সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

১৮ রকমের খাবার দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের আপ্যায়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতির খবর: ১৮ রকমের খাবার দিয়ে গণভবনে সংলাপে অংশ নেওয়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের আপ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংলাপ শুরু হয়। সংলাপে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ সদস্যের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বিপরীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২০ সদস্যের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন।

গণভবনের খাবার পরিবেশনকারীরা জানান, সংলাপে ১৮টি পদের খাবার দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। সংলাপের শুরুতে অতিথিদের ফলের জুস, বাদাম ও চিপস দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এরপর মাঝে ভারী খাবার দেয়া হয়। সবশেষে ডেজার্ট পরিবেশন করা হয়।

গণভবন সূত্রে জানা গেছে, এই খাবারের বেশির ভাগ খাবার আনা হয়েছে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল থেকে। চিজ কেক আনা হয়েছে হোটেল র‌্যাডিসন থেকে। খাসির রেজালা আনা হয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন থেকে। মোরগ পোলাও রান্না করেছে পিয়ারু বাবুর্চি।

সন্ধ্যা ৭টায় সংলাপের শুরুতেই অতিথিদের সামনে দেওয়া হয় কমলা লেবু, আপেল ও তরমুজের শরবত এবং চিপস। এরপর আলোচনা শুরু হয়। আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে খাবার সরবরাহ চলতে থাকে।

অতিথিদের ফ্রেস জুস (মাল্টা, আনারস, জলপাই ও তরমুজ), কর্ন স্যুপ (চিংড়ি বাদ), মিক্সড নুডুলস (চিংড়ি বাদ), মিক্সড সবজি, বিফ শিক কাবাব, মাটন রেজালা, চিকেন ইরানি কাবাব, চিতল মাছর কোপ্তা কারি, রুই মাছের দোপেয়াজা, মোরগ পোলাও, বাটার নান, সাদা ভাত, দুই (টক ও মিষ্টি), চিজ কেক, মিক্সড সালাদ, ক্যান কোক, চা/কফি ও পাটি সাপটা পিঠা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শখে’ ছাত্রীদের নগ্ন ভিডিও, পাকিস্তানি অধ্যক্ষের ১০৫ বছর জেল

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের পেশোয়ারের একটি আদালত শিশু নির্যাতন, পর্নোগ্রাফি, ধর্ষণ, প্রতারণা ও অবৈধ সম্পর্ক রাখার অভিযোগে একটি স্কুলের অধ্যক্ষ ও মালিককে ১০৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে ১৪ লাখ রুপি অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
পেশোয়ারের হায়াতাবাদ থানা পুলিশের দায়ের করা মামলায় বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ ও মালিক আত্তাউল্লাহ মারওয়াতকে গত মঙ্গলবার এই দণ্ডের আদেশ দেন আদালতের বিচারক ইউনিস খান।
ক্যাম্পাসে গোপন সিসি ক্যামেরা বসানোসহ স্কুলছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে এক স্কুলছাত্রের মামলায় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে আত্তাউল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২৫ জন ভুক্তভোগী ওই স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। একটি অভিযোগে দেখা যায়, তিনি ১৮ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের যৌন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে ও নগ্ন হতে বাধ্য করতেন। তাঁর মোবাইল ও ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ২৬টি ভিডিও পাওয়া গেছে। এবং এগুলোর ব্যাপারে তিনি স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন।
যদিও স্কুলশিক্ষক বলেছেন, শখের বশে তিনি এগুলো করতেন। স্বীকারোক্তিতে তিনি জানান, যৌন কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে বহিরাগত নারীদের তিনি স্কুলে আনতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাত দফার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যা মানলেন

দেশের খবর: বহুল আলোচিত সংলাপ চলমান থাকবে বলে জানানো হলেও গণভবনে অনুষ্ঠিত সাড়ে তিন ঘণ্টার আলোচনায় বড় ধরনের কোনো ফল বেরিয়ে আসেনি। তবে সভা-সমাবেশে বাধা না দেওয়া, গণগ্রেপ্তার বন্ধ করা এবং এখন থেকে আর নতুন মামলা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে তিনি কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না। এ ছাড়া তিনি বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তালিকাও চেয়েছেন। সংলাপ শেষে দুই পক্ষের নেতারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সাত দফার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যা মানলেন : বিরোধী দলগুলোর উত্থাপিত ১ নম্বর দাবির মধ্যে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস দিয়ে এ বিষয়ে তালিকা চান। একই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেন, নতুন আর কোনো মামলা দেওয়া হবে না। নির্বিঘ্নে সভা-সমাবেশ করতে পারবেন বলেও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হবে। সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের ৬ নম্বর দাবির একাংশ অর্থাৎ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

না মানা দাবি : সংলাপে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১ নম্বর দাবি—অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারের পদত্যাগ, জাতীয় সংসদ বাতিল, আলোচনা করে নিরপেক্ষ সরকার গঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলো সংবিধানবিরোধী।

ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা বলেন, ‘‘ওই দাবি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা আমার সঙ্গে সংলাপ করতে এসে আমারই মাথা কেটে নিতে চান! ঠিক আছে আমি থাকলাম না, কিন্তু আনবেন কাকে?’ ঐক্যফ্রন্টের নেতারা তখন বলেন, চাইলে এ বিষয়ে আলোচনা করে সংবিধানের মধ্যে থেকেই একটা পথ বের করা যায়। ফ্রন্টের নেতারা তখন মত দেন, নির্বাচনের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করা দরকার। এ জন্য একটা কমিটি করার দাবি তোলেন তাঁরা। ড. শাহদীন মালিক এবং ড. আসিফ নজরুলকে যুক্তফ্রন্টের পক্ষে কমিটির সদস্য প্রস্তাব করে কমিটি গঠনের কথা বলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।”

জানা যায়, এ ব্যাপারে প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদও সায় দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিটি গঠন করে এ বিষয়ে আলোচনা করা যায়। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ইভিএম ব্যবহার না করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনো প্রতিশ্রতি দেননি। তিনি বলেন, সার্চ কমিটি গঠন করে এই নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করা হয়েছে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন, সামাজিক গণমাধ্যমে মতপ্রকাশের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কোনো নীরিহ লোক আছে কি না সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

ঐক্যফ্রন্টের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, “ঐক্যফ্রন্টের পাঁচ নম্বর দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত নেতাদের পাল্টা প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন, ‘সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি আপনারা কিভাবে করেন? সেনাবাহিনী আসলে যেতে চায় না।’ এ প্রসঙ্গে তিনি ওয়ান-ইলেভেনের কথা উল্লেখ করেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই যে আপনারা কত ফ্রিডম ভোগ করছেন। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলেও কোনো সমস্যা হয়নি। খালেদা জিয়া থাকলে এত দিনে আপনাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেত।’”

একটি সূত্রে জানা যায়, যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচনের তফসিল পেছানোর দাবি করা হলেও প্রধানমন্ত্রী তাতে সায় দেননি। তিনি বলেন, এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। নির্বাচনকালীন সরকার ছোট করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী রাজি হননি। বৈঠকে জঙ্গিবাদ নিয়ে দীর্ঘ বত্তৃদ্ধতা করেন হাসানুল হক ইনু ও মইন উদ্দীন খান বাদল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি কথা প্রসঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে সহানুভূতি জানাতে গুলশানে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তাঁকে সেদিন অপমান করা হয়েছে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আপনি সেদিন গুলশান কার্যালায়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমাকে ভেতরে গিয়ে বসতে বলতে পারতেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আবারো যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষী সাংবাদিকের বাড়ির পাশে গভীর রাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় আবারো দুই সাংবাদিকের বাড়ির পাশে দা বাহিনীর আনাগোনায় আতংকিত হয়ে পড়েছে শহরবাসী।
বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে শহরের পলাশপোল এলাকায় সাংবাদিক মেহেদী আলী সুজয়ের বাড়ির পিছনে এবং সাতক্ষীরার যুদ্ধাপরাধ মামলার অন্যতম সাক্ষী সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুমের বাড়ি থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে আবারো ওই বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এবার ওই বাহিনীর সামনে পড়েন পলাশপোল তেঁতুলতলা এলাকার মৃত শরিতুল্লাহ’র স্ত্রী ও রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়নের সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামানের মাতা মনোয়ারা বেগম (৬০)।
ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগম জানান, তিনি প্রতিদিনের ন্যায় তার বাড়ির বারান্দার কামরায় শুয়ে ছিলেন। আনুমানিক রাত ৩ টার দিকে তার কামরার বেড়ার পাশে কয়েকজন মানুষের আওয়াজ শুনতে পেয়ে তিনি ‘কারা ওখানে’ এমন কথা বললে তাকে কথা বললে জবাই করা হবে মর্মে হুমকি দেয় অজ্ঞাত ব্যক্তি। কিন্তু তিনি ভয়ে আরো জোরে চিৎকার দিলে তার স্বজন এবং প্রতিবেশিরা বের হওয়ার পূর্বেই ওই বাহিনীর সদস্য চলে যায়। এঘটনা ছড়িয়ে পড়লে পলাশপোল এলাকায় আবারো আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। আতংঙ্কিত থাকার কারণে তারা কয়জন ছিলো এবং কেমনভাবে ছিলো সেটি বুঝতে না পারলেও ৬/৭ জন ব্যক্তি ছিলো বলে মনোয়ারা খাতুন জানান।
এর আগে পর পর দুইবার এধরনের বাহিনীর আনাগোনায় সন্ত্রস্ত্র হয়ে পড়ে শহরবাসী। কিন্তু এঘটনায় পুলিশ কোন ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি। অথচ ঘটনার মাত্র ১ মাস পার না হতেই আবারো এধরনের বাহিনীর আনাগোনায় আতংক বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর পত্রিকা অফিসের কাজ শেষে বাড়ি ফিরে নিজ বাড়ির সামনেই ওই সশস্ত্র বাহিনীর সামনে পড়েন দৈনিক কালের চিত্রের মফস্বল সম্পাদক মেহেদীআলী সুজয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বড় সেলাইরেন্স উদ্ধার করে। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ঘটনাস্থলের সম্মুখের বাসিন্দা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাগরিক নেতা হাফিজুর রহমান মাসুম।
ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হতে না হতেই গত ১ অক্টোবর গভীর রাতে আবারো ওই দা বাহিনীর হুমকির সম্মুখীন হন এক নৈশ প্রহরী। তিনি পলাশপোল এলাকার বিল্লাল হোসেন। এঘটনার পর থেকে তিনি ওই এলাকায় নৈশ প্রহরার দায়িত্বই ছেড়ে দিয়েছেন।
বুধবার দিবাগত রাতের ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।
এ বিষয়ে সদর থানার তিনি বলেন, এধরনের ঘটনার সাথে কারা জড়িত আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। সকল অফিসারদের নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনাও করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতি কার্যকর কেপলার টেলিস্কোপকে বিদায় জানাচ্ছে নাসা

অনলাইন ডেস্ক: গত ৯ বছরে ২৬০০’রও বেশি গ্রহ খুঁজে বের করেছিল সে। কিন্তু এখন বয়স হয়ে যাচ্ছে। জ্বালানিও ফুরিয়ে আসছে। তাই এবার তাদের অতি কার্যকর কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ বা কেপলার দূরবীক্ষণকে বিদায় জানাতে চলেছে নাসা।

আমাদের সৌর মন্ডলের বাইরে থাকা বহু গ্রহ, উপগ্রহ গত ৯ বছরে খুঁজে বের করেছিল কেপলার। নাসা এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পৃথিবী থেকে দূরে নিরাপদ কক্ষপথেই এই টেলিস্কোপকে নষ্ট করে ফেলা হবে। নাসার প্রথম গ্রহ সন্ধানকারী টেলিস্কোপ কেপলার তাঁদের যাবতীয় প্রয়োজন আশাতিরিক্তভাবে মিটিয়েছে। এর সাহায্যেই সৌর মন্ডলের বাইরের রহস্য সম্পর্কে অনেক বিশদে জানতে পেরেছে পৃথিবী।

২০০৯ সালের ৬ মার্চ কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ করেছিল নাসা। প্রথমে সিগনাস ছায়াপথের উপর নজর রাখার জন্য পাঠানো হয়েছিল তাকে। কিন্তু গত ৯ বছরে সৌর মন্ডলের বাইরের জগতে চোখ রেখে আকর্ষণীয় রহস্যের উদ্ঘাটন করেছে কেপলার।

তার সাম্প্রতিক সন্ধানের মধ্যে একটি হল, ২০-৫০ শতাংশ তারা যেগুলি রাতের আকাশে পৃথিবী থেকে দেখা যায়, সেগুলি বেশিরভাগই পাথুরে, পৃথিবী বা তার থেকেও ছোট আয়তনে এবং নিজেদের প্রধান নক্ষত্রের থেকে সেই পরিমাণ দূরত্বে অবস্থিত যেখানে পানি তরল ভাবে আছে এবং প্রাণ সঞ্চারে সক্ষম আবহাওয়া রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতের আসামে ৫ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা

বিদেশের খবর: ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য আসামের তিনসুকিয়াতে গুলি চালিয়ে পাঁচজন বাংলাভাষীকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে খেরবাড়ি নামে একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন শ্যামলাল বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস, সুবল দাস এবং ধনঞ্জয় নম:শুদ্র।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীরা সামরিক পোশাক পরে দুটি দলে ভাগ হয়ে সেখানে হাজির হয়েছিল। তারা শ্যামলাল বিশ্বাসের দোকানের সামনেই প্রথম গুলি চালায়। হতাহত বাকিরা ওই দোকানের আশেপাশেই ছিলেন। সন্ত্রাসীরা অন্তত ৪০ থেকে ৫০ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে।

আসামের বাঙালি সংগঠনগুলো এ ঘটনার জন্য আলফা (স্বাধীন গোষ্ঠী) নামে একটি উগ্রপন্থী সংগঠনকে দায়ী করেছে। সারা আসাম বাঙালি ছাত্র যুব ফেডারেশন আজ শুক্রবার ১২ ঘণ্টার জন্য তিনসুকিয়া বনধের ডাক দিয়েছে।

জাতীয় নাগরিকপঞ্জি হালনাগাদ করা নিয়ে আসামে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছিল। ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পরে যেসব বাংলাভাষী আসামে বসবাস করতে শুরু করেছেন তাদেরকে নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা আর আসামের নাগরিক নন।

এর মধ্যেই এই বাঙালি হত্যার ঘটনা ঘটলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হঠাৎই ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন আজহার

খেলার খবর: হঠাৎ করেই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন পাকিস্তানের আজহার আলি। মূলত টেস্ট ক্রিকেটে অধিক মনোযোগী হতেই এমন সিদ্ধান্ত ৩৩ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১১ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় আজহার আলির। পাকিস্তানের হয়ে এই ফরম্যাটে ৫৩টি ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০১৫ সালে অধিনায়কের দায়িত্ব পান। তবে পারফরম্যান্সের কারণে নেতৃত্বের পাশাপাশি দলে জায়গাও হারিয়ে ফেলেন।

আজহারের পক্ষ থেকে একটি ঘনিষ্ট সূত্রটি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে অধিক মনোযোগ দিতেই ওয়ানডে থেকে অবসরে যাচ্ছেন আজহার। তিনি মনে করেন, দলের তরুণরা এখন খুব ভালো ক্রিকেট খেলছে, তারাই দলকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবে।’

ক্যারিয়ারে ৫৩ ওয়ানডেতে ৩৬.৯ গড়ে ১৮৪৫ রান করেন আজহার। আছে ৩টি সেঞ্চুরি ও ১২টি হাফসেঞ্চুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনিতে পাথর জমা রোধে করণীয়

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিডনিতে সংক্রমণ (ইনফেকশন) মানবশরীরের মারাত্মক রোগগুলোর মধ্যে একটি।

কিডনি সংক্রমণকে মূলত ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ খুব সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণগুলি তেমনভাবে প্রকট হয় না। যার ফলে অনেকাংশেই উপযুক্ত সময়ে চিকিৎসা শুরুই করা যায় না। এর ফলে রোগীর মৃত্যুর আশংকাও বেড়ে যায়।

আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া। কিন্তু ঠিক কি ভাবে কিডনিতে পাথর হওয়া রোধ করতে পারবেন, জানেন কি? আসুন জেনে নেয়া যাক, কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে, যা হয়তো আপনার জানা নেই।

১। শরীরের চাহিদা মেনে পানি-
কিডনির কাজ শরীরের বর্জ্য ছেঁকে শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিনকে সরানো। তাই শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানি না খেলে কিডনির পক্ষে সে কাজ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। ফলে সে সব বর্জ্য জমে পাথর জমার সম্ভাবনাও বাড়ে।

২। লবণ কম-
খাবারে অতিরিক্ত নুন, বিশেষ করে কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আজই তা বদলান। লবণের সোডিয়ামকে কিডনি সরাতে পারে না। তাই সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের মাত্রা বেড়ে গেলে কিডনিতে পাথর জমে।

৩। বদহজম এড়ান-
হজমে সমস্যা আনতে পারে এমন খাবার খাবেন না। হজমের গোলমাল কিডনিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। বর্জ্য নিষ্কাশনে বাধা তৈরি হয় ও পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে।

৪। ব্যথানাশকে না-
অনেকেরই ঘন ঘন ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকে। এই ওষুধের অন্যতম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিডনিতে সমস্যা তৈরি করা। কাজেই ঘনঘন এমন ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা বদলান।

৫। প্রস্রাব চেপে না রাখা-
কিডনির অসুখের অন্যতম কারণ প্রস্রাব চেপে রাখা। এতে সংক্রমণ হওয়ার ভয়ও থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest