সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগ

heroin-drug_11033আমির হোসেন খান চৌধুরী: বাংলাদেশের প্রাণ কোম্পানির পণ্য ভারতে রপ্তানি করে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানে করে মদ চোরাচালান করতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফ’র ধাওয়ায় পালিয়ে যায় কাভার্ড ভ্যঅনের চালক। মঙ্গলবার রাত প্রায় ৯.৩০ টার দিকে ভারত থেকে আসার সময় ওই কাভার্ড ভ্যানটিতে ভারতীয় দামি ৫০ বোতল মদ পায় ভ্যানটিকে চ্যালেঞ্জ করা বিএসএফ সদস্যরা। এ সময় প্রাণ কোম্পানির রপ্তানিপণ্য পরিবহনকারী কাভার্ড ভ্যানটির চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। এ সময় ভ্যানটি আটক করে বিএসএফ।
বিজিবি সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার দুপুর ১:৩০টা থেকে ২:৩০টা পর্যন্ত স্থায়ী ঘোজাডাঙা বিএসএফ’র এসি শিবদত্ত ও ভোমরা কোম্পানি কমান্ডার আবুল কাশেম এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে কাভার্ড ভ্যানটি বিজিবি’র নিকট ফেরত দেয় বিএসফ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc01992-copy-large
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মানবিক সাড়াদান কার্যক্রম সম্পর্কে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে ও ক্রিস্ট্রিয়ান এইড ও সুশীলনের সহযোগিতায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ.এফ.এম এহতেশামূল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, সুশীলনের ডেপুটি ডাইরেক্টর রফিকুল হক প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনিরা পারভীন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফ হোসেন, জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিবি খাদিজা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবুবক্কর সিদ্দীক, জেলা তথ্য অফিসার সিরাজুল হক মল্লিক, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, রেড ক্রিসেন্টের জেলা ইউনিট অফিসার আতিকুল ইসলাম, সুশীলনের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার জি.এম মনিরুজ্জামানসহ জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ। কর্মশালায় আগামী ১৩ অক্টোবর দূর্যোগ ও প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনাসভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগরে কাশিমাড়ীর গোদাড়া গ্রামের গাজী ফিস নামীয় মৎস্য ঘের থেকে ২ জন মাছ চোর আটক করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, গত ৪ অক্টোবর গভীর রাত্রে গোদাড়া গ্রামের জলিল মোল্যার পুত্র ইউনুচ মোল্যা (৩৫) ও আবুল কাশেম গাজীর পুত্র সায়েদ আলী (৪০) কে মাছ চুরি করা অবস্থায় গাজী ফিস ঘেরের কর্মচারী আফসার, মোস্তফা সহ অন্যান্য ব্যক্তিরা আটক করে স্থানীয় ইউ,পি মেম্বরের নিকট নিয়ে আসে। স্থানীয় ইউ,পি সদস্য জাহাঙ্গীর কবির(লাকী) জানান, চোরদের স্বীকারোক্তিতে  গোদাড়া গ্রামের আকবর মোল্যার পুত্র আলমগীর হোসেনের বাড়ী হতে দেশীয় রাম দা, হাসু, ছুরি,লোহার রড,মাছ ধরা জাল সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম  উদ্ধার করে কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে আনা হয়। পরে তাদেরকে শ্যামনগর থানায় প্রেরণ করা হলে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc01983-copy
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬  সুষ্ঠভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তুতি সভায় জানান হয় আগামী ১৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হবে। ৩ দিন ব্যাপি  বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৬  সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে ১৬, ১৭, ১৮ এই তিন দিন ব্যাপি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মুনসুর আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফ হোসেন, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আতিকুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনিরা পারভীন, জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিবি খাদিজা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবুবক্কর সিদ্দীক,  সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, রেড ক্রিসেন্টের জেলা ইউনিট অফিসার আতিকুল ইসলাম, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ক্রীড়া শিক্ষক ভদ্র কান্ত, শংকর কুমারসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরে সর্বহারা দলের প্রধান পরিচয়ে মোবাইল ফোনে টাকা চেয়ে একাধিক ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়া। গতকাল সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২- ৫৫ মিনিট পর্যন্ত সময়ে একই মোবাইল নং থেকে একাধিক ব্যক্তির কাছে মোটা অংকের টাকা চেয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। যাদেরকে টাকা চেয়ে হুমকি দেওয়া হয় তাদের মাধ্যমে জানাযায়, নিজেকে উত্তর বঙ্গের সর্বহারা দলের প্রধান এবং নাসির নাম পরিচয়ে ০১৬১৭-৭৭৩৩৪৩ নং মোবাইল ফোন থেকে সকাল ১১-১০ মিনিটে প্রথমে ফোন আসে উপজেলা সদরের বাদঘাটা গ্রামে স্থায়ী ভাবে বসবাস কারী বিশিষ্ট চিংড়ি চাষী শেখ আব্দুস ছবুর বাবলুর কাছে। তাকে বলা হয় আমাদের শতাধিক সদস্য কারাগারে আছে, তাদের পিছনে অনেক টাকা পয়সা খরচ হচ্ছে। এই মুহুর্তে ২২ লক্ষ টাকা দিতে হবে, টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের উঠিয়ে নেওয়া হবে এবং জীবন নাশের ও হুমকি দেওয়া হয়। এই দাবির টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর দাবি জানানো হয়। বিকাশ নং টি মোবাইলএর মাধ্যমে জানানো হয়, নম্বর টি ছিল ০১৯৩৩-২৪১৯৭৪ ঠিক একই ভাবে সকাল ১১-১৫ মিনিটে একই মোবাইল নং থেকে উপজেলা সদরের মৃত হাজী সোহরাব হেসেনের পুত্র জিএম আব্দুল কাদেরের কাছে ও ২২ লক্ষ টাকা এবং নকিপুর গ্রামের মৃত শিবপদ চক্রবর্তীর পুত্র শ্রী দুর্গাপদ চক্রবর্তী এর কাছেও একই অংকের টাকা দাবি করা হয়। এছাড়াও ইসমাইল পুর গ্রামের মৃত আলহাজ্ব আব্দুল জলিলের পুত্র ঠিকাদার আব্দুর রশিদের কাছে ও ৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে সকলের জন্য একই ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়। এঘটনায় গতকাল শ্যামনগর থানায় ১৮৫ ও ১৮৬ নং সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জি.এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা বাজারে সরকারি জায়গায় নির্মিত হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন কাঁচা বাজারে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন পাকা দোকান ঘর (ইমারত) তৈরি করছেন পাথরঘাটা গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রউফের দুই ছেলে মো. সেলিম রেজা ও মাসুম রেজা। সরেজমিনে জানা যায় তামান্না ফিসের স্বত্ত্বাধিকারি মো. সেলিম রেজা ও তার ভাই ঝাউডাঙ্গা মৌজার ১নং খতিয়ানভূক্ত ১৩৪/৭২ নং দাগে ৬৮৪ বর্গ মিটার জমির উপর অবৈধভাবে পাকা দোকান ঘর (ইমারত) তৈরি করছেন। ঝাউডাঙ্গা বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস বলেন, একে তো আমরা অধিকাংশই কাঁচাবাজারের নির্ধারিত ফুটপাতে বসি। এভাবে পাকা দোকান বাড়তে থাকলে আমাদের চট পেতে বসার জায়গাও থাকবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের দুঃখের শেষ নেই। কখনো কালী মন্দিরের চারপাশে, কখনো মাছ বাজারের পাশে আমরা দোকান পেতে বসি। যদি এভাবে কাঁচাবাজার সংকীর্ণ হতে থাকে আর মন্দির কর্তৃপক্ষ আমাদের বসার জায়গা না দেয়, তাহলে অধিকাংশ কাঁচামাল ব্যবসায়ীর ধান হাটের ব্যবসায়ীদের মত মেইন রোডের পাশে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না। এবিষয়ে ঝাউডাঙ্গা বাজার কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল হাই বলেন, আমি অসুস্থ থাকার কারণে বিষয়টি এখনো জানি না। তবে কাঁচাবাজারের ইটের সোলিং তুলে সেখানে পাকা দোকান নির্মাণ করা অবৈধ। ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তরা অবৈধভাবে পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। তাদেরকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে এবং মালামাল অপসারণ করতে মঙ্গলবারে নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে তারা নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছেন। ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি ও বাজারের ইজারাদার শেখ আব্দুল আলীম বলেন, অবৈধভাবে অনেকেই এভাবে মাছের আড়ৎ নির্মাণের ফলে কাঁচাবাজার সংকুচিত হয়ে আসছে। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মো. রমজান আলী বলেন, যেখানে দোকান হচ্ছে সেটা তার জায়গা। তবে অবৈধভাবে ইমারাত নির্মাণ হচ্ছে কি না আমার জানা নেই। তামান্না ফিসের স্বত্ত্বাধিকারি মো. সেলিম রেজা বলেন, আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই আমার জায়গায় নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। এছাড়া বিষয়টি স্থানীয় আ’লীগ নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদ, বাজার কমিটি ও ভূমি অফিসকে অবহিত করেছি। এছাড়া অবৈধ দোকানঘর নির্মাণকারী তার স্থাপনা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়। এভাবে সরকারি জায়গার উপর নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনিতে গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার এসআই বিজয় কৃষ্ণ মজুমদার অভিযান চালিয়ে উপজেলার আগরদাড়ী গ্রামের মানিক গাজীর পুত্র আঃ রশিদকে আটক করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে এসআই বিজয় কৃষ্ণ বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১(১০)/ ১৬ নং মামলা দায়ের করেছেন। আসামীকে গতকাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ডেস্ক: আশাশুনি উপজেলার ২৫টি সরকারি অফিসের মধ্যে ১৩টি অফিসের কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পদগুলো শূন্য থাকায় স্বাভাবিক কর্মকান্ড স্থবির হতে শুরু করেছে। উপজেলা পরিষদভুক্ত এবং উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও, এসি (ল্যান্ড), ওসি, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সহ বিভিন্ন অফিসের ২/১ টি বাদে বেশির ভাগেরই গুরুত্ব অনেক বেশী। অফিসগুলো জনগুরুত্বপর্ণ হওয়া স্বত্বেও বছরের পর বছর ধরে আশাশুনির অনেক অফিসে কর্মকর্তার পদশূন্য রয়েছে। তাছাড়া সম্প্রতি বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে এখান থেকে বদলী করা হলেও তদস্থলে কাউকে পোষ্টিং দেয়া হয়নি। শূণ্য থাকা পদগুলোর মধ্যে মৎস্য কর্মকর্তা, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা, সমবায়, সমাজসেবা, পল্লী উন্নয়ন, পরিসংখ্যান, নির্বাচন, মাধ্যমিক শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও সাব রেজিস্ট্রারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ রয়েছে। এসব পদে অর্ধস্থন কাউকে ভারপ্রাপ্ত করে, কাউকে ২/৩টি উপজেলার সাথে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে, কাউকে চলতি দায়িত্ব দিয়ে এসব অফিস পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে কোন কোন অফিসে মাসে একদিন, কোন কোন অফিসে মাসে ২/৪দিন করে কর্মকর্তাদের দেখা মেলে। ফলে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমসমুহ ফাইলবন্ধি হয়ে রয়েছে। জনসাধারণ দিনের পর দিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কোন কোন অফিসে বর্তমানে দৈনিকের পরিবর্তে সপ্তাহে ১/২ দিন করে অফিস কার্যক্রম চালু রাখার মত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিটিং বা জরুরি কাজে অফিসে না থাকলে সেদিন উপজেলা পরিষদ এলাকা জনমানবশূন্য মনে হয়। সেবা নিতে আসা অনেককেই অফিসে এসে বারবার ফিরে যেতে দেখা যায়।  তাই জনগুরুত্বপূর্ণ এসকল অফিস সমুহের শূন্য পদগুলোতে জরুরী ভিত্তিতে কর্মকর্তা নিযুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্ত্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী উপজেলাবাসী ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest