সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোক

শর্তভঙ্গ করে লাঠিসোটা নিয়ে সমাবেশে বিএনপি

দেশের খবর: বিএনপির সমাবেশ থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দেয়া শর্ত ভঙ্গ করা হয়েছে। ২২ শর্তে দলটিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তবে তারা বেশ কয়েকটি শর্ত ভঙ্গ করেছে।
ডিএমপির ১৯ নম্বর শর্ত অনুযায়ী সমাবেশে কোনো ধরনের লাঠি-সোটা/ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে লাঠি, রড ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিএনপির সমর্থকদের লাঠিসোটা নিয়ে আসতে দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ৫ নম্বর শর্ত অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে জনসভার কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হলেও বিএনপির অধিকাংশ সমর্থক উদ্যানের বাইরে ও রমনা পার্কের ভেতরে জড়ো হচ্ছেন। সেখানেও বিচ্ছিন্নভাবে বক্তৃতা দিচ্ছেন। একত্র হয়ে উদ্যানে ঢুকছেন। সোহরাওয়ার্দী থেকে শাহবাগের সড়কে শোডাউন করতে দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ১৩ নম্বর শর্তে অনুমোদিত স্থানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে লোক সমাগম করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়। তবে বিএনপির সমর্থকরা শাহবাগ, মৎসভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রমনা পার্ক এলাকার সড়ক ও ফুটপাথে অবস্থান নিয়েছেন।
ডিএমপির ১৮ নং শর্ত অনুযায়ী অনুমোদিত সময়ের পূর্বে কিংবা পরে রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়া যাবে না ও যান চলাচলে কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। ২০ নম্বরে মিছিল করে সমাবেশে আসা যাবে না বলে উল্লেখ করা হলেও সেটিও মানা হচ্ছে না। বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড়ে মৎস্যভবন থেকে শাহবাগে সড়কে কোনো যান চলাচল করছে না। শাহবাগ থেকে মৎস্যভবনের সড়কে দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ৯ নম্বর শর্তে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভেহিকেল স্ক্যানার (যানবাহন তল্লাশি) সার্চ মিরর-এর মাধ্যমে জনসভাস্থলে আগত সকল যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করার কথা হলেও সেটি করেনি বিএনপি। তল্লাশি ছাড়াই সবার গাড়ি ঢুকছে উদ্যানে।

bnp-(2)

ডিএমপির শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— সমাবেশে আইন-শৃঙ্খলাপরিপন্থী, রাষ্ট্র ও জননিরাপত্তাপরিপন্থী কোনো কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে না, উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য এবং প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে— এমন কোনো ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান ও প্রচার করা যাবে না, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আইডি কার্ডসহ নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী নিয়োগ করতে হবে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ পথে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে আসা প্রতিটি যানবাহন তল্লাশি করতে হবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়ক ও ফুটপাতে প্রজেকশন ব্যবহার করা যাবে না, অনুমোদিত স্থানের বাইরে সড়কে অথবা ফুটপাতে সমবেত হওয়া যাবে না, আজান, নামাজ এবং ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক চালু রাখা যাবে না, জনসভার মঞ্চ অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না, জনসভার ২ ঘণ্টা আগে মানুষ জনসভাস্থলে আসতে পারবে, বিকেল ৫টার মধ্যে জনসভা শেষ করতে হবে, মিছিলসহকারে জনসভায় আসা যাবে না, ব্যানার-ফেস্টুনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠি, সোটা, রড আনা যাবে না, শর্ত না মানলে তাৎক্ষণিকভাবে অনুমতি বাতিল বলে গণ্য হবে, জনস্বার্থে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই কর্তৃপক্ষ এ অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘দুই পাকিস্তানকে মোকাবেলা করতে হবে ভারতের’

বিদেশের খবর: শ্রীলঙ্কা ও নেপালের ওপর থেকে প্রভাব হারিয়েছে ভারত, বাংলাদেশের ওপর থেকেও হারাবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। তিনি বলেন, আগামীতে ভারতকে দুটি পাকিস্তানের মোকাবেলা করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে তার নতুন বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। রাইট টু ফ্রিডম নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, সাতবোন রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে বাংলাদেশের ভেতর থেকে ভারতের করিডোর দরকার। মিজোরাম, লাগাল্যান্ড ও মনিপুরে বিদ্রোহ আছে। এসব রাজ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, এজন্যই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকতে সহায়তা করছে ভারত। ভারতের জন্য লাভজনক বলেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। ভবিষ্যতে আমি ভারত নিয়ে লিখব।
সিনহা বলেন, আমি এমন কাউকে পাইনি যে আমাকে সহায়তা করবে। কোনো অর্থ, কোনো সাহায্য, কোনো প্রকাশক কিংবা দাতাও খুঁজে পাইনি।
তিনি বলেন, এখন আমার কোনো স্ট্যাটাস নেই। আমি একজন শরণার্থী। আজ, এখনো আমি একজন শরণার্থী। আমাকে একের পর এক লড়াই করে যেতে হয়েছে। কিছু বন্ধু আমাকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন। কিন্তু তাদের নাম প্রকাশ করতে পারছি না। তারা আমাকে অনুরোধ করেছেন, যাতে তাদের নাম প্রকাশ না করি।
‘তারা বলেছেন, যদিও আমরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, কিন্তু আমাদের পরিবার ও স্বজনরা বাংলাদেশে বসবাস করছেন। এতে তারা সমস্যায় পড়তে পারেন।’
তিনি বলেন, আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু দেশে এখনো বৈষম্য রয়েছে, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র নেই।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বিচারপতি সিনহা বলেন, আমি কখনও রাজনীতিতে জড়িত ছিলাম না, আমি রাজনীতি ঘৃণা করি, কারণ যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ১৯৭৪ সাল থেকে আমি দেখছি… আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা নিইনি।
সাবেক এই প্রধান বিচারপতি বলেন, সরকার অভিযোগ করছে, কিছু রাজনৈতিক দল আমাকে সাহায্য করছে। এমনকি এও বলেছেন, লন্ডন থেকে জামায়াতে ইসলামীর একজন, ব্যারিস্টার রাজ্জাক আমাকে সাহায্য করেছে।
‘রাজনৈতিক কেউ আমাকে এ কাজে সহযোগিতা করেনি। কেবল কয়েকজন সিনিয়র সিটিজেন, যারা ডক্টর, প্রফেসর, জার্নালিস্ট আমাকে হেল্প করেছেন।’
বইটি প্রকাশে একটি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কথা অস্বীকার করে সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেন, বইটি প্রকাশ করেছে অ্যামাজন।
পদত্যাগের পর দেশে সরকারের তরফ থেকে বিচারপতি সিনহার যেসব দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে, সেসব বিষয়ে তার কোনো প্রতিক্রিয়া এ অনুষ্ঠানে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, আমি লড়ছি আইনের শাসনের জন্যে, গণতন্ত্রের জন্যে, মানবাধিকারের জন্যে। কারণ আমার এখন আমাদের দেশে কিছু প্রকাশ করতে পারি না।
‘আপনারা দেখবেন, কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই দুই থেকে তিনশ সাংবাদিক রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন, কারণ তারা স্বাধীনভাবে কিছু লিখেছিলেন।’
তার ভাষায়, মহান যুক্তরাষ্ট্রের মুক্ত-স্বাধীন পরিবেশে মানবাধিকার সংরক্ষিত বলেই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ তার হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে প্রথম নারী মেজর জেনারেল

দেশের খবর: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম নারী মেজর জেনারেল হলেন সুসানে গীতি। আর্মি মেডিকেল কোরের অধ্যাপক মেজর জেনারেল সুসানে গীতিকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয়।
রোববার সেনাবাহিনী সদর দফতরে তাকে র‌্যাংক পরিয়ে দেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমদ ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল শামসুল হক।
পদোন্নতি পাওয়ায় সুসানে গীতি এখন আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথোলজিতে কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, মেজর জেনারেল সুসানে গীতি ১৯৮৫ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। এরপর ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী ডাক্তার হিসেবে ক্যাপ্টেন পদে যোগ দেন।
তিনি ১৯৯৬ সালে প্রথম নারী হিসেবে হেমাটোলজিতে এফসিপিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন ও বিভিন্ন সামরিক হাসপাতালে প্যাথলজি বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব পালন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জার্মানিতে প্রতি সপ্তাহে উড়ে বাংলাদেশের পতাকা

অনলাইন ডেস্ক: প্রবাসী বাঙালিরা বিদেশে বাংলাদেশের গৌরব, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নানাভাবে তুলে ধরেন। বহন করেন বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল পতাকা।
জার্মানিতে এমনই একজন প্রবাসী ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম খান বকুল। তিনি ফ্রাঙ্কফুটে নিজের নামানুসারে গড়ে তুলেছেন একটি গার্মেন্টস শিল্পের বিক্রয় প্রতিষ্ঠান। যার মাধ্যমে তিনি সারা জার্মানিতে ছড়িয়ে দিচ্ছেন বাংলাদেশের পোশাক।
বকুল ১৯৯০ সাল থেকে অদ্যাবধি জার্মানির শহরগুলোতে বিভিন্ন শিল্পমেলায় প্রতি সপ্তাহে তুলে ধরছেন বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা। ফলে ২৮ বছর যাবৎ বকুল এখন জার্মানিতে বাংলাদেশের প্রতীক।
নুরুল ইসলাম খান বকুল জানান, বাংলাদেশের শার্ট, টি-শার্ট, শাল ও অন্যান্য পোশাক গুণগত মান ও স্বল্প মূল্যের কারণে ইউরোপে বাজারে এই পণ্যের প্রচুর চাহিদা। আমি শুধু ব্যবসায়িক কারণে নয়, বাংলাদেশের সুনাম অর্জনের জন্যও এই পেশার সঙ্গে যুক্ত।
উল্লেখ্য, জনাব বকুল দেশে থাকাকালীন সময়ে ব্যাংকার ছিলেন এবং লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আশির দশকে সম্পাদনা করতেন ‘চারণ’ নামে একটি ম্যাগাজিন। তিনি এখনও ফ্রাঙ্কফুটের বইমেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সময় নানাভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প ও সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৩২

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ার উপকূলীয় পালু শহরে ভূমিকম্প ও সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৩২ । আহত হয়েছেন কয়েক শতাধিক। তবে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা কর্মকর্তাদের। রবিবার একথা জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।
গত শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু, ডোঙ্গালা ও অন্যান্য কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় ৬.৬ ফুট উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ভূমিকম্পের পরপর সমুদ্র উপকূলীয় পালু শহরটিতে সুনামিও আঘাত হানে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, সকল মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সুলাওয়েসি দ্বীপের রাজধানী পালুতে। পুরো শহর ভরে গেছে ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষ দিয়ে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার এক মুখপাত্র সুতোপো পুরয়ো নুগ্রোহো বলেন, চারটি হাসপাতাল থেকে খবর এসেছে, কয়েকশ’ মানুষ আহত হয়েছেন। এখনও অনেক লোক হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন সঙ্গে নিহতের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। হাতপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় আহতের চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
তিনি আরো বলেন, সুনামির কারণে উপকূলে অনেক মৃতদেহ এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত মাসে ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপে এক প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে অন্তত ৪৬০ জন প্রাণ হারিয়েছে। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, আল-জাজিরা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় গভীর রাতে সাংবাদিকের বাড়ির সামনে ‘দা বাহিনী’, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা শহরে গভীর রাতে দুই সাংবাদিকের বাড়ির সামনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ওৎ পেতে থাকার ঘটনায় উদ্বিগ্ন সাতক্ষীরা শহরের সচেতন মহল। এঘটনায় রবিবার সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম।
গত শুক্রবার বাংলাদেশে-ভারত এশিয়া কাপ ফাইনালের শেষে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে শহরের পলাশপোল তেঁতুলতলা এলাকায় সাবেক এমপি মরহুম এড. এ.এফ.এম এন্তাজ আলীর পুত্র দৈনিক কালের চিত্রের মফঃস্বল বার্তা সম্পাদক মেহেদী আলী সুজয় ও অনলাইন নিউজপোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের বাড়ির সামনে এঘটনা ঘটে।
ঘটনার ভুক্তভোগী সাংবাদিক মেহেদী আলী সুজয় জানান, তিনি প্রতিদিনের ন্যায় পত্রিকা অফিসের কাজ শেষে রাত আড়াইটার দিকে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়িতে প্রবেশের সময় তিনি দেখতে পান তার বাড়ির পাশে খালি গায়ে কেউ বসে আছেন। তখন তিনি ’কে ওখানে’ বললে সেই ব্যক্তি উঠে দাঁড়ায়। তখন সাংবাদিক সুজয় ’চোর চোর’ বলে দুইবার চিৎকার দিলে ওই সন্ত্রাসী তার গলায় দা ধরে গালি দিয়ে বলে, “চিৎকার করলে লাশ ফেলে দেবো।” এসময় আশে পাশে লুকিয়ে থাকা আরো ১০/১১ জন সন্ত্রাসী বের হয়ে তাকে ঘিরে ফেললে সুজয় ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে তাদের কাছে চিৎকার করার জন্য ক্ষমা চান এবং তার কোন ক্ষতি না করার জন্য মিনতি করেন। এসময় গলা দা ধরা ব্যক্তি তাকে প্রশ্ন করে, “এটা কি তোর বাড়ি?” তিনি হ্যাঁ সূচক জবাব দিলে ওই ব্যক্তি তাকে বলেন, “সোজা কোন কথা না বলে বাড়ির ফিতরে চলে যা। কোন শব্দ করবি না।” সুজয় মটরসাইকেল ঠেলে বাড়ির দিকে প্রবেশের করতে থাকলে তারা আর কোন কথা না বলে দল বেঁধে হাঁটতে হাঁটতে পলাশপোল বউ বাজারের দিকে চলে যায়। এ সময় সুজয় নিজেকে সামলিয়ে চিৎকার করে এবং পুলিশকে খবর দেয়। এসময় স্থানীয়রা ছুটে আসে এবং কিছুক্ষণ পর সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক সেখানে হাজির হন। কিন্তু ততক্ষণে তাদের কেউ দেখতে পাইনি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি সেলাই রেন্স উদ্ধার করে। এসময় হাফিজুর রহমান মাসুম বাড়ির বাইরে ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকা অবস্থাতেই তিনি বাড়িতে ফেরেন এবং ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারেন।
সাংবাদিক সুজয় জানান, “সশস্ত্র ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই খালি গায়ে ছিল এবং তাদের মুখ গামছা দিয়ে ঢাকা ছিলো। তারা প্রত্যেকে ফুটবল খেলার হাফ প্যান্টের উপরে লুঙ্গি মালকোচা মারা অবস্থায় ছিল। প্রায় প্রত্যেকের হাতে ধারালো দা থাকলেও একজনের হাতে একটি কুড়াল ছিল।”
এদিকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ‘দা বাহিনী’র রহস্যজনক আচরণ ও তাদের ওৎ পেতে থাকার ঘটনা জানাজানি হওয়ায় সকলের মধ্যে নানা জল্পনা কল্পনা বাসা বেধেছে। সবার প্রশ্ন- তারা আসালে কারা ছিলেন? সাংবাদিক সুজয় তাদের সামনে হঠাৎ উপস্তিত হওয়ায় তাকে ভীতি প্রদর্শন করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কোথায় জলে গেলো? তারা কি আসলে অন্য কারও জন্য অপেক্ষা করছিল?

উল্লেখ্য, সাংবাদিক সুজয়ের বাড়ির সামনের রাস্তার অপরপাশেই বসবাস করেন সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মাসুম। তিনি সাতক্ষীরায় যুদ্ধাপরাধ মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন সাতক্ষীরার মামলাগুলোর সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি তিনি নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ, সাতক্ষীরাসহ একাধিক সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত। যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে সাতক্ষীরায় গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ও সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন।
তাহলে এমন নয়তো যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে বা সংবাদ প্রকাশে ক্ষীপ্ত হয়ে একজন নির্ভীক তরুণ সাংবাদিকের কণ্ঠরুদ্ধ করতে সাতক্ষীরার কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি বা চক্র ওই সন্ত্রাসীদের ভাড়া করেছে? ভুলবশতঃ সাংবাদিক সুজয় সামনে পড়ার কারণে তাদের মিশন ব্যর্থ হয়েছে। নাকি তারা আসলে ডাকাত ছিলো। নানা প্রশ্নে জর্জরিত করেছে সাতক্ষীরার সচেতন মহল ও সাংবাদিক সমাজকে।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, “সেরাতের ঘটনা আমরা তৎক্ষণাৎ অবগত হয়েছি এবং আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এবিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে। সন্ত্রাসী যে বা যারাই হোক তাদেরকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিনেমা প্রযোজনায় দীপিকা

বিনোদনের খবর: চলতি বছর ‘পদ্মাবত’র সাফল্য ও বিয়ের গুঞ্জনের পর কাজের বিষয়ে বেশ ধীর গতিতেই পা ফেলছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন।
বেশ সতর্কতার সঙ্গেই নতুন সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে দীপিকা অভিনয়ের পাশাপাশি এবার সিনেমা প্রযোজনায় নামছেন। শুধু তাই না, নিজের প্রোডাকশন হাউজ তৈরি করতে এখন বেশ মনোযোগী হয়েছেন তিনি।
প্রথম সিনেমা নির্মাণের জন্য দীপিকা বেছে নিয়েছেন নারী কেন্দ্রিক গল্প।
বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দীপিকা প্রোডাকশন হাউজ তৈরি করা নিয়ে এখন ব্যস্ত আছেন। আদতে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রথম প্রোডাকশনের ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন। তার সঙ্গে সিনেমাটি সহ-প্রযোজনায় থাকবেন মেঘনা গুলজার।
সূত্র আরও বলেন, সিনেমাটি হবে নারী কেন্দ্রিক। যা ভারতে অ্যাসিড আক্রমণের শিকার লক্ষ্মীর জীবনী নিয়ে নির্মিত হবে।
নাম ঠিক না হওয়া সিনেমাটির শুটিং আগামী বছর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরীদের বিচারক হচ্ছেন পিয়া

বিনোদনের খবর: প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আয়োজন করা হয়েছে ‘মিস কালচারাল অ্যান্ড ট্যুরিজম’ প্রতিযোগিতা। মূলত এই প্রতিযোগিতায় সেরা পাঁচ বিজয়ী বাংলাদেশের ট্যুরিজম এবং কালচারকে তুলে ধরবেন চীনে।
এতে প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রতিযোগিতায় চূড়ান্তভাবে বিজয়ী সেরা পাঁচ জন অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে যাবেন চীনে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চীনের শানঢং স্টেটের হাজাহ সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে মিস ওয়ার্ল্ড কালচারাল অ্যান্ড ট্যুরিজম প্রতিযোগিতা।
দেশের সেরা পাঁচ বিজয়ী খোঁজার এই আয়োজনে জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়ার সাথে বিচারক হিসেবে আরও থাকবেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস।
ডিজিটাল বিনোদন প্লাটফর্ম এন্ড সার্ভিস লিংকাসের আয়োজনে প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে ২ অক্টোবর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest