নিজস্ব প্রতিনিধি:
খুলনা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হয়েছেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান। মঙ্গলবার (১৭ই ডিসেম্বর) রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মঈনুল হক বিপিএম(বার) এর নিকট থেকে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার।
খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে জানা যায়, ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তি, নিয়মিত মামলায় আসামী গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার, গুরত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, চোরাই মালামাল উদ্ধার, ভিকটিম উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণসহ সাতক্ষীরা জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় খুলনা রেঞ্জ কর্তৃক শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসাবে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারকে মনোনীত করা হয়।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান খুলনা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা বাসীর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুলিশ সুপারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ।
রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব মোঃ ইকবাল, নিজামুল হক মোল্যা, নওরোজ হাসান তালুকদার সহ রেঞ্জ কার্যালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, খুলনা রেঞ্জের ১০ টি জেলার পুলিশ সুপার বৃন্দ, পিবিআই, সিআইডি, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং নৌ পুলিশ এর কর্মকর্তাবৃন্দ।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
পশ্চিম বন বিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের অভয়ারণ্য এলাকা থেকে ৯ জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগের বিশেষ টিম।
১৬ জানুয়ারি ভোরে পুষ্পকাটি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণাধীন বড় মানিকচরা ও কেউড়া বুনিয়া খালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আটককৃতরা হলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কালিঞ্চি গ্রামের আব্দুল মজিদ গাজীর ছেলে খলিল গাজী, ফজর আলী গাজীর ছেলে আনারুল ইসলাম, আবু কাওসার গাজীর ছেলে মাহমুদ আলী ও রমজান আলী, আজগর সরদারের ছেলে অলিউল্লাহ সরদার, শামসুর আলী গাজীর ছেলে আবু সাঈদ, মোঃ আব্দুর রহমানের ছেলে আনিসুর রহমান, আব্দুল কাগুজির ছেলে গোলাম কাগুজি ও কালিগঞ্জ উপজেলার চৌবাড়িয়াা গ্রামের ইসহাক আলী মোল্লার ছেলে মজিবর মোল্লা। আটককৃতদের কাছে থাকা তিনটি নৌকা ও বেশ কিছু ফাঁস জাল জব্দ করেছে বনবিভাগ।
এবিষয়ে সহকারী বন সংরক্ষক একে এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, আটককৃত জেলেদের মঙ্গলবার সাতক্ষীরা বনবিভাগের বন আইনে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করে মুক্তি দিয়েছে বলে জানান।
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সরকরি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার নামে প্রতারণা করে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য সাইফুল ইসলামের নামে।
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের মোঃ মোবারক হোসেনের ছেলে ও উত্তর কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য।
অভিযোগ অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত লটারি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে সাতক্ষীরা পৌরসভার ০১নং ওয়ার্ডের উত্তর কাটিয়া এলাকার এ.এস.এম আলমগীর হুসাইন আল-ফারুকী (তোতা) ও আমিনা সুলতানা দম্পতির সন্তান ইমাম হোসেন। ইমাম হোসেনের দাদা হাসানুজ্জামান হাসান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার।
সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তির লটারি প্রক্রিয়ায় ইমাম হোসেনের নাম ভর্তির জন্য নির্ধারিতদের তালিকায় না এলেও অপেক্ষমান তালিকায় পঞ্চম হিসেবে তার নাম আসে। আর এই অপেক্ষমান তালিকায় তার নাম থাকার সুযোগটিই গ্রহণ করে প্রতারক সাইফুল ইসলাম।
ইমাম হোসেনকে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিক্ষকদের খুশি করার নাম করে ইমাম হোসেনের বাবা এ.এস.এম আলমগীর হুসাইনের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক সাইফুল ইসলাম। অথচ কোনরকম টাকা-পঁয়সা ছাড়াই স্বচ্ছ এবং নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অপেক্ষমান তালিকা থেকে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীতে ভর্তির সুযোগ পায় ইমাম হোসেন। এদিকে প্রতারক সাইফুল ইসলামের কাছে সেই ২০হাজার টাকা ফেরত চাইলে তিনি তা ফেরত না দিয়ে বরং তালবাহানা করতে থাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাইফুলের স্থায়ী কোন পেশা না থাকলেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উচ্চমহলে তার যোগাযোগ আছে বলে প্রচার করে সহজ-সরল মানুষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছেন তিনি।
ছেলের ভর্তির নামে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইমাম হোসেনের বাবা এ.এস.এম আলমগীর হুসাইন বলেন, আমার ছেলেকে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের খুশি করার নামে আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে সাইফুল। ওয়েটিং লিস্টে থাকলে টাকা না দিলে ভর্তি করানো যাবে না বলে আমাকে বিভ্রান্ত করে তিনি আমার কাছ থেকে এই টাকা নিয়েছেন। পরবর্তীতে আমার ছেলে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ভর্তির সুযোগ পেলেও সাইফুল সেই টাকা ফেরত না দিয়ে বরং তালবাহানা করছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি ২০হাজার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি ওই ছেলেটাকে ভর্তি করানোর জন্য আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করি। আমাকে অনেক দৌড়ঝাপ ও পরিশ্রম করতে হয়েছে তার পারিশ্রমিক হিসেবে টাকাটা নিয়েছি। স্কুলের শিক্ষকদের খুশি করতে কোন টাকা নেয়নি এবং ভর্তির জন্য শিক্ষকদেরও কোন টাকা দেওয়া লাগেনি। যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই তো ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে তাহলে আপনার টাকা নেওয়াটা কি ঠিক হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এটা যেমন ঠিক, তেমনি আমি ছেলেটাকে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে টাকাটা নিয়েছি শিক্ষকদের দেওয়ার জন্য না।
এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রকৃতপক্ষে ইমাম হোসেন তো এ.এস.এম আলমগীর হুসাইনের ছেলে না। ওনাদের কোন এক আত্মীয়ের ছেলে। ওনারা বরং আমার সাথে বাচ্চাটির পরিচয় গোপন করে প্রতরণা করেছে। পরিচয় গোপন করে ভর্তি করাতে আমার বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করা গেগেছে তার পারিশ্রমিক হিসেবেই আমি টাকাটা নিয়েছি।
নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারী) বিকালে ইউনিয়নের বলাডাঙ্গা গ্রামে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য তুলে ধরে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে জঙ্গি দমন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ প্রতিটি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের জনগণ আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছিল বলেই আজকে স্বপ্নের পদ্মা সেতু, স্বপ্নের মেট্রোরেলসহ দেশের বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে যে নির্বাচন হবে তাতে জয়লাভ করে আওয়ামীলীগ সরকার আবার ক্ষমতায় যেতে পারলে দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো শেষ করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ একটি সম্মানজনক অবস্থায় আছে। সমগ্র বিশ্বে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের একটি রোল মডেল।
আর এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। আর ২০২৪ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা বিজয়ী হতে পারলেই এই উন্নয়নের গতি আরো ত্বরান্বিত হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষির বিকাশসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই রূপকল্পে দেয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করেছেন।
এসময় বিভিন্ন এলাকার মানুষ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ-সম্পাদক শাহ্জাহান আলী, যুগ্ম-সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মণ্ডল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের, সাজু হোসেন, লিটু হোসেন, বাবলু হোসেনসহ স্থানীয় পর্যায়ের সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা।
একরামুজামান জনি : শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার বিকালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা তুজ-জোহরা’র সভাপতিত্বে এ্যাটলেটিক প্রতিযোগিতার বিজয় দের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকার,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনূর ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান, ডিবি ইউনাইটেড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মমিনুর রহমান সহ বিভিন্ন স্কুল,মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।
শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতায় সদর উপজেলা পর্যায়ে ৫২ টি স্কুল ও মাদ্রাসা’র শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাবেক সেনাসদস্যের পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করতে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি ও মারপিটের প্রতিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোত্তালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাশেমপুর গ্রামের মৃত মীর রেজওয়ান আলীর পুত্র মীর ওসমান আলী।
তিনি বলেন, আমি অবসর প্রাপ্ত সেনা সার্জেন। কাশেমপুর মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে ৯৭৮ দাগে মোট ৭৮ শতক, এবং ৯৮১ দাগে ৪৭ শতক সম্পত্তি প্রাপ্ত হই এবং বিল্ডিং বাড়ি নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু চাকুরির সুবাদে দীর্ঘদিন বাইরে থাকার সুযোগে গোপনে আমার ৭৬ শতক সম্পত্তি হতে ৫২ শতক এবং ৪৭ শতক সম্পত্তির মধ্যে ৩১ শতক সম্পত্তি ভ্রমাত্মক রেকর্ড করে নেয় মৃত. জহর আলীর পুত্র মীর বদিউজ্জামান, কন্যা রিজিয়া খাতুন, মৃত মীর সামছুদ্দীনের পুত্র মীর সোহরাব আলী, মীর সাহাবুদ্দিন, কন্যা আমেনা বেগম, সামেনা বেগম। বিষয়টি ২০১৩ সালে অবগত হওয়ার পর আমি সংশোধনের জন্য ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করি। বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে।
তারপরও উল্লেখিত ব্যক্তিদের আচারন সন্দেহজনক হওয়ায় আদালতে ১৪৫ ধারায় আবেদন করি। বিজ্ঞ আদালত শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন। কিন্তু পর সম্পদলোভী উল্লেখিত ব্যক্তিরা মামলা নিস্পত্তি না হওয়ার পূর্বেই ওই সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। এর জের ধরে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।
এছাড়া প্রায়ই ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এমনকি তাদের দেওয়া মিথ্যা মামলায় জেল হাজতও খাটতে হয়েছে। এছাড়া গত ১৫ জানুয়ারী দুপুরে আকস্মিকভাবে মীর বদিউজ্জামানের পুত্র মীর মনিরুজ্জামান আমার পোতা ছেলের ১ বছর বয়সী পোতা তাসকিন হোসেনকে পুকুরে চেলে ফেলে দেয়। তার মা সুরাইয়াকে ইট দিয়ে থেতলিয়ে দেয় মীর শাহাজাহান আলী। আমার পুত্র বধু খায়রুন নাহারকে বেধড়ক মারপিট করে এবং জামাকাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানি ঘটায় মীর জাহাঙ্গীর আলম।
এঘটনায় আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। উল্লেখিত ব্যক্তিরা অত্যান্ত হিং¯্র প্রকৃতির ও প্রভাবশালী হওয়ায় প্রায়ই আমাকে পরিবারসহ খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে। অথচ তাদের কোন বৈধ দলিল নেই এবং বর্তমান সন পযন্ত খাজনাদি পরিশোধও আমি করেছি। শুধুমাত্র ওই ভ্রমাত্মক রেকর্ডের বুনিয়াদে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অবৈধভাবে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের জন্য নানান চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ওই পর সম্পদলোভী ব্যক্তিদের হাত থেকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষা,নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সকল মিথ্যা মামলার দায় হতে অব্যাহতির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলাদেশে মানব পাচার প্রতিরোধে পাচার বিরোধী একটি সমন্বিত কর্মসূচি প্রকল্পের আলোকে মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভার ০১ নং ওয়ার্র্ড, গদাইবিল মিকাইল ইসলাম এর বাড়িতে উঠান বৈঠক আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন ১,২,৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরজাহান বেগম(নুরি)।
সমগ্র উঠান বৈঠকটি সুন্দরভাবে সঞ্চলনা করেন রাইটস যশোর, আইওএম প্রজেক্ট, সাতক্ষীরা এর প্রোগ্রাম অফিসার, ইমরুল শাহেদ।
রাইটস যশোর (মানবাধিকার সংগঠন) এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর কারিগরি সহযোগিতায় মাঠ পর্যায়ে সামগ্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়। উঠান বৈঠকে তিন(৩) শ্রেণীর মানুষের সমাবেশ ছিল। তার মধ্যে প্রায় ২০-২৫ জন ছিল বিদেশ থেকে পাচারের শিকার হয়ে ফেরত আসা বাংলাদেশী মানুষ, তার পরিবার এবং সম্ভাব্য বিদেশ গমন নারী জনগোষ্ঠী।
উঠান বৈঠকে বিশেষভাবে মানব পাচার, চোরাচালান, নিরাপদ অভিবাসন, নিরাপদ অভিবাসনের ধাপসমূহ ও মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শনী করা হয়। প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার শামীম রেজা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…