সর্বশেষ সংবাদ-
আ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণ

পার্টিতে বেলুন ব্যবহারে সতর্ক হোন!

অনলাইন ডেস্ক: জন্মদিনের অনুষ্ঠান বা যেকোনো পার্টিতে রঙ বেরঙের বেলুন থাকবে না, সেটা চিন্তাই করা যায় না। আনন্দ উদযাপনে বেলুণ এখন নিত্য উপাদান। বেলুনগুলো বর্ণিলভাবে সাজানো থাকে বা চারিদিকে ভাসতে থাকে।
তবে আজ থেকে আপনি আপনার সন্তানের জন্মদিনে বেলুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে দু’বার ভাববেন। কারণ, এই বেলুন আপনার সন্তানের স্থায়ীভাবে শ্রবণ ক্ষমতা হ্রাসের কারণ হতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টার গবেষকরা একটি বেলুন ফাটানোর পর যে শব্দ দূষণ হয় তার মাত্রা নিরূপণ করেছেন। তারা তিন পদ্ধতিতে বেলুনগুলো ফাটান- পিনের সাহায্যে, চাপ প্রয়োগ করে এবং ততক্ষণ পর্যন্ত বায়ু ঢুকিয়ে যতক্ষণ না পর্যন্ত বেলুনটি বিস্ফোরিত হয়।

এর মধ্যে বায়ু ঢুকিয়ে ফাটানো অর্থাৎ মুখ দিয়ে বেলুন ফোলানোর সময় তা বিস্ফোরিত হলে সর্বোচ্চ শব্দ হয়। গবেষকরা দেখেছেন এ সময় ১৬৮ ডেসিবল পর্যন্ত শব্দ তৈরি হতে পারে, যা একটি শর্টগানের শব্দের চেয়ে বেশি এবং ৩৫৭ ম্যাগনাম রিভলবার এর সমতুল্য।

এই মাত্রার শব্দ একজন প্রাপ্ত বয়স্কের জন্যও অনিরাপদ। অন্য দুই পদ্ধতিতে বেলুন ফাটলে কিছুটা কম শব্দ উৎপন্ন করে। কিন্তু, তারপরও তা বিবেচ্য বিষয়।

এটা ঠিক যে, বেলুন এমন কোনো উপাদান নয় যে তা প্রাত্যহিক জীবনে হুমকি বয়ে নিয়ে আসবে। বরং এটি মজার ও মন ভালো করে দেবার উপাদান বটে। কিন্তু, সম্ভাব্য শ্রবণ ঝুঁকির সমাধান হতে পারে বাচ্চাদের বেলুন ফাটানো থেকে বিরত রেখে। কারণ, এই শব্দ কানের ভেতরের লোমগুলো ধ্বংস করে ফেলে দেয়, যা পরবর্তীতে আর গজায় না এবং এটি স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি হ্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরো অনেক উপকার। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান করে তোলে। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিন।
সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপযোগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।
ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রন।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে : যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভালো পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়ঃসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভালো রাখতেও সাহায্য করে।

রক্ত চলাচল : যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খান তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।

রমজানে : রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম।

কোলেস্টেরল : ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়।

ডায়াবেটিসে উপকারী : ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভালো। ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম এর সবই শরীরের উপকারে আসে।

রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।

অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।

জ্বালাপোড়া দূর করে: সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।

কিছু টিপস:
১. ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়।
২. এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস।
৩. এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান।
৪. খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না।
৫. ত্বকে আনে মসৃণতা।
৬. তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো।

তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর ১০ উপায়

অনলাইন ডেস্ক: মানসিক স্বাস্থ্য হচ্ছে সামাজিক, আবেগ এবং মানসিক অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। মেডিকেল ট্রিটমেন্টের পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু কার‌্যক্রমের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানো সম্ভব।
হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রফেসর গ্যারি পি পিসানোর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো কিছু শেখার পেছনে চিন্তাশীলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আমেরিকান দার্শনিক মনোবিজ্ঞানী জন ডেওয়ে’র মতে, আমরা অভিজ্ঞতা থেকে শিখি না। আমরা শিখি অভিজ্ঞতা রোমন্থন করার মাধ্যমে।
ম্যানেজমেন্ট প্র্যাকটিস অ্যান্ড হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের প্রফেসর বিল জর্জ এর পরামর্শ- প্রতিদিন কোনো এক সময় কমপক্ষে বিশ মিনিট বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিজেকে মূল্যায়ন করা, জীবনের কোনো বিশেষ ঘটনা এবং মানুষের দ্বারা কীভাবে প্রভাবিত হয়েছেন সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে চিন্তা করা। এতে করে নিজের সম্পর্কে বুঝতে পারবেন আপনি আসলে কেমন। এতে মন ও ব্রেনের মধ্যে এক ধরনের সমন্বয় ঘটে যা মানুষের রাগ ও উত্তেজনা কমিয়ে মানসিক প্রশান্তি দেয়।

করণীয়:
. কোনো ডায়েরিতে নিজের চিন্তাগুলো লিখে রাখা: মানসিক প্রফুল্লতা বাড়ানোর জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। ভালো কোনো চিন্তা নোট করে রেখে সেগুলো বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

. হাঁটাহাঁটি করা বা হালকা জগিং করা: নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরিক এবং মানসিকভাবে প্রশান্তি পাওয়া যায়। এ কারণে শারীরিক কোনো পরিশ্রমের কাজ বেছে নিতে হবে। এটা সপ্তাহে অন্তত তিনবার করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ১৫মিনিট হাঁটার অভ্যাস করতে হবে। এতে হার্ট রেট বেড়ে যাবে। হাঁটার সময় শরীর হাইড্রেটেড থাকা নিশ্চিত করতে হবে।

. নিয়মিত বই পড়া: আপনার ভালো লাগে এমন কোনো বই পড়তে পারেন। বই পড়ার জন্য নিরিবিলি জায়গা বেছে নেওয়া ‍উচিত যাবে পড়ার ব্যাঘাত না ঘটে। পড়ার মাঝে মাঝে হালকা বিরতি নিতে পারেন। পড়ার সময় কোনো বিষয় তাৎপর‌্যপূর্ণ বিষয় মাথায় বা মনে আসলে তা নোট করে রাখতে পারেন। আর যদি পারেন একই পড়া দুয়েকদিন পর পর রিভিউ দিতে পারেন।

. রাতে ভালো ঘুম নিশ্চিত করা: ঘুমাতে যাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে। মনকে শান্ত করে এবং ইতিবাচক চিন্তা আসবে এমন কোনো ভালো বই ঘুমানোর আগে পড়তে পারেন। খালি পেটে এবং পেটের জন্য স্বস্তিকর নয় এমন কোনো খাবার খেয়ে ঘুমাতে যাওয়া ঠিক নয়।

. কম সময়ে অর্জন করা যায় এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করা: লক্ষ্য নির্ধারণের সময় দীর্ঘ হলে হতাশা বেড়ে যায়। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর‌্যন্ত মানসিক চাপের মধ্যে থাকতে হয়।

. শখের চর্চা করা: এমন কিছু শখের বিষয় খুঁজে বের করুন। যেখান থেকে আপনি কিছু শিখতে পারবেন। এতে আপনার সময়টাও আনন্দের সঙ্গে কাটবে।

. ভালো কিছু বা ইতিবাচক চিন্তা করা: নিজের সঙ্গে নিজে কথা বলুন। অন্য এবং নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক বিষয় নিয়ে ভাবুন। মনে মনে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা করলে অন্যের সঙ্গে কথা বলার

. মেডিটেশিন করা: মেডিটেশন হল এমন এক অবস্থা যখন আমাদের মস্তিষ্ক অপ্রয়োজনীয় সবকিছু থেকে নিজেকে আলাদা করে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নিমগ্ন হয় এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ও নিখুঁতভাবে ব্যবহার করতে শেখে। দৈনিক ১০-১৫ মিনিট মেডিটেশন মানসিক সুস্থতা রক্ষা ও বুদ্ধির বিকাশে অনেক ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

. সৎ থাকতে হবে তবে নিজের প্রতি কঠোর হওয়া যাবে না

. স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েট চার্ট মেনে চলতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টানা বসে থাকলে অকাল মৃত্যু অনিবার্য!

অনলাইন ডেস্ক: বসে থাকার চাকরি। অবসরও কাটে বসে বসেই। আড্ডাও চলে শুয়ে-বসেই। কিন্তু বেশিক্ষণ বসার মধ্যেই লুকিয়ে আছে বিপদ। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, ৩ ঘণ্টার বেশি টানা বসে থাকলে ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক বা ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুণ। এমনকি মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে। চাকরি হোক বা অবসর, আড্ডা হোক বা কাজ, টানা বসে থেকেছেন কি মরেছেন!

দিনে ৩ ঘণ্টার বেশি টানা বসে থাকলেই বিপদ। সারা বিশ্বে প্রতি বছর যত মানুষের মৃত্যু হয়, তার ৪ শতাংশ মৃত্যু হয় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে। সংখ্যাটা ৪ লাখ ৩৩ হাজার।

স্পেনের সান জর্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই মারাত্মক তথ্য।

গবেষকরা বলছেন, খুব কম বিরতিতে একভাবে বসে কাজ করলে বা টিভি দেখলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৯০ শতাংশ। ৫০ শতাংশ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। ৫৪ শতাংশ ফুসফুস ক্যান্সার, ৬৬ শতাংশ জরায়ু ক্যান্সার ও কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কুকুরের সঙ্গে কুকর্ম করতে বলেছিল সাজিদ’

বিনোদনের খবর: হলিউড থেকে সমুদ্র পেরিয়ে #MeToo এসে পৌঁছে গিয়েছে বলিউডে৷ নায়িকা, মহিলা প্রযোজক থেকে শুরু করে সাহস নিয়ে এগিয়ে এসেছে ফিল্ম সেটের ফিমেল ক্রিউ মেম্বাররাও৷ আর তাঁদের অভিযোগেই যে সকল নাম যৌন হেনস্তায় উঠে আসছে, তাতে অবাক হওয়া ছাডা় গতি নেই৷ অভিযুক্তদের খাতাতে ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে নাম৷ যদিও প্রত্যেক অভিযুক্তই অস্বীকারই করে চলেছেন অভিযোগ শুনে৷

#MeToo অভিযোগের জেরে ‘ক্যারিয়ারের ক্ষতি হয়েছে’ বলে IFTDA-কে লেখা চিঠিতে স্বীকার করেছেন বলিউডের পরিচালক সাজিদ খান। অভিনেত্রী, মডেল, সাংবাদিক মিলিয়ে কমপক্ষে চারজন নারী যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন সাজিদের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল আরও এক অভিনেত্রীর নাম। অহনা কুমরা।
টিভির পর্দায় তিনি পরিচিত নাম। ‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বুরখা’র জন্য সম্প্রতি প্রশংসিত হয়েছেন অহনা। সম্প্রতি ‘দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাজিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন এই তরুণ অভিনেত্রী।
অহনা বলেন, ‘একবছর আগে সাজিদ খানের সঙ্গে আমার এক মিটিং ছিল। সালোনি চোপড়ার মতোই আমার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছিল। বাড়িতে ডেকে একটা অন্ধকার ঘরে নিয়ে গিয়েছিল সাজিদ। সেখানে টিভি-তে যা দেখছিল, আমাকেও তাই দেখতে বলা হয়।’
এরপর সাজিদ তাঁকে ‘স্পর্শ না করলেও’ প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তোমাকে যদি আমি ১০০ কোটি রুপি দিই, তুমি কুকুরের সঙ্গে সেক্স করবে?’ টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন অহনা।
শুধু সাজিদ নন, কাস্টিং ডিরেক্টর অনির্বান ব্লা-এর বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন অহনা কুমরা। ‘এক পাঁচতারকা হোটেলের লবিতে দেখা হলে, অনির্বান আমাকে বলেছিল, ওপরে রুম আছে। গিয়ে কথা বলতে পারি।’
পরে ‘অনির্বানের চিঠিতে ক্ষমা প্রার্থনা দেখে খুশি’ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘অন্তত সে নিজের ভুল স্বীকার করেছে।’

প্রসঙ্গত, #MeToo-র জেরে চাকরি হারানোর পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন অনির্বান ব্লা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২ কোটি যায় বসের পকেটে, আমি পাই ৪২ লাখ

অনলাইন ডেস্ক: ট্রেন থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও টাকাসহ গ্রেফতার চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসকে দুইদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার শুনানি শেষে তার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় সোহেল রানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মজিদ। দুইদিন থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) জেলার সোহেল রানাকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে বিপুল পরিমাণ টাকা ও মাদকসহ গ্রেফতারের পর শনিবার কিশোরগঞ্জ আদালতে চালান দিয়ে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশের ওসি আবদুল মজিদ গণমাধ্যমকে বলেন, রিমান্ডে সোহেল রানা জানিয়েছেন ওই দিনের জব্দকৃত ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মধ্যে ১২ লাখ টাকা ছিল চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি প্রিজন পার্থ কুমার বণিক ও সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিকের। জব্দকৃত আড়াই কোটি টাকা ও ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেকের উৎস সম্পর্কে সোহেল রানা বলেছেন টাকাগুলো কারাগারে মাদক ব্যবসাসহ অবৈধভাবে রোজগার করেছেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আজনা যায়, সোহেল পুলিশকে আরও বলেছেন চট্টগ্রাম কারাগারে অবৈধভাবে প্রতি মাসে আড়াই কোটি টাকা রোজগার হয়। এই টাকার অংশ হিসেবে মাসে ৪২ লাখ টাকা ভাগ পান সোহেল। বাকি দুই কোটি টাকা তার ঊর্ধ্বতন দুই বসকে দেয়া হয়। তবে ওই দুইজন ঊর্ধ্বতন বসের নাম বলেননি সোহেল।

গ্রেফতার হওয়ার দিন ট্রেনে ময়মনসিংহ গিয়ে ২৮ অক্টোবর চেকের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনের পর ১ নভেম্বর ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল সোহেলের। এদিন কাশিমপুর কারাগারে গিয়ে জেলারদের সঙ্গে সভা করে এসব টাকার ভাগের অংশ চট্টগ্রামের ডিআইজি প্রিজন ও সিনিয়র জেল সুপারের লোকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল তার।

কারাগারে অবৈধভাবে টাকা কামানোর বিষয়ে সোহেল পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়ে বলেন, ঠিকাদার অজিত নন্দির মাধ্যমে কাঁচা বাজারের সঙ্গে মাদক ঢুকিয়ে কারাগারের মাদকাসক্ত বন্দিদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি, বন্দিদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে অন্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করানো, কারাগারে ভালো রুমে কম বন্দিদের সঙ্গে আরামে রাখা, রিমান্ডের আসামিকে কষ্ট না দিয়ে ভালোভাবে রাখা, দীর্ঘদিন সাজাপ্রাপ্ত ও কয়েদিদের স্ত্রীর সঙ্গে রাতযাপনের সুযোগ করে দেয়া, বেশি টাকা দিলে হাসপাতালে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া, সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের বিনাশ্রমে রাখা, বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের অপরিচ্ছন্ন কাজ করানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, কারাগারে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ, স্থানীয় বন্দিদের দূরের কারাগারে স্থানান্তরের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, এমনকি খারাপ বন্দিদের দিয়ে ভালো বন্দিদের প্রতিদিন নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হতো।

কারারক্ষী আনোয়ারের নেতৃত্বে আটজন কারারক্ষী এবং কয়েকজন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী এসব কাজে আমাকে সহযোগিতা করতেন। অবৈধভাবে এসব টাকা রোজগারের বিষয়টি আমার দুইজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানতেন। প্রতি মাসে অবৈধ আয়ের টাকা পরের মাসের ৫ তারিখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাঝে ভাগ-বাটোয়ারা হতো। যদিও আমি ধরা পড়ার পর বিষয়টি অস্বীকার করছেন তারা।

এদিকে, এ ঘটনার পর গত ২৮ অক্টোবর কারা মহাপরিদর্শক কার্যালয় থেকে সোহেল রানা বিশ্বাসকে বরখাস্ত করা হয়। একইসঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান সহকারী কারা মহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

তবে সোহেল রানার জবানবন্দির অভিযোগ অস্বীকার করে চট্টগ্রাম কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেছেন, নানা অপকর্ম, অফিসিয়াল শৃঙ্খলা ভঙ্গ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতসহ বিভিন্ন অভিযোগে এর আগেও তিনবার বরখাস্ত হয়েছিলেন সোহেল রানা। প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সোহেল মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক গল্প সৃষ্টি করে এসব কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। অবৈধ টাকার উৎস সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্তে সব প্রমাণ হবে।

একইসঙ্গে জেলার সেহেল রানা বিশ্বাসের জবানবন্দির এসব বিষয় অস্বীকার করে চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি প্রিজন পার্থ কুমার বণিক বলেন, জেলার সোহেল একজন মাদকসেবী। তার অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক। পুলিশের হাতে বিপুল টাকা নিয়ে গ্রেফতারের পর অসত্য কথা বলেছেন সোহেল। ওই টাকা এবং আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সঠিক নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশীট

বিদেশের খবর: মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় চার্জশীট দিয়েছে সেদেশের দুর্নীতি দমন সংস্থা। ক্ষমতা হারানোর পর এই চার্জশীট তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ফেলে দিল।
নাজিবের বিরুদ্ধে ৭০০ মিলিয়ন ডলার দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার, বিশ্বাসভঙ্গসহ আরো বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
তবে নাজিব সবগুলো অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দোষী প্রমাণ হলে তার ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪১ বছর বয়সে জেএসসি পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক: অভাব-অনটনের কারণে শৈশবে স্কুলে যেতে পারেননি হরষিত বাড়ৈ। ছোটবেলায় হরষিত বাড়ৈর বাবা মারা যান। খেত-খামারে কাজ করে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। তাই শৈশবে স্কুলে যাওয়া হয়নি তার।
তবে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ ছিল প্রবল। অভাব-অনটনের কারণে প্রবল ইচ্ছাকে দমিয়ে রাখতে হয়েছিল হরষিত বাড়ৈকে। জীবনের মাঝামাঝি বয়সে এসে পড়ালেখা শুরু করেন হরষিত বাড়ৈ। ৪১ বছর বয়সে এবার অষ্টম শ্রেণির সমাপনী (জেএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তিনি।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাজিহার ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের শিক্ষার্থী হরষিত বাড়ৈ (৪১) বৃহস্পতিবারের শ্রীমতী মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী উপজেলা কোটালীপাড়া রামশীল গ্রামের মৃত হরে কৃষ্ণ বাড়ৈর ছেলে হরষিত বাড়ৈ। তার মায়ের নাম পবিত্র বাড়ৈ।

হরষিত বাড়ৈ বলেন, ছোটবেলায় বাবা মারা যান। এরপর অন্ধকার নেমে আসে আমার ও মায়ের জীবনে। যে বয়সে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সে বয়সে পরিবারের হাল ধরতে হয়েছে আমাকে। লেখাপড়া আর করা হয়নি। খেত-খামারে কাজ করে সংসার চালাতে হয়েছে। তবে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ ছিল সবসময়। লেখাপড়া ছাড়া কোনোভাবেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। চতুর্থ শ্রেণির একটি চাকরির আবেদন করতে অন্তত অষ্টম শ্রেণির একটি সনদপত্র দরকার হয়। যখন বুঝতে পেরেছি তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বুঝতে পারার পর নতুন উদ্যমে পড়ালেখা শুরু করি। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আগৈলঝাড়ার রাজিহার ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিষয়ে ভর্তি হই। এবার নিয়মিত ছাত্র হিসেবে অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছি।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল চন্দ্র দাসের নজর পড়ে পরীক্ষার্থী হরষিত বাড়ৈর ওপর। ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাস হরষিত বাড়ৈর প্রবেশপত্রটি দেখে অবাক হন।
ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, লেখাপড়ার কোনো বয়স নেই। যেকোনো বয়সে লেখাপড়া করা যায়। তার অনন্য উদাহরণ হরষিত। জ্ঞান অর্জনের জন্য বয়সের চেয়ে নিজের ইচ্ছা শক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে হরষিত লেখাপড়া করায় বর্তমান সমাজে দেশের জন্য একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তার থেকে অনেকেরই শিক্ষা নেয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest