সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে উন্নয়নের সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান নজরুল ইসলামের

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেছে। সে কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষণা করেছেন কোনভাবেই জামায়াত নির্বাচন করতে পারবে না। সুতরাং মরাকে পাশে রেখে কান্না-কাটি করে আসলে কিন্তু আর কোন লাভ নেই। বিগত ২০১৩ সালে মানুষ কিন্তু সহজে চলাচল করতে পারেনি। রাস্তাঘাট কেটে রাখার কারণে এসব রাস্তা অচল হয়ে পড়েছিল। সে সময় একজন অসুস্থ্য রোগীকেও হাসপাতালে নেওয়া যায়নি।
শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের পৌর ৫নং ওয়ার্ড শাখার কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে একথা বলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম।
তিনি আরো বলেন, আমরা আর ওই অন্ধকার যুগে ফিরে যেতে চায় না। আমি আমাদের কাছে সেই উদ্যাত্ত আহ্বান জানাবো শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার জন্য। কারণ আজকে জামায়াত ইসলাম নাই। তাদের দাঁড়িপাল্লা ও নাই। আর কোন নির্বাচনেও থাকবে না। সুতরাং আসুন আমরা অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে বর্তমানে উন্নয়নের সরকারকে সহযোগিতা করবো। মানুষের উন্নয়নের জন্য যে কাজগুলো বাকী রয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারকে আবারো নির্বাচিত করে সেই কাজগুলি সম্পন্ন করি। সাতক্ষীরা পৌরসভার উন্নয়নের জন্য যে বরাদ্দ সরকার দিয়েছে। সেটি ছাড় হলে পৌরসভার রাস্তাঘাট সংস্কার, সুপেয় পানি নিশ্চিত করা, সকল ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। উন্নয়ন হচ্ছে। এ সরকার ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন চলতেই থাকবে। সে কারণে এ আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ জানাবো আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের সরকারকে নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন।
শহরের পার-কুখরালী কাঁঠালতলা মোড়ে অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ৫নং ওয়ার্ড বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের কচি। ৫নং ওয়ার্ড বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আবু সায়ীদ, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি। প্রধান বক্তা ছিলেন, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা শাখার সভাপতি এড. আল মাহমুদ পলাশ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, পৌর আওয়ামীলীগের সহ- দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সদর উপজেলা শাখার আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর আলম, পৌর শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান লাভলু, পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ৫নং ওয়ার্ড বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি ডাঃ মোঃ রুহুল আমিন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৫নং বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা এছাক সরদার। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্বারী আঃ বিন কাশেম।

০২.১১.২০১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত

বিদেশের খবর: দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাইভেটকার ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মো. হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যাপটান শহর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হাবিবুর রহমান মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার দক্ষিণ জামসা গ্রামের জয়নাল বেপারীর ছেলে। তিনি এক কন্যাসন্তানের জনক।

এ ঘটনা নিশ্চিত করে নিহতের বন্ধু আবুল কালাম জানান, দক্ষিণ আফ্রিকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করতের বাংলাদেশের সিংগাইরের হাবিবুর রহমান। ক্যাপটান শহরসহ বিভিন্ন শহরে তার ১০টি দোকান রয়েছে। একই সঙ্গে নিহত হাবিব অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে লোক আনা-নেয়ার ব্যবসা করতেন।
ওই দিনগত সন্ধ্যায় ব্যবসা-সংক্রান্ত ব্যাপারে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে তিনি মুনটকি শহরের বাসা থেকে প্রাইভেটকারে ক্যাপটান শহরে যান। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় নিজ শহরে ফেরার পথে রবারসন এলাকায় তার প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বড় একটি লড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলেই হাবিব নিহত হন।

হাবিবুর দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে মুগডান শহরে ৭-৮ বছর ধরে বসবাস করছিলেন। আগামী ১০ নভেম্বর রাতে ফ্লাইটে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল।

নিহতের লাশ দেশে আনার ব্যাপারে তার ভাবিসহ আত্মীয়রা কাগজপত্র ঠিকঠাক করছেন। হয়তো আগামী সোম বা মঙ্গলবার লাশ বাড়িতে আনা হবে বলে নিহতের ছোট ভাই আলামিন জানান।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিঠু বলেন, ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে পরিবারে বাবা জয়নাল বেপারী পাগলপ্রায়। এ ঘটনায় ওই পরিবারে শোকের ছাড়াই নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকায় নেওয়া হলো চামেলীকে

অনলাইন ডেস্ক: পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে ও মেরুদণ্ডের দুই হাড়ের ডিস্ক নষ্ট হয়ে মৃত্যুশয্যায় থাকা বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অলরাউন্ডার চামেলী খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আকাশপথে রাজশাহীর বাসা থেকে চামেলীকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া হয়।

চামেলীর সঙ্গে তার মা, বড় বোন, ভগ্নীপতি ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন রয়েছেন। এছাড়া বাড়ি থেকে বিমানবন্দর নেওয়া পর্যন্ত তাদের সঙ্গে রাজশাহীর একজন আনসার সদস্য ছিলেন। ঢাকায় আলাদা আরেকজন আনসার সদস্য চামেলীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক থাকবেন।

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চামেলীর চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক চামেলীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঢাকায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে প্রথমে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাবে। সেখানে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। দেশে তার চিকিৎসা সম্ভব না হলে প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানো হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি এনডিসি আনিসুর রহমান তার বাসায় গিয়ে জানান, যত দ্রুত সম্ভব চামেলীকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর চামেলী ঢাকা যেতে সম্মত হন।
চামেলীর বাড়ি রাজশাহী নগরীর দরগাপাড়ায়। ২০১১ সালে পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে চামেলী জাতীয় দল থেকে অবসর নেন। তারপর চাকরি নেন আনসার ভিডিপিতে। কিন্তু লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার পাশাপাশি চামেলীর মেরুদণ্ডের দুই হাড়ের ফাঁকে থাকা নরম ডিস্কগুলোও নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তার শরীরের পুরো ডান পাশ অবশ হয়ে যাচ্ছে।
আর্থিক অনটনে ৮ বছর ধরে প্রায় বিনা চিকিৎসায় ধুঁকছিলেন এক সময়ের মাঠ কাঁপানো এই অলরাউন্ডার। গত ৩০ অক্টোবর ইত্তেফাকে ‘অর্থাভাবে মৃত্যুশয্যায় নারী ক্রিকেটার চামেলী’শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে ওই দিনই তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন।

চামেলীর বাড়িতে ছুটে যান রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, বিসিবির পরিচালক স্বপন চৌধুরীসহ অনেকেই। মেয়র ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক দুই লাখ টাকা আর্থিক সহায়তাও পান চামেলী। তবে এর আগেই প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে পড়েন চামেলী।

এখন উন্নত চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন চামেলী। শুক্রবার রাজশাহী থেকে বিমানে ওঠার আগে তিনি সাংবাদিকদের বললেন, ‘আমার কথা হয়তো সবাই ভুলেই গিয়েছিলেন। আমিও সেভাবে কাউকে কিছু জানাতে পারিনি। মিডিয়ার কারণে সবাই জানতে পেরেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমার দায়িত্ব নিয়েছেন। এখনই মানসিক সুস্থতা অনুভব করছি। শারীরিক সুস্থতাও হয়তো পেয়ে যাব। সম্ভব হলে দেশের হয়ে আবার খেলব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ইসি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল

দেশের খবর: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার ইসির সহকারি সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

এর অংশ হিসাবে আজ শুক্রবার অফিস করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চারজন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্টরা।

ইসি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিলের অফিস আদেশে বলা হয়, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী কার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইসি সচিবালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে এবং সাংগঠনিক কাঠামো বহির্ভূত নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ আইডিয়া প্রকল্প এবং হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রকল্প ও সরকারি পরিবহণ পুলের গাড়িচালক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত স্টাফকে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন এবং অফিস সময়ের পর অফিসে উপস্থিত থেকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের জন্য অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হলো এবং ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাতে তফসিল ও ভোটের বিষয়ে আলোচনা হয়। আগামী ২৭ ডিসেম্বর ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে রাষ্ট্রপতিকে একটি ধারণা দেওয়া হয় বলে বৈঠকে উপস্থিত একজন নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে আগামী ৪ নভেম্বর সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণা কবে হবে, সে সিদ্ধান্তও হবে ওইদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরণার্থীদের ওপর গুলি চালানোর হুমকি ট্রাম্পের

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রমকালে সেখানে মোতায়েন মার্কিন সৈন্যদের প্রতি যারা পাথর ছুঁড়বে তাদের প্রতি গুলি চালানোর হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রামম্প। খবর এএফপি’র।
হোয়াইট হাউসে আজ বৃহস্পতিবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের দিকে আসা মধ্য আমেরিকার কয়েক হাজার অভিবাসীর একটি দল মেক্সিকো পুলিশের প্রতি ‘ভয়ঙ্কর ও হিংস্রভাবে’ পাথর নিক্ষেপ করেছে।
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের আচরণ আমরা সহ্য করবো না। এভাবে আমাদের সৈন্যদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করা হলে এর পাল্টা জবাব দেয়া হবে।’
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সৈন্যদের শরণার্থীদের একটি পাথরকে একটি রাইফেল হিসেবে গণ্য করতে বলেছি।’
ট্রাম্পের ভাষায় অনিয়ন্ত্রিত অবৈধ অভিবাসনের প্রবেশ বন্ধে তাঁর বিতর্কিত নীতিমালা তুলে ধরার সময় তিনি এ কথা বলেন।

এ ব্যাপারে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলে পেন্টাগন মুখপাত্র লে. কর্নেল জেমি ডেভিস বলেন, সামরিক বাহিনী শক্তি প্রয়োগের কল্পিত বিষয়ে কথা বলে না। ‘তবে আমাদের বাহিনীর সদস্যরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং পেশাদার তাদের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তড়িঘড়ি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করবে: এইচআরডব্লিউ

অনলাইন ডেস্ক: নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের যে পরিকল্পনা বাংলাদেশ ও মিয়ানমার গ্রহণ করেছে তা অবিলম্বে প্রত্যাহার চায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

জাতিসংঘের পরামর্শ ছাড়াই দুই দেশের তড়িঘড়ি এই সিদ্ধান্ত মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জীবন ও স্বাধীনতা আবারও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ফেলবে বলে মনে করে সংস্থাটি।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় এইচআরডব্লিউ।

বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ‘র শরণার্থী অধিকার বিষয়ক পরিচালক বিল ফ্রেলিক বলেন, “মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা যে সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, সে বিষয়টির সুরাহা নিয়ে কিছুই বলছে না দেশটি।”

“যদি বাংলাদেশ জাতিসংঘের পরামর্শ ছাড়াই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিগত বছরে তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক সুনাম অর্জন করেছিল তা ক্ষুণ্ন হবে,” যোগ করেন তিনি।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে ২০১৭ সালের নভেম্বরে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে সই করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে ৩০ অক্টোবর ঢাকায় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) এক বৈঠক বসেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। এটি ছিল জেডব্লিউজি’র তৃতীয় বৈঠক।

বৈঠক শেষে কর্মকর্তারা জানান, নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রোহিঙ্গাদের প্রথম দলকে পাঠানোর একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। প্রথম ধাপে ৪৮৫ পরিবারের ২ হাজার ২শ’ ৬০ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হবে।

মিয়ানমার কর্মকর্তারা জানানা, ১৫ নভম্বের থেকে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রতি সপ্তাহে ১৫০ রোহিঙ্গা শরণার্থী গ্রহণ করা হবে। বাংলাদেশ সরকারকে আসছে জাতীয় নির্বাচনের আগে এই প্রত্যাবাসন শুরু নিয়ে উদ্বিগ্ন মনে হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারকে ৮ হাজার ৩২ রোহিঙ্গার তালিকা দেয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬শ’ জনকে সনাক্ত করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। এই সনাক্তদের মধ্য থেকে প্রথম পর্যায়ে ২ হাজার রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে চায় মিয়ানমার।

বাংলাদেশ তাদের করা নিবন্ধনকৃত তালিকা থেকে যথেচ্ছভাবে এই রোহিঙ্গাদের নাম বাছাই করেছে। তাদের নাম বাছাই, ফেরত পাঠানো ও অন্যান্য বিষয়াদি যা মিয়ানমার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে, এসব নিয়ে প্রতাবাসনের তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কোনো আলোচনাও করেনি বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিশনার আবুল কালাম এইচআরডব্লিউ’কে বলেন, “আমরা যে তালিকা তৈরি করেছি সেটি বাছাই করে করা হয়নি। কেননা, তারা সবাই ফিরে যেতে চান।”

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা আরও জানান, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে যাচাই-বাছইয়ের জন্য দ্বিতীয় তালিকাটি ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। নতুন এই তালিকায় ২২ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গার নাম ও ঠিকানা রয়েছে।

জুনে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে সহজ করতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি সমঝোতাস্মারক সই করে। এরপর থেকে রাখাইন রাজ্যে তাদের সীমিত মূল্যায়নও শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও মিয়ানমার তাদের নেয়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ইউএনএইচসিআর’র সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি। জাতিসংঘ দুই দেশের এই সিদ্ধান্তকে ‘তড়িঘড়িমূলক ও অপরিপক্ক’ বলে আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করেছে।

ইউএনএইচসিআর’র মুখপাত্র আন্দ্রেজ মাহেসিজ ‘ভয়েস অব আমেরিকা’কে বলেন, “রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা রোহিঙ্গাদের সেখানে ফিরিয়ে যাওয়ার জন্য নিরাপদ, মর্যাদাকর ও টেকসই নয় বলে আমরা মনে করি। এই কারণে ইউএনএইচসিআর এই মুহূর্তে কোনো রোহিঙ্গাকে সেখানে ফেরত পাঠাতে সহায়তা করতে আগ্রহী নয়।”

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক এই সংস্থা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গাদের যে তালিকা আদান-প্রদান হয়েছে সেটির প্রস্তুত, হস্তান্তর, মিয়ানমার সরকার কর্তৃক গ্রহণ এবং যাচাই-বাছাই কোনোটির সঙ্গেই ইউএনএইচসিআর’র সম্পৃক্ততা নেই।

বাংলাদেশের উচিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বৈধ শরণার্থী মর্যাদা ও কাগজপত্র প্রদানসহ এই মানবিক প্রক্রিয়ায় ও যে কোনো স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন পরিচালনায় সমন্বয় সাধনে ইউএনএইচসিআর’কে প্রধান ভূমিকা পালন করতে দেয়া।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধন ও মানবতাবিরোধী নির্যাতনের শিকার ৭ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা গত বছর বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছে। তারা আগে পাড়ি জমানো বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার ২ লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্যাম্পে এসে আশ্রয় নেয়।
জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন এরই মধ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি ও গণহত্যার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চালানোর জন্য যথেষ্ঠ তথ্য পেয়েছে।

যদিও বাংলাদেশ জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনের অংশীদার নয়, তথাপি প্রচলিত আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী, যেখানে নির্যাতন-নিপীড়ন ও হত্যার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে জোরপূর্বক শরণার্থীদের ফেরত না পাঠাতে বাধ্য।

অক্টোবরে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তার বক্তব্যে বলেছিলেন, “রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আগে মিয়ানমার সরকারকে বৈষম্যমূলক আইন, নীতি ও এর চর্চা বিলুপ্ত করতে হবে। তিনি এখানে রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়ার প্রধান কারণগুলো তুলে ধরেন এবং তাদের অধিকারের ও নাগরিকত্ব নিশ্চিতের দাবি জানান। সেই সঙ্গে তিনি দায়বদ্ধতা ও নির্যাতন বন্ধে বিচারের নিশ্চয়তার প্রুতিশ্রুতি চান, যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে ন্যূনতম দাবি।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনা করা হয়েছে তাদের সঙ্গে আলোচনা ও সম্মতি ছাড়াই, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের পরিপন্থি। একটি অবাধ, পরিপূর্ণ পছন্দসই প্রত্যাবাসনের জন্য শরণার্থীদের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। সেই সঙ্গে ফেরত পাঠানোর উদ্দেশ্য, যেখানে ফেরত পাঠানো হবে সেখানকার সর্বশেষ পরিস্থিতি, নিরাপত্তা, সহায়তা ও জানমাল রক্ষার বিষয়ে সঠিক তথ্য তাদেরকে অবহিত করতে হবে।

এইচআরডব্লিউ’র সঙ্গে আলাপকালে অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থীই নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন। তবে তার আগে নিজেদের নিরাপত্তা, জমিতে যাওয়া ও জীবিকা অর্জনের অধিকার, চলাফেরার স্বাধীনতা, নাগরিকত্বের অধিকার ও নিজস্ব পরিচিতি লাভের নিশ্চিয়তা দাবি করেছেন তারা।

৩১ অক্টোবর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যায় বাংলাদেশ-মিয়ানমারের একটি প্রতিনিধি দল। এই প্রতিনিধি দলের কাছে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আগে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও বিচারের নিশ্চয়তা চেয়ে একটি চিঠি হস্তান্তর করে। চিঠিতে বলা হয়, “আমাদেরকে সমান নাগরিকত্ব ও মানুষ হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে আপনার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দাবি করছি আমরা। আমরা আপনাকে জানাচ্ছি যে, দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে যাচ্ছি না।”

এইচআরডব্লিউ‘র শরণার্থী অধিকার বিষয়ক পরিচালক বিল ফ্রেলিক বলেন, “মিয়ানমারের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সর্বশেষ এই উদ্যোগ তাদের জাতিগত নিধন নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা মাত্র, যাতে করে কাউকে এই ঘটনায় বিচারের আওতায় না আনা হয়।”

এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় অনুদান দেয়া থেকে দাতাদের বিরত থাকারও আহ্বান জানান ফ্রেলিক। তিনি বলেন, “দাতাদের উচিত এই বিপজ্জনক পরিকল্পনায় অংশ না নেয়া। কেননা, এটি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার জন্য হুমকি।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক পরিচ্ছন্ন অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক :
স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন বিডি ক্লিনের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বিডি ক্লিন সাতক্ষীরা শাখার সমন্বয়ক শেখ মোনাজেত হাসানের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী পরিচ্ছন্ন কর্মী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। শুক্রবার বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শপথ বাক্য পাঠের মধ্যদিয়ে কর্মসূচির শুরু হয়। সম্মানিত সদস্য হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান প্রমুখ।
উল্লেখ্য : সংগঠনটি সারা বাংলাদেশে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরার ২৫টি স্কুল, কলেজের ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেড়শতাধিক সদস্য নিয়ে বিডি ক্লিন সাতক্ষীরার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৭ বার সিরিজ সেরা হয়ে‌ সৌরভকে ছুঁলেন কোহলি

খেলার খবর: ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে সিরিজে ভারত অধিনায়ক পেয়েছেন সিরিজ সেরার পুরষ্কার। এই নিয়ে সাতবার সিরিজ সেরার পুরষ্কার জিতে নিলেন বিরাট কোহলি।

ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে টানা তিনটি ম্যাচে শতরান করেছিলেন বিরাট। রান করেছেন ৪৫৩। খুব স্বাভাবিকভাবেই বিরাট ছাড়া সিরিজ সেরা হিসেবে কারও কথা মাথাতেও আসেনি। রোহিত কাছাকাছি ছিলেন। তার ছিল সিরিজে দুটি শতরান।

ওয়ানডে ক্রিকেটে সাতবার সিরিজ সেরার পুরষ্কার জিতে বিরাট কোহলি ছুঁয়ে ফেললেন সৌরভ গাঙ্গুলি ও যুবরাজ সিংকে। বিরাট, সৌরভ, যুবরাজ ছাড়াও বিশ্ব ক্রিকেটে সাতবার সিরিজ সেরার পুরষ্কার জিতেছেন ভিভিয়ান রিচার্ডস, রিকি পন্টিং, হাসিম আমলা।

কোহলির আগে রয়েছেন তিনজন। শীর্ষে শচীন টেন্ডুলকার। ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৫ বার সিরিজ সেরার পুরষ্কার জিতেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। দুইয়ে আছেন সানাত জয়সুরিয়া। তিনি ১১ বার সিরিজ সেরার পুরষ্কার পেয়েছিলেন। ৯ বার সিরিজ সেরার পুরষ্কার জিতে তিনে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার শন পোলক। যুগ্মভাবে বিরাট, সৌরভরা রইলেন চারে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজে বিরাট করেছিলেন ১৮৪। এরপর ওয়ানডে সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে বিরাট করেন ১৪০, ১৫৭ ও ১০৭। শেষ ম্যাচেও অপরাজিত ছিলেন ৩৩ রানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest