সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

৭২-এ পা দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক: আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। আজ তার ৭২তম জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী তীরের টুঙ্গিপাড়ায় আজকের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি।
শেখ হাসিনার শৈশব-কৈশোর কেটেছে মধুমতি নদীর তীরবর্তী গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায়। দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি তিনি। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলসহ তাঁরা পাঁচ ভাই-বোন।
বর্তমানে শেখ হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন্নেছাসহ সবাই ঘাতকদের হাতে নিহত হন।
টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায় শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে চলে আসেন। তখন পুরনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তাঁরা । এরপর ১৯৫৬ সালে তিনি ভর্তি হন রাজধানীর টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। ১৯৬৫ সালে শেখ হাসিনা আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

ঢাকার বকশীবাজারের পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমানে বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। সে বছরই তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করায় কিশোর বয়স থেকেই তার রাজনীতিতে পদচারণা। তিনি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজে পড়ার সময় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে তিনি আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ৬-দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬-দফা দাবিতে পূর্ববাংলায় এক অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়। শাসকগোষ্ঠী ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে। কারাবন্দী পিতা বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয় ১৯৬৮ সালে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। অবরুদ্ধ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দী অবস্থায় তাঁর প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর মা হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়।

১৯৭৫ সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হবার আগে ছোট বোন শেখ রেহানাসহ শেখ হাসিনা ইউরোপ যান। সেখানে অবস্থানকালে তিনি সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নিহত হবার খবর পান। সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। এরআগে ১৯৮১ সালের ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাঁকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেত্রী আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহনের পর থেকে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন। এরপর ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তার একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম। ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে তিনি তিনটি আসন থেকে নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনের পরে তিনি পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সে বছরের ২৩ জুন দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

পরবর্তীতে ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি সপ্তম জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের নেতা নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও ওই হামলায় ২৪ জন নিহত এবং পাঁচশ’ নেতা-কর্মী আহত হন।

আবার শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। ১/১১-এর পর শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য হাজির করা হয় ‘মাইনাস টু’ তত্ত্বের। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই নিজ বাসভবন সুধা সদন থেকে শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়। জাতীয় সংসদ এলাকায় একটি অস্থায়ী কারাগারে তাকে বন্দী করে রাখা হয়। পরে শেখ হাসিনাসহ রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে বিশাল বিজয় অর্জন করে। এই বিজয়ের মধ্যদিয়ে শেখ হাসিনা দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা।

পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তার নেতৃত্বে সম্প্রতি মিয়ানমার সরকারের ভয়াবহ নির্যাতনে আশ্রয়হীন ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে নাড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বকে। আজ সারা বিশ্বেই তাঁর নাম আলোচিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মানবতার জননী’ হিসেবে। জাতিসংঘের চলতি অধিবেশনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাঁর এই মানবিক দৃষ্টান্তের প্রশংসা করেছেন। নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ়চেতা মানসিকতা ও মানবিক গুণাবলি তাঁকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে।

শেখ হাসিনার ডায়নামিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যে স্বনির্ভরতা, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ অবকাঠামো, যোগাযোগ, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ, বাণিজ্য, আইসিটি এবং এসএমই খাতে এসেছে ব্যাপক সাফল্য। এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিসহ জাতীয় জীবনের বহুক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

বিশ্বের বুকে নতুন শতাব্দীতে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানো মূলত সেখান থেকেই, যা গত কয়েক বছর ধরেই অব্যাহত রয়েছে। যদিও নয় বছর খুব বেশি সময় নয়; অথচ এ সময়েই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, কৃষি, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তিসহ সব সূচকে যেভাবে তিনি অগ্রগতি, সাফল্য আর উন্নয়নের ধারা সৃষ্টি করেছেন; তাতে সহজেই অনুমেয়-আগামীর বাংলাদেশ ২০৪১ সালের আগেই তাঁর নেতৃত্বে উন্নত দেশের সারিতে কাঁধ মেলাতে সক্ষম হবে।

এদিকে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে নানান কর্মসূচির আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শুক্রবার বিকাল ৩:৩০ মিনিটে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনার বিষয়বস্তু ‘নবীনদের দৃষ্টিতে শেখ হাসিনা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার চিনেডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : দেবহাটার চিনেডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্টিত উক্ত মা সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সখিপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান আলী রাজু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের প্রভাষক ফারুক হোসেন ও খুলনার আদদ্বীন হাসপাতালের সেডিকেল অফিসার ডাঃ মীর মাহফুজ আলম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক পরিতোষ কুমার, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল গফফার, সাইফুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মোনাজাত আলী. শরিফুল ইসলাম পলাশ, অভিভাবক সদস্য মাহিলা খাতুন, রওশন আরা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক আল মামুন। এসময় বক্তারা শিশুদের পড়াশুনা করে মানুষের মতো মানুষ হতে এবং সুশিক্ষিত হয়ে দেশের সেবায় কাজ করতে মায়েদের ভূমিকার বিষয়ে বিষদ আলোচনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শুক্রবার নিমাই মন্ডলের কবিতা নিয়ে আলোচনা

প্রেস বিজ্ঞাপ্ত:
শুক্রবার নিমাই মন্ডল লিখিত কবিতার বই ‘ইন্দুলেখা আগুনের ফুলকি হবে’ নিয়ে আলোচনা, আবৃত্তি ও আড্ডা অনুষ্ঠিত হবে। আজ বিকাল ৪টায় সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন গাজী আজিজুর রহমান। আলোচক হিসাবে থাকবেন কাজী মুহাম্মদ অলিউল্লাহ, হামিদ মোল্লা, বিশ্বাস সুদের কুমার, পল্টু বাশার, সৌহার্দ সিরাজ, শুভ্র আহমেদ, ইবাইস আমান, আশুতোষ সরকার, হাফিজুর রহমান মাসুম, সায়েম ফেরদৌস মিতুল। আবৃত্তি করবেন মনজুরুল হক, দিলরুবা, মন্ময় মনির, প্রজ্ঞা পারমিতা, তনিয়া, অনিষা, জীম, মীম। পাঠ স্পন্দন বাবলু ভঞ্জ চৌরুরী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন স ম তুহিন। অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহনের জন্য আহবান জানিয়েছেন নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক ফাহিমুল হক কিসলু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা গণমুখি মাঠে বড়পর্দায় বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার ফাইনালের শিরোপা ঘরে তোলার লক্ষে ভারতের মুখোমুখি হবে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। ফাইনালে প্রতিপক্ষ ভারত মানেই তো গত এশিয়া কাপের দুঃসহ স্মৃতি। এশিয়া কাপের ইতিহাসে সেবারই (২০১৬) প্রথম টি-টোয়েন্টি সংস্করণ মাঠে গড়িয়েছিল। আগের ম্যাচগুলো দোর্দ- প্রতাপে খেলে ফাইনালে উঠে আসা বাংলাদেশ শিরোপা লড়াইয়ে তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। বৃষ্টিবিঘিœত সেই ফাইনালে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ১৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১২০ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৭ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছিল ভারত।
এবার কি তাহলে সেই হারের জ্বালা মেটানোর পালা? এশিয়া কাপে এবারসহ চার টুর্নামেন্ট মিলিয়ে তিনবার ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ। ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো দেখা মিলেছিল ফাইনালের। সেই হারের স্মৃতি ভোলা অসম্ভব। শ্বাসরুদ্ধকর সেই ম্যাচে পাকিস্তানের ৯ উইকেটে ২৩৬ রান তাড়া করতে নেমে ২ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার এ খেলাকে কেন্দ্র করে দর্শকদের উত্তেজনা কম নয়।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার উত্তেজনাকর এ ফাইনাল ম্যাচ দর্শকের মাঝে তুলে ধরতে ব্যাতিক্রমী উদ্দ্যোগ নিয়েছে সদর উপজেলার উত্তর কাটিয়ার চৌধুরী বাবু। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে ‘মাদককে না বলুন, খেলাকে হ্যা বলুন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তিনি সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (গণমুখি মাঠ) বড় পর্দায় বাংলাদেশ ভারত ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করার ব্যাবস্থা করেছেন। বড় পর্দায় খেলাটি উপভোগ করতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন চৌধুরী বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্কার দৌড়ে তিশার হ্যাটট্রিক

বিনোদনের খবর: সুসময় যাচ্ছে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার। তার অভিনীত চলচ্চিত্র আবারও বিশ্বখ্যাত অস্কার পুরস্কার প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হয়েছে।
তিশা অভিনীত এবং মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ডুব’ ছবিটি বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ছবি হিসেবে অস্কারে বিদেশি ভাষা বিভাগে প্রতিযোগিতায় অন্যান্য দেশের ছবিগুলোর সঙ্গে লড়বে। তাই এ নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিশা।
তৃতীয়বারের মতো এ প্রতিযোগিতায় গেল তার ছবি। এ প্রসঙ্গে তিশা বলেন, “আমার অভিনীত ছবি অস্কার পুরস্কার প্রতিযোগিতায় যাচ্ছে, এটা অবশ্যই ভালোলাগার বিষয়। এর আগেও আমার অভিনীত ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’ ও ‘টেলিভিশন’- ছবি দুটো এ প্রতিযোগিতায় গিয়েছিল।
এটা একজন অভিনয় শিল্পীর জন্য অনেক সম্মানের বিষয়। আমাদের দেশে এখন বিশ্বমানের ছবি নির্মিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এটা অব্যাহত থাকলে আমাদের ছবিগুলো বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগাবে।” অন্যদিকে তার অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘শনিবার বিকেল’ ছবিটি।
এ ছবির জন্যও তিশা অপেক্ষা করছেন। এ ছাড়া অরুন চৌধুরী, অনন্য মামুনের নতুন দুটি ছবিতে অভিনয় করবেন তিনি। এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনাও হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিশা বলেন, ‘আসলে সারা বছরই নতুন ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পাই আমি।
অনেক নির্মাতাই এ জন্য সব সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। গল্প এবং চরিত্র যখন আমার মনমতো হয়, তখনই সেসব ছবিতে অভিনয় করি। অরুন চৌধুরী এবং অনন্য মামুনের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে কথা হয়েছে।

গল্প এবং অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার পরই চূড়ান্তভাবে চুক্তিবদ্ধ হব।’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রী সিনেমার পাশাপাশি নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করেন। ঈদ কিংবা বিশেষ উৎসবের নাটকেই শুধু তাকে দেখা যায় এখন।

এ প্রসঙ্গে তিশা বলেন, ‘পরিকল্পনার বাইরে কোনো কাজ করি না। সেটা নাটক কিংবা চলচ্চিত্র, যাই হোক না কেন। মোটকথা দর্শকের কথা মাথায় রেখেই আমি কাজ করি। তবে কিছুদিনের জন্য আমি বিশ্রামে আছি। এ সময়টায় শুধু পরিবার নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চাই। তবে শিগগিরই নতুন কাজে আমাকে দেখা যাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ৩য় খেলায় বাঁকা স্পোর্টিং ক্লাব জয়ী

আশাশুনি ব্যুরো  :
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের৩য় খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাদাকাটি যুব মজলিসের আয়োজনে কাদাকাটি যুব মজলিস ফুটবল মাঠে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত খেলায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার বাঁকা স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জোড়দিয়া মডার্ণ স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ পরষ্পরের মুখোমুখি হয়। মনোমুগ্ধকর এই খেলায় প্রথমার্ধের ১ টি গোল করে দলকে এগিয়ে রাখেন জোড়দিয়া মডার্ণ স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ। দ্বিতীয়ার্ধের খেলার শেষ মুহুর্তে বাঁকা স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ ১টি গোল করে সমতায় আসায় খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে বাঁকা স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ ৪-২ গোলের ব্যবধানে জোড়দিয়া মডার্ণ স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে। খেলাটি পরিচালনা করেন নাসিরউদ্দীন, শিমুল হোসেন ও আবুল বাশার। ধারাভাষ্যে ছিলেন, আ. সুবহান ও সবুজ আহমেদ। একই মাঠে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে টুর্ণামেন্টের প্রথম রাউন্ডের শেষ খেলায় খুলনা জেলার পাইকগাছা স্পোর্টিং ক্লাব ফুটবল একাদশ ও আশাশুনি উপজেলার মহিষাডাঙ্গা ফুটবল একাদশ পরষ্পরের মুখোমুখি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অং সান সু চির নাগরিকত্ব কেড়ে নিচ্ছে কানাডা

বিদেশের খবর: মিয়ানমারের আরকান রাজ্যে রোহিঙ্গা জাতি গোষ্ঠীর ওপর ধ্বংসযজ্ঞ ও বিতাড়ন ইস্যুতে বিশ্বব্যাপী সমালোচনায় দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। একের পর এক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মাননা হারাচ্ছেন তিনি। এবার তার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব বাতিল করার পদক্ষেপ নিচ্ছে কানাডা।
সু চির নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়ে কানাডার পার্লামেন্টে একটি বিল উত্থাপন করা হচ্ছে। ওই বিলের ওপর আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।
মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা নির্যাতনের যে ঘটনা ঘটেছে সেটিকে মুসলিমদের ওপর সেনাবাহিনীর বর্বর অভিযানে গণহত্যা আখ্যায়িত করে সর্বসম্মতিক্রমে ভোট দিয়েছেন কানাডার সংসদ সদস্যরা।
রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্যাতনের যে প্রতিবেদনে দিয়েছে সেটিও বৃহস্পতিবার অনুমোদন দিয়েছে দেশটির হাউস অব কমন্সে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো বলেন, পার্লামেন্ট তাকে সম্মানজনক নাগরিকত্ব দিয়েছিল। তাই এ বিষয়ে আমরা অবশ্যই আলোচনা করতে পারি। কিন্তু একটা জিনিস আমি পরিষ্কার করে বলছি যে, মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির কানাডার নাগরিকত্ব আছে কি নেই, সেটি সম্মানসূচক নাকি সম্মানসূচক নয়, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এটা কোনো পার্থক্য করে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভাতের মাড় দিয়ে রূপচর্চা!

অনলাইন ডেস্ক: দিনের মধ্যে অন্তত একবেলা ভাত না হলে বাঙালির খাবার তালিকা অপূর্ণ থেকে যায় যেন। আর ভাত রান্না করলে ভাতের মাড় তো পাওয়া যাবেই। এই মাড় আমরা ফেলেই দেই। কখনো কখনো হয়তো কাপড়ে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ভাতের মাড়ের রয়েছে আরও অনেক গুণ।
একটি জাতীয় হেলথ ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, রূপচর্চার ক্ষেত্রেও ভাতের মাড়ের জুড়ি মেলা ভার। জেনে নিন ভাতের মাড় ব্যবহার করলে রূপচর্চায় কী কী উপকার পাবেন-

* মশ্চেরাইজার হিসেবে ভালো কাজ করে ভাতের মাড়। ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে। তাই রূপচর্চায় রাখতে পারেন ভাতের মাড়। তবে ব্যবহারের আগে অবশ্যই ঠান্ডা করে নেবেন।
* ভাতের মাড় দিয়ে ধুলে ত্বক পরিষ্কার হয়। অল্প পরিমাণ ভাতের মাড় নিয়ে সারা মুখে ম্যাসাজ করুন। মিনিট দশেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, কেমন চনমনে লাগছে!
* ভাতের মাড় ব্যবহারে ত্বকের কালচে ভাব দূর হয়। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে চাইলে ব্যবহার করুন ভাতের মাড়। এটি ব্যবহারে ত্বক নরমও হয়।
* ভাতের মাড় ব্যবহার করলে আমাদের ত্বকের বলিরেখা ও ডার্ক সার্কেল দূর হয়। এমনকি ব্রণও দূর হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest