সর্বশেষ সংবাদ-
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ম্যারাথন র‌্যালিসাতক্ষীরায় জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানি দেয়ার সময় রাজনৈতিক নেতাদের মঞ্চে না ডাকায় নেতাদের ক্ষোভসাতক্ষীরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জামায়াতের বিক্ষোভধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে সংঘবদ্ধ ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী: শ্যামনগরে ড. মনিরুজ্জামানজুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভজুলাই গণঅভ্যু্ত্থান দিবস উপলক্ষে সিলভার জুবিলি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনাসভা : পুরস্কার বিতরণীজুলাই অভ্যুত্থানের মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণশ্যামনগরে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংসসাতক্ষীরায় ইজিবাইকের নির্বিঘ্নে চলাচল ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপিউচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পূর্ব নাকনা কুড়িকাহুনি রাস্তার জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে গড়ুইমহল খালের সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া রাস্তা সংস্কারের দাবিতে নৌকায় মানববন্ধন করেছে প্রতাবনগর ইউনিয়ন বাসী।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী।

আশাশুনি উপজেলার প্রতাবনগর ইউনিয়নের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি ৪ বছর যাবত এই অবস্থায় পড়ে আছে। সকল বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়া করতে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়।
এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে।

মানববন্ধনে এলাকাবাসী বলেন, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভেঙে স্রোতের তোড়ে সড়কটি ভেঙে যায়।

ফলে রাস্তার মাঝখানে তৈরি হয় কৃত্রিম খাল। কিন্তু সড়ক ভাঙার চার বছর পার হলেও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীসহ ইউনিয়নের গোকুলনগর, নাকনা, গোয়ালকাটি, সোনাতনকাটি, শ্রীপুর, কুড়িকাহুনিয়াসহ পার্শ্ববর্তী কয়রা উপজেলার সঙ্গে আশাশুনি উপজেলার সড়কপথের যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন।
কোনো রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হতে পারে। তাই সাতক্ষীরার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবি রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর নির্দেশনা মোতাবেক সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ এর উদ্যোগে সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে , সরকারি চাকরিতে ‘কোটা’ ইস্যু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা সংগ্রহ, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংবলিত লিফলেট বিতরণ, উন্মুক্ত আলাপন, যৌক্তিক উপায়ে গ্রহণ এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করার জন্য-‘পলিসি এ্যাডভোকেসি’ ও ‘ডোর টু ডোর’ ক্যাম্পেইন।

রোববার দুপুরে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো মহিদুল ইসলাম, লাবসা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান সোহার্ত,পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান তরুণ, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদ সহ আরও অনেকেই। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বোনের বাড়ির পানির লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ খুন জখম এবং বিভিন্ন হুমকি ধামকির ঘটনায় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোত্ততলেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, শহরের মুনজিতপুর এলাকার মৃত আব্দুল গফুর সরদারের কন্যা বিলকিস আক্তার। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমিসহ আমরা ১০ বোন এবং ৪ ভাই। ভাইদের মধ্যে বড় ভাই ইতোমধ্যে প্রয়াত হয়েছেন। আমাদের পিতা মাতা-জীবিত থাকা অবস্থায় মুনজিতপুরে ৪টি চারতলা বিশিস্ট ভবন নির্মান করেন।

৪টি ভবনের একটি ৪ তলা বিশিষ্ট ভবনে আমরা ৫ বোন যথাক্রমে (আমি) বিলকিস আক্তার, রেহেনা পারভিন, আফরোজা পারভীন, শিরিন আক্তার, মনিরা ইয়াসমিন শান্তিপূর্ণভাবেই বসবাস করে আসছি। কিন্তু ছোট ভাই শাহাজান কবির আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তির হারির বোনদের অংশের টাকাও জোরপূর্বক উত্তোলন করে নিয়ে আসে। আমাদের অংশের সম্পত্তি থেকে বড় গাছ জোরপূর্বক কেটে বিক্রয় করা, মৎস্যঘের থেকে ইচ্ছামত মাছ বিক্রয় করাসহ নানাভাবে আমাদের হয়রানি করে আসছে। প্রতিবাদ করায় শাহাজান কবির আমাদের উপর ক্ষিপ্ত আমাদের পৈত্রিক বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করাসহ খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছে। গত ১০ জুলাই‘২০২৪ তারিখে শাহাজান কবির, ফিরোজা ইয়াসমিন এবং তার কন্যা নাইচ আমাদের বোনদের ভবনের পানির লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এতে আমরা ৫ বোন চরম দুর্ভোগে পড়েছি। এবিষয়ে শাহাজান করিবের সাথে কথা বলতে গেলে আমাদের মারপিট করতে উদ্যাত হয়। ওই সন্ত্রাসী প্রকৃতির শাহাজান কবিরের ভয়ে আমরা আতংকিত হয়ে পড়েছি। পরিবার নিয়ে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তার কাছে আমাদের পিতার বন্দুক নিয়ে আমাদের গুলি করে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করে বলে এতে, “গুলি লোড করা আছে, চাপলেই মাথার খুলি উল্টে যাবে”। যে কারনে সব সময়ই আমাদের আতংকের দিন কাটছে। ইতোমধ্যে আমরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

তিনি আরো বলেন, পানি ছাড়া কোন মানুষই বেঁচে থাকতে পারে না। এরপরও ৪তলা ভবনের পানির লাইন যদি বন্ধ রাখা হয় তাহলে তাদের কি অবস্থা হতে পারে। সেটি ভুক্তভোগীরাই বুঝবে। এবিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেও কোন সমাধান হয়নি। বিশেষ করে পানি সংকটের কারনে শিশুরা মারাত্মক ঝুকির মধ্যে রয়েছে। অবিলম্বে আমাদের ভবনে পানির লাইন চালু করতে না পারলে ওই ভবন ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হতে হবে। অসহায় ৫টি পরিবার পানির সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী শাহাজান কবিরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব‍্যুরো:

আশাশুনিতে সড়ক দুর্ঘটনায় রেজাউল সানা (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় কোদন্ডা আমতলার মোড়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রেজাউল সানা উপজেলার সদর ইউনিয়নের আদালত পুর গ্রামের আনসার সোনার ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, রেজাউল সানা দুর্গাপুর থেকে বাইসাইকেল যোগে নিজু বাড়িতে যাওয়ার সময় ঘোলা থেকে সাতক্ষীরা গামি খুলনা মেট্রো জ ০৫-০০৩৪ যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে সাইকেল আরোহী মোঃ রেজাউল সানাকে ধাক্কা মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে বাসের চালক দ্রুত গতিতে বাস নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে লোকজন ধাওয়া করে চাপড়া ব্রিজ এলাকায় বাসটিকে আটকে বাসের কয়েকটি গ্লাস ভাঙচুর করে এবং ড্রাইভার-হেলপার কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এদিকে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশটি আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে এবং বাসটি আশাশুনি থানায় আটক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আজাদী সংঘের উদ্যোগে সংঘ এলাকায় ২০০ টি বিভিন্ন প্রকার ফলজ ও বনজ চারা গাছ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একই সাথে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৫ টায় শহরের সুলতানপুর আজাদী সংঘের নিজস্ব কার্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয় এবং বিভিন্ন প্রজাতির চারা গাছ এলাকাবাসীর মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। আজাদী সংঘের সভাপতি মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশি’র সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন আজাদী সংঘের সাবেক সভাপতি হেনরি সরদার, সিনিয়র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সলিম কোকিল, আলহাজ্ব মোখলেছ আলী, মাস্টার মনির উদ্দিন, ইউনুস আলী, আজাদী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী সরদার, সহ-সভাপতি কাজী তাজউদ্দীন, যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রুবেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসান সাদ্দাম, অর্থ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ক্রীয়া সম্পাদক শেখ জাহিদ হাসান, তথ্য প্রচার সম্পাদক কাজী মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, নির্বাহী সদস্য প্রবীর পোদ্দার,

মুস্তাফিজুর রহমান, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় এলাকাবাসীর আজাদী সংঘের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। অত্র এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং সামাজিক বনায়নে এই কর্মসূচি অনন্য ভূমিকা পালন করবে বলে আজাদী সংঘের নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা: সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের আর্ন্তজাতিক সীমানা নির্ধারকারী নদী ইছামতি নদীর ধার ঘেষে দেবহাটা উপজেলার অবস্থান। ইছামতির ওপারে রয়েছে ভারতের হাসনাবাদ রেলষ্টেশন। যার কারনে সেসময়ে এ অঞ্চলের মানুষের দ্বিতীয় ঠিকানা ছিল কোলকাতা শহর। তারা অনায়াসেই রেলে করে কোলকাতা যেতে পারতেন। এই দেবহাটার সুশীলগাতী গ্রামে রয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের বাড়ি, টাউনশ্রীপুরে রয়েছে ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায় চৌধুরীর পৈত্রিক নিবাস।

এই দেবহাটার নামকরন নিয়ে নানাজনের কাছ থেকে নানারকম মতামত পাওয়া যায়। কেউ বলেন, প্রাচীনকালে এখানে দেব-দেবীর হাট বসত, সেজন্য নাম হয়েছে দেবহাটা। আবার কেউ বলেন, প্রাচীনকালে এখানে ঘন জঙ্গল ছিল। সেই জঙ্গলে বিভিন্ন বনদস্যু বা অনেকে রাগারাগি করে যেয়ে পালিয়ে থাকত। তারা বলত ঐ জঙ্গলে দেবো—-হাটা। আর কালে আবর্তে সেখান থেকে নাম হয়েছে দেবহাটা। তবে যে যাই বলুক না কেন এই দেবহাটাকে ঘিরে একদিকে যেমন রয়েছে নানারকম কল্পকাহিনী ঠিক তেমনি রয়েছে অনেক প্রাচীন র্কীতি বা নিদর্শন। প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা গেছে, ১৮৬৭ সালে তৎকালীন বৃটিশ আমলে দেবহাটার টাউনশ্রীপুরে দেবহাটা পৌরসভা গড়ে উঠেছিল। ঐ সময় বর্তমান বিভাগীয় শহর খুলনাতেও পৌরসভা গড়ে ওঠেনি। সেই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন দেবহাটা সদরের বাসিন্দা স্বনামধন্য ও প্রজাহিতৈষী জমিদার ফনীভূষন মন্ডল। যিনি একটানা ত্রিশ বছর পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। দেবহাটা থেকে টাউনশ্রীপুর পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে জমিদার ও গাঁতীদার মিলে ১৮ জন বসবাস করতেন। এই ১৮ জনের মধ্যে কেউ ছিলেন অত্যাচারী আবার কেউ ছিলেন প্রজাহিতৈষী। জমিদারদের মধ্যে প্রধান ছিলেন জমিদার ফনীভূষন মন্ডল। যিনি মানুষের কল্যানার্থে ও সেবার মনোভাব নিয়ে অনেক স্থাপনা তৈরী করে গেছেন। তার মধ্যে আছে দেবহাটা পাইলট হাইস্কুল (বর্তমানে মডেল হাইস্কুল), থানার পাশে ফনীভূষনের মা ভূবন মোহিনীর নামে প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক (যেটি বর্তমানে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে মানুষের সেবা প্রদান করা হয়) সহ অসংখ্যা কল্যানকর স্থাপনা। সূত্র মতে, পাকিস্তান সরকার আসার পরে সম্ভবত ১৯৫৩-৫৪ সালে দেবহাটা পৌরসভাকে বিলুপ্ত করে। পাকিস্তান সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তৎকালীর রাওয়ালপিন্ডি হাইকোর্টে জমিদার অনীল স্বর্নকার মামলা করেছিলেন। কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে আর পৌরসভা ফিরে আসেনি। ১৯৫৫ সালে দেবহাটাকে পৌরসভার পরিবর্তে রুপ দেয়া হয় ইউনিয়ন পরিষদে।

ইউনিয়ন পরিষদের মর্যাদা দেয়ার পরে প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুশীলগাতী গ্রামের গোলাম হোসেন। জমিদার ফনীভূষন মন্ডল যে বাড়িতে বসবাস করতেন তার সূনিপূন কারুকার্য সকলকে মুদ্ধ করে। বাড়িটির ডিজাইন ও নকশা সকলকে আকৃষ্ট করে। এছাড়া টাউনশ্রীপুরে রয়েছে ভারতের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল শংকর রায়ের পৈত্রিক ভিটাবাড়ি। উনার পূর্ব পুরুষরাও জমিদার হিসেবে এখানে বসবাস করতেন। তিনি সেনাপ্রধান থাকাকালে ১৯৯৭ সালে তার পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে টাউনশ্রীপুর এসে পৌত্রিক ভিটাটি দেখে গেছেন। আর সাথে করে নিয়ে গেছেন সেখানের কিছু মাটি। সুশীলগাতী গ্রামে রয়েছে ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের পৈত্রিক ভিটাবাড়ি। সেখানে একটি নামফলক করা আছে। দেবহাটা ও টাউনশ্রীপুরে এখন আর জমিদারদের বসবাস না থাকলেও রয়েছে তাদের বিশাল অট্রালিকা, ধর্মীয় উপসনালয়, থিয়েটার রুম সহ কিছু কারুকার্য। তবে সেখানে আর বাজেনা কোন বাজনা ও বা হয়না কোন নৃত্য। ব্রিটিশ শাসনামলেই সেই আকা বাকা রাস্তাগুলো এখন হয়েছে পিচ ঢালা রাস্তা। যেটা যেয়ে মিশেছে জেলা শহরের সাথে। তাই দেবহাটার ইতিহাস আর ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সরকারী কিছু উদ্যোগ। আর সেটাই প্রত্যাশা দেবহাটাবাসীর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৭ দিনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১ টায় রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিট চত্ত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় খাদ্যসামগ্রী হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাউল সাড়ে ৭ কেজি, মশুরীর ডাল ১ কেজি , সয়াবিন তেল ১ লিটার, চিনি ১ কেজি, লবণ ১ কেজি, সুজি ৫০০ গ্রাম।

উল্লেখ্য ঘূর্ণিঝড় রেমাল এ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ৭ দিনের খাদ্যসামগ্রী বরাদ্দ থেকে সাতক্ষীরা সড়ক জনপদ বিভাগ কর্তৃক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ৪০টি পরিবারের মাঝে ৭দিনের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের যুব প্রধান মো. ইলিয়াছ হোসেন, উপ যুব প্রধান মীর মনোয়ার, আসিফ চৌধুরী,অফিস সহকারী মো. কামরুল ইসলাম, সদস্য শামীম , শরিফুল, সাইফুল, আরিফুল সহ রেডক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য, সকল যুব সদস্য বৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া প্রতিনিধি::
রক্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে। জীবন বাঁচানোর অজুহাতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী ব্লাড ব্যাংক সংগঠন। সেই রক্ত নিয়েই শুরু বানিজ্য।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এমন একটি সামাজিক সংগঠন কলারোয়া স্বেচ্ছাসেবী ব্লাড ফাউন্ডেশন। এই সংগঠনের সভাপতি কলারোয়া উপজেলার ৩ নং কয়লা ইউনিয়নের আলাইপুর গ্রামের মৃত তবিবরের পুত্র ইউসুফ (৩০)।

সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়াতে মিল্টন সমাদ্দারের নাম সামনে আসায় কলারোয়ায় ইউসুফের নাম ও মোটা দাগে আলোচনায় আসে।

কলারোয়া স্বেচ্ছাসেবী ব্লাড ফাউন্ডেশন সংগঠনের পরিচালনার সুবাদে কলারোয়া উপজেলা ও পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষ এই ইউসুফের সাথে যোগাযোগ করেন, মুমুর্ষ রোগীর রক্তের জন্য।

সেখানেই কপাল খুলে যায় ইউসুফের। মুমুর্ষ রোগীর অসহায়ত্ব কে পুঁজি করে লুফে নিয়েছেন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা। অবৈধ ভাবে উপার্জনের টাকায় গড়েছেন বিলাসবহুল বাড়ি।

নিজের নামে কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তিনটি হাটবাজারে ডাক ও কব্জায় নিয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগী কেরালকাতা ইউনিয়নের নাকিলা গ্রামের জিয়াদ আলীর পুত্র মুকুল হোসেন জানান, তার মায়ের চিকিৎসার জন্য রক্তের প্রয়োজন হলে মুঠোফোনে ইউসুফের সাথে যোগাযোগ করে, পরবর্তীতে ইউসুফ কলারোয়ার মিতালী ডায়গনস্টিক সেন্টারে আসতে বলে এক ব্যাগ ব্লাড দিয়ে ১২০০ টাকা দেওয়ার কথা বলে। মুকুল তার অসহায়ত্বের কথা জানালেও ইউসুফ সুযোগে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে এবং বার,শ টাকা দিতে বাধ্য করে।

অপর ভুক্তভোগী হেলাতলা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র শহীদ হোসেন বলেন, তার স্ত্রী সিজারের অপারেশনের জন্য জরুরি রক্তের প্রয়োজন হলে ইউসুফের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগ করলে ইউসুফ তাদেরকে কলারোয়ায় আসতে বলে। স্থানীয় ক্লিনিকে এক ব্যাগ সংগৃহীত রক্তের জন্য পনেরশো টাকা দাবি করে পরবর্তীতে এক হাজার টাকা দিতে বাধ্য করে।

এছাড়াও অভিযোগ আছে ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন বলে রক্তদানে আগ্রহী এমন ব্যক্তিদের কে সনাক্ত করে পরবর্তীতে রক্ত লাগবে বলে তাদের থেকে ব্লাড টেনে নিয়ে নিজের ইচ্ছে খুশি মতো ব্যবহার করে।

এই বিষয়ে প্রতারক ইউসুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে বলেন যে হাজার টাকা না আমরা রোগীদের কাছ থেকে পাঁচশত টাকা গ্রহণ করে রোগীদের পিছনেই ব্যয় করি।

কলারোয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা মাস্টার শাহজাহান আলী শাহীন জানান ইতি পূর্বে এই ইউসুফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসহায় রোগীদের কাছ থেকে ব্লাড দিয়ে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যায়। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ইউসুফকে ডেকে নিয়ে রোগীদের থেকে অর্থ লুটপাট করতে নিষেধ করে দেয়। তারপরও ইউসুফের অর্থ লোক কোন ভাবেই কমছে না সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

কলারোয়া ব্লাড ফাউন্ডেশনের সভাপতি ফারহান আল ফারুক জানান ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

কলারোয়া ব্লাড ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কামাল রেজা জানান এই ধরনের অনিয়ম কোন ভাবেই কাম্য নয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest