সর্বশেষ সংবাদ-
গাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’

আশাশুনিতে নতুন ইউএনও আলিফ রেজার যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক: আশাশুনি উপজেলায় নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন।মীর আলিফ রেজা। বুধবার তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেন।
মীর আলিফ রেজা খুলনা কমিশনার অফিসে যোগদান শেষে আশাশুনিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগদান করেন। তিনি ইতিপূর্বে পটুয়াখালীতে সহকারী কমিশানর (ভূমি) হিসাবে কর্মরত ছিলেন। এরপর বরগুনা ও শরনখোলায় দায়িত্ব পালন শেষে স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাজ্য গমন করেন। যুক্তরাজ্য থেকে প্রত্যাবর্তন করে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। সেখান থেকে খুলনা কমিশনার অফিস হয়ে আশাশুনিতে যোদগান করেন।
উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফফরা তাসনীন আশাশুনি উপজেলা থেকে বদলি হয়ে কুষ্টিয়া জেলার খোকশা উপজেলায় যোগদান করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে উৎপাদিত চালে আর্সেনিকের উপস্থিতি ৮০-৯০ ভাগ

দেশের খবর: পানি ও ধান আর্সেনিকের অন্যতম উৎস। পৃথিবীর ৮০টি দেশের প্রায় ২০০ মিলিয়ন মানুষ আর্সেনিক দ্বারা আক্রান্ত। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৮০ মিলিয়ন মানুষ আর্সেনিকে আক্রান্ত। আমাদের দেশে মানুষ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪২০ গ্রাম ভাত খায়।

গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশে উৎপাদিত চালে প্রায় শতকরা ৮০-৯০ ভাগ অজৈব আর্সেনিকের উপস্থিত রয়েছে। অজৈব আর্সেনিক জৈব আর্সেনিকের তুলনায় অনেক বেশি বিষাক্ত। ধান সিদ্ধ করার প্রচলিত পদ্ধতির কিছুটা পরিবর্তন ঘটিয়ে বিকল্প পদ্ধতির মাধ্যমে ধান হতে আর্সেনিক অপসারণে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।

বুধবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ‘চাল থেকে অজৈব আর্সেনিক অপসারণ’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়। নেসলে ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুইন্স ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠানের আায়োজন করা হয়।

চাল বাংলাদেশের প্রধান শস্য জাতীয় ফসল। কারণ দেশের মানুষের প্রধান খাদ্যই ভাত। কিন্তু চালে আর্সেনিকের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে উৎপাদিত চালে প্রায় শতকার ৮০-৯০ ভাগ অজৈব আর্সেনিকের উপস্থিত রয়েছে। ধান চাষের সময় সেচের জন্য ব্যবহৃত ভূগর্ভস্থ পানি এই অর্সেনিকের উৎস। আর এই অজৈব আর্সেনিক মানুষের শরীরের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর। এটি শরীরের মধ্যে প্রবেশ করলে ত্বক,লিভার ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয় মানুষ। ধান সিদ্ধ করার প্রচলিত পদ্ধতির কিছুটা পরিবর্তন ঘটিয়ে বিকল্প পদ্ধতির মাধ্যমে ধান হতে আর্সেনিক অপসারণ করা সম্ভব। বিকল্প এই পদ্ধতিতে প্রথমে ধান পানিতে ভেজানোর পূর্বে হাস্কিং মেশিনের সাহায্যে ধানের উপরের খোসা অপসারণ (হাস্ক) করা হয়। এরপর ওই শস্যকে ১২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ১০ মিনিট দ্বিগুন পরিমাণ ফুটন্ত পানিতে সিদ্ধ করে রোদে শুকানো হয়। তারপর পলিশিং এর মাধ্যমে ধানের কুঁড়া অপসারণ করা হয়। উক্ত পদ্ধতির মাধ্যমে জাতভেদে চালের শতকরা ৬৮ ভাগ পর্যন্ত অজৈব আর্সেনিক অপসারণ সম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আবেদীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জহির উদ্দিন, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণা প্রকল্পের প্রধান অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন সুমন। এসময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সম্প্রসারণ বিভাগের বিজ্ঞানীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংলাপে অংশ নেবে ঐক্যফ্রন্ট, নৈশভোজে না

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে অংশ নেবে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট। তবে নৈশভোজে অংশ নেবেন না ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

নৈশভোজে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

মান্না বলেন, ‘একটি ক্রাইসিস মুহূর্তে সংলাপে যাচ্ছি আমরা। সেখানে নৈশভোজের তো কিছু নাই। আমরা যাব আলোচনা করতে, রাতের খাবার গ্রহণ করতে নয়।’

মান্না আরো বলেন, ‘খাবার খাওয়ার তো সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে না, সামনে আরো অনেক সময় আছে তখন খাওয়া যাবে। আগে সংলাপে ভালো কোনো ফলাফল আসুক তখন আমরা খাব।’

আজ বুধবার রাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সিদ্ধান্ত নেয় গণভবনের নৈশভোজে অংশ না নেওয়ার। কেন নৈশভোজে অংশ নেবেন না জানতে চাইলে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সংলাপে যাচ্ছি। সেটার আগে সফলতা আসুক, পরেও খাওয়া যাবে। এখানে অন্য কারণ খোঁজার কিছু নেই।’

মান্না আরে বলেন, ‘আমরা আগামীকাল সংলাপে অংশ নেব বিষয়টি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদককে নিশ্চিত করেছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক পদে ৬৩৩ জনকে পদোন্নতি

শিক্ষা সংবাদ: সরকারি কলেজের প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে ৬৩৩ জনকে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।

আজ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য জানায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকরা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়ে আগের পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে গণিত বিষয়ে ৬৭ জন, অর্থনীতি বিষয়ে ৫৪ জন, আরবি ও ইসলামী শিক্ষার ৩৩ জন, হিসাব বিজ্ঞানের ৪১ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের ৩২ জন, ইংরেজি বিষয়ের ৪৫ জন, ইতিহাস বিষয়ের ২৮ জন, উদ্ভিদবিদ্যার ৩৪ জন, কৃষি বিজ্ঞানের দুজন, গার্হস্থ্য অর্থনীতির ছয়জন, তাফসিরের একজন, দর্শনের ৩৮ জন, পদার্থবিদ্যার ২৪ জন, পরিসংখ্যানের তিনজন, প্রাণিবিদ্যার ৩৫ জন, বাংলার ৩৩ জন, ব্যবস্থাপনার ৩৬ জন, ভূগোলের ১০ জন, মার্কেটিংয়ের একজন, মৃত্তিকা বিজ্ঞানের তিনজন, মনোবিজ্ঞানের একজন, রসায়নের ২৮ জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৩৮ জন, সমাজকল্যাণের ১৯ জন, সমাজ বিজ্ঞানের ২১ জন ও সংস্কৃতের একজন শিক্ষক রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় দুই উপজেলা আ.লীগের উদ্যোগে সংসদ নির্বাচনী আলোচনা সভা

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে তালা ও কলারোয়া উপজেলার দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এক আলোচনা সভা করেছেন কলারোয়ায় উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন। বুধবার দুপুরের দিকে তাঁর নিজস্ব বাসভবনে ওই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কলারোয়ার আ.লীগ নেতাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইখতিয়ার হোসেন, ধানদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ডা.শহীদুল ইসলাম, নগরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান সম আক্তারুল আলম, সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, তেতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইসলামকাটি ইউপি চেয়ারম্যান সুভাষ সেন, মাগুরা ইউপি চেয়ারম্যান গনেশ দেবনাথ, খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন গোলদার, খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান রাজু, তালা আ.লীগ নেতা আ.আজিজ, রবিউল ইসলাম মুক্তি, রামপ্রসাদ দাস, মাস্টার শহীদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আতিয়ার রহমান, রফিকুল ইসলাম, আ.হান্নান, সমীর দাস, যুবলীগ নেতা শহীদুল ইসলাম খাঁ, কলারোয়া পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র, মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল, ইউপি চেয়ারম্যানগণ মাস্টার নুরুল ইসলাম, শামছুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, রবিউল হাসান, আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, মাহবুবুর রহমান মফে, আফজাল হোসেন হাবিল, শেখ ইমরান হোসেন, আসলামুল আলম আসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি, আবুল কালাম আজাদ (ভারপ্রাপ্ত) প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃহস্পতিবার শুরু জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকে (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা ২০১৮। সারা দেশের ন্যায় আজ (১ নভেম্বর ২০১৮) তারিখ হতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের অধীনে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। ২০১৮ সালের সাতক্ষীরা জেলায় জেএসসি পরীক্ষায় ২৩ টি কেন্দ্রে সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ হাজার ৩ শত ১৭ জন এবং জেডিসি পরীক্ষায় ১৩টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ হাজার ৭৬ জন। সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৩ শত ৯৩ জন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৪শত ৮৮ জন। সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৫শত ৮৫ জন। নবারুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৪ শত ২৯ জন। জেডিসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫শত ৮৮ জন। আবু বকর সিদ্দিক (রা:) ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ শত ১৪ জন। আগরদাড়ি আমিনিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শত ৮০জন।
কলারোয়া উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় কলারোয়া জি,কে, এম, কে পাইলট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৭শত ১৬ জন। সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ শত ৮০ জন। খোর্দ্দ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ৬৩ জন। কলারোয়া গার্লস পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ শত ৪ জন। জেডিসি পরীক্ষায় কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শত ৯৩ জন।
তালা উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় তালা সরকারি বি, দে মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৬ শত ৮ জন। কুমিরা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ৮৫ জন। খলীষখালি মাগুরা এসসি কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ৭০ জন। আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ শত ৩০ জন। জেডিসি পরীক্ষায় তালা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শত ৬৬ জন। পাটকেলঘাটা আল আমিন ফাযিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ শত ৬৫ জন।
আশাশুনি উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ শত ৩২জন। দরগাপুর এম কে আর এইচ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ৬৩ জন। বুধহাটা বি বি এম মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ শত ৫১ জন। বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ শত ১৭ জন। জেডিসি পরীক্ষায় আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ শত ১১ জন। গুনাকরকাটি আজিজিয়া খাইরিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ শত ৮ জন।
কালিগঞ্জ উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৫শত ৭১ জন। নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শত ১১ জন। চাম্পাফুল আ.প্র. চ. মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ শত ৯৩ জন। জেডিসি পরীক্ষায় কালিগঞ্জ নাছরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ শত ৩৮ জন। নলতা মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শত ২৬ জন।
দেবহাটা উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ শত ৬ জন। পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৬ জন। জেডিসি পরীক্ষায় দেবহাটা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ শত ৩৮ জন।
শ্যামনগর উপজেলায় জেএসসি পরীক্ষায় নকিপুর সরকারি এইচ, সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৩ শত ৯০ জন। নওয়াবেকীঢ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ ষথ ৫০ জন। নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষর্থীর সংখ্যা ৯ শত ৬৬ জন। জেডিসি পরীক্ষায় শ্যামনগর কেন্দ্রিয় আলিম মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১৬ জন। নওয়াবেকী বিড়ালক্ষী কাদেরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ শত ৮৩ জন।
পরীক্ষা কেন্দ্রের ২ শ গজের মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ করার জন্য ফৌঃ কাঃ বিধির ১৪৪ ধারা জারী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ থাকবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশী করে কেন্দ্রে ঢোকানো হবে। যাতে পরীক্ষার্থীদের কাছে কোনো প্রকার অবৈধ কাগজপত্র সাথে না থাকে। ছাত্রীদের গেটে তল্লাশী না করে কোন একটি কক্ষে তল্লাশী করা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রেরর আশ-পাশে এক কিলোমিটারের মধ্যে সকল ফটোষ্টাট মেশিন পরীক্ষা চলাকালে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র সচিবগণ ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। পরীক্ষার্থীদের তাৎক্ষনিক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে জেল ও উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্রে সমূহে ডাক্তার নিয়োগ থাকবে। পরীক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানোর অজুহাতে কোন কর্মচারী হলে প্রবেশ করতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে কক্ষের সামনে পানি ভর্তি কলস ও গ্লাসের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ফোর্স নিয়োগ থাকবে। এছাড়াও পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কোচিং সেন্টার সমূহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয় জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, পরীক্ষা নকলমুক্ত করতে জেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা যাতে ভাল ফলাফলের আশায় কোনো প্রকার অসাদুপায় অবলম্বন না করে সেজন্য অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান জেলা প্রশাসক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বদ্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সনাক এর মতবিনিময়

 

বুধবার সকাল ১০ টায় বদ্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বদ্দিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর যৌথ আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুমা খাতুনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথী ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গৌরাংগ গাইন। বিশেষ অতিথী ছিলেন সনাক সাতক্ষীরার শিক্ষা বিষয়ক উপকমিটির আহব্বায়ক প্রফেসর মোঃ আব্দুল হামিদ। সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান্নায়নে সমাপনী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষক, অভিভাবক ও এসএমসি সকলে মিলে শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়। এসএমসি কর্তৃক বিদ্যালয়ে কাজে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা, নিয়মিত এসএমসি সভা আয়োজন ও বিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নারী শিক্ষক ও মেয়েদের জন্য পৃথক টয়লেটের ব্যবস্থা করা, অভিভাবক এর সচেতনতা বাড়ানো এবং বাড়িতে শিশুদের বিশেষ যতœ নেয়া, নির্দেশনা অনুযায়ী মা সমাবেশ আয়োজন, হোম ভিজিটে সহায়তা প্রদান ও শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পড়াশুনার খেয়াল রাখতে সক্রিয় মা দলকে নিয়ে সভা আয়োজন করার বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয়। এছাড়া বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের তথ্য উন্মুক্তকরণের অংশ হিসেবে উপবৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা ফেস্টুন আকারে প্রকাশ করা, অনলাইন ভিত্তিক তথ্য প্রকাশের উদ্যোগ নেয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। প্রধান অতিথী ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গৌরাংগ গাইন বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ে সরকারি অর্থায়নে একটি একাডেমিক ভবন তৈরি করা হবে। আপনারা অবগত আছেন ইতিমধ্যেই সয়েল টেস্ট হয়েছে। রিপোর্ট ভালো। আশা করছি শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। এছাড়া একটি ওয়াশ ব্লকও করার প্রস্তাব করা আছে।’ এসময় অন্যান্যের মাঝে এসএমসি সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাহিদাল আরজীন, ইয়াসমিন আকতার, তাহিয়াতুল আরজু, মনোয়ারা খাতুন উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন সুখি, সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা গড়তে — আবাদের হাটে পথসভায় নজরুল ইসলাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য তুলে ধরে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে সদর উপজেলার আগরদাড়ি ইউনিয়নের আবাদের হাটে এ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু গোপাল চন্দ্র ঘোষালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হোসেন মানির পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জেলা পরিষদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আকবার আলী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুখরালী আমতলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নূর মনোয়ারশুকুর মাহমুদ, আওয়ামীলীগ নেতা ইব্রাহিম খলিল, আগরদাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শামছুর রহমান, শিবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কাশেম প্রমুখ। পথসভায় নজরুল ইসলাম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন এদেশের মাটি ও মানুষের নেতা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্র আমরা পেতাম না। পেতাম না স্বাধীন পতাকা। বঙ্গবন্ধু আজীবন এদেশের মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশ হবে একটি সুখি, সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা গড়তে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা বিরোধীতা করেছিল তারাই ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। সেই পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী এখনও পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে দেশকে অশান্ত রাষ্ট্রে পরিনত করতে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর থেকে অব্যহত রয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা। শিক্ষার প্রসারের জন্য বর্তমান সরকার বছরের প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন নতুন বই। চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছেন। কোনো মানুষ যাতে অন্ধকারে না থাকে সেজন্য প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন বিদুতের আলো। যে কারণে বর্তমান বিশে^ বাংলাদেশ একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। নৌকা হলো উন্নয়নের প্রতিক। নৌকায় ভোট দিলে বাংলার জনগণ ভাল থাকে। শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে অভুতপূর্ব উন্নয়ণ করেছে। আগামী এ উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে নৌকা প্রতিকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest