সর্বশেষ সংবাদ-
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাআদালতে মামলা করার ৭ মাস পর সাতক্ষীরার ফিংড়িতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগদেবহাটায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিতবাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চরিত্রহনন ও ইয়েলো জার্নালিজম নিয়ন্ত্রণও জরুরি: সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রীআইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি: জমিজমা বিরোধে একই পরিবারের ৪জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এসময় ২জনের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার ভোর ৬টার দিকে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা মাদ্রাসাপাড়া এলাকায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা মাদ্রাসাপাড়া এলাকার মৃত. রইচ উদ্দিনের ছেলে মনজুর আলম রিপনের (৪৩) সাথে একই এলাকার নাছির উদ্দিনের জমিজমার বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে সোমবার ভোর ৬টার দিকে নাছির উদ্দিনের স্ত্রী ইয়সমিন সুলতানা (৩০) পাটকেলঘাটা থানা এলাকার টুটুল (৩৫) ও মোশারফ হোসেন (৫৫) মনজুর আলম রিপনের বাড়িতে এসে গালিগালাজ করতে থাকে। পরিবারের সদস্যরা গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে তাদেরকে লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট ও ইট দিয়ে থেতলে আহত করে। এ সময় রিপনের বোন নাসরিন আক্তারের গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের ও তার মায়ের গলায় থাকা একটি ৮আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।

মারপিটে রিপনের মা হাফিজা খাতুন মারাত্বক আহত হয়ে পড়ে থাকলে তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এঘটনায় মনজুর আলম রিপন বাদী হয়ে সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছে। এদিকে বাদিকে ফাঁসাতে বিবাদীরা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব‍্যুরো:

আশাশুনি উপজেলার কুল্যা টু বাঁকা (দরগাহপুর) সড়কের কাদাকাটি বাজার থেকে কাদাকাটি পুরাতন বাজার পর্যন্ত এক কিলো মিটার রাস্তার বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সড়কে যাতয়াতকারী যাত্রী সাধারণের।

অভিযোগ রয়েছে, সড়কটির নির্মাণ কাজে ধীর গতির কারনে সড়কের অনেকস্থানে নতুন করে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। এতেকরে প্রায়ই সড়কে চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীদের দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের কারণে বৃষ্টি হলেই পানি জমে গর্তগুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন থেকে সাতক্ষীরা জেলা সদরের যোগাযোগের একমাত্র বাইপাস সড়ক হিসেবে ওই সড়কই এক সময় বেশি ব্যবহৃত হত। আশাশুনি উপজেলার মানুষসহ আশাশুনির সীমান্ত এলাকা তালা, পাইকগাছা, কয়রা ও আশাশুনির দক্ষিণ অঞ্চলের ইউনিয়ন গুলোর হাজার হাজার মানুষের চলাচলের জন্য একমাত্র ভরসা এই সড়কটি। এলাকার শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন দর্গাপুর কলেজে যাওয়া আসা করে। কিন্তু বছর খানেক ধরে সড়কের বেশীর ভাগ অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। সেই সাথে বিপাকে পড়েছেন স্কুল কলেজে পড়ূয়া ছাত্র-ছাত্রীরা। গর্তগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে যেন পুকুরে পরিনত হয়ে থাকে। সড়কটির খানা খন্দকের কারনে সড়কে দুর্ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে অনেক প্রাণহানীসহ পঙ্গুত্ব বরণ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদেরকে। এ ছাড়া সড়কে দ্রুতগামী যানবাহনগুলো একটি অপরের ওভারট্যাকিং করতে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে। এজন্য সড়কে যানচলাচল আগের তুলনায় অনেকটা কমে গেছে।

দরগাহপুর কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আসমা জান্নাত মনি এ প্রতিবেদককে জানায়, “আমরা প্রায় ২/৩কিঃমিঃ পথ পায়ে হেঠে কলেজে যাই। কারণ আমারে চলাচলের প্রধান এই সড়কের এমন অবস্থা হয়েছে যে যেখানে ২০/৩০ মিনিটে কলেজে পৌছার কথা সেখানে লেগে যায় ১ ঘন্টারও বেশি সময়। সড়কের দশা বেহাল হওয়ায় আগের মতো দ্রুত গাড়ী পাওয়া যায়না। অপেক্ষা করে সময় নষ্ট না করে আমরা পায়ে হেটেই কলেজে যাচ্ছি। হেটে অনেকটা ক্লান্ত হয়ে যাই। বিশেষ করে চরম বিপাকে পড়তে হয় পরীক্ষার সময়। কারণ নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হওয়া অনেক কষ্টসাধ্য। তাই যতাযত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।”

স্কুলে যাতায়াতের প্রধান সমস্যা কি এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাদাকাটি আর আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা আক্তার মুক্তা জানায়, “ভাই কি আর বলবো স্কুলে যাওয়ার মূল সমস্যা এই সড়কটি। সড়কের অবস্থা এত খারাপ হওয়ায় প্রতিদিন স্কুলে যেতে মন চায়না। এখন প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হয়, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টির কারনে গর্তে ময়লা জমে থাকে। ফলে ভাল জামা পড়ে গেলেও রাস্তার কাদায় নোংরা হয়ে যায়। সড়কটি সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব‍্যুরো:
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ শালিসেও মিমাংসা না হওয়ায় আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন আশাশুনি উপজেলার কাকবাসিয়া গ্রামের বেদের সানা (৬৫)।
সোমবার (১৫ জুলাই) ভোরে বাড়ির বারান্দা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বেদের সানা ওই গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে। বেদের সানার সেজ ছেলে সাইফুল ইসলাম সানা ও ছোট ছেলে বাচ্চু সানা জানান, জমির এওয়াজ নিয়ে প্রতিবেশী রেজাউল মেম্বার, রুহুল আমিন সানা ও বাবু সানাদের সাথে তাদের গোলযোগ চলে আসছিল। বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে রোববার স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারদের উপস্থিতিতে শালিস হয়। কিন্তু নিষ্পত্তি হয়নি। রাতে সকলে ঘুমাতে যান। ভোরে ঘরের বারান্দায় তারা বাবা বেদের সানার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

এদিকে, স্থানীয়রা জানান, বেদের সানারা প্রতিবেশি শরিকদের সাথে জমি এওয়াজের মাধ্যমে একেকজন একেক জায়গায় ভোগ দখল করছিল। তারপরও বেদের সানার ভোগদখলকৃত অংশের মধ্যে প্রতিবেশিদের জমি ছিল বলে তারা দাবি করে। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোলযোগ হয়। গোলযোগ নিষ্পত্তির জন্য রোববার শালিস হয়। শালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেদের সানাকে অন্য শরিকের জমি ছাড়তে বলা হয়। এসময় তিনি তার ভাইপো শরিকদের অনুনয় বিনয় করে জমির বদলে টাকা নেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু শরিকরা তাতেও রাজি না হওয়ায় বিষয়টি ঝুলে ছিল। এক পর্যায়ে সকলে চলে যায়। সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। ভোরে নিজ বাড়ির বারান্দায় বেদের সানার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা।
বেদের সানার সেজ ছেলে সাইফুল ইসলাম সানা ও ছোট ছেলে বাচ্চু সানার দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় আত্ম অভিমানে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন।

আশাশুনি থানার এসআই পিয়াস জানান, বেদের সানার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে স্টুডেন্ট কর্তৃক কলেজের বিভিন্ন ফিসাদি অনলাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে এগিয়ে নিতে সেবা প্রদানকারী পক্ষ সোনালী ব্যাংক পিএলসি পারুলিয়া শাখার সাথে সরকারি খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ কলেজ সখীপুর, দেবহাটা, সাতক্ষীরা এর চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে ১৫ জুলাই’২৪ সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টা হতে কলেজের আইসিটি হল রুমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আয়োজক সোনালী ব্যাংক পিএলসি পারুলিয়া শাখা ব্যবস্থাপক মো: মনিরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি সাতক্ষীরা প্রিন্সিপাল অফিস এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো: শাহ আলম ও সরকারি খান খানবাহাদুর আহছান উল্লাহ কলেজ এর অধ্যক্ষ প্রফেসর অলোক কুমার ব্যানার্জী।

ব্যাংকের পারুলিয়া পিএলসি শাখার সেকেন্ড অফিসার তপন মন্ডল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি সাতক্ষীরা প্রিন্সিপাল অফিস এর এজিএম প্রহলদ কুমার মাখাল, সরকারি খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগীয় প্রধান আলহাজ্জ মো: আকবর আলী, ব্যবস্থাপনা বিভাগীয় প্রধান মো: মনিরুজ্জামান (মহসিন) ও জীববিজ্ঞানের শিক্ষক মো: আবু তালেব।

শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন আলহাজ্জ মো: আকবর আলী এবং গীতা পাঠ করেন প্রাণিবিদ্যা বিষয়ের প্রভাষক প্রদীপ কুমার মন্ডল।

এ সময় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি পারুলিয়া শাখা সহ অত্র ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে শিক্ষার্থী কর্তৃক কলেজের সমস্ত ফিসাদি অনলাইনের বিভিন্ন অ্যাপস এর মাধ্যমে পরিশোধের নিমিত্তে পূর্ব প্রস্তুতকৃত স্ট্যাম্পে কলেজ ও ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর পরবর্তী ফাইল হস্তান্তর করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জি.এম আবুল হোসাইন : সাতক্ষীরার আলিপুরে কায়পুত্র সম্প্রদায়ের পুনর্বাসন নিশ্চিত এবং উচ্ছেদ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অক্সফাম বাংলাদেশ এর সহযোগীতায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর বাস্তবায়নে এবং আলিপুর কায়পুত্র পূর্নবাসন আন্দোলন কমিটি, সাতক্ষীরার আয়োজনে ১৫ই জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আলিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আলিপুর বলফিল্ড মন্ডল পাড়ায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর অফিস ইনচার্জ মো. শরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্য কায়পুত্র সম্প্রদায় একটি। তারা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। তারা সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে অনেক ক্ষেত্রে বঞ্চিত। তারা দীর্ঘ ১৫০ বছরের বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা সদরের আলিপুর ইউনিয়নের বলফিল্ড মন্ডলপাড়া, বাদামতলা মন্ডল পাড়া এবং ভাড়ুখালী মন্ডল পাড়ায় ১২৬টি পরিবার বসবাস করছে। তাদের মধ্যে ৮৭ পরিবার ভূমিহীন। তাদের নিজেদের এক টুকরো জমি নেই। অনেকে রাস্তার ধারে বসবাস করছে। রাস্তার ধারে বসবাস করার কারণে নানা সময় বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও ঘটে এমন কি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। নানা সময়ে রোড এন্ড হাইওয়ে তাদের বাড়ি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

এই নির্দেশে আমরা সহমত পোষণ করছি। আমরাও চাই রাস্তা সংস্কার হোক। সরকারের কার্যক্রম যথারীতি সম্পন্ন করা হোক। কিন্তু তাদের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ তারা অসহায়। তাদের ঘর ভাড়া করে থাকার জায়গা ও অর্থ নেই। তাদের একটাই দাবি তাদের পুনর্বাসন করে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হোক। ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর বাস্তবায়নে অক্সফাম বাংলাদেশ এর সহযোগীতায় “নারী ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা” প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মীরা দীর্ঘ ১বছর সময় ধরে তাদের সাথে বিভিন্ন সরকারি স্তরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাথে বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূমি অফিসার, ভূমিহীন প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ, নাগরিক সনদ সংগ্রহ, স্বামী স্ত্রীর ছবিসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরাসরি এই কায়পুত্র পাড়ায় ভিজিট করেন। তাদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন, তাদের জীবন ধরার পরিবর্তন করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই উদ্যোগ কে ধন্যবাদ জানায়। এই মানববন্ধন অনুষ্ঠানে সকলের দাবি এই কায়পুত্র সম্প্রদায় বা ভূমিহীনদের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হোক।

এসময় আরো বক্তব্য প্রদান করেন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক এ্যাড. আজাদ হোসেন বেলাল, জেলা নদী, বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা পৌর শাখা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মোঃ আনারুল ইসলাম গুরুতর অসুস্থ হয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি উচ্চ রক্তচাপ ও হার্টের দুর্বলতা নিয়ে ডাঃ আসাদুজ্জামান’র নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।

আনারুলের সুস্থতা কামনা করেছেন কৃষক লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য বিশ্বজিৎ সাধু, মোঃ মনজুর হোসেন,সাতক্ষীরা জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ সামছুজ্জামান জুয়েল,যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মিজানুর রহমান,

সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত হাসান রাসেল,প্রচার সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল্লাহ ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক শফিউদ্দিন ময়না সহ জেলা, পৌর ও সকল উপজেলা শাখা কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পূর্ব নাকনা কুড়িকাহুনি রাস্তার জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে গড়ুইমহল খালের সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়া রাস্তা সংস্কারের দাবিতে নৌকায় মানববন্ধন করেছে প্রতাবনগর ইউনিয়ন বাসী।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী।

আশাশুনি উপজেলার প্রতাবনগর ইউনিয়নের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি ৪ বছর যাবত এই অবস্থায় পড়ে আছে। সকল বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়া করতে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়।
এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে।

মানববন্ধনে এলাকাবাসী বলেন, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে কপোতাক্ষ নদের বাঁধ ভেঙে স্রোতের তোড়ে সড়কটি ভেঙে যায়।

ফলে রাস্তার মাঝখানে তৈরি হয় কৃত্রিম খাল। কিন্তু সড়ক ভাঙার চার বছর পার হলেও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীসহ ইউনিয়নের গোকুলনগর, নাকনা, গোয়ালকাটি, সোনাতনকাটি, শ্রীপুর, কুড়িকাহুনিয়াসহ পার্শ্ববর্তী কয়রা উপজেলার সঙ্গে আশাশুনি উপজেলার সড়কপথের যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন।
কোনো রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হতে পারে। তাই সাতক্ষীরার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবি রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর নির্দেশনা মোতাবেক সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ এর উদ্যোগে সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে , সরকারি চাকরিতে ‘কোটা’ ইস্যু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা সংগ্রহ, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংবলিত লিফলেট বিতরণ, উন্মুক্ত আলাপন, যৌক্তিক উপায়ে গ্রহণ এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করার জন্য-‘পলিসি এ্যাডভোকেসি’ ও ‘ডোর টু ডোর’ ক্যাম্পেইন।

রোববার দুপুরে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো মহিদুল ইসলাম, লাবসা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান সোহার্ত,পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান তরুণ, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ফরহাদ সহ আরও অনেকেই। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest