সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগ

dsc02086নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরাবাসীকে বিনোদন দিতে ব্যাপক আয়োজন ও নিরাপত্তার মধ্যে শুভ উদ্বোধন হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উন্নয়নকল্পে গ্রামীণ হস্তশিল্প ও ঈদ আনন্দ মেলা ২০১৬। ৯টি বিশেষ শর্তে জেলা প্রশাসন মাস ব্যাপী এই মেলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে।
গতকাল  বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা ইউনিট কমান্ডের আয়োজনে ও সবুজ বাংলা ট্রেড ফেয়ার অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা ইউনিট কমান্ডার মো. মোশারফ হোসেন (মশু)’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে, বেলুন ও ফেস্টুন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে উদ্বোধন করেন সদর -২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোহাম্মাদ মহিউদ্দিন, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সহকারি পুলিশ সুপার হেটকোয়ার্ডার মোস্তফা খসরু, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারী শেখ নুরুল হক, জেলা ডেপুটি কমান্ডার আবু বক্কর সিদ্দীক, সদর উপজেলা কমান্ডার মো. হাসানুল ইসলাম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফিরোজ হোসেন মোল্যা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ ও সবুজ বাংলা ট্রেড ফেয়ার অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান সোহেল প্রমুখ। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক মেলাটি সুষ্ঠভাবে পরিচালনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা রয়েছে। মেলার ভিতরে ও বাইরে ২৫ টি অত্যাধুনিক সিটি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া এলিট ফোর্স, বিএনসিসি এবং প্রশাসনিক নজরদারিতে থাকবে এ মেলাটি। সবুজ বাংলা ট্রেড ফেয়ার অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান সোহেল বলেন, সাতক্ষীরাবাসীকে বিনোদন দিতে এখানে  থাকছে নাগর দোলা, দরিমন, রেল গাড়ী, মটরসাইকেল গেম ও সাকার্স।  এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী নিয়ে এ মেলায় থাকছে দেশী বিদেশী স্টল, প্যাভিলন, জামদানি ও কুঠির শিল্প। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংস্কৃতিক শামীমা পারভীন রতœা।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই মেলা পরিচালনার জন্য কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। গত ১০.০৯.২০১৬ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তৎকালীন নেজারত ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নূর আহমেদ মাছুম স্বাক্ষরিত ০৫.৪৪.৮৭০০.০০০৫.৩৩.০১৯.১৬ – ৮৪৩ স্মারকে দেয়া শর্তগুলো হলো: ১. মেলা চলাকালে কোনো প্রকার জুয়া, হাউজি, অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন বা আপতিকর পাশাক পরিধান করা যাবে না । ২. আয়োজকদের পক্ষ হতে শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর মাধ্যমে (স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর নির্দিষ্ট পোশাক ও ব্যাজ থাকতে হবে) আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে এরূপ কোন  কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে না। অশ্লীল ও জনমতে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে এরূপ নৃত্য পরিবেশন/ কার্যকলাপ হতে বিরত থাকতে হবে। এর কোনো প্রকার ব্যত্যয় ঘটলে তার সকল দায় দায়িত্ব আয়োজকদের বহন করতে হবে এবং তাৎক্ষণিক মেলা প্রদর্শনী বন্ধ করে দেয়া হবে। ৩. কোনো প্রকার মাদকদ্রব্য গ্রহণ, পান, সেবন, বিক্রি বা সরবরাহ করা যাবে না। কেউ এরূপ অবৈধ কার্যকলাপে লিপ্ত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহণ করা যাবে। ৪. কোনো প্রকার জুয়া, হাউজি, লটারি ভিডিও। ভিসিপি প্রদর্শনী, পুতুলনাচ ইত্যাদির আয়োজন করা যাবে না। এরূপ অবৈধ কার্যকলাপে লিপ্ত হলে আয়োজকদের আইনগত ব্যবহা গ্রহণ করাসহ তাৎক্ষণিক মেলা বন্ধ করে দেয়া হবে। ৫. অধিক রাত্রি পর্যন্ত  মেলা পরিচালনা করা যাবে না সীমিত অ সহনীয় শব্দে মাইক ও বাজনা বাজাতে হবে, যাতে পার্শ্ববর্তী কারোর কোনো প্রকার কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়। আযান ও নামাজের  সময় অবশ্যই মাইক ও বাজনা বন্ধ রাখতে হবে। ৬. নগ্ন নৃত্য বা অশ্লীল কোনো কার্যক্রম অথবা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এরূপ কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে না। এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকতে হবে। ৭. মেলাকে কেন্দ্র করে স্হানীয় জনমনে যাতে কোনো প্রকার বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি না হয় সেদিকে আয়োজকদের সতর্ক দৃষ্টি রেখে যথাযথভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে হবে। ৮. অনুষ্ঠান শেষে অনুমোদিত সংস্থা কর্তৃক আয় হিসাব নিরীক্ষণপূর্বক যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। ৯. কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে অনুমতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ যে কোনো কারণে যে কোনো সময় মেলা বন্ধ করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

badshah-01নিজস্ব প্রতিবেদক: নাম বাদশা মিয়া। সাতক্ষীরার পাইলস ডাক্তার নুরুল ইসলামের ছেলে তিনি। সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন তার মা এই পরিচয় দিয়ে এক সময় প্রতারণা করতেন তিনি। পুলিশে চাকুরি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলির নামে টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। এই ভুয়া পরিচয় দিয়ে জেলে আটকাও পড়েছিলেন। একবার পুলিশের পিটুনি, আরেকবার গণপিটুনি খেয়েছিলেন তিনি। পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয় তাকে নিয়ে। সেই বাদশা মিয়া গতকাল ডিবি পুলিশের হাতে ধরা খেয়ে পরে মুক্তি পেয়েছেন। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে যার নং-৭৩।
এই প্রতারক এবার নিজেকে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির পরিচয় দেন। আরও বলেন তিনি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি। যদিও এ দুটির কোনটিই আওয়ামীলীগের স্বীকৃত সহযোগী সংগঠন নয়।
সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক আলি আহমেদ হাশেমী জানান, গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মাদক চোরাকারবারী ধরতে তাদের অভিযান চলছিল। শহরের পলাশপোল এলাকায় আদালতপাড়ার পেছনের দিকে এ অভিযান চলাকালে বাধা হয়ে দাঁড়ান বাদশা মিয়া। প্রথমে তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের বড় নেতা বলে পরিচয় দেন। বলেন দলের শীর্ষ পর্যায়ে তার ভাল যোগাযোগ রয়েছে। তার দাবি এদের কাউকে গ্রেফতারের চেষ্টা করবেন না। তাছাড়া এখানে মাদক কেনাবেচা বা মাদক ব্যবহার হয় না। এরা সবাই তো আমার লোক, আমার দলের লোক। এদের ধরে আটকে রাখতেও পারবেন না। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তা এসআই লুৎফর রহমান ও তার সহযোগীরা তাকে বারবার বলেন আপনি সরকারি কাজে বাধা দেবেন না। আমাদের দায়িত্ব পালন করতে দিন। সাহায্য করুন। বাদশা উল্টো অভদ্র ভাষায় তাদের গালিগালাজ করেন। পুলিশ, থানা, ওসি, ডিবি সবাইকে নানান অপ্রীতিকর ভাষায় আক্রমন করে বলেন ‘ওরা আমার কি করতে পারে। আমার কথা না মানলে আমিও দেখে নেবো’ এসময় তাদের সাথে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক মো. নাসিরউদ্দিন ছিলেন বলে জানান তিনি। ডিবি পরিদর্শক জানান, বাদশাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয় ডিবিতে। এরপর তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার ও ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবো না বলে মুচলেকা দেন। সন্ধ্যায় তার বাবা নুরুল ইসলামের জিম্মায় দেওয়া হয় বাদশা মিয়াকে। পরে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ডিবি কর্মকর্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে মাসব্যাপী গ্রামীণ হস্তশিল্প ও ঈদ আনন্দ মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় সরকারি কলেজ মাঠে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলা উদ্বোধনের পর থেকে বাজানো হয় বিভিন্ন গান ও ঢোল তবলা। এসব বাজিয়ে মেলায় দর্শকদের আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
কিন্তু মাইকের তীব্র আওয়াজের মধ্যেই গতকাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হয়েছে হাজার খানেক পরীক্ষার্থীকেÑ এমন অভিযোগ করেছেন একাধিক পরীক্ষার্থী।
পরীক্ষার কেন্দ্র সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে দুপুর দেড়টা থেকে পরীক্ষা শুরু হলেও বন্ধ করা হয়নি মেলার মাইক বাজানো। এতে করে ভীষণ বিরক্ত বোধ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। অসুবিধায় পড়তে হয়েছে তাদের। এনিয়ে পরীক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গতকাল প্রায় ১ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এ ধরনের মাইক বাজানো কতটা যুক্তিযুক্ত এটাই প্রশ্ন তাদের। এব্যাপারে মেলার চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান সোহেলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ০১৬১১ ৩১৭৭৪৫ নম্বর মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ দাবি করেন, আমরা মেলা কর্তৃপক্ষকে বলেছিলাম যেন পরীক্ষা চলাকালে মাইক না বাজে। সে কারণে তারা পরীক্ষার সময় মাইক বন্ধ রেখেছিলো। এছাড়া তাদেরকে মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বের দিকে যেতে নির্দেশ দিয়েছিলাম।
একাধিক পরীক্ষার্থী অবশ্য ফোনে আমাদেরকে জানিয়েছেন পরীক্ষা চলাকলীন মাইক বেজেছে যথারীতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নাজমুল হক, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটার সেনপুর বাজারে বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকাবাসী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তালা উপজেলার সেনপুর বাজারটি এখন বেশ জমজমাট হয়েছে। এখানে অল্প দিনের মধ্যেই প্রায় শতাধিক দোকানপাঠ গড়ে উঠেছে। কিছু দিন আগে এতাদাঞ্চলের সর্ববৃহৎ গরুহাট স্থাপন হওয়ায় দুর-দুরান্ত থেকে হাজারো ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম ঘটে বাজারটিতে। সকাল থেকে অধিক রাত পর্যন্ত বাজারের লোকারণ্যে কেনা বেচা চলতে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় বাজারটিতে কোন বিদ্যুৎ এর সুবিধা না থাকায় নিরাপত্তহীনতায় ভুগছে এখানকার ক্রেতা বিক্রেতারা। জীবন রক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ ফ্রিজ না থাকায় রাখতে পারছে না ফার্মেসীগুলো। বাজারের বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী বাবলুর রহমান, শিক্ষক মিজানুর রহমান ও স্থানীয় বাসিন্দা সাইকুল ইসলাম জানান, বাজারটিতে অনেকেই মিল কলকারখানা তৈরীর উদ্দ্যোগ নিয়েও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে উদ্দ্যোক্তারা পিছিয়ে যাচ্ছেন। বাজারটিতে দ্রুত বিদ্যুৎ সুবিধা পাইবার জন্য জোরদাবী জানান স্থানীয়রা। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন সম্পর্কে বাজারটির এ বেহালদশার বিষয়ে সাতক্ষীরা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- বাজার কমিটির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আমার কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। আগামী জুন-২০১৮ এর মধ্যে প্রধান মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তালা উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে দ্রুত বাজারটিতে বিদ্যুৎ সেবা পেতে হলে আনুমানিক ৪/৫ লক্ষ টাকা খরচ করলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

14642791_1154179151337648_191483597_nআইরিন অন্না, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে: ‘আজকে ক্যাম্পাস ছুটি হয়ে গেছে। মাকে ফোন করে বলার কথা ছিল- মা সাড়ে এগারোটায় বাস। আমি আসছি। এর বদলে আজকে মাকে ফোন দিয়ে আমার ক্যান্সার হওয়ার খবরটা দিলাম। হায় জীবন!” — ৬ তারিখ এটা ছিল অর্কর ফেসবুক স্ট্যাটাস। বিধবা মাকে এতদিন খবরটা দেয়ার সাহস পাননি তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (৪৪ তম আবর্তন) দ্বিতীয় বর্ষের ফার্মেসি বিভাগের ছাত্র সেন্টু রঞ্জন দাশ অর্ক সুনামগঞ্জের সাদামাটা ঘরের ছেলে। বাবা মারা গেছে কয়েক বছর আগে। নিজের পড়ালেখার খরচ নিজে চালান, পারলে মাকেও সাহায্য করেন সংসার চালাতো।

ছেলেটার যখন ক্যাম্পাসে গিয়ে ক্লাস করার কথা, মন দিয়ে লেকচার শোনার কথা, বটতলায় বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে আড্ডা দিতে দিতে টাকি মাছের ভর্তা আর কাচামরিচ ডলে ভাত খাবার কথা, ঠিক সে সময় ছেলেটা শুয়ে আছে হাসপাতালে। তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি ক্যান্সার (Lymphocyte Rich Classical Hodgkin Lymphoma)। অসুখ এখন প্রোগ্রেসিভ লেভেলে আছে তাই চিকিৎসা শুরু করতে হবে দ্রুতই।
উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিতে হবে, দরকার পড়বে প্রায় ৩৫ লাখ। অর্ক এই ভয়েই মাকে এতোদিন ফোন করেনি, জানায়নি তার অসুখের কথা। কারণ এ টাকা জোগাড় করে চিকিৎসা করানো তার পক্ষে সম্ভব না।
কিন্তু আমরা সবাইতো আছি, একটু হলেও ওকে সাহায্যতো করতে পারি। ছেলেটা ভালো হয়ে উঠুক সুস্থ্য হয়ে পড়াশোনা শেষ করে সংসারের বড় ছেলে হিসেবে সংসারের হাল ধরুক, এটা সম্ভব হবে যদি আমরা অর্কর পাশে একটু দাঁড়াই। যে যেভাবে পারেন সেভাবেই যদি একটু সাহায্যের হাত বাড়ান, তাহলে ছেলেটা বেঁচে যাবে। কিছু না পারলে অন্তত অর্কর খবরটা শেয়ার করুন।
আমরা কি তার জন্য এটুকু করতে পারি না?

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
বিকাশ নম্বর:
১. ০১৯২১৭২৯৩৯৯ (পার্সোনাল)

২. ০১৭২২৮৯৯৭১৫ (পার্সোনাল)

৩. ০১৯২৮৪০১২৬০ (পার্সোনাল)

ডাচ বাংলা মোবাইল একাউন্ট নং: ০১৭৭৫১৩১১৩১১

ব্যাংক একাউন্ট: নাম MD. Abdul Jalil
হিসাব নয়: ১৮৬.১০৫.৯২৩৬ (ডাচ বাংলা ব্যাংক)

যে কোন প্রয়োজনে:

* নাজমুল- ০১৯২৬৩৭৪৭১৮

* তানজিল- ০১৭২২৮৯৯৭১৫

* আব্দুল জলিল- ০১৯২৯৬৭৬৯৮৯

* শাহরিয়ার তন্ময়-০১৯৬২৫৫৮৭৫৫

* হৃদয় কুমার দে- ০১৭৭১৮৯৩৮৭৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8
কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করছে একটি প্রভাবশালী মহল। প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে ড্রেজার বসিয়ে কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো এলাকায় প্রতিদিন অবৈধভাবে এ বালু উত্তোলনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে এস এলাকায় ভূ-তাত্ত্বিক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে এ স্থানীয় এলাকাবাসী।  গতকাল সরজমিনে কলারোয়ার দেয়াড়া ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নদের কয়েকটি স্থানে স্থানীয় প্রভাবশালীরা প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে রমরমা বালুর তুলে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো এলাকার আইনুদ্দীন গাজীর ছেলে স্থানীয় প্রভাবশালী গাজী ব্রিকসের মালিক আমানুল গাজী (৪০) এবং লিয়াকত আলী গাজীর ছেলে কালাম (৩৮) নামের দুই বালু ব্যবসায়ী কোন অনুমতি ছাড়াই প্রতিদিন অবৈধ ভাবে কয়েক লাখ টাকার বালু উত্তোলন করছে। তারা আরো জানান, উত্তোলনকৃত বালু ভ্যান, ট্রলি এবং ট্রাকের মাধ্যমে বহন করে সরাসরি আমানুলের ইট ভাটায় ইট তৈরির কাজে ব্যবহার করছে। এছাড়া তারা বালু উত্তেলন করে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে বলে জানান। এলাকাবাসী আরো জানান, বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিনটি স্থানীয় প্রভাবশালী কালামের। তারা দুই জনে পার্টনার হিসেবে এ বালুর ব্যবসা করছে। আর কিছু দিনের মধ্যে ইট ভাটার কাজ শুরু হবে সে জন্য তারা দেয়াড়া এলাকা দিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদের বিভিন্ন স্থান থেকে দিনভর বালু উত্তোলন করে মজুদ করে রাখছে। এলাকাবাসী আরো জানান, এ বিষয় নিয়ে একাধিকবার জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও আজও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এছাড়া বালু উত্তোলনকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে পারেনা। এ বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। এ ছাড়া সেখানে বালু উত্তোলনের জন্য প্রশাসনের নিকট থেকে কাউকে কোন অনুমোতি দেয় হয়নি। তবে তিনি বিষয়টি খোজ নিয়ে নিবেন বলেন জানান এবং সেখানে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন কাজ করা হলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনিতে জাতীয় শ্রমিকলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।  আশাশুনি উপজেলা শ্রমিকলীগের উদ্যোগে বুধবার ভ্যান চালক সমবায় সমিতি কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, জন্মদিনের কেক কাটা, র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি প্রভাষক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায়  বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হুমায়ুন কবির সুমন, শ্রমিকলীগ সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম নবি, মহিলা সম্পাদিকা সীমা পারভিন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ ব্যুরো:কালিগঞ্জের তারালী ইউনিয়নের মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেছেন সুব্রত কুমার বৈদ্য। গত ১০ অক্টোবর তিনি বিশ্ব নন্দিত ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি। সূত্র জানায়, সুব্রত কুমার বৈদ্য উপজেলার নেংগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ০৭/০৫/২০০২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান) হিসেবে দক্ষতার সাথে শিক্ষকতা করেছেন। এছাড়াও তিনি দীর্ঘ ৭ বছর যাবত মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে কাজ করছেন। ফিসারিজ ও ইংরেজীতে মাস্টার্স ডিগ্রীপ্রাপ্ত এবং এম.এড ডিগ্রী অর্জনকারী সুব্রত কুমার বৈদ্য বরেয়া মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করায় এলাকার অভিভাবক ও সচেতন মহলের মাঝে স্বস্তি বিরাজ করছে। নতুন যোগদানকৃত প্রধান শিক্ষক সুব্রত কুমার বৈদ্য প্রতিটি ক্লাস রুমে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্লাস পরিচালনার মাধ্যমে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নসহ সব দিক দিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest