সর্বশেষ সংবাদ-
গাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’

দিনমজুরদেরকে বাজার সামগ্রি দিল সাতক্ষীরা মানব কল্যাণ সোসাইটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
দরিদ্র দিনমজুর ব্যক্তিদেরকে সাতক্ষীরা মানব কল্যাণ সোসাইটির পক্ষ থেকে একদিনের বাজার সামগ্রি প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৭টায় শহরের পাকাপুল মোড়ে দরিদ্র দিনমজুরদেরকে বাজার সামগ্রি তুলে দেন সাতক্ষীরা মানব কল্যাণ সোসাইটির নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি মোঃ আব্দুল আলম, মোঃ মিজানুর রহমান, ফেরদৌসুল ইসলাম ময়না, মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্যা, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান জেমস, মোঃ আব্দুল জব্বার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ার হোসেন, অকিফুল কবির প্রমুখ। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় মানব সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের পুলিশ জঙ্গি দমনে রোল মডেল: আইজিপি

দেশের খবর: বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ডক্টর মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, অনেক সীমাবদ্ধতার পরেও জঙ্গি দমনে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ পুলিশ রোল মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ৫ বছরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী সবচেয়ে সফলভাবে কাজ করে গেছে।
বুধবার (৩১ অক্টোবর) হাজারীবাগ ও ধানমন্ডি থানার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, ‘জঙ্গি দমন, মাদকবিরোধী অভিযানসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ সফল হয়েছে। তবে সব কিছুর পিছনে বলিষ্ঠ হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।’
জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘জঙ্গিবিরোধী অভিযান ও মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশের অনেক সদস্য হতাহত হয়েছেন। তারা জীবন বাজি রেখে দেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন।’
এসময় তিনি পুলিশ সদস্যেদের প্রতি আহ্বান জানান, ‘কোনো নিরাপরাধ মানুষ যেন পুলিশ সদস্য দ্বারা হয়রানির শিকার না হয়। আপনাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে এতে।’
হাজারীবাগ ও ধানমন্ডি মডেল থানা প্রসঙ্গে জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘ধানমণ্ডি থানায় পুলিশ সদস্য ১৪৯ জন যা ঐ এলাকার মোট জনসংখ্যার হিসেবে ১ হাজার ৮০০ জনের পিছনে একজন করে পুলিশ সদস্য কাজ করবে। তেমনি হাজারীবাগ থানাতে প্রায় ৪ হাজার মানুষের জন্য একজন করে পুলিশ সদস্য কাজ করে। তবুও আপনাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখবো। যেন আপনাদের জানমালের কোনো ক্ষতি না হয়।’
অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিশেষ অতিথি ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিএনপি নেতা ইফতেখার, শহীদুল ইসলাম সহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে ১১০ জনের নামে নাশকতার মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলামসহ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১১০ জনের নামে নাশকতা প্রস্তুতির অভিযোগ মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর সাতক্ষীরা সদর থানার এ এস আই শিল্লুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ৩০ অক্টোবর বিএনপির চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের বিরুদ্ধে এবং ২০১৯ সালের নিবাচন বানচালের উদ্দেশ্যে শতাধিক জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা ধুলিহরের ফয়জুল্লাপুর এলাকার একটি আম বাগানে নাশকতার লক্ষ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ এস আই শিল্লুর রহমানসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে শ্যাল্যে এলাকার মৃত শমসের আলীর ছেলে জামায়াত নেতা আব্দুল ওয়ারেশ, জেয়ালা এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে ইয়াছিন আলিয়া মাদ্রাসা পূর্ব পাড়া এলাকার মৃত মোহর আলীর ছেলে আবুল হোসেন, পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার বজলুর গাজীর ছেলে আক্তারুজ্জামান, রঘুনাথপুর এলাকার মৃত আরশাদ আলীর ছেলে বাবলু, কোমরপুর এলাকার আবুল কাশেম সরদারের ছেলে রবিউল ইসলাম ও ধুলিহর তালতলা এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে রুবেল হাসানকে আটক করে পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ১৭পিচ জালের কাঠি, টিনের জর্দ্দার কৌটা ভাঙ্গা কাচের টুকরা ১৫টি, ১৮টি বাইসাইকেল, পেরেক ৯টি, লাল কসটেপের অংশ বিশেষ ১১টি ও ৩টি অবিস্ফোরিত ককটেল বোমা উদ্ধার করেন।
এঘটনায় এ এস আই শিল্লুর রহমান ওইদিনই বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং বাকীদের অজ্ঞাতনামা করে ১১০ জনের নামে ১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ারস এ্যাক্ট এর ১৫(৩)/২৫-ঘ তৎসহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক উপাদানবালী আইনের ৩/৫/৬ নাশকতা মূলক কর্মকান্ড সম্পাদনের লক্ষ্যে সংঘবদ্ধ হয়ে অপরাধের ষড়যন্ত্র, ষড়যন্ত্রের প্রস্তুতি, ককটেল বোমা হেফাজতে রাখা ও বিস্ফোরন ঘটানোর অপরাধে মামলা দায়ের করেন। অন্যান্য আসামীরা হলেন, পলাশপোল এলাকার মৃত নুর আহম্মদ খানের ছেলে ডঃ রবিউল ইসলাম খান, মাগুরা তালতলা এলাকার হাজী মোশলেম উদ্দীনের ছেলে সোহেল আহম্মেদ মানিক, নেবাখালী এলাকার মৃত আলী আকবরের ছেলে আব্দুল মজিদ, খেজুরডাঙ্গা মৃত আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল আলীম, দক্ষিণ পলাশপোল এলাকার মৃত শেখ অহেদার রহমানের ছেলে শেখ তারিকুল হাসান, দক্ষিণ কামালনগর এলাকার মৃত রহিল উদ্দীন মুহুরীর ছেলে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইফতেখার আলী, পলাশপোল সবুজবাগ এলাকার মৃত ইব্রাহিম মোড়লের ছেলে আবুল হোসেন, ব্রহ্মরাজপুর এলাকার মৃত মোহাম্মদ সরদারের ছেলে ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম, কালেরডাঙ্গা এলাকার মৃত জয়নুদ্দীন গাজীর ছেলে আকবর হোসেন, দক্ষিণ কাটিয়া এলাকার মৃত মোশাররফ হোসেনের ছেলে শফিউল্লাহ মনি, পলাশপোল এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে শহিদ হাসান, আলীপুর এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুর রউফ, কাশেমপুর এলাকার মৃত রহমান সানার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম, কাটিয়া এলাকার মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে মাসুম বিল্লাহ শাহীন, চুপড়িয়া এলাকার মৃত শমসের আলীর ছেলে লুৎফর রহমান, বাগডাঙ্গা এলাকার মৃত মোবারক আলীর ছেলে মাওঃ সবুর, জাহানাবাজ এলাকার মৃত জেহের আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম বেলালী, দক্ষিণ পলাশপোল এলাকার শাহ মোঃ কামরুজ্জামান কামু, খুলনার কয়রা এলাকার মৃত মোহর আলীর ছেলে আকবর আলী, বকচরা পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত নেছার উদ্দীনের ছেলে মোসলেম আলী, আছাল উদ্দিনের ছেলে শামসুজ্জামান মামুন, সুলতানপুর এলাকার মৃত কামাল উদ্দিন সরদারের ছেলে শফিউর রহমান মনা, পুরাতন সাতক্ষীরা কুলিনপাড়া এলাকার আবুল মাস্টারের ছেলে ইব্রাহিম, ঘোনা এলাকার মৃত আবর সরদারের ছেলে সাইফুজ্জামান মিঠু,নুর উদ্দীনের ছেলে আব্দুল আলিম,বৈকারী এলাকার মৃত গোলাম হোসেনের ছেলে সহিদ হাসান, ভাড়–খালী এলাকার কামাল উদ্দীনের ছেলে আলমগীর হোসেন মারুফ, পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার প্রফেসর হাসান আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান, ঘোনা এলাকার খোদা বক্সের ছেলে কামরুল, মৃত আফসার আলীর বেমের ছেলে বাবলু, কুশখালী এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলী দালালের ছেলে নজরুল ইসলাম, মধ্যকুশখালী এলাকার রজব আলী সরদারের ছেলে বদিউজ্জামান, হেরমত আলী ঢালীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, নওশের আলীর ছেলে আব্দুর রশিদ ডাক্তার, মুনছুর আলীর ছেলে মহিউদ্দীন গাজী, আনারুল দফাদারের ছেলে পলাশ, আড়–য়াখালী এলাকার মৃত জাহাবক্সের ছেলে মোঃ জিয়ারুল ইসলাম, মৃত মোক্তার ছেলে সিদ্দিক হোসেন, মৃত জালাল গাজীর ছেলে রেজওয়ান হোসেন মিলন, মৃগীডাঙ্গা এলাকার মৃত লুৎফর সরদারের ছেলে মোঃ হাসান, শ্যামনগর থানার পাখিমারা গ্রামের নাসির উদ্দীন আহমেদের ছেলে ফজলুল হক, আশাশুনি থানার বুধহাটা গ্রামের মৃত খোরশেদ সরদারের ছেলে শহীদুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাকসু নির্বাচন; হলভিত্তিক শিক্ষার্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের হলভিত্তিক প্রথম খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অফিস সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তালিকা প্রকাশ করেন ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদসহ বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘হল প্রাধ্যক্ষদের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে আইসিটি সেলের সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে ৩৮ হাজার ৪৯৩ শিক্ষার্থীর হলভিত্তিক খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ছাত্রের সংখ্যা ২৩ হাজার ৯৮৪ ও ছাত্রীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৫০৯। ডাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ তালিকা থেকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘খসড়া তালিকার সংশোধনীর (সংযোজন, বিয়োজন বা পরিমার্জন) জন্য আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট হল প্রাধ্যক্ষ অফিসে লিখিতভাবে জানাতে হবে। খসড়া তালিকার হার্ড কপি হল অফিসে সংরক্ষিত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও এ তালিকা ব্যবহৃত হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে গতিশীলতা বাড়বে।’
‘ডাকসু সংবিধান সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে সংশোধিত হয়েছিল। আমরা সেই অনুযায়ী ডাকসু নির্বাচন করব। প্রয়োজন হলে তা সংশোধন করা হবে,’ বলেন ভিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিলের তেলের যত গুণ

তিলের তেলের যত গুণ

কর্তৃক daily satkhira

স্বাস্থ্য কণিকা: বাংলাদেশ, ভারত, চীন, কোরিয়াসহ এশিয়ার অনেক জায়গায় তিলের তেল খাবারে নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। এই তেল তিলের দানা থেকে পিষে বের করা হয়। তাই একে বলা হয় তিলের তেল। তিলের তেল থেকে নানাভাবে উপকৃত হওয়া যায়। এই তেল শরীরের জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক তিলের তেলের গুনাগুণ।

১. উচ্চরক্ত চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে তিলের তেল। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সাথে সাথে মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত রাখে। এতে উপস্থিত অক্সিডেসান ও নানান প্রোটিন শরীরে পুষ্টির যোগান দেয় সহজে।

২. তিল একধনের উষ্ণ খাবার। অর্থাৎ তিল সহজে শরীরকে গরম করতে পারে। ফলে শীতকালে তিল শরীরের জন্য খুবই ভালো। সহজে ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে এই তেল খেলে ঠাণ্ডা লাগার হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

৩. প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন প্রচুর পরিমানে তিলের তেলে থাকে। ফলে শরীরকে নানা রোগের থেকে প্রটেক্ট করতে পারে সহজে।

৪. নিয়মিত তিলের তেল খেলে ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর দেখায়। এছাড়া ত্বকের নানা সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ব্রণ, মেসতার মতো বিচ্ছিরি ত্বকের সমস্যা দূর হয়ে যায়।

৫. তিলে থাকে ফোলিক অ্যাসিড। ফোলিক অ্যাসিড শরীরে ভালো কোলেস্টরেল বাড়িয়ে দেয়। খারাপ কোলেস্টরেলকে কমিয়ে দেয়। ফলে তিলের তেল খেলে আমাদের শরীরে কোলেস্টরেলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রনে রাখা যায় সহজে।

৬. তিলের তেলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফেট আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। ক্যান্সার ও টিউমারের মতো মারণরোগের হাত থেকে বাঁচায়। ক্যান্সার বা টিউমার হবার সম্ভাবনা থাকে না।

৭. পেটের নানা সমস্যা তিলের তেল খেলে কমে যায়। নিয়মিত তিলের তেল খেলে পেট খারাপ, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, গ্যাস ইত্যাদি হয় না বলাই ভালো। তিলে থাকা ফাইবার জীবাণুকে নষ্ট করে শরীরকে বিশেষ করে পেটের পাচনক্রিয়ার প্রক্রিয়াকে সঠিকভাবে চালনা করে।

৮. পরীক্ষা করে তিলে ক্যালসিয়াম ও জিঙ্ক পাওয়া গিয়েছে। যা মানব শরীরের হাড়কে মজবুত রাখে। হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়।

৯. নিয়মিত তিলের তেল খেলে আমাদের দাঁত মজবুত হয়। দাঁত সম্পর্কিত সমস্যা হতে দেয় না। দাঁতে পোকা হয়ে যাওয়া বা মুখে দুর্গন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে তিলের তেল।

১০. তিলের তেলকে বিষনাশক বলা হয়। শরীরে কোনো কারণে বিষের প্রভাব পরলে তিলের তেল শরীর থেকে সেই বিষকে বের করে দেয়। তিলের তেল বিষকে শরীরে প্রভাব ফেলতে দেয় না। লিভার নষ্ট হওয়ার থেকে বাঁচায়।

১১. তিলের তেলে ঔষুধী গুণ থাকায় চোখের সমস্যা থেকেও রক্ষা করে। দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে। ছানি পরতে দেয় না। চোখের জন্য তিলের তেল বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

১২. তিলের তেল নিয়মিত খেলে জয়েন্টে হওয়া পেন কমে যায়। তাছাড়া শরীরে হওয়া নানা ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। শরীর সুস্থ্য থাকে।

১৩. চুলের যত্ন নিতে তিলের তেল খুবই ভালো। চুল পরে যাওয়া, খুস্কি, ও অন্যান্য নানা সমস্যা কমে যায় তিলের তেল নিয়মিত খেলে। চুল মজবুত, উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

উপকারী ও লাভজনক একধরনের ওষুধী হল তিলের তেল। যা নিয়মিত খেলে শরীরের নানা সমস্যা থেকে মুক্ত হওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেহে নানান রোগের কারণ, অতিরিক্ত ভাত খাওয়া!

অনলাইন ডেস্ক: ভাত খাওয়া নিয়ে সমস্যা নেই কিন্তু বৈজ্ঞানিক মতে অতিরিক্ত ভাতের যোগান শরীরে নানা সমস্যা তৈরি করে। যা সম্পর্কে জানা না থাকলে অবশ্যই জেনে নিন। অতিরিক্ত ভাত খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। ভাত বেশি পরিমান খেলে শরীরে ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ধমনীতে রক্ত চলাচলে সমস্যা দেখা দেয় ওজন বেড়ে গেলে। হজম হবার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। খাবার ঠিক ভাবে হজম হয় না ফলে পাচনপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে না। ওজন বেড়ে গেলে খাবার শরীরের ভিতরে গিয়ে বিভাজিত হয় না ঠিকঠাক, সেই জন্য হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ভাত শরীরের কার্বোহাইড্রেট মেটাবোলিজম কমিয়ে দেয় ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

যদি নানান রোগের থেকে বাঁচতে চান তাহলে ভাত খাওয়া কমিয়ে দিন। কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তাররা দেখেছেন যে অনেক সময় শুধুমাত্র অতিরিক্তভাত খাওয়ার ফলে নানা রোগের আবির্ভাব হয়। এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও একথা প্রমাণিত।

এশিয়া মহাদেশের অধিকাংশ জায়গায় ভাত প্রধান খাবার। ৮৫% জায়গায় ভাত প্রধান খাবার হিসেবে মানুষ উপভোগ করে থাকে। ভাত খাওয়া সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি, যে ভাত খেতে হলে একেবারে কম পরিমান খাওয়াই উচিত। কিছুদিন ভাত না খেয়ে থাকুন দেখবেন হজমের সমস্যা, ওজন বেড়ে যাওয়া সব কমে যাবে। শরীর ফিট থাকবে।

অতিরিক্ত ভাত শরীরের ভিটামিন, আয়রনের বৃদ্ধিতে বাধা তৈরি করে। আপনার ডায়েটে যদি অধিক মাত্রায় ভাত থাকে তাহলে আপনার শরীরে ভিটামিন বি হ্রাস পাবে। শরীর থেকে জিঙ্ক অপসারিত হতে থাকবে যা শরীরের জন্য ভালো না। যদি আপনি অতিরিক্ত পরিমান ভাত খাওয়ার অভ্যেস থাকে তাহলে তা একেবারে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু ভাত খাওয়ার পরিমান কমানো সম্ভব।

মানবদেহের শক্তির মূল উৎস শর্করা, কার্বোহাইড্রেট, চিনি। কিন্তু অধিক মাত্রায় এগুলি শরীরে থাকলে শরীরে সমস্যা তৈরি হয়। কার্বোহাইড্রেট শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানের বেশি থাকলে শরীর নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাত অরিতিক্ত পরিমান খেলে দেহে শর্করা, চিনি, কার্বোহাইড্রেট বেড়ে যায় ফলে নানারকম রোগ চলে আসে শরীরে।

ভাত বেশিমাত্রায় খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা ৯০% মানুষের মধ্যে দেখা দেয়। সার্ভে করে দেখা গিয়েছে গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা ভাত খাওয়ার থেকে বেশি মাত্রায় হয়। অতিরিক্ত চিনি থাকে ভাতে যা থেকে গ্যাসের সমস্যা হয়। এই গ্যাস থেকে অ্যাসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৯০% । যা গ্যাস্ট্রিক আলসারের মত সমস্যার তৈরি করে শরীরে।

চিনি বেশি মাত্রায় শরীরে জমতে শুরু করলে ডায়বেটিস হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শরীরে থাকা বীটাকোষ ইন্সুলিন পর্যাপ্ত পরিমান তৈরি করতে অক্ষম হয়ে যায়। রক্তে চিনির পরিমান বেড়ে যেতে থাকে। ডায়বেটিস হলে মানবদেহ ধীরে ধীরে নানান রোগের মুখোমুখি হতে থাকে।

ভাত আলস্যতা বাড়িয়ে দেয় শরীরে। ফলে পরিশ্রম করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। যারা রুটি খান তারা বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে পারেন। কিন্তু ভাত খেলে শরীরে আলসেমি তৈরি হয়। কাজ করার উৎসাহ কমে যায়।

বৈজ্ঞানিক মতে ভাত খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়। কিন্তু অধিক মাত্রায় ভাত খাওয়া শরীরের পক্ষে ভালো না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসকের যত ঔষধী গুণ

বাসকের যত ঔষধী গুণ

কর্তৃক daily satkhira

স্বাস্থ্য কণিকা: বাসকের তাজা অথবা শুকানো পাতা উভয়ই ওষুধের কাজে লাগে। বাসকের পাতায় ‘ভাসিসিন’ নামের ক্ষারীয় পদার্থ এবং তেল থাকে। শ্বাসনালীর লালাগ্রন্থিকে সক্রিয় করে বলে বাসক শ্লেষ্মানাশক হিসেবে প্রসিদ্ধ। বাসক পাতার নির্যাস, রস বা সিরাপ শ্লেষ্মা তরল করে নির্গমে সুবিধা করে দেয় বলে সর্দি, কাশি এবং শ্বাসনালীর প্রদাহমূলক ব্যাধিতে বিশেষ উপকারী। তবে অধিক মাত্রায় খেলে বমি হয়, অন্তত বমির ভাব বা নসিয়া হয়, অস্বস্তি হয়। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় বাসকের ভেষজ গুণাবলি প্রমাণিত হয়েছে। এর মূল, পাতা, ফুল, ছাল সবই ব্যবহার হয়।

প্রয়োগ:
১. বাসক পাতার রস ১-২ চামচ হাফ থেকে এক চামচ মধুসহ খেলে শিশুর সদির্কাশি উপকার পাওয়া যায়।

২. বাসক পাতার রস স্নানের আধ ঘন্টা আগে মাথায় কয়েকদিন মাখলে উকুন মরে যায়। আমবাত ও ব্রণশোথে (ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থা) বাসক পাতা বেটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়।

৩. যদি বুকে কফ জমে থাকে এবং তার জন্যে শ্বাসকষ্ট হলে বা কাশি হলে বাসক পাতার রস ১-২ চামচ এবং কন্টিকারীরস ১-২ চামচ, ১ চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।

৪. প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রনা থাকলে বাসকের ফুল বেটে ২-৩ চামচ মিছরি ১-২ চামচ সরবত করে খেলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।

৫. জ্বর হলে বা অল্প জ্বর থাকলে বাসকের মূল ৫-১০ গ্রাম ধুয়ে থেঁতো করে ১০০ মিলি লিটার জলে ফোটাতে হবে।

৬. ২৫ মিলি লিটার থাকতে নামিয়ে তা ছেঁকে নিয়ে দিনে ২ বার করে খেলে জ্বর এবং কাশি দুইই চলে যায়।

৭. বাসকের কচিপাতা ১০-১২ টি এক টুকরো হলুদ একসঙ্গে বেটে দাদ বা চুলকানিতে লাগলে কয়েকদিনের মধ্যে তা সেরে যায়।

৮. বাসকপাতা বা ফুলের রস ১-২ চামচ মধু বা চিনি ১চামচসহ প্রতিদিন খেলে জন্ডিস রেগে উপকার পাওয়া যায়।

৯. পাইরিয়া বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়লে বাসক পাতা ২০ টি থেঁতো করে ২ কাপ জলে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় কুলকুচি করলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।

১০. শিশুর পেটে কৃমি থাকলে বাসকের ছালের ক্বাথ খাওয়ালে এর উগ্র তিক্ত স্বাদ কৃমি বের হয়ে যায়।

১১. যাদের হাঁপানির টান আছে তারা বাসক পাতা শুকনো করে, ওই পাতা বিড়ি বা চুরুটের মতো পাকিয়ে এর সাহায্যে ধূমপান করলে শ্বাসকষ্ট প্রশমিত হয়।

১২. যাদের গায়ে ঘামের গন্ধ হয় তারা বাসক পাতার রস গায়ে লাগালে দুর্গন্ধ দূর হবে।

১৩. বাসকপাতার রস ও শঙ্খচূর্ণ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে রং ফরসা হবে।

১৪. এক কলসি পানিতে তিন-চারটি বাসকপাতা ফেলে তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর সেই পানি বিশুদ্ধ হয়ে যায়। এরপর ব্যবহার করতে পারেন।

১৫. বাসক পাতার রস মাথায় লাগালের উকুন চলে যায়।

১৬. বাসক পাতা বা ফুলের রস এক বা দুই চামচ মধু বা চিনি দিয়ে খেলে জন্ডিস ভালো হয়।

১৭. শরীরে দাদ থাকলে বাসক পাতার রস লাগালে ভালো হয়ে যায়।

অন্যান্য উপকারিতা:
বাসক পাতায় এমন কিছু ক্ষারীয় পদার্থ আছে যায় ফলে ছত্রাক জন্মায় না এবং পোকামাকড় ধরে না বলে ফল প্যাকিং এবং সংরক্ষণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়। পাতায় কিছু দুর্গন্ধ আছে বলে পগুরা মুখ দেয় না। সেই কারণে চাষ আবাদের জন্য জমি উদ্ধারের কাজে বাসকের পাতা বিশেষ উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুষ্টি ও স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর নাশপাতি

অনলাইন ডেস্ক: নাশপাতি (ইংরেজিতে Pear) রোজাসিয়ে পরিবারের পাইরাস গণভুক্ত উদ্ভিদ ও তার ফলবিশেষ। ঠান্ডা অবস্থায় পাকা নাশপাতিতে চমৎকার সুগন্ধ রয়েছে। এগুলো রসালো তবে গাছে থাকা অবস্থায় ভালভাবে পাকে না। ফলের ৮৩ শতাংশই পানিতে পরিপূর্ণ। আবরণ অংশটি সবুজ অথবা লালচে প্রকৃতির হয়ে থাকে। ফলের কেন্দ্রস্থলটি বেশ নরম। জ্যাম, জেলি অথবা রসালো অবস্থায় বাজারজাতকরণ করা হয়ে থাকে। শক্ত ভূমিতে নাশপাতি গাছ ভালো জন্মে। ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ থেকে গাছটির উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।

নাশপাতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, বি ২, ই, ফলিক অ্যাসিড ও নিয়াসিন পুষ্টিকর উপাদান। ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, কপার, আয়রনসহ অন্যান্য মিনারেলেরও উৎকৃষ্ট উৎস।শুধু তাই নয়, নাশপাতিতে চর্বি এবং ক্যালোরির পরিমাণ অত্যন্ত কম এবং আঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ৪ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে নাশপাতি উৎপাদিত হলেও সম্প্রতি এর খাদ্যগুণ দৃষ্টি কেড়েছে সবার।

এছাড়াও নাশপাতির রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা

১. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে নাশপাতির জুড়ি নেই। বিকেলে বা রাতে খাওয়ার পর নাশপাতি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

২. খুশকি ও পেটের পীড়ার কারণে মাথার চুল পড়ে গেলে সিকি কাপ নাশপাতির রস দুই সপ্তাহ খেলে চুল পড়া ও খুশকি দূর হয়।

৩. উচ্চমাত্রায় মিনারেল থাকার কারণে নাশপাতি দেহে ক্যালসিয়ামের যোগান দেয়। এটি হরমোন উৎপাদন এবং হাড়ের ক্ষয়রোধ করে। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের ১০ শতাংশ নাশপাতিতে বিদ্যমান।

৪. নাশপাতিতে আছে ৬ গ্রাম সলিউবল ফাইবার, যা আপনার কোলেস্টেরল কমায় ও আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৫. এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে ও রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

৬. করোনারি থ্রম্বোসিস, হার্ট ব্লক, মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্যাকশন ইত্যাদি রোগে প্রতিদিন ২-৩ টুকরো নাশপাতি খেলে খুবই উপকার হয়।

এছাড়াও দাঁতের মাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে নাশপাতির রস ও অল্প ফিটকিরি মিশিয়ে রেখে সকালে খেলে মাড়ির ক্ষয় পূরণ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest