সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বেতনা-মরিচ্চাপ নদীর নাব্যতা হ্রাস এবং অন্যান্য নদীর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা সংক্রান্ত
আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২১ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির কনফারেন্স রুমে উত্তরণ এনজিও ও পানি কমিটির আয়োজনে উত্তরণ’র পরিচালক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

প্রধান অতিথির  বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “যত্রতত্র অপরিকল্প ঘের তৈরী বন্ধ করতে হবে, বেতনা, মরিচ্চাপ ও কপোতাক্ষ নদীসহ জেলার সকল নদী গুলো খনন করে ইছামতী ও বঙ্গোপসাগরের সাথে সংযোগ করে জোয়ার ভাটার ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেই সাথে
স্লুইসগেট সংস্কার করতে হবে ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে স্থায়ী সূদুরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তাহলে নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা রক্ষা পাবে। সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমি মহান
জাতীয় সংসদে জেলার মানুষের স্বার্থে দাবীগুলি তুলবো।” বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এস এম মারুফ তানভীর হুসাইন সুজন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনূর ইসলাম, তালা উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি  মো. মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র শেখ আনোয়ার হোসেন মিলন, পৌরসভার কাউন্সিলর শেখ শফিক-উদ-দৌলা- সাগর, পৌর কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, পৌর কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেল, পৌরসভার ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর নুর জাহান বেগম নুরী, পৌরসভার ৪,৫ ও ৬নং
ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর অনিমা রানী মন্ডল, ঘোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের, ফিংড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. লুৎফর রহমান, শিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আবুল কালাম আজাদ, বৈকারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
আবু মো. মোস্তফা কামাল, আগরদাঁড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন মিলন, এ্যাড. মনির উদ্দীন, লাবসা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বিশ্বনাথ, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, মফিজুল ইসলাম প্রমুখ। উত্তরণ এনজিও ও পানি কমিটি চলমান প্রকল্পটির সময় বর্ধিত করে নিন্মোক্ত বিষয় সমূহ অন্তভূক্ত করার দাবী জনান- অবিলম্বে বেতনা নদী অববাহিকায় টিআরএম চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ, ইছামতি নদীর সাথে সাপমারা ও লাবণ্যবতী নদীর অবাধ সংযোগ প্রদান ও প্রকল্পের সকল কর্মকান্ডে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবী জানানো হয় আলোচনা সভায়। এসময় উত্তরণ নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও পানি কমিটির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উত্তরণ’র প্রজেক্ট অফিসার দিলীপ কুমার সানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : ভারতীয় আমদানি জাত পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বুধবার সকাল দশটা থেকে পৌনে ১ টা পর্যন্ত প্রায় ৩ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম আবারো শুরু হয়েছে। ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা বন্দরের জিরো পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রাক আড় করে দিয়ে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কোন পূর্ব ঘোষনা ছাড়াই সকাল থেকে ভারতীয় ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি করে চাঁদা আদায় শুরু করলে ঘটে যায় এ বিপত্তি।

ভোমরা স্থল বন্দর আমদানিকারক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন জানান, এর আগে চলতি মাসের প্রথম দিকে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ভারতীয় ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি হারে চাঁদা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিলে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা রপ্তানিকারক ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এ ধরনের চাঁদাবাজি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান। যার কারনে গত ৮ জুন থেকে ভারতীয় ট্র্যাক থেকে ভোমরা সিএন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশন চাঁদা আদায় করতে ব্যর্থ হয়। এমনকি ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানি কারক সমিতি এ ধরনের চাঁদাবাজির তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কিন্তু আজ সকাল দশটায় হঠাৎ ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি হারে চাঁদাবাজি শুরু করলে উভয় দেশের আমদানি রপ্তানি কারকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। যার কারণে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা জিরো পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রাক আড় করে দিয়ে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। প্রায় তিন ঘন্টা বন্ধ থাকার পর চাঁদা না নেয়ার শর্তে আবারো আমাদানীরপ্তানী কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।

ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, কোন পূর্ব ঘোষনা ছাড়াই সিএন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নামে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক প্রতি ২০০ রুপি হারে চাঁদাবাজি শুরু করলে আমদানিকারকরা আমদানি-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। পরে চাঁদা না নেয়ার শর্তে আবারো শুরু হয় বন্ধরের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এএসএম মাকসুদ খান বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, একটি মহল অপপ্রচার ছড়াচ্ছেন। বর্তমানে আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় বজ্রপাত নিরোধকল্পে জেলাব্যাপী ১০হাজার তালের চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২১ জুন) বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা শহরের বাকাল ডিসি ইকোপার্কে এই তালের চারা রোপন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। এসময় ে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মনির হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইয়ারুল হকসহ আরও অনেকে।

উদ্বোধন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ন কবির বলেন, বজ্রপাতে প্রতিনিয়তই ব্যাপক হাবে মানুষ মারা যাচ্ছে। এ থেকে রক্ষা পেতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী ১০হাজার তালের চারা রোপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ডিসি ইকোপার্কে তালের চারা রোপনের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হল। আমি বিশ^াস করি অচিরেই এর সুফল পাবে সাতক্ষীরাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ৫শ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ জুন) রাত সাড়ে দশটার দিকে শহরের গড়েরকান্দা পূর্ব পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে এ আটকের ঘটনা ঘটে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম মোঃ আজিজুল ইসলাম(২২)। তিনি ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি আঃ হাকিম ও আঞ্জুয়ারা’র ছেলে।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (ওসি তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, শহরের গড়েরকান্দা এলাকায়
মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে এমন বিশ্বস্থ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে থানার এসআই পিন্টু লাল দাস, এএসআই মোঃ শরিফুল ইসলাম, এএসআই আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। এসময় আজিজুল ইসলাম নামের এক যুবককে আটকের পর দেহ তল্লাশি করে তার কাছথেকে ৫০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মুহিদুল ইসলাম জানান, এ সংক্রান্তে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করে আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তিসহ ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং গাড়ী পুড়িয়ে সরকার পতনের ঘোষনা দেওয়ার অভিযোগে সাতক্ষীরা সদরের আলীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ১৮ জুন ২০২৩ তারিখে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত একপত্রে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ আলীপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক।

ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে অন্যের জমি হারি না দিয়ে জবর দখলের মাধ্যমে কয়েকটি ডিড বিহীন মৎস্য ঘেরের মালিক হওয়া, প্রকাশ্যে জনসভায় সাতক্ষীরাকে অচল করে দেওয়ার ঘোষনা দেওয়া, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন কটুক্তিসহ ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং গাড়ী পুড়িয়ে দিয়ে ২০১৩/১৪ সালের মতো রাস্তাঘাট ও গাছপালা কেটে অবরোধ সৃষ্টি করে সরকার পতন ঘোষণা দেওয়ার অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে। যে কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(৪)(খ) (ঘ) ধারার অপরাধ সংঘটিত করায় জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন।

যেহেতু আ: রউফ কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থি। ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ৩৪(৪)(খ)(ঘ) ধরার অপরাধ সংঘটিত করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটার মাসুদ খান নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহেণর দাবি জানিয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়াসমিন আরা রিংকি।

মঙ্গলবার (২০ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি

অভিযুক্ত মাসুদ খান পাটকেলঘাটা থানার নওয়াকাটি গ্রামের হাজী মুজিবুর খানের পুত্র ও অভিযোগকারী ইয়াসমিন আরা রিংকি সদরের আগরদাড়ী ইউনিয়নের মৃত শহীদ গাজীর কন্যা।

স্বামী মাসুদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে লিখিত বক্তব্যে স্ত্রী রিংকি বলেন, ঢাকার একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে চাকুরির সুবাদে পরিচয় ঘটে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানাঘাটার নওয়াকাটি গ্রামের হাজী মুজিবুর খানের পুত্র মাসুদ খানের সাথে। মাসুদ খানের পূর্বের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। কিন্তু তার পিতা মাতা প্রথম স্ত্রীকে মেনে নিতে রাজি না হওয়ায় মাসুদ খান আমাকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় আমি প্রথমে রাজি না হলেও পরে তারা পিতা মাতা আমাকে আশ্বস্ত করে।

তিনি বলেন, আমি তাদের আশ্বাস পেয়ে মাসুদ খানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করি। পরে ঢাকার সিংগাঈর এলাকায় নিয়ে স্থানীয় মসজিদে ইমামের মাধ্যমে আমাকে বিবাহ করে মাসুদ। সে সময় বিবাহটি পরে রেজিষ্ট্রি করবে বলে জানায়। কিন্তু ৬ মাস অতিবাহিত হলেও রেজিষ্ট্রি না করে তাল বাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে আমার গচ্ছিত এবং বেতনের টাকাসহ প্রায় ২লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দেয় এবং আমাদের বিবাহ অস্বীকার করে। আমার তীলে তীলে জমানো সম্পদ হাতিয়ে নিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ায় আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। পরে সাতক্ষীরায় ফিরে মাসুদ খানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ভাই মারুফ খান, মামা আলিমসহ কতিপয় গুন্ডাপান্ডা আমাকে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এমনকি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

অভিযোগের বিষয়ে মাসুদ খান, মারুফ খান এবং আলিম গংযের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভি করেননি।

মাসুদ খান, মারুফ খান এবং আলিম গংযের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ওই অসহায় নারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোক্তা অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা ও ক্যাব সাতক্ষীরার দুটি সভা গতকাল সন্ধ্যায় ম্যানগ্রোভ সভাঘরে অনুষ্ঠিত হয়। সভা দুটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিদপ্তর সাতক্ষীরা সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান এবং সভাপতিত্ব করেন ক্যাব জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী। সামগ্রীর অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ক্যাব সহ-সভাপতি ও সনাক সভাপতি অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহেদ, জাসদ সভাপতি ওবায়দুস সুলতান বাবলু, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আকতার হোসেন, প্রথম আলোর প্রতিনিধি কল্যান ব্যার্নাজি, উপাধ্যক্ষ ময়নুল হাসান, বাসদ সংগঠক নিত্যানন্দ সরকার, সিপিবির সাবেক জেলা সম্পাদক পলাশ, উদীচীর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, কবি শুভ্র আহমেদ, ম্যানগ্রোভ সভাঘরের প্রধান কবি স ম তুহিন, অধ্যক্ষ মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি , টিআইবির এরিয়া কো-অডিনেটর মনিরুল ইসলাম,এডভোকেট মুনির উদ্দীনপ্রমুখ। অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন
প্রথম আলোবন্ধু সভার সভাপতি কর্ণ বিশ্বাস কেডি, অধ্যাপক মহিউদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক কৃষ্ণ পদ সরকার, রওনক বাশার, আমির খান চৌধুরী, অধ্যাপক ভারতেশ্বরী বিশ্বাসক, উপাধ্যক্ষ ড. গোপাল সরদার ।
সভায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরাতে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা পৌরসভা পানির মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এক্ষেত্রে ক্যাবের পক্ষ হতে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিষয় বিবেচনা করা হয়। সভায় পৌর সভার পানির মাননিয়ে একটি তথ্য প্রস্তূত করা রং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : জাপা নেতা ছাত্তার মোড়ল কর্তৃক ব্যবসায়িক চুক্তি ভঙ্গ করে খাতাপত্র আটক রেখে হিসাব না দিয়ে কোটি কোটি অর্থ অবৈধভাবে আত্মসাতের চক্রান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের জি এম শফিউল্যাহ্ বাহার।

মঙ্গলবার (২০ জুন) দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে জি এম শফিউল্যাহ্ বাহার অভিযোগ করে বলেন, আমার পিতা মৃত মো: শমসের আলী গাজী জীবিত থাকা অবস্থায় শমসের আলী বিগত ১৯৯৪ সাল হতে বন্দকাটি গ্রামের মৃত কোরবান আলী মোড়লের পুত্র আঃ ছাত্তার মোড়লের সাথে চিংড়ী/মৎস্য চাষ করতেন। পিতা এবং ছাত্তার মোড়ল যৌথভাবে ৬টি মৎস্য খামার (প্রকল্প) ছিলো। যার মধ্যে বিসমিল্লাহ-০১ প্রকল্পে কাকড়াবুনিয়া মৌজায় আমার পিতার ১২৭ বিঘা জমির মালিকানা রয়েছে। বিসমিল্লাহ-০৩ প্রকল্পের ১ হাজার ৮ বিঘা জমি রয়েছে। সেখানে মোট ১১০৭ অংশের মধ্যে আমার পিতার ৫০০ অংশ এবং ছাত্তার মোড়ল ৫০০ অংশ ও অন্যান্য শেয়ার ১০৭ অংশ। প্রকল্প- ০৪ ঘোলা মৌজায় ২৫৬ বিঘা জমির উপর, সেখানে ১০০ অংশের মধ্যে আমার পিতার ৬০% এবং ছাত্তার মোড়ল ৪০% অংশ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমার পিতা উক্ত ছাত্তার মোড়লকে ভাইয়ের মত শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস করতেন। সে কারণে সরল বিশ্বাসে প্রকল্পগুলোর শুরু থেকেই ব্যবসার সকল হিসাব নিকাশ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ছাত্তার মোড়ল পালন করতেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে উল্লেখিত ৩টি প্রকল্পের সময় লাভের টাকা, তথাকথিত ব্যাংক জমার নামে মজুদ টাকা এবং খাতাপত্র আটক রেখে অংক বদলিয়ে অসাধু উপায়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। এটা নিয়ে আমার পিতা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পিতা গুরুতর অসুস্থ্ থাকা অবস্থায় আমরা চার ভাই জি এম হাবিবুল্যাহ, জি এম শফিউল্যাহ বাহার, জি এম রবিউল্যাহ বাহার ও জি এম সাইফুল্লাহ বাহার ছাত্তার মোড়লের কাছে ব্যবসায়ের সঠিক হিসাব নিকাশ দাবি করলে সে কোন হিসাব বা খাতাপত্র দিবে না বলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে হাকিয়ে দেয়। প্রকল্পের মধ্যে শুধুমাত্র বিসমিল্লাহ প্রকল্প-০৫ প্রকল্পে হতে আমার পিতার অংশীদারিত্ব ফেরত নিয়েছি। এছাড়া অন্য প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার কোন ভাগ না দিয়ে পূর্বের ন্যায় অবৈধভাবে আত্মসাতের গভীর চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।

এঘটনায় উপায়ন্তর হয়ে আমরা শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন ও কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করি। দুই উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্মুখে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে শালিস হয়। সেখানে ছাত্তার মোড়ল স্বীকার করেন যে, আমার কাছে তারা অনেকগুলো টাকা পাবে। ২০১৯ সাল থেকে তাদের প্রতি বছরের টাকা প্রতি বছরেই বুঝিয়ে দেবো। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে তাল বাহানা করে যাচ্ছেন। এদিকে আমার পিতা ২০২১ সালের ১০ জুন আমার পিতা মারা যান। ২৫ বছর একসাথে ব্যবসা পরিচালনা করেছেন অথচ পিতার মৃত্যুর পর ছাতার মোড়ল দেখতেও আসেনি এবং জানাজা নামাজেও অংশ গ্রহণ করেনি।

শালিসের পর থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি নামমাত্র কিছু টাকা আমাদের দিয়েছেন। কোন সঠিক হিসাব আমাদের দেয়নি। এমনকি গত ২০২২ সালের ২০/১২/২২ তারিখের প্রকল্প ০৩ ও ০৪ এর মের থেকে খাতা সরিয়ে নিজের কাছে রেখেছেন ছাত্তার মোড়ল। এছাড়া আমাদের হয়রানি করতে ছাত্তার মোড়ল আমার ছোট ভাই জি এম রবিউল্যাহ’র বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে এবং বিভিন্ন সময়ে বাড়িতে র‍্যাব-পুলিশ পাঠানোর ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

বিগত ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সকল খাতাপত্র হাজির করে সঠিকভাবে হিসাব নিকাশ করে সমুদয় পাওনা টাকা আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest