সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে বিসিবি একাদশ এবং ইংল্যান্ডের দুই দিনের ম্যাচের প্রথম দিন।
টানা বৃষ্টির কারণে খেলার অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে পুরনো এই মাঠটি। আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামে ‘রকেট বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ক্রিকেট’র টেস্ট সিরিজ শুরু’র আগে চট্টগ্রামেই দুটি দু’দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে দুই দল। সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের এম.এ আজিজ স্টেডিয়ামে শুরু হওয়ার কথা ছিলো প্রথম দু’দিনের ম্যাচ।
ইংলিশদের প্রতিপক্ষ বিসিবি একাদশ দলে ছিলেন অলরাউন্ডার সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার, শাহরিয়ার নাফীস, রুবেল হোসেন, শুভাগত হোমের মতো অভিজ্ঞদের পাশপাশি মোসাদ্দেক, শান্ত, নুরুল হাসান, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও এবাদতের মতো তরুণরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ybuw37vqltt0অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ২৬টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সই শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব আরো সামনে এগিয়ে যাবে।
ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার ২৬টি চুক্তি আমরা সাক্ষর করেছি। উচ্চ পর্যায়ের অনেকগুলো বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার কথা আলোচনা করেছি আমরা।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের কথা টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন ছিলো বঙ্গবন্ধুর সেই পথে আমরা অনেকটাই এগিয়েছি। সেই স্বপ্ন পূরণেও বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব সহায়ক হবে। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হবো আর ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশ। সেসব স্বপ্ন পূরণের দিকেও এগিয়ে যাবো আমরা।
শুক্রবার বিকাল তিনটায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি প্রথমে একান্ত বৈঠক ও পরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেন। বৈঠক শেষে দু’দেশের মধ্যে প্রায় ২৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষর হয়।
বিকালে হোটেল লা মেরিডিয়ানে জাতীয় সংসদের স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং পরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সাক্ষাত করবেন চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। সন্ধ্যা ছয়টায় তিনি যাবেন বঙ্গভবনে। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠকের পর যোগ দেবেন রাষ্ট্রীয় ভোজসভায়।
শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে যাবেন সাভারে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। সকাল দশটায় বিশেষ বিমানযোগে ভারতের গোয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন চীনা প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বিদায় জানাবেন।
শি জিনপিং এর সফরে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, নিরাপত্তা কর্মী, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকসহ প্রায় দু’শ সফরসঙ্গী রয়েছেন।
শুক্রবার সকাল ১১টা ৩৬ মিনিটে নমপেন থেকে বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটযোগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান ও এশিয়ার শীর্ষ অর্থনৈতিক শক্তি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছলে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।
প্রায় ২২ ঘণ্টার সফরে ঢাকা এসে পৌঁছালে বিমানবন্দরে ২১ বার তোপধ্বনি, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, সালাম গ্রহণ, গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
গত তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসলেন চীনের কোনো রাষ্ট্র প্রধান। বৈশ্বিক অর্থনীতির মোড়ল এ দেশটির শীর্ষ নেতার সফর তাই বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশের কাছে। চীনের পক্ষ থেকেও সফরকে দেখা হচ্ছে ‘মাইলফলক’ হিসেবে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এর আগমন উপলক্ষে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ngfjw264zuprডেস্ক রিপোর্ট: ঐতিহাসিক সফরে আজ সকালে ঢাকা পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শুক্রবার সকাল ১১টা ৩৬ মিনিটে নমপেন থেকে বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটযোগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। ত্রিশ বছর পর প্রথম কোনো চীনা রাষ্ট্রপ্রধানের এটাই প্রথম ঢাকা সফর।
বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান ও এশিয়ার শীর্ষ অর্থনৈতিক শক্তি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছলে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।
প্রায় ২২ ঘণ্টার সফরে ঢাকা এসে পৌঁছালে বিমানবন্দরে ২১ বার তোপধ্বনি, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, সালাম গ্রহণ, গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। বিমান বন্দর থেকে চীনের প্রেসিডেন্ট যাবেন হোটেল লা মেরিডিয়ান-এ। বিকাল তিনটায় যাবেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রেসিডেন্ট শি প্রথমে একান্ত বৈঠক ও পরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন। এরপর দু’দেশের মধ্যে প্রায় ২৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষর হবে।
বিকালে হোটেলে জাতীয় সংসদের স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং পরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সাক্ষাত করবেন। সন্ধ্যা ছয়টায় তিনি যাবেন বঙ্গভবনে। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠকের পর রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় যোগ দেবেন।
শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে যাবেন সাভারে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। সকাল দশটায় বিশেষ বিমানযোগে ভারতের গোয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বিদায় জানাবেন।
শি জিনপিং এর সফরে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা, নিরাপত্তা কর্মী, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকসহ প্রায় দু’শ সফরসঙ্গী থাকছেন।
গত তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসলেন চীনের কোনো রাষ্ট্র প্রধান। বৈশ্বিক অর্থনীতির মোড়ল এ দেশটির শীর্ষ নেতার সফর তাই বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশের কাছে। চীনের পক্ষ থেকেও সফরকে দেখা হচ্ছে ‘মাইলফলক’ হিসেবে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এর আগমন উপলক্ষে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান: জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৪ জন, কলারোয়া থানা থেকে ০৬ জন, তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৮ জন, আশাশুনি থানা ০২ জন, দেবহাটা থানা ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০১ জনকে আটক করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান: তালায় বিষপান করে গৃহবধূ ময়না বেগম (২৬) ও তার ৩ বছর বয়সী শিশু পুত্র হাসানুর রহমানের মৃত্যু হয়েেেছ। নিহতরা হল, তালা উপজেলার মুড়াগাছা গ্রামের শহিদুল মোড়লের স্ত্রী ও শিশু পুত্র। শুক্রবার ভোর রাতে এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে শহিদুল মোড়ল তার শশুরবাড়ী তালা উপজেলার বালিয়া গ্রামে অবস্থান করছিলো। রাতে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে গৃহবধূ ময়না বেগম স্বামীর উপর অভিমান করে বিষপান করেন। এর কিছুক্ষণ পর তার ৩ বছর বয়সী অবুঝ শিশু সন্তান হাসানুর রহমান তার মায়ের ওই বিষপায়িত দুগ্ধপান করে। এরপর একে একে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে মা ও শিশু পুত্র হাসানুর রহমান। যদিও শিুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পূর্বে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ছগির মিঞা এ ঘটানার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার ভোর রাত তিনটার দিকে এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মা ও ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sabbirস্পোর্টস ডেস্ক: টাইগারদের বিপক্ষে দু’টেস্ট সিরিজের আগে দু’টি দু’দিনের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলবে সফরকারী ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একাদশকে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দল এখনো ঘোষণা করেনি বিসিবি। তাই ইংল্যান্ডের সাথে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন সাব্বির, সৌম্য ও নাফীস। কারণ ইংল্যান্ডের সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের হয়ে খেলবেন সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার ও শাহরিয়ার নাফীস। ভালো পারফরমেন্স করলে, নির্বাচকদের চোখে পড়বেন তারা।
বাংলাদেশের হয়ে ২৯টি ওয়ানডে ও ২৬টি টুয়েন্টি টুয়েন্টি খেললেও, এখনও টেস্ট খেলেননি সাব্বির। তাই সাব্বিরের লক্ষ্য থাকবে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে ভালো পারফরমেন্স করে প্রথমবারের মত টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়া। এদিকে ২০১৫ সালে সর্বশেষ বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন সৌম্য। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২টি ও ভারতের সাথে একটি টেস্ট খেলেন তিনি। কিন্তু নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি সৌম্য। ৫ ইনিংসে ১০৭ রান করেন তিনি। বাজে ফর্মের জন্য তাকে দলের বাইরে চলে যেতে হয়। তাই আবারো টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়ায় আশায় আছেন তিনি।
টেস্ট স্কোয়াডে ফেরার স্বপ্ন রয়েছে বাংলাদেশের আরেক প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান নাফীসেরও। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেন ৩১ বছর বয়সী নাফিস। এক সময় বাংলাদেশের টেস্টে দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। ২৪ টেস্টে ১টি সেঞ্চুরি ও ৭টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ১২৬৭ রান করেছেন এ ক্রিকেটার। বিসিবি একাদশের স্কোয়াড : সাব্বির রহমান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, শাহরিয়ার নাফীস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, শুভাগত হোম, নুরুল হাসান, রুবেল হোসেন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আবু জায়েদ রাহি, এবাদত হোসেন ও সাদমান ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1476359140ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের মহান ৭১’এর স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন সাহিত্যে নোবেলজয়ী সংগীত কিংবদন্তি বব ডিলান। যুক্তরাষ্ট্র সেই সময় পাকিস্তানের নারকীয় গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিলেও ব্যক্তি ডিলান রুখে দাঁড়িয়েছিলেন নিজ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে কণ্ঠে তুলে নিয়েছিলেন গানের অস্ত্র। ডিলান তাই বাংলাদেশের বন্ধু। সেই জন্মকালের স্বজন।
এই দেশের জন্ম আর বব ডিলানের আত্মা বাঁধা পড়েছে ঐতিহাসিকতার সুতোয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ডিলান।
১৯৪১ সালে জন্ম নেওয়া বব ডিলান জীবন্ত কিংবদন্তি।  ১৯৫৯ সালে মিনেসোটার এক কফি হাউজ থেকে সূচনা।  কণ্ঠে তুলে নেওয়া গানকে কখনও অভিমানের, কখনওবা আবার প্রতিরোধের অস্ত্র বানিয়ে ষাটের দশকে তিনি হয়ে ওঠেন যুদ্ধ বিরোধিতার অনন্য প্রতীক। নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রেরণাদায়ী গণসঙ্গীতে রূপান্তরিত হয়েছিল ডিলানের গান।
মার্কিন সমাজের অভ্যন্তরে জারি থাকা অন্যায্যতাগুলো উঠে আসে তার কথা-সুর-কণ্ঠে। চলমান ইতিহাসে নিজের সংগীতের দর্শনকে থিতু করেছিলেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির মিছিলেও একদিন হেঁটেছিলেন। নোবেল জয়ের পর বাংলাদেশের দৃশ্যপটে ডিলান সেই একাত্তরের স্মৃতিকেই সামনে নিয়ে আসেন। মনে করিয়ে দেন ম্যাডিসন স্কয়ারের ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর কথা।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের পক্ষে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত হয় ওই কনসার্ট। যাতে জর্জ হ্যারিসন, রিংগো স্টার, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্যাটারসন, রবিশঙ্করের সঙ্গে ছিলেন ডিলানও।  গেয়েছিলেন ‘আ হার্ড রেইনস আ-গনা ফল’, ‘ব্লোইং ইন দ্য উইন্ড’, ‘জাস্ট লাইক আ ওমেন’সহ কয়েকটি গান।

মানবাত্মার বিজয়ধ্বনিই যেন সংগীত হয়ে উঠেছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নামের ওই আয়োজনে। পরবর্তীতে এমন আরও অনেক মানবিক আয়োজনের প্রেরণা হয়েছিল ওই কনসার্ট।
পাকিস্তানি বর্বরতা থেকে মুক্তিপ্রত্যাশী এই ভূখন্ডের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে কনসার্টটির প্রভাব ছিলো অপরিসীম। বাংলাদেশের অস্তিত্ব আর পাকিস্তানি গণহত্যার প্রসঙ্গ আন্তর্জাতিক দুনিয়ার নজরে আনতে সমর্থ হয়েছিল কনসার্টটি। এর আয়োজক হিসেবে  রবি শঙ্কর পরে বলেছিলেন,  ‘এক অসাধারণ আয়োজন ছিল ওই কনসার্টটি। এক দিনের মধ্যেই, গোটা বিশ্ব বাংলাদেশের নাম জেনেছিলো।’
২০০৫ সালে দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ- এর ডিভিডি-সংক্রান্ত এক প্রকাশনায় ইউএসএ ফান্ড ফর ইউনিসেফের সভাপতি চার্লস জে. লিওনস জানান, কনসার্টের টিকিট থেকে প্রায় আড়াই লাখ ডলার সংগ্রহ হয়েছিল তখন।
মানুষের জন্য গান করেছেন ডিলান। লোকসম্পদে খুঁজেছেন সংগীতের মুক্তির বারতা। আর নাগরিক অধিকার এবং যুদ্ধবিরোধিতায় তিনি গড়তে চেয়েছেন ন্যায় আর শান্তির এক বিশ্ব। সুরের কোনও সীমানা থাকে না। ডিলানের সুর জাতিরাষ্ট্রের কাঁটাতারকে উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে থাকে মানুষের মুক্তির বারতা হয়ে। তার গান মুক্তিরই আরেক নাম। তাই তো দেশ পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তির মিছিলও সঙ্গী করতে পারে ডিলানের সুরধারাকে।
ষাটের দশকে ঝড় তোলা ডিলান গেয়েছিলেন, ‘How many roads must a man walk down, Before you call him a man?’ সত্যিকারের মানবীয় পৃথিবীর কল্পনা থেকে আমাদের বাস্তব পৃথিবীর দূরত্ব সেই প্রশ্নটি বারবার সামনে নিয়ে আসে।
ডিলান ও তার গান মানুষ হওয়ার অমসৃণ যাত্রাপথে আমাদের জীবনের প্রেরণা হয়ে থাকে।
সূত্র: দ্য ডন অব ইন্ডিয়ান মিউজিক ইন দ্য ওয়েস্ট নামের বইতে লেখা রবি শঙ্করের প্রবন্ধ ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’, দ্য বাংলাদেশ রিডার: হিস্টরি কালচার অ্যান্ড পলিটিক্স, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7909586dc9b538e5a63551032babd872-57ff731b506e9ডেস্ক রিপোর্ট: পুলিশের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) অভিযোগ করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবরে।  অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, এ ব্যাপারে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অস্ত্রধারী দু’টি দলের মধ্যে বড় ধরনের দুর্ঘটনা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া পুলিশ বাহিনী তথা সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হতে পারে।

সিনিয়র সচিব বরাবরে দেওয়া চিঠিতে র‌্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ উল্লেখ করেন, ‘র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বাংলাদেশ পুলিশের একটি স্বতন্ত্র বিশেষায়িত এলিট ফোর্স। বাংলাদেশের সাতটি নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী (সশস্ত্র বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার বাহিনী ও কোস্টগার্ড) থেকে আগত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র‌্যাব জঙ্গিবাদ দমন, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার, অবৈধ মাদক উদ্ধারসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সমগ্র বাংলাদেশের র‌্যাব ক্যাম্প থেকে প্রতিনিয়ত র‌্যাবের অসংখ্য আভিযানিক ও গোয়েন্দা দল এবং সরকারি কাজে নিয়োজিত প্রশাসনিক দল প্রয়োজনবোধে ইউনিফর্ম বা সাদা পোশাকে সশস্ত্র বা নিরস্ত্র অবস্থায় সরকারি যানবাহনে অভিযান চালায়। একইসঙ্গে সরকারি কাজেও যাতায়াত করে থাকে। সম্প্রতি এ সব অভিযান বা সরকারি কার্যক্রম পরিচালনাকালে র‌্যাবের আভিযানিক ও গোয়েন্দা দলের সদস্যরা পুলিশ বাহিনীর কতিপয় পুলিশ সদস্য কর্তৃক র‌্যাবের পরিচয় দেওয়ার পরেও র‌্যাব সদস্যদের সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণাত্মক কথা বলে, বিভিন্ন বাহিনী সম্পর্কে কটূক্তিপূর্ণ মন্তব্যসহ শারীরিকভাবে হেনস্থা করে। কিছু ক্ষেত্রে র‌্যাবের সদস্যদের লাঠি এমনকি রাইফেল দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করার ঘটনাও ঘটেছে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘বর্ণিত ঘটনাগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, অধিকাংশ সময়েই এ সব ঘটনায় র‌্যাবের পরিচয় পাওয়ার পরেও পুলিশ সদস্যরা র‌্যাব সদস্যদের ওপর চড়াও হচ্ছে। প্রায় সব ক্ষেত্রেই র‌্যাব সদস্যরা আক্রান্ত হলেও অত্যন্ত ধৈর্য, পেশাদারী মনোভাব ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে নিষ্ক্রিয় থেকে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছে বিধায় বড় ধরনের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এ সব ঘটনায় জড়িত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পত্রালাপ করা হলেও কোনও প্রকার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়নি। অথবা কার্যক্রম সম্পর্কে র‌্যাবকে অবগত করা হয়নি বিধায় দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, এমন বিরূপ ধারণা র‌্যাব সদস্যদের মনে সৃষ্টি হচ্ছে। যা তাদের মনোবল বা আভিযানিক কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। র‌্যাব সদস্যদের মনে ক্ষতের সৃষ্টি করছে। ফলে পরবর্তী সময়ে অস্ত্রধারী দু’দলের মধ্যে এরূপ ঘটনা ঘটলে যেকোনও সময়ে তা বড় আকারের দুর্ঘটনার সৃষ্টি করতে পারে যা পুলিশ বাহিনী তথা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সময়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও পরিস্থিতি এড়ানোর লক্ষ্যে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যদের প্রয়োজনীয় প্রেষণা দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা  নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।’ চিঠির সঙ্গে অভিযোগ সংক্রান্ত একটি বিবরণও দেন র‌্যাবের ডিজি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে একটি মোবাইল অ্যাপস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি র‌্যাবের ডিজি। তাছাড়া আইজিপিকে বাদ দিয়ে তিনি এমন অভিযোগ করতেও পারেন না। কোনও অভিযোগ করতে চাইলে তা আইজিপি বরাবরই করতে হবে। তবে র‌্যাবের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest