সর্বশেষ সংবাদ-
মানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎতালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কেরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ভালুকা চাঁদপুর কলেজ মোড়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র ও জনতা ধুলিহর ইউনিয়নের ব্যানারে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভালুকা চাঁদপুর কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী রিমন হোসেন,ইরআম আতিক, ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের শিক্ষার্থী সাকিল হোসেন শুভ,ইউসুফ হোসেন,সিয়ায়,শিমুল হোসেম সহ আরো অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন,পতিত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে গায়েবি মামলার শিকার হয়েছে অনেক মানুষ। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ছাত্র-জনতা পতন ঘটায়। এখন আবার যদি নির্দোষ নিরাপরাধ ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলার শিকার হতে হয় তাহলে লাভ হলো কী।ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরীর নামে যে ষড়যন্ত্র মূলক যে মিথ্যা মামলা হয়েছে ওই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: তরুণ প্রজন্মের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলোর গঠনমূলক সমাধান খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরায় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং তরুণ উদ্যোক্তাদোর সাথে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে (৩ অক্টোবর) সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত সভায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র ডেপুটি ডিরেক্টর ড. মো. তারিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শোয়াইব আহমেদ।

এসময় বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, সেভ দ্য চিলড্রেনের ম্যানেজার (ইওয়াইই) সাবেরা ইয়াসমিন, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের আহবায়ক মো. হাবিবুর রহমান হবি, জেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

সেভ দ্য চিলড্রেনে’র ডেপুটি ডিরেক্টর (ইওয়াইই) নিশাত আফরোজ বলেন, আমরা একটি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে চেষ্ট করছি। যার ফলে যুব নারীরা গতানুগতিক ধারার বাইরে এসে চিন্তা করতে পারছে। পাশাপাশি স্বাধীন পেশা ও কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে নারী উদ্ভাবকদের সুনির্দিষ্ট প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে তা মোকাবেলায় তাদের নিজস্ব চিন্তাধারাকে একটি রোডম্যাপ এর সাহায্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে ধাবিত করা হচ্ছে। উদ্যোক্তগণ তাদের বিভিন্ন পণ্য যেমন, নিরাপদ তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের জন্য নিরাপদ স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি (স্বপ্ন কন্যা), রান্নার জন্য প্রস্তুত উপযোগী স্বান্থ্যকর হাঁস-রেডি টু কুক ডাক (হংসরাজ্য), ফ্যাশন ডিজাইন ও সেলাই (মধুমতি ফ্যাশন), কমিউনিটি বেজড অর্গানিক ভেজিটেবল (সবুজের মেলা), পরিশোধনযোগ্য খাবার পানি ও নির্ভেজাল মসলা তৈরী (নিউ লাইফ), ছাগল ও ছাগলের দুধ উৎপাদন ও পালন (খামারবাড়ি), সেলাই ও কম্পিউটার, ই-কমার্স সহ ১৫টি ব্যবসা অন্যতম।

অনুষ্ঠানে এ সকল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পণ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিক্রয়, ব্যবসা সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অবস্থা ইত্যাদি বিবেচনায় প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি উপস্থান করেন।

অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা উদীয়মান তরুণ নারী উদ্যোক্তাদের সার্বিক পরামর্শ প্রদান, ব্যবসায়ী পণ্যের সার্বিক উন্নতিকল্পে আর্থিক, পলিসিগত, পরিবেশগত ও সামাজিক সকল ধরনের সহায়তা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

এছাড়া বিভিন্ন সরকারি বে-সরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ, ইলেকট্রিক ও প্রিণ্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র সাতক্ষীরা প্রকল্প অফিসের ইনচার্জ ও ম্যানেজার (প্রোগ্রাম) মো. শরিফুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক :
সাতক্ষীরার সাবেক এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তার বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপ্রতির আদেশক্রমে অতিরিক্ত সচিব ড. মোহ্ম্মাদ আব্দুল মোমেন স্বাক্ষরিত একপত্রে তাদের বাধ্যমূলক অবসরে পাঠানো হয়। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক চার প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন- পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) মো. ইমাম হোসেন, নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক মীর রেজাউল আলম এবং পুলিশ অধিদপ্তর ঢাকার অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক খন্দকার লুৎফুল কবির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব‍্যুরো:
আশাশুনি উপজেলা সদরের মানিকখালী চর গ্রামে মরিচ্চাপ নদীর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে প্রায় ৪ শতাধিক পরিবার। চর গ্রামের জামে মসজিদ সংলগ্ন প্রায় ২০০ ফুট ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সোমবার সকালে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারী মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, সদর ইউনিয়নের আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ, রোকন বাবলুর রহমান, জামায়াত নেতা হযরত আলী সরদার, আমীর হামজা খোকন, জিয়াউল হক প্রমুখ।

স্থানীয় বাসিন্দা জামায়াত নেতা আমীর হামজা খোকন বলেন, মরিচ্চাপ নদী খননের জন্য ভাঙনস্থলে আড়াআড়ি বাঁধ নির্মাণ করা হয়। চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ শেষ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা হয়ে যায়। পানি সরবরাহ না থাকায় বিগত দু’বছর ধরে লোনাপানির জন্য বুধহাটা, আশাশুনি ও শোভনালী ইউনিয়নের চিংড়ি চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত। তাই কয়েক মাস আগে স্থানীয় লোকজন উক্ত বাঁধ কেটে দিয়ে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেন। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ কাটার কারণে জোয়ার ভাটার সময় বাঁধ এলাকায় প্রায় ২০০ ফুট বেড়িবাঁধ ভাঙনের কবলে পড়েছে।

স্থানীয় শ্রমিক রেজাউল ইসলাম বলেন, চরভরাটি এ এলাকাটি আশাশুনি সদরে হলেও এর অনেকাংশ বুধহাটা ইউনিয়নের জমি।

বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলু ভাঙন রোধে একটি রিং বাঁধ নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু গত ৫ আগষ্টের পটপরিবর্তনের পর কাজ বন্ধ করা হয়। অনতিবিলম্বে ভাঙন এলাকায় টেঁকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা না হলে আমাদের প্রায় ৪ শ পরিবার ভেসে যাব।

আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার ঘটনাস্থলে উপস্থিত আতঙ্কিত শতশত নারী-পুরুষের উদ্দেশ্যে

বলেন, মরিচ্চাপ নদীর এ বাঁধটি ভেঙে গেলে চাপড়া ও আশাশুনি মৌজার ৪ শ ভূমিহীন পরিবার প্লাবিত হয়ে গৃহ হীন হয়ে পড়বে। বাঁধটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে মানিকখালী ভূমিহীন পল্লী ভাসিয়ে উপজেলা পরিষদ আক্রান্ত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা তৎপর না হলে নদী ভাঙনে চরের ভূমি হীন পল্লী সহ উপজেলা সদরের নকশা বদলে যাবে। উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায় কে অবহিত করা হয়েছে। উনি সরজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও মোমেন আলীর সাথে (০১৭৭৯২৮৭৮৩৯) যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি।

অনতিবিলম্বে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী ভূমিহীন পল্লীর বাসিন্দারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: টিআইবি’র সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর উদ্যোগে ভূমি সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে গঠিত অ্যাকটিভ সিটিজেন গ্রুপের (এসিজি) ভূমি’র সমন্বয়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি তরুণ সাংবাদিক এসএম বিপ্লব হোসেন।

সম্প্রতি টিআইবি সাতক্ষীরা কার্যালয়ে সনাকের এক সভায় এসিজি সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী ১ বছরের জন্য বিপ্লব হোসেনকে সমন্বয়ক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সমন্বয়ক এসএম বিপ্লব হোসেন জানান, ‘ভূমি অফিস নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক অভিযোগ রয়েছে, অনেক ভুল ধারণাও রয়েছে, এটা দূর করার জন্য আমরা কাজ করছি।

আমরা মনে করি সেবা সম্পর্কে তথ্য সাধারণ মানুষের নিকট এখনও পরিষ্কার না। আর তাই সকল পক্ষ নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। তাহলেই আমাদের সাতক্ষীরার ভূমি অফিসের সেবার মান বাড়বে’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত থেকে দুই কেজি হেরোইন, ৪ বোতল এলএসডি ও ৩৩৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক মাদক চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি। রোববার ভোরে ভোমরা সীমান্তের ঘোষপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক চোরাকারবারীর নাম মোহাম্মদ গাজী (৪৩)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাড়–খালি গ্রামের নাসিম উদ্দিন গাজী ছেলে।

বিজিবি জানায়, ভারত থেকে অবৈধ পথে ভোমরা স্থলবন্দর সীমান্তের ঘোষপাড়া এলাকা দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাংলাদেশে আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির হাবিলদার শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে দুই কেজি হেরোইন, ৪ বোতল এলএসডি ও ৩৩৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ উক্ত চোরাকারবারীকে আটক করা হয়।

আটক চোরকারকারীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিজিবি আরো জানায়, জব্দকৃত এসব মাদকের বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকা।
সাতক্ষীরা বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আশরাফুল হক জানান, জব্দকৃত মাদকসহ আটক চোরাকারবারীকে সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দসহ তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ এক ব্যবসায়িকে সাতক্ষীরা শহরের পুলিশ সুপারের বাংলোর পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে তুলে এনে হাত ও চোখ বেঁধে বাইপাস সড়ক, ডিবি পুলিশের কার্যালয় ও তালা উপজেলার জাতপুর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে নির্যাতনের পর ছেলেকে তুলে এনে নির্যাতনের পর বাবাকে ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে দুই কোটি ২৪ লাখ টাকা ও ১০টি সোনার বার(এক কেজির বেশি ওজন) জোরপূর্বক গ্রহণ করার অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের মেসার্স আসিক এন্টারপ্রাইজের স্বতাধিকারী আল ফেরদৌস আলফা সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতে রবিবার এ মামলা দায়ের করেন। ভারপ্রাপ্ত বিচারক নয়ন বিশ্বাস মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অন্য আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালিন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবলুর রহমান খান, পুলিশ পরিদর্শক রাজীব আল রশীদ, দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, উপপরিদর্শক কাজী আরিফুর রহমান ফারাজী, উপসহকারি পরিদর্শক মফিজুর রহমান, সিপাহী মনিরুল ইসলাম, সিপাহী মোঃ ডালিম, উপপরিদর্শক পিন্টু লাল দাস, উপপরিদর্শক আব্দুল মাজেদ, উপপরিদর্শক মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭ জন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ভোমরা বন্দরের আমদানি ও রপ্তানিকারক মেসার্স আশেক এন্টারপ্রাইজের স্বতাধিকারী ও সদ্য ভেঙে দেওয়া দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফাকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার জন্য তৎকালিন পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক রাজীব আল রশীদ ও গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবলুর রহমান খানকে দিয়ে নানা রকম ষড়যন্ত্র শুরু করে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান। মুজিবরের পরিকল্পনায় কাজী মনিরুজ্জাটমান, বাবলুর রহমান খান ও রাজীব আল রশীদ বাদির কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দিলে তাকে জামায়াতের অর্থযোগানদাতা হিসেবে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

মুজিবর রহমান বাদিকে কয়েকবার মুঠোফোনে হুমকি দেন যে, উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলে তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এপিএস মনিকে দিয়ে টেলিফোন করিয়ে তাকে হত্যা ও আর্থিক ক্ষতি করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ২৪ নভেম্বর আনুমানিক রাত ৯টার দিকে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের বাসভবনের পার্শ্ববর্তী ফাতেমা ডায়াগোনেস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক ডাঃ আসাদুজ্জামানের চেম্বারে যাওয়ার সময় পুলিশ পরিদর্শক রাজীব আল রশীদ ও উপপরিদর্শক কাজী আরিফুর রহমান ফারাজী তাকে পিছন দিক থেকে জাপটে ধরে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তোলে। গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবরুর রহমান খান অন্য গাড়িতে আছে বলে তার দুই হাত ও দুই চোখ বেঁধে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরায়। গাড়িতে পুলিশ তাকে মারপিট করে। ২৪ নভেম্বর দিবাগত রাত দুইটার দিকে তাকে বাইপাস সড়কে নিয়ে যায়। মাইক্রোবাস থেকে নামানোর পর বাদির চোখ খুলে দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে দুটি পুলিশ ভ্যান নিয়ে হাজির হন সদর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াদ। এ সময় তার সম্মুখে দুটি শর্ট গান, একটি পিস্তলসহ কয়েকটি অস্ত্র, ২০/২৫ রাউল্ড গুলি ও কয়েক বস্তা ফেনসিডিল রাখা হয়। পিস্তল ও শর্ট গানের কয়েকটি গুলি বাদির পকেটে ঢুকাইয়া দেওয়া হয়। ১০০ টাকার ২০টি জাল নোটের ব্যাÐেল বাদির হাতে দিয়ে পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানের নির্দেশে সকল আসামীরা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে ও ছবি উঠাইয়া নেয়। এ সময় গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবলুর রহমান খান ও তৎকালিন উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান তাকে বলে যে ক্রসফায়ার দিতে তোর আর ুকছু লাগবে ? এখন বল, টাকা দিবি না মরবি ? তখন বাদি আসামীদের কাছে জীবন ভিক্ষা চেয়ে বলে যে, আপনাদের চাহিতামত টাকা আমার নেই। এরপর তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নির্যাতন করতে করতে পলাশপোলের বাড়িতে আনা হয়। বাবলুর রহমান খানসহ কয়েকজন পুলিশ বাদিকে নিয়ে ঘরে ঢোকে। তখন তারা ১০ পিস সোনার বারসহ নগদ ৩৯ লাখ টাকা গ্রহণ করে। এরপর বাবলুর রহমান খানের নেতৃত্বে পুলিশ তিনটার দিকে তালা উপজেলার জাতপুর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে ৫ কোটি টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় তাকে পুলিশ ফাঁড়িতে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরদিন গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে এনে তাকে নির্যাতন করা হয়। তার ছেলে আজাহারুলকে বাড়ি তেকে তুলে এনে নির্যাতন করা হয়। আজাহারুল তার বাবাকে ক্রস ফায়ারে না দেওয়ার শর্তে তার ব্যাংক হিসাবে যে টাকা আছে তা দিয়ে দেওয়ার কথা বললে ২৬ নভেম্বর তাকে ৩০ বোতল ফেনসিডিলসহ বাইপাস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবলুর রহমান খান. পুলিশ পরিদর্শক রাজীব আল রশীদ, দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, উপপরিদর্শক কাজী আরিফুর রহমান ফারাজী শহরের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ এর সামনে এসে দাঁড়ান। বাবলুর রহমান খান ও রাজীব আল রশীদ বাদির ছেলে আজাহারুলকে নিয়ে ব্যাংকের ভিতরে ঢোকে। পরে আজাহারুলের হিসাব নম্বরে থাকা এক কোটি ৯৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৫ টাকা আজাহারুলের মাধ্যমে তুলে নিয়ে সমস্ত টাকা গাড়িযোগে কাজী মনিরুজ্জমানের বাসায় নিয়ে যায়। ১৯ দিন জেল হাজতে থাকার পর জামিন মুক্তি পাইলে পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবলুর রহমানের মাধ্যমে বাদিকে তার অফিসে ডাকাইয়া বলেন যে, সোনা ও টাকার কথা কাউকে জানালে তাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেন। একপর্যায়ে বাদি ভয়ে শ্রমিকের ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে চলে যায়।
বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. জহুরুল হক মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে আজকের পত্রিকা তালা উপজেলা প্রতিনিধি সেলিম হায়দারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সকলের সম্মতিতে আজকের পত্রিকার তালা প্রতিনিধি সেলিম হায়দার কে সভাপতি ও ইনকিলাব পত্রিকার তালা প্রতিনিধি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন কে সাধারণ সম্পাদক করে এই কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার তালা প্রতিনিধি কে এম শাহীনুর রহমান, সহ-সভাপতি দ্যা এডিটরস এর এস এম নাহিদ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমার সংবাদের সেকেন্দার আবু জাফর, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশের খবর পত্রিকার শফিকুল ইসলাম, আর্থ সম্পাদক সাতক্ষীরার সকালের তাপস সরকার, দপ্তর সম্পাদক দৈনিক কাফেলার মুকুল হোসেন, প্রচার সম্পাদক তালার খবরের এম খায়রুল আলম, মহিলা সম্পাদিকা প্রতিদিনের কথার শিরিনা সুলতানা।

নির্বাহী সদস্য, দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার মোঃ নুর ইসলাম, দক্ষিনাঞ্চল প্রতিদিনের অর্জুন বিশ^াস, দৈনিক যশোর পত্রিকার কাজী ইমরান হোসেন, দৈনিক রানার পত্রিকার শেখ ইমরান হোসেন, দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকার আসাদুজ্জামান রাজু প্রমুখ। এছাড়াও সংগঠনের সাধারণ সদস্য তরিকুল ইসলাম, সৈয়দ মারুফ, কুদ্দুস পাড়, আজমল হোসেন জুয়েল, সন্তোষ ঘোষ, বিল্লাল হোসেন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এসময় তালার সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল জব্বারের মৃত্যুতে তালা সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest