সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

সাতক্ষীরায় শ্যামাকালী পুজা উপলক্ষে আলোচনা সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শ্রী শ্রী শ্যামাকালী পুজা উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার রাত টায় সাতক্ষীরা শহরের সবুজবাগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুনীল কুমার মণ্ডলের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাংসদ মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহম্মেদ চিশতি, জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বানাথ ঘোষ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য গোষ্ট বিহারী মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, পৌর কাউন্সিলর ফারহা দিবা খান সাথী, জ্যোস্না আরা, শফিকুল ইসলাম সাগর, শফিকুল ইসলাম বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা হারুণ অর রশীদ, অসীম কুমার দাশ সোনা, অ্যাড. রঘুনাথ মণ্ডল, অ্যাড. শম্ভুনাথ সিংহ প্রমুখ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা মন্দির সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সড়ক দুর্ঘটনায় উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়া’র মৃত্যু!

বিদেশের খবর: আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) কমান্ডার ইন চিফ পরেশ বড়ুয়া সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। এমনটাই দাবি করছে ভারতের গোয়েন্দা সূত্র। তবে উলফা’র পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।

গোয়েন্দা সূত্রটি বলছে, মিয়ানমার-চীন সীমান্তে ১০-১২ দিন আগে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। তাতে গুরুতর জখম হয়েছিলেন পরেশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি বেশ কিছুদিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

উলফা’র একাংশের পক্ষ থেকে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গে গত শনিবার পর্যন্ত তাদের কয়েকজনের যোগাযোগ হয়েছে। সেই সময় অসুস্থ ছিলেন পরেশ। তবে তখন পর্যন্ত মারা যাওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল না।

আসাম পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুর খবর শুনেছেন। ভারতীয় সেনা গোয়েন্দা সূত্রেও জানানো হয়েছে, এই খবর তাদের কাছে এসেও পৌঁছেছে। যদিও ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ওই উলফা নেতার পরিবারের কাছে এই ধরনের কোনও খবর আসেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উলফা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পরেশ বড়ুয়া বাইক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। ওই দুর্ঘটনায় তার কোমর ও পায়ে চোট লাগে। তিনি জখমও হন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার-চীন সীমান্তের রুইলি এলাকায় থাকতেন পরেশ বরুয়া। সম্প্রতি তার ক্যাম্প থেকে এসে আত্মসমর্পণ করা একজনের কাছ থেকে জানা যায়, ডায়াবেটিসের জন্য পরেশের শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। ডায়াবেটিসের ফলে দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল।

এর আগেও বেশ কয়েক বার পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তবে, শেষ পর্যন্ত সেই সব খবর ভুল প্রমাণিত হয়। প্রতিবারই উলফার তরফে দাবি করা হয়েছিল, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল খবর রটানো হয়েছে।

চীন-মিয়ানমার সীমান্তে সড়ক দুর্ঘটনায় পরেশ বরুয়ার মৃত্যুর খবরটি এ বারও সঠিক নয় বলে জানিয়েছে উলফার একটি সূত্র। দলটির আরেক নেতা অনুপ চেটিয়া জানিয়েছেন, ‘পরেশ বড়ুয়া মারা গেছেন, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। একমাস আগেই আমার সঙ্গে কথা হয়েছিল। দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পায়ে আঘাত লেগেছিল এবং তিনি এখন সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছিলেন আমাকে। সূত্র: আনন্দবাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেকনোক্র্যাট ৪ মন্ত্রীকে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

দেশের খবর: টেকনোক্র্যাট চার মন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তারা হলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী মতিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার পর তারা আর দায়িত্বে নেই ধরে নিয়ে বুধবার সকাল নাগাদ চার মন্ত্রীর কেউই অফিসে আসেননি। পরে প্রধানমন্ত্রী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার প্রধানের নির্দেশনার পর আমি যথারীতি অফিস করছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কাছে মন্ত্রিসভা দায়বদ্ধ। সেই অনুযায়ী আমরা পদত্যাগপত্র দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে পারেন, আবার নাও করতে পারেন। সুতরাং প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ পর্যন্ত পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত মন্ত্রীরা স্বপদে বহাল থাকবেন।’

মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, ‘পদত্যাপপত্র জমা দেয়ার পর নৈতিক অবস্থানের কারণে আর দায়িত্বে না ফেরার বিষয়টি তখনই আসত যদি আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র দিতাম। আমি তো প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। তারপরও সেই নৈতিকতার কথা মাথায় রেখে সরকারি গাড়ি বিদায় দিয়ে বাসায় বসে ছিলাম। সরকার আমাকে বলেছে- কে বলেছে, আপনি মন্ত্রী না? সুতরাং আমাদের বলা হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ পর্যন্ত না পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনারা দায়িত্ব পালন করে যাবেন।’

ধর্মমন্ত্রীর দফতরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘স্যার (ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী স্যারকে প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব চালিয়ে যেতে বলেছেন।’

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং ধর্মমন্ত্রীর দফতরে গেলে সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, মন্ত্রীরা আর অফিসে আসবেন না। তাদের জিনিসপত্র ধীরে ধীরে সরিয়ে নেয়া হবে। কারণ মঙ্গলবার অনেকটা আকস্মিকভাবেই তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

সকালে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দফতরে গিয়ে জানা যায়, মন্ত্রী বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে এসে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যাবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে, পদত্যাগপত্রগুলো প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। এরপর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পদত্যাগের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

নির্বাচনকালীন সরকার গঠনে মঙ্গলবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য না হয়েও বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রী) মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ দেন। বর্তমানে মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ৩৩ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী, দুইজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। এরমধ্যে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী এই চারজনই।

নির্বাচন কমিশন আগামী বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোটের দিন নির্ধারিত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর এই সরকার কোনো নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। রুটিন ওয়ার্ক চালিয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বল এখন প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে: ড. কামাল

রাজনীতির খবর: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সংলাপের মাধ্যমে আমরা দাবি-দাওয়া উত্থাপন করেছি। আমরা চেয়েছি শান্তিপূর্ণ উপায়ে দাবি আদায় করতে। এখন বল প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে। এরপর যা হবে তার দায়-দায়িত্ব সরকারের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপ শেষে আজ বুধবার বিকেলে বেইলি রোডের বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি একথা বলেন।

ড. কামাল বলেন, সারা দেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীর নামে যেসব মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে আর কোনো গায়েবি হয়রানিমূলক মামলা ও ঐক্যফ্রন্ট নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুরসহ আরো অনেকে।

এর আগে সংলাপ শেষ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ড. কামাল হোসেনের বাসায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বেলা সোয়া ৩টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা জাসদের মহান সিপাহী জনতার গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন

 

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে মহান সিপাহী জনতার গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। ৭নভেম্বর বুধবার সকাল ১০টায় মুনজিতপুরস্থ জাসদ কার্যালয়ে মহান সিপাহী জনতার গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জাসদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ।
জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ কামাল, জাতীয় কৃষক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, কলারোয়া উপজেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, তালা উপজেলা জাসদের সভাপতি বিশ্বাস আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মোল্যা আব্দুর রাজ্জাক, দেবহাটা উপজেলা জাসদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব, শ্যামনগর উপজেলা জাসদ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা হারুনার রশিদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব, কালিগঞ্জ উপজেলা জাসদের সভাপতি শেখ মোদাচ্ছের হোসেন জান্টু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, আশাশুনি উপজেলা জাসদের আহবায়ক মোঃ সুরাতুজ্জামান, জাতীয় নারী জোট সভাপতি পাপিয়া আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস বীনা, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি অনুপম কুমার অনুপ, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আব্দুল আলিম, সাধারণ সম্পাদক এস এম শামীম, সাইদুজ্জামান শুভ প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার গণঅভ্যুত্থান থেকে আমাদের শিক্ষা নিয়ে আগামীর পথে এগিয়ে যেতে হবে। সাথে সাথে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ানোর, সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শান্তি-উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নেওয়ার, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান করার এবং সুশাসন ও সমাজতন্ত্রের পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বক্তারা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীকে ‘গায়েবি’ মামলার তালিকা দিয়েছে বিএনপি

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও গায়েবি মামলার তালিকা’ দিয়েছে বিএনপি। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা চিঠিসহ তালিকাটি পৌঁছে দেন বিএনপির নেতারা।

এর আগে ১ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এই গায়েবি মামলার অভিযোগ করলে প্রধানমন্ত্রী তাদের কাছে এই তালিকা চান।

বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু বলেন, ‘আমরা আংশিক তালিকা জমা দিয়েছি। জমা দেওয়া তালিকায় ১ হাজার ৪৬টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছে ৫ হাজার ২৭৪ জন। বিভিন্ন মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামির সংখ্যা ৯৬ হাজার ৭০০, অজ্ঞাত আসামির সংখ্যা ৩ লাখ ৭০ হাজার।’

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া তালিকার সঙ্গে বিএনপির চিঠিতে বলা হয়, কয়েক বছর ধরে বিএনপির জাতীয় নেতারাসহ দেশব্যাপী জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, এমনকি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকভাবে হাজার হাজার মিথ্যা, উদ্ভট, গায়েবি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা করা হচ্ছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপকহারে বিএনপি ও অঙ্গ–সংগঠনের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছে এবং রিমান্ডে নিয়ে অকথ্য নির্যাতন করছে। এ ধরনের ন্যক্কারজনক ও অমানবিক ঘটনা নিঃসন্দেহে গভীর উদ্বেগজনক। ন্যূনতম কোনো সত্যতা বা প্রমাণ না থাকলেও নেতা–কর্মীদের এ ধরনের বানোয়াট ও হাস্যকর মামলায় প্রতিদিন জড়ানো হচ্ছে। আশ্চর্য হলেও সত্য, বিএনপি ও অঙ্গ–সংগঠনের মৃত ব্যক্তি বা দেশের বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তিদেরও মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে।

চিঠিতে ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার সময় তিনি (প্রধানমন্ত্রী) নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে করা গায়েবি মামলার তালিকা পাঠাতে বলেন বিএনপিকে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে মামলার আংশিক তালিকা পাঠানো হলো। মামলার তালিকা অনুসারে, গায়েবি মিথ্যা মামলায় নেতা–কর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধ করে এসব মামলা প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তীকালে এ–সংক্রান্ত আরও তালিকা পাঠানো হবে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, আইনজীবী জিয়াউদ্দিন জিয়া এবং শরিফুল ইসলাম আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে চিঠিটি দিয়ে আসেন।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল হামিদ চিঠিটি গ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংলাপ শেষে ওবায়দুল কাদের যা বললেন

দেশের খবর: নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে, আলোচনাও এগিয়ে যাবে, তবে সংলাপ শেষ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে গণভবনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

নির্বাচনের সময় মন্ত্রী-এমপি সদস্যরা সরকারি কোন সুযোগ গ্রহণ করবে না বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের সময় মন্ত্রীদের গাড়িতে পতাকা লাগানো হবে না। সরকারি সার্কিট হাউস ব্যবহার করতে পারবে না। অন্যান্য প্রার্থীরা যে সুযোগ-সুবিধা পাবেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাও সেই রকম সুযোগ সুবিধা পাবে। অতিরিক্ত সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, সেনা মোতায়েন থাকবে। তবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। সংসদ ভেঙে ১০ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের প্রস্তাব নাচক করে দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের বাহিরে যাওয়া যাবে না। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। নির্বাচনের সময় এমপিদের কোন পাওয়া থাকবে না। তারা (ঐক্যফ্রন্ট) যে ৭টি দাবি দিয়েছেন তাদের বেশিভাগ প্রধানমন্ত্রী মেনে নিয়েছেন। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার একটা বাহানা। নির্বাচনকে পিছিয়ে দিতে গিয়ে তৃতীয় শক্তির জন্য কোনো সুযোগ রাখা হবে না।

কাদের বলেন, সত্যিকারের রাজবন্দিদের মুক্তির বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তারা আজকে মন খোলে আলোচনা করেছেন। আজকের যে দাবি নিয়েছে এসেছেন। তার মধ্যে নির্বাচনের আগে কিছু বিষয়ে নিশ্চয়তা চান। তারা চাইচেন সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে পর্রবতী ৯০ দিনের পর নির্বাচন।

সংলাপে নেত্রী বলেছেন, আপানারা নির্বাচনে আছেন। এখানে কারচুপি জালিয়াতি হবে না। বিদেশী পর্যবেক্ষক যে কোন ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবে। তবে ইসির সমস্যা না হলে। বৈঠকের পরেও প্রধানমন্ত্রী তাদের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের প্রস্তাবের মধ্যে একটা বিরাট ফারাক রয়েছে। তবে আর আলোচনার কোন সুযোগ নেই।

আমি মনে করি, সংলাপে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আগামী কাল প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে সব জানিয়ে দিবেন। তারা পথযাত্রা করতে গিয়ে আবার যদি বোমাবাজি ও অরাজকতা সৃষ্টি করে তাহলে আমরা বসে থাকবো না। তারা খালেদা জিয়ার জামিন চেয়েছেন। আমরা বলেছি, এই মামলা ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার করেছে। এখন আদালত তাকে দণ্ড দিয়েছে। আদালত যদি জামিনে মুক্তি দেয় আমাদের কোন সমস্যা নেই।

প্রসঙ্গত, সংলাপে বসার আগে সকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উভয়েই ‘প্রত্যাশা পূরণের আশাবাদ’ ব্যক্ত করেন। প্রথম দফায় অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়েই দ্বিতীয় দফায় সংলাপ হয় বলে জানা যায়।

নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যে ধারাবাহিক সংলাপ চলছে, তার মধ্যে শুধু জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গেই দ্বিতীয় দফায় সংলাপ হলো ক্ষমতাসীনদের।

এর আগে সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবির মধ্যে নেতাকর্মীদের মামলা প্রত্যাহার, সভা-সমাবেশের বাধা না দেওয়া ব্যাপারে একমত হয়েছিলেন ক্ষমতাসীন নেতারা। কিন্তু নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচন কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হবে কিংবা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়গুলো অমীমাংসিত রয়ে যায়। আজকে সেইসব বিষয়েই আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংলাপে এবারও সমাধান আসেনি : মান্না

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপেও কোনো ‘সমাধান’ পাননি বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না।

বুধবার গণভবনে তিন ঘণ্টা সংলাপ শেষে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আলোচনা মনঃপূত হয়নি। সংলাপে কোনো সমাধান আসেনি।”

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরে সংলাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে জানান নাগরিক ঐক্যের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না।

সংলাপ শেষে বেরিয়ে আসার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্য নেতাদের কেউ আলোচ্য বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

পরে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “সংবিধান পরিপন্থি ও সাংঘর্ষিক কিছু বক্তব্য তারা নিয়ে এসেছে, যেটা গ্রহণযোগ্য না। সংলাপ এখানে শেষ। শিডিউল ঘোষণার পর তারা যদি কোনো ব্যাপারে আবার বসতে চান, আপত্তি নেই।”

গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, “দুই পক্ষই নিজেদের দাবিতে অনড়। কোনো ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি। ঐক্যফ্রন্ট আবারও সংলাপের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest