সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণতালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতি

প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে পরকীয়া প্রেমিক। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ূন কবিরের আদালতে এ জবানবন্দী দেন পরকীয়া প্রেমিক আশরাফুল ইসলাম (৩৬)। সে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার মহিষখোচা এলাকার মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে। আশরাফুল সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় লন্ডন মার্কেট মহাকাশ রোড এলাকায় সাইফুলের বাড়িতে ভাড়া থাকতো।
গত ২৫ অক্টোবর বিকেল ৩টায় মধ্য সানারপাড় এলাকার মো. খলিল মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে লায়লা আক্তার (৩০) নামে ওই প্রেমিকার বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২৫ অক্টোবর রাতেই সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
আদালতে আশরাফুল জানায়, তাদের দুই বছর ধরে পরকীয়া সম্পর্ক। মহিলা বিবাহিত তবে তার কোন সন্তান হয়নি। সে সন্তানের আশায় আশরাফুলের সাথে পরকীয়া করছিল। এ ঘটনা প্রেমিককে জানানোর পর সেদিন ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে গলা টিপে তাকে হত্যা করেছে আশরাফুল।
এর আগে সিদ্ধিরগঞ্জের সীমান্তবর্তী ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে ডিবির ৩নং টিমের পরিদর্শক গিয়াসউদ্দিন খানের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. আতাউর রহমান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আদালতে এ জবানবন্দী দেয় আশরাফুল।
ডিবির ৩ নং টিমের পরিদর্শক গিয়াসউদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহতের স্বামী শাহীন ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিশমিশ মেশানো পানির যত উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: খাবারে স্বাদ কিংবা সুন্দরের জন্যে আমরা সাধারণত কিশমিশ ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু, আমরা অনেকেই জানি না, কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল।
শুধু কিশমিশ না, কিশমিশ মেশানো পানি খেলেও তার রয়েছে নানা উপকারিতা। আসুন কিশমিশ বা কিশমিশ মেশানো পানি পান করলে কি কি উপকার পাওয়া যায়, আজ আমরা সে সম্পর্কে জেনে নেই—

* কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়, যার দরুণ শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে।

* কিশমিশের পানি পান করলে পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গণ্ডগোল থাকবে না। সেই সঙ্গে ভরপুর শক্তি পাবেন। এ ছাড়া কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে এবং ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে।

* লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই লিভার ও কিডনিকে সব সময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে, যার দরুণ হজমশক্তিও বাড়ে।

* নিয়মিত কিশমিশ খেলে বৃদ্ধ বয়সে দৃষ্টিহীন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। পাশাপাশি কিশমিশে থাকা পলিফেনল উপাদান ক্ষতিকারক ফ্রি-রেডিকেলস ধ্বংস করে চোখকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।

* কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে লৌহ আছে, যা রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীর জন্য খুবই উপকারি। এ ছাড়া রক্ত ও লোহিত কণিকা তৈরি জন্য দরকার ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও কপার, যা কিশমিশে থাকে। এককাপ কিশমিশ ৬ মিলিগ্রাম লৌহের যোগান দেয়, যা প্রতিদিনের লৌহের চাহিদার ১৭ শতাংশ পূরণ করত পারে।

* চকলেট, ক্যান্ডির মতো দাঁতে লেগে থাকে না কিশমিশ, ফলে থাকে না ক্যাভিটি তৈরির আশঙ্কা। বরং কিশমিশের পাইথোনিউট্রিয়েন্ট, অলিয়ানলিক এসিড নামে পরিচিতি যা ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি দাঁতের ক্যাভিটি ধ্বংস করে মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

* আজকাল অস্টিওপোরোসিস রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। হাড়ের এই রোগ প্রতিরোধ করতে বোরন নামের খনিজ পদার্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর কিশমিশ বোরনের অন্যতম উৎস। বোরনে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম— যা হাড় গঠনের পাশাপাশি শরীরে টেসটোসটেরন এবং ইস্ট্রোজেনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

* অতিরিক্ত এসিডিটি বা রক্ত দূষিত হওয়াকে বলে অ্যাসিডোসিস, যা থেকে আরথ্রাইটিস, চামড়া রোগ, হৃদরোগ এবং ক্যান্সার হতে পারে। অ্যান্টাসিডস হিসেবে পরিচিতি দুটি উপাদান ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম শরীরের ক্ষরীয়ভাব স্বাভাবিক করে অ্যাসিডোসিসের হাত থেকে বাঁচায়। আর এই উপাদানগুলো কিশমিশে রয়েছ।

* কিশমিশে কোলেস্টেরলের পরিমাণ শূন্য। শুধু তাই নয়, এতে আছে অ্যান্টি কোলেস্টেরল উপাদান, যা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। এ ছাড়া কিশমিশে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার যকৃত থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে সহায়তা করে।

কিশমিশের পানি তৈরি করার নিয়ম:
২ কাপ পানি (৪০০ এমএল)
১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে।

কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু’কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন।

সতর্কতা:
৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

(কি ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে। তাও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সফেদার স্বাস্থ্য উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: আমাদের দেশে খুবই পরিচিত এখটি ফল সফেদা। পুষ্টি উপাদানে ভরপুর থাকার কারণে সফেদা স্বাস্থ্যসম্মত ফলও বটে। খেতে মিষ্টি এই ফলটির ভেতরটি খুবই নরম আর তুলতুলে হয়। সফেদা অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল। সারা বিশ্বেই এটি পাওয়া যায়। খেতে সুস্বাদু এই ফলটির রয়েছে দারুণ সব পুষ্টিগুণ। আর হজম শক্তি বাড়াতে খুবই ভালো কাজ করে। আসুন তাহলে আজ জেনে নেই সফেদা আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি ছাড়াও আর কী কী সাহায্য করে।

১. সফেদা চোখের জন্য খুবই উপকারী। এতে বিদ্যমান ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন সি চোখ ভালো রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

২. সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৩. এটি ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এ কারণে সর্দি-কাশি সারাতেও এটি দারুন কার্যকরী। এটি শরীরের যেকোনো ধরনের সংক্রমণও সারায়।

৪. সফেদায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্টকাঠিন্য কমাতে দারুনভাবে কাজ করে। এ কারণে হজমশক্তি বাড়াতে সফেদা খাওয়া জরুরি।

৫. যেহেতু সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ভিটামিন ‘সি’ থাকে, এ কারণে এটি ক্যান্সার প্রতিরোধেও দারুন ভূমিকা রাখে।

৬. সফেদা হাড় সুরক্ষার জন্যও খুব উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে বাঁধা দেয়।

৭. সফেদায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফসফরাস, ফলিক অ্যাসিড থাকে। এ কারণে এটি নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে ভূমিকা রাখে। রক্তণূন্যতা রোধ করতে সহায়তা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিরতার ওষুধি গুণ

স্বাস্থ্য কণিকা: চিরতা একটি ভেষজ উদ্ভিদ, বাংলাদেশসহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে প্রচুর জন্মে। জেসিএনেসি বর্গের অন্তর্গত এই গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Swertia chirayita (Roxb. ex Fleming) H. Karst.।

চিরতা বর্ষজীবি উদ্ভিদ। গাছটির গড় উচ্চতা প্রায় দেড় মিটার। গাছের পাতা কম-বেশি ১০ সে.মি. দীর্ঘ। পাতার অগ্রভাগ সূঁচালো। ফুল বৃন্তহীন, জোড়ায় জোড়ায় বিপরীতমুখী হয়ে ফোটে। ফুল হালকা সবুজের সঙ্গে বেগুনী মেশানো প্রত্যেক পাপড়ি লতিতে এক জোড়া সবুজ গ্রন্থি থাকে। ফল ৬ মি.মি. কিম্বা তারও বেশি লম্বা এবং ডিম্বাকৃতি।
এর ডাল শুকিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে, সারারাত ভিজিয়ে রাখা হয়। সেটি ওষুধি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এই চিরতার পানি খুব উপকারি। চোখের জন্য এছাড়াও জ্বরের ক্ষেত্রে উপকারি। এছাড়া আরো অনেক গুণ আছে চিরতার। আজ দেখবো চিরতার সেইসব গুণ।

১. চিরতা শরীরকে ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস আক্রান্ত হতে দেয় না
আমরা জানি তেঁতো খাবার খেলে শরীর ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস থেকে কম আক্রান্ত হয়। তার ফলে শরীর কম অসুস্থ হয়। আর চিরতার স্বাদ অত্যন্ত তেঁতো। তাই চিরতা জল শরীরকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবার হাত থেকে বাঁচায়।

২. চিরতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারি
চিরতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারি। কারণ চিরতা রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়। ব্লাডে সুগার লেবেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়াও চিরতার পানি রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম করে।

৩. চিরতা জ্বরের সময় কাজ দেয়
জ্বরের ক্ষেত্রেও চিরতা উপকারি। জ্বরের ফলে শরীরে এনার্জি না লাগা, জ্বর ভাব এগুলি দূর করতে চিরতা উপকারি।

৪. চিরতা তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে
নিজের তারুণ্য ধরে রাখার জন্য রোজ চিরতার জল খেতে পারেন। কারণ চিরতা রক্তকে পরিষ্কার করে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। যেটি তারুণ্য ধরে রাখার একটি শর্ত।

৫. চিরতা অ্যালার্জির সমস্যা দূর করে
অনেকেরই মারাত্মক অ্যালার্জির সমস্যা থাকে। অ্যালার্জির জন্য শরীর ফুলে যায়, চোখ ফুলে যায় ও আরো সমস্যা হয়। চিরতা এক্ষেত্রে উপকারি। রোজ সকালে চিরতার পানি খান উপকার পাবেন। এছাড়াও ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে চিরতার পানি।

৬. চিরতার জল লিভারকে পরিষ্কার রাখে
আজকাল অনেকেই লিভারের সমস্যায় ভোগেন এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চিরতার পানি উপকারি। চিরতার পানি লিভারকে পরিষ্কার রাখে। এছাড়া লিভারের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ফ্যাটি লিভার ও আরো অন্যান্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে।

৭. চিরতা শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে
চিরতা পরিষ্কারক হিসাবেও কাজ করে। চিরতার পানি শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বার করে। শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে। ফ্রেশ রাখে। যেটা শরীরকে সুস্থ রাখতে খুব জরুরি।

৮. চিরতা ত্বকের যত্ন নিতে সাহায্য করে
ত্বকের জন্যও চিরতা খুব উপকারি। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন, চামড়ার ঘা, অন্যান্য ক্ষত সারাতে অনবদ্য। এছাড়াও ত্বকের অন্যান্য যেকোনো ইনফেকশন সারাতে এটি উপকারি। রোজ যদি চিরতার পানি খাওয়া যায় তাহলে স্কিন ইনফেকশনের হাত থেকে বাঁচা যায়। ত্বক ভালো থাকে। ত্বকের মরা কোশ দূর করে

৯. চিরতা বদহজম, অ্যাসিডিটি থেকে রক্ষা করে
যদি হজমের সমস্যা থাকে তাহলেও খেতে পারেন চিরতার পানি। এটি বদহজম, অ্যাসিডিটি থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও যদি কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকে তাহলে চিরতার জল খুব উপকারি। এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য রোজ চিরতার পানি খেলে উপকার পাবেন।

১০. চিরতা অ্যানিমিয়ার সমস্যা দূর করে
এছাড়াও অ্যানিমিয়ার সমস্যা কমাতেও চিরতার পানি খুব উপকারি। রক্ত কমে গেলে অ্যানিমিয়ার সমস্যা দেখা দেয়। চিরতার পানি রক্ত উৎপাদনে সাহায্য করে।

তবে চিরতা যেহেতু ব্লাড সুগার লেবেলকে কম করে, তাই এটি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। আর চিরতা খুব তেঁতো তাই বমি হয়ে যাবার সম্ভবনা থাকে। এছাড়া চিরতার পানি খুবই উপকারি সেটা দেখলেন। তাই শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য এবার থেকে রোজ খান চিরতার পানি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লজ্জাবতীর যত ঔষধি গুণ

স্বাস্থ্য কণিকা: লজ্জাবতী, স্থানীয়ভাবে একে লজ্জাবতী, সমঙ্গা, লজ্জালু, অঞ্জলিকারিকাও বলা হয়। এর পাতা ও ফুল ব্যবহার করা হয়। এর অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। হাত-পা জ্বালা, অর্শ্ব, রক্তপিত্ত, যোনির ক্ষত, নাড়ি সরে আসায়, আঁধারযোনি ক্ষতে, আমাশয়, দমকা ভেদ, মল কাঠিন্যে, দাঁতের মাড়ি ক্ষতে, বগলে দুর্গন্ধ, কানের পুঁজে, গ্রন্থিবাত, কুজ্জতা বিভিন্ন রোগে লজ্জাবতী বেশ উপকারী। আজ আমরা জেনে নেই কিভাবে লজ্জাবতী খেতে হবে—

হাত-পা জ্বালা নিরাময়ে: হাত-পা জ্বালার সঙ্গে শরীরে জ্বর থাকে। এটা সাধারণত বর্ষা ও শরৎকালে পিত্ত বিকারে দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে লজ্জাবতীর গাছ মূল পাতা ১০ গ্রাম ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে এক কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে সেবন করলে উপকারে লাগে।

অর্শ্ব রোগ: অর্শ্বের বলিতে জ্বালা বেশি। ঝাল না খেয়েও যেন সেই রকম যন্ত্রণা। তার সঙ্গে রক্তস্রাবও বেশি হতে থাকে। এক্ষেত্রে গাছে ও মূলে ১০ গ্রাম আন্দাজ এক কাপ দুধ ও তিন কাপ পানি এক সঙ্গে মিশিয়ে একত্রে সিদ্ধ করে এক কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে প্রত্যেক দিন সকাল-বিকেল দু’বার খেতে হবে। ছাগলের দুধ হলে ভাল হবে।

নাড়ি সরে আসা: বহু প্রসূতি সন্তান প্রসবের সময় ধাত্রীর অসাবধানতায় নাড়ি সরে যায়, উঁচু হয়ে বসতে গেলে অস্বস্তিবোধ করে। এক্ষেত্রে লজ্জাবতীর ১০ গ্রাম আন্দাজ গাছপাতা চার কাপ পানিতে সিদ্ধ করে এক কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে এটা প্রতিদিন সকাল-বিকেল দু’বার খেলে ঠিক হয়ে যাবে।

আমাশয়: লজ্জাবতীর ডাঁটা পাতা মিলিয়ে ১০ গ্রাম সিদ্ধ করে ছেঁকে খেতে হবে। আর যাদের আমযুক্ত গাঁজলা দাস্ত হয়, তারা শুধু পাঁচ বা ছয় গ্রাম সিদ্ধ করে ছেঁকে ওই পানি খেলে উপকার পাবেন।

ঘামের দুর্গন্ধ দূরে: অনেকের ঘামে দুর্গন্ধ হয় এবং পোশাকে হলদে দাগ লাগে। এক্ষেত্রে লজ্জাবতী গাছের ডাঁটা ও পাতার ক্বাথ তৈরি করে বগল ও শরীর মাখতে হবে। তাহলে এ অসুবিধা দূর হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিমুল গাছের উপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: শিমুল গাছকে আমরা অনেকেই শুধু তুলা গাছ মনে করি। শিমুল গাছের গুণাবলী আমরা অনেকেই জানি না। জানি না শিমুল গাছ দিয়ে কি কি রোগের চিকিৎসা করা যায়। আজ আপনাদের শিমুল গাছের ঔষধি গুণ নিয়ে আলোচনা করব—

রোগ চিকিৎসায় শিমুল গাছ: বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় শিমুল গাছের ব্যবহার সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো—

ফোঁড়া: ফোঁড়া হলে শিমুল গাছের ছাল ধুয়ে বেটে, তার ওপর প্রলেপ দিলে উপকার হয়।

যৌবনকালে শুক্রাণু স্বল্পতা: চারা শিমুলগাছের মূল বেটে সাত থেকে দশ গ্রাম নিয়ে তার সঙ্গে একটু চিনি মিশিয়ে দু’বেলা খেলে শুক্রাণু স্বল্পতা দূর হবে।

পোড়া ঘা: শিমুল তুলা নিয়ে তাতে শিমুল গাছের ছাল অর্থাৎ মোচরস দিয়ে ভিজিয়ে পোড়া ঘায়ে দিন, ঘা সেরে যাবে।

রক্ত আমাশয়: শিমুলের ছাল ‍চুর্ণ করে এক থেকে দুই গ্রাম মাত্রায় নিয়ে, ছাগল দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দু’বেলা খাওয়ালে উপকার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তফসিলের সিদ্ধান্ত ৪ নভেম্বর

দেশের খবর: আগামী ৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্যের উন্মোচন প্রধানমন্ত্রী মোদীর

বিদেশের খবর: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি বা ভাস্কর্য তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গতকাল বুধবার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৪৩তম জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। ভাস্কর্যের সফল উন্মোচনে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণের সঙ্গে সঙ্গে ভারতে স্থাপিত হলো বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভাস্কর্য। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যাচু অব লিবার্টির চেয়ে প্রায় দ্বিগুন বড়। যদিও প্রচুর অর্থ খরচ করে ভাস্কর্য স্থাপনে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার

গুজরাটের কেড়ওয়াড়িতে নর্মদা নদীর তীরে ১৮২ মিটার উচ্চতার সর্দার প্যাটেলের এই মূর্তিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’। ২ হাজার ৯৯০ কোটি রুপি খরচ করে মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু হয়। মূর্তিটির নকশা করেছেন পদ্মভূষণ প্রাপ্ত স্থপতি রাম ভি সূতর। এটি তৈরিতে ব্যবহূত হয়েছে ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন স্টিল, ২২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন সিমেন্ট, ১৮ হাজার ৫০০ টন স্টিল রড এবং ১৮ দশমিক ৫ লাখ কেজি ব্রোঞ্জ ক্ল্যাডিং। মূর্তির ১৫৩ মিটার উচ্চতায় রয়েছে গ্যালারি। ২০০ জন একসঙ্গে যেতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন আমরা এই প্রকল্পের ভাবনা শুরু করেছিলাম। ‘লৌহ মানব’ সর্দার প্যাটেলের সুবিশাল মূর্তি উন্মোচন করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, এই দিনটার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। ইতিহাসে দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বলেন, বীরদের সমালোচনা করা কী অপরাধ? প্রধানমন্ত্রী মোদী আরো বলেন, এই মূর্তিই প্রমাণ করে দিল যে ভারত ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযুক্তির দিক থেকে কতটা প্রগতিশীল হয়েছে। উন্মোচনের পরই মূর্তির উপরে পুষ্পবৃষ্টি করে দু’টি এমআই হেলিকপ্টার। স্ট্যাচু অব ইউনিটির উদ্বোধনের পাশাপাশি ‘ভ্যালি অব ফ্লাওয়ারস’ এর উদ্বোধন করেন মোদী।

এই প্রকল্প নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। প্রশ্ন উঠেছে, সাড়ে চার বছর ধরে মোদী ‘মেইক ইন ইন্ডিয়া’র স্লোগান তুললেও প্যাটেলের মূর্তির বড় অংশ বানিয়ে আনতে হয়েছে চীন থেকে। ক’দিন আগেও প্রায় ৩শ’ চীনা কর্মী মূর্তির কাজ করছিলেন। মূর্তি নিয়ে বিরোধিতা হয়েছে গুজরাটেও। যেখানে মূর্তিটি তৈরি হয়েছে সেই এলাকায় আদিবাসীদের বাস। পরিবেশ ও তাদের বাসস্থানের প্রশ্ন তুলে সর্দার প্যাটেলের মূর্তির বিরোধিতা করেন। বিক্ষোভ-প্রতিবাদও হয়। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগে থেকেই গোটা এলাকা নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়।

বল্লভভাই প্যাটেল একজন ভারতীয় পণ্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতা যিনি ‘সর্দার প্যাটেল’ নামেই বেশি পরিচিত। তাকে ভারতের লৌহমানব বলা হয়। ১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর গুজরাটের কুর্মী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্যাটেল। তুলনায় বেশি বয়সে (২২) ম্যাট্রিক পাশ করেন তিনি। শিক্ষা সম্পন্ন করার পর তিনি আইন পড়তে আগ্রহী হন এবং ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য লন্ডনে যান। দেশে ফিরে একজন আইনজীবী হিসেবে কাজে যোগ দেন এবং ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর তিনি প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest