সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

চতুর ও উচ্চাভিলাষী দুই যুবরাজের গল্প

অনলাইন ডেস্ক: সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার ঘটনা ৩৩ বছর বয়সী সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) ক্যারিয়ারে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে; তা নিয়ে যখন বিশেষজ্ঞ এবং পর্যবেক্ষকরা ভিন্ন ভিন্ন ভাবনা তুলে ধরছেন; ঠিক সেই সময় তার চেয়ে ২৫ বছরের বড় আরেক যুবরাজ একটু দূরে থেকে সব দেখছেন এবং নিশ্চয়ই একটু অস্বস্তি বোধ করছেন।
এমবিএসের সঙ্গে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ইস্যুতে জড়িয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজেড)। এর মধ্যে অন্যতম দুটি হচ্ছে, ইয়েমেন যুদ্ধ এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য রাষ্ট্র কাতারের বিরুদ্ধে আকাশ, স্থল ও সমুদ্রপথে অবরোধ আরোপ।

এই দুটি বিষয়ের ফল বেশি সুখকর ছিল না। ইয়েমেন যুদ্ধ বর্তমানে চতুর্থ বছরে পদার্পণ করেছে। দেশটির মানুষের জন্য ভয়াবহ এক পরিণতি ডেকে আনার পাশাপাশি অচলাবস্থা তৈরি করেছে এই যুদ্ধ। গত বছরের জুনে কাতারকে পায়ের তলায় টেনে নিয়ে আসার যে পরিকল্পনা নিয়ে দেশটির ওপর সৌদি নেতৃত্বাধীন কয়েকটি দেশ অবরোধ আরোপ করেছিল, তাও ধোপে টেকেনি।

আমিরাতের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদের কর্মকাণ্ডকে হালকা সফল হিসেবে দেখা যেতে পারে। ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে আরব আমিরাত। যা দক্ষিণ ইয়েমেনের রাজধানী খ্যাত বাণিজ্যিক বন্দর এডেনের মূল অংশের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। এডেন ইয়েমেনের স্বাধীন ভূখণ্ড হলেও এটি এখন আমিরাতের নিজস্ব বন্দরে পরিণত হয়েছে।

কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপের বিরোধিতা করে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর চাপ প্রয়োগ করলেও তা সামলাতে সক্ষম হয় সৌদি ও আমিরাত।

গত বছরের ডিসেম্বরে সৌদি আরবের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের লক্ষ্যে নেয়া পদক্ষেপের সঙ্গে তাল মেলানোর চেষ্টা চালায় আমিরাতের যুবরাজও। কিন্তু এমবিজেডের এই পদক্ষেপ বেশি মনযোগ কাড়তে পারেনি। সৌদি আরবের সঙ্গে আমিরাতের স্বাক্ষরিত ‘সমাধান কৌশল’ নামে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তিকে যুবরাজ এমবিজেড ‘এক ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

সেই সময় আমিরাতের এই যুবরাজ বলেন, ‘আমরা আরবের দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশ সর্বাধুনিক সামরিক বাহিনী গঠন করছি।’ কুয়েতে অনুষ্ঠিত উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) বৈঠকে দেয়া ঘোষণার মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে সাহসী পদক্ষেপ। ১৯৮১ সালে গঠিত জিসিসির একমাত্র জীবিত প্রতিষ্ঠাতা কুয়েতের আমির কাতারের সঙ্গে অন্য দেশগুলোর সম্পর্ক পুনরায় স্থাপনে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালান।

পরস্পর বিপরীতমুখী ও দাম্ভিকতাপূর্ণ অবস্থানে থাকা অন্য পাঁচ সদস্যের সেই বিরোধ মেটানোর কোনো পদক্ষেপ নেননি আমিরাতের যুবরাজ এমবিজেড। সদস্য দেশগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তার করার মতো ক্ষমতা আছে তার। গত বছরের জুনে সৌদি আরবের সঙ্গে সুর মিলিয়ে খুব দ্রুতই ৪৪টি প্রকল্পের ঘোষণা দেন তিনি। নিজ দেশের রাজধানী আবুধাবি এড়িয়ে যৌথ সমন্বয় পরিষদ নামের এক বৈঠকও করেন সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে। বৈঠকে এমবিএস সভাপতি এবং এমবিজেড সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আর এই বৈঠকে আমিরাতের যে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন; তারা সবাই ক্ষমতাসীন এমবিজেড পরিবারের সদস্য।

কিন্তু আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। ২০১৪ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট (এমবিজেডের বড় ভাই) হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো প্রেসিডেন্টে পরিণত হয়েছেন এমবিজেড।

বৈঠকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সমন্বিত রূপকৌশল, মেডিক্যাল স্টকের জন্য যৌথ পরিকল্পনা, সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও তেল, গ্যাস এবং পেট্রোকেমিক্যাল খাতে বিনিয়োগ ও যৌথ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সময় নির্ধারণ করা হয়। ব্যবসায়িক বিশ্বে এসব কৌশলকে বিপরীতমুখী ব্যবস্থা হিসেবে মনে করা হয়।

আবু ধাবির চতুর এবং অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন জায়েদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি লাইন চুরি করে সৌদির সঙ্গে এই চুক্তিকে ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ বলে অভিহিত করেন। যেখানে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৬৭৮.৫ বিলিয়ন ডলার, এই সময়ে আমিরাতের জিডিপি সৌদির অর্ধেকের একটু বেশি; সৌদি আরবের বিদেশি মুদ্রা ও স্বর্ণের রিজার্ভের পরিমাণ ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি, অন্যদিকে আমিরাতের ৯০ বিলিয়ন ডলারেরও কম; সৌদি আরবের রাজস্ব ১৭১.৬ বিলিয়ন ডলার, আমিরাতের মাত্র ৮৩.৪ বিলিয়ন ডলার।

একই অর্থনৈতিক কৌশলের দিকে যৌথভাবে অগ্রসর হলেও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সময়ে সমালোচনা থেকে নিজেকে আমিরাতের যুবরাজ আড়াল করতে পারলেও রেহাই পাননি সৌদি যুবরাজ। ইয়েমেন যুদ্ধের কথা বলা যেতে পারে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে আমিরাতের সেনাবাহিনী বিভিন্ন ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত হলেও বেসামরিক মানুষ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দায়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দার মুখে পড়ে সৌদি আরব।

বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে থাকা ইয়েমেনের জনগোষ্ঠীর কাছে ওষুধ এবং খাদ্যসামগ্রী সরবরাহে বাধা দেয়ার দায়েও অভিযুক্ত সৌদি। হুথি বিদ্রোহীদের দমনের নামে ইয়েমেনে প্রথম হামলাও চালায় এই সৌদি। যদিও হুথিদের দমনে সফলতার মুখ দেখতে পারেনি রিয়াদ।

বর্তমানে সাংবাদিক জামাল খাশোগি খুনের ঘটনা নিয়ে চলমান সঙ্কটের মাঝেও ইয়েমেনে বোমা হামলা বন্ধ করতে সৌদি আরবের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৩১ অক্টোবর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িত সব পক্ষকে পরবর্তী এক মাসের জন্য যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু এর মাত্র একমাস আগেও সৌদি আরবের প্রতি ওয়াশিংটনের পূর্ণ সমর্থন আছে বলে জানিয়েছিলেন এই পম্পেও।

সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর সৌদি আরবকে দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ সহায়তা বন্ধ করতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন মার্কিন সিনেটর ও কংগ্রেসের সদস্যরা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সহায়তা বন্ধের হুমকির পাশাপাশি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টাও করেছেন।

কিন্তু মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট যখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যের কথা চিন্তা করেন, তখন মোহাম্মদ বিন জায়েদের কথা আসলেই মাথায় আনেন না। আর এই বিষয়টিই আবু ধাবির প্রিন্সকে রেখেছে সুন্দর। বিশ্ব পরিমণ্ডলে খ্যাতির প্রত্যাশী ও অহঙ্কারী হিসেবে পরিচিত সৌদি যুবরাজের সঙ্গে চলতে পেরেই তিনি খুশী।

এমবিএসের ছত্রচ্ছায়ায় থেকেই মোহাম্মদ বিন জায়েদ তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জায়েদের এই সহযোগী এখন বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছেন। হত্যার নৃশংসতা, আড়াল করার আনাড়ি অপচেষ্টায় বিশ্ব পরিমণ্ডলে অনেকেই মনে করেন, সৌদি যুবরাজের নির্দেশেই খাশোগি খুন হয়েছেন; যা যুবরাজের অবস্থানকে অত্যন্ত দুর্বল করে তুলেছে।

যুবরাজের চাচা ও সৌদি বাদশাহ সালমানের একমাত্র জীবিত ভাই আহমদ বিন আব্দুল আজিজ লন্ডন থেকে রিয়াদে ফিরেছেন। গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে, এমবিএসকে সরিয়ে নতুন যুবরাজ নিয়োগ দেয়া হতে পারে। যদিও এটি একটি অসম্ভব দৃশ্যকল্প। আহমদ বিন আব্দুল আজিজের বয়স ৭০ ছাড়িয়ে গেছে, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতায় আসার পর বাদশাহর এই ভাই অধিকাংশ সময় লন্ডনে কাটিয়েছেন। বয়োজ্যেষ্ঠ হিসেবে এখন তিনি রাজপরিবারে ভূমিকা রাখা ছাড়াও যুবরাজ এমবিএসের কর্মকাণ্ডেও লাগাম টানতে পারেন।
মোহাম্মদ বিন সালমান এবারে টিকে যাবেন কি-না সেটি প্রচুর বিতর্কের বিষয়। তবে বিবিসির সাবেক সাংবাদিক, আলজাজিরার কন্ট্রিবিউটর ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক বিল ল’র মতে, ‘আমি বাজি ধরে বলছি যে, যুবরাজ টিকে যাবেন। তবে তার যে আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও দেশের ভেতরে ক্ষমতা ছিল তাতে মারাত্মক ভাটা পড়বে। এটি এমবিজেডের জন্যও দুশ্চিন্তার। তিনি মোহাম্মাদ বিন সালমানের পেছনে অনেক বিনিয়োগ করেছেন। আর সৌদি এই যুবরাজ ইয়েমেন এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে তার উচ্চাকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে সামনে থেকে খেলছেন।

এখন সামনে থেকে খেলে যাওয়া এই যুবরাজ দুর্বৃত্তপনা-মূলক কাজে জড়িয়েছেন; যা তাকে নিয়ে বৈশ্বিক ভাবনার পরিবর্তনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু স্বল্প মেয়াদে আমিরাতের যুবরাজ কীভাবে তার কার্ড খেলেন; সেটিই দেখা বেশ মজার হবে। তিনি যদি এখন এমবিএসের সঙ্গে সম্পর্কের মাত্রা কমিয়ে আনেন, তবে এখান থেকে একটি বার্তা পাওয়া যাবে যে, সৌদি যুবরাজ সত্যিই ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন।
সূত্র : আলজাজিরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পক্ষে কাজ করছে আসিয়ান

অনলাইন ডেস্ক: বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সরেজমিন দেখতে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালা কৃষ্ণণ তুমব্র“ সীমান্তের নোম্যান্স পরিদর্শন করেন এবং সেখানে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
রোববার দুপুর ২টার দিকে তুমব্র“ সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ড পরিদর্শনকালে তিনি রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দাবির কথা শোনেন।
রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ সাংবাদিকদের জানান, তাদের কাছে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালা কৃষ্ণণ মিয়ানমারে চলে যাবে কিনা জানতে চাইলে তারা কয়েকটি দাবি-দাওয়া দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে?

ফেলে আসা বসতভিটা ফেরত দিতে হবে, মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং নাগরিক অধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পক্ষে কাজ করছে আসিয়ান। তাই রোহিঙ্গাদের এসব দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আসিয়ান মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করবে বলে আশ্বস্ত করে রোহিঙ্গাদের। সেখান থেকে ভিভিয়ান বালা কৃষ্ণণ উখিয়ার থাইংখালী হাকিমপাড়া, ময়নারঘোনা এবং লম্বাশিয়া ক্যাম্প ঘুরে বিকালে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। শনিবার রাতে ঢাকায় পৌঁছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মাহমুদ আলীর দেয়া নৈশভোজে অংশ নেন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান কী ভূমিকা রাখতে পারে তা নির্ধারণ করতে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পাশাপাশি মিয়ানমারও সফর করবেন। মিয়ানমার সফরে তার সঙ্গে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও থাকতে পারেন। দুই মন্ত্রী আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় আসিয়ান সম্মেলনে তাদের মতামত তুলে ধরবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মার্কিন নির্বাচন মঙ্গলবার

বিদেশের খবর: আর একদিন পরেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হচ্ছে। এটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নয়। তার পরেও ট্রাম্পের জন্য এ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংসদে অভিশংসনের তোপে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রেকর্ডসংখ্যক মুসলিম ও নারী প্রার্থী থাকায় বিশ্ববাসীর আগ্রহ একটু বেশি।

আগামীকাল মঙ্গলবারের নির্বাচনে লড়ছেন প্রায় ১০০ মুসলিম প্রার্থী। ২০১৬ সালের চেয়ে এ সংখ্যা ছয় গুণ বেশি। ক্ষমতায় বসেই মুসলিমদের প্রতি রোষানল, টুইটারে বিষোদগার ও মুসলিম শরণার্থীদের প্রতি ট্রাম্পের উগ্র-বাক্যবিলাপের কারণেই মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিমদের অংশগ্রহণ বাড়ছে- পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর এমনটাই দাবি।

বিপুলসংখ্যক মুসলিমদের রাজনীতিতে পা রাখার পেছনে ট্রাম্পের মুসলিমবিরোধী উত্তপ্ত বক্তব্যকেই দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমস্যা দূর করে আদা চা

অনলাইন ডেস্ক: চা শরীরকে সতেজ আর মনকে প্রশান্ত করে। চায়ের মধ্যে কয়েক টুকরো আদা যোগ করলে এটি আরো স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আদা চা-ই পারফেক্ট। আদা চায়ের উপকারি গুণের কারণে এর রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যকারী দিক-

১. আদা চা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শীতে এককাপ আদা চা আমাদের শরীরকে গরম করে আর ঠাণ্ডা লাগা এবং সর্দি কাশি থেকে দূরে রাখে।

২. সারাদিনের কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে এককাপ ধোঁয়া ওঠা আদা চা আপনার ক্লান্তিকে রাখবে দূরে আর করে তুলবে সতেজ।

৩. বমি বমি ভাব হচ্ছে? এক কাপ আদা চা হতে পারে ভালো সমাধান। কোথাও যাওয়ার আগে কয়েক চুমুক আদা চা খান। উপকার পাবেন।

৪. আদা চা হজমশক্তি বাড়ায়। এটি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমস্যা দূর করে হজমে সাহায্য করে।

৫. এক কাপ আদা চা শরীরের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে শরীরের নানা অংশে রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৬.শ্বাস নিতে কষ্ট দেখা দিলে এক কাপ আদা চা খেতে পারেন। বেশ উপকারী বন্ধু হিসেবেই কাজ করবে এটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতি ৬ মিনিটে এক প্রকল্প পাস

দেশের খবর: প্রতি ছয় মিনিটে একটি করে প্রকল্প পাস করল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। গতকাল রবিবার একনেক সভায় আগের সব রেকর্ড ভেঙে মোট ৩৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে শুরু হয়ে একনেক বৈঠক শেষ হয়েছে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। সে হিসাবে চার ঘণ্টায় বা ২৪০ মিনিটের মধ্যে প্রতি ছয় মিনিটে গড়ে একটি করে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে গত দশ বছরে গতকাল একনেক সভায় সবচেয়ে বেশি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হলো।

রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। একনেক বৈঠক শেষ করে রাত ৮টায় গণভবনে ১৪ দলের সঙ্গে সংলাপে বসেন প্রধানমন্ত্রী। ৮ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তাই গতকালের একনেক বৈঠক বর্তমান সরকারের শেষ বৈঠক বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
গতকাল একনেক সভায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য গুলশানে আবাসিক ভবন, আগারগাঁওয়ে পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ সদস্যদের জন্য ৯টি আবাসিক টাওয়ার ভবন এবং বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন প্রকার যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়সংক্রান্ত আলাদা চারটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এ ছাড়া র‌্যাবের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। নির্বাচনের আগে সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা করেছে সরকার। গতকালের একনেক সভায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, পৌরসভা উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন ও হাসপাতাল নির্মাণসংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, একনেক সভায় ৮৬ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৩৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে জোগান দেওয়া হবে ৬৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে আসবে ৩১৩ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ পাওয়া যাবে ১৯ হাজার ৯০৮ টাকা।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে অস্বাভাবিক প্রকল্প অনুমোদন শুরু হয় ১১ সেপ্টেম্বর একনেক বৈঠক থেকে। ওই বৈঠকে ১৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর প্রতিটি একনেক বৈঠকে গড়ে ২০টির ওপর প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ৩০ অক্টোবর একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় ২৪টি প্রকল্প। অথচ গত ৯ বছরে একনেকে গড়ে আট থেকে দশটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হতো। নির্বাচনের আগে সেটি দ্বিগুণ এমনকি তিন গুণও হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবারও কাজ করতে হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের।
প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করে কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, অনেক প্রকল্প আছে, যেগুলো বাস্তবায়নে টাকা পাওয়া যাবে কি না তার নিশ্চয়তা নেই। কোনো কোনো প্রকল্প আছে, যেগুলোর কোনো সমীক্ষা করা হয়নি। এসব প্রকল্প নেওয়া কতটুকু যৌক্তিক তা নিয়েও প্রশ্ন আছে কমিশনের। কোনো কোনো প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় দুটিই বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, তা যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ করার সময়ও ছিল না কমিশনের কর্মকর্তাদের। এমনকি একজন সচিবকে দিনে পাঁচটি করে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) বৈঠক করতে হয়েছে। গত দেড় মাসে ১৯০টি প্রকল্প পাস করা হয়েছে একনেক বৈঠকে; যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হবে দুই লাখ কোটি টাকার বেশি। এ বছর যেখানে এডিপির আকার এক লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, সেখানে দেড় মাসে অনুমোদিত প্রকল্পের টাকা কোথা থেকে আসবে, তা নিয়ে শঙ্কা আছে কমিশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে।

গতকাল একনেক সভায় পাস হওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাদেশ রেলওয়ের জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্প। এটি বাস্তবায়ন খরচ ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। পূর্বাচল লিংক রোডের উভয় পাশে (কুড়িল থেকে বোয়ালিয়া পর্যন্ত) ১০০ ফুট পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ১০ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। এ ছাড়া প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য টার্মিনাল নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সুবিধা সম্প্রসারণ প্রকল্পও রয়েছে। আট হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলী নদীর নিচে টানেল নির্মাণসংক্রান্ত প্রকল্পটির ব্যয় এক হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা সংশোধন করে অনুমোদন দেয় একনেক। কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণে খরচ হবে তিন হাজার ৭১০ কোটি টাকা। এ ছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৯টি আবাসিক টাওয়ার ভবন নির্মাণে খরচ হবে ৯৭৬ কোটি টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এরশাদের সংলাপ

দেশের খবর: এবার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এর আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিকল্পধারার সঙ্গে সংলাপ করে সরকার।
আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এরশাদের সঙ্গে সংলাপটি অনুষ্ঠিত হবে। এরশাদের নেতৃত্বে ৩৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নিচ্ছে।
প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, সালমা ইসলাম এমপি, ফখরুল ইমাম এমপি, এমএ ছাত্তার, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসন খান, আলহাজ সাহিদুর রহমান, শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, সুনীল শুভরায়, এসএম ফয়সল চিশতী, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, আজম খান, সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান আতিক, মেজর (অব.) খালেদ আক্তার, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, নুরুল ইসলাম ওমর এমপি। এছাড়া রয়েছেন- বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এমএ মান্নান, মহাসচিব এমএ মতিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাহফুজুল হক, যুগ্ম মহাসচিব জালাল আহমেদ, জাতীয় ইসলামী মহাজোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক ও বিএনএ’র চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনি।
সংলাপ শেষে রাতেই জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাবেন পার্টির নেতারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৮ টাকায় দেখা যায় ফেসবুকে কারো গোপন মেসেজ

অনলাইন ডেস্ক: ফেসবুকে হানা দিয়ে ৮১ হাজার ইউজারের ব্যক্তিগত মেসেজ প্রকাশ্যে এনেছে হ্যাকার! শুধু তাই নয়, এই সব গোপন মেসেজ ১০ সেন্টের বিনিময়ে বিক্রির চেষ্টা করা হয়। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় মাত্র ৮ টাকা। শুক্রবার এমন খবরে প্রকাশ করে বিবিসি। এতে করে ফের প্রশ্ন উঠছে ফেসবুকের নিরাপত্তা নিয়ে।

বিবিসির রাশিয়ার শাখাকে হ্যাকাররা জানায়, তাদের কাছে ১২০ মিলিয়ন ফেসবুকে অ্যাকাউন্টের তথ্য রয়েছে। যার মধ্যে ৮১ হাজার অ্যাকাউন্ট ইতিমধ্যে নমুনা হিসাবে তুলে ধরেছে তারা। সেই অ্যাকাউন্টগুলির অ্যাকসেস খুব কম টাকার বিনিময়ে যে কোনও ইচ্ছুক ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছে হ্যাকাররা।

জানা গিয়েছে, এখন পর্যন্ত বিবিসি ইউক্রেন ও রাশিয়ায় অবস্থিত বেশিরভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে এই ঘটনা ঘটে। এছাড়া ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিলের গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে এমনটি হয়েছে। অন্যান্য দেশেও ফেসবুক হ্যাক হতে পারে।
এমন পাঁচ ব্যক্তি বিবিসিকে জানিয়েছে তাদের ব্যক্তিগত বার্তা ফাঁস হয়েছে। ছবি: বিবিসি

এদিকে এই খবর প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট গাই রোজ জানিয়েছেন, ফেসবুকের নিরাপত্তা কঠিন রয়েছে। হ্যাকাররা আসলে ভাইরাস আক্রান্ত ব্রাউজার এক্সটেনশনের সাহায্যেই হ্যাক করছে অ্যাকাউন্ট।
তিনি আরো বলেন, আমরা পুলিশ এবং সাইবার বিভাগগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, যাতে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া অ্যাকাউন্টগুলো দ্রুত ওয়েবসাইট থেকে সরানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ নিউ জিল্যান্ড

খেলার খবর: তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে নাটকীয় ধসে পাকিস্তানের কাছে ৪৭ রানে হেরেছে নিউ জিল্যান্ড। ২৭ বলের মধ্যে মাত্র ২৩ রান যোগ করতে শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে কিউইরা।
১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১৬ ওভার ৫ বলে ১১৯ রানে থমকে যায় নিউ জিল্যান্ডের ইনিংস।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রবিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৬৬ রান করে পাকিস্তান। ওপেনার ফখর জামান করেন ১১ রান। অপর ওপেনার বাবর আজম সাজঘরে ফিরেন ৭৯ রান করে। ৯ বলে তিন চারে ১৯ রান করেন শোয়েব মালিক। হাফিজ ৩৪ বলে অপরাজিত থাকেন ৫৩ রানে।
জবাবে ১৩ রানের মধ্যে কলিন মানরো ও ডি গ্র্যান্ডহোমকে হারিয়ে চাপে পড়ে নিউ জিল্যান্ড। ৮৩ রানের জুটিতে ম্যাচের চিত্রটা পাল্টে দেন উইলিয়ামস ও ফিলিপস। তিন বলের মধ্যে দুই জনকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে খেলায় ফেরান শাদাব খান।
এরপর সেই ধস। ২৭ বলের মধ্যে মাত্র ২৩ রান যোগ করতে শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে কিউইরা। পকিস্তানের পক্ষে শাদাব ৩ উইকেট নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest