাঙ্গালি দ্বীপে এই হোটেল চালু করা হয়েছে। দোতলা এই হোটেলটির অবস্থান ভারত মহাসাগরের ১৬ ফুট পানির নিচে। খবর সিএনএন’র।

হোটেলটির নাম দেয়া হয়েছে মুরাকা। মালদ্বীপের ভাষায় যার অর্থ কোরাল। হোটেলটিতে বিছানার পাশাপাশি অন্যান্য হোটেল রুমের মতো বাকি সব সুবিধা রয়েছে।

এছাড়া এর দ্বিতীয় তলায় রয়েছে প্রাইভেট জিম, একটি বার, ইনফিনিটি পুলসহ আকর্ষণীয় সব সুবিধা। এই হোটেলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো- এখানে শুয়ে সাগরের নিচের অতুলনীয় দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

হোটেলটির একটি অংশ পানির নিচে রাখা হলেও অপর অংশটি পানির ওপরে রাখা হয়েছে। রোমাঞ্চকর এই হোটেলে থাকতে খরচ কেমন পড়বে? প্রতিবেদন বলা হয়েছে, মুরাকায় প্রতি রাত কাটাতে খরচ হবে ৫০ হাজার ডলার যার মান বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪২ লাখ টাকা।

কিন্তু সমস্যা হলো এখানে একদিন থাকার কোনও সুযোগ নেই। এই হোটেলে থাকতে হলে চার রাতের একটি প্যাকেজ নিতে হবে যাতে খরচ হবে ২ লাখ ডলার বা ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাখি একজন রূপান্তরকামী- দাবি তনুশ্রী দত্তের

বিনোদন ডেস্ক: কয়েক দিন আগে তনুশ্রী দত্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন রাখি সাওয়ান্ত। অভিযোগ করেছিলেন, এক সময়ে তনুশ্রী নাকি একাধিকবার ধর্ষণ করেছিলেন তাকে। এবার সেই অভিযোগেরই জবাব দিলেন তনুশ্রী দত্ত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তনুশ্রী দাবি করেন, ‘‘রাখি সাওয়ান্ত একজন রূপান্তরকামী, ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই বিষয়টি জানেন।’’

সেই সঙ্গে তনুশ্রী জানান, ‘‘রাখি আমি তোমার সঙ্গে কোনও ঝগড়া চাইছি না। তুমি যা খুশি তা বলতে পারো, আমি এক কান দিয়ে শুনছি, অন্য কান দিয়ে বার করে দিচ্ছি তোমার কথা। তোমার সঙ্গে ঝগড়া করা মানে নর্দমার শুয়োরের সঙ্গে ঝগড়া করা। বাস্তবে একজন শুয়োর এসব করতেই মজা পায়।’’

প্রসঙ্গত, রাখি আগে অভিযোগ করেছিলেন, ‘‘তনুশ্রীকে বাইরে থেকে মহিলা মনে হলেও তিনি ভিতর থেকে একজন পুরুষ। এই জন্য নাকি তনুশ্রী দত্ত ছেলেদের মতো নিজের চুল ছোট করেছেন। একাধিকবার তাকে ধর্ষণও করেছেন।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘন কুয়াশায় রাত ২টা থেকে ফেরি পারাপার বন্ধ

দেশের খবর: পদ্মা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটের ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কুয়াশার কারণে পদ্মা নদীতে দৃষ্টিসীমা কমে গেলে ফেরিচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিআইডব্লিউটিসি’র কাঁঠালবাড়ী ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাত ১২টা থেকে পদ্মা নদীর অববাহিকায় কুয়াশা পড়তে শুরু করে। ধীরে ধীরে কুয়াশার মাত্রা বেড়ে গেলে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই সময় চলাচলরত কয়েকটি ফেরি দিক নির্ণয় করতে না পেরে মাঝ পদ্মায় নোঙর করে থাকে।

কুয়াশা কেটে গেলে তারপর ফেরি চলাচল শুরু হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃদ্ধ আফছারের কাণ্ড; ৪ কেজি ওজনের কাচা লাউ ভক্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৭৮ বছরের এক বৃদ্ধ ৪ কেজি ওজনের একটি কাচা লাউ খেয়ে উপস্থিত সবাইকে হতবাক করে দিয়েছে। কিন্তু কথা মত বাজীর টাকা তাকে পরিশোধ না করায় হতাশ হয়েছে ঐ বৃদ্ধ। ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের পার কুখরালী গ্রামে।
প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পার কুখরালী ঈদগাহ মোড়ের একটি চায়ের দোকানে গত ৫ নভেম্বর সোমবার সকাল ৭টার দিকে একই গ্রামের মৃত বাবুরালী সরদারের ছেলে জামাল সরদার তার মৎস্য ঘেরে লাগানো গাছ থেকে কয়েকটি লাউ তুলে বিক্রীর জন্য ঐ দোকানে রাখে। বিভিন্ন কথাবার্তার এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত একই গ্রামের মৃত মোকছেদ সরদারের বৃদ্ধা পুত্র আফছার সরদার ৪ কেজি ওজনের একটি লাই কাচা খেতে পারে বলে জানায়। উপস্থিত লোকজন তার কথা শুনে রিতীমত হতবাক বনে যায়। তখন লাউ এর মালিক বলে ঐ লাউ খেতে পারলে তার কাছে থাকা আরো ৪টি লাউ দিয়ে দেব। এসময় তিনি ঐ কাচা লাউটি লবন মাখিয়ে খাওয়া শুরু করে। মাত্র ২৮ মিনি এর মধ্যে তিনি খাওয়া শেষে করেন। কিন্তু বৃদ্ধা আফছার তার প্রতিশ্রুতির পুরস্কার পেলেন না। এ নিয়ে এলাতাবসীর মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে লোকজন বলাবাল করতে থাকে প্রতিশুতিকারীদের কাছে টাকাটাই বড় হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সরকারের টেকনোক্র্যাট চারজন মন্ত্রী।

তারা হলেন ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈ‌দে‌শিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএস‌সি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযু‌ক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে চার মন্ত্রীর দপ্তরই নিশ্চিত করেছে।

জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম রাতে বলেন, “এখনও পদত্যাগপত্রগুলো হাতে পাইনি, তবে প্রক্রিয়াধীন আছে।”

নিয়ম অনুযায়ী, চার মন্ত্রীর পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর তা যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে।

রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগের ফাইলে স্বাক্ষর করলে এদের অব্যাহতি দিয়ে আদেশ জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এর আগে সকালে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেছিলেন, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আজকে মন্ত্রিসভার বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি শেষে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সভার টেকনোক্র্যাট মিনিস্টারদের পদত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, অন্যরা স্ব-পদে বহাল থাকবেন।”

শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় এই চারজনই টেকনোক্র্যাট ছিলেন; অর্থাৎ তারা নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন। বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, মন্ত্রিসভার মোট সদস্যের এক-দশমাংশ অনির্বাচিত হতে পারেন।

চলতি বছর জানুয়ারিতে মন্ত্রিসভায় সর্বশেষ রদবদলের পর ৩০ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দুজন উপমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের মধ্যে কেবল পদত্যাগী চারজনই ছিলেন টেকনোক্র্যাট।

এদের মধ্যে চট্টগ্রামের নুরুল ইসলাম বিএসসি ও ময়মনসিংহের মতিউর রহমান আগে সংসদ সদস্য ছিলেন। জোটের স্বার্থে ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে দুজনকেই নিজ নিজ আসন ছেড়ে দিতে হয়েছিল।

প্রকৌশলী ইয়াফেস ওসমান শুরু থেকে মন্ত্রিসভায় থাকলেও তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার চলতি বছরের জানুয়ারিতে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।

মন্ত্রিসভার সদস্যরা ছাড়াও মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্বে আছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এছাড়া মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে আছেন আরও পাঁচজন।

আগামী বৃহস্পতিবার একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার পর বর্তমান সরকার শুধু ‘রুটিন’ কাজগুলো করবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করবেন।

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে মতবিভেদের মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে চূড়ান্ত সংলাপে বসার আগের দিনই টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বললেন শেখ হাসিনা। সেই নির্দেশ অনুসারে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন চারজন।

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর মঙ্গলবার রাতে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রী মহোদয় (নুরুল ইসলাম বিএসসি) পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।”

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিবেকান্দ রায়ও তার মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেন।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযু‌ক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেফায়েত হোসেন বলেন, “সন্ধ্যায় পরে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে স্যার (মোস্তফা জব্বার) পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।”

ধর্মমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) মো. আনোয়ার হোসাইন জানান, মতিউর রহমান সন্ধ্যায় পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিয়েছেন।

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখন সংবিধানে নেই। বর্তমান ব্যবস্থায় ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনেই নির্বাচন হয়। ভোটের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, তবে তিন মাসের ক্ষণ গণনা শুরু হলে সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার অধীনে অপেক্ষাকৃত ছোট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করেন; যার নাম দেওয়া হয় ‘সর্বদলীয় সরকার’।

এবার নির্বাচনের সময় মন্ত্রিসভার আকারে বড় কোনো পরিবর্তন না আনার ইঙ্গিত গত মাসে দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু তফসিলের আগে হঠাৎ করেই তিনি বিরোধী দল ও জোটগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসতে সম্মত হন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফায় সরকারকে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের দাবি রয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বলছে, সংবিধানের বাইরে গিয়ে তারা কিছু করতে পারবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টি-টোয়েন্টি সিরিজ ভারতের; রোহিতের রেকর্ড

খেলার খবর: রেকর্ড সমৃদ্ধ এক ইনিংস খেলে ভারতের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি জয়ে দারুণ অবদান রাখলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। লক্ষ্ণৌতে নতুন স্টেডিয়ামে ৭১ রানের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০ ওভারের সিরিজ নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২ উইকেটে ১৯৫ রান করে ভারত। জবাবে ৯ উইকেটে ১২৪ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক বছরে সর্বোচ্চ ৬৫ ছয়ের রেকর্ড গড়েছিলেন রোহিত শর্মা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙলেন ৭টি ছয় মেরে। এই বছর টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে তার ছয় ৬৯টি। শুধু তাই নয়, ২০ ওভারের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি ও পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংসেও সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।

বিরাট কোহলিকে (১৮) ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১৯তম বার ৫০ বা তার বেশি রানের ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েন রোহিত। ৩৮তম বলে হাফসেঞ্চুরি করা এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান চতুর্থ সেঞ্চুরি করেন ইনিংসের শেষ ওভারে।

অথচ শেষ ওভারে সেঞ্চুরি করতে রোহিতের দরকার ছিল ৮ রান, ছিলেন নন স্ট্রাইকে। পরের বলে লোকেশ রাহুল সিঙ্গেল নিয়ে তাকে স্ট্রাইকে পাঠালেন। বিধ্বংসী শুরুর ধারাবাহিকতা ধরে রেখে টানা দুটি বাউন্ডারিতে রেকর্ড গড়েন ভারতের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ৫৮ বলে ৮ চার ও ৬ ছয়ে ১০০ পূর্ণ করেন তিনি। তাতে কলিন মুনরোকে (৩) ছাড়িয়ে টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান হন রোহিত।

মাত্র ৬১ বলে ৮ চার ও ৭ ছয়ে ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন ভারতের অধিনায়ক। তার আগে শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে ১২৩ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। ৪৩ রানে আউট হন ধাওয়ান। ঋষভ পন্থ মাত্র ৫ রানে বিদায় নিলে লোকেশের সঙ্গে ৬২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন রোহিত।

লক্ষ্যে নেমে খলিল আহমেদের পেসে শুরুতেই ধাক্কা খায় উইন্ডিজ। তারপর কুলদীপ যাদবের জোড়া আঘাতে ভেঙে পড়ে ব্যাটিং লাইনআপ। ৮১ রানে ৭ উইকেট হারায় তারা।

ব্যাটসম্যানদের আসা যাওয়ার মিছিল থামান অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েট ও কিমো পল। কিন্তু তারা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ এই জুটিটি ছিল মাত্র ৩৩ রানের। কিমো ২০ রানে আউট হন। সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন ড্যারেন ব্রাভো।

শেষ ওভারে খারি পিয়েরেকে আউট করে ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ। দুটি করে পেয়েছেন খলিল, কুলদীপ ও ভুবনেশ্বর কুমার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাথা ছাড়াই দেড় বছর বেঁচেছিল যে মুরগি!

ভিন্ন স্বাদের খবর: মাথা ছাড়া কেউ কোনও দিন বাঁচতে পারে? কল্পবিজ্ঞানে তো এসব স্বাভাবিক ঘটনা, কিন্তু বাস্তবে? অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনটা দেখা গেছিল একটা মুরগির ক্ষেত্রে। একদিন, দু’দিন নয়, টানা আঠারো মাস বেঁচেছিল ছোট্ট প্রাণীটা, তা-ও আবার মাথা ছাড়া!

খাবার দোকানে মুরগি সাপ্লাই করতেন কলোরাডোর ফ্রুটা শহরের লয়েড ওলসেন ও তাঁর স্ত্রী ক্লারা। ১৯৪৫-এর সেপ্টেম্বরের এক সকালে প্রায় চল্লিশটি মুরগি কাটার পর তাঁদের নজর পড়ে, ধড় থেকে মাথা আলাদা হলেও একটি মুরগি টলতে টলতে হেঁটে-দৌড়াচ্ছে। মাথাহীন মুরগির মৃত্যুর অপেক্ষায় সেটিকে একটি বাক্সে রেখে দিয়ে ঘুমাতে যান দম্পতি।

পর দিন সকালে ঘুম ভেঙে তাঁরা যা দেখলেন, তাতে অবাক বললেও কম বলা হয়। সোনার ডিম না পাড়লেও এই মুরগির ‘ক্ষমতা’ যে তার চেয়ে কিছু কম নয়, তা বুঝতে দেরি করেননি ওলসেন। দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে ছোট্ট শহরে। টনক নড়ে সংবাদিকদের। দু’দিন আগেও যার পরিণতি লেখা ছিল খাবারের প্লেটে, রাতারাতি সে হয়ে যায় সেলেব্রিটি।

এক কথায়, অলৌকিক ভাবে নতুন জীবন পাওয়া মুরগির পোশাকি নাম হয় ‘মিরাক্‌ল মাইক’। মহার্ঘ পাখিটাকে দেখতে চার দিকে হইচই পড়ে যায়। সাধের মুরগিকে নিয়ে প্রদর্শনীর সুবাদেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখার স্বপ্ন সত্যি হয় লয়েডের।

কিন্তু মাথা ছাড়া কী ভাবে বেঁচে রইল মাইক? আমার-আপনার মতো এই প্রশ্ন জেগেছিল চিকিত্সক ও প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মনেও। কারণ, পরবর্তী সময় অনেকেই দ্বিতীয় মিরাক্‌ল মাইক বানাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তা হলে কোন জাদুকাঠির ছোঁয়ায় বেঁচেছিল মাইক?

আসলে লয়েড যখন মাইকের মাথায় কোপ মারেন, তখন তার একটা কান বাদ দিয়ে চোখ, ঠোঁট-সহ গোটা মাথাটাই কেটে যায়। কিন্তু মুরগিদের মাথার পিছনেই থাকে মস্তিষ্কের মূল অংশটা। মাইকের ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনক ভাবে বেঁচে যায় তার মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশ অংশই।

মাইকের মস্তিষ্কের এই অংশটাই তার শ্বাস-প্রশ্বাস, হৃদ্‌স্পন্দন, খিদে, হজম নিয়ন্ত্রণ করত। সময় মতো মাইকের ক্ষতর কাছে রক্তও জমাট বেঁধে গিয়েছিল, ফলে সে ভাবে রক্তক্ষরণও হয়নি।

মাথা না থাকায় একটি ড্রপারে করে তরল খাবার ও জল সরাসরি খাদ্যনালিতে ঢেলে দেওয়া হত। সিরিঞ্জ দিয়ে খাদ্যনালির চার দিকের ময়লা পরিষ্কার করে দিতেন লয়েড। এ ভাবেই সব চলছিল।

একবার পশ্চিম আমেরিকার ফিনিক্স শহরে প্রদর্শনীর শেষে একটি মোটেলে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন লয়েড দম্পতি ও মাইক। হঠাৎই একটা শব্দে দম্পতি চমকে ওঠেন। দম আটকে মাইকের প্রাণ তখন ওষ্ঠাগত। কিন্তু ওই যে সিরিঞ্জ, সেটি প্রদর্শনীতেই ফেলে এসেছিলেন লয়েডরা।

১৯৪৭ সালের মার্চ মাসের এই রাতে খাবার আটকে প্রাণ যায় মাইকের। আর পাঁচটা সুস্থ মুরগি যখন বড় হতেই রান্নার কড়াইতে জায়গা পায়, তখন মাথা হারিয়েও তাদের চেয়ে বেশি দিন বেঁচেছিল মাইক।

যদিও মারা গিয়েও বেঁচে ছিল মাইক। তার মনিব দীর্ঘ দিন তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যেই আনেননি। কেউ খোঁজ করলেই লয়েডরা বলতেন, বেচে দেওয়া হয়েছে মাইককে। এ ভাবেই মৃত্যুর পরেও বেঁচে ছিল মিরাক্‌ল মাইকের মিথ।

কলোরাডোর ফ্রুটা শহরে গেলে এখন মাথাহীন মুরগির স্ট্যাচুর দেখা মেলে। মাইকের স্মৃতিতে প্রতি বছর মে মাসে পালন হয় ‘হেডলেস চিকেন ফেস্টিভ্যাল’। আর লোকমুখে ঘুরে বেড়ায় এই আশ্চর্য মুরগির গল্প।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বিতীয় দফা সংলাপে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্টের ১১ নেতা

দেশের খবর: দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফের সংলাপে বসছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বুধবার সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। এতে দুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ সদস্য দ্বিতীয় দফার সংলাপে যোগ দিতে পারেন।

তারা হলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জেএসডি সভাপতি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, ঐক্যপ্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মেদ, ডা. জাহেদুর রহমান।

হঠাৎ করেই খবর আসে ড. কামাল হোসেন সংলাপে যাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সবাই যাবেন। আমরা যাব।

গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু জানান, ড. কামাল হোসেনের শরীরটা একটু খারাপ। আমরা এখন তাকে দেখতে যাচ্ছি, তার সঙ্গে পরামর্শ করতে। যদি শরীর ভালো থাকে তিনি যাবেন।

এর আগে, ১ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ আলোচনা। এরপর ২ নভেম্বর বি চৌধুরীর নেতৃত্বে জাতীয় যুক্তফ্রন্ট, ৪ নভেম্বর ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোট, ৫ নভেম্বর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে সম্মিলিত জাতীয় জোট, ৬ নভেম্বর দুপুরে ইসলামী ঐক্যজোটসহ ধর্মীয় অন্যান্য দল এবং বিকালে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

১ নভেম্বর সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের ২০ নেতা এবং আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের ২৩ জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার সেই সংলাপে আশানুরূপ ফলাফল আসেনি।

সংলাপ থেকে বেরিয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা জানান, তারা এ সংলাপে সন্তষ্ট নয়। যদিও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা দাবি করেন, সংলাপ ফলপ্রসূ হয়েছে।

প্রথম দফা সংলাপে গুরুত্বপূর্ণ দাবি মেনে না নেয়ায় ফের স্বল্প পরিসরে সংলাপ চেয়ে রোববার প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠান ড. কামাল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest