সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

গানের ভিডিওর শুটিং করতে গিয়ে গ্রেফতার

বিনোদনের খবর: মিউজিক ভিডিও শ্যুটিংয়ের অদ্ভূতুড়ে ঘটনার জন্ম দিয়েছে বিতর্কিত হিপ হপ গ্রুপ ‘ভাঙা বাংলা’। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে প্লাস্টিকের তৈরি নকল অস্ত্র নিয়ে গানের শুটিং করছিল তারা। এ জন্য নির্দিষ্ট একটি জায়গা ভাড়াও করেছিল। কিন্তু ওই অস্ত্রকে আসল অস্ত্র ভেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয় স্থানীয়রা। সঙ্গে সঙ্গেই চলে আসে হেলিকপ্টার, সোয়াট টিম। ঘটনাস্থল থেকে হপ গ্রুপটির সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায়ই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিকে ইঙ্গিত করে লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ বিভাগের লেফটেন্যান্ড কেইথ গ্রিন বলেন, আমরা ভেবেছিলাম এসব সত্যিকারের অস্ত্র। এগুলো আসল ভেবে আমরা পূর্বসতর্কতামূলক অবস্থা গ্রহণ করতে গিয়েছিলাম।
‘ভাঙা বাংলা’র এক সদস্য বলেন, ক্যামেরা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। আমি জানি না তারা এটা কেন করেছে। এটা খুবই অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং শুধু শুধু সময়ের অপচয়।
গানের প্রযোজক পিটার মাদানা বলেন, সবকিছুই নকল ছিল। তারা সত্যিই খুব ভালো ছেলে। অতীতেও তারা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল না।
‘ভাঙা বাংলা’র প্রথম মিউজিক ভিডিও ‘মাথাটা ফাটাও’ মুক্তি পায় এ বছর। ইউটিউব ও সোশাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ২০ লাখেরও বেশিবার দেখা হয়েছে। এরপর তাদের আরও দুটি মিউজিক ভিডিও মুক্তি পেয়েছে।
সূত্র: দেশি হিপ হপ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যৌন উত্তেজক কথা বলায় শিক্ষককে ৪ মাসের জেল

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার ধামরাইয়ে স্কুলছাত্রীদের উত্ত্যক্ত ও যৌন উত্তেজক কথা বলায় নতুন কুঁড়ি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলামকে ৪ মাসের জেল দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। আজ সোমবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগরে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।

জানা গেছে, ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন নতুন কুঁড়ি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম শ্রেণি কক্ষে ও স্কুলের বাহিরে সপ্তম শ্রেণির ৯জন ছাত্রীকে প্রায়ই বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত, কু-প্রস্তাব দিতেন। গত শনিবারও রোববার শ্রেণিকক্ষে ৯ ছাত্রীকে যৌন উত্তেজক কথাবার্তা বলেন। এতে ছাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। উপায় না পেয়ে ওই নয় ছাত্রী লিখিত ভাবে বিষয়টি ধামরাই পৌরসভার মেয়র গোলাম কবিরকে জানান। গতকাল রোববার পৌর মেয়র ওই নয় ছাত্রী ও প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলামকে তার কার্যালয়ে ডেকে নেন। পরে সবার উপস্থিতিতে ছাত্রীরা শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্ত্যক্তের অভিযোগ তুলেন। এসময় শিক্ষক অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। পরে ধামরাইয়ের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) নাহিদ হাসান উপস্থিত হয়ে ওই ৯ ছাত্রী ও প্রধান শিক্ষকের জবানবন্দি নেন।
এক পর্যায় প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম ওই ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার কথা স্বীকার করলে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে চার মাসের জেলের রায় দেন। আজ সোমবার ওই শিক্ষকে কারাগরে পাঠান পুলিশ।
ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির জানান, স্কুলছাত্রী উত্ত্যক্তকারী সাইদুল ইসলাম শিক্ষক নামে কলঙ্ক। ভ্রাম্যমান আদালত তাকে চার মাসের কারাদন্ড দিয়ে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার সাপখাওয়া গ্রামে। তার বাবার নাম রিয়াজ উদ্দিন। তিনি ধামরাই পৌর এলাকার আইঙ্গনে হালিম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজাপাকসে বিক্রমাসিংহে ক্ষমতার লড়াই

বিদেশের খবর: শ্রীলঙ্কায় তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে ক্ষমতার লড়াই। একদিকে প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও তার নতুন নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ রাজাপাকসে। অন্যদিকে তার বরখাস্ত করা প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রমাসিংহে ও স্পিকার কারু জয়সুরিয়া। ক্ষমতায় কে থাকবে আর কে থাকবে না- সে প্রশ্নে সেখানে অনাস্থা ভোটের ডাক উঠেছে। তাতে সংখ্যালঘু তামিলরা নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ রাজাপাকসের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের পক্ষে রয়েছে। এরই মধ্যে তারা পরিষ্কার করেছে এ বিষয়টি। শনিবার একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে তামিলদের জোট তামিল ন্যাশনাল এলায়েন্স (টিএনএ) গত সপ্তাহে নতুন করে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসেকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগকে ‘অসাংবিধানিক ও বেআইনি’ বলে আখ্যা দিয়েছে।
বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসেকে অপসারণের জন্য বরখাস্তকৃত প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রমাসিংহে যে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন তাকে সমর্থন করবে টিএনএ’র সদস্যরা। এতেই কি ক্ষমতা থেকে উৎখাত হবেন মাহিন্দ রাজাপাকসে? এ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। তামিলরা রণিল বিক্রমাসিংহেকে সমর্থন করলেও মাহিন্দ রাজাপাকসেকে ক্ষমতা থেকে সরানো এক জটিল সমীকরণে রূপ নিতে পারে। শ্রীলঙ্কার ২২৫ আসনের পার্লামেন্টে তামিল জোট টিএনএ’র রয়েছে ১৫ জন এমপি।
এই ভোট যদি তারা রণিল বিক্রমাসিংহেকে দেন বা তাকে সমর্থন করেন তাহলে রাজাপাকসের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটে বড় প্রভাব পড়বে। কারণ, রণিল বিক্রমাসিংহে ও মাহিন্দ রাজাপাকসে দু’জনের প্রতি জনেরই পার্লামেন্টে প্রায় ১০০ জন করে এমপি রয়েছেন। ফলে হিসাবের অঙ্কটি অনেক কঠিন হয়ে উঠবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, টিএনএ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে রাজাপাকসেকে পরাজিত করা সহজ হবে না। কারণ, তিনি ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি)’র কমপক্ষে ৬ জন এমপি’র সমর্থন পাচ্ছেন। যদি তা পান তাহলে তিনি পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারেন। যদি তাই হয় তাহলে তিনিই থেকে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত করতে হলে কমপক্ষে ১১৩ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে হয়।

গত ২৬শে অক্টোবর প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা তার সাবেক মিত্র রণিল বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করেন। এ পদে নিয়োগ দেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসেকে। এই রাজাপাকসেকে সিরিসেনা ২০১৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্টের বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাখ্যান করেন রণিল বিক্রমাসিংহে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য সরকার নির্ধারিত বাসভবনেই তিনি অবস্থান করছেন। সেখান থেকে বের হন নি। সবকিছু মিলে মারাত্মক এক সাংবিধানিক সংকটে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। শুধু তা-ই নয়। প্রেসিডেন্ট আগামী ১৬ই নভেম্বর পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন। এতে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে ওঠে। রণিল বিক্রমাসিংহে নিজেকে বৈধ প্রধানমন্ত্রী দাবি করছেন। তিনি নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে চেয়েছেন পার্লামেন্টে। তার এ ডাকের প্রতি শুক্রবার সমর্থন দিয়েছে জাতিসংঘ। ওই অনাস্থা ভোট যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করতে বলা হয়েছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, পার্লামেন্ট যত বেশি দিন স্থগিত রাখা যাবে ততই লাভবান হবে সিরিসেনা ও রাজাপাকসের রাজনৈতিক জোট ইউনাইটেড পিপলস ফ্রিডম এলায়েন্স (ইউপিএফএ)। আর তাতে রণিল বিক্রমাসিংহের জন্য অশনি সংকেত বেজে উঠতে পারে। রাজাপাকসের বিরুদ্ধে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে টিএনএ বলেছেন, দেশের এমন একটি পরিস্থিতিতে আমাদের নিরপেক্ষ থাকার অর্থ হবে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে ক্ষমতায় যাওয়ার পথ করে দেয়া। দীর্ঘদিন এই জোটটি রাজাপাকসের বিরোধিতা করে এসেছে। মাহিন্দ রাজাপাকসে ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশ শাসন করেন। তিনি ২০০৯ সালে কয়েক দশক ধরে গৃহযুদ্ধ বন্ধ করেন। অভিযোগ আছে, ২৫ বছর ধরে চলমান এই গৃহযুদ্ধে কমপক্ষে এক লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মতে, যুদ্ধের শেষ ৫ মাসেই হত্যা করা হয়েছে ৪০ হাজার মানুষকে। এর বেশির ভাগই তামিল বেসামরিক মানুষ। এর জন্য রাজাপাকসেকে দায়ী করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেহজাবিনের ‘অজানা আহ্বান’

বিনোদনের খবর: ২০১৪ সালে তাহসান ও মেহজাবিন একসঙ্গে প্রথম ‘রিটার্ন’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেন। পরে অনেকগুলো নাটকে এই দু’জনকে দেখা গেছে। সেগুলো বেশ দর্শকপ্রিয়তাও পায়। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার তারা দুজন অংশ নিয়েছেন ‘অজানা আহ্বান’ শিরোনামের একটি নাটকের শুটিংয়ে। এটি নির্মাণ করেছেন মাহমুদুর রহমান হিমি। এটিতে মেহজাবিন অভিনয় করেছেন লাবণ্য চরিত্রে। একটি লাভ স্টোরি নিয়ে নাটকটি নির্মিত হয়েছে বলে জানান মেহজাবিন। তিনি বলেন, তাহসান ভাইয়ের সঙ্গে বরাবরই কাজের অভিজ্ঞতা ভালো।
আগেও একসঙ্গে কাজ করেছি। তার সঙ্গে কাজ করতে বরাবরই আমার ভালো লাগে। আমাদের এই নাটকে দর্শক দারুণ একটি লাভ স্টোরি দেখতে পাবেন। তবে এটি নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। পরিচালকের নিষেধ আছে। নাটকের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও সরব এই গ্ল্যামারকন্যা। সম্প্রতি তার অভিনীত নতুন একটি বিজ্ঞাপন প্রচারে এসেছে। এটি চায়ের বিজ্ঞাপন। মজার ব্যাপার হলো এই বিজ্ঞাপনটির নেপথ্য নায়ক চিত্রনায়ক রিয়াজ। তার ক্রিয়েটিভ এজেন্সি পিঙ্ক ক্রিয়েটিভ লিমিটেড থেকে নির্মাণ করা হয়েছে বিজ্ঞাপনটি। এটি নির্মাণ করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এর আগে নাটকে জুটি হয়েছেন রিয়াজ-মেহজাবিন। এবার একটু অন্যরকমভাবেই একসঙ্গে পাওয়া গেল তাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বোল্ড করে চারিকে ফেরালেন মিরাজ

খেলার খবর: সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে।

চারিকে জীবন দিলেন অপু

দ্রুত জিম্বাবুয়েকে গুটিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশ হারিয়েছে শুরুর জুটি ভাঙার সুযোগ। আবু জায়েদ চৌধুরীর বলে ব্রায়ান চারির ক্যাচ ছেড়েছেন নাজমুল ইসলাম অপু।

দিনের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে আসে সুযোগ। চারির কাটে ক্যাচ যায় পয়েন্টে। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে বলের নাগাল পান অপু কিন্তু মুঠোয় জমাতে পারেননি ক্যাচ। সে সময় ১ রানে ব্যাট করছিলে চারি।

আগের রাতে বৃষ্টি হয়েছে। সিলেটের আকাশ মেঘে ঢাকা। এই কন্ডিশনে নতুন বলে কিছুটা সুবিধা পেতে পারেন পেসাররা। সেটা খুব একটা নিতে পারছে না বাংলাদেশ, দলে বিশেষজ্ঞ পেসার যে মাত্র একজন। আবু জায়েদ দারুণ চেষ্টা করছেন, সুযোগও তৈরি করেছেন কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেননি অপু।

জিম্বাবুয়েকে দেড়শ রানে থামানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের

উইকেট নিষ্প্রাণ। স্পিনারদের জন্য নেই তেমন কোনো টার্ন। বাউন্স স্বাভাবিক, উইকেটে থামছে না বল। টিকে থাকতে চাইলে আউট করা কঠিন সিলেটের অভিষেক টেস্টের উইকেটে। তবে তাইজুল ইসলাম মনে করছেন, জিম্বাবুয়েকে দেড়শ রানের ভেতরে থামানো সম্ভব।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার সকাল দশটায় শুরু হবে তৃতীয় দিনের খেলা।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ১৪০ রানে এগিয়ে জিম্বাবুয়ে। তবে তাইজুল মনে করেন, এখনও খুব একটা পিছিয়ে পড়েননি তারা। বাঁহাতি এই স্পিনারের মতে, মন্থর উইকেটে প্রয়োজন ডিসিপ্লিনড বোলিং। সবাই সেটা করতে পারলে জিম্বাবুয়েকে কম রানে থামানো সম্ভব।

জিম্বাবুয়ের বোলিং কোচ ডগলাস হোন্ডো জানান, পুরো তৃতীয় দিন ব্যাটিং করতে চান তারা। বাংলাদেশকে দিতে চান যতটা সম্ভব বড় লক্ষ্য।

দ্বিতীয় দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:

জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংস: ২৮২

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫১ ওভারে ১৪৩ (লিটন ৯, ইমরুল ৫, মুমিনুল ১১, শান্ত ৫, মাহমুদউল্লাহ ০, মুশফিকুর ৩১, আরিফুল ৪১*, মিরাজ ২১, তাইজুল ৮, অপু ৪, আবু জায়েদ ০; জার্ভিস ১১-২-২৮-২, চাটারা ১০-৪-১৯-৩, মাভুটা ৬-০-২৭-০, রাজা ১২-২-৩৫-৩, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ৮-২-২১-০, উইলিয়ামস ৪-০-৫-১)

জিম্বাবুয়ে ২য় ইনিংস: ২ ওভারে ১/০ (হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ১*, চারি ০*; তাইজুল ১-০-১-০, অপু ১-১-০-০)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আরবি ইউনিভার্সিটির ভিসির বাসা অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক: এক ছেলেশিশুকে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করার অভিযোগে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ ওরফে আহসান সাইয়েদকে তাঁর বাসায় অবরোধ করেছিল এলাকাবাসী। বিষয়টি পুলিশ পর্যন্ত গড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত সপরিবারে এলাকা ছাড়ার শর্তে উদ্ধার পান ভিসি। গত শনিবার রাতে নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ‘এ’ ব্লকের ২ নম্বর সড়কে এ ঘটনা ঘটে। একই সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের তিনতলায় ভিসির পারিবারিক বাসা। তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঢাকায়। তবে ভিসি সাপ্তাহিক ছুটির সুযোগে চট্টগ্রামের বাসায় যেতেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভিসির বিরুদ্ধে আগেও মহল্লার কিছু শিশু নিপীড়নের অভিযোগ তোলে। কিন্তু বিষয়টি স্পর্শকাতর বলে হাতেনাতে ধরার অপেক্ষায় ছিল অভিভাবকরা। গত শনিবার সন্ধ্যায় এক শিশুকে গলি থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করছিলেন। এ সময় কয়েকজন গিয়ে ভিসিকে ঘেরাও করে ফেলে। এলাকাবাসী খবর পেয়ে বাসভবনই ঘেরাও করে ফেলে। ভিসি শিশু বলাৎকারের কথা স্বীকার করেন এবং সপরিবারে এলাকা ছেড়ে দিতে রাজি হন। এরপর রাত ২টার দিকে লোকজন অবরোধ তুলে নিলে ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ বাসা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, পুলিশ তাদের ভ্যানে করে ভিসিকে নিয়ে যায়।

গতকাল সন্ধ্যায় ভিসি ফোন ধরে অভিযোগ শুনে বলেন, ‘আমি এলাকাবাসীর চাপের মুখে বলাৎকারের কথা স্বীকার করেছি। আমি কখনো এ ধরনের অপকর্ম করিনি।’ তাঁকে এলাকা ছাড়া করতে মহল্লার লোকজন মিথ্যা অভিযোগ এনেছে বলেও ভিসি দাবি করেন। তবে কেন এলাকাবাসী ষড়যন্ত্র করবে—ভিসি এর যুক্তিসংগত কারণ দেখাননি।

এলাকাবাসী বলছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার রাত ২টার দিকে পুলিশের গাড়িতে করে আহসান সাইয়েদকে তাঁর বাসভবন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এসআই সঞ্জয়ের নেতৃত্বে ছয়-সাতজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। অবরোধকারীদের মুখে বিবরণ শুনে তা লিপিবদ্ধ করেন কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস।

বাড়ির মালিক আবুল হোসেন বলেছেন, ‘রাত ১০টার দিকে পাড়ার লোকজন জড়ো হয়ে বিষয়টি আমাকে জানায়। পরে আমরা সবাই তাঁর বাসায় গিয়ে তা জানতে চাই। একপর্যায়ে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চান। তখন আমরা চান্দগাঁও থানার পুলিশকে খবর দিই।’ বাড়িওয়ালা আরো বলেন, ড. আহসান সাইয়েদ আর এখানে না থাকার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন। তাঁর পরিবারও এক দিনের মধ্যে অন্য জায়গায় চলে যেতে রাজি হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ ওরফে আহসান সাইয়েদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ২০১৬ সালে দেশের প্রথম সরকারি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর তিনি এর উপাচার্য নিযুক্ত হন। চার বছর ধরে তাঁর পরিবার চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ওই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে আছে। তিনি ঢাকার কাজের ফাঁকে এখানেই নিয়মিত বসবাস করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রামপুর।

স্থানীয় বাসিন্দা সাফায়েত উল হক জাবেদ অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ কাজ চললেও লোকলজ্জার ভয়ে অভিভাবকরা তা প্রকাশ করেনি। আবার বিষয়টি প্রমাণও করা যাচ্ছিল না। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি এক শিশুকে পাশের একটি ভবনের গ্যারেজে যৌন নির্যাতন চালানোর সময় বিষয়টি জানাজানি হয়। তখন এলাকার লোকজন জমায়েত হয়ে তাঁর বাসা ঘেরাও করে। বাড়ির মালিককেও বিষয়টি জানানো হয়। এলাকাবাসীর চাপের মুখে ভিসি বিষয়টি স্বীকার করেন বলে জানান জাবেদ।

পুলিশের গাড়িতে করে আহসান সাইয়েদকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা এলাকাবাসী বললেও চান্দগাঁও থানার ওসি মো. আবুল বাশার একটু ভিন্ন ভাষ্য দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি শোনার পর আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। পুলিশ এলাকাবাসীর অভিযোগ শুনেছে এবং তাদের শান্ত করতে সক্ষম হয়। তবে অভিযুক্ত ভিসি সাহেবকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের নাশকতার ছক

অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপনে নাশকতার ছক কষছে জামায়াত-শিবির। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত অক্টোবর থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। এরই মধ্যে গোপনে বৈঠক ও নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াত-শিবিরের কয়েকশ’ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকও। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর একমাত্র জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে।
পুলিশ সদর দফতরের এআইজি মো. সোহেল রানা বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যারাই শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজে লিপ্ত হবে তাদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে বিশেষ টার্গেট করে অভিযান পরিচালনা করছি না। আমাদের কাছে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করেছি। সে অনুযায়ী যারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে নাশকতার পরিকল্পনা করছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনছি।’
পুলিশ সদর দফতর ও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রগুলো বলছে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে জামায়াত-শিবির ছিল সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা অগ্রভাগে থেকে দেশজুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। এছাড়া এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময়েও নাশকতা করেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় একাদশ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত। এজন্য তারা আগের চেয়ে আরও বেশি নাশকতার মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করতে পারে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এখন জঙ্গি স্টাইলে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে। এজন্য সহজেই তাদের গোপন পরিকল্পনা জানা যায় না। নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হলে কোনও একটি ইস্যুকে সামনে দাঁড় করিয়ে তারা মাঠে নেমে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ওয়ারী এলাকা থেকে শিবিরের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের পর তাদের কাছ থেকে দেড়শ’ কেজি বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া তথ্যের বরাতে মামলার এজাহারে বলা হয়, জামায়াত-শিবির বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি নেওয়ার জন্য গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল। গ্রেফতারকৃতরা সেসময় জানায়, তারা নাশকতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাসায় বিস্ফোরকদ্রব্য মজুদ করেছে।
ওই ঘটনা তদন্তে যুক্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা নাশকতার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই এলাকাকে টার্গেট, বিভিন্ন সরকারি দফতরে নাশকতার পরিকল্পনা, পুলিশ কর্মকর্তাসহ নির্বাচনকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে লক্ষ্য স্থির করে হত্যার (টার্গেট কিলিং) পর তার দায় জঙ্গিদের ওপর চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা জঙ্গিদের মতো টেলিগ্রাম অ্যাপস, প্রোটেক্টেড টেক্সটসহ বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড অ্যাপস ব্যবহার করে আসছিল।
ডিএমপি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টারসে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের একাধিক বৈঠকে জামায়াত-শিবির সদস্যদের নাশকতার আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা হয়। এর জেরে গত কয়েক বছরে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো পর্যালোচনা করা হয়। এসব মামলায় যারা পলাতক রয়েছে তাদের গ্রেফতারে অভিযান জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ কারণে ঢাকা মহানগর এলাকায় গত একমাসে জামায়াত-শিবিরের শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমওপির একটি সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে দায়ের হওয়া কমবেশি ৮০০ নাশকতার মামলার মধ্যে অন্তত ৫০০টিতে শিবিরের নেতাকর্মীরা আসামি হিসেবে আছে। এসব পেন্ডিং মামলার আসামিদের ধরতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সদর দফতর সূত্র বলছে, সারাদেশেই জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে গত একমাসে ঠিক কতজন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান জানাতে পারেননি পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে প্রায় প্রতিদিনই ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা পুলিশের বরাতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
গত শনিবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের চন্দনপুরায় ছাত্রশিবিরের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ছয়টি ককটেল, দুই বোতল পেট্রোল ও অকটেন, বোমা তৈরির উপকরণসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র উদ্ধার করেছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় জামায়াত-শিবির নাশকতা করতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। এজন্য আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। এই অভিযান চলতে থাকবে।’
তবে গত অক্টোবর মাসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো জামায়াতের বিবৃতিগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, ওই মাসে তাদের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনটাই দাবি করেছে তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেতার মতো প্রার্থী দেন, মনোনয়ন দেব

দেশের খবর: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলীয় জোট নেতাদের বলেছেন, নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী থাকলে তালিকা দেন, মনোনয়ন দেব। রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নেতারা জানান, আগামী নির্বাচন জোটগতভাবে হবে কী-না জানতে চান জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জোটগতভাবেই নির্বাচন করবো। ১৪ দলীয় জোট আদর্শিক, এ জোট থাকবে।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিজয় অর্জন করতে হবে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য। এ সময় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট করারও ইঙ্গিত দিয়েছেন শেখ হাসিনা।
জোট নেতারা জানান, নির্বাচনে মহাজোট গঠন করা হলে সেই জোটে কারা থাকবেন তা নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও মহাজোট করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন জোট নেতা।
সভায় উপস্থিত জোট নেতাদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মতো আপনাদের কোনো প্রার্থী থাকলে সেই তালিকা দেন। আমরা মনোনয়ন দেব। কিন্তু সিট ভাগাভাগির জন্য প্রার্থী তালিকা দিলে হবে না।
১৯৯১ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই নির্বাচনে জোটকে আসন দেয়া হয়েছিল, কিন্তু কিছু কিছু আসনে জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।
এ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সঙ্গে জোটের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার দাবি জানান জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তবে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোন উত্তর দেননি বলে জানা গেছ।

সভায় উপস্থিত এক নেতা জানান, জোটের শরিক দলগুলোকে কোন কোন আসন দেয়া হবে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে চলমান সংলাপ প্রক্রিয়া শেষে এ সংক্রান্ত আলোচনা হতে পারে।
জোট নেতারা সভায় ঐক্যফ্রন্ট প্রসঙ্গে আলোচনা করেন। সংলাপে সাড়া দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে জোট নেতারা বলেন, এ জোটের নেপথ্যে বিএনপি। তারা কামাল হোসেন, আ স ম আবদুর রবদের সামনে রেখে দেশে ষড়যন্ত্র করছে। দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করে অসাংবিধানিক পরিবেশ তৈরি করতে চায়।

ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় সংবিধানের ভেতরে থেকেই সমাধান দেয়ার পরামর্শ দেন জোট নেতারা। নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্র থেমে নেই, এটা চলবে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করবো।

১৪ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল, ন্যাপের আমিনা আহমেদ, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, তরকিত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest