সর্বশেষ সংবাদ-
সরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগ

৬০ হাজার কোটি টাকার ৪০ প্রকল্প পাস হচ্ছে রোববার

দেশের খবর: এ যেন তুঘলকি কারবার। একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে ৪০ প্রকল্প। ব্যয় হবে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি। চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দের এক তৃতীয়াংশ। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে প্রকল্প অনুমোদনের সংখ্যা ততই বাড়ছে।
ভোটের আগে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের হিড়িক পড়েছে। মন্ত্রণালয়গুলো যে প্রকল্প পাঠাচ্ছে, তাই অনুমোদন দিয়ে দেয়া হচ্ছে। রোববার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) শেষ সভা। সভায় এসব প্রকল্প উপস্থাপন করছে পরিকল্পনা কমিশন। এর আগের একনেক সভাগুলোতেও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের হিড়িক পড়েছিল। শেষ সভাতে প্রকল্প সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেন, শেষের দিকে প্রকল্প বেশি পাস হলে দোষের কিছু নেই। আগে এত প্রকল্প আসেনি, কিন্তু এখন আসছে বলে অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। আমরা সবখানে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই।
রোববার বিকেলে ডাকা হয়েছে একনেক সভা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে এ সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী ব্রিফিং করবেন।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, একনেকে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত প্রকল্পগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে- বাংলাদেশ রেলওয়ের জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্প। ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ২৫০ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

নতুন রেল লাইনে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ উভয় ধরনের ট্রেনই চলাচলের ডুয়েলগেজ করা হবে লাইনটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। জি-টু-জি চুক্তির আওতায় প্রকল্প সহায়তা বাবদ প্রায় পৌনে ৯ হাজার কোটি টাকা দেবে চীন। বাকি টাকা সরকারের কোষাগার থেকে সরবরাহ করা হবে।

এরপর রয়েছে পূর্বাচল লিংক রোডের উভয় পাশে (কুড়িল থেকে বোয়ালিয়া পর্যন্ত) ১০০ ফুট প্রশস্ত খাল খনন ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প। অনুমোদনকালে ব্যয় ছিল ৫ হাজার ১৪৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এখন এক লাফে প্রকল্প ব্যয় দ্বিগুণ হচ্ছে। ব্যয় ধরা হচ্ছে, ১০ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অনেক প্রকল্পই অনুমোদনের ক্ষেত্রে তড়িঘড়ি করা হয়েছে। এ ছাড়া কঠিন শর্তের ঋণ নিয়েও বড় বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। ফলে দেশ ঋণগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

এরপর প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ, ব্যয় ৩ হাজার ৯৮২ কোটি ১০ লাখ টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশের জন্য ৯টি আবাসিক টাওয়ার নির্মাণ, ব্যয় ৯৭৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, ব্যয় ৩৫৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, ব্যয় ১১৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ, ব্যয় ৩ হাজার ৭০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ঢাকা খুলনা (এন-৮) মহাসড়কের যাত্রাবাড়ি ইন্টারসেকশন থেকে (ইকুরিয়া-বাবুবাজার লিংক সড়কসহ) মাওয়া পর্যন্ত এবং পাচ্চর-ভাংগাংশ ধীর গতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেনসহ ৪ লেনে উন্নয়ন প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত কারণ, ব্যয় ৪ হাজার ১১১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ জেলা মহাসড়ক (জেড-১০৯৯) হাড়িয়াখালী থেকে শাহপরীর দ্বীপ অংশ পুনঃনির্মাণ, প্রশস্তকরণ এবং শক্তিশালীকরণ, ব্যয় ৬৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। টাঙ্গাইল পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যয় ২২৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। হরিপুর শহরের টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে।

এ ছাড়া কুমিল্লা জেলার ৫টি পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৪৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এনহেন্স প্রজেক্ট (এলজিইডি-অংশ), ব্যয় ২২৫ কোটি টাকা। অন্য প্রকল্পগুলো হলো- গ্রাম সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্প। ১৬ গোপালগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন (১ম সংশোধিত), ফরিদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন (১ম সংশোধিত), বৃহত্তর ঢাকা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-৪, তিন পার্বত্য জেলায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প।

পশ্চাদপদ কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার দারিদ্র্য হ্রাসকরণ, ব্যয় ১৯৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা। গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/কালভার্ট নির্মাণ, গ্রামীণ মাটির রাস্তা টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোড বন্ড (এইচবি) করণ (২য় পর্যায়), বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্স সেন্টার স্থাপন, ব্যয় ১ হাজার ৫০৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

মুগদা মেডিকেল কলেজের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি সম্প্রসারণ, ব্যয় ৫২৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন, ব্যয় ১ হাজার ১০৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ব্যয় ৮৩৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রকার যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়, ৬৪৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। র‌্যাবের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ডুবুরি ইউনিট সম্প্রসারণ, ব্যয় ১৬৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ন্যাশনাল পাওয়ার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (১ম সংশোধন), ব্যয় ২ হাজার ৫১৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

বগুড়া-রংপুর-সৈয়দপুর গ্যাস সঞ্চালন লাইন নির্মাণ, ব্যয় ১ হাজার ৩৭৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লি. এর উৎপাদন পদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেস এ রূপান্তরকরণ (১ম সংশোধিত), ব্যয় ৮৯০ কোটি ১০ লাখ টাকা।

৩৩. বিএআর অব কেরু অ্যান্ড কোং (বিডি) লিমিটেড (১ম সংশোধিত), ব্যয় ১০২ কোটি ২১ লাখ টাকা। এসব প্রকল্পের বাইরে আরও ৬ -৭টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য টেবিলে উঠানো হবে বলে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এ অর্থ বছরের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ৮-১০টি প্রকল্প অনুমোদন হয়ে আসছিল। তবে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে প্রকল্প অনুমোদনের সংখ্যা তত বাড়ছে। এ বছর এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, প্রতিটি প্রকল্পের শুরুতে যা ব্যয় দেখানো হয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বহুগুণে এর বাজেট বেড়ে যায়। আমরা এখন ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের দিকে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা মধ্যম আয়ের কথা বলছি, অথচ আমাদের দেশে এখনও এক কোটি ৪০ লাখ মানুষ দরিদ্র। তাদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। মানুষ দেশের বাইরে যায় কিন্তু রেমিটেন্স কমে যাচ্ছে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সোহরাওয়ার্দীতে শোকরানা মাহফিলে জমায়েত হচ্ছেন আলেমরা

দেশের খবর: আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ সনদ দাওরায়ে হাদিসকে (তাকমিল) সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমান স্বীকৃতি দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজ রোববার সংবর্ধনা দেবেন এ সেক্টরের আলেমরা।
অবশ্য তারা এ অনুষ্ঠানকে বলছেন- শোকরানা মাহফিল। এতে সারা দেশের ১০ লক্ষাধিক আলেমের সমাগম হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
এ উপলক্ষে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ শেষ।

উদ্যানে নিয়মিত প্রাতঃভ্রমণকারীরা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আগেও অনেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোহরাওযার্দী উদ্যানে এসেছেন। কিন্তু এবারের আয়োজন একটু ব্যতিক্রম। বিশাল এলাকাজুড়ে প্যান্ডেল, বসার জন্য চেয়ার, বিভিন্ন স্থানে পর্য়াপ্তসংখ্যক টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা রয়েছে। ভোর থেকেই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন আলেমরা।

রাজধানীতে এ বড় সমাবেশকে সামনে রেখে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছে। আজকের পূর্বনির্ধারিত জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ৯ নভেম্বর সকাল ৯টায় ওই পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম ছায়েফউল্যা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনার স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান শনিবার দুপুরে পরিদর্শন করেছেন জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও জমিয়াতুল উলামার চেয়ারম্যান শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ।

এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা আশা করছি ১০ লাখেরও বেশি মানুষ শোকরানা মাহফিলে উপস্থিত হবেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটি নির্বাচনী সমাবেশ নয়; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি মাদ্রাসার জন্য নজিরবিহীন একটি কাজ করেছেন, যা এর আগে কেউ-ই করেনি। আমরা তাকে শুকরিয়া জানাতেই একত্র হব।

আল্লামা আহমদ শফী শোকরানা মাহফিলে উপস্থিত থাকবেন কিনা সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ উপস্থিত থাকবেন। তিনি নিজেই তো প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দিয়েছেন। এ মাহফিলের সভাপতিত্বও করবেন তিনি। আমরা দোয়া করছি, তাকে আল্লাহতা’আলা সুস্থ রাখুন।
হেফাজতে ইসলাম একসময় সরকারের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অবস্থান নিয়েছিল, এখন পক্ষে চলে এসেছে কীভাবে- এমন প্রশ্নের উত্তরে আল্লামা মাসউদ বলেন, হেফাজতে ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে ছিল না।

তারা শাপলা চত্বরে তাদের দাবি সরকারের কাছে পেশ করেছিল। আর এখন তো অনেক বড় একটি কাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করে দিয়েছেন। কওমি মাদ্রাসা স্বীকৃতি, আইন পাস করানো ছোট কোনো বিষয় নয়। এটি নজিরবিহীন।

আলেমদের এ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কোনো দাবি রাখা হবে কিনা জানতে চাইলে মাসউদ বলেন, সে রকম কোনো বিষয়ে সম্মিলিত পরামর্শ হয়নি। তবে জামায়াত নিষিদ্ধকরণ, কাদিয়ানিদের মিথ্যাচার প্রচারের বিরুদ্ধে আলোচনা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়েও ভালো ভূমিকা রাখতে পারেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহসভাপতি মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ, মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাসেমী, বাংলাদেশ জমিয়াতুল উলামার মহাসচিব মাওলানা আবদুর রহিম কাসেমী, অভিভাবক পরিষদ সদস্য মাওলানা আইয়ুব আনসারী, ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা মাসউদুল কাদির প্রমুখ। সারা দেশে ১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদ্রাসায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করবে ভারত ও জাপান

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং শ্রীলংকায় অবকাঠামো উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে ভারত এবং জাপান। গত ২৯ অক্টোবর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে টোকিওতে বৈঠক করেছেন। তারা বাংলাদেশ এবং অন্য দেশে অবকাঠামোগত সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌছান।

বাংলাদেশে ভারত রাস্তা তৈরি করবে। আর সংযোগ দিতে জাপান সেতু নির্মাণ করবে। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জাপান যমুনা রেলওয়ে সেতু নির্মাণ করবে। ভারত এটা তৈরিতে পাথর সরবরাহ করবে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দুই দেশ আবাসন, স্কুল এবং বিদ্যুত্ প্রকল্পে যৌথভাবে কাজ করবে। শ্রীলংকায় এলএনজি সম্পর্কিত অবকাঠামো নির্মাণে জাপান এবং ভারত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তে মহাসড়ক উন্নয়নে সহায়তা দেবে জাপান। আসাম ও ভুটানের মধ্যকার করিডোর গেলেফু এবং বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের দালু সীমান্ত উন্নয়নে কাজ করবে ভারত ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। এই প্রকল্পের মধ্যে ধুলবাড়ি-ফুলবাড়ি সেতু রয়েছে যেটি ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতু হবে। গত ২৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর টোকিওতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফরে দিল্লির অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি গুরুত্ব পায়। প্রধানমন্ত্রী মোদী জাপানকে ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট পলিসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। দুই দেশই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একসঙ্গে উন্নয়ন কাজ চালানোর বিষয়ে মতৈক্যে পৌছান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে জীবনের হুমকিতে দেশ ত্যাগ আসিয়ার আইনজীবীর

বিদেশের খবর: পাকিস্তানে ব্লাসফেমি আইনের মামলায় খালাস খ্রিস্টান নারী আসিয়া বিবির আইনজীবী দেশ ত্যাগ করেছেন। তিনি বলেছেন, তার জীবন হুমকির সম্মুখীন। আসিয়া বিবিকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দেওয়ায় তুমুল বিক্ষোভ হয় দেশটিতে। সরকারের সঙ্গে চুক্তির পর গত তিনদিন ধরে চলা বিক্ষোভ গতকাল শনিবারে থামে।

গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ে খালাস পান আসিয়া। গতকাল শনিবার সকালে আসিয়ার আইনজীবী সাইফুল মুলুক ইউরোপের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেন। ৬২ বছর বয়সী সাইফুল বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, আমি আসিয়া বিবির জন্য লড়াই করতে চাই। তাই আমাকে বেঁচে থাকতে হবে।

এদিকে সরকারের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ৫ দফার এক চুক্তির পর বিক্ষোভ বন্ধ হয়। চুক্তিতে বলা হয়েছে, আসিয়া বিবি এবং তার পরিবার দেশ ত্যাগ করতে পারবে না। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে। সরকার এক্ষেত্রে কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। এ সম্পর্কে সাইফুল মুলুক বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক, তবে অপ্রত্যাশিত নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাংস খায় যে গাছ!

অনলাইন ডেস্ক: মানুষ খেয়ে ফেলে এমন গাছের কথা শুনেছেন হয়তো। তবে সত্যি সত্যি এমন গাছের দেখা মেলেনি এখনো। কিন্তু মাংস খায় এমন গাছ কিন্তু সত্যি আছে। এই গাছ হচ্ছে নেপেন্থেস অ্যাটেনবারোওঘি। এটি এর বৈজ্ঞানিক নাম।

দেখতে যত সুন্দর আর নিরীহ-ই হোক না কেন, গাছটি আসলে একটি মাংসাশী গাছ। নানা কীটপতঙ্গ, পোকা-মাকড়, এমনকি বড় বড় ইঁদুর পর্যন্ত গিলে খায় এটি। আঞ্চলিক রীতি মতো এই গাছটি কলসী গাছ নামেও পরিচিত। কেননা এটি দেখতে অনেকটা কলসীর মতো।

আর এই কলসীর ভেতর লাল রঙের মধুর মতো এক ধরনের তরল পদার্থ থাকে। যেখানে মধু সেখানে পোকা-মাকড় আসারই কথা। এই কলসীর মতো কাঠামোর মধ্যে যখন কোনো পোকা-মাকড় মধু খেতে আসে তখন পা পিছলে এর ভেতরে পড়ে যায় এবং এটির ওপরে একটা ঢাকনা থাকায় পোকা ভেতরে পড়া মাত্রই ঢাকনা বন্ধ হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুয়ারেসের নৈপুণ্যে বার্সার রোমাঞ্চকর জয়

খেলার খবর: প্রতিপক্ষের মাঠে শনিবার রাতে লিগ ম্যাচে ভাইয়েকানোকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালান ক্লাব বার্সেলোনা। ১১তম মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢোকা জর্দি আলবার কাটব্যাক ছোট ডি-বক্সের মুখে পেয়ে সুয়ারেসের নেওয়া শট একজনের গায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়ায়।

৩৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ভাইয়েকানো। স্প্যানিশ মিডফিল্ডার হোসে পোসো প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে জোরালো শটে বল ঠিকানায় পাঠান।
আলভারো গার্সিয়া ৫৭তম মিনিটে রাউল দে তমাসের হেড পোস্টে লাগলে ফিরতি বল অনায়াসে ফাঁকা জালে পাঠান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। পিছিয়ে পড়া বার্সেলোনা দেম্বেলের সমতায় ফেরানো গোলের পর জয় নিশ্চিত করেন সুয়ারেস।
৮৭তম মিনিটে দেম্বেলে নিচু হাফ ভলিতে দূরের পোস্ট দিয়ে গোলটি করেন। আর ৯০তম মিনিটে ডান দিক থেকে সের্হিও রবের্তোর লম্বা ক্রস ছোট ডি-বক্সে পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় ডান পায়ের শটে পোস্ট ঘেঁষে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সুয়ারেস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সমঝোতা হলে খালেদার মুক্তিতে রাজি সরকার!

দেশের খবর: বহু প্রত্যাশিত ও বহুল আলোচিত সংলাপের মধ্যে দেশের সচেতন নাগরিকসমাজ আশার আলো দেখলেও সরকার ও বিরোধী পক্ষের সম্পর্কে এ মুহূর্তে ‘জট’ হয়ে দাঁড়িয়েছে মূলত খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ইস্যু। এ বিষয়টি যে উভয় পক্ষের কাছেই এখন দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার, তা দুই পক্ষের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে জট থেকে বেরিয়ে আলোতে আসার একটি ফর্মুলার কথা সরকারপক্ষ ভেবে রেখেছে বলে জানা গেছে। আর সেটি হলো দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা হবে—বিএনপি এই নিশ্চয়তা দিলে সরকার খালেদা জিয়ার কারামুক্তির ব্যবস্থা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষমতাসীনরা।

বিএনপি চাইলে দ্বিতীয় দফা সংলাপে বিষয়টি পরিষ্কার করবে সরকার। এ ব্যাপারে দুটি পথ বাতলে দেবে সরকার। একটি হলো বিদ্যমান ব্যবস্থায় খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে এভাবে—তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিনের আবেদন করলে সরকারপক্ষ তাঁর বিরোধিতা করবে না। আর দ্বিতীয়টি হলো প্যারলে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে দ্বিমত নেই। নির্বাচনের আগেই সম্পূর্ণ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এই মুক্তি সম্পন্ন করা যেতে পারে। এই প্রাপ্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে বিএনপি রাজনৈতিক সমঝোতায় এলে তাদের স্বাগত জানাবে সরকার। বিনিময়ে বিএনপির কাছ থেকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা চাইবে সরকার। আওয়ামী লীগ ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারক জানিয়েছেন, গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেন নিজেও বলেছেন এবং কামাল হোসেনের সঙ্গে তাঁরাও কথা বলে জেনেছেন, সংলাপের ব্যাপারে তিনি সন্তুষ্ট। সংলাপে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য একটি স্থায়ী সাংবিধানিক ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ প্রস্তাবে ড. কামাল হোসেনসহ তাঁর সমমনাদের সায় দিতে দেখা গেছে। বিএনপির মধ্যে সবাই না হলেও কেউ কেউ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁরা আর সরকারের সঙ্গে লড়াই করতে চান না।

বর্তমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণে ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সরকারের দ্বিতীয় দফা সংলাপে রাজি। সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে অনানুষ্ঠানিক কথাও হয়েছে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের। বিএনপির একটি পক্ষ চায় দ্বিতীয় দফায় সংলাপ হোক। তাদের মূল দাবি খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টির সুরাহা হলে অন্যান্য বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব বলে তারা মনে করে। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সরকারের হাইকমান্ড বিএনপির কাছ থেকে নিশ্চয়তা পেলে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবির অন্যগুলোর আংশিক কিছু বিষয়েও ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম শনিবার বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি সংলাপে এসেছিল। আমরা বলেছি, এটা আদালতের বিষয়। আদালত চাইলে মুক্তি দিতে পারে। আমরা বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ করি না।’ তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পুনরায় সংলাপে বসতে ইচ্ছুক। আবার সংলাপ হলে বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা হতেই পারে।

রাজনৈতিক সমঝোতা হলে খালেদা জিয়ার কারামুক্তি সম্ভব কি না জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, আপিল বিভাগে খালেদা জিয়াকে জামিন চাইতে হবে। তিনি বলেন, ইতিহাসে নজির আছে, যে দলের প্রধান কারারুদ্ধ ছিলেন সেই দল ভোটের ময়দানে সুবিধা পেয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল গতকাল শনিবার বলেন, যদি রাজনৈতিক সমঝোতা হয়, তাহলে জুডিশিয়ারিকে এই রাজনৈতিক সমঝোতার অন্তরায় হতে কখনো দেখিনি। অবশ্যই খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পেতে পারেন। তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য প্যারলে মুক্তির ব্যবস্থাও রয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর খুবই গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে উন্নয়নের রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ায় সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে তিনি ‘মানবতার মা’ বা ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন গোটা বিশ্বে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য পেয়েছেন একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার। তবে এত কিছুর পরেও দেশে বিরোধীদের দমন এবং বিএনপিবিহীন নির্বাচন নিয়ে কিছু সমালোচনা আগে থেকেই রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। এর মধ্যে আবার নতুন করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হলে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—যে দেশের প্রধানমন্ত্রী এত ভালো কাজ করছেন, সেই দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা কেন? ঠিক যেমন করে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন মিয়ানমারে অং সান সু চি, যিনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন, অথচ তাঁর দেশেই কেন রোহিঙ্গা নিধনের মতো অশান্তির আগুন?—এমন প্রশ্ন যেন নিজের বেলায় না ওঠে, সে কারণেই মূলত শেখ হাসিনা চান বিএনপির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সমালোচকদের মুখ বন্ধ রাখতে।

রাজনৈতিক সমঝোতা হলে খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্ন করা হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিষয়টি আদালতের ওপর নির্ভরশীল। তবে আমরা সংলাপ করব, ব্যর্থ হব, তারপর আবার সংলাপ করব। আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে চিঠি দিয়ে সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। সিইসিকে দেওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘৮ নভেম্বরের পরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের বিষয়টি আবারও বিবেচনায় রয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবারও সংলাপে বসার ব্যাপারে ইচ্ছুক।’ এ অবস্থায় আজ রবিবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা না করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ওই চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেনাল্টি আর আত্মঘাতী গোলে জয়ে ফিরলো রিয়াল

খেলার খবর: সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে শনিবার স্থানীয় সময় বিকালে লা লিগার ম্যাচে ভাইয়াদলিদকে ২-০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এতে লা লিগায় পাঁচ ম্যাচ পর স্বস্তির জয়ের দেখা পেল স্পেনের সফলতম ক্লাবটি।

ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে সৌভাগ্যপ্রসুত গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। বদলি নামা ভিনিসিউস জুনিয়রের বাঁ দিক থেকে নেওয়া শটে বল ডি-বক্সে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার কিকোর হাতে লেগে জালে জড়ায়। দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে বলে হাতও লাগিয়েছিলেন গোলরক্ষক মাসিপ। কিন্তু রুখতে পারেননি।

সের্হিও রামোস ৮৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ডি-বক্সে ফরাসি ফরোয়ার্ড বেনজেমা ফাউলের শিকার হলে রেফারি স্পটকিকের নির্দেশ দেন।

১১ ম্যাচে ৫ জয় ও ২ ড্রয়ে রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ১৭। ভাইয়াদলিদের পয়েন্ট ১৬।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest