সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

আর্জেন্টিনা দলে ডাক পেলেন লামেলা, নেই মেসি

অনলাইন ডেস্ক: রাশিয়া বিশ্বকাপে কাঙ্খিত ফল এনে দিতে ব্যর্থ হয়ে শেষ ষোলো থেকে ছিটকে পড়ার পর থেকে আর্জেন্টিনার পক্ষে আর জাতীয় দলের জার্সি পড়ছেন না লিওনেল মেসি। চলতি মাসে মেক্সিকোর বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য দুটি প্রীতি ম্যাচেও নেই পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ লিওনেল স্কালোনির বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা ৩০ সদস্যের দলে নেই দুই ফরোয়ার্ড সার্জিও আগুয়েরো ও গঞ্জালো হিগুয়াইনও।

বিশ্বকাপ শেষে মোট চারটি ম্যাচে অংশ নেওয়া দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা কোনোটিতেই পায়নি তারকা ওই ফুটবলারদের। তবে সামনের দুটি প্রীতি ম্যাচের দলে ডাক পেয়েছেন টটেনহ্যামের ফরোয়ার্ড এরিক লামেলা।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২৩ ম্যাচ খেলা লামেলা ২০১৬ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। চোটের কারণে গত মৌসুমের অধিকাংশ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন ২৬ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। একই কারণে ছিলেন না রাশিয়া বিশ্বকাপেও।

এছাড়া জাতীয় দলে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন রেসিংয়ের ২০ বছর বয়সী মিডফিল্ডার মাতিয়াস জারাকো।

মেক্সিকোর বিপক্ষে আগামী ১৬ নভেম্বর প্রথম ম্যাচে লড়বে আর্জেন্টিনা। চার দিন পর মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় ম্যাচটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাশরাফী অনুপ্রেরণাদায়ী, সাকিব কৌশলী

খেলার খবর: ক্রিকেট ‘ক্যাপ্টেন্স গেম’। অধিনায়কই দলের সর্বেসর্বা। অন্য কোনো খেলায় অধিনায়কের এমন বিশাল ভূমিকা নেই। ক্রিকেটে দল সাফল্য পেলে সবার আগে উচ্চারিত হয় অধিনায়কের নাম। ব্যর্থ হলে কাঠগড়ায় প্রথমে অধিনায়কই।

মাঠ ও মাঠের বাইরে একজন অধিনায়কের ক্রিকেট-দর্শনের প্রভাব থাকে দলে উপর। বিশেষ গুণের অধিকারী না হলে সাফল্য পাওয়া হয়ে যায় কঠিন। বাংলাদেশের দুই সফল অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও সাকিব আল হাসানের মাঝেও আছে বিশেষ কিছুগুণ। প্রথমজন অনুপ্রেরণাদায়ী, দ্বিতীয়জন কৌশলী। বাংলাদেশের নতুন কোচ স্টিভ রোডসের পর্যবেক্ষণ এমনই।

সাকিব চোটে পড়ায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে নেতৃত্ব দেবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নিধাস ট্রফিতেও শুরুতে না থাকায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে টি-টুয়েন্টির নেতৃত্ব দিয়েছেন রিয়াদ। ইংলিশ কোচ রোডসের অল্পকদিনের মধ্যেই বাংলাদেশের তিন অধিনায়কের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা হচ্ছে।
অধিনায়ক বদল হওয়ায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে শুরুতেই তিন অধিনায়কের প্রশংসা ঝরল কোচের কণ্ঠে।

‘এখন পর্যন্ত সাকিবকে আমি সবথেকে বেশি যোগ্য হিসেবে খুঁজে পেয়েছি কাজ করার ক্ষেত্রে। আমি এর আগেও অনেক অধিনায়কের সাথে কাজ করেছি। তবে সাকিব হল সব থেকে সেরা ট্যাকটিক্যাল অধিনায়ক। যার সাথে আমি কাজ করেছি। তার অসামান্য স্ট্রেন্থ রয়েছে। ম্যাশও দারুণ একজন মানুষ কাজ করার জন্য। সে সাকিবের থেকে ভিন্ন, সে প্যাশন এবং প্রাইডের জন্য খেলে। সাকিবও সেটি করে, তবে ম্যাশ সেটি প্রকাশ করতে পারে।’

‘সে(মাশরাফী) ক্রিকেটারদের কাছ থেকে অনেককিছু প্রত্যাশা করে এবং সে ক্রিকেটারদের সেরাটা বের করে আনতে পারে। সে একজন যোদ্ধা এবং দলকে দারুণভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সুতরাং আমি ম্যাশের সাথে কাজ করতে উপভোগ করছি। আর রিয়াদ এখন নতুন অধিনায়ক হয়েছে। তার সম্পর্কে খুব বেশি বলতে না পারলেও শুরুর দিকে আমরা কয়েকটি সংক্ষিপ্ত মিটিং করেছিলাম দল নির্বাচনের ব্যাপারে। আশা করি নির্বাচকেরা সেগুলো দেখভাল করবে। আশা করি তার(রিয়াদ) সাথে আরেকটি মিটিং করবো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান শিক্ষকরা দশম, সহকারীরা ১২তম গ্রেডে

অনলাইন ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেলে বড় পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনের বিষয়ে এরই মধ্যে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে কাজ চলছে।

বিষয়টি স্বীকার করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক যোগদান করছেন তাঁদের বেশির ভাগই অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা। অথচ এই শিক্ষকরা যে পদে যোগদান করেন সেই পদে থেকেই অবসরে যান। এতে অনেক সময়ই দেখা যায়, শিক্ষকরা দরদ দিয়ে পড়ান না। তাই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মৌখিক সম্মতির পর আমরা শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।’

এই অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির কাজ চলছে। এতে সহকারী শিক্ষকরা দ্রুত এই পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। আর প্রধান শিক্ষকরা যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির, তাই তাদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর একধাপ নিচে থাকবেন সহকারী প্রধান শিক্ষকরা, আর পরের ধাপেই থাকবেন সহকারী শিক্ষকরা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির জন্য নিয়োগ বিধিতেও পরিবর্তন আনতে হবে।’

বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাঁরা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করেছে।
বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পান ১৪তম গ্রেডে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। কোনোভাবেই সেটি মেনে নিতে রাজি নন সহকারী শিক্ষকরা। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচে বেতন চান। এ নিয়ে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা সভায় যোগ দিতে হয় তাঁদের। শিক্ষার বাইরে সরকারি নানা কাজেও তাঁদের ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে বিদ্যালয়ে তেমন একটা সময় দিতে পারেন না তাঁরা। এ জন্যই মূলত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীতা অনুভব করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হলে সমসংখ্যক শিক্ষকের পদোন্নতিরও সুযোগ তৈরি হবে।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেলের এই পরিবর্তনের কাজে প্রধান শিক্ষকরা খুশি হলেও সহকারী শিক্ষকরা খুশি নন। তাঁরা সহকারী প্রধান শিক্ষকের নতুন পদটি চান না। তাঁরা মনে করছেন, এ পদ সৃষ্টি হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি না থাকলে এক ধাপ পদোন্নতি পেলেই প্রধান শিক্ষক হওয়া যাবে। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই বেতন চান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা বলেন, ‘যদি প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং এর একধাপ পর পর অন্য শিক্ষকদের অবস্থান হয়, তাহলে এটা হবে খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এখনো আমাদের প্রশিক্ষণবিহীন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য আলাদা আলাদা গ্রেড। আমরা চাইব, মাধ্যমিক শিক্ষকদের মতো এক পদে একটাই গ্রেড থাকুক। আর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য একটা সময় বেঁধে দেওয়া হোক। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক থেকে ওপরের পদে কোনো পদোন্নতির ব্যবস্থা নেই। এ ব্যবস্থা না থাকলে মেধাবীরা প্রাথমিকের শিক্ষকতায় আসবে না।’

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দাবি প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড। কিন্তু সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি হলে আমরা যখন ওই পদে পদোন্নতি পাব, তখন এমনিতেই আমরা ওই পদের স্কেলে বেতন পাব। তাহলে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য থেকেই যাবে। তাই আমরা এ মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ চাই না। আমরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন চাই।’

জানা যায়, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রধান শিক্ষক আছেন। আর সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১২তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১১তম গ্রেডে। আর চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে দশম এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান নবম গ্রেডে। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১৫তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১৪তম গ্রেডে। ১০ বছর পূর্তিতে যান ১৩তম গ্রেডে এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান ১২তম গ্রেডে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের অংশ হিসেবে আজ শুক্রবার নেত্রকোনায় ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে ১২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৯টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উদ্বোধন হতে যাওয়া প্রকল্পগুলো হচ্ছে- নেত্রকোনা আধুনিক স্টেডিয়াম, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ছাত্রীনিবাস, আটপাড়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ভবন, কেন্দুয়া উপজেলায় ৫০০ আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম কাম-মাল্টিপারপাস হল, জেলার ফকিরের বাজার রোডে কংস নদীর উপর ২১০ মিটার গার্ডার ব্রিজ, নেত্রকোনা জেলা টেনিস ক্লাব, নেত্রকোনা- মদন-খালিয়াজুরী সড়কের ‘বালাই সেতু’ (দৈর্ঘ্য ৯৪.২৭৪ মিটার),শ্যামগঞ্জ- জারিয়া-বিরিশিরি-দুর্গাপুর সড়কের “শান্তিপুর সেতু’ (দৈর্ঘ্য ৩৬:৬০ মিটার), ব্রাহ্মণখালি সেতু” (দৈর্ঘ্য ৩৯.২৫ মিটার) ‘জারিয়া সেতু’ (দৈর্ঘ্য ২৩২.০০ মিটার),ও মগড়া সেতু (দৈর্ঘ্য ৭২.৯৫ মিটার), মোহনগঞ্জে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, আটপাড়া ও খালিয়াজুরী উপজেলার শতভাগ বিদ্যুতায়ন।

এছাড়াও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে যাওয়া প্রকল্পগুলো হচ্ছে- শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ, নেত্রকোনা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, শ্যামগঞ্জ – জারিয়া – বিরিশিরি – দূর্গাপুর জেলা মহাসড়ককে জাতীয় মহাসড়ক মানে উন্নীতকরণ প্রকল্প, নেত্রকোনা – কলমাকান্দা সড়ক, নেত্রকোনা- বিশিউড়া- ঈশ্বরগঞ্জ (ভায়া গৌরীপুর) সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, মোহনগঞ্জ উপজেলার হাইজদা বাঁধের ঝুঁকিপুর্ণ স্থানসমূহ শক্তিশালীকরণ প্রকল্প, নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্প, মোহনগঞ্জ উপজেলায় ৫শত আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম, নেত্রকোনায় বিএডিসি’র ৩ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন প্রি-ফেব্রিকেটেড স্টিল সার গুদাম, শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, মোহনগঞ্জ পৌরসভার শিশু পার্ক ও চল্লিশা হেনা ইসলাম কলেজ।
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মঈন-উল ইসলাম জানান, শুক্রবার নেত্রকোনার ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প ও ১৯টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগ দিতে নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী ময়মনসিংহে যাওয়ার ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ অক্টোবরকে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক: ৬ অক্টোবরকে ‘জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস’ ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, এ তারিখকে ‘জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস’ হিসেবে উদযাপনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত যথাথযভাবে পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশেষ সমাধান পাইনি: ড. কামাল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ক্ষমতাসীন জোটের সঙ্গে সংলাপের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তারা বিশেষ কোনও সমাধান পাননি।

বৃহস্পতিবার রাতে গণভবনে ওই সংলাপ শেষে ড. কামাল হোসেন তার বেইলি রোডের বাসায় সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

ড. কামাল বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে গণভবনে গিয়েছিলাম। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার মতো আমরা সেখানে ছিলাম। আমাদের নেতারা সবাই বক্তব্য দিয়েছেন। তারা নানা ধরনের অভিযোগের কথা বলেছেন। সরকারের বিভিন্ন বিষয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী লম্বা বক্তব্য দিয়েছেন। তবে আমরা সে বক্তব্যে বিশেষ কোনও সমাধান পাইনি।’

ড. কামাল বলেন, ‘আমরা সংলাপের সুযোগ পেয়েছি। আমরা আমাদের কথা বলে এসেছি উনাকে। উনি জানতে পেরেছেন। উনি উনার কথাগুলো বলেছেন। উনার মনের কথাও আমরা কিছুটা জানতে পেরেছি।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ঐক্যফ্রন্টের অন্য নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

ড. কামালের আহ্বানে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন গণফোরামের কার্যকরি সভাপতি সুব্রত চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সংলাপের শুরুতে ড. কামাল হোসেন সূচনা বক্তব্য রেখেছেন। এরপর বিএনপি মহাসচিব ৭ দফা দাবি তুলে ধরেছেন।’

সভা-সমাবেশের বিষয়ে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ঢাকাসহ সারাদেশে সভা-সমাবেশে কোনো বাধা থাকবে না। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে নির্দেশ দিয়েছেন।’ রাজনৈতিক মামলা থাকলে তার তালিকা প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন জানিয়ে গণফোরামের এ নেতা বলেন, ‘উনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, ‘আপনারা তালিকা দেন। আমি অবশ্যই বিবেচনা করব যাতে হয়রানি না হয়।’

প্রধানমন্ত্রী উত্থাপিত দাবি-দাওয়া নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনার দ্বার খোলা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান সুব্রত।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন- সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি। তিনি বলেছেন, এ নিয়ে পরবর্তীতে আরও আলোচনা হতে পারে।’ বিএনপি কী এতে আশাবাদী- এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি তো ভাই বলেছি যে, আমি খুব সন্তুষ্ট নই।’

সংলাপে তাহলে কী অর্জন হলো- এই প্রশ্নে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সব সময় কি সব অর্জন হয় না কি?’ এসময় জেএসডি সভাপতি ও ফ্রন্টের মুখপাত্র আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘এক দিনে সব অর্জন হয় না। আমরা ৭ দফা দিয়েছি, মানা না মানার দায়িত্ব সরকারের। আমাদের আন্দোলন চলবে।’

উল্লেখ্য এরআগে সংলাপ শেষে গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আলোচনা ভালো হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংলাপ ভালো হয়েছে, বললেন ড. কামাল

‘সংলাপ ভালো হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন। বৃহস্পতিবার রাতে গণভবন থেকে বেরিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতার সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২০ নেতা। ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা।

ইউএনবির খবরে বলা হয়, সংলাপ থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠার সময় ড. কামাল সাংবাদিকদের সংক্ষেপে বলেন, সংলাপ ভালো হয়েছে। তবে সংলাপে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা তিনি উল্লেখ করেননি। তিনি জানান, সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে জানানো হবে। বিবিসি বাংলা জানায়, বেরিয়ে যাওয়ার সময় ড. কামাল হোসেন শুধু এটুকুই বলেছেন যে, ‘ভালো আলোচনা হয়েছে।’

সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত এই সংলাপ চলে। এরপর একে একে বেরিয়ে যান ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ঐক্যফ্রন্টের বেশিরভাগ নেতাই গণভবন থেকে বেরিয়ে কিছু বলেননি।

সন্ধ্যা সাতটার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ কক্ষে ঢুকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর সংলাপের শুরুতেই সূচনা বক্তব্য দেন তিনি।

সংলাপে যাঁরা ছিলেন

ঐক্যফ্রন্ট গণভবনে যাওয়ার জন্য ১৬ জন নেতার নাম জানান। পরে আজ এই জোট নতুন করে পাঁচ সদস্যের নামের তালিকা আওয়ামী লীগের কাছে পাঠায়। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসীন মন্টু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সংলাপের জন্য সর্বমোট ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল যোগদানের কথা বলা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সংলাপে যোগ দেননি।

নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া সদস্যরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক ও গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিক উল্লাহ।

এর আগে সংলাপে অংশ নিতে গত মঙ্গলবার ১৬ জনের প্রতিনিধি দলের নাম ঘোষণা করেছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ওই ১৬ জন হলেন– গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসীন মন্টু, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, সহসভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, এস এম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আ ব ম মোস্তফা আমিন, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই সংলাপে ১৪ দলীয় জোট থেকে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল যোগ দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া অন্যরা হলেন– আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মো. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্যাহ, আবদুল মতিন খসরু, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও জাসদের একাংশের সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিকল্পধারা ও জাতীয় পার্টির নেতারা ২ ও ৫ নভেম্বর গণভবনে সংলাপে বসবেন। সব দলের সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাম দলগুলোকে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বাম দলগুলো তাদের সিদ্ধান্ত পরে জানাবে বলে জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: সংলা‌পে প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশটা আমাদের সবার। আমাদের সবাই মিলে মিশে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ৯ বছর ক্ষমতায় থেকে দেশের যা উন্নয়ন করেছে, তা সবাই দেখেছেন। এখন এই দেশটাকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সরকারের ৯ বছর ১০ মাস হতে চলেছে। আমরা এ সময়ের মধ্যে দেশের কতটুকু উন্নয়ন করতে পেরেছি। তবে এটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ভালো আছে। তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে।
শেখ হাসিনা বলেন, গণভবন জনগণের ভবন। আজ আপনারা এ অনুষ্ঠানে এসেছেন। এখানে আমি আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাই।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ১৪ দল এবং ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সংলাপ শুরু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest