সর্বশেষ সংবাদ-
মানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎতালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কেরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

বিএম আলাউদ্দিন আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে ঘেরের বাসা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের শাহিনুর সরদারের ছোট ছেলে রাজা সরদার (২০)।

শুক্রবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের ভাই বাদশা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ঘের পাহারা দেওয়ার জন্য বাসায় এসেছিল। সকালে বাড়ি যেতে দেরি হওয়ার কারণে তার বড় ভাই বাদশা সরদার ঘেরে এসে দেখে তার গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় দরজার সামনে ঘরের মধ্যে মাটিতে পড়ে আছে।

আশাশুনির থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, মানিক খালির ব্রিজের নিচে ঘেরের বাসা থেকে একটি যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পরে এর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম, এস আই তারিকুল ইসলামসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দুটি আদালত আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

গতকাল সাতক্ষীরা আমলী ১ নং আদালতে ভুক্তভোগী বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ওয়াছের আলীর পুত্র কুদ্দুস বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সদর থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম, এস আই তারিকুল ইসলাম সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, বালিয়াঙ্গা গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী রাবিয়া খাতুন, হাফিজুল ইসলামের পুত্র হাবিবুর রহমান, মৃত ছামসুদ্দীনের পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহাঙ্গীরের পুত্র জাহিদ হোসেন, কুচপুকুর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, আফসার আলীর পুত্র ইয়াছিন আলী, মৃত সিরাজুল ইসলামের কন্যা লাভলী, মনিরুল ইসলামের পুত্র শাহিন হোসেন ও শামীম হোসেন। মামলার বিবরনে জানা গেছে, ২০১৯ সালে তৎকালিন সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের কুদ্দুসের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি ১ লক্ষ টাকা দিলেও পর বাকী ২ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ১৯ সালের ২৫ জুলাই মহিদুলের নেতৃত্বে এস তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্য আসামীরা কুদ্দুসের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট এবং ভাংচুর করে। দীর্ঘ সময় ধরে তার বাড়িতে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সে সময় উপযুক্ত পরিবেশ না থানায় ভুক্তভোগী মামলা করতে পারেনি। বর্তমানে অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় তিনি ন্যায় বিচারের আশায় এ মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী।

একই অভিযোগে আমলী ১ নং আদালতে তানিয়া খাতুন ওরফে আফরোজা খাতুন বাদী হয়ে সদর থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম, এস আই তারিকুল ইসলামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অন্যান্য আসামীরা হলেন, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আহম্মদ সরদারের পুত্র গফফার, হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী রাবিয়া খাতুন, হাফিজুলের পুত্র হাবিবুর রহমান, মৃত ছামসুদ্দিনের পুত্র জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহাঙ্গীরের পুত্র জাহিদ হোসেন, মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা খাতুন, আফসার আলীর কন্যা ইয়াছিন আলী, রসুলপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুনের পুত্র মেহেদী হাসান, মনিরুল ইসলামের পুত্র শাহিন হোসেন, শামিম হোসেন এবং কুশখালী এলাকার সাবেক পুলিশ সদস্য বাবু।

মামলার বিবরনে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তানিয়া খাতুনের স্বামী ইদ্রিস মোড়ল বিএনপি কর্মী হওয়ায় পুলিশ কর্মকর্তা মহিদুল ইসলাম ২০১৯ সালে তার স্বামীর কাছে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি ১ লক্ষ টাকা দিলেও পর বাকী ২ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ১৯ সালের ২৫ জুলাই মহিদুলের নেতৃত্বে এস তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্য আসামীরা বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট এবং ভাংচুর করে। দীর্ঘ সময় ধরে তার বাড়িতে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সে সময় উপযুক্ত পরিবেশ না থানায় ভুক্তভোগী মামলা করতে পারেনি। বর্তমানে অনুক‚ল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় তিনি ন্যায় বিচারের আশায় এ মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকীকে সাতক্ষীরা জেলায় বহাল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।

সাতক্ষীরা শহরের খুলনা রোড মোড়স্থ শহীদ আসিফ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। দফা এক, দাবি এক – সাতক্ষীরার এসপি বহাল থাক,আমাদের দাবি,আমাদের দাবি- মানতে হবে,মানতে হবে,

প্রঙ্গাপন বাতিল কর-করতে হবে ইত্যাদি শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে মিছিলটি।

বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে তারা। এরপর সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমম্বয়ক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমম্বয়ক নাজমুল হাসান রনি বলেন, সাতক্ষীরাতে আগে পুলিশের যে চাঁদাবাজি চলত,,এসপি মতিউর রহমান সিদ্দিকী আসার পর থেকে অনেক কমে এসেছে।

আন্দোলনের সময় সারা দেশে যখন লাশের স্তুপ জমা হচ্ছিল, সে সময় সাতক্ষীরায় একটি লাশও পড়েনি। ছাত্রদের ওপর গুলি চালাতে নিষেধ করেছিলেন তিনি।

এছাড়া আন্দোলনের সময় আহতদের পুলিশ সুপার নিজে চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন এবং মাইক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরযায়ে সহায়তা করেছেন।এমন এসপিকে সাতক্ষীরায় বহাল রাখার জন্য জোর দাবি জানান তিনি। নইলে আন্দোলন জোরদারের হুমকি দেওয়া হয়।

সকল কর্মসূচিতে নাজমুল হাসান রনি ছাড়াও
উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক নাহিদ হাসান,মোহিনী তাবাসসুম,সাদ্দাম হোসেন,ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ,রিফাত হোসেন,সুহাইল মাহদিন সাদি,নাজমুল হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত,সম্প্রতি ঢাকার অপরাধ তদন্ত বিভাগের পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলামকে সাতক্ষীরার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। আর সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকীকে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে এক মাস পূর্ণ হাওয়ায় সকল শহীদের স্মরণে শহীদী মার্চ র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১টায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার ছাত্র সমন্বয়ক কমিটির আহ্বায়ক শেখ রাকিবুজ্জামান রাকিবের নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনে থেকে র‍্যালী প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলার চার রাস্তা মোড়ে ফুলতলার চত্বরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

এসময় সমন্বয়ক বলেন, ছাত্র-জনতার রক্ত আর হাজারো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচার সরকার শাসনের অবসান ও পতন হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে পালিয়ে দেশ ছাড়েন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন ও ছাত্র-জনতার নতুন বাংলাদেশের ১ মাস পূর্ণ হলো আজ।

এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রোকনুজ্জামান, ছাত্র আন্দোলন সমন্বয়ক কমিটির মধ্যে মারুফ হাসান, জি এম রিয়াদ আহমেদ, আলী মোস্তফা, ইমতিয়াজ আহমেদ, তাসলিমুল হাসান রাফি, আখতারুজ্জামান আকাশসহ অসংখ্য স্কুল-কলেজের ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ শিক্ষার্থী সহ শ্যামনগর উপজেলার ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক কমিটি নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের বাবুলিয়া সেবা সংসদের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল সকালে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কের শুকর আলীর ইটের ভাটা হতে বকচরার মধ্যপাড়া গামী রাস্তার দুপাশে তাল বীজ রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষ রোপন অভিযান ২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেবা সংসদের সভাপতি এস এম কাওছারের সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সামাজিক বনায়ন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জি এম মারুফ বিল্লাহ, তালা, কলারোয়া উপজেলার সামাজিক বনায়ন বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুস আলী, সেবা সংসদেও সেক্রেটারি অধ্যাপক রজব আলী,

সেবা সংসদের উপদেষ্টা, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম (৩); শিক্ষক (অব), মাওলানা ইমান আলী ; মাস্টার রমেশচন্দ্র ঘোষ ; ব্যাংকার রোটারিয়ান মাগফুর রহমান; রং তুলি এ্যাডের স্বত্বাধিকারী মোঃ মুহিবুল্লাহ ; সেবা সংসদের সদস্য মেহেদী হাসান, ইমরান হোসাইন, আশিক মাহমুদ, মোহাম্মদ বান্না সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাল বীজ রোপণ ছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় ফলদ ও বনজ বৃক্ষ বিনামূল্য বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি।

আম,কাঠাল, জাম, জামরুল,লিচু,লেবু, অসফল, বেদনা, ডেওয়া,আতা,নোনা ইত্যাদি ফলগাছ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও মেহগনি, জারুল সহ বিভিন্ন ধরনের কাষ্ঠল বৃক্ষ বিনামূল্য বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য,২০২৩ সালে সেবা সংসদ ৬০০০ তালের বীজ এবং ৪০০০ সাধারণ বৃক্ষ সহ মোট ১০ হাজার বৃক্ষ রোপনের কর্মসূচি পালন করে। ২০১৬ সাল থেকে সংগঠনটি স্থানীয় ভাবে নীজদের উদ্যাগে বিভিন্ন সেবা মূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে সকল পণ্য আমদানির অনুমোদন দেওয়ায় আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ভোমরা কাস্টমস সিএ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে আনন্দ মিছিলটি বের হয়ে জিরো পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

অনুষ্ঠিত সমাবেশ বক্তব্য রাখেন, ভোমরা সিএ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন আহবায়ক হাবিবুর রহমান হবি, সদস্য অহিদুল ইসলাম, রাইসুল হক টুটু, ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের লুৎফর রহমান মন্টু, কর্মচারি অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হাদিউজ্জামান বাদশাহ, আমদানি ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। পরে নেতৃবৃন্দ ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এসময় বক্তারা ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে গুঁড়া দুধ ব্যতীত অন্যান্য সকল পণ্য আমদানির গেজেট প্রকাশ করায় অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটার খলিশাখালীতে অবৈধভাবে দখল হওয়া নিজেদের ক্রয়কৃত জমি ফিরে পাওয়ার দাবিতে জমির মালিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, এস এম মহিউদ্দিন(পাওয়ার মূলে মালিক), আব্দুল খালেক, শাহাজাহান আলী, বিকাশ, তালেব বদ্দি, সামাদ আলি, রেজাউল, কওসার, আদর আলী, নজরুল ইসলাম, বেলাল গাজী, আমির আলিসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, আমাদের কাছে ক্রয়কৃত মূল কবলা দলিল, ডিগ্রির কাগজ, আমলনামা, ও সিএস রেকর্ডের যাবতীয় কাগজপত্র থাকা স্বত্ত্বেও ভূমিদস্যু, বিএনপি নেতা নলতা, কালীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম জালদলিলমূলে মালিকদের পক্ষ নিয়ে নিজে অস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ে আমাদের ঘেরের বাসাসহ বাসা বাড়ি ঘর লুটপাট করে, এমনকি গরু ছাগল ও মালামাল নিয়ে যায়। এই আজিজুল চেয়ারম্যান এতটাই দাপট দেখাচ্ছে যে, আমরা যারা প্রকৃত জমির মালিক, আমরা প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও সবাই তার বিরুদ্ধে নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে।

তাদেরন্যায্য জমির অধিকার ফিরে পেতেঅন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান বলেন, যারা জমি দাবি করছে। তাদের সঠিক কাগজপত্র থাকলে নিয়ে আসুক। আমি তাদের কেই হারি দেবো। এখানে দখল করার কোন সুযোগ নেই। প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে হারি নিয়ে আমি ঘের পরিচালনা করতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জামায়াত নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরি মঞ্জুরুল কবির,সাবেক এস এস পি কাজী মনিরুজ্জামান সহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা আমলী ১ নং আদালতে নিহতের পিতা আকবর আলী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফ আই আর এর নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামীরা হলেন, , সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার ও সদ্য বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা চৌধুরি মঞ্জুরুল কবির, সাবেক এ এস সি(সদর সার্কেল) কাজী মনিরুজ্জামান, সদর থানার তৎকালিন অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক, এস আই হেকমত আলী, এস আই শরিফ মিয়াজী, কুচপুকুর গ্রামের মৃত নেছার আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, মৃত নজরুল ইসলামের পুত্র রনি, জনি, মৃত কালু কাহারের পুত্র নাজের আলী, কওছার আলীর পুত্র শিমুল, শাহিন, কওছারের স্ত্রী রাশিদা বেগম, মৃত আফতাব আলীর পুত্র কওছার আলী, ইসমাইল সরদারের পুত্র সাইফুল ইসলাম, রবিউল ইসলামের পুত্র সবুজ, নাজের আলীর পুত্র রাজু, হামজার আলী, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র আনারুল ইসলাম,
মৃত নুরালী মোড়লের পুত্র রবিউল ইসলাম, অজিহার মল্লিকের পুত্র মাজারুল ইসলাম বাবু, মামুন বাবুল, মৃত আহম্মদ সরদারের পুত্র আ: গফফার, হাফিজুল ইসলামের পুত্র হাবিবুর রহমান,নূরুল ইসলামের পুত্র মোশারফ হোসেন, বকচরা গ্রামের দলিলুদ্দীন সরদারের পুত্র মিজানুর রহমান, বলাডাঙ্গা গ্রামের ছেয়ামুদ্দীন সানার পুত্র সুমন মেম্বর, থোনা গ্রামের ফেরাজতুল্লাহ গাজীর পুত্র মোশারফ চেয়ারম্যান, কামার বায়সা গ্রামের আব্দুল লতিফের পুত্র রাসেল,দেবনগর গ্রামের মৃত নেছার আলীর পুত্র মুনছুর আলী, ইটাগাছা গ্রামের মৃত আকরাম মোড়লের পুত্র আবুল কালাম, মাহমুদপুর গ্রামের আকরামের পুত্র কামরুল ইসলাম, কলারোয়ার বহুড়া গ্রামের অজিয়ার রহমানের পুত্র আমিরুল ইসলাম, কাশেমপুর গ্রামের নজরুল গাজীর পুত্র আলাউদ্দিন, সিদ্দিক দালালের পুত্র ইমরান হোসেন সোহাগ, লিয়াকাত কাহারের পুত্র সেলিম কাহার এবং বাকসা গ্রামের হাকিম ডাক্তারের পুত্র আলমগীর কবির।

মামলার বিবরনে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালিন পুলিশ সুপার চৌধুরি মঞ্জুরুল কবিরের নির্দেশে জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান হবি কে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় অন্যান্য আসামীরা। পরের সকালে কদমতলা বাজারের একটি পুকুরের পাশে পাশে তার লাশ পাওয়া যায়। তার বুকে এবং মাথায় একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়। কতিপয় ব্যক্তি দ্রুত লাশটি দাফন করার জন্য তার পিতাকে চাপপ্রয়োগ করতে থাকে। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে তার পিতা দ্রুত দাফন সম্পন্ন করেন। এর আগে হবির বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর লুটপাট করে। বাড়িতে থাকা ৪লক্ষ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায় তারা। সে সময় অনুকুল পরিবেশ না থাকায় মামলা করতে সাহস পায়নি। তবে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় নিহতের পিতা আকবর আলী বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা দায়ে করেছেন। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest