সর্বশেষ সংবাদ-
গাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’

দহন ছবির গানে ‘অশালীন’ শব্দ, অভিযোগ যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

বিনোদনের খবর: রায়হান রাফি পরিচালিত ‘দহন’ ছবিতে কলকাতার প্রিয় চট্টোপাধ্যায়ের লেখা, আকাশ সেনের সুর করা ও গাওয়া ‘হাজির বিরিয়ানি’ গানের কথায় অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে এক হয়েছেন দেশের শীর্ষ সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পীরা। সবাই মিলে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে যাচ্ছেন তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট একাধিক মন্ত্রণালয়ে।

এরই মধ্যে এতে স্বাক্ষর করেছেন আলাউদ্দিন আলী, আলম খান, আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, সাবিনা ইয়াসমিন, এন্ড্রু কিশোর, ফরিদ আহমেদ, আঁখি আলমগীর, শওকত আলী ইমনসহ শতাধিক তারকা।
এ প্রসঙ্গে শুরু থেকেই নিজের ফেসবুকে প্রতিবাদ করে আসছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। তিনি বলেন, “শওকত আলী ইমনের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। শুনেছি সেন্সর বোর্ড, সংস্কৃতিমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী—এমনকি প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত তাঁরা অভিযোগটি পৌঁছাবেন। আমি মনে করি, এটাই হওয়া উচিত। শিল্পীরা এক হয়ে যেকোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করবে।

এই গানে যে ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে—‘মাতাল হয়ে হিসু করবো দেয়ালে, যা হবে তা দেখা যাবে সকালে’—এমন কথা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের সবারই উচিত এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা।’
সুরকার আলাউদ্দিন আলীও স্বাক্ষর করেছেন এতে। তিনি বলেন, ‘গোটা বাংলাদেশের একটা লোকও এই গানটি পছন্দ করেনি। সেন্সর বোর্ড যদি এই গানকে অনুমতি দেয় তাহলে এ ধরনের গান আরো হতে থাকবে, যা কখনোই কাম্য নয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি যুবরাজকে কী সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে?

বিদেশের খবর: সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে সরিয়ে দেওয়ার গুঞ্জন উঠেছে। খবর পাওয়া গেছে, যুবরাজের ভাই প্রিন্স আহমেদ বিন আবদেল আজিজ ব্রিটেনে স্বেচ্ছা নির্বাসন কাটিয়ে স্বদেশে ফিরেছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, তার প্রত্যাবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তিনি যুবরাজ মোহাম্মদের জায়গায় বসতে পারেন। খবর বিবিসি’র

যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস নামে পরিচিত) এখন ইস্তাম্বুলে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের কারণে চাপের মুখে। প্রিন্স আহমেদ বিন আবদেল আজিজ এতদিন স্বেচ্ছা নির্বাসনে লন্ডনে অবস্থান করছিলেন। পশ্চিমা বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন সৌদি রাজপরিবারে তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদের জায়গা নিতে পারেন। রিয়াদে তার প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষ সরকারিভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি। এরকম কোনো নিশ্চয়তা নাও আসতে পারে। কী শর্তে তিনি ফিরেছেন তাও স্পষ্ট নয়, তবে মনে করা হচ্ছে, নিরাপত্তার ব্যাপারে নিশ্চয়তা পেয়েই তিনি ফিরেছেন।

কিন্তু বিবিসির সংবাদদাতা ফ্রাংক গার্ডনার বলছেন, এই খবরটি সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে সৌদি রাজপরিবারের সূত্র থেকেই এবং এ থেকে আভাস পাওয়া যায় যে ওই অঞ্চলে এখন প্রিন্স মোহাম্মদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যক্তিগত স্তরে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। কারণ সম্প্রতি ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে খাশোগি খুন হবার ঘটনা ঘটে। খাশোগি সৌদি রাজপরিবারের কঠোর সমালোচক ছিলেন।

সৌদি আরব বলেছে, নিয়ম ভঙ্গকারী একদল এজেন্ট খাশোগিকে হত্যা করেছে এবং সৌদি যুবরাজের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। এরপর সৌদি আরবে কিছু লোককে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, সৌদি আরবের প্রধান কৌঁসুলিকে বের করতে হবে যে খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ কে দিয়েছিলেন এবং হত্যার জন্য ১৫ জনের একটি দলকে কে ইস্তাম্বুল পাঠিয়েছিলেন।

খাশোগির হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের যোগ দিতে অনুমতি দেওয়ার জন্যে সৌদি আরবের প্রতি আহবান জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান মিশেল ব্যাশেলেট বলেছেন, খাশোগির মৃতদেহ কোথায় আছে সৌদি কর্তৃপক্ষকে সেটা খোলাসা করতে হবে। খাশোগির মৃতদেহে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হলে বহু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রিয়াঙ্কার বিয়েতে আমন্ত্রণ পাবেন না তার সাবেকরা, বাদ শাহরুখ খানও

বিনোদনের খবর: চলতি বছরের ডিসেম্বরে গাঁটছড়া বাঁধবেন নিক জোনাস এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ভারতের রাজস্থানের উমেদ ভবনে বসবে নিক-প্রিয়াঙ্কার বিয়ের আসর। কিন্তু প্রিয়াঙ্কার বিয়েতে কারা কারা হাজির থাকবেন আর কারা বাদ পড়বেন, তাই নিয়ে এখন বলিউড পাড়ায় কানাঘুষো চলছে।
সূত্রের খবর, বিয়ের পিঁড়িতে বসে কোনরকম অস্বস্তির মধ্যে পড়তে চান না প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর সেই কারণেই নাকি সাবেক প্রেমিকদের বিয়ের আমন্ত্রণ পত্র থেকে ছেটে ফেলতে চাইছেন তিনি। আর সেই কারণেই প্রিয়াঙ্কার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র থেকে বাদ পড়তে পারেন অক্ষয় কুমার, শহিদ কাপুর, হারমান বাওয়েজারা। এমনকি, বাদ পড়তে পারেন শাহরুখ খানও।

এ বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা না গেলেও, নিক-প্রিয়াঙ্কার বিয়েতে আমন্ত্রিতদের তালিকা নিয়ে নাকি ইতিমধ্যেই নির্বাচন পর্ব শুরু করে দিয়েছে চোপড়া পরিবার। বিয়ের আসরে বসে মেয়েকে যাতে কোনভাবে অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যে না পড়তে হয়, তার জন্য সজাগ প্রিয়াঙ্কার মা মধু চোপড়াও।
সম্প্রতি ধুমধাম করে বাগদান পর্ব সারার পর শোনা যায় মার্কিন মুলুকে নাকি বিয়ে সারবেন নিক-প্রিয়াঙ্কা। হওয়াই দ্বীপে বসবে নিক-প্রিয়াঙ্কার বিয়ের আসর। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে জানা যায়, রাজস্থানের বিলাসবহুল উমেদ ভবনে সাতপাকে বাঁধা পড়বেন নিক-প্রিয়াঙ্কা। আর তাদের বিয়েতে অতিথির সংখ্যাও থাকবে একেবারে হাতে গুনে। অর্থাৎ হলিউড এবং বলিউডের ঘনিষ্ঠরা ছাড়া অন্য কেউ নিক-প্রিয়াঙ্কার বিয়েতে নিমন্ত্রণ পাবেন না অলেই শোনা যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানব-মূত্র দিয়ে ইট

অনলাইন ডেস্ক: মাটি পুড়িয়ে হয় ইট। আর সেই ইট দিয়ে তৈরি হয় ঘরবাড়ি। কিন্তু কখনও শুনেছেন মানুষের মূত্র দিয়ে ইট তৈরি হয়েছে? না শোনারই কথা। কারণ এই প্রথমবার মূত্র দিয়ে ইট বানানোর নজির গড়েছেন গবেষকরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বনে তৈরি হয়েছে এই বায়ো-ইট। বিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম মাইক্রোবায়াল কার্বোনেট প্রিসিপিটেশন।
বালি এবং বিশেষ ধরনের ব্যাকটিরিয়া ব্যবহার করে মূত্রের থেকে ইউরিয়া বের করা হয়। এরপর বিভিন্ন কেমিক্যাল প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট তৈরি হয়। তারপরই বালিকে যে কোনও আকার দিয়ে ইটে পরিণত করা হয়। একটি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জার্নালে এই গোটা প্রক্রিয়াটি বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করা আছে।

কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বিভিন্ন আকারের ইট বানিয়ে তার শক্তি পরীক্ষা করেছেন। আদৌ এই ইট দিয়ে বিল্ডিং বানানো সম্ভব কিনা, তা খুঁটিয়ে দেখা হয়। এবং সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হন তারা। আরও মজার বিষয় হলো, এই ইট দিয়ে বাড়ি বানালে বাড়ির তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে। বিশ্ব উষ্ণায়নের যুগে এমন আবিষ্কার তাই নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ। ব্যবহারকারীর ঠিক যেমন প্রয়োজন সেই তাপমাত্রার ইট বানিয়ে দেওয়া যেতে পারে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা। কীভাবে এই ইট আরও শক্তিশালী হবে, তাও বিস্তারিত লেখা রয়েছে সেই জার্নালে।

এর আগে আমেরিকায় সিন্থেটিক সলিউশন ব্যবহার করে ইট তৈরির চেষ্টা করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু মানুষের মূত্র দিয়ে বায়ো-ইট বানানোর ভাবনা এই প্রথম। আর তা সম্পূর্ণ রূপে সফলও হয়েছে। মূত্রের মধ্যে যে এতগুন লুকিয়ে রযেছে, তা হয়তো অনেকেরই অজানা ছিল। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরীকে পেছনে ফেললেন রোনালদো

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলারদের একজন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সবচেয়ে দামী এই ফুটবলারের সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না জুভেন্টাসের হয়ে। কখনও ফর্মহীনতা আবার কখনও নারীদের তোলা অভিযোগ। একের পর এক ঝামলো বয়ে বেড়াচ্ছিলেন সিআর সেভেন।
কিন্তু ধীরে ধীরে অবস্থাটা বদলাচ্ছে। আর তাই মাঠে ফের শুরু হয়েছে ‘রো’ জাদু। এরমধ্যেই আরও এক সুখবর এই মুহূর্তে ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি ফলোয়ার কার জানেন। হ্যাঁ একদম ঠিক ধরেছেন – জুভেন্টাস তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। তিনি এই মুহূর্তে এক নম্বর। ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার ১৪৪,৩৩৮,৬৫০ জন।
তিনি সরিয়েছেন বিখ্যাত পপ তারকা সেলেনা গোমেজকে। ২০১৬ সালে ইনস্টাগ্রাম আসা থেকে তিনি ফলোয়ারের সংখ্যা দিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখতেন। এবার সেই সুন্দরীকেই সরিয়ে এক নম্বর সিআর সেভেন। সেলেনা গোমেজের ইনস্টাগ্রামে এই মুহূর্তে ফলোয়ার ১৪৪,৩২১,০২৯ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিটামিন ই কেন এত প্রয়োজনীয়?

অনলাইন ডেস্ক: ভিটামিন ই এমন একটি উপাদান যা আমাদের শরীরের প্রায় সবরকম রোগ বা দুর্বলতা উপশম করতে পারে। হৃদয় জনিত যেকোনো সমস্যা যেমন, ধমনীতে রক্ত চলাচলে বাধা পরা বা উচ্ছ রক্তচাপ। এছাড়া ডায়াবেটিস, এমন কি স্নায়ু জনিত সমস্যা যেমন আলজাইমা ও ডিমেনশিয়া ইত্যাদি উপশমে সাহায্য করে। গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে ভিটামিন ই জরুরি। এতে গর্ভে পালিত শিশুর শারীরিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। এছাড়া আমাদের ত্বক এবং চুলের ভালো স্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন ই প্রয়োজন।

সাধারণত যেকোনো স্কিন কেয়ার সামগ্ৰিতে ভিটামিন ই থাকে। সাধারণত আমাদের শরীর যখন রোজকার খাবারের পুষ্টি গ্রহন করতে পারেনা তখন এর পরিবর্তে আমাদের ভিটামিন-ই খেতে হয়। ভিটামিন ই তে আলফা, টোকোফেরোল থাকে যা আমাদের শরীরের জন্য উপযোগী। সাধারণত শাকসবজি, বাদাম, সি-ফুড, ফল ইত্যাদিতে ভিটামিন ই থাকে। আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক আমাদের শরীরে ভিটামিন ই কি কি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।


কোলেস্টেরোলের সমতা বজায় রাখা
আমাদের শরীরে কোলেস্টটেরোল এর সমতা বজায় থাকার ওপর শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে। ফলত আমাদের শরীরের বিভিন্ন কোষ এমন কি স্নায়ুগুলি ঠিক মতো কাজ করে। যার ফলে আমাদের শরীর সুস্থ্য থাকে। কিন্তু কোলেস্টেরল এর সমতা বজায় থাকলে অর্থাৎ গুড কোলেস্টেরল কমে গেলে বা ব্যাড কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে শরীরের নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। ভিটামিন ই আমাদের শরীরে এই গুড এবং ব্যাড কোলেস্টেরলের সমতাকে বজায় রাখতে সাহায্য করে।

দৃষ্টি শক্তিকে ভালো রাখে:
বয়স বাড়ার সাথে সাথেই সাধারণত ম্যাকুলার ডিজেনেরেশনের সমস্যা দেখা যায়। যা অন্ধত্বের একটি অন্যতম কারণ। ভিটামিন ই এই রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। ভিটামিন ই আমাদের দৃষ্টি শক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

আলজাইমা প্রতিরোধ:
ভিটামিন ই স্নায়ুকে সতেজ রাখে ফলত স্নায়ু জনিত নানা রোগ যেমন আলজাইমা হওয়ার সমস্যা কমে যায়। এছাড়া ভিটামিন ই ও ভিটামিন সি র সঠিক মাত্রা নানা রোগ হওয়ার সম্ভাবনাকে অনেক মাত্রায় কমিয়ে দেয়।

হরমনের সমতা রক্ষা করা:
হরমোনের ক্ষরণের অসমতা আমাদের দেহে নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি করে, যেমন দেহের ওজন কমে যাওয়া, ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়া, ইউরিন ইনফেকশন, চুল পরে যাওয়া। এছাড়া স্নায়ু জনিত নানা সমস্যা ও হরমোনের অসম ক্ষরণের ফলে দেখা দিতে পারে। ভিটামিন ই শরীরে হরমোনের ক্ষরণকে ঠিক মতো চালনা করতে সাহায্য করে শরীরের স্বাভাবিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।

গর্ভে পালিত শিশুর স্বাস্থ্য বজায়:
গর্ভে পালিত শিশুর মস্তিস্ক বিকাশের ক্ষেত্রে ভিটামিন ই প্রয়োজন। এইসময় ভিটামিন ই সরবরাহ কম হলে গর্ভে পালিত শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিক মতো হয় না, জন্মের পর নান রকম স্নায়ু জনিত সমস্যার ভয় দেখা দেয়।

ভিটামিন ই অভাব আমাদের শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক, এর এভাবে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে যায়। ফলে খুব সহজেই যেকোনো রকম রোগের সংক্রমণ ঘটে। তাই যে সমস্ত খাবারে ভিটামিন ই থাকে সেগুলো বেশি করে খাওয়া উচিত, প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখা:
ভিটামিন ই তে প্রচুর পরিমানে অংশক্সসিডেন্ট থাকায় তা আমাদের চুলের যে কোনো রকম সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। ধুলো বালি লেগে আমাদের চুল রুক্ষ হয়ে যায়, যার ফলে আমাদের চুল ঝরতে শুরু করে, ভিটামিন ই আমাদের চুলের রুক্ষতা দূর করে আমাদের চুলকে সুন্দর ও নরম রাখতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বকাপে স্ত্রীসহ ট্রেনের কামরা ও কলা চান কোহলি

অনলাইন ডেস্ক: বিদেশ সফরে আগেই স্ত্রীদের সঙ্গে রাখার অনুমতি চেয়েছিলেন ভারত ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সে প্রস্তাবের অনুমতিও মিলেছে। এবার আগামী বছর ইংল্যান্ডে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে স্ত্রীদের সাথে রাখার পাশাপাশি ভ্রমণে ব্যক্তিগত ট্রেনের কামরা ও প্রচুর কলা আবদার করলেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই রাজিও হয়েছে কোহলির এ প্রস্তাবে।
শুধু নিজের জন্য নয়, আগামী বিশ্বকাপে সফরের জন্য দলের হয়েই এ দাবিগুলো করেছেন ভিরাট কোহলি। একটি ইংরাজি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টেস্টের আগে হায়দরাবাদে বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটির (সিওএ) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। সেখানেই এই প্রস্তাবগুললো দেওয়া হয়।

বিরাট ও ভারত দলের টিম ম্যানেজমেন্ট চায়, টুর্নামেন্টের সময় যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ কলা রাখা হয়। এর আগে ইংল্যান্ডে গিয়ে ইচ্ছামতো ফল খেতে পারেননি ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সে কারণে এবার আগেই বোর্ডকে বিষয়টি জানিয়ে রাখলেন তারা। বোর্ড অবশ্য নিজেদের টাকায় কলা ও অন্যান্য ফল কেনার আশ্বাস দিয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেটারদের দাবি ছিল, জিম রয়েছে এমন হোটেলই যেন তাঁদের জন্য বরাদ্দ থাকে। বোর্ডের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।
এখানেই শেষ নয়। অধিনায়কের দাবি, ট্রেনের একটি সুরক্ষিত কামরা রাখতে হবে তাঁদের জন্য। যাতে বিশ্বকাপের সময় স্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে নিশ্চিতে এক ভেন্যু থেকে অন্য ভেন্যুতে যেতে পারেন ক্রিকেটাররা।
কিন্তু এ ব্যাপারে প্রথমে কোনওভাবেই অনুমতি দিতে চাইছিল না সিওএ। কমিটির মতে, এই বিষয়টির সঙ্গে নিরাপত্তার ব্যাপার জড়িয়ে। তবে বিরাট জানিয়েছেন, ইংল্যান্ড দলের ক্রিকেটাররাও ট্রেনে সফর করেন। কামরাটি বুক থাকলে এবং বন্ধ থাকলে কোনও সমস্যা হওয়ার কারণ নেই। তাই শেষমেশ এ নিয়ে অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সিওএ। তবে শর্তসাপেক্ষে মিলেছে এই অনুমতি। বলা হয়েছে, ট্রেন সফরে কোনও সমস্যায় পড়লে বোর্ড কোনওভাবেই দায়ী থাকবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিক্রমাসিংহের ডাকে রাজপথে জনতা

বিদেশের খবর: শ্রীলংকার বহিষ্কৃত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের ডাকে রাজপথে নেমে এসেছে দেশটির জনগণ। দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজধানী কলম্বোর কলাপেতির লিবার্টি রাউন্ডঅ্যাবাউট চত্বরে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজপথে ছিল হাজার হাজার মানুষের ঢল। সোমবার বিক্রমাসিংহের ডাকা গণবিক্ষোভে সাড়া দিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন নেতাকর্মীরা।

এছাড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সমর্থকরা। রাজপথ দখলে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি)।

এদিকে প্রেসিডেন্টের মতামত উপেক্ষা করে শুক্রবার পার্লামেন্ট অধিবেশন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্পিকার কারু জয়াসুরিয়া। মঙ্গলবার সব দলের নেতাদের অংশগ্রহণে বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। খবর শ্রীলংকা গার্ডিয়ানের।

গত শুক্রবার বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করে মাহিন্দা রাজাপাকসেকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ দেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। পরের দিন শনিবার মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে পার্লামেন্ট স্থগিত করেন তিনি। এতে দেশটির রাজনৈতিক সংকট আরও তীব্র হয়।

সোমবার নতুন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসের মন্ত্রিসভার শপথ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন টেম্পল ট্রিসে এক সংবাদ সম্মেলনে গণবিক্ষোভের ডাক দেন বিক্রমাসিংহে। শ্রীলংকায় প্রেসিডেন্টের অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ড রুখতে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এ ডাক দেন তিনি।

বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘দেশের সংকটময় মুহূর্তে নাগরিকদের রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে রাজপথে নামতে হবে। দেশের উত্তম ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এ র‌্যালিতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মেলাতে হবে।’

বিক্রমাসিংহে তার বিরুদ্ধে আনা সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রোববার জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা বলেন, বিক্রমাসিংহের মন্ত্রিসভার এক মন্ত্রী তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ২০১৫ সালের গণবিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্র ফেরাতে, শান্তি ও সমৃদ্ধি পুনরুদ্ধারে ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি ৬২ লাখ জণসংখ্যার এ দেশের সবাই এক কাতারে এসেছিল। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা র‌্যালি করেছিলাম, সমাবেশ করেছিল। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির স্বার্থে সরকারের ভণ্ডামি ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। এখন দেশ তেমন আরেকটি সংকটের মুখে।’
বিক্রমাসিংহের এ ঘোষণার পরপরই বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন ইউএনপির সাধারণ সম্পাদক আকিলা ভিরাজ কারিয়াওয়াসাম। মঙ্গলবার সকাল থেকে নেতাকর্মীরা রাজপথে দখলে দিতে শুরু করেছে। এ সময় তাদের মাথায় ছিল দলের লোগো সংবলিত নীল রঙা ক্যাপ। প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের আশপাশের রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

টেম্পল ট্রিসের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা সদস্য। সমাবেশে প্রায় ১ লাখ সমর্থক উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেছে ইউএনপি। তবে পুলিশ বলছে, ২৫ হাজারের বেশি হবে না। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘দেশের এ সংকট কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়।

এটি রাজনৈতিক দলেরও কোনো বিষয় নয়। এ সংকট দেশের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ভয়ঙ্কর। শ্রীলংকার সাংবিধানিক এ অভ্যুত্থান দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।’
এদিনই সবাইকে এককাতারে শামিল হওয়ার ডাক দেন তিনি। বিক্রমাসিংহে বলেন, ‘শ্রীলংকার নাগরিক হিসেবে আমাদের সংবিধান ও অধিকার রক্ষায় চলুন আমরা জোটবদ্ধ হই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest