সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

টানা বসে থাকলে অকাল মৃত্যু অনিবার্য!

অনলাইন ডেস্ক: বসে থাকার চাকরি। অবসরও কাটে বসে বসেই। আড্ডাও চলে শুয়ে-বসেই। কিন্তু বেশিক্ষণ বসার মধ্যেই লুকিয়ে আছে বিপদ। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, ৩ ঘণ্টার বেশি টানা বসে থাকলে ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক বা ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুণ। এমনকি মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে। চাকরি হোক বা অবসর, আড্ডা হোক বা কাজ, টানা বসে থেকেছেন কি মরেছেন!

দিনে ৩ ঘণ্টার বেশি টানা বসে থাকলেই বিপদ। সারা বিশ্বে প্রতি বছর যত মানুষের মৃত্যু হয়, তার ৪ শতাংশ মৃত্যু হয় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে। সংখ্যাটা ৪ লাখ ৩৩ হাজার।

স্পেনের সান জর্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই মারাত্মক তথ্য।

গবেষকরা বলছেন, খুব কম বিরতিতে একভাবে বসে কাজ করলে বা টিভি দেখলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৯০ শতাংশ। ৫০ শতাংশ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। ৫৪ শতাংশ ফুসফুস ক্যান্সার, ৬৬ শতাংশ জরায়ু ক্যান্সার ও কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কুকুরের সঙ্গে কুকর্ম করতে বলেছিল সাজিদ’

বিনোদনের খবর: হলিউড থেকে সমুদ্র পেরিয়ে #MeToo এসে পৌঁছে গিয়েছে বলিউডে৷ নায়িকা, মহিলা প্রযোজক থেকে শুরু করে সাহস নিয়ে এগিয়ে এসেছে ফিল্ম সেটের ফিমেল ক্রিউ মেম্বাররাও৷ আর তাঁদের অভিযোগেই যে সকল নাম যৌন হেনস্তায় উঠে আসছে, তাতে অবাক হওয়া ছাডা় গতি নেই৷ অভিযুক্তদের খাতাতে ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে নাম৷ যদিও প্রত্যেক অভিযুক্তই অস্বীকারই করে চলেছেন অভিযোগ শুনে৷

#MeToo অভিযোগের জেরে ‘ক্যারিয়ারের ক্ষতি হয়েছে’ বলে IFTDA-কে লেখা চিঠিতে স্বীকার করেছেন বলিউডের পরিচালক সাজিদ খান। অভিনেত্রী, মডেল, সাংবাদিক মিলিয়ে কমপক্ষে চারজন নারী যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন সাজিদের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল আরও এক অভিনেত্রীর নাম। অহনা কুমরা।
টিভির পর্দায় তিনি পরিচিত নাম। ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বুরখা’র জন্য সম্প্রতি প্রশংসিত হয়েছেন অহনা। সম্প্রতি ‘দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাজিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন এই তরুণ অভিনেত্রী।
অহনা বলেন, ‘একবছর আগে সাজিদ খানের সঙ্গে আমার এক মিটিং ছিল। সালোনি চোপড়ার মতোই আমার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছিল। বাড়িতে ডেকে একটা অন্ধকার ঘরে নিয়ে গিয়েছিল সাজিদ। সেখানে টিভি-তে যা দেখছিল, আমাকেও তাই দেখতে বলা হয়।’
এরপর সাজিদ তাঁকে ‘স্পর্শ না করলেও’ প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তোমাকে যদি আমি ১০০ কোটি রুপি দিই, তুমি কুকুরের সঙ্গে সেক্স করবে?’ টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন অহনা।
শুধু সাজিদ নন, কাস্টিং ডিরেক্টর অনির্বান ব্লা-এর বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন অহনা কুমরা। ‘এক পাঁচতারকা হোটেলের লবিতে দেখা হলে, অনির্বান আমাকে বলেছিল, ওপরে রুম আছে। গিয়ে কথা বলতে পারি।’
পরে ‘অনির্বানের চিঠিতে ক্ষমা প্রার্থনা দেখে খুশি’ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘অন্তত সে নিজের ভুল স্বীকার করেছে।’

প্রসঙ্গত, #MeToo-র জেরে চাকরি হারানোর পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন অনির্বান ব্লা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২ কোটি যায় বসের পকেটে, আমি পাই ৪২ লাখ

অনলাইন ডেস্ক: ট্রেন থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও টাকাসহ গ্রেফতার চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসকে দুইদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার শুনানি শেষে তার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় সোহেল রানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মজিদ। দুইদিন থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) জেলার সোহেল রানাকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে বিপুল পরিমাণ টাকা ও মাদকসহ গ্রেফতারের পর শনিবার কিশোরগঞ্জ আদালতে চালান দিয়ে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশের ওসি আবদুল মজিদ গণমাধ্যমকে বলেন, রিমান্ডে সোহেল রানা জানিয়েছেন ওই দিনের জব্দকৃত ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মধ্যে ১২ লাখ টাকা ছিল চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি প্রিজন পার্থ কুমার বণিক ও সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিকের। জব্দকৃত আড়াই কোটি টাকা ও ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেকের উৎস সম্পর্কে সোহেল রানা বলেছেন টাকাগুলো কারাগারে মাদক ব্যবসাসহ অবৈধভাবে রোজগার করেছেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আজনা যায়, সোহেল পুলিশকে আরও বলেছেন চট্টগ্রাম কারাগারে অবৈধভাবে প্রতি মাসে আড়াই কোটি টাকা রোজগার হয়। এই টাকার অংশ হিসেবে মাসে ৪২ লাখ টাকা ভাগ পান সোহেল। বাকি দুই কোটি টাকা তার ঊর্ধ্বতন দুই বসকে দেয়া হয়। তবে ওই দুইজন ঊর্ধ্বতন বসের নাম বলেননি সোহেল।

গ্রেফতার হওয়ার দিন ট্রেনে ময়মনসিংহ গিয়ে ২৮ অক্টোবর চেকের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনের পর ১ নভেম্বর ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল সোহেলের। এদিন কাশিমপুর কারাগারে গিয়ে জেলারদের সঙ্গে সভা করে এসব টাকার ভাগের অংশ চট্টগ্রামের ডিআইজি প্রিজন ও সিনিয়র জেল সুপারের লোকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল তার।

কারাগারে অবৈধভাবে টাকা কামানোর বিষয়ে সোহেল পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়ে বলেন, ঠিকাদার অজিত নন্দির মাধ্যমে কাঁচা বাজারের সঙ্গে মাদক ঢুকিয়ে কারাগারের মাদকাসক্ত বন্দিদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি, বন্দিদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে অন্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করানো, কারাগারে ভালো রুমে কম বন্দিদের সঙ্গে আরামে রাখা, রিমান্ডের আসামিকে কষ্ট না দিয়ে ভালোভাবে রাখা, দীর্ঘদিন সাজাপ্রাপ্ত ও কয়েদিদের স্ত্রীর সঙ্গে রাতযাপনের সুযোগ করে দেয়া, বেশি টাকা দিলে হাসপাতালে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া, সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের বিনাশ্রমে রাখা, বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের অপরিচ্ছন্ন কাজ করানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, কারাগারে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ, স্থানীয় বন্দিদের দূরের কারাগারে স্থানান্তরের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, এমনকি খারাপ বন্দিদের দিয়ে ভালো বন্দিদের প্রতিদিন নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হতো।

কারারক্ষী আনোয়ারের নেতৃত্বে আটজন কারারক্ষী এবং কয়েকজন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী এসব কাজে আমাকে সহযোগিতা করতেন। অবৈধভাবে এসব টাকা রোজগারের বিষয়টি আমার দুইজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানতেন। প্রতি মাসে অবৈধ আয়ের টাকা পরের মাসের ৫ তারিখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাঝে ভাগ-বাটোয়ারা হতো। যদিও আমি ধরা পড়ার পর বিষয়টি অস্বীকার করছেন তারা।

এদিকে, এ ঘটনার পর গত ২৮ অক্টোবর কারা মহাপরিদর্শক কার্যালয় থেকে সোহেল রানা বিশ্বাসকে বরখাস্ত করা হয়। একইসঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান সহকারী কারা মহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

তবে সোহেল রানার জবানবন্দির অভিযোগ অস্বীকার করে চট্টগ্রাম কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেছেন, নানা অপকর্ম, অফিসিয়াল শৃঙ্খলা ভঙ্গ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতসহ বিভিন্ন অভিযোগে এর আগেও তিনবার বরখাস্ত হয়েছিলেন সোহেল রানা। প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সোহেল মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক গল্প সৃষ্টি করে এসব কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। অবৈধ টাকার উৎস সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্তে সব প্রমাণ হবে।

একইসঙ্গে জেলার সেহেল রানা বিশ্বাসের জবানবন্দির এসব বিষয় অস্বীকার করে চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি প্রিজন পার্থ কুমার বণিক বলেন, জেলার সোহেল একজন মাদকসেবী। তার অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক। পুলিশের হাতে বিপুল টাকা নিয়ে গ্রেফতারের পর অসত্য কথা বলেছেন সোহেল। ওই টাকা এবং আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সঠিক নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশীট

বিদেশের খবর: মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় চার্জশীট দিয়েছে সেদেশের দুর্নীতি দমন সংস্থা। ক্ষমতা হারানোর পর এই চার্জশীট তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ফেলে দিল।
নাজিবের বিরুদ্ধে ৭০০ মিলিয়ন ডলার দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার, বিশ্বাসভঙ্গসহ আরো বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
তবে নাজিব সবগুলো অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দোষী প্রমাণ হলে তার ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪১ বছর বয়সে জেএসসি পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক: অভাব-অনটনের কারণে শৈশবে স্কুলে যেতে পারেননি হরষিত বাড়ৈ। ছোটবেলায় হরষিত বাড়ৈর বাবা মারা যান। খেত-খামারে কাজ করে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। তাই শৈশবে স্কুলে যাওয়া হয়নি তার।
তবে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ ছিল প্রবল। অভাব-অনটনের কারণে প্রবল ইচ্ছাকে দমিয়ে রাখতে হয়েছিল হরষিত বাড়ৈকে। জীবনের মাঝামাঝি বয়সে এসে পড়ালেখা শুরু করেন হরষিত বাড়ৈ। ৪১ বছর বয়সে এবার অষ্টম শ্রেণির সমাপনী (জেএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তিনি।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাজিহার ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের শিক্ষার্থী হরষিত বাড়ৈ (৪১) বৃহস্পতিবারের শ্রীমতী মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী উপজেলা কোটালীপাড়া রামশীল গ্রামের মৃত হরে কৃষ্ণ বাড়ৈর ছেলে হরষিত বাড়ৈ। তার মায়ের নাম পবিত্র বাড়ৈ।

হরষিত বাড়ৈ বলেন, ছোটবেলায় বাবা মারা যান। এরপর অন্ধকার নেমে আসে আমার ও মায়ের জীবনে। যে বয়সে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সে বয়সে পরিবারের হাল ধরতে হয়েছে আমাকে। লেখাপড়া আর করা হয়নি। খেত-খামারে কাজ করে সংসার চালাতে হয়েছে। তবে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ ছিল সবসময়। লেখাপড়া ছাড়া কোনোভাবেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। চতুর্থ শ্রেণির একটি চাকরির আবেদন করতে অন্তত অষ্টম শ্রেণির একটি সনদপত্র দরকার হয়। যখন বুঝতে পেরেছি তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বুঝতে পারার পর নতুন উদ্যমে পড়ালেখা শুরু করি। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আগৈলঝাড়ার রাজিহার ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিষয়ে ভর্তি হই। এবার নিয়মিত ছাত্র হিসেবে অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছি।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল চন্দ্র দাসের নজর পড়ে পরীক্ষার্থী হরষিত বাড়ৈর ওপর। ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাস হরষিত বাড়ৈর প্রবেশপত্রটি দেখে অবাক হন।
ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, লেখাপড়ার কোনো বয়স নেই। যেকোনো বয়সে লেখাপড়া করা যায়। তার অনন্য উদাহরণ হরষিত। জ্ঞান অর্জনের জন্য বয়সের চেয়ে নিজের ইচ্ছা শক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে হরষিত লেখাপড়া করায় বর্তমান সমাজে দেশের জন্য একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তার থেকে অনেকেরই শিক্ষা নেয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ইন্দুবালা’ হচ্ছেন পপি

বিনোদনের খবর: ‘ইন্দুবালা’ শিরোনামে একটি ছবির পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। নান্দনিক এই পোস্টারটি সবার নজর কাড়ে। পোস্টারে দেখা যায় একটি আসনে বসে আছেন নায়িকা পপি। চারপাশে আছেন চিত্রনায়িকা আঁচল, তারিক আনাম খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, চিত্রনায়ক এ বি এম সুমন। এটি কোনো সিনেমার পোস্টার নয়, অনন্য মামুন পরিচালিত ওয়েব সিরিজের পোস্টার। পোস্টারটি ডিজাইন করেছেন অভি মিত্র।
বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলোদেশেও শুরু হয়েছে ওয়েব সিরিজ। দেশের প্রথম সারির অভিনয়শিল্পীরা যুক্ত হচ্ছেন এই ওয়েব সিরিজে। ‘ইন্দুবালা’ সিরিজটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন নায়িকা পপি।
পপি বলেন, ‘আমি অভিনয় শিল্পী, অভিনয় আমার নেশা। যে কারণে ভালো কোনো গল্পে চরিত্র পেলে কাজ করতে আগ্রহ বোধ করি। এই গল্প ও চরিত্র দুটোই আমার অনেক পছন্দ হয়েছে, যে কারণে আমি এই ওয়েব সিরিজের সাথে যুক্ত হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি পোস্টারের মতো ওয়েব সিরিজটিও সবাই পছন্দ করবেন।’
ওয়েব সিরিজটি প্রযোজনা করেছে ইনোভেট সল্যুশন লিমিটেড।

‘ইন্দুবালা’র গল্পে দেখা যাবে, সমাজ জঞ্জালে ভরে গেছে। চারদিকে শুধু অন্যায়, দুর্নীতি। এই অনাচার থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্ত করতে ইন্দুবালা এগিয়ে আসেন। তিনি প্রতিবাদী একজন নারী, কিন্তু হিংসা কিংবা সহিংসতা দিয়ে নয়, ভালোবাসার পরম মমতায় সমাজ থেকে অন্যায় দূর করতে সে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাশঁদহায় সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য তুলে ধরে মিছিল ও পথসভা

সেলিম হোসেন : সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য তুলে ধরে নজরুল ইসলামের পক্ষে মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়ন বাঁশদহা বাজারে মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বাশদহা ইউপি চেয়ারম্যান এস, এম, মোশাররাফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জেলা পরিষদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুজ্জামান টিটু, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসিফ শাহাবাজ, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নূর মনোয়ার, শুকুর মাহমুদ প্রমুখ। পথসভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের একমাত্র দাবিদার শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনা যত উন্নয়ণ করেছে ইতিপূর্বে কোনো সরকার এ ধরনের উন্নয়ন করতে পারিনি। রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, শিক্ষা সহ এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। এ উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আগামী মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি কতদূর?

অনলাইন ডেস্ক: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের পাঁচ মাস পার হলেও পূর্ণাঙ্গ হয়নি কমিটি। সেপ্টেম্বরের মধ্যে কমিটি করার ঘোষণা দিয়েও তা বাস্তবায়ন করেনি সংগঠনটির দুই শীর্ষ নেতৃত্ব। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিটি গঠনে দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তৎপরতা দৃশ্যমান হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কমিটি হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

ছাত্রলীগ সূত্র বলছে, এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের নির্দেশনায় কমিটি নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা। সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে শুক্রবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যেতে পারেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি পূর্ণাঙ্গ করবেন তাঁরা। তবে কমিটির আকার, পদপ্রত্যাশীদের সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারণ, এলাকাভিত্তিক সমীকরণসহ কিছু বিষয় নিয়ে এখনও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও এসব বিষয় নিয়ে এক ধরনের অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে।

চলতি বছরের ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর পর ৩১ জুলাই ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর ৯০ দিন পার করলেও কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি। পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নেওয়া হয়নি জীবন বৃত্তান্ত। এর আগে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে যে জীবন বৃত্তান্ত জমা দেওয়া হয়েছে, সেখান থেকেই পূর্ণাঙ্গ কমিটির জন্য যাচাই-বাছাই করে পদ দেওয়া হবে- ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য আসলেও তা নিয়ে রয়েছে নানা সমালোচনা। নেতাকর্মীরা বলছেন, ‘তাহলে কি পদপ্রত্যাশী ছাড়া অন্যরা কেন্দ্রে পদ পাবেন না?

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সাংবাদিক সমিতির সঙ্গে এক মতবিনিসময় সভায় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেছিলেন, ‘আমরা আপার (শেখ হাসিনা) সঙ্গে কথা বলে সেপ্টম্বর মাসের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেব। এই বক্তব্যের আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও কোনো কমিটি গঠন করতে পারেনি ছাত্রলীগ। বরং এই বক্তব্যের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তৃণমূলে।

অনেকেই আশঙ্কা করছেন, কমিটি নিয়ে এ ধরনের ‘টালবাহানা’ তাঁদের যথাযথ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অন্তরায় হতে পারে।

ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, এরই মধ্যে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা একাধিকবার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার কথা বলেন এই দুই শীর্ষ নেতা। এর বাইরে কয়েক সপ্তাহ আগে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ছাত্রী হলের সভাপতি-সম্পাদক, ইডেন কলেজের সভাপতি-সম্পাদক ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সভাপতি-সম্পাদক বৈঠক করেন বলে জানা যায়। সেখানে ছোট আকারের কমিটি গঠনসহ নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এদিকে কমিটির আকার ও পদ নিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কমিটির আকার ছোট হতে পারে- এ ধরনের খবরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তারা বলছেন, এর আগে যারা গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তাদেরকে পদে না রেখে নিজেদের পছন্দের লোকদের পদায়ন করতেই এমন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গত কমিটির অন্তত দশজন বলেন, কমিটির আকার বেশি ছোট হলে সদ্য সাবেক অনেক কেন্দ্রীয় নেতাকেই পদহীন হতে হবে। যার ফলে তৃণমূলে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে।

অন্যদিকে ছাত্রলীগের পর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পেতে অপরাধীদের তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে। পদ পেতে মরিয়া হয়ে আছেন বিভিন্ন সময়ের বিতর্কিত ও বহিষ্কৃত নেতারাও। মাঠ পর্যায়ে ক্লিন ইমেজের নেতারা বলছেন, এ ধরনের নেতাদের পদে আনলে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে। এর প্রভাব পড়বে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনেও। তাছাড়া, আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতারা অপরাধীদের পদে না আনার নির্দেশ দিয়েছেন। ছাত্রলীগ শীর্ষ নেতারাও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর বলে অবস্থানে আছেন বলে বিভিন্ন সময় বক্তব্য দেন।

এদিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতেও ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আলোচনায় বসেছেন বলে জানা যায়। সার্বিক বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি। তার নির্দেশনা অনুযায়ী সব হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কমিটি দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest