সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভা

ক্ষুধা কমাতে যা খাবেন

স্বাস্থ্য ও জীবন : সকলেই চান নিজের ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। এর জন্য কেউ কেউ ডায়েট কিংবা ব্যায়াম করেন। আর এসবের মাঝে অনেকে আবার না খেয়ে অসুস্থও হয়ে পড়েন। তবে একটু সচেতন হয়ে নিয়ম মতো খাওয়াদাওয়া করলেই আমরা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি। এক্ষেত্রে নির্বাচন করতে হবে এমন কিছু খাবার যা ক্ষুধা কমাবে, আবার ওজনকেও নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
১. ওটমিল : শক্তিবর্ধক খাবার হিসেবে পরিচিত হলো ওটমিল। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাকতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় এক বাটি ওটমিল খেলে তা সারা দিন শরীরে এনার্জি ধরে রাখে। আবার ক্ষুধাও অনুভূত হয় না। এছাড়া দেহে খারাপ কলেস্টোরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে ওটমিল।
২. পেয়ারা : একটি মাঝারি আকারের পেয়ারাতে প্রায় ৫.৫ গ্রাম ফাইবার রয়েছে। এই খাবারটিও আপনাকে দীর্ঘ সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করবে।
৩. আপেল : ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপেলের জুড়ি মেলা ভার। একটি মাঝারি আকারের আপেলে ৪.৪ গ্রাম ফাইবার রয়েছে; যা অনেকটা সময় ধরে পেট ভরা রাখবে। ফলে ক্ষুধাও কম লাগবে। এতে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া এতে আরও নানা পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা দেহকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।
৪. কাঠবাদাম : কাঠবাদামে ভালো ফ্যাট এবং প্রোটিন রয়েছে যা দেহকে নানা রোগের হাত থেকে বাঁচায়। মাত্র আধা কাপ কাঠবাদামে রয়েছে ৯ গ্রাম ফাইবার। তাই ক্ষুধা লাগলে একমুঠো কাঠবাদামই খেয়ে নিন। এতে শুধু ক্ষুধাই কম লাগবে না, আবার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
৫. গাজর : গাজরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, বেটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন রয়েছে। এটি অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে আপনাকে দূরে রাখার পাশাপাশি ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখবে। কাজেই সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই খাবারটি রাখার চেষ্টা করুন।
৬. ব্রোকলি : মাত্র এক কাপ সেদ্ধ ব্রোকলিতে পাঁচ গ্রাম ফাইবার রয়েছে, যা অনেকটা সময় আপনাকে নানা ধরনের ফাস্টফুড থেকে বিরত রাখবে। ফলে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
৭. ডাল : স্বাস্থ্যকর উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মধ্যে ডাল অন্যতম। মাত্র আধা কাপ ডালে ৮ গ্রাম ফাইবার রয়েছে। এই খাবারটিও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ক্ষুধার উদ্রেক করে না, আবার পেটও ভর্তি রাখে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুষ্টিগুণে ভরা পেয়ারা

স্বাস্থ্য ও জীবন : পেয়ারায় রয়েছে ভিটামিন সি, ক্যারোটিনয়েডস, ফোলেট, পটাশিয়াম, আঁশ এবং ক্যালসিয়াম। ১০০ গ্রাম পেয়ারায় কমলার চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধক। পেয়ারা পাতার রস ক্যান্সার প্রতিরোধী এবং সংক্রমণ, প্রদাহ, ব্যথা জ্বর, বহুমূত্র, আমাশয় প্রভৃতি রোগে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
পেয়ারাতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও বি। যা আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে। পেয়ারাতে আছে উপকারি ভিটামিন এ। ভিটামিন এ চোখের জ্যোতি বৃদ্ধিতে কাজ করে।
এই ফলটিতে আছে ভিটামিন বি৩ ও বি৬ যা মষ্তিষ্কে রক্ত চলাচল করতে সাহায্য করে। মষ্তিষ্ক সতেজ রাখে। মষ্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। পেয়ারাতে আছে অতিমাত্রায় ভিটামিন সি এবং আয়রণ। এই ভিটামিন সি এবং আয়রণ শরীরে ঠান্ডা জমতে দেয় না। তাই পেয়ারা খেলে খুব সহজেই ঠান্ডা কাশির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। পেয়েরা জ্বর সারাতে খুব ভালো কাজ করে। ত্বকে নেচারাল ক্রিম ও টোনার জেল হিসেবে কাজ করে। পেয়ারা খেলে ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার করে। ত্বককে যে কোন সমস্যা থেকে রক্ষা করে। কুচকে যাওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করে ত্বক করে টানটান। পেয়ারায় আছে ভিটামিন এ,বি,সি ও পটাশিয়াম যা ত্বকে এন্টি-অক্সাইড বৃদ্ধি করে। এন্টি-অক্সাইড ত্বক উজ্জ্বল করে ও বয়সের ছাপ দূর করে।
পেয়ারা রক্ত থেকে কলেস্ট্রোল দূর করে। অতিরিক্ত কলেস্ট্রোল দূর করার মাধ্যমে উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে। পেয়ারায় বিদ্যমান হাই-ফাইবার রক্তের চিনি কমানোর মাধ্যমেও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। থাইরয়েডের জন্য উপকারি কপারের খুব ভালো উৎস হচ্ছে পেয়ারা। কপার আমাদের দেহের খুব গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি যা দেহের হরমোন ও অর্গান সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে। আর কপার দেহের হরমোন উৎপাদন ও শোষণকে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য এবং এর পটাশিয়াম ও শক্তিশালী প্রদাহনিরামক গুণাগুণ থাইরয়েডের কাজকে উন্নত করতে সহায়তা করে। তাই থাইরয়েড সংক্রান্ত সমস্যা দূর করার জন্য পেয়ারা ও পেয়ারা পাতাকে খাদ্য তালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে নিতে হবে।
পেয়ারা ক্যান্সারের জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিক পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা পেয়ারা খায় তাদের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা ৩০ ভাগ কম থাকে। বিশেষ করে নারীদের স্তনের ক্যান্সার প্রতিরোধে পেয়ারা অনেক কার্যকর। যারা পেয়ারা খান তাদের ডায়েবেটিকস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। যারা ডায়েবেটিকস রোগে আক্রান্ত তারা রোজ একটি করে পেয়ারা খেলে তাদের ডায়েবেটিকস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
পেট ভালো রাখতে পেয়ারা খাওয়া যেতে পারে। পেয়ারায় রয়েছে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল প্রপার্টিস। যা ডায়ারিয়াতে বেশ ভালো কাজ দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেঁয়াজের জাদু

স্বাস্থ্য ও জীবন : রূপচর্চা থেকে শরীরকে সুস্থ রাখাতেও তো পেঁয়াজের জুড়ি মেলা ভার। কোনও কোনও ক্ষেত্রে তো শুধু হাতের তালুতে পেঁয়াজ ঘষলেই ঘটে যায় নাকি মিরাকল। পেঁয়াজের রসে হলুদ মিশিয়ে তা ত্বকে লাগালে, ত্বকের দাগ ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। ফিরে আসতে হারানো উজ্জ্বলতা। পেঁয়াজকে মনে করা হয় প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক। পেঁয়াজ খেলে মাসিকের ব্যথাতেও উপশম হয়।
আবার ঠা-ায় সর্দি বা গরমে নাক থেকে রক্তপাত বন্ধে পেঁয়াজের গন্ধই বোধ হয় ম্যাজিকের কাজ করে। গলার ব্যথাতেও নাকি পেঁয়াজ ফোটানো পানি খেলে আরাম পাওয়া যায়। মশা বা মৌমাছি কামড়ালে সে স্থানে ঘষলে পেঁয়াজের মধ্যে থাকা সালফার এই চুলকানি বন্ধ করে স্বস্তি দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হিন্দি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হতে যাচ্ছেন মম

ছোট পর্দা ও বড় পর্দার তারকা জাকিয়া বারি মম এবার হিন্দি ছবিতে অভিনয় করবেন। ছবির নাম এখনো ঠিক হয়নি। পরিচালনা করবেন ফয়সাল সাইফ। এবার ঈদের পর এই ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হতে যাচ্ছেন মম।

গত ২৩ আগস্ট বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে নতুন ছবির কথা জানিয়ে একটি পোস্টার পোস্ট করেছেন মম। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘একটি ভালো খবর। নতুন ছবি। ফার্স্ট লুক।’

আজ ২৫ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে মম বলেন, ‘আমার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমি মৌখিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে কাগজে-কলমে চুক্তি হতে একটু দেরি হচ্ছে। তাই ঈদের পর ভারত যাচ্ছি, সেখানে চুক্তিবদ্ধ হব। গল্প পাঠানো হয়েছিল। পছন্দ হয়েছে আমার। আর সব কিছু ঠিক থাকলে ছবিটির শুটিং শুরু হবে ডিসেম্বরে।’

ছবিটির গল্প তৈরি হচ্ছে জনপ্রিয় নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষের ওপর ভিত্তি করে। এ প্রসঙ্গে মম বলেন, ‘এমন একটি গল্পের ছবিতে কাজ করব, বিষয়টি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। গল্পের কাহিনী নারীকেন্দ্রিক। এ ছবির মূল নায়ক বা নায়িকা বলতে আমিই। আর ফয়সাল সাইফ আমাকে ভাষার চেয়ে অভিনয়ের ব্যাপারে বেশি জোর দিতে বলেছেন।’

আনিসুর রহমান মিলনের বিপরীতে ‘স্বপ্নবাড়ি’ নামে একটি ছবির কাজ শেষ করেছেন মম। ছবিটি পরিচালনা করেছেন তানিম রহমান অংশু। এদিকে মমর নতুন ছবির পরিচালক ফয়সাল সাইফ এর আগে বাংলাদেশের নিরবকে নিয়ে ‘শয়তান’ নামে একটি ছবি নির্মাণ করেছেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্টোকস বীরত্বের পর শুরুতে নড়বড়ে উইন্ডিজ

ক্যারিবীয় বোলাররা ১১ বছর আগে এমন বোলিং করেছিলেন। এতদিন বাদে এসে একই ইনিংসে একসঙ্গে ৪ উইকেট পাওয়ার স্মৃতি স্মরণ করালেন দুই বোলার শ্যানন গ্যাব্রিয়েল এবং কেমার রোচ। এমন দাপুটে বোলিংয়ের দিনে বেন স্টোকস শতক হাঁকিয়ে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ইংলিশদের মান বাঁচিয়েছেন। ২৫৮ রানে ইনিংস শেষ করেছেন তারা। ব্যাট করতে নেমে ১১ রানের মাথায় ফিরে গেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার কাইরন পাওয়েল।

আগে ব্যাট করতে নেমে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে ইংল্যান্ড। জো রুট ৫৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে পথে রাখার চেষ্টা করেন। সবচেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচে পঞ্চাশ বা তার বেশি রানের ইনিংস খেলার রেকর্ড ছুঁয়ে থেমে যান রুট। টানা ১২ টেস্টে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন তিনি। এর আগে এবি ডি ভিলিয়ার্সের এই কীর্তি ছিল।

গত অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট দিয়ে শুরু হয়েছিল রুটের এই যাত্রা। চলছে এখনও।

এবি ডি ভিলিয়ার্সের টানা ফিফটি ছিল ২০১২ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পার্থ টেস্ট থেকে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই পোর্ট এলিজাবেথ টেস্ট পর্যন্ত।

ডি ভিলিয়ার্সের এই রেকর্ড ছোঁয়ার খুব কাছে গিয়েছিলেন মুমিনুল হক। কিন্তু বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান থেমে যান টানা ১১টিতেই। টানা ১১ টেস্টে পঞ্চাশ ছোঁয়ার কীর্তি আছে আরও তিনজনের- ভিভ রিচার্ডস, গৌতম গম্ভীর ও বিরেন্দর শেবাগের।

রুটের এই রেকর্ডের দিনে দাঁড়িয়ে যান অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। প্রায় একাই দলকে টেনে নিয়ে যান। ৯৮ রানে জীবন পাওয়ার পর শতকে পৌঁছান। ১২২ বল খেলে এই রান করেন তিনি। পরে আর দুই বল খেলেই বিদায় নেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাওয়েলের উইকেট হারিয়ে ১৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে। ক্রেইগ ব্রেথওয়েট (১৩) এবং নাইট-ওয়্যাচম্যান দেবেন্দ্র বিশু (১) দ্বিতীয় দিন শুরু করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তামনি অনেক পড়বে, ডাক্তার হবে

ডেস্ক রির্পোট : ‘আমার মুক্তামনি অনেক ডাক্তারের কাছে গ্যাছে। অনেক ডাক্তার তারে দ্যাখছে। সে বলে বাবা আমিও ডাক্তার হমু।’ বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামনির বেঁচে থাকার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন তাঁর বাবা ইব্রাহীম হোসেন। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় এখন পর্যন্ত অনেকটাই সুস্থ মুক্তামনি। আর এ নিয়ে ইব্রাহীমের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। মেয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি গেলে স্কুলে পাঠাবেন আবার? -এ প্রশ্ন করাতে ইব্রাহীম হোসেন বলেন, ‘পাঠাব মানে? আমার মেয়ে মুক্তামনি অনেক পড়বে। সে বলছে, সে ডাক্তার হবে।’ ১২ বছর বয়সি মুক্তামনির বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামে। দেড় বছর বয়সে তার ডান হাতে একটি টিউমারের মতো হয়। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে পুরো ডান হাতে। হাতটি ফুলে যায়। একপর্যায়ে দুর্গন্ধও বের হতে থাকে।

গত ১১ জুলাই মুক্তামনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মুক্তামনির জন্য গঠিত আট সদস্যের মেডিকেল বোর্ড জানায়, মুক্তামনি বিরল রোগে আক্রান্ত। রোগটির নাম ‘হাইপারকেরাটোসিস’। গত মাসে সাতক্ষীরা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তামনিকে সরকারি উদ্যোগে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিরল রোগে আক্রান্ত শিশুটির খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সরকারের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসার খরচ বহনের কথা জানান। ইব্রাহীম এলাকায় একটি দোকান চালান। ওই দোকানেই চলে সংসার। মুক্তামনির একজন যমজ বোন আছে। ওর নাম হীরামনি। ওদের ছোট এক ভাইও আছে। এক বছর তিন মাস বয়সি ওই ভাইয়ের নাম আল আমিন। ইব্রাহীম জানান, জন্মের দেড় বছর বয়সে ওই সমস্যাটা ধরা পড়ে। ডান হাতটা ধরলে ব্যথা পেত মুক্তামনি। এর পর স্থানীয় এক চিকিৎসককে দেখানো হয়। তাঁর পরামর্শে খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়। তখন বলা হয়, হাড়ে সংক্রমণ হয়েছে। এ সময় একাধিক চিকিৎসক দেখানো হলেও কোনো সুফল পাচ্ছিলেন না ইব্রাহীম। গত দুই বছর আগে সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড এ (সিআরপি) নিয়ে যাওয়া হয় মুক্তামনিকে। আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন ইব্রাহীম। মুক্তামনির কাগজপত্র সিঙ্গাপুরে পাঠান বার্ন ইউনিটের সমন্বয়কারী ডা. সামন্ত লাল সেন। ওই দেশের একটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথাও হয়। তবে সিঙ্গাপুরের ওই হাসপাতাল মুক্তামনির অস্ত্রোপচার করায়নি, ওদের ভাষায়, তা সম্ভব না।
ওই চ্যালেঞ্জই নিয়েছে বার্ন ইউনিট। সামন্তলাল সেন জানান, চিকিৎসকদের ২৯ জনের একটি দল অস্ত্রোপচারে অংশ নেয়। এখন সুস্থ আছে মুক্তামনি।

ইব্রাহীম জানান, স্থানীয় মির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে মুক্তামনি। ইব্রাহীম বলেন, ‘ডান হাতটা ঢেকেই স্কুলে যেত মুক্তামনি। কিন্তু একবার এক শিক্ষক ওর ডান হাতে ধরে চাপ দেন। এতে প্রচ- ব্যথা পায় মুক্তামনি। এরপর থেকে ওর স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেই।
মুক্তামনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে -এ আশ্বাস দিয়েছেন চিকিৎসকরা। কী করবেন তখন? ইব্রাহীম বলেন, ‘মেয়েটা আমার বড় দুঃখী, কোনো সাধ আহ্লাদ করতে পারেনি। ওকে নিয়ে ঘুরব, ও যে যে জায়গায় যেতে চায় সেখানে নিয়ে যাব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন ঋতুপর্ণা!

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ আছে ঋতুপর্ণার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে রচিত বই প্রকাশ অনুষ্ঠানেও গুরুত্বপূর্ণ অতিথি তিনি।
তার নাম জড়িয়েছেন রোজভ্যালিকাণ্ডেও। কিন্তু, চলচ্চিত্রের পাট চুকিয়ে এবার তবে কী এবার প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে? নাম লেখাবেন কি গেরুয়া শিবিরে? জল্পনা চলছিলই অনেক দিনের কিন্তু জল্পনার অবসান হল না, বরং আরও বেড়ে গেল।

শুক্রবার কলকাতার মহাজাতি সদনের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে লেখা বই প্রকাশ অনুষ্ঠান হাজির হয়ে রহস্য বজায় রাখলেন ঋতুপর্ণা। অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজেই মন্তব্য করলেন, ‘‘এখনই প্রস্তাব নিয়ে কিছু ভাবছি না। মতামত পরিবর্তন করলে অবশ্যই জানাব। ’’

রোজভ্যালি কাণ্ড সামনে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছিল বিজেপি-র সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছেন ঋতুপর্ণা। তবে কোন দিন প্রকাশ্যে সেকথা স্বীকার করেননি বিজেপি নেতৃত্ব। এমনকি শুক্রবারই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জল্পনায় আমল দেননি তিনি।

এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে ঋতুপর্ণা জানিয়েছেন, ‘‘একজন শিল্পী হিসেবে সবার সঙ্গে সখ্যতা রাখা আমার কাজ। আমি তাই করছি। আমি একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি। যদি পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে আসি আমি আগে আপনাদের আগে জানাবো’। তার উত্তরের পিছনের যুক্তিও নিজেই দিয়েছেন অভিনেত্রী। কেবলমাত্র বিজেপি নয়, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জির সঙ্গেও যে সু-সম্পর্ক বজায় রয়েছে তার তা বোঝাতে ভুললেন না ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যদি কোন বই প্রকাশিত হয় সেখানেও আমি যাবো’।

শুক্রবার মহাজাতি সদনে প্রকাশিত হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে লিখিত সাংবাদিক উদয় মহুরকারের বই ‘মার্চিং উইথ আ বিলিয়ান’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী, বিজেপি কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুবলীর রাজসিক প্রত্যাবর্তন

ফিরছেন, তিনি ফিরছেন। তাও কী না আট হাজার ৭৬০ ঘণ্টা পর।
অর্থাৎ প্রায় এক বছর পর। গত ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছিল তার জোড়া ছবি। এবারের ঈদেও তিনি পেতে যাচ্ছেন জোড়া আনন্দ। বলছি, বুবলীর কথা। বুবলী নামটার মধ্যেই কেমন যেন ‘আদুরে আদুরে’ ভাব রয়েছে। কিন্তু তার অভিনীত ছবির নাম শুনে কে মানবে সে কথা? সিনেমায় নাম লেখানোর আগেই ‘বসগিরি’ দেখাতে শুরু করেন। এ ধারাবাহিকতায় নিজেকে জাহির করেন ‘শুটার’ হিসেবে। এর পরপরই অনেকটা ‘অহংকারী’ হয়ে উঠেন। আর এখন তো পুরোদস্তুর ‘রংবাজ’। ‘বসগিরি’ ও ‘শুটার’ গত ঈদুল আজহায় মুক্তি পায়। আর এই ঈদে মুক্তি পাচ্ছে তার ‘অহংকার’ ও ‘রংবাজ’।

এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তার নিজের সঙ্গেই। কারণ তার দুটি ছবিই বিগ বাজেটের এবং দর্শকদের প্রত্যাশাও রয়েছে তাকে ঘিরে। বিশেষ করে ছবি তৈরির আগেই আলোচনায় চলে আসে ‘রংবাজ’ ছবিটি। এ ছবিকে ঘিরে ইতিমধ্যে বেশ কিছু আলোচনা ও সমালোচনা উচ্চারিত হয়েছে। ছবি নির্মাণের প্রথম দিকে পরিচালক ছিলেন শামীম আহামেদ রনী। এরপর নানা জটিলতায় পড়ে পরিচালক পরিবর্তন হয়। বর্তমান পরিচালক আবদুল মান্নান। আলোচনা এখানেই শেষ নয়— ‘রংবাজ’ ছবির গানগুলোও ইতিমধ্যে বেশ শ্রুতিমধুর হয়েছে ও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডে চিত্রায়িত গানগুলো বেশি নজর কাড়ছে বোদ্ধাদের। অন্যদিকে বুবলীর ‘অহংকার’ ছবিটিও অনেকটা ব্যতিক্রম বলে জানা গেছে। শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত এ ছবিতে বুবলীকে হুট করে চিনতে কষ্ট হবে। কারণ আর কিছুই নয়, এত অহংকারী বুবলী। তাকে ভেঙে, গুঁড়ো করে নতুন করে উপস্থাপন করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা দুটি ছবিতেই রয়েছেন হালের অন্যতম ক্রেজ শাকিব খান। ঈদের ছবি মানেই শাকিব খান- গত কয়েক বছর যাবৎ বাংলা সিনেমায় এ ধারাটাই পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুতরাং ‘অহংকার’ এবং ‘রংবাজ’ ছবিই একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে।

বলতে গেলে দর্শকরা বিচার করবেন কোন বুবলীকে বেশি ভালো লাগছে।

যে-যাই বলুক না কেন, বুবলীর মনে কিন্তু এখন ‘ডাবল লাড্ডু’ ফুটছে। কারণ প্রত্যাবর্তনটা অনেকটা রাজসিক হচ্ছে তার। ঈদের আনন্দ ও ছবির মুক্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বুবলী বলেন, এবারের ঈদটি আমার জন্য অনেক বেশি স্পেশাল। কারণ এ ঈদে আমার ‘রংবাজ’ ও ‘অহংকার’ ছবি দুটি মুক্তি পাচ্ছে। তাই প্রচারণার কাজেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। তবে মনটা একটু খারাপ বন্যাদুর্গতদের জন্য। আমরা যতই ঈদে আনন্দ-ফুর্তি করি না কেন, তাদের কথা মাথায় রাখতে হবে। তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসি তাহলে অনেক কষ্ট লাগব হবে তাদের।

বুবলী আরও বলেন, আমি এমনিতে একটু ঘরকুনো মানুষ। কাজ বাদে তেমন বাইরে থাকা হয় না। পরিবার-পরিজনকে ঈদের দিন সময় দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। এদিকে খাবার-দাবার হিসেবে প্রতি ঈদেই আমার হাতে করা একটি স্পেশাল আইটেম থাকে। ঈদ যেহেতু কোরবানির, তাই ইচ্ছা আছে মাংসের কোনো স্পেশাল আইটেম রাখার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest