সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

মাংস খায় যে গাছ!

অনলাইন ডেস্ক: মানুষ খেয়ে ফেলে এমন গাছের কথা শুনেছেন হয়তো। তবে সত্যি সত্যি এমন গাছের দেখা মেলেনি এখনো। কিন্তু মাংস খায় এমন গাছ কিন্তু সত্যি আছে। এই গাছ হচ্ছে নেপেন্থেস অ্যাটেনবারোওঘি। এটি এর বৈজ্ঞানিক নাম।

দেখতে যত সুন্দর আর নিরীহ-ই হোক না কেন, গাছটি আসলে একটি মাংসাশী গাছ। নানা কীটপতঙ্গ, পোকা-মাকড়, এমনকি বড় বড় ইঁদুর পর্যন্ত গিলে খায় এটি। আঞ্চলিক রীতি মতো এই গাছটি কলসী গাছ নামেও পরিচিত। কেননা এটি দেখতে অনেকটা কলসীর মতো।

আর এই কলসীর ভেতর লাল রঙের মধুর মতো এক ধরনের তরল পদার্থ থাকে। যেখানে মধু সেখানে পোকা-মাকড় আসারই কথা। এই কলসীর মতো কাঠামোর মধ্যে যখন কোনো পোকা-মাকড় মধু খেতে আসে তখন পা পিছলে এর ভেতরে পড়ে যায় এবং এটির ওপরে একটা ঢাকনা থাকায় পোকা ভেতরে পড়া মাত্রই ঢাকনা বন্ধ হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুয়ারেসের নৈপুণ্যে বার্সার রোমাঞ্চকর জয়

খেলার খবর: প্রতিপক্ষের মাঠে শনিবার রাতে লিগ ম্যাচে ভাইয়েকানোকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালান ক্লাব বার্সেলোনা। ১১তম মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢোকা জর্দি আলবার কাটব্যাক ছোট ডি-বক্সের মুখে পেয়ে সুয়ারেসের নেওয়া শট একজনের গায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়ায়।

৩৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ভাইয়েকানো। স্প্যানিশ মিডফিল্ডার হোসে পোসো প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে জোরালো শটে বল ঠিকানায় পাঠান।
আলভারো গার্সিয়া ৫৭তম মিনিটে রাউল দে তমাসের হেড পোস্টে লাগলে ফিরতি বল অনায়াসে ফাঁকা জালে পাঠান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। পিছিয়ে পড়া বার্সেলোনা দেম্বেলের সমতায় ফেরানো গোলের পর জয় নিশ্চিত করেন সুয়ারেস।
৮৭তম মিনিটে দেম্বেলে নিচু হাফ ভলিতে দূরের পোস্ট দিয়ে গোলটি করেন। আর ৯০তম মিনিটে ডান দিক থেকে সের্হিও রবের্তোর লম্বা ক্রস ছোট ডি-বক্সে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় ডান পায়ের শটে পোস্ট ঘেঁষে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সুয়ারেস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমঝোতা হলে খালেদার মুক্তিতে রাজি সরকার!

দেশের খবর: বহু প্রত্যাশিত ও বহুল আলোচিত সংলাপের মধ্যে দেশের সচেতন নাগরিকসমাজ আশার আলো দেখলেও সরকার ও বিরোধী পক্ষের সম্পর্কে এ মুহূর্তে ‘জট’ হয়ে দাঁড়িয়েছে মূলত খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ইস্যু। এ বিষয়টি যে উভয় পক্ষের কাছেই এখন দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার, তা দুই পক্ষের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে জট থেকে বেরিয়ে আলোতে আসার একটি ফর্মুলার কথা সরকারপক্ষ ভেবে রেখেছে বলে জানা গেছে। আর সেটি হলো দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা হবে—বিএনপি এই নিশ্চয়তা দিলে সরকার খালেদা জিয়ার কারামুক্তির ব্যবস্থা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষমতাসীনরা।

বিএনপি চাইলে দ্বিতীয় দফা সংলাপে বিষয়টি পরিষ্কার করবে সরকার। এ ব্যাপারে দুটি পথ বাতলে দেবে সরকার। একটি হলো বিদ্যমান ব্যবস্থায় খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে এভাবে—তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিনের আবেদন করলে সরকারপক্ষ তাঁর বিরোধিতা করবে না। আর দ্বিতীয়টি হলো প্যারলে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে দ্বিমত নেই। নির্বাচনের আগেই সম্পূর্ণ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এই মুক্তি সম্পন্ন করা যেতে পারে। এই প্রাপ্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে বিএনপি রাজনৈতিক সমঝোতায় এলে তাদের স্বাগত জানাবে সরকার। বিনিময়ে বিএনপির কাছ থেকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা চাইবে সরকার। আওয়ামী লীগ ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারক জানিয়েছেন, গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেন নিজেও বলেছেন এবং কামাল হোসেনের সঙ্গে তাঁরাও কথা বলে জেনেছেন, সংলাপের ব্যাপারে তিনি সন্তুষ্ট। সংলাপে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য একটি স্থায়ী সাংবিধানিক ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ প্রস্তাবে ড. কামাল হোসেনসহ তাঁর সমমনাদের সায় দিতে দেখা গেছে। বিএনপির মধ্যে সবাই না হলেও কেউ কেউ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁরা আর সরকারের সঙ্গে লড়াই করতে চান না।

বর্তমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণে ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সরকারের দ্বিতীয় দফা সংলাপে রাজি। সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে অনানুষ্ঠানিক কথাও হয়েছে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের। বিএনপির একটি পক্ষ চায় দ্বিতীয় দফায় সংলাপ হোক। তাদের মূল দাবি খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টির সুরাহা হলে অন্যান্য বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব বলে তারা মনে করে। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সরকারের হাইকমান্ড বিএনপির কাছ থেকে নিশ্চয়তা পেলে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবির অন্যগুলোর আংশিক কিছু বিষয়েও ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম শনিবার বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি সংলাপে এসেছিল। আমরা বলেছি, এটা আদালতের বিষয়। আদালত চাইলে মুক্তি দিতে পারে। আমরা বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ করি না।’ তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পুনরায় সংলাপে বসতে ইচ্ছুক। আবার সংলাপ হলে বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা হতেই পারে।

রাজনৈতিক সমঝোতা হলে খালেদা জিয়ার কারামুক্তি সম্ভব কি না জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, আপিল বিভাগে খালেদা জিয়াকে জামিন চাইতে হবে। তিনি বলেন, ইতিহাসে নজির আছে, যে দলের প্রধান কারারুদ্ধ ছিলেন সেই দল ভোটের ময়দানে সুবিধা পেয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল গতকাল শনিবার বলেন, যদি রাজনৈতিক সমঝোতা হয়, তাহলে জুডিশিয়ারিকে এই রাজনৈতিক সমঝোতার অন্তরায় হতে কখনো দেখিনি। অবশ্যই খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পেতে পারেন। তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য প্যারলে মুক্তির ব্যবস্থাও রয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর খুবই গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে উন্নয়নের রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ায় সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে তিনি ‘মানবতার মা’ বা ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন গোটা বিশ্বে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য পেয়েছেন একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার। তবে এত কিছুর পরেও দেশে বিরোধীদের দমন এবং বিএনপিবিহীন নির্বাচন নিয়ে কিছু সমালোচনা আগে থেকেই রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। এর মধ্যে আবার নতুন করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হলে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—যে দেশের প্রধানমন্ত্রী এত ভালো কাজ করছেন, সেই দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা কেন? ঠিক যেমন করে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন মিয়ানমারে অং সান সু চি, যিনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, অথচ তাঁর দেশেই কেন রোহিঙ্গা নিধনের মতো অশান্তির আগুন?—এমন প্রশ্ন যেন নিজের বেলায় না ওঠে, সে কারণেই মূলত শেখ হাসিনা চান বিএনপির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সমালোচকদের মুখ বন্ধ রাখতে।

রাজনৈতিক সমঝোতা হলে খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্ন করা হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিষয়টি আদালতের ওপর নির্ভরশীল। তবে আমরা সংলাপ করব, ব্যর্থ হব, তারপর আবার সংলাপ করব। আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে চিঠি দিয়ে সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। সিইসিকে দেওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘৮ নভেম্বরের পরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের বিষয়টি আবারও বিবেচনায় রয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবারও সংলাপে বসার ব্যাপারে ইচ্ছুক।’ এ অবস্থায় আজ রবিবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা না করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ওই চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেনাল্টি আর আত্মঘাতী গোলে জয়ে ফিরলো রিয়াল

খেলার খবর: সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে শনিবার স্থানীয় সময় বিকালে লা লিগার ম্যাচে ভাইয়াদলিদকে ২-০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এতে লা লিগায় পাঁচ ম্যাচ পর স্বস্তির জয়ের দেখা পেল স্পেনের সফলতম ক্লাবটি।

ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে সৌভাগ্যপ্রসুত গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। বদলি নামা ভিনিসিউস জুনিয়রের বাঁ দিক থেকে নেওয়া শটে বল ডি-বক্সে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার কিকোর হাতে লেগে জালে জড়ায়। দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে বলে হাতও লাগিয়েছিলেন গোলরক্ষক মাসিপ। কিন্তু রুখতে পারেননি।

সের্হিও রামোস ৮৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ডি-বক্সে ফরাসি ফরোয়ার্ড বেনজেমা ফাউলের শিকার হলে রেফারি স্পটকিকের নির্দেশ দেন।

১১ ম্যাচে ৫ জয় ও ২ ড্রয়ে রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ১৭। ভাইয়াদলিদের পয়েন্ট ১৬।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘরের মাঠে বড় জয় পেল জুভেন্টাস

খেলার খবর: ঘরের মাঠে শনিবার রাতে সেরি আয়’র ম্যাচে কাইয়ারিকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে জুভেন্টাস।
ম্যাচ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে উরুগুয়ের মিডফিল্ডার রদ্রিগো বেন্তানকুরের ছোট করে বাড়ানো বল দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড দিবালা।
৩৬তম মিনিটে ডান দিক থেকে সতীর্থের বাড়ানো ক্রসে বল পেয়ে যান জোয়াও পেদ্রো। দারুণ শটে লক্ষ্যভেদ করেন ব্রাজিলের এই মিডফিল্ডার। ৩৮ তম মিটিটে দগলাস কস্তার ক্রস স্লাইড করে বিপদমুক্ত করতে গিয়ে ফিলিপ ব্রাদারিচ নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দিলে সমতায় ফেরার স্বস্তিটুকু উড়ে যায় কাইয়ারির।
৮৭তম মিনিটে রোনালদো প্রতিআক্রমণে থেকে নিজে শট না নিয়ে বল বাড়ান বাঁ দিকে থাকা কুয়াদরাদোকে; সহজেই লক্ষ্যভেদ করেন কলম্বিয়ার এই ফরোয়ার্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তফসিল ঘোষণা ও ইভিএম নিয়ে সিদ্ধান্ত আজ

দেশের খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) -এর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বিকেলে বৈঠকে বসবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার ( ৩ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর ইসি’র ৩৮তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
বৈঠক শেষে সচিব বলেন, চলতি সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করার প্রস্তুতি ইসির রয়েছে। সে বিষয়ে রবিবার ( ৪ নভেম্বর) বিকেলে ইসির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আজকের সভায় অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। কেউ অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিলে তাকে সশরীরে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে হাজির হতে হবে না।
ইভিএম বিষয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে ইসির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে রবিবারের বৈঠকে আবারও আলোচনা হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রবিবার বিকেল চারটায় একটি বৈঠক করে আলোচনা করা হবে। এখানে ভোটের তারিখ নয়, মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। তফসিল নিয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হবে। আশাকরি, এ সপ্তাহের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুতি অনুযায়ী ১৮ থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হতে পারে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ. লীগের এমপি প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা শেখ হাসিনার টেবিলে

অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এমপি প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টেবিলে। তিনি দীর্ঘ যাচাই-বাছাই করেই এ তালিকা প্রস্তুত করেছেন। তালিকায় স্থান পাননি বিতর্কিত কিছু এমপি ও মন্ত্রিসভার সদস্য। যুক্ত হয়েছেন দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত এবং ক্লিন ইমেজের কিছু নতুন মুখ। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরই ‘নৌকার যোগ্য মাঝি’দের তালিকা প্রকাশ করা হবে। জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিকদের ‘ছাড়’ দেওয়ার কারণে অতীতের মতো এবারও কপাল পুড়বে অনেকের। মহাজোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টি এবার আওয়ামী লীগের কাছে ১০০ আসন চায়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন ও আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্রমতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘জয়-পরাজয়’কে দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল ‘বাঁচা-মরা’র লড়াই হিসেবে দেখছে। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পথে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। সে কারণে নির্বাচনী সফর অব্যাহত রেখেছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। এর পাশাপাশি এবার দলীয় প্রার্থী বাছাইকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। এজন্য ‘জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব টিম, দলীয় জরিপ, কয়েকটি সরকারি সংস্থার একাধিক জরিপের ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ নামের তালিকা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ল্যাপটপে।
যারা প্রথমবারের মতো দলের টিকিট পাচ্ছেন তাদের ইতিমধ্যে দলীয় সভানেত্রী ডেকে নিয়ে মাঠে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের নেতারা জানিয়েছেন, সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জোটের শরিক দলগুলোর প্রার্থী চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সংসদ নির্বাচনে সব দল মিলে অর্ধশতাধিক আসনে ছাড় দিলেও এবার প্রত্যেক দলের চাহিদাই বেশি। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০০ প্রার্থীর তালিকা দিয়েছে জাতীয় পার্টি। ১৫টি আসন চায় ওয়ার্কার্স পার্টি। জাসদের চাহিদাও গতবারের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি-জেপি, তরিকত ফেডারেশন, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপসহ জোটের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে তাদের চাহিদার কথা জানিয়েছে আওয়ামী লীগকে। তাদের চাহিদা ও মাঠের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই এবার প্রার্থী দেওয়া হবে। তবে কত আসন দেওয়া হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করছে আসন ভাগাভাগির বিষয়টি। তবে জোট প্রার্থীদের ‘ধরে’ নিয়েই আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগেই জোট শরিকদের সঙ্গে বসছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করা না হলেও একটি ধারণা দেওয়া হবে জোট শরিকদের।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সর্বশেষ যৌথ সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রার্থী চূড়ান্ত করার আভাস দেন। গত সপ্তাহে দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতার সঙ্গেও কথা বলেন প্রার্থী নিয়ে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সঙ্গে যুক্ত দুজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কয়েক দফা জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছেন দলীয় সভানেত্রী। আগামীতে কারা নৌকা প্রতীক পাবেন সে তালিকা তার টেবিলে। তফসিল ঘোষণা এবং দলের মনোনয়নপত্র বিতরণ ও জমার পরে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেন, ‘এক বছর থেকে মনোনয়ন বাছাইয়ের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পর দলীয় প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করবেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।’

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু বলেন, ‘প্রার্থী চূড়ান্ত করার এখতিয়ার একমাত্র দলীয় সভানেত্রীর। সারা দেশের নেতা-কর্মী তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর আস্থাশীল। যেখানে যাকে দিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে তিনি তাকেই প্রার্থী করবেন। আমার বিশ্বাস, তিনি সেভাবেই প্রার্থী চূড়ান্ত করছেন।’ গণভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়নবঞ্চিত হচ্ছেন আলোচিত-সমালোচিত বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি। চূড়ান্ত তালিকায় তাদের নাম রাখা হয়নি। এর মধ্যে যাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া অসাধ্য হবে এসব মন্ত্রী-এমপিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ প্রার্থী’ হিসেবে চিহ্নিত করেই বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের কারও বিরুদ্ধে এলাকায় জনপ্রিয়তা হ্রাস, জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া, অনেকের বিরুদ্ধে দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, অনৈতিকভাবে বিত্তবৈভব গড়ার মতো অভিযোগ রয়েছে। কারও বিরুদ্ধে আনা হয়েছে সন্ত্রাস ও দলীয় কোন্দল সৃষ্টির অভিযোগ। দলীয় নেতা-কর্মীদের উপেক্ষা করে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এমনকি বিএনপি-জামায়াত নেতাদের নিয়েও নিজস্ব বলয় সৃষ্টির অভিযোগ আছে কারও বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকরা এবং কয়েকটি বিশেষ টিম আসন ধরে ধরে প্রার্থীদের বায়োডাটা সংগ্রহ করেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করেছেন দলীয় প্রধান। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য রশিদুল আলম বলেন, ‘দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রার্থী চূড়ান্ত বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। সেগুলো মেনেই প্রার্থী দেওয়া হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর দলের মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে সবার মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সভানেত্রী।’

আসন ভাগাভাগির চাপ বাড়ছে : জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে, এটা মোটামুটি নিশ্চিত। নির্বাচনী জোর প্রচার-প্রচারণায় না থাকলেও ভিতরে ভিতরে প্রস্তুতি চলছে দলটির। সে কারণে অতীতের মতো এবারও মহাজোটগতভাবেই নির্বাচনে যাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এজন্য বর্তমানে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে চায় দলটি। জাতীয় পার্টিও আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনে যেতে প্রস্তুত। সে কারণে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১০০ প্রার্থীর নামের তালিকা জমা দিয়েছেন। জোটের অন্য শরিকরাও নিজেদের মতো করে প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করে জমা দিয়েছেন তাঁর হাতে। যারা দেননি, তারা কয়েকদিনের মধ্যেই জমা দেবেন বলে জানা গেছে। জোট শরিকরা চান নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগেই প্রার্থী নিশ্চিত করতে। এখনই আসন ভাগাভাগি করার তাগিদ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডকে। জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, তরিকত ফেডারেশনের একাধিক নেতা বলেন, এখনই আসন ভাগাভাগি না করলে পরবর্তীতে সমস্যা সৃষ্টি হবে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করলে সবাই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। ফলে কোথাও কোথাও বিদ্রোহী প্রার্থী থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণে এখনই প্রার্থী ঘোষণা করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড. কামালের পায়ে সালাম করলেন কাদের সিদ্দিকী

রাজনীতির খবর: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের পায়ে সালাম করে দোয়া নিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত সভার আগে কাদের সিদ্দিকী সম্মান প্রদর্শন করে ড. কামালের পায়ে সালাম করেন।

ছবিতে দেখা যায়, পায়ে সালামের সময় পাশে থাকা নেতাকর্মীদের হাস্যজ্জল অবস্থায় দেখা যায় এবং তারা আবেগে আপ্লুত হয়ে যান।

এ রকম বিরল দৃষ্টান্ত বর্তমান রাজনীতিতে দেখা যায়না বললেই চলে।

এদিন জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. কামাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘জাতীয় ৪ নেতার স্বপ্নকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর চিন্তাতেও ছিল জাতীয় ঐক্য। এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সবাইকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলবো আমরা।’

তিনি কামাল হোসেন বলেন, ‘গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অনেকে চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেউ পারেনি। স্বৈরাচারও চেষ্টা করেছে। আগামীতেও কেউ ধ্বংস করতে পারবে না। বাঙালিকে কেউ পরাজিত করতে পারেনি। জাতির পিতা সেটা প্রমাণ করেছেন।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, যদি ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেয়ার ইচ্ছে থাকে তাহলে ৫ তারিখ বিকাল সাড়ে ৪টায় দলবল নিয়ে রাজধানীর বেইলী রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসায় গিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করবেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আমাকে যোগ দিতে বলেছেন। আমি যদি যোগ দেই, তাহলে মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করবো। আর যদি আপনাদের সঙ্গে নাও থাকতে পারি, তাও জানিয়ে দেবো। তবে, যেদিন প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সঙ্গে সংলাপ করেছেন, আপনাদের বিজয় হয়ে গেছে। আমি যেখানেই থাকি না কেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপের আগে মনে হয়েছিল আওয়ামী লীগ ২০ সিট পাবে উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘গত ৪ দিন ধরে আমার দেখছি, আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে ১৯ সিট পাবে। এর বেশি পেলে আমাকে সাজা দিয়েন।’

আলোচনা সভায় বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি বি চৌধুরী উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ড. কামাল হোসেন উপস্থিত থাকায় সভায় আসেননি বি চৌধুরী।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মেরুকরণ থেকে এখনো নিজেকে স্বতন্ত্র জায়গায় রেখেছেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

এর আগে, ৩ নভেম্বর নিজের অবস্থান পরিষ্কার করবেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। ধারণা করা হয়েছিল নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে শনিবারের আলোচনা সভায় ঘোষণা দেবেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest