সর্বশেষ সংবাদ-
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ম্যারাথন র‌্যালিসাতক্ষীরায় জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানি দেয়ার সময় রাজনৈতিক নেতাদের মঞ্চে না ডাকায় নেতাদের ক্ষোভসাতক্ষীরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের বিক্ষোভধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে সংঘবদ্ধ ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী: শ্যামনগরে ড. মনিরুজ্জামানজুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভজুলাই গণঅভ্যু্ত্থান দিবস উপলক্ষে সিলভার জুবিলি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনাসভা : পুরস্কার বিতরণীজুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণশ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংসসাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপিউচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজঞপ্তি সাতক্ষীরায় ১৩ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা মূল্যের রূপার গহনা উদ্ধার করেছে বিজিবি। ১৩ আগস্ট সন্ধ্যায় মাদরা সীমান্ত এলাকা থেকে ৯ কেজি ২শ গ্রাম ভারতীয় রুপার গহনা আটক করে।

৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আশরাফুল হক জানান, গোপন সংবাদ প্রাপ্তির পর মাদরা কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার কাজী বদরুল
আলম এর নেতৃত্বে একটি চৌকষ আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় কৌশলে অবস্থান গ্রহণ করে। এ সময় চোরাকারবারীরা বর্ণিত এলাকায় আগমনের পর বিজিবি’র টহল দলের উপস্থিতি বুঝতে পেয়ে রুপার ব্যাগ ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আভিযানিক দল চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশী করে স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ০৯ কেজি ২০০ গ্রাম ভারতীয় রুপার গহনা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত রুপার গহনার ওজন ০৯ কেজি ২০০ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ১৩ লক্ষ ৫২হাজার ৪শ টাকা।
হাজার চারশত) টাকা।
এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় জিডি (সাধারন ডায়েরী) করে কোর্ট আদেশ গ্রহণ করতঃ উদ্ধারকৃত রুপার গহনা
সাতক্ষীরা ট্রেজারী অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় বিজিবি’র অভিযানে সীমান্ত এলাকা থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আশরাফুল হক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানান কুশখালী বিওপি‘র টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ সুলতান মাহমুদ ও হাবিলদার আজমলসহ একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুশখালী সীমান্ত দিয়ে ভারত হতে বাংলাদেশে অস্ত্র পাচারের তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

এক পর্যায়ে আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র চোরাকারবারীরা পলায়নে উদ্যত হলে অভিযানিক দল তাদের ধাওয়া করে। এ সময় রাতের অন্ধকারে ঘন বন দিয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আভিযানিকদল উক্ত এলাকা তল্লাশী করে ০১ টি পিস্তল (দেশীয়) ও ০৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়রী করে জমা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে শান্তি ও সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৩ আগষ্ট বিকাল ৫টার সময় দেবহাটা উপজেলার সখিপুর কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য হাফেজ মাওলানা রবিউল বাশার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারন সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ওমর ফারুক ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর পেশাজীবি বিভাগের সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান মুকুল।

এসময় জামায়াতে ইসলামীর নেতা সখিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন ময়না, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, দেবহাটা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তালেব বুলবুলসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা এসময় বলেন, আজকে একটি কুচক্রী মহল দেশকে অস্থিতিশীল করতে ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমরা শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশের মানুষ সেটা কখনো হতে দেবনা। বক্তারা বলেন, এদেশে সংখ্যালঘু বা সংখাগুরু বলে কিছু নেই, আমাদের একটিই পরিচয় আর সেটা হলো আমরা বাংলাদেশী। বক্তারা কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত নর্দান ইউনিভার্সিটির মেধাবী শিক্ষার্থী সাতক্ষীরার আসিফ হাসানের কবর জিয়ারত করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মতিউর রহমান। মঙ্গলবার (১৩ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় দেবহাটা উপজেলার আস্কারপুরে আসিফ হাসানের বাসভবন ও পারিবারিক কবরস্থানে যান জেলার শীর্ষ এ দুই প্রশাসনিক কর্মকর্তা। এসময় নিহত আসিফ হাসানের কবর জিয়ারত ও তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার।

কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে নিহত আসিফ হাসানের বাবা মাহমুদ আলম গাজী সহ পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মতিউর রহমান বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী মেধাবী আসিফ হাসানের মৃত্যুতে আমরা যেমন শোকাহত, তেমনি তার সাহসিকতায় আমরা গর্বিত। আপনারা এক সন্তানকে হারিয়ে হাজারো সন্তান পেয়েছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস, দেবহাটা সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মো. ফজলুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, দেবহাটা থানার ওসি সেখ মাহমুদ হোসেন, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আবু তালেব হোসেন ও মো. রাকিব হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মাহমুদুল হাসান মাহমুদ, নর্দান ইউনিভার্সিটি শাখার সমন্বয়ক আহসান নাঈম, সাতক্ষীরা জেলার সমন্বয়ক নাজমুল হাসান, সুহাইন মাহদিন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী আসিফ হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়াা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের বলিয়ানপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে।
নিহত ইবাদুল হক(৫৫) বলিয়ানপুর গ্রামের আকবর সরদারের পুত্র।

স্থানীয়রা কবির হোসেনসহ কয়েকজন জানান, আকবর, ইউসুফ, আব্দুল্লাহ, আজগর আলীদের সাথে ইবাদুলের পরিবারের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এবিষয়টি মিমাংসার জন্য আজ সোমবার সকালে ভ‚মি জরিপকারী(আমিন) মাপ জরিপ শুরু করার একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাটি শুরু হলে আকবর, ইউসুফ ও আব্দুল্লাহ,আজগর উত্তেজিত হয়ে ইবাদুল ইসলামকে মারপিট শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়ে ইবাদুল। তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: ফয়সাল তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ইবাদুলের কন্যা ঝর্ণা বলেন, তাদের মারপিটে আমার পিতা মারা গেছে। আমার পিতাকে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের শাস্তি চাই।

এবিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন ইসলাম, ঘটনাটি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে মামলা নেওয়া হবে।

এদিকে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা ইবাদুলকে মারপিট করিনি। তিনি অসুস্থ্য ছিলেন। সকালে কথাকাটাকাটির একর্যায়ে তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পাষন্ড স্ত্রী কর্তৃক তার স্বামীকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের খোসালখালী গ্রামে স্ত্রী খাদিজা ঘুমন্ত অবস্থায় তার স্বামী হোসাইনকে জবাই করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

নিহত হোসাইন মালি (৩০) ওই গ্রামে আব্দুল হামিদ মালির ছেলে।

পরিবারের বরাত দিয়ে, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম জানান, পারিবারিক কলহের জেরে রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী খাদিজা তার স্বামী হোসাইনকে জবাই করে হত্যা করে। এরপর ভোরে ঘাতক খাদিজা স্থানীয় মুন্সিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড হতে বিআরটিসি বাস যোগে খুলনা যাওয়ার সময় তার কথাবার্তা ও আচরণ অস্বাভাবিক মনে হয়। একপর্যায়ে বাসের সুপারভাইজার তাকে খুলনায় পৌছানোর পর সেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমাজের কাছে তাকে হস্তান্তর করে। ছাত্র সমাজের কাছে খাদিজা তার স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করে। এরপর তারা তাকে খুলনা হরিনটানা থানায় সোপর্দ করে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ডাঃ সনজিত দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শ্যামনগর থানার কার্যক্রম চালু না থাকায় একজন উপ-পরিদর্শকের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলের সার্বিক সহযোগিত চেয়ে যশোর সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরার মানুষের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে।

এসময় তিনি বলেন আইনশৃঙ্খলা আগের মত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে থানাকে মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে হবে। আরও এজন্য ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

রবিবার দুপুলে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরা জেলার আইনশৃঙ্খলা সমন্নত রাখতে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলকারী শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, পুলিশ সুপার মোঃ মতিউর রহমান সিদ্দিকী, বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আশরাফুল হকসহ আরও অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সারাদেশ ব্যাপী সা¤প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখা, ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু ঐক্য মোর্চা নামের তিনটি সংগঠন এ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। রবিবার বিকালে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে সমাবেশে মিলিত হয়।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস নাথ ঘোষের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা মন্দির সমিতির সভাপতি এ্যাড. সোমনাথ ব্যানার্জি, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখা সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন শীল, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার আহবায়ক অমিত কুমার ঘোষসহ অন্যান্যরা।

বক্তারা এসময় অবিলম্বে সারা দেশব্যাপী সা¤প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও চাঁদাবাজি বন্ধ করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের জোর দাবি জানান। তারা বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আমাদের সান্তনা দিচ্ছেন তাদের বিচার করা হবে।

কিন্তু কেউ বিচার করতে আমরা দেখি নাই। সরকার আসে, সরকার যায় কিন্তু আমাদের অধিকারের কোন উন্নয়ন হয় না। আমরা চাই, আমাদের যেনো আর রাস্তায় দাঁড়াতে না হয়, আমরাও যেনো স্বাধীন দেশের, স্বাধীন নাগরিক হিসেবে বাঁচতে পারি।

বক্তরা আরো বলেন, মন্দির পাহারা দিচ্ছেন বিএনপি ও জামায়াতসহ তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। দুঃসময়ে তারা আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এখন অনেক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি, শঙ্কাও নেই বলে তারা আরো জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest