সর্বশেষ সংবাদ-
গাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’

ঢাবির তিন শিক্ষক চাকরিচ্যুত

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিন্ডিকেট সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক বিপ্লব কুমার দত্ত, একই অনুষদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আজহার জাফর শাহ এবং জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের প্রভাষক অভিষেক জামান।

জানা যায়, বিপ্লব কুমার দত্ত ও অভিষেক জামান শিক্ষা ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু ছুটি শেষ হওয়ার পরও তারা বিভাগে যোগদান করেননি। তাই তাদের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতির ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেয়া আর্থিক সুবিধাও ফেরত নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে আজহার জাফর শাহ ক্লাসে অনুপস্থিত ও একাডেমিক সংশ্লিষ্টতা না থাকায় তার বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৯৬ বছরে পরীক্ষায় বসে ৯৮ শতাংশ নম্বর পেলেন এই নারী

অনলাইন ডেস্ক: শেখার কোনো বয়স নেই। সেটাই প্রমাণিত হলো ভারতের কেরালায়। ৯৬ বছরে পড়াশোনা শুরু করে কার্তিয়ানি আম্মা ৯৮ শতাংশ নম্বর পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

কেরালার আলাপুজার মুট্টম গ্রামের বাসিন্দা কার্তিয়ানি আম্মা কৃষ্ণাপিল্লা। স্থানীয় মন্দিরগুলোতে ধোয়া-মোছার কাজ করেন। ছোটবেলায় কখনো স্কুলে যাননি। সরকারি উদ্যোগে সম্প্রতি এমন কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরেছেন তিনি।
নিরক্ষরতা দূরীকরণে এ বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে ‘অক্ষরলক্ষ্যম’ প্রকল্প চালু করে কেরালা সরকার, যাতে রাজ্যে সাক্ষরতার হার শতভাগে পৌঁছায়।

প্রথম দফায় ৪৭ হাজার ২৪১ জনকে নিয়ে ক্লাস শুরু হয়। পড়তে, লিখতে এবং সাধারণ গণিত শেখানো হয় সেখানে। পঠন পাঠন শেষ হলে, পরীক্ষার আয়োজন করা হয় চতুর্থ, সপ্তম, দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য।
চতুর্থ শ্রেণিতে পরীক্ষায় বসেন কার্তিয়ানি আম্মা। তাতে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯৮ পেয়ে প্রথম হয়েছেন তিনি। ১ নভেম্বর তার হাতে মেরিট সার্টিফিকেট তুলে দেবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

আম্মা জানান, ভালো নম্বর পেয়েছি। তাতেই খুশি আমি। এখন লিখতে পড়তে পারছি। হিসাব করছি নিজে নিজে। দুই নাতনি, ১২ বছরের অপর্ণা এবং ৯ বছরের অঞ্জনা তাকে পড়াশোনায় সাহায্য করেছে বলে জানিয়েছেন। কৃতিত্ব দিয়েছেন মেয়ে আম্মিনিয়াম্মাকেও।
২০১৬ সালে ৫১ বছরে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হন আম্মিনিয়াম্মা। তাকে দেখেই নাকি অনুপ্রাণিত হন কার্তিয়ানি আম্মা।
এই মুহূর্তে নতুন ক্লাসে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। পরের বছর ইংরেজি শিখতে চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা-তারেক দলীয় পদও হারাচ্ছেন!

দেশের খবর: দণ্ডিত বা দুর্নীতিপরায়ণ কোনো ব্যক্তি বিএনপির কোনো পদে থাকতে পারবেন না—এমন বিধান বাতিল করে দলটি যে সংশোধিত গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করেছে, তা গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। দলটির সংশোধিত গঠনতন্ত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দাখিল করা এক রিট আবেদনে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ নির্দেশ দিয়ে রিটটি ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ দেন। এ আদেশের ফলে একাধিক মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের যথাক্রমে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে থাকা অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

আইনজীবীরা বলছেন, হাইকোর্টের এ নির্দেশ মানতে বাধ্য ইসি। ফলে ইসি বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করলে বা বাতিল করে দিলে বিএনপির কোনো কমিটিতে দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি থাকতে পারবেন না। আর এ কারণেই বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলটির কোনো পদে থাকতে পারবেন না বলে অভিমত আইন বিশেষজ্ঞদের। তাঁরা বলছেন, হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বিএনপির। বিএনপি যদি আপিল করে এবং আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন, সে ক্ষেত্রে খালেদা জিয়া বা তারেক রহমানের দলের শীর্ষ পদে থাকতে কোনো সমস্যা হবে না। আর যদি দলটি কোনো স্থগিতাদেশ না পায়, তবে তাঁরা পদে থাকতে পারবেন না। আইনজ্ঞরা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনের অযোগ্য। এ কারণেই দণ্ডিত কোনো ব্যক্তির বিএনপির পদে রাখার উদ্দেশ্যে দলটির গঠনতন্ত্রে সংশোধনী আনা দেশের সংবিধানের পরিপন্থী।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার যথাক্রমে ১০ ও সাত বছর কারাদণ্ড আর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও একটি অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমানের যথাক্রমে যাবজ্জীবন ও সাত বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, ‘হাইকোর্টের আদেশটি যথাযথ হয়েছে বলে মনে করি। কারণ আমাদের সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত কারণে যদি কারো দুই বছরের বেশি সাজা হয়, তাহলে সাজা ভোগ করার পর আরো পাঁচ বছর তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।’ তিনি বলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ আইন হলো সংবিধান। দেশের সংবিধানে যেখানে দণ্ডিত ব্যক্তিকে নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে একটি বড় রাজনৈতিক দলের পদে কিভাবে দুর্নীতিবাজ বা সাজাপ্রাপ্তরা থাকতে পারেন, তা বোধগম্য নয়। এটা নৈতিকতা পরিপন্থী। দুর্নীতিবাজদের রাখার জন্য কোনো রাজনৈতিক দল হতে পারে না। এ কারণেই মনে করি, হাইকোর্ট যথাযথ আদেশ দিয়েছেন। তবে এ আদেশের বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই বিএনপি বা সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল বিভাগে যাবে। আর আপিল বিভাগ যদি হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন, তবে পদে থাকতে বাধা থাকবে না।’

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, দণ্ডিত কেউ দলের পদে থাকতে পারবে না—এটাই স্বাভাবিক। দুনিয়ার সব রাজনৈতিক দলের এটাই নৈতিক মানদণ্ড। বিএনপির গঠনতন্ত্রে সেটাই তো ছিল। এখন এটা যদি পরিবর্তন করা হয়, দণ্ডিত বা সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে রাখতে রাজনৈতিক দলের পক্ষে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই অনভিপ্রেত। তাই সংশোধিত বা পরিবর্তিত গঠনতন্ত্র যাতে ইসি গ্রহণ না করে সে জন্য সঠিকভাবেই নির্বাচন কমিশনের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ করার অর্থ হবে দুর্নীতির সঙ্গে আপস করা। ইসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তো এ রকম কোনো কিছু গ্রহণ করতে পারে না। তিনি বলেন, এই সংশোধিত গঠনতন্ত্র যদি ইসি গ্রহণ না করে তাহলে সাজাপ্রাপ্তরা দলটির কোনো পদে থাকতে পারবে না।

তবে হাইকোর্টের আদেশ সম্পর্কে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। এটা কোনো সরকারি দল বা সরকারি বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান নয়। তাই একটি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো রিট আবেদন করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘যখন আইনজীবীদের আদালত বর্জন চলছে তখন সরকার সমর্থক আইনজীবী আদালতে রিট আবেদন নিয়ে গেছেন এবং আদালত থেকে একতরফাভাবে আদেশ নিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, এখন লিখিত আদেশ ও রিট আবেদনের কপি সংগ্রহ করব। এরপর আইনগতভাবে যে যে পদক্ষেপ নিতে হয়, তার সবই নেওয়া হবে।’

নির্বাচনী আইন বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের পদে নায়ক বা জেলে বা কৃষককে নেবে কি না, সেটা সেই দলের গঠনতন্ত্রের ব্যাপার। এ রকম রাজনৈতিক বিষয় আদালতে টেনে আনা উচিত নয়। কারণ হলো, রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আদালত যদি কোনো পক্ষে বা বিপক্ষে আদেশ দেন তবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠতে পারে। এতে আদালত বিতর্কিত হন। আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা কমে। এ জন্যই রাজনৈতিক প্রশ্নে মামলা হলে আদালতেরও তা গ্রহণ করা উচিত নয়। তবে তিনি বলেন, দেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো কিছু কোনো রাজনৈতিক দলে থাকতে পারে না। রাখাটাও উচিত না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে এবং এ বিষয়ে রিটকারীর আবেদনটি ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা গতকাল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে পৌঁছেনি। নির্বাচন কমিশন সচিব গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা টিভি চ্যানেলগুলোসহ সংবাদমাধ্যমে এ নির্দেশের কথা জেনেছি। কিন্তু আদেশের কোনো অনুলিপি পাইনি। অনুলিপি না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।’

রিটকারী আপনাদের কাছে যে আবেদনটি করেছিলেন সেটি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে সচিব বলেন, ‘প্রতিদিনই নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রচুর আবেদন আসে। আদালতের নির্দেশ জানার পর ওই আবেদনটি খুঁজে বের করা হয়েছে।’

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইন শাখা হাইকোর্টের নির্দেশের বিষয়টি সম্পর্কে করণীয় নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।

বিএনপির কোনো পদে থাকার অযোগ্যতা প্রসঙ্গে দলটির গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারায় ছিল, ‘নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বা যেকোনো পর্যায়ের যেকোনো নির্বাহী কমিটির সদস্যপদের কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থীপদের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তাঁরা হলেন : (ক) ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৮-এর বলে দণ্ডিত ব্যক্তি। (খ) দেউলিয়া, (গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যক্তি, (ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যক্তি।’

কিন্তু বিএনপি এই ব্যবস্থা বাতিল করে গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারা সংশোধন করে তা গত ২৮ জানুয়ারি ইসিতে দাখিল করে। সংশোধিত ৭ নম্বর ধারায় বলা হয় ‘কমিটির সদস্যপদের অযোগ্যতা/বিলুপ্ত হবে।’ আট পৃষ্ঠার ওই সংশোধনী প্রস্তাবের বিষয়ে দলীয় চেয়ারপারসন ও কাউন্সিল অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে খালেদা জিয়া ইসিতে পাঠানো চিঠিতে বলেন, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির কাউন্সিলে এসব সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। চিঠিতে আরো বলা হয়, উপরোক্ত সংশোধনীগুলো কাউন্সিলের অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হলে কাউন্সিল সর্বসম্মতিক্রমে তা অনুমোদন করে। একই সঙ্গে কাউন্সিলের গৃহীত সংশোধনী অনুযায়ী অনুচ্ছেদ ও উপ-অনুচ্ছেদগুলোর ক্রমিকের অনিবার্য পরিবর্তন, ভাষা ও ছাপার ভুলগুলো সংশোধন করার প্রস্তাবও কাউন্সিলে অনুমোদিত হয়।

বিএনপির সংশোধিত এই গঠনতন্ত্র যাতে গ্রহণ না করা হয় সে জন্য গত ৩০ অক্টোবর ইসিতে আবেদন করেন রাজধানীর কাফরুলের বাইশটেকীর বাসিন্দা মো. শাহ আলম মিয়ার ছেলে মো. মোজাম্মেল হোসেন। তিনি নিজেকে বিএনপির কর্মী দাবি করে এ আবেদন করেন। ইসি ওই দিন দুপুর পৌনে ২টায় এ আবেদন গ্রহণ করে। এরপর একই দিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন (রিট নম্বর ১৩৫৬৮/২০১৮) করেন তিনি। রিট আবেদন দাখিলকারীর আইনজীবী হলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজউদ্দিন আহমদ মেহেদী। গতকাল বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনি শুনানি করেন। এরপর আদালত ওই আদেশ দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমিন সরকার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি। আদালতের আদেশে মোজাম্মেল হোসেনের আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। এই আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে ইসিকে নির্দেশ দেন; একই সঙ্গে রুল জারি করেন আদালত। রুলে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তি পদে থাকতে পারবেন না—এমন বিধান বাদ দেওয়া কেন বেআইনি হবে না এবং সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসিতে নিবন্ধিত হওয়ার সময়ই দলীয় গঠনতন্ত্র জমা দিতে হয়। আর সংশোধন করা হলে তা-ও ইসিকে জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কোনো দলের গঠনতন্ত্র বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা দেখার দায়িত্ব ইসির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতীক্ষার সংলাপ সন্ধ্যায়, সবার চোখ গণভবনে

দেশের খবর: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু করতে আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংলাপ।আজ বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

সংলাপে আওয়ামী লীগের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেবেন ড. কামাল হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলের ২৩ জন প্রতিনিধি অংশ নেবেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মো. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্লাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডাক্তার দীপু মনি, আবদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এবং জাসদের একাংশের সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।

ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১৬ জন সংলাপে অংশ নেবেন। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের হয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সহ-সভাপতি তানিয়া রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, এসএম আকরাম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসু’র সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আ ব ম মোস্তফা আমিন গণভবনে যাচ্ছেন।

এর আগে সংলাপের আহবান জানিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন। সে চিঠির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপের অংশ হিসেবে সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্প ধারার সঙ্গে শুক্রবার (২ নভেম্বর) ও সোমবার (৫ নভেম্বর) বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপের সময় নির্ধারণ হয়েছে। এছাড়া সরকার বা দলগুলোর প্রত্যাশ্যায় আরও একাধিক দলের সঙ্গে সংলাপের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘শুধু ঐক্যফ্রন্ট বা যুক্তফ্রন্ট নয়, প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দলের সঙ্গেও সংলাপে বসতে রাজি। তবে, সময় একটি ব্যাপার, শিডিউলের বিষয় আছে। এর মধ্যেই সংলাপ করতে হবে।’

সংলাপকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে ইতোমধ্যে মৃদু সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রধানমন্ত্রীর সংলাপে বসার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হঠাৎ শেখ হাসিনার ভিডিও কলে অবাক নেতা-কর্মচারীরা!

দেশের খবর: হঠাৎ নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংযুক্ত হয়ে নেতাকর্মীদের চমকে দিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক বুধবার রাত আটটা। দিন শেষে ফেরার তাগাদা নিয়ে অফিস গুছিয়ে এনেছেন কর্মরত দায়িত্বশীলরা। কাজ শেষে চলে গেছেন অধিকাংশ নেতা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বেরিয়ে গেছেন কিছুক্ষণ আগে। এরইমধ্যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমের টিভি পর্দায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভেসে ওঠে। দলের উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আগে থেকেই রুমের এলইডি টিভিতে ভিডিও ওয়েবক্যাম লাগানো ছিল। হঠাৎ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কল করেন। সেখানে উপস্থিত কয়েকজন নেতাকর্মী প্রথমে এটাকে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ভাবলেও পরে পুরো পর্দাজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ও সবার দিকে তাকিয়ে কেমন আছেন জানতে চাওয়ায় উপস্থিত সবাই হচকিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে সোরগোলে অন্যান্য রুম থেকে সবাই কনফারেন্স রুমে চলে আসেন এবং দলীয় সভানেত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এসময় কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কার্যনির্বাহী সদস্য আমিরুল আলম মিলন, মারুফা আকতার পপি। দপ্তরে বসা ছিলেন প্রচার ও প্রকাশনা ড. হাছান মাহমুদ। তিনিও এ খবর পেয়ে দ্রুত ভিডিও স্কিনের সামনে সংযুক্ত হয়ে প্রধানমমন্ত্রীর সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। একে একে কার্যালয়ে অবস্থানরত স্টাফরাও ছুটে আসেন।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, খালি দেশ ডিজিটাল করলেই হবে না। নিজের দলকেও ডিজিটাল করতে হবে। আমি তো চাইলেও মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে কার্যালয়ে যেতে পারি না। তাই নিজের কার্যালয় ডিজিটাল করেছি। যাতে যেকোন প্রান্ত থেকেই সংযুক্ত হয়ে যেকোন বিষয়ে কথা বলতে পারি। এখন থেকে নিয়মিতই ভিডিও কলে যুক্ত হবার ইচ্ছ।

এসময় উপস্থিতত সকলে সালাম বিনিময় করেন এবং এ প্রান্ত থেকে ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গ বন্ধু’ স্লোগান দিলে খোদ শেখ হাসিনাও ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গ বন্ধু’ স্লোগান দেন। এছাড়াও তিনি কার্যালয়ের স্টাফদের কার্যালয়টি যাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে সে ব্যাপারেও নির্দেশনা দেন।

গত জাতীয় সম্মেলনের আগে থেকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডীর রাজনৈতিক কার্যালয়টি ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সুবাদে আজ তিনি ডিজিটাল ডিভাইসে ভিডিও কলে বড় পর্দায় সংযুক্ত হয়ে সংলাপের আগের সন্ধ্যায় চমক উপহার দিলেন।

এসময় কার্যালয়ের স্টাফদের মধ্যে মো. আলাউদ্দিন, জামিনুর রহমান, মাসুদুল হাসান, রায়হান কবির, আলী হোসেন নাসির, আবু সাইদ, মিজান, সাজ্জাদ হোসেন জীবন, রনি, খোকন ও রাজিব আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পেয়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও কর্মচারীরা খুশি ও উল্লসিত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে গ্রহকদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ভোগান্তি

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সরকারী অধিকাংশ ব্যাংকগুলো বিল গ্রহণ বন্ধ করায় ভোগান্তির অন্ত নেই বুধহাটা এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের। বিষয়টি আশাশুনি সাব জোনাল অফিসেরর এজিএম মধু সুধন রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে বিল জমা দিতে পরামর্শ দিয়েছেন।
জান গেছে, বুধহাটা বাজারে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক দীর্ঘদিন পল্লী বিদ্যুতের বিল জমা নিলেও বর্তমানে অফিসিয়াল নিষেধাজ্ঞার কারণে বিল নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংক বুধহাটা শাখার শাখা ব্যবস্থাপক তাপস কুমার দেবনাথ বলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড থেকে সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ বিল আদায় কার্যক্রম বন্ধের একটি নোটিশ পাঠান। সে মোতাবেক আমরা বিদ্যুৎ বিল জমা নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। অন্যদিকে বুধহাটা বাজারে অবস্থিত রূপালী ব্যাংক তাদের অফিসের জনবলের অভাবের কারণে ২০১৬ সালের পর থেকে বিদ্যুৎ বিল নেওয়া বন্ধ করে দেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে রূপালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা বলেন, আমার যোগদানের আগে থেকেই এ শাখায় বিদ্যুৎ বিল নেওয়া বন্ধ আছে। তবে ব্যাংকে জনবল বাড়ছে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সাথে যোগাযোগ করে আগামী জানুয়ারি’১৯ থেকে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণের আশা ব্যক্ত করেন তিনি। সরকারী দুটি ব্যাংক বিদ্যুৎ বিল নেওয়া বন্ধ করায় গ্রাহকরা বাধ্য হয়ে বুধহাটা বাজারে সদ্য প্রতিষ্ঠিত আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকে বিল ব্যতিত অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছেন বলে জানাগেছে। এব্যাপারে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এর কাছে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, পল্লী বিদ্যুৎ থেকে অনুমতি স্বাপেক্ষে বিলের অর্থ বাদে অতিরিক্ত বিল নেওয়ার অনুমতি আছে। তবে তারা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোন বৈধ্য কাগজপত্র এ প্রতিবেদককে দেখাতে পারেননি। জানাগেছে, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক পল্লী বিদ্যুতের বিলের অর্থ ছাড়া ৬শত টাকা পর্যন্ত বিলে ৫টাকা, ৬শত এক টাকা থেকে ১৫শত টাকা পর্যন্ত বিলে ১০টাকা এবং ১৫শত টাকা উর্দ্ধের সকল বিলে অতিরিক্ত ১২টাকা করে নিচ্ছেন বলে জানান তারা। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারা গ্রামের সহজ সরল ব্যক্তি আব্দুল গফুর জানান, আমি লেখাপড়া জানিনা। আমি হত দরিদ্র পরিবারের লোক। আমি প্রতিমাসে সোনালী ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতাম। কিন্তু আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকে বিল দিতে গিলে আমার কাছে বিল বাদে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে। কিন্তু আগেতো ব্যাংকে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগতো না! বিল দিতে এসে আব্দুল গফুরের মত শত শত গ্রাহককে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এছাড়া কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি শাখার কৃষি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা প্রতি মাসের ১১তারিখ থেকে ৩০ বা ৩১ তারিখ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ করছি। এমতাবস্থায় পূর্বের ন্যায় ভোগান্তি ছাড়া সরকারী ব্যাংক গুলোতে পল্লী বিদ্যুৎ বিল গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৃহকর্মীকে মানবাধিকারকর্মীর অমানবিক নির্যাতন!

দেশের খবর: রাজধানীর বনশ্রীতে এক গৃহকর্মীকে অমানবিক নির্যাতন করেছেন তার গৃহকর্তা। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় গৃহকর্তা শরীফ চৌধুরী ও তার স্ত্রী নাঈমাকে আটক করা হয়েছে। তিনি নিজেকে মানবাধিকারকর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন। তবে তার কাছ থেকে এই পরিচয়ের কোনো আইডি কার্ড পায়নি পুলিশ।

বুধবার দুপুরে দক্ষিণ বনশ্রী ১১ নম্বর সড়কের ৪৩ নম্বর বাড়ির ছয়তলা থেকে ওই কিশোরী গৃহকর্মীকে উদ্ধার করেন খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধারে ওই বাড়িতে গেলে শরীফ চৌধুরী নিজেকে মানবাধিকারকর্মী বলে পরিচয় দিয়ে পুলিশকে অসহযোগিতা করেন। পরে একপর্যায়ে কিশোরীকে আমাদের সামনে আনা হলে তাকে উদ্ধার করে শরীফকে আটক করা হয়।

ঢামেক সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহকর্মীর পায়ের পাতা ফোলা। পুরো পিঠে অসংখ্য ভোতা অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ঢামেকে ওই কিশোরী নিজেই সাংবাদিকদের জানান, ওই বাসায় কাজ করার সময় কোনো ভুল হলেই তাকে রড দিয়ে পেটানো হতো।

খিলগাঁও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, কিশোরীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ওই কিশোরীর পরিবার থানায় এসে মামলা করবেন বলে জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থী ৫২৪৪ জন

আশাশুনি ব্যুরো : সারা দেশের ন্যায় ১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় আশাশুনি উপজেলার ৬টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ২ শত ৪৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবে। সুষ্ঠু ও নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
৫২৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জেএসসিতে ৪ হাজার ৭৫ জন এবং জেডিসিতে ১ হাজার ১ শত ৬৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। জেএসসি কেন্দ্রের মধ্যে আশাশুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৭৪ জন ছাত্রী ও ৭৫৭ জন ছাত্র, মোট ১৩৩১ জন। দরগাহপুর কলেঃ স্কুল কেন্দ্রে ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০৮ জন ছাত্রী ও ২৫৬ জন ছাত্র, মোট ৫৬৪ জন, বুধহাটা কলেঃ স্কুল কেন্দ্রে ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬০৪ জন ছাত্রী ও ৬৪৭ জন ছাত্র, মোট ১২৫১ জন এবং বড়দল কলেঃ স্কুল কেন্দ্রে ১৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯২৯ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। জেডিসি কেন্দ্রের মধ্যে আশাশুনি আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্রে ২১টি মাদরাসার ৮১১ জন এবং গুনাকরকাটি কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে ৮টি মাদরাসার ৩৫৮ জন পরীক্ষার্থী জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest